somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমি মিরাকলে বিশ্বাসী...আপনি ?
আমাদের মনের চোখে ভাসে ফেলে আসা পথের নানা সুখ- সাচ্ছন্দ। আমাদের শৈশব আমাদের পোড়ায় ভীষণ। আমাদের পেছনে কুল-কুল বয়ে যাওয়া নদীতে একদা কৈশোরে উদ্দাম ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সাঁতার কাটতে পারার স্মৃতি এখনো জাগরুক। আমাদের কেউ কেউ পানির জন্য কাতরাচ্ছে। তাদের বেয়নেটের আঘাতে রক্তাক্ত করে তা-ই পান করতে দেয়া হচ্ছে।

সন্ধ্যার ম্রিয়মান আলোয় আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছে নানা প্রজাতির পাখি। উড়ে যাচ্ছে দূরে কোথাও, কোন স্বাপ্নিক দেশে। আহা, যদি পাখি হতাম! এই জল্লাদখানা থেকে একদৌড়ে পালিয়ে যেতাম ভৌগলিক রেখা ভুলে। কে আছো আমাদের পরিত্রান করো। ঈশ্বর তুমি কি এখনো আছো ? স্বয়ম্ভূ তুমি ! হাহ্ !!

আমরা একে একে উঠে যাচ্ছি বেদীর উপরে। আমাদের হাত বাঁধা। পায়ে শিকলের মায়াবী চুমো। চোখে শেষ বিকেলের কুহক আলোর অপার্থিব ছ্টা ।আমরা হেরে যাওয়া বাতিল মাল।আমরা উজবুক। আমরা ভূঁইফোর উঁইপোকা। আমাদের জন্মই মৃতের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য। আমরা নিজেদের জন্য কিছু করার অধিকার রাখিনা। অন্যের তুষ্টিসাধনই আমাদের নিয়তী।

তোমাদের ছেনালীপনায় আমরা বাড়াতে চলেছি মৃতের মিছিল। আমাদের যারা আত্মহত্যা করেছে তারা ঢের বেঁচে গেছে। বেঁচে থাকাদের নিয়ে এখন শুরু হবে ফাঁসীর উৎসব। এই ছেনাল নগরে আমি কোন আশার আলো দেখিনা। তুমি কি দেখছো বন্ধু ?

আমি মিরাকলে বিশ্বাসী। তবু আশা করতে ভয় পাই আজ। আশা-র মত ভয়ংকর মিরাকলের মুখোমুখি হতে এখনো প্রস্তুত নই আমি ।

হে অনাগত মৃত্যু ! তোমাকে অভিবাদন। এই ছেনাল নগরী থেকে আমাদের পরিত্রানের একমাত্র উপায় তুমি। আমাদের গ্রহণ কর। তোমার বিশাল উন্মুক্ত সীমানা আমাদের জন্য উন্মুক্ত কর।

বেঁচে থেকে যারা এখনো রঙিণ স্বপ্নের ফানুস ওড়াচ্ছো, জেনে রাখ তোমাদেরও কাল আসছে, বেয়নেটের খোঁচা কিংবা তপ্ত শিশা শুধু নয় কুকুরের কামড়ে কামড়ে শেষ হবে তোমাদের জীবন। ভেবোনা, এ অভিশাপ! আমি দিব্যচোখে দেখতে পাচ্ছি তোমাদের সকরুণ আর্তনাদ। সে আর্তনাদে এগিয়ে আসার কেউ নেই। কারণ, ততদিনে সবাই মরে গেছে ।

পাপের পুজারীরাই তখন ঈশ্বরের আশীর্বাদধন্য। তাদের শোনার কান নেই। দেখার চোখ নেই। উপলব্ধির মন বা ত্বক কোনটিই নেই।

তখনও পাখি গাইবে, ফুল ফোটবে, শুধু বেঁচে থাকবেনা মানুষ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29536507 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29536507 2012-02-07 12:31:01
ব্লগীয় কটকটি খাবেন ? এসেন একটু চাইখ্যা যান...ব্যাফক বিনুদিত হউন....
এক সময় বই পইড়া ব্যাপক জ্ঞানী হইবার খায়েস জাগছিল। কিন্তু লক্ষ্য করলাম সব বই-ই জ্ঞান বিতরণ করেনা। কিছু কিছু বই জ্ঞান কাইড়াও লয়। কিছু কিছু বই যুগ যুগ পিছাইয়া দেয়। আবার কিছু কিছু বই পড়লে মাথার কিডনী নষ্ট হই যায়। পত্রিকা পইড়াও কিছুদিন আপডেট থাকার ব্যাপক কসরত করছিলাম। কিন্তু দেখলাম কিছু কিছু পত্রিকা ব্যাপকভাবে আমাকে বেকডেটেড বানাই দিতাছে।

ইন্টারনেটের সুবাদে কমিউনিটি ব্লগগুলার সাথে পরিচিত হইয়া ভাবছিলাম এইবার মত প্রকাশের ব্যাপক বাঁধাহীন জায়গা পাইলাম। যেই ভাবনাগুলো ডায়রীর পাতায় কিংবা মনের খেরো খাতায় ঘুইরা মরতো সেগুলা পাবলিকরে জানাইবার একটা উপায় হইল। ভাইবা দেখলামনা আমার অপরিণত চিন্তা পাবলিকরে জানানোর মইধ্যে লাভ না লস বেশি।

আমাদের মনে যত চিন্তা উদয় হয় সবই কি আমরা প্রকাশ করি ? করিনা । কারণ সবকিছু প্রকাশ করার মত নয়। অথচ ব্লগের সহায়তায় আমার পরিচয় গোপন থাকার সুবাদে আমরা অনেকই সেইগুলান উগরাইয়া দিতাছি। তাতে ফাইনাল্যি কী লাভ হইতাছে সেইটা নিয়া ব্যাফক সংশয় তৈরি হইতাছে। আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতায় উল্লসিত হইতাছি। আমরা সংযত আচরণ থেকে উন্মত্ত হইয়া পড়তাছি।

আমদের বিভেদজ্ঞান ব্যাপক। আমরা সর্বত্র বিভাজিত হতে ভালবাসি। বাই ডিফল্ট আমরা বিভাজনকামী জাতি। কোন উপলক্ষ্য ছাড়াই আমরা কামড়াকামড়ি করি। আমাদের পেটের ভাত হজমের জন্য কামড়াকামড়ি এক মহৌষধ।

আমরা আইন দিয়া সব ঠিক করতে চাই। আমরা চাই আরেকজনে আইসা আমার কাম কইরা যাউক। বিছানায় শুইয়া শুইয়া ভাবি আমার একমাত্র চাহিদা আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ। যে আমার সব চাহিদা আমার মনের মত কইরা পূরণ কইরা দিব। আমি খালি কমু 'কুন' বাস খেল খতম 'ফাইয়াকুন'।

বাতাসে ভাসে লম্পট রাজনীতি। ধর্ম, অধর্ম, জ্ঞান কিংবা মূর্খতা এখানে অপাংক্তেয়। স্বার্থই একমাত্র ঈশ্বর ! প্রতারক সময়ে প্রতারকরাই আমাদের আরাধ্য। আমার মতের পক্ষে গেলে আমরা শুয়োররেও চুম্বন করি। মতের বিপক্ষে গেলে জন্মদাতাকে উষ্ঠা মারি।

জয় বাঙালী। জয় মা কালী। বাংলার জয় হোক। 'নিপীড়িত মানবতা মুক্তি পাক অন্তিম সমরে।' আমাদের বিভেদজ্ঞান বাড়তে থাকুক সকল সূত্র উপেক্ষা করে আমাদের মনের মত করে। আমরা হয়ে উঠি যা চাই তা-ই করতে পারার জাতি। সব পাইতে গিয়া আমরা চির বঞ্চিতদের রাজত্ব কায়েম করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29533201 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29533201 2012-02-01 12:21:16
ফেসবুক স্ট্যাটাস ও ছয় মাস জেল
তারেক মাসুদ আর মিশুক মনির মারা যাওয়ায় কেউ কেউ খুশী হইতারে। তয় অধিকাংশ মানুষই কষ্ট পেয়েছিল। কেঁদেছিল অনেকে। অনেকে ক্ষোভে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিছিল।

সেইরাম একটা স্ট্যাটাস দিয়া পুরা কট জাবির এক শিক্ষক। তারে আদালত স্বপ্রনোদিত হইয়া শাস্তি দিয়া দিছে।

এই খানে দেখেন

এখন তো সাহসে আমার আডু কাপতাছে। কখন যে আদালত স্বপ্রণোদিত হইব আল্লা মালুম। তারচেয়ে বরং আমি প্রশংসা কইরা ঈশ্বরগুপ্তের কয়টা লাইন আওড়াই_

" তুমি মা কল্পতরু
আমরা সব পোষা গরু
শিখিনি শিং বাঁকানো
''''''''''''''''''''''''''
'''''''''''''''''''''''''''''
আমরা ভূষি পেলেই খুশি হব
ঘুষি খেলে বাঁচব না।''

বদ পোলাপাইন নতুন ধান্দা বাইর করছে। মরণ কামনায় জেল হইছে। কোটি বছরের আয়ু কামনায় কি কোটি টাকা পাওয়া যাইব ? আমি এখন কোটি বছরের আয়ু কামনাকারীদের দলে। মাগো তুই শত-কোটি বছর বাইচা থাক। আমার বাড়ি ঘর কিছু দেওন দরকার নাই।

ঘটনা যখন ঘটে তখন ম্যালা জল ঘোলা হইছিল। আমাগো মলিকিউল সেইটা নিয়া একটা পোস্টও দিছিল। কিন্তু এইভাবে যে তার জেল হবে আদালত অবমাননার দায়ে সেইটা কি জনকণ্ঠও ভাবতে পারছিল ?

আরো জানা যাবে মলিকিউলের পোস্টে।

অনেক ট্রাই কইরাও আমার আগের পোস্ট মুছতে পারলাম না। কেউ একটু কইয়া দেন তো কেম্নে পোস্ট মুছুম ? এখন তো দেখি সাইবার গুপ্তচরদের হাত থেকে বাঁচা দায় হইয়া গেছে। কখন যে কে কি ফাঁস কইরা দেয় খোদা জানে।

আমি ঠিক করছি। মুখে তালা লাগাইয়া দিমু। কী বোর্ডে পানি ঢাইলা দিমু। কম্পুটার সের দরে বেইচা দিমু। নেট কাটিং কইরা দিমু। কারণ এইসব দিয়াই তো স্ট্যাটাস দেওয়া যায়-সুতরাং এইসব রাখার দায়েও আমারে শাস্তি দিতে পারে।

সুতরাং ব্লগে / ফেসবুকে আসা তো দূরের কথা কম্পিউটারেও বসবনা আর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29516090 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29516090 2012-01-04 15:13:44
ফুটবল কোচের বিদায়: উদোরপিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর নির্লজ্জ প্রয়াস
শেষ পর্যন্ত প্রস্তুতি ম্যাচ দুটো বাতিল করতে হয়। একটি আয়োজক দেশের এ ধরনের চরম অবমাননাকর আচরণ বিশ্বে বোধহয় খুব একটা ঘটেনি। তবু বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোন প্রতিবাদ জানানো হয়নি। অথচ উচিত ছিল ওই খেলায় দল না পাঠানো। বাংলাদেশ যদি ভারতের ওই আচরণের প্রতিবাদে সাফে দল পাঠানো থেকে বিরত থাকত তাহলে ভবিষ্যতে ভারত বাংলাদেশের সাথে এ ধরনের আচরণ করতে সাহস করত না।

কিন্তু এদেশের ক্ষমতায় যেমন বালের মত ভারততোষিত সরকার, তেমনি ফুটবল ফেডারেশনেও ভারতমাতার শাবককুল। তারা খেলা বয়কট করবে কি পারলে তো ভিসা জটিলতায় কোচ বা দুই-একজন খেলোয়াড় বাদ পড়লেও তারা যাওয়ার জন্য এক পায়ে খাড়া। যে কোন ভাবে একটা বিদেশ ভ্রমণ করতে পারলেই হোল।

বাংলা নিউজকে বাদল রায় বলেছিল, আয়োজক দেশের উচিত অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ভিসা নিশ্চিত করা। যে ছেলেটিকে আমরা হাই কমিশনে পাঠালাম, সারাদিন সে রাস্তাতেই বসে থাকলো। কেউ তাকে কেয়ার করল না।

তো কি করেছে বাফুফে ? শেষ পর্যন্ত ভিসা না পাইলে দল পাঠাবনা টাইপের একটা হুশিয়ারি দিল। (আরে ব্যাটা ভিসা না পাইলে যাবি কেম্নে ?) টানা কয়েকদিন মানসিক টর্চারে থেকে শেষ পর্যন্ত ভারত যায় ফুটবল দল। ফল যা হবার তা-ই হল এক ড্র আর দুই পরাজয় নিয়ে প্রথম পর্ব থেকেই আউট বাংলাদেশ। আর চ্যাম্পিয়ন ? তা কি আর বলতে ! ভারত !

এবার হম্বিতম্বি শুরু ফুটবল কর্তাদের। এই জঘন্য কোচকে আর রাখা যাবেনা। তাকে বিদায় করতে হবে। কোচ বিদায় নিলেন। এরপর কি ? গত তিনবছরে এ পর্যন্ত চারজন বিদেশী কোচ বিদায় করল তারা। আবারও কি তা-ই করবে ? যাচাই-বাছাই না করে আরেকজনকে নিয়োগ দিবে ? এবং যথারীতি টয়লেট টিস্যূর মত ছুড়ে ফেলবে ?

আমরা আম পাব্লিকরা ট্যাক্স দিয়া মরতাছি আর ওরা আছে দেশের টাকা আর ফুটবলের বারোটা বাজানোর ধান্দায়! ব্যাটা ঠিকমত কাজ করতে না পরলে ভাগ ওইখান থিক্যা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29507721 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29507721 2011-12-22 10:42:05
সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার চাইনা আমি ......
রাজাকার আর মুক্তিযোদ্ধা সবাই এ দেশে সমানাধিকার পাবে কেন ?

আমরা জানি মালয়েশিয়ায় দুই ধরনের নাগরিক রয়েছে। যারা ওখানকার আদীবাসী বা মালয়ী তাদেরকে বলে ভুমিপুত্র। তারা হলো প্রথম শ্রেণীর নাগরিক। আর যারা চীনা বা বহিরাগত পরবর্তিতে মালয়েশিয়ায় গিয়ে স্থায়ী হয়েছে তারা হল দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক। দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকরা নিজ নামে ট্রেড লাইসেন্স করতে পারেনা। একমাত্র প্রথম শ্রেণীর নাগরিকরা তা করতে পারে। ফলে সে দেশে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই প্রথম শ্রেণীর নাগরিকদের । চীনারা বা অন্যান্যরা ব্যবসা করতে চাইলে মালয়ীদের সাথে নিতে হয়। ফলে তারা সব সময় একটা সুবিধা পেয়ে থাকে।

আমি মনে করি আমাদের দেশে তিন শ্রেণীর নাগরিক থাকা উচিত।

০১. মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান-সন্ততিগণ
০২. অমুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান-সন্ততিগণ ও
০৩.রাজাকার,আল-বদর ও তাদের সন্তান সন্ততিগণ।

এবার আসি এই তিন ধরনের নাগরিকের সুবিধা অসুবিধা নিয়ে ।

০১.
বর্তমানে সংবিধান অনুযায়ী যে সকল সুবিধা একজন নাগরিক পায় তার সবই পাবে ০১ নম্বর অর্থাৎ মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের সন্তান সন্ততিগণ।

০২.
দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকগণ রাজনৈতিক দল গঠন বা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ছাড়া আর সকল কাজের সুযোগ সুবিধা পাবে।

০৩.
তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিকগণ রাজনীতি ও ব্যবসা ছাড়া সকল কাজে অংশগ্রহণ করতে পারবে। ভোট দেয়া ছাড়া আর কোন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেনা।নিজের নামে ব্যবসা করতে পারবেনা কারো পার্টনার হতে পারবেনা। তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মচারী-কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে। এমনকি তারা কোনদিন বিচারকও হতে পারবেনা।

আমি মনে করি, নাগরিকত্বের এই তিন ক্যাটাগরি করে এই ভাবে যদি সুযোগ-সুবিধা বন্টন করা হয় তাহলে কোন রাজাকার কোনদিন মন্ত্রী-এম্পি হতে পারবেনা।

বন্ধুগণ আপ্নারা যদি আমার সাথে একমত হন তাহলে আসুন সবাই মিলে জনমত গঠন করি এর পক্ষে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29505253 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29505253 2011-12-18 15:38:05
দেশকে মা বললে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যায় ????
আমাদের দেশে ভাষা ব্যবহারে দুই ধরনের মৌলবাদী দেখতে পাওয়া যায়:

এক. এরা কোন মুসলমানী শব্দ ব্যবহার করেননা -প্রয়োজন হলেও।

দুই. প্রয়োজন না থাকলেও মুসলমানী (আরবী-ফার্সী) শব্দ ব্যবহার করে। এবং সবসময় তারা প্রতিষ্ঠিত কোন হিন্দুয়ানী (যে শব্দগুলো হিন্দু পুরাণের সাথে সম্পর্কযুক্ত) শব্দের বিকল্প শব্দ নির্মাণে সচেষ্ট-তাতে ভাষার লাভ হোক বা ক্ষতি হোক তাতে তাদের কিছু যায় আসেনা। যেমন- কৃষ্ণচূড়া শব্দের পরিবর্তে তারা ব্যবহার করে রক্তচূড়া।

এই বিরোধ সহসা মিটে যাবে এমনটা আমি ভাবছিনা। তবে একটা বিরোধ না মিটালে জাতির মধ্যকার বিভাজন কখনো দূর হবেনা।

কাল একজনকে বলতে শুনলাম-দেশকে মা বলা আমাদের আক্বীদা পরিপন্থী। মানে দেশকে মা বললে মুসলমানদের ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। তার এই কথায় আরো অনেককে সাপোর্ট দিতে শুনলাম। তখন নিজেকে একেবারে মুর্খ মনে হল। এত বছর বয়সেও একজন মুসলিম হয়ে জানলামনা যে আমার ঈমান অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। কারণ সেই ছোটবেলা থেকেই তো আমি জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে আসছি। আর জাতীয় সঙ্গীতে তো দেশকে মা বলে সম্বোধন করা হয়েছে।

তো যারা মনে করে জাতীয় সঙ্গীত গাইলে মুসলমান আর মুসলমান থাকেনা তারা নিশ্চয়ই সবসময় সুযোগ খুঁজবে জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের। আর অন্যরা নিশ্চয়ই কখনো তা হতে দিবেনা। তাহলে এ বিরোধের মিমাংসা কিভাবে সম্ভব ?

এ ব্যাপারে চুপিসারে নিজেদের মত নিয়ে ঘুরে না বেড়িয়ে আমি সেই সব মুসলিমদের আহ্বান জানাব আপনারা যারা মনে করেন এই গান গাইলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে তারা নিজেদের যুক্তিসহ বিষয়টা জনসম্মুখে তুলে ধরুন। আর স্বাধীনতার ৪০ বছরেও যদি নিজেদের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে আপনাদের আপত্তি থাকে সেটা তো অবশ্যই দুর্ভাগ্যজনক!

আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, দেশকে মা বললে তাতে ঈমান যায়না। যারা মনে করেন ঈমান যায় তাদেরকে অনুরোধ করছি সে ব্যাপারে কোরান হাদীসের কোন রেফারেন্স থাকলে দিবেন দয়া করে। আর যারা মনে করেন যে দেশকে মা বললে ঈমান চলে যায় স্বাধীনতার ৪০ বছর পর কি তাদের ঈমান আদৌ আছে ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29504166 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29504166 2011-12-16 19:11:27
বন্ধু কেমন আছিস তুই !!!
ডাইরেক্ট, ডাইরেক্ট, কাজীপাড়া, শ্যাওড়াপাড়া, মিরপুর-১০,১১,১২ ডাইরেক্ট।-এভাবেই ডাকছিল ছেলেটা।নিউমার্কেটের মোড়ে বিকল্পের একটা গাড়ি। ওটাকে ৩৬ নম্বরও বলা হয়। অনেক যাত্রীর ভীড়ে ঠেলাঠেলি করে উঠলাম। পেছন দিকে একটা সিটে বসে পার করতে লাগলাম ঢাকার বিখ্যাত জ্যামগুলো।

রাতের অন্ধকারে মাঝে মাঝেই হানা দিচ্ছে সোডিয়ামের রঙজ্বলা আলো। বাইরে ব্যস্ত পায়ে পথচারীদের আনাগোনা, কন্ট্রাক্টর ছেলেটাকে ঠেলে এই সিটিং সার্ভিসের বাসেও ৩/৪ জন দাঁড়িয়ে রওয়ানা হয়েছেন গন্তব্যে।দু-একজন মৃদু প্রতিবাদ করেই থেমে গেলেন। মগ্ন হয়ে গেলেন নিজস্ব ভাবনায়। আমি সদ্য শেষ করে আসা রিহার্সেলের বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিকগুলো ভাবছি।

সিটি কলেজ পার হলে ভাড়া তুলতে শুরু করে ছেলেটা। আমি পকেট থেকে টাকা বের করে প্রস্তুত ভাড়া মেটানোর জন্য। কিন্তু আমার সামনের সারিতে একটা ব্যতিক্রম হল। যাত্রিরা ভাড়া দিতে চাচ্ছে ছেলেটা ভাড়া নিচ্ছেনা। বরং জিজ্ঞেস করছে -কোথা থেকে উঠেছেন ? একসময় যাত্রী দুজন বলল অন্তত হাফ ভাড়া নেও। তা-ও নিলনা।

ভাড়া কেটে ছেলেটা আবার ওই দুজনের কাছে এসে দাঁড়াল। কবে এসেছিস ঢাকায়। এবার তুমি করেই সম্বোধন। বুঝতে পারলাম ওরা তার পরিচিত। তারপর তিনবন্ধুর আলাপচারিতা। জানতে পারলাম একসাথেই পড়ত ওরা। যাত্রী দুজন এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ৫ বছর আগে এক্সিডেন্টে বাবা মারা যাবার পর ঢাকায় চলে আসে ছেলেটা। সংসারের দায়িত্ব তুলে নেয় কাঁধে। মা এবং ছোট ভাই বোনকে নিয়ে আসে নিজের কাছে ঢাকায়। একটা বোনকে এর মধ্যে বিয়েও দিয়েছে।

ছেলেটার চোখে আমি খেয়াল করলাম আনন্দাশ্রু। 'কতদিন পর তোদের সাথে দেখা হল। একজনকে ইঙ্গিত করে বলল -'ক্রিকেটে ওর সাথে আমার জুটি হত ভাল। আরো বলল, কোনদিন কোন স্যারের মাইর খাইনাই। পড়াশুনা, খেলাধূলা সবকিছুতেই তো ভাল ছিলাম। কিন্তু কি আর করা, বাপ মরে গেল এক্সিডেন্টে !' আমি হঠাৎ অনুভব করলাম বন্ধুদের দেখে ওর চোখের আনন্দাশ্রু আমাকেও প্লাবিত করছে। আমার চোখ দুটো জ্বালা করে উঠল।

খুব করে দু-বন্ধুকে বলল অবশ্যই বাসায় আসবি। পরিচিত মানুষজন দেখলে খুব ভাল লাগে। মিরপৃর যখনই আসবি আমারে জানাবি। আমি তোদের সাথে দেখা করব।তারপর তিনবন্ধুর আলাপ চলতে থাকে থেমে থেমে। আমি পৌঁছে যাই মিরপুর-১০।ওরা যায় আরো সামনে হয়তো ১২ নম্বর।

প্রতিদিন অতিরিক্ত যাত্রী তোলার কারণে কন্ট্রাক্টরের সাথে যাত্রীদের ক্যাচাল হয়। আমিও কতদিন এভাবে অতিরিক্ত যাত্রী তোলার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এখন কেন যেন প্রতিবাদ করতে পারিনা। মনে হয় ওই ছেলেটার ইনকামে হয়তো চলছে তার গোটা পরিবার। হয়তো ছেলেটার বাবা মারা গেছে। মা আর ভাই বোনের দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছে সে। আমার সামান্য কষ্টে ওর যদি কিছু টাকা বেশি রোজগার হয় হোকনা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29492191 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29492191 2011-11-28 16:17:49
ওরিয়ানা ফালাচি বলেছেন মুজিব খুব খারাপ লোক ছিল অতএব সে খারাপ!!!
ব্লগে অনেকদিন ধরেই চলেছে মুজিবের এই সাক্ষাৎকার নিয়ে আলোচনা সমালোচনা। যারা মুজিবের সাক্ষাৎকারটাকে গুরুত্ব দিয়ে তাকে হেয় করার ফালাচির কৌশলের কাছে মাথানত করেছেন তারা হয়তো জানেন না যে এই ফালাচি সিআইয়ের একজনএজেন্ট ছিলেন। এবং শেষ জীবনে নিজ দেশ ত্যাগ করে আমেরিকায় স্থায়ী হয়েছিলেন। এমনকি আমেরিকার প্রশংসা করতে গিয়ে নিজ দেশ ইটালীকে গালাগালি পর্যন্ত করতে পিছপা হননি।

ফালাচি দেখাতে চেয়েছেন, শুধু মুজিব নয়, গোটা বাঙালী জাতিটাই কতটা বর্বর এবং রক্তপিপাসু ,খুনে, জল্লাদ! ফলে এদেশীয় কিছু জ্ঞানপাপী বইটা লুফে নিল। অনুবাদ হলো, ব্যাপক প্রসারের ব্যবস্থা হল। তাদের অধিকাংশই পুরো বইটা পড়লোনা। পড়ল শুধু একটা সাক্ষাৎকার। শেখ মুজিব এবং মুক্তিবাহিনী হয়ে গেলো গাদ্দার আর ফালাচী হলেন জাতীয় মুক্তির মহানায়ক! এমনকি তার এই বইয়ের রেফারেন্স দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ থেকে বলা হল মুক্তিযোদ্ধারাও যুদ্ধাপরাধ করেছে তাদেরও বিচার হতে হবে।

ফালাচির বই নিয়ে মুজিবের চরিত্রে কলংক লেপনের চেষ্টা বেশ জোরেশোরেই ব্লগগুলোতে চোখে পড়ছিল। ভাবছিলাম একটা পোস্ট দিব। কিন্তু সময় করে উঠতে পারছিলামনা। দু-একটা মন্তব্য শুধু করছিলাম। (Click This Link)

ফালাচীর বইটা পড়ে তাকে আমার কাছে একজন মুসলিম বিদ্বেষী ছাড়া আর কিছুই মনে হয়নি। কারণ তিনি গোল্ডামায়ারের মত একজন গণহত্যার নায়ককে বানিয়েছেন (তার সাক্ষাৎকারে) মমতাময়ী মা হিসেবে। আর আরাফাতকে বানিয়েছেন সন্ত্রাসী হিসেবে। এমনকি ভুটো আর ইন্দিরার আলোচনায়ও ইন্দিরাকে যেমন মহীয়সী হিসেবে দেখিয়েছেন তেমনি ভুট্টোকে দেখিয়েছেন খল, দাম্ভিক হিসেবে। তার সাক্ষাৎকারে যে ক’জন মুসলিমকে নিয়ে এসেছেন আপনি যদি বইটা পড়ে থাকেন তাহলে বুঝবেন কতটা বিকৃত ভাবে তাদের উপস্থাপনের চেষ্টা তিনি করেছেন। এ প্রসঙ্গে তার নিজের কথাই প্রণিধানযোগ্য: প্রতিটি সাক্ষাৎকারই আমার নিজের আঁকা ছবি। আমি যদি তোমার চিত্রকর হতাম এবং তোমার ছবি আঁকতাম, তবে সে সময় আমি তোমাকে যেভাবে আঁকতে চাইতাম সেভাবে আঁকার অধিকার কি আমার থাকতো না ?‍‍' http://www.sachalayatan.com/barnadut/20142

তার সম্পর্কে একটু খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারলাম বণর্বাদের দোষে তিনি নিজ দেশেই নিন্দিত। বলাবাহুল্য, তার এই বর্ণবাদ শুধু মুসলিমদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি তার আরেকটা বই আমার হাতে এসেছে (অনুবাদ) যেটার কিছু নমুনা দেখলেই বোঝা যাবে সে কতটা মুসলিম বিদ্বেষী। পাশাপাশি এটাও বলতে চাই তার মুসলিমবিদ্বেষ যৌক্তিক নাকি অযৌক্তিক আমি কিন্তু সে প্রসঙ্গে এখানে কিছু বলবনা।

১.আমি নির্দ্বিধায় বলতে চাই, সন্ত্রাসবাদের আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শনের দায়িত্বে আছেন অসংখ্য ইমাম। ফলে, নীতিগতভাবে তারাও সন্ত্রাসবাদীই।

২. আমি সরাসরি বলতে চাই, আমাদের সংস্কৃতিতে মুয়াজ্জিন, মিনার, সংযম নিয়ে মিথ্যে গলাবাজী, অপমানসূচক চাদর, অবমাননাকর বোরখার কোনো স্থান নেই। আর কোন স্থান থাকার প্রয়োজন যদি দেখা দেয়, তা-ও আমি দেবোনা। (এখানে বলা দরকার, তিনি অনেক আগে থেকেই ইতালিতে মুসলিম অভিবাসনের বিরুদ্ধে, এবং তিনি চান পুরো ইউরোপ থেকে মুসলিমদের সমূলে উচ্ছেদ।)তার মতে মুসলমানরা হল-সন্ত্রাসী, চোর, ধর্ষণকারী, অভিযুক্ত আসামী, দেহজীবী, ভিক্ষুক, মাদক পাচারকারী, ছোঁযাচে রোগে আক্রান্ত।

৩. .....এই সেই পাহাড় (পাহাড় বলতে বুঝিয়েছেন ইসলাম ধর্মকে), যা বিগত চৌদ্দশত বছর ধরে নড়েনি, অন্ধত্বের চূড়া থেকে যে একবিন্দুও ওঠেনি, সভ্যতার সন্ধানে যে তার দরজা খুলে দেয়নি, স্বাধীনতা-গণতন্ত্র-প্রগতির কথা যে কখনো জানতে চায়নি। এক কথায় যে আজ অবধি পাল্টায়নি।পশ্চাৎমুখী প্রভুদের (রাজা-রাজপুত্র-শেখ-ব্যাংকার) লজ্জাহীন ধনদৌলতের পরও পাহাড়টি আজো বেঁচে আছে এক লজ্জাজনক দারিদ্র্যর মধ্যে, বেড়ে উঠছে এমন এক ধর্মের দানবিক অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যে কেবল ধর্মই উৎপাদন করতে পারে। পাহাড়টি ক্রমশই নেমে যাচ্ছে অশিক্ষার দিকে (ভুলে গেলে চলবেনা যে, প্রায় প্রতিটি মুসলিম প্রধান দেশেই অশিক্ষার হার ষাট শতাংশের বেশি)। এই সে পাহাড় যে তথ্যের জন্য ভরসা করে পশ্চাৎপদ ইমামদের উপর অথবা কার্টুনের উপর। এই সে পাহাড় যে গোপনে আমাদের হিংসা করে, স্বীকার না করলেও আমাদের জীবন যাত্রায় ঈর্ষাকাতর। আবার নিজেদের জাগতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দৈন্যদশার জন্য আমাদের দায়ী করে।

৪. ‘মুর্খ কোথাকার!’ সম্বোধনে ইয়াসির আরাফাত প্রসঙ্গে বলেন, এই মিথ্যেবাদী লোকটি কেবলমাত্র ইসরাইলের অস্তিত্ব অস্বীকার করার সময় (গোপনে) খুব নিষ্ঠার পরিচয় দেন। এমনকি এই ভন্ড লোকটাকে সময় জিজ্ঞেস করবার সময়ও বিশ্বাস করা যায় না। এই আপাত বিপ্লবী লোকটা তার নিজের দেশের মানুষের জন্য ন্যূনতম গণতন্ত্রও নিশ্চিত করেনা।

৫.মক্কার দন্ডায়মান তাঁবুতে আমি কখনো যাইনা। নবীর কবরের সামনে দাঁড়িয়ে আমি প্রার্থনা বাক্য বা দোয়া পড়তে যাই না। আমি তাদের মসজিদের গায়ে মূত্রপাত করিনা। কখনো, মলত্যাগও করিনি।(- এখানে কি তার ইসলামের প্রতি সম্মান প্রদর্শিত হয়েছে ? নাকি ততধিক অবজ্ঞা ?)

এরকম আরো অসংখ্য উদাহরণ দেয়া যাবে যেখানে তিনি মুসলিম জাতির প্রতি তার ক্ষোভ উদগীরণ করেছেন। বইটি বাংলায় প্রকাশ করেছে সন্দেশ। প্রকাশকের একটি কথা প্রণিধানযোগ্য- ফালাচি একসময়ে বামপন্থী বলে পরিচিত ছিলেন। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাবার পর পর গত দেড় দশকে ইউরোপীয় বামপন্থীদের অনেকেই তাদের সুর বদলে ফেলেছেন। তারা কেউ কেউ আমেরিকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভেতর নতুন সময় ও নতুন সহস্রাব্দের যথাযথ প্রতিশ্রুতি খুঁজে পেয়েছেন। এই সব বামপন্থীদের বিভ্রান্তির এক করুণ উদাহরণ ওরিয়ানা ফালাচি। আমাদের দেশে একসময় অনেকেই ফালাচি ও তার সতীর্থ বামপন্থীদের শ্রদ্ধার চোখে দেখেছেন। এই বই সে বিভ্রান্তি দূর করবে, গ্রন্থটি প্রকাশের পেছনে আমাদের এই বিবেচনাও কাজ করেছে।

তো ফালাচির সব কথাই কি মিথ্যা ? নিশ্চয়ই কিছু কিছু সত্য আছে। এই যুক্তি দিয়ে মুজিব বিরোধীরা বলতে পারেন যে, মুজিবের বিরুদ্ধে যে কথাগুলো বলেছেন তা সব সত্য। আর ইসলাম সম্পর্কে যা বলেছেন তার সবই মিথ্যা। খুব ভাল কথা। একই যুক্তি দিয়ে আমি যদি বলি ইসলাম সম্পর্কে যা বলেছে সব সত্য আর মুজিব সম্পর্কে যা বলেছে সব মিথ্যা। মানবেন আমার কথা ?

এবার আমি কুরআনের একটি আয়াতের প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করব- হে মুমিনগণ, যদি কোন ফাসেক ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসে তবে তা যাচাই না করে তোমরা এমন কোন কাজ কোরোনা যাতে করে তোমাদের পরবর্তিতে পস্তাতে হয়। (সুরা হুজরাত, আয়াত-৬)

আর কিছু বলার নেই আমার। আমার এই পোস্টের কল্যাণে যদি কোন ছাগুগোত্রীয় আমাকে আওয়ামী দালাল বলে মনে করেন তাদেরকে বলব আমার আগের ব্লগগুলো পড়লে আপনি বুঝবেন আমি কে ? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29491610 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29491610 2011-11-27 17:47:03
বিশ্বাসঘাতক প্রভু ও আস্থায় অবিচল দাসের জলকেলী...... দাস বলিল-আমি আপনার থেকে কখনোই বিমুখ হইবনা, কারণ আপনিই আমার একমাত্র আরাধ্য।
প্রভু বলিলেন-তথাস্তু।

অতপর গঙ্গা-ভাগীরথী আর টিপাইমুখে অনেক জল গড়াইয়া গেল। কিন্তু জলকেলীর সুফল প্রভু একাই ভোগ করিতে লাগিলেন।

সম্প্রতি একটি ঐশী সংবাদ দাসদেশীয় কেউ কেউ জানিতে পারিয়াছে। উহাতে বলা আছে প্রভু আর কখনোই নিজের কথার মর্যাদা রাখিতে পারিবেন না। কারণ, প্রভুর ক্ষমতা কমিয়া গেছে। তার অধীনস্ত অনেক বড় বড় অধিপতিকে ক্ষমতা প্রদান করিতে করিতে তার কাছে আর ক্ষমতা অবশিষ্ট নাই। তিনি নেহায়েতই নিধিরাম সর্দার হইয়া বৃদ্ধাঙ্গুলি চুষিতেছেন। এ প্রসংগে দাসের দেশের জনৈক অবাধ্য কলামিস্ট মমতা নাম্নীয় অতি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন আমাত্যের প্রসংগ টানিয়া বলিলেন, তাহার ধমকেই বেচারা প্রভুর লুঙ্গি খুলিয়া যাইবার উপক্রম হইয়াছে এই প্রভু আমাদের এখনি পাল্টানো দরকার।

দেশের আপামর জনতার চাপে পড়িয়া দাস মহাশয়া কিছুদিন আগে প্রভুর সাথে একটা আপোষরফা করিতে বাধ্য হইয়াছিল। তাহাতে প্রভু বলিয়াছিলেন, তোমার দেশের কোন ক্ষতি হয় এমন জলকেলী আর কখনোই হইবেনা। কিন্তু এবারও দাসের দেশীয়রা হতাশ হইয়া লক্ষ্য করিল আপোষরফার শর্ত লংঘন করিয়া প্রভু আবার নতুন জলকলীর নকশা আঁকিয়াছেন।

আপোষরফায় ছিল উহাদিগকে না জানিয়ে আর এধরনের কেলী করা হবেনা। কিন্তু তাহারা জানিয়াছে এক মাস আগেই প্রভু নতুন করিয়া টিপাইমুখে জলকেলীর আয়োজন করিয়াছে। যাহা তাহারা জানেইনা। এমনকি দাস-প্রভু যৌথ সমীক্ষা বা এ জাতীয় কিছু না করিয়াই প্রভু তার চরম বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়াছেন।

আগের থেকেই অবাধ্য দাসদেশীয় প্রজাগণ বলিতে শুরু করিয়াছে, অন্য কোন প্রভুর কাছে এই ব্যাপারে আগে থেকে নালিশ না করে রাখার খেসারত এখন আমাদিগকে দিতে হবে। আমরা আর কখনোই জলের হিস্যা পাইবোনা। এমনকি হিসু করিবার পরও নয়।

তবু প্রভুর প্রতি দাস মহাশয়ার অবিচল আস্থায় সামান্যতম চিড় ধরেনি। তিনি প্রভুকে বলিলেন -তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইবনা কেন ? তুমি যতই আমাদের জলকেলীর অধীকার কাড়িয়া নেওনা কেন, আমি যতদিন তোমার কৃপায় উহাদের অধিপত্নি আছি, ততদিন তোমার প্রতি আমার আস্থায় কোন নড়নচড়ন হবেনা।

প্রভু বলিলেন-বৎসে তোমার আস্থাই আমার ভরসা। মনে রাখিও আমি না থাকিলে তোমার অস্তিত্ব মিথ্যা হইয়া যাবে।
---------------------------------
খবরে প্রকাশ: দাস দেশীয়রা তাদের অধিপত্নি পাল্টানোর মনস্থ করেছে। কিন্তু প্রভু মুচকি হাসিয়া তার আমাত্যদের বলিতে লাগিলেন এইটাকে পাল্টাইয়া যেইটাকেই তারা তাদের অধিপতি করুক না কেন মনে রাখিবা সবাই আমার প্রতি নতজানু হইয়া থাকিবে।

ব্রেকিং নিউজ: দাসদেশীয় কয়েকটি নরাধম ব্লগে, পত্রিকার পাতায় এবং টকশোতে প্রভুর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা প্রদর্শন করিতেছে বিধায় দাস মহাশয়া তাদেরকে ন্যাংটা করিয়া প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় দাঁড় করাইয়া রাখার নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন।

দাস পক্ষীয় মর্মাহত কয়েকজন অবশ্য প্রভুর বিরুদ্ধে কথা বলতেছে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29486936 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29486936 2011-11-20 15:02:59
মায়োপ‌্যাথির চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাই ...
আমার বড় ভাই এ ধরনের রোগে আক্রান্ত। ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন (২০০০ সালের দিকে) এই রোগের কোন চিকিৎসা এখনো আবিস্কৃত হয়নি।(ঢাকার সিএমএইচের ডাক্তার)। আমার বড় ভাইয়ের বয়স যখন ৩০+ তখন তিনি অনুভব করতে থাকেন যে তার হাতের জোর আগের থেকে আস্তে আস্তে কমে আসছে। তিনি এক সময় ব্যায়াম করতেন। তার হাতদুটোর মাসল বেশ স্বাস্থ্যবান ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে শুকাতে শুকাতে এখন একেবারে শীর্ণ হয়ে গেছে। হাত দিয়ে দুই কেজি ওজনের কিছু তুলতে গেলেও অনেক কষ্ট হয়।বলা যায় কোন ধরনের কাজই তিনি এখন আর করতে পারেননা।

মাঝে মাঝেই আমরা বিভিন্ন ধরনের ডাক্তার দেখাই তাকে। (যখন জানতে পাই যে অমুক ডাক্তারের চিকিৎসায় অমুকের এ ধরনের অসুখ ভাল হয়েছে)। কিন্তু দেখা যায় যে দীর্ঘদিন সেই ডাক্তারের চিকিৎসা নিয়েও কোন উন্নতি নেই। ফলে হতাশ হয়ে আবার নিয়তীর হাতে সপে দিতে হয় সব।

আমি নেটে এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই খোঁজ করছি কোন চিকিৎসার উপায় পাওয়া যায় কিনা। সেভাবে কিছুই পাইনি এখনো। ব্লগে মেডিকেলের অনেক ছাত্র যেমন রয়েছেন তেমনি হয়তো কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারও রয়েছেন। তারা হয়তো আমাকে এ ব্যাপারে একটা স্পষ্ট ধারনা দিতে পারবেন যে, আসলেই মায়োপ‌্যাথির (বা আমার ভাই যে ধরনের মাসলের রোগে আক্রান্ত) কি কোন চিকিৎসা এখনো আবিস্কৃত হয়নি ? আর যদি হয়ে থাকে তাহলে (দেশের মধ্যে) এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ কোন ডাক্তারের খোঁজ যদি দিতে পারেন তাহলে চিরকৃতজ্ঞ থাকব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29482462 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29482462 2011-11-13 15:43:06
স্বপ্নে প্রাপ্ত বটিকা বা দেশ বদলের মারণাস্ত্র <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
আমার পায়ে বল। দৃষ্টিতে ঈগলের সর্বভেদী চাহনী। উষ্ণ নিশ্বাস প্রতিধ্বনি তুলছে বাসুকীর হিসহিসে গর্জনে। মগজের কোষে কোষে চিতার ক্ষিপ্রতায় চলছে প্রতিটি খেলোয়াড়ের অবস্থান বিশ্লেষণ। আমার ড্রিবলিং প্রতিপক্ষের মনে জাগিয়েছে আতঙ্ক। আমার গতি পিছিয়ে দিচ্ছে আগুয়ান সব প্রতিপক্ষকে। আমার সামনে গোলপোস্ট। মাত্র একটা গোল আমাদের পৌঁছে দেবে সমান স্থানে। (আমি নিজেও বুঝতাছিনা কি লিখছি আমি <img src=" style="border:0;" /> )

হঠাৎ এক পশলা হিমেল পরশ আমাকে কাঁপিয়ে দিল।

হাজার মাইলের ওপারে আমাদের উৎসাহ দিতে স্বদেশী কিছু সমর্থক এসেছে। নেচে গেয়ে তারা জোগাচ্ছে প্রেরণা। সাধ্যাতীত ভাল খেলে একের পর এক বাঁধা ডিঙিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এই বিভূঁইয়ে স্বদেশী হাওয়া আমাদের শান্তির পরশ দিতে চলে আসবে তাতো ভাবিনি কোনদিন। সর্বাঙ্গে মেখে সেই পরশ, আমি মেঘনা পাড়ের বালক, ঝড় সঙ্কুল রাতে মেঘনা পাড়ির জন্য ঝাঁপিয়ে পড়লাম উত্তাল তরঙ্গে। (এইবার বুঝছি আমি একজন ফুটবল খেলোয়াড়) <img src=" style="border:0;" />

আমরা যখন বিমান বন্দরে বিশ্বকাপ খেলার জন্য। উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শুধু বলেছিলাম “ শুধু এগারো জন নয় মাঠে কোটি হৃদয় একসাথে খেলবে, আমাদের রুখবে সাধ্য কার ?” ওরা হেসেছিল। বাগারম্বর বলে পরদিন বিদ্রুপবানে বিদ্ধ হয়েছি প্রতিটি পাতায়। কিন্তু স্বপ্নের নগরীতে ফুল-পাখি-আর প্রজাপতি এসে জানিয়ে গেছে ওরা আমাদের সাথেই আছে। (বিশ্বাস করেন সব কিছুই স্বপ্নে প্রাপ্ত) <img src=" style="border:0;" />

তিন বছর আগে আমরা বেছে নিয়েছিলাম একটা সদ্য জাগা চর। খেলার সাথে চালিয়ে গেছি জেলে জীবনের সব কাজ। সাঁতরিয়ে বাড়িয়েছি স্ট্যামিনা। পাল তুলে, গুণ টেনে আর দাঁড় বেয়ে ঝড়িয়েছি মেদ, শরীর হয়েছে ইস্পাতের টুকরা। বল হয়েছে শরীরের অংশ। ঘুমের মধ্যেও বলের স্পর্শ রাখায় পারঙ্গম হয়ে উঠলাম। (কেম্নে এইতা লেখলাম বুঝলামনা) <img src=" style="border:0;" />

তবু দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের সাথে আমরা নার্ভাসনেসে আক্রান্ত হলাম। দুই গোলে পিছিয়ে শেষ হল প্রথমার্ধ। নিচু মাথায় মাঠ থেকে বেরুতে বেরুতে দেখছি বাংলাদেশের পতাকা জড়িয়ে কাঁদছে এক কিশোর! তাকিয়ে দেখছে আমাদের। আমরা কি তাহলে হতে চলেছি স্বপ্ন হন্তারক ! কেঁপে উঠল আমার সমগ্র চেতনা। না এ খেলায় হারলে চলবেনা। একটা ভুখা- নাঙ্গা জাতির স্বপ্নের রূপকার হয়ে এভাবে হেরে গেলে কোন মুখে দেশে ফেরত যাবো ?

ড্রেসিং রূমে ঘোষণা করলাম আজ হবে আমার জীবনের শেষদিন। আমার কণ্ঠ থেকে বেরুতে লাগল চিন্তার অগম সব বাণী সমষ্টি। আমি বলতে লাগলাম “ বন্ধুগণ ! গোটা দেশ আজ কাঁদছে। আমাদের অযোগ্যতায় শোকের সাগর হয়ে গেছে প্রিয় জন্মভূমি। কোটি মানুষকে কাঁদিয়ে কোন মুখে দেশে ফেরত যাব ? একাত্তরের রণাঙ্গণে যে বীররা হার মানেনি। যাদের নির্লোভ প্রত্যাঘাতে হটে গেছে পাকি বর্বর সেনারা। তাদের উত্তরসুরী হয়ে এই সামান্য খেলার যুদ্ধে হেরে যাব ? ইতিহাস সাক্ষী বাঙালী জাতি কখনো মাথা নত করেনি কারো কাছে। একটা বীর জাতির সদস্য হয়ে ভীরুর মত মেনে নেব এই পরাজয় ? নাকি দ্বিতীয়ার্ধে প্রবল প্রতাপে হটিয়ে দেব পর্তুগীজ দস্যুদের উত্তরসুরীদের?” আমার কথায় প্রতিটি কণ্ঠ এক হয়ে ঘোষণা করল আমাদের বহুল উচ্চারিত মন্ত্রখানি “নিরাশ হয়োনা, জয় আমাদেরই হবে।” (ঈমানে কইতাছি সবই স্বপ্নে প্রাপ্ত)<img src=" style="border:0;" />

ব্যবধান ঘুঁচে গেল সবেমাত্র। উল্লাসে মাতোয়ারা আমাদের সমর্থকগোষ্ঠি। দ্বিতীয়ার্ধ্বের বাংলাদেশ দেখে আতঙ্কিত ফিগোর উত্তরসুরীরা। সাইড লাইনে বসে গালাগালির ফুলঝুড়ি ছোটাচ্ছে বেচারা কোচ। আমাদের কোচের চোখে অশ্রুর ধারা। আমরা তবু অক্লান্ত। মৃত্যু সঞ্জীবনী স্বদেশের হাওয়ার পরশে ফিরে পেলাম নতুন প্রাণ। আমাদের ছন্দময় চলার গতির কাছে হেরে গেল ওরা।......

তারপর স্বপ্নের ফাইনালে....আমাদের সাথে মিশে গেল স্বদেশের প্রকৃতি। বাতাসের গাতিতে এগিয়ে চলতে লাগল আমাদের আক্রমণ। একের পর এক প্রতিপক্ষের ব্যুহ ভেদ করে আমরা বিজয়ী বেশে শেষ করলাম স্বপ্নের অভিযান। (স্বপ্নের মইধ্যেও দেহি স্বপ্ন দেহি)<img src=" style="border:0;" />

গণ সম্বর্ধনায় আমাদের আত্মাহুতির পরিকল্পনা শুনে শিউরে উঠল গোটা দেশ। আমার অশ্রুসিক্ত কথা ‘ আমরা তো দেশকে নত হতে দেইনি। আমরা তো চেয়েছি জীবন দিয়ে হলেও বিজয়ী হয়ে ফিরতে। আপনারা কেন পারবেন না দেশকে নিয়ে গর্ব করার মত কিছু করতে ? সম্মিলিত জনতা একাগ্র চিত্তে জানতে চাইল কি করতে হবে তাদের। আমি তাদের পড়ালাম একটি শপথ বাক্য ‘আজ থেকে কখনোই অন্যের ক্ষতি করবনা।’ (ইয়া মাবুদ এইটা তো আমি নিজেও মানতে পার্বনা)/<img src=" style="border:0;" />

আমি আর ফুটবল মাঠে নামিনি। নামী ক্লাবের হয়ে মাঠ মাতানোর ইচ্ছেও আমার ছিলনা। আমার শুধু একটিই স্বপ্ন ছিল দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে থাকবে। আমার স্বপ্ন আজ পূরণ হয়েছে। আমি এখন শান্তিতে মারা যেতে পারব। একটা জাতি রাতারাতি এভাবে বদলে যাওয়ায় সব সমাজবিজ্ঞানীর হিসেব গুলিয়ে গেছে। তারা এখন এদেশে নিয়ত গবেষণা করে যাচ্ছে কিভাবে সারা পৃথিবীকে এমনই শান্তির দেশ বানানো যায়।
----------------------------------------------
অ:ট: ভুলেও কেউ এই টাইপ স্বপ্ন দেইখেন না। মনে রাখতে পার্বেননা। পরে আপচুচ কইরা মরবেন। আমি ম্যালা কষ্টে মনে রাখচি্ অবশ্য একবার পইড়া হুনাইছিলাম বইলা আমার মোবাইলে রেকর্ড হইয়া গেছিল অনেকটা।<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29476835 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29476835 2011-11-02 12:52:17
সামু বৃত্তান্ত বা সামহোয়্যার ইন ব্লগের আদ্যোপান্ত (জানতে মুন্চায়মূলক পোস্ট)
প্রশ্ন : সামুর যাত্রা শুরু হয় কখন ?
উত্তর : ১৬ই ডিসেম্বর ২০০৫ (জানিয়েছেন ব্লগার রুদ্রপ্রতাপ)

প্রশ্ন : সামুতে রেজিস্ট্রি করা প্রথম ব্লগার কে ?
উত্তর : ইমরান (ওনার ব্লগের লিংক নিচে আছে মন্তব্য নং ১৬)

প্রশ্ন : সামুর প্রথম পোস্ট কোনটি ? ব্লগার কে ?
উত্তর : দেবরার "ইমরান ব্লগ স্রষ্টা" প্র্রথম পোস্ট (নীচে লিংক আছে, তবে "মুখপোড়া" ওই পোস্টের ৫৩৭ তম মন্তব্যে বলেছেন এটা ৯ম পোস্ট।)

প্রশ্ন : প্রথম স্টিকি পোস্ট এবং ব্লগারের নাম কি ?
উত্তর: পোস্টের শিরোনাম-সমবেত এই আমরা একটু থামতে পারি কি? একটু থামুন ... প্রাপ্তি আপনাদের কি যেন জানাতে চাইছে । ব্লগার হলেন-সাদিক মোহাম্মদ আলম (নিচে লিংক দেয়া আছে)

প্রশ্ন : সামুর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মন্তব্য হওয়া পোস্ট কোনটি ?
উত্তর : এখন পর্যন্ত আমার জানায় হাসান মাহবুব এর অফটপিক নামের কমেন্ট পোস্টে ১৬০০ মন্তব্য পড়েছে। এর চেয়ে বেশি মন্তব্যের কোন পোস্ট কারো চোখে পড়লে জানালে আপডেট করা হবে।(১৬০০ মন্তব্যের পোস্টের লিংক নিচে আছে) এছাড়া প্রায় ৩৬০০০ বার পঠিত একটা পোস্ট আছে {বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)} নাফিস ইফতেখারের।

প্রশ্ন : প্রথম ক্যাচাল পোস্ট কোনটি ?
উত্তর :

প্রশ্ন : প্রথম ছাগু পোস্ট কোনটি ?
উত্তর :

প্রশ্ন : প্রথম নাস্তিক পোস্ট কোনটি ?
উত্তর :

প্রশ্ন : ছাগু উপাধীপ্রাপ্ত প্রথম ব্লগার কে ? উপাধীদাতা কে ?
উত্তর : ছাগু উপাধীদাতা হলেন-অরুপ
উপাধীপ্রাপ্ত হলেন- ত্রিভুজ (অবশ্য ওনাকে চীফ হিসেবে মর্যাদা দেয়া হয়েছে)

প্রশ্ন : সামুর ইতিহাসে সবচেয়ে স্মরণীয় পোস্ট বা ঘটনা কি ?
উত্তর : ঘটনা হিসেবে প্রাপ্তিকে নিয়ে সকল ব্লগারের প্রথমবারের মত এক প্লাটফর্মে আসা। আবার কেউ কেউ মিথিলা নাটককেও সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

প্রশ্ন : সামুর প্রথম মডু কে ?
উত্তর :সৈয়দা গুলশান আরা জানা / হাসিন / ইমরান। এখনো নিশ্চিত নই কে ছিলেন প্রথম মডু। তবে এই তিনজনের একজন হওয়া অবধারিত।

প্রশ্ন : ছাগুচীপের মত নাস্তিকচীপ উপাধী কি কেউ পেয়েছেন ? পেয়ে থাকলে তিনি কে ?
উত্তর : আরিফুর রহমানের পক্ষে কেউ কেউ ভোট দিয়েছেন। তবে এইটাও নিশ্চিত না।

প্রশ্ন : এই পর্যন্ত কতজন এখানে রেজিস্ট্রেশন করেছেন ? একক আইডি কতগুলো ?
উত্তর : ৮৮০০০ এর মত রেজিষ্ট্রেশন করেছে। একক আইডি সম্পর্কে জানার জন্য কর্তপক্ষের কাছে মেইল পাঠানো হয়েছে। তারা জানালে এখানে উল্লেখ করব আশা করি।

প্রশ্ন : একজন ব্লগারের সর্বোচ্চ কতগুলো ফেইক আইডি আছে ?
উত্তর : এটা শিউর না। তবে মাথামোটা এবং আরিফ ভাই এর কাছ থেকে শোনামতে, প্রায় ৪০০ আইডি ছিল এটিম-এর । কোন আইডি শহীদ হওয়ার সাথে সাথে তাকে নতুন আইডি সরবরাহ করা হতো।

প্রশ্ন : সামুর ইতিহাসে প্রথম ফেইক আইডি কোনটি ?
উত্তর :

প্রশ্ন : সামুর সেরা অর্জন কোনটি ?
উত্তর :বাংলা লেখাকে এত সহজে প্রকাশের জন্য সামুর অবদান সবচেয়ে বেশী। হাজার হাজার লোক এখন বাংলায় নিজের মনের কথাটা প্রকাশ করছে । । অনেক লেখকের আত্মপ্রকাশ হইছে সামুর মাধ্যমে...... (বলেছেন শ।মসীর)

প্রশ্ন : এ পর্যন্ত কতটি পোস্ট স্টিকি হয়েছে ?
উত্তর :

আরো অনেক প্রশ্ন আছে। যার মাথায় যেগুলো আসে সেগুলো মন্তব্যের ঘরে লিখে দেন। আপডেট করা হবে। অন্তত প্রশ্নগুলো একত্রিত হোক। জবাব হয়তো ধীরে ধীরে পেয়ে যাব আমরা।

----------------------------------------------------------
---------------------------------------------------
আরো কিছু প্রশ্নের কথা বলেছেন সম্মানিত ব্লগারগণ-

১.প্রশ্ন: সামুর কট খাওয়া হিট ছাইয়া কে ?কট না খাওয়া হিট ছাইয়া কে ?
উত্তর:

২.প্রশ্ন: সেরা ঢ়েসিডেন্ট ভাড় কে ?
উত্তর:

৩.প্রশ্ন: সামুতে ব্যান হওয়া প্রথম ব্লগার কে ?

উত্তর : মাসুদা ভাট্টি। (আরিফ ভাইয়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে)

৪. ব্লগিং এর কারণে যে সকল শব্দ বাংলা ভাষায় এখন ভিন্ন তাৎপর্য বহন করে তার একটা তালিকা দিন।

উত্তর: ছাগু, কেপি টেস্ট, ঝাজা.....

৫. বাংলা ব্লগের সবচেয়ে রহস্যময় চরিত্র কোনটি ?

উত্তর: ফিউশন ফাইভ / .........

৬.কোন ছাগু সামুর মডু ছিল ?
উত্তর: ত্রিভুজ
----------------------------------------------------
ব্লগার অণুজীবের সৌজন্যে আরো কিছু প্রশ্নোত্তর...............

১.কোন পোস্ট টি সবচেয়ে বেশিবার ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে?

উত্তর: ফেসবুকের নতুন ফিচার ফেসবুক টাইমলাইন( Facebook Timeline) এক্টিভেট করে নিন আপনার প্রোফাইলে খুব সহজে---- ২৪১৪ বার

২.১৮+ পোস্ট হিসেবে সর্বাধিক পঠিত পোস্ট?????
উত্তর:
১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য-------২৯৬৪৭ বার

৩.সবচেয়ে বেশি প্রিয়তে নেয়া পোস্ট কোনটি?????
উত্তর:
আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন.১০৫৩ বার

৪.সবচেয়ে বেশি কমেন্ট করেছেন কোন ব্লগার
উত্তর:
রাশেদ ৪১৪০২


৫.ব্লগের ইমোটিকন এবং তাদের স্রষ্টা কে??
উত্তর:
বাংলা ব্লগের ইমোটিকন এবং তাদের স্রষ্টা


৬.ফ্লাডিং করার দায়ে কোন ব্লগারকে প্রথম ফ্রন্টপেজ এ ব্যানড করা হয়?
উত্তর:
সাকিব এবং এম হুসেইনের


৭.সামহ্যোয়ারইন ব্লগ ফোনেটিক বাংলা লেখার সুবিধা কবে দেয়া হয়?
উত্তর: ২০০৬ সালের ২৪ জানুয়ারি।

৮.সামহ্যোয়ারইন ব্লগে ‘অনলাইনে আছেন এ বিভাগ টি কবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
উত্তর:২০০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি

৯.ব্লগের সার্চ সুবিধা কবে যোগ করা হয়?
উত্তর:ব্লগে ব্লগার সার্চ সুবিধা যোগ করা ২০০৬ সালের ৩০ মে। তবে কনটেন্ট সার্চ সুবিধা যোগ করা হয় আরও পরে। ২০০৭ সালের ৩১ মে কনটেন্ট সার্চ সুবিধা যোগ হয়।

১০.ব্লগে বিজ্ঞাপন দেয়া শুরু হয় কবে?
উত্তর: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় ২০০৯ সালের ২৮ মে

১১.সর্বোচ্চ মাইনাস প্রাপ্ত পোস্ট
জাফর ইকবাল জাতিকে কি দিয়াছেন ------------৬৬৩ টি

তার উত্তরগুলোর লিংক নীচে ৬২ নং মন্তব্যে রয়েছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29476216 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29476216 2011-11-01 12:21:11
একটি সেইরাম ঢেঁকি পুস্ট (পুরাই পাঙ্খা)
কিন্তু আবজাব সফটের মইধ্যে কিছু কাবজাব সফট ডাউনলোডাইতাম। মাগার ইন্সটল হইতনা।দুই ক্লিক মারলে অন্য রকম কি জানি আসে। অপেন উইথ বা সিলেক্ট ফরম ইন্টারনেট এই টাইপের কাবজাব দেখাইত। আমি যদি কোন সদয়বানের কাছে সেই সফটের লিংক পাইতাম তারে মনে মনে চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করতাম। এত কষ্ট কইরা নেটের টাকা খরচ কইরা জিনিসটা ডাউনলোড করছি আর হেইটা ইন্সটল হয়না।

কতবার যে এইরকম ডাউনলোড করছি আর ধরা খাইছি। <img src=(" style="border:0;" />

তাই না বুইজ্জা সাধারণত ডাউনলোডাইতামনা। বিশেষ কইরা মিডিয়াফায়ার হইলে তো কতাই নাই। ১০০ হাত দুরে থাকতাম। কয়জন বিজ্ঞ লোকরেও বলতে শুনছি মিডিয়া ফায়ারের জিনিসে সমস্যা আছে। তাই তত আমল দিতামনা। মনে করতাম আসলেই অন্য কোন সমস্যা আছে।

আইজও সেইরকম একটা ডাউনলোড কইরা ধরা খাইছি।ইনন্সটল হয়না।সফটটা খুবই ছোট তাই গায়ে লাগলনা। কিন্তু অন্যান্য দিনের মত চুপ কইরা না থাইকা আইজ লিংক দাতারে কইয়া ফালাইলাম ভাই এইটা কি দিলেন ?<img src=(" style="border:0;" />

হ্যায় তো পুরা চাল্লু মাল। ধইরা লাইছে সমস্যাটা কোথায়। কয় ভাই এইডা তো জিপ ফাইল। আনজিপ করেন তাইলেই পাঙ্খা ।আমি কই কয় কি হালায় কতদিন ধইরা এই টাইপের সমস্যায় পড়ছি কাউরে কিছু কইনাই। আমার শত শত মেগাবাইটের ডাউনলোড করা জিনিস পরে ডিলিট মারছি। আর হে কয় এইটা আনজিপ করলেই কাম হইবে।

আবার আমার কম্পুতে আনজিপের কোন সফটও ছিলনা তখন। তার কাছে সেইটারও লিংক চাইলাম।সে দিল। এখন দেখি আসলেই তো পাঙ্কা ঝিনিস।<img src=" style="border:0;" />

(প্রসংগত, জিপ করার বিষয়টা জানতাম। সফটও যে জিপ অবস্থায় নেটে থাকতে পারে সেইটাও জানতাম। কিন্তু আমার ডাউনলোড করা ফাইলটা যে জিপ অবস্থায় থাকতে পারে এইটা কখনোই মনে হয়নাই।ভাবলাম একটু শেয়ার করি, আমি কতটা ননটেকি/<img src=" style="border:0;" /> )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29473216 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29473216 2011-10-27 17:09:57
কৃষ্ণ লীলার একাল সেকাল কিংবা আওয়ামীলীলার উপাখ্যান<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> (" style="border:0;" />

কৃষ্ণ কি এই ঘোর কলি কালে উপস্থিত হয়েছেন ? এই প্রশ্ন কেউ করতে পারেন। তাদের জন্য বলছি, তিনি উপস্থিত হননি, তবে তার লীলা উপস্থিত হয়েছে। আর তা সম্ভব হয়েছে আওয়ামীলীগের কল্যাণে।<img src=" style="border:0;" />

কৃষ্ণ বা ভগবানের সব কাজই যেমন জায়েয তেমনি আওয়ামীলীগের সব কাজই বৈধ।সেটা তাদের কাছে যেমন মিডিয়ার কাছেও তেমন। শুধু কিছু ভিন্ন মতাবলম্বীর ম্যাৎকার ছাড়া সবাই তাতে সাপোর্ট দেয়। তাই কৃষ্ণলীলা আর আওয়ামীলীলা আজ সমার্থক।<img src=" style="border:0;" />

বিশ্বাস হচ্ছেনা ? কয়েকটা উদাহরণ দেই-

এক.
তখন বিম্পির প্রথম টার্ম চলতাছে। জামাতের সাথে অলিখিত চুক্তিবলে সরকার গঠন করল বিম্পি। তাগো নেতা মহান রাজাকার সর্দার গো-আজমকে বিম্পির উসিলায় আদালতে নির্দোষ প্রমান কইরা তার নাগরিকত্ব ফিরাইয়া লইল। এর পরই আম্বালীগের সাথে দারুণ সখ্য হয় জামাতের। দুই দল একসাথে আন্দোলন কইরা তত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন কইরা বিম্পিরে ক্ষমতা থেকে নামাইয়া দিল। গণতন্ত্রের স্বার্থে জামাত-আওয়ামীলীগ আঁতাত ছিল বৈধ।<img src=" style="border:0;" />

দুই.
৯০ এর দারুণ রক্তক্ষরা দিনগুলি। সব দল মিল্যা দারুণ আন্দোলন কইরা বিশ্ব-লুইচ এরশাদরে গদি থেকে নামাইয়া দিল।সবাই জানত তার জন্য অপেক্ষা করছে মৃত্যুদন্ড। কিন্তু তার মৃত্যু হয়নাই। তিনি রাজনীতিতে ফিরা আসছেন। আম্বালীগের সাথে আঁতাত কইরা রাষ্ট্রপতি হবার বাসনা ব্যক্ত করছেন। স্বৈরাচারের সাথে আওয়ামীলীগের সখ্যও গণতন্ত্রের স্বার্থে বৈধ।<img src=" style="border:0;" />

তিন.
২৮ অক্টোবর নিজামী চাইছিল লাশ। (নইলে লক্ষ লক্ষ আওয়ামী সাপোর্টার ঠেকানোর জন্য ৫০ টা শিবিরের পোলারে পাডাইল কোন আক্কেলে) তারে সে লাশ উপহার দিছে আম্বালীগ।পিডাইয়া মানুষ মারার মত দৃশ্য এই জনমে দেখার সৌভাগ্য হইল। সেইটাও জায়েজ কারণ কাজটা করছে আওয়ামীলীগ। আর কে না জানে আওয়ামীলীগের সব কাজের পিছনেই জাতির জন্য নিহিত থাকে কল্যাণ।:-*

এই রকম ভুরি ভুরি উদাহরণ দিয়া পোস্টটা আর বড় করতে চাইনা। তাই উপসংহার টানছি-আওয়ামীলীগ আর কৃষ্ণ আজ সমার্থক। ভগবানের সব কাজ বোঝার ক্ষমতা যেমন মানুষের নাই। তেমনি আওয়ামীলীগের সব কাজের উদ্দেশ্য বোঝার ক্ষমতা আম-পাব্লিকের নাই। তাই না বুইঝা ফাল না পাইড়া মাইনা লওয়ার মধ্যেই সবার জন্য রয়েছে অশেষ কল্যাণ।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29473053 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29473053 2011-10-27 11:07:07
তবে কি ভ্রুণেই শেষ হবে মেয়ে সন্তানের জীবন ?
ক্ষমতার সাথে প্রকাশ্য অপরাধের সম্পর্ক নিবিড়। একমাত্র ক্ষমতাবানরাই পারে প্রকাশ্যে অপরাধ করতে। সব সময়্ই দেখা গেছে বখাটেরা কোন না কোন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় আছে। আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গণ দিন দিন যেভাবে অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে তাতে সেদিন বেশি দুরে নয় যেদিন মেয়ে সন্তান হলে তাদেরকে জীবন্ত মাটিতে পুঁতে ফেলতে বাধ্য হবে ক্ষমতাহীন বাবা-মায়েরা। সন্তান কেন নেন বাবা-মায়েরা ? আত্মহত্যা করে মা-বাবাকে কষ্টের সাগরে ভাসানোর জন্য? যদি প্রতিটি মেয়ে সন্তানকেই এভাবে আত্মহত্যার সম্ভাবনার মধ্য দিয়ে দিন পার করতে হয় তাহলে কি এই ভাল নয় যে, মেয়ে সন্তান হবার পরই তাকে মেরে ফেলা ? কিংবা ভ্রুণেই শেষ করে দেয়া মেয়ে সন্তানের বাবা-মা হবার সম্ভাবনা ?

সেঁজুতির বাবা সৌদি প্রবাসী। সন্তানদের নিরাপদ জীবনের কথা চিন্তা করে যারা প্রবাসে যান তারা কি জানেন তাদের অনুপস্থিতি তাদের সন্তানদের জীবনকে কতটা দুর্বিষহ করে তোলে ? সেঁজুতির আত্মহনন বোধকরি প্রবাসী বাবাদের চোখ খুলে দেবে। তারা হয়তো ভবিষ্যতে বিদেশে পাড়ি দেবার আগে দুবার ভাববেন। এই যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার ভেতরেও আমাদের অর্থনীতি তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হলোনা তার পেছনে তো একটা বড় অবদান সেঁজুতির বাবার মত আরো লক্ষ বাবার স্ত্রী-সন্তানদের কাছ থেকে দুরে থেকে দিনরাত গাধার খাটুনি খেটে নিজ দেশে পাঠানো রেমিটেন্সের। যেই লোকগুলো আমাদের জন্য নিজেদের আরামকে হারাম করে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আমরা তাদেরকে এই পুরস্কার দিলাম !

দিন দিন ক্রমবর্ধমান হারে বেড়ে চলা যৌনহয়রানীর ঘটনায় আত্মহত্যার কারণ নির্ণয়ে হয়তো ধর্মবিদগণ এজন্য ধর্মবিমুখতাকে দায়ী করবেন। তারা হয়তো বেশি বেশি ধর্ম চর্চার উপর জোর দিবেন। সমাজ বিজ্ঞানীগণ হয়তো এজন্য দায়ী করবেন সামাজিক শৃংখলা নষ্ট হওয়াকে। তারা হয়তো বলবেন, পরিবারকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। সন্তানরা যেন পরিবারের কাছ থেকেই ভাল কিছু শিক্ষা পায় তার জন্য বাবা-মা উভয়কেই সন্তানদেরকে বেশি বেশি সময় দিতে হবে। সুস্থ ধারার মিডিয়ার জন্য আন্দোলনরতরা হয়তো দাবী তুলবেন ইভটিজিংকে উৎসাহিত করতে পারে এমন কোন দৃশ্য থাকলে কোন নাটক বা সিনেমা যেন সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পায়। সংস্কৃতি কর্মীগণ হয়তো দাবী তুলবেন ‘পাশ্চাত্যের হাঙর সংস্কৃতি’ কিংবা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের স্থুল সংস্কৃতি যেন আমাদের সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করতে না পারে সেজন্য আকাশ সংস্কৃতির যথেচ্ছ প্রচারের উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে হবে। আইন মন্ত্রণালয় হয়তো দুটো তিনটে স্ব-বিরোধী আইন করে বলবে এর মাধ্যমে সমাজ থেকে চিরতরে ইভটিজিং দুর হয়ে যাবে। কিন্তু মোট কথা হলো এর কিছুতেই কিছু হবেনা। ইভটিজিং দিন দিন বেড়েই যাবে। আমাদের চোখের সামনে লুণ্ঠিত হবে আমাদেরই মা-বোন। আমরা, নপুংসকরা, তা দেখে বিকৃত যৌন উন্মাদনা অনুভব করবো আর স্বপ্ন দেখবো ‘ দেখিস একদিন আমিও....’

আমি বোরকার ভেতরে লুকিয়ে থাকা বেহায়ার চেহারা যেমন দেখেছি, তেমন জেনেছি ইমাম কর্তৃক বালিকা ধর্ষণের খবর। পরিবার ভাল হবার পরও সেখান থেকে জন্ম নিতে দেখেছি অসংখ্য কুলাঙ্গারকে। আকাশ সংস্কৃতি উন্মুক্ত হবার আগেও গ্রামে গ্রামে চলতে দেখেছি রাতের অন্ধকারে সীতাহরণের পালা।

তাহলে কি ভ্রুণহত্যাই একমাত্র সমাধান ?

সময় এসেছে হে সমাজপতিগণ ! বিবেকের আয়নায় একবার দেখে নিন নিজেদের চেহারা। জিঘাংসার পথ থেকে সরে আসুন শিঘ্র। আপনাদের আস্তাবলে বেড়ে ওঠা হায়েনার পাল থেকে মুক্তি দিন সমাজকে।এই হায়েনার পাল একদিন হয়তো খুবলে খাবে আপনারই প্রিয় সন্তানের দেহ।

ফেরাউন-নমরুদ কিংবা হাল আমলের সাদ্দাম-গাদ্দাফীরা যদি ধ্বংস হয় কালের নির্মম থাবায় - আপনারা কেন ধ্বংস হবেন না ? কেন নিজেদেরকে ভাবছেন অন্তহীন ক্ষমতার মালিক ? কেন মনে হচ্ছেনা আপনাদের আজকের পাপ একদিন আপনাদের বাবাদেরকেও কবর থেকে তুলে আনবে । জনতার আয়োজিত বিচারের মঞ্চে দাঁড়িয়ে আপনাদেরও প্রাণ ভিক্ষা চাইতে হবে।


সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে যাওয়া বিষ সারানোর এখনি সময়। নাহলে আর কখনো নয় - এটা অবধারিত। আজ যে মেয়ে তার প্রিয় জীবনকে তুলে দিল মৃত্যুর হাতে তার অভিশাপ থেকে রেহাই পেতে আমাদের এখনি সমবেত কণ্ঠে শ্লোগান দিতে হবে “নষ্ট রাজনীতি, আমরা ঘৃণা করি তোমাকে।” এখনি প্রতিটি জনপদকে উজ্জীবিত করতে হবে দ্রোহের মন্ত্রে। আমাদের সমবেত কন্ঠের প্রতিবাদ আর তীব্র প্রতিরোধে ধ্বসে যাক অপরাজনীতির দেয়াল। বখাটেপনার মৃত্যু হোক আমাদের স্বাধীন স্বদেশে। প্রতিটি ঘরের কোণে লুকিয়ে থাকা বখাটেরা এখনি আত্মহত্যা করে হয়ে উঠুক আলোকিত মানুষ!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29471681 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29471681 2011-10-24 13:19:57
রাজনৈতিক বিবেচনায় বিয়ে ও আবুলের ব্যাংক দর্শন !<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
খুনীরা রাজনৈতিক বিবেচনায় ফুলের চরিত্র যেমন পেয়ে যাচ্ছেন তেমনি সরকারের যাবতীয় অপকর্মের প্রমাণ উপস্থাপনের দায়ীত্ব পড়ছে সাংবাদিকদের উপর। আর চটাং চটাং কথায় মেঙ্গো পিপলের গায়ে হুল ফোটায় ........ সমগোত্রীয় বাচাল।

সংসদে যখন আবুল-মাল সাহেব নতুন ব্যাংক খোলার ব্যাপারে বলেছিলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সরকারের মুলা বা মুগুরের টানে তারা সে অবস্থান থেকে সরে এসেছে। না এসে উপায় আছে? গভর্নর তো একজন পাড় আওয়ামীলীগার। তিনি একটি বই লিখেছেন “বঙ্গন্ধু স্বদেশের প্রতিচ্ছবি” এই বইটি ছাপা এবং বিনামূল্যে বিতরনের জন্য বইটির প্রকাশনা সংস্থা, একটি অখ্যাত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকে আবেদন করা হয়। গভর্নরের লেখা বই টাকা না দিয়ে ব্যাংকগুলো কই যায় ? ফলে সিএসআর এর লক্ষ লক্ষ টাকা গরীবদের ভাগ্য থেকে কর্তিত হয়ে চলে যায় ওই প্রকাশনা সংস্থায়। তারপর সেই প্রকাশনা সংস্থা থেকে টাকাগুলো অন্য কোথাও গেছে কিনা সে ব্যাপারে আমার কোন কথা নেই......

নতুন ব্যাংক খোলার জন্য আবেদন পত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকিং রেগুলেশন এবং পলিসি ডিপার্টমেন্টের জিএম, কে.এম.আব্দুল ওয়াদুদের নাম সম্বলিত ওই নীতিমালা ঝুলছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েব সাইটে। খবরে প্রকাশ নতুন ব্যাংক অনুমোদনের জন্য শহর ও গ্রাম ১ঃ১ আনুপাতিক হারে শাখা খোলার প্রতিশ্র“তি দিতে হবে, ব্যাংকের মোট ঋণের পাঁচ শতাংশ কৃষি খাতে বিতরণ করতে হবে, বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ সামাজিক দায়বদ্ধতার খাতে ব্যয় করতে হবে এবং ১৩ জনের অধিক পরিচালক থাকতে পারবে না। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীর ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১৫ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। তবে অন্য কোন ব্যাংক কোম্পানির পরিচালক নতুন ব্যাংকের পরিচালক হতে পারবে না। খসড়ায় আরও বলা হয়, বাংলাদেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। নতুন ব্যাংকের অনুমোদনের জন্য ৪০০ কোটি টাকার মূলধন থাকতে হবে এবং লাইসেন্স পেলে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার তিন বছরের মধ্যে আরও ৪০০ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়তে হবে। এ জন্য পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। একজন শেয়ারহোল্ডার সর্বনিম্ন এক কোটি ও সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক হতে পারবে। তবে একই পরিবারের সদস্যদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ শেয়ারের ধারা শিথিল হতে পারে।

সরকারের ভুত আগে থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকে বসে আছে বিধায় নতুন ব্যাংক খোলার সরকারী সিদ্ধান্তে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের অর্থনীতিবিদগণ বলছে এই মুহুর্তে দেশে নতুন ব্যাংক খোলার প্রয়োজন নেই। গ্রামীণ অর্থনীতিকে উন্নত করতে হলে বিদ্যমান ব্যাংক গুলোর মাধ্যমেই পদক্ষেপ নেয়া যেত। সবগুলো ব্যাংককে শহর ও গ্রামে শাখার অনুপাত ১:১ এ নিয়ে আসার জন্য সময় বেঁধে দিতে পারত। এবং এমন শর্তও দিতে পারত যাতে গ্রাম থেকে সংগৃহীত মূলধন গ্রামেই বিনিয়োজিত হয়।

তবে কথা তো আর ওখানে নয়। দেশের অর্থনীতি নিয়া কথা বলার আমি কে ? শেয়ার বাজার নিয়ে কথা বলার আমি কে ? আমার কি কোন বিশেষ যোগ্যতা আছে ? না-নাই। সুতরাং আমি ওইসব নিয়া কথা বলবনা।

তবে কথা আপনাদের বলতেই হবে। কারণ সেই দিন বেশি দূরে নেই যেদিন এ দেশে সব কিছুই হবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে । আপনি ভবিষ্যতে নিজ পছন্দে বিয়ে করতে পারবেন এমন নিশ্চয়তাও নেই এই দেশে। আপনার বিয়েও করতে হবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে।<img src=" style="border:0;" /> হতে পারে কোন রাজনৈতিক নেতার মেয়ে আপনাকে পছন্দ করে রেখেছে।<img src=" style="border:0;" /> সুতরাং চাইলেই তো বিয়ে করতে পারবেন না। কিংবা আপনি যদি মেয়ে হন তাইলে হয়তো রাজনৈতিক নেতার ছেলে বা ক্যাডার আপনাকে গোপনে পছন্দ কইরা রাখছে, সুতরাং আপনাকে নিতে হবে স্থানীয় আওয়ামীলীগ সভাপতির কাছ থেকে নাদাবী সনদপত্র।<img src=(" style="border:0;" /> সেখানে লেখা থাকবে কোন নেতার মেয়ে বা ছেলের বা ক্যাডারের আপনার উপর কোন দাবী নেই।<img src=(" style="border:0;" />

বন্ধুগণ, সেই কাল সমাগত প্রায়। যারা নিজ পছন্দে বিয়ে করতে চান এখনি সেরে ফেলুন। নাহলে.........
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29469207 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29469207 2011-10-19 14:01:48
বেচা পাডা (পাঠা) ও ছাগীর ম্যাৎকার !!! " style="border:0;" />

এ ছাড়া যারা গ্রামে বড় হয়েছেন কিংবা নিদেন পক্ষে দুই-তিন বছর থেকেছেন তারা জানেন যে গাভীন (গর্ভবতী) হওয়ার সময় গরু, ছাগল, মহিষ ইত্যাকার প্রাণীকে উপযুক্ত পুরুষ প্রাণীটির কাছে নিয়ে যায় কৃষকরা। যাতে বাচ্চাটা একটু বড় জাতের হয়। <img src=" style="border:0;" />তেমনি একটি ঘটনা বলছি এবার, আমাদের গ্রামে এক লোককে তার আবালামীর জন্য পোলাপাইন থেকে শুরু করে বুড়া সবাই পাডা (পাঠা) বলে ডাকত। তার প্রকৃত নাম এখন মনে নাই, তবে তাকে ব্যঙ্গ করে 'বেচা পাডা' ডাকা হত।

একবার একলোক সাথে করে একটা ছাগী নিয়ে পাডা খুঁজতে খুঁজতে আমাদের গ্রামে এসে হাজির হয়। ত্যাদোর পোলাপাইন তাকে বেচা পাডার বাড়ি দেখিয়ে বলে ' এই গ্রামের সবচেয়ে বড় পাডাটা ওই বাড়িত থাকে'।<img src=" style="border:0;" /> সেই লোক যথারিতী তার ছাগীকে নিয়ে সে বাড়ি যায় এবং কিছু গালমন্দ খেয়ে ফেরত আসে। এই ঘটনা এখনো আমাদের গ্রামের আড্ডাগুলোয় রসদ সরবরাহ করে।

যাইহোক, বলছিলাম ছাগীর ম্যাৎকার বিষয়ে। সময় আসলে গরু ছাগল বা এই জাতীয় মেয়ে প্রাণীগুলো খুব চিল্লাইতে শুরু করে। ( এই চিল্লানোকে ম্যাৎকার অভিধা প্রদান করা হয়েছে) তা শুনে গৃহস্থ বুঝতে পারে যে তাকে উপযুক্ত পুরুষ প্রাণীটির কাছে নেয়ার সময় এসেছে। যারা বেঁধে এইসব প্রাণী পালে তারা সে সময় ওগুলো ছেড়ে রাখে অথবা উপযুক্ত যায়গায় নিয়ে যায়।

ইদানিং গবাদী প্রাণীকুলের বাইরেও ম্যাৎকারের ঘটনা ঘটছে বিধায় এই প্রসঙ্গ আনতে হল। প্রসঙ্গত, মানবকুলে ম্যাৎকার বলতে অসংলগ্ন কথা-বার্তাকেই বুঝানো হয়। তবু কেউ কেউ প্রাণীকূলের ওই অবস্থাও নিজ দায়িত্বে কখনো কখনো বুঝে থাকে। তাই বলছিলাম কি, এভাবে চিল্লাইতে থাকলে তাতে পরিবেশ যেমন নষ্ট হয় তেমনি গৃহন্থ এবং তার প্রতিবেশী সবারই বিরক্ত উৎপাদন করে। তাই দ্রুত এইসব ম্যাৎকারের অবসানকল্পে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া উচিত। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29467758 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29467758 2011-10-17 11:50:27
রাষ্ট্রের টাকায় দলীয় কার্যকলাপ কি নৈতিক ???
পৃথিবীর কোন দেশে সরকার গঠন করার পর দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের নিয়ম আছে কিনা আমার জানা নেই। কিন্তু অন্তত আমাদের দেশের বিবেচনায় এটাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে দুর্বলতা মনে হয় আমার কাছে। এ যেন আইন করে চুরি করতে বাধ্য করার মত। একই ব্যক্তি যখন সরকারেও থাকেন দলীয় পদেও থাকেন তাকে দু-দিকেই সময় দিতে হয়। ফলে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যবহার করে তিনি দলীয় কাজ করতে বাধ্য হন। রাষ্ট্রীয় সফর হয়ে উঠে দলীয় সফর।

আমার প্রস্তাব হল-যারা সরকার গঠন করবে এবং সরকারের বিভিন্ন পদে বসবে তারা দল থেকে যেন পদত্যাগ করতে বাধ্য হয় এই ধরনের আইন করা প্রয়োজন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29465140 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29465140 2011-10-13 12:37:01
দাসের জীবন আর কত দিন ???
নিজের স্বাধীনতা নিজেকেই রক্ষা করতে হয়। কেউ তা আপনা আপনি মামার হাতের মোয়ার মত তুলে দেয়না। এদেশে রাজনীতির মারপ্যাচে যখন খুনীও মুক্ত হয়ে নতুন নতুন খুনের নেশায় মত্ত হয়ে উঠছে। খুনী-বদমাশ-ছিনতাইকারী-চাঁদাবাজদের সাথে হাত মিলিয়ে আপনার জীবন রক্ষার নামে আপনাকে যখন মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে পুলিশ-RAB সহ জনগণের তথাকথিত গোলামরা তখন কোন আশায় আপনি মনে করবেন আপনি এখনো স্বাধীন আছেন ?

একবার বুকে হাত দিয়ে ভাবুনতো আপনার স্বাধীনতা কি আজ ক্ষুণ্ন নয় ? আপনি কি আজ নিজের জান-মাল -পরিবার-পরিজন নিয়ে উৎকণ্ঠিত নন ?

কত আর দাসের জীবন বয়ে বেড়ানো ? সমাজের কীটগুলোর অত্যাচার কত আর মুখ বুজে সহ্য করা ? আসুন, একবার লক্ষ কন্ঠ এক হয়ে শ্লোগান দিয়ে উঠি চলমান এই নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে। আসুন, আমরা এক হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলি এই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে।

যেখানেই অন্যায় সেখানেই গড়ে তুলি প্রতিরোধ-প্রতিশোধ।যদি দেখি রাস্তায় কোন পুলিশ ঘুস নিচ্ছে সাথে সাথে আইন হাতে তুলে নিয়ে তাকে রাম ধোলাই দিয়ে বুঝিয়ে দেই এই সব অপকর্মের দিন শেষ।যদি কোন ছিনতাইকারীর সামনে অসহায় মানুষকে দেখি- আসুন সবাই একসাথে সেই ছিনতাইকারীকে পিটিয়ে প্রয়োজনে লাশের সংখ্যা বাড়িয়ে দেই।

যদি দেখি কোন দায়িত্বশীল (মন্ত্রী বা অন্য কেউ) তার দায়িত্ব পালন করছেনা তাকে রাস্তায় গাড়ি থেকে নামিয়ে উপহার দেই মৃদু তিরস্কার এবং ক্ষেত্র বিশেষ পাদুকামালা।

আমাদের স্বাধীনতা আমাদেরই রক্ষা করতে হবে। বন্ধুরা, কত আর বয়ে বেড়াবেন এই দাসের জীবন ? তার চেয়ে কি এই ভাল নয় ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29455914 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29455914 2011-09-27 12:11:35
১৫-আগস্ট হোক বিশ্ব-জন্মবিরতিকরণ দিবস ও মৃত্যু কার্যকরণ দিবস!!!
আইডিয়া এক.
দেশেই শুধু না সারা বিশ্বেই বাড়তাছে জনসংখ্যা। জনসংখ্যার লাগাম এহনই টাইনা না ধরতারলে একদিন মানুষে মানুষ খাইব। তাই বিশ্ব-ব্যাপী একটা দিনরে জনসংখ্যামুক্ত দিবস ঘোষণা করা অতীব জরুরী। এই দিন কোন নতুন সন্তান জন্ম নিবনা। মা-বাবারা এমন ভাবে বাচ্চা নিব যাতে এইদিন কাউরে জন্ম নিতে না হয়। আর যদি এক্সিডেন্টলি হয়েই যায় তাইলে আগেরদিন সিজার চালাই দিতে হইবে। আর যদি কেউ সিজার করতে না চায় তাইলে তারে একদিন অপেক্ষা করতে হইবে। তাতে যদি মৃত্যু হয় কারো বৃহতের কল্যাণে সেইটা মাইনা নিতে হইবে। আমরাতো জানি এক মুসারে মারার জন্য হাজার হাজার বাচ্চা মারছে ফেরাউন। সুতরাং একটা দিন জনসংখ্যামুক্ত রাখার জন্য যদি বেখেয়াল কাউরে প্রাণ দিতে হয় এ আর এমন কি !

এখন দরকার কোন দিনটারে এই জনসংখ্যাবিরতিকরণ দিবস ঘোষণা করা যায় সেটা নির্ধারণ। আমি মনে করি দিনটা ১৫ই আগস্ট হইলে ভাল হয়। কেন ? বদরুদ্দোজা চৌধুরী যদিও বলেছেন তার বড় মেয়ের জন্মদিন ১৫ই আগস্ট হওয়ায় তার জন্মদিন তারা পালন করেন না। কিন্তু প্রতি বছর ১৫ই আগস্টে জন্ম নেয়া হাজার হাজার মানুষ কি তাগো জন্মদিন পালন করবনা ? নাকি করেনা ? অবশ্যই করে। এইভাবে যদি ১৫ই আগস্টে জন্ম নেয়া পোলাপাইনের সংখ্যা বাড়তে থাকে আর যদি বিম্পি-জামাত ষড়যন্ত্র কইরা এইদিন বেশি বেশি বাচ্চা পয়দা করতে থাকে তাইলে এই দিনটার ভাব-গাম্ভীর্জ ব্যাহত হবে। সুতরাং বাংলাদেশের জন্য এইদিনটারে জনসংখ্যাবিরতিকরণ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা জাতির বৃহত্তর স্বার্থেই জরুরী।

আর বিশ্ব-জনসংখ্যাবিরতিকরণ দিবস আন্দোলনের পুরোধা যদি বাংলাদেশ হইতারে তাইলে সারা বিশ্ব বাংলাদেশের দাবী মাইন্যা নিয়া এই দিনটারে বিশ্ব-জনসংখ্যাবিরতিকরণ দিবস ঘোষণা না কইরা কই যাইব। কারণ এইরকম ইউনিক আইডিয়া হ্যারা তো আর আগে পায়নাই।

আইডিয়া দুই.
যারা জন্ম নিয়া ফালাইছে তাদের ব্যাপারেও আমি চিন্তা করছি। জন্ম নিবন্ধনে দিনটা চেন্জ কইরা দিতে হইবে। আর যদি ত্যাদড় কেউ সেইটা করতে রাজী না হয় তাইলে তাগো জন্যও নয়া ফর্মূলা আছে-আইন কইরা তাগো জন্মদিনরে বেআইনী ঘোষণা করা হইবে। তাহেররে মাইরা ফালানোর এত্তবছর পর যদি তার মউতরে বেআইনী ঘোষণা করণ যায় আর সিরাজ শিকদাররে মাইরা ফালানোর এত্ত দিন পর যদি বিম্পি তারে জাতীয় নেতা ঘোষণা করার পায়তারা করতারে তাইলে ১৫ই আগস্ট জন্ম নেয়া পোলাপাইন-বুড়া-ধুরাগো জন্মরে অবৈধ ঘোষণা করা যাইবনা কেন? একবার অবৈধ ঘোষণা করলেই দেখা যাইব সবাই লজ্জায় হউক আর যে কারণেই হোক এফিডেবিট কইরা বা ভুল তথ্য দিয়া বা বয়স কমাইয়া নিজের জন্ম দিন পাল্টাইয়া ফালাইছে।

আর খালেদা জিয়ার মত যারা এহন ১৫ই আগস্ট জন্মদিন পালন করে তাদের দিতে হবে রেব থেরাপী।একবার পেদানি খাইলেই আর ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালনের সাহস করতনা।

আইডিয়া তিন.
প্রতি বছর এই দেশে হাজার হাজার আসামীর ফাঁসীর রায় কিংবা ক্রশফায়ারের রায়(!) কার্যকর করা হয়। এইদিনটা করা হোক ১৫ই আগস্ট। বাংলাদেশের দেহাদেহী অন্যান্য দেশও (যেখানে আসামীকে হত্যা করা বৈধ) এইদিনটা যাতে পালন করে তার জন্য যথেষ্ট কুটনৈতিক চেষ্ট করতে হবে সরকারকে।

আইডিয়া চাইর.
একটা দিন ফ্রি-হত্যা দিবস পালন করা যাইতে পারে আমাগো দেশে। কারণ পাবলিক বাইড়া গেছে অনেক। সেই দিনটা হোক ১৫ই আগস্ট। যে যেমনে পারবে খুন করব। এইদিন খুনের কোন বিচার হইবেনা। বরং পুরস্কৃত করা হবে রাস্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী পদক দিয়ে।

এই আইডিয়া গুলা বাস্তবায়ন করা গেলে জনসংখ্যার অভিশাপ থেকে বাংলাদেশ সহ অবশিষ্ট বিশ্ব রেহাই পাবে। আর ১৫-ই আগস্ট হয়ে উঠবে সত্যিকারের শোকের দিন। এইদিন ফূর্তি করার দুর্মতি কাউরে পাইবেনা এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

পুনশ্চঃ আইডিয়া দাতা তার আইডিয়ার জন্য কোনরূপ পুরস্কার আশা করেনা।( তয় তিরস্কার জুটলে কী আর করার আছ! জগতে অনেক মহান মহান ব্যক্তিদের অনেক গঞ্জনা সহ্য করতে হইছে। আমাদের জাতীর পিতাকেও কি এখনো কম গঞ্জনা সহ্য করতে হয়!)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29433008 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29433008 2011-08-16 10:14:54
তাইলে পুলিশ বাহিনীর বিলুপ্তি আসন্ন !!!
সরকার এইবার চরম বিপদে পড়ছে এই বাহিনী নিয়ে। ছাত্রলীগও মনে হয় সরকাররে এত ভোগায় নাই।

তাইলে কি সরকার পুলিশ বাহিনীকে বিলুপ্তি কইরা নতুন নাম দিব ? যেমনটা দিয়েছিল বিডিআরকে ? নাকি তাদের সব অপকর্মকে প্রশ্নাতীত ঘোষনা করব। যেমন প্রশ্নাতীত রাস্ট্রপতির সব কাজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29427859 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29427859 2011-08-08 14:37:06
হরতালের বিকল্প তত্ব উদ্ভাবন করলেন বাংলাদেশের রাজনীতি বিজ্ঞানী !!!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
হরতালবিকল্প কি কি হতে পারে ? এই প্রশ্নটিকে সামনে রেখে গত কিছুদিন আমি নিরলস চিন্তা করে কিছু বিকল্প উদ্ভাবন করেছি।আমার মাথায় ছিল সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ যাতে না হয় এবং সরকার যাতে দাবী মানতে বাধ্য হয় সে বিষয়টি। এছাড়াও ছিল জাতীয় সম্পদ যাতে নষ্ট না হয় সে চিন্তাও।

এবারে আসছি হরতালের বিকল্প উপায়গুলোতে-

০১.প্রধানমন্ত্রী, রাস্ট্রপতি, মন্ত্রীদের বাসভবন ও অফিস ঘেরাও কর্মসূচী।তাদেরকে রাস্তায় চলাচলে বাধা দেয়া। প্রয়োজনে পিকেটিং এর বিকল্প হিসেবে তাদের বাসার গ্যাস-বিদ্যুত-পানি লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে তাদেরকে আম-জনতার কষ্ট উপলব্ধিতে সহায়তা করা।তাদের গাড়ি রাস্তায় নামলে রাস্তায় শুয়ে পড়ে তাদেরকে হেটে যেতে বাধ্য করা।

০২.সংসদ ভবন সহ সকল সরকারী এমপিদের বাসভবন ঘেরাও করা। কেউ যাতে ভেতরে ঢুকতে বা বের হতে না পারে। সরকারের নীতি নির্ধারকরা যাতে নির্বিঘ্নে বৈঠক করতে না পারে সেজন্য তাদের সকল আস্তানা ঘেরাওয়ের আওতায় আনা।

০৩. বিমান বন্দর হয়ে কেউ যেন কোন সরকারী সফরে দেশের বাইরে যেতে না পারে সে জন্য বিমানবন্দরকে ঘেরাও কর্মসূচীর আওতায় আনা। মোট কথা সরকার দলীয় লোকদের খাঁচায় বন্দী করে ফেলা।

০৪.সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করে তাদেরকে সরকার ও তার দলের সকল সংবাদ বর্জনের আহ্বান জানানো।সব পত্রিকা যদি একযোগে সরকার ও তার দলের সকল সংবাদ ছাপানো বর্জন করে তাহলে তারা দাবী মানতে বাধ্য হবে। আর না হইলেও নিজেদের কয়েকটা পত্র্রিকা পরীক্ষামূলক ভাবে ঘোষণা দিয়া বলতে পারে-সরকারের এই আকামের প্রতিবাদে আইজ কোন সরকার পক্ষীয় সংবাদ ছাপা হলোনা।

০৫.প্রধানমন্ত্রীর গাড়ী বহরের সামনে আচমকা কয়েক হাজার মানুষ চলে আসা। রাস্তায় নাইমা প্রধানমন্ত্রীরে দুই ঘন্টার জনজট উপহার দেয়া। প্রয়োজনে পুলিশের সাথে চোর-পুলিশ খেলা।

০৬.প্রধানমন্ত্রী কোন অনুষ্ঠানে গেলো সেখানে ১০,০০০ মানুষ হঠাৎ করে ঢুকে পড়ে তাকে কয়েক ঘন্টা আটকিয়ে রাখা। প্রয়োজনে সংলাপটা সেখানেই সেরে ফেলা।

এইসব কাম যত সহিংস হবে ততই ফলদায়ক হবে। এতে পাবলিকের কষ্ট যেমন কমবে তেমনি দাবী আদায়ের সম্ভাবনাও বাড়বে।

বি.দ্র. কোন রাজনৈতিক দল এই তত্ব কাজে লাগাইলে কোন ধরনের কৃতজ্ঞতা স্বীকার না করলেও চলবে। আর রাজনীতি বিজ্ঞানী যেহেতু কোন পদের লোভী নয় তার ব্যাপারে মাথা না ঘামালেও চলবে।

পুনশ্চ: অন্যান্য রাজনীতি বিজ্ঞানীগণও তাদের উদ্ভাবিত তত্ব এখানে বমি কইরা যাইতে পারেন। যদি রাজনীতিবিদরা তা কোন কাজে লাগাতে পারে তাতে দেশ-দশ সকলেরই লাভ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29407282 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29407282 2011-07-04 23:16:52
খেলাডা আমি একলাই খেলতে চাই !!!
ভগবানের ইচ্ছা আর আপনাগো দশের দোয়ায় এইবার আমার অবস্থা ব্যাফক ভাল। আমার সহ-খেলোয়াড়রা মাশাল্লা দারুণ খেলতাছে। খেলার মাঠ আমার অনুকূলে। তাই ঠিক করছি আপনাগো ভাগ্য নিয়া আর কাউরে খেলতে দিমুনা। এখন থেকে খেলাডা আমি একলাই খেলুম।

আমার খেলোযাড়রা দুই দলে ভাগ হইয়া খেলব। আমি থাকব দুই দলেরই অবিসংবাদিত বিধাতৃমাতুল। আমার ইচ্ছায় আপনাগো ভাগ্য সুপ্রসন্ন হইব আবার আমার ইচ্ছায়ই আপনাগো ভাগ্যের লালবাত্তি জ্বলব। সুতরাং আহম্মক পদলেহী বাঙ্গালীকূল ! এখন থেইকা অন্য সব দলের উপর থেইক্যা সমর্থন প্রত্যাহার কইরা আমার দলরে সমর্থন দাও। নাইলে কিন্তু খবর আছে।

আমার বিরোধী এক দুর্মুখরে আর তার সন্তানগুলারে কিরাম চিপায় ফালাইছি তা যারা দেখছে তাগো তো বুঝা উচিত আমার প্যাদানি কাহাকে বলে এবং উহা কত প্রকার !শুধু তাই না মানুষের ধর্মনুভূতি নিয়া ব্যভসা যারা করে হেগোরে কি বাঁশডলাডা যে দিলাম তা আর কেমনে কই।

আমি আর কথা বাড়াইতে চাইনা। তাইলে আপনারা কইবেন আরেক জনরে টাকা বা অন্য কিছু দিয়া এইডা লেখাইছি। আজ এইখানেই বিদায় নিতাছি। মনে রাখবেন, মাঠটা আমার- খেলাডা আমি একলাই খেলুম। আর কাউরে খেলতে দিমুনা আমার মাঠে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29403190 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29403190 2011-06-27 10:40:38
শুধু একবার ভাবুন,ধর্ষিতা যদি হত আপনার মেয়ে একই প্রশ্ন রইল দেশপ্র্রেমী সব মানুষের প্রতি ।

যেই নরপশুগুলো এই কাজ করে যাচ্ছে অবলীলায় তারা কি কখনো ভেবে দেখেছে তাদের মেয়েরাও যদি ধর্ষণের শিকার হয় একইভাবে তাদের কেমন লাগবে। আমি নরপশুদের প্রতি ঘৃণা জানাতে অভ্যস্ত (আ)পামর জনতাকে বলতে চাই আর ঘৃণা নয়, আসুন একবার অন্তত এদের কয়েকজনের লিংগ কর্তন করি।

ধর্ষকের একমাত্র শাস্তি হওয়া উচিত লিংগকর্তন

যে সকল শিক্ষক যৌননিপীড়নের সাথে জড়িত আমি তাদের সকল শিক্ষা সনদ বাতিলের দাবী জানাই। তাদেরকে শিক্ষকতার অনুপযুক্ত ঘোষনা করা হোক কমপক্ষে।

শিক্ষিত লোকেরা যদি জানোয়ারের মত আচরণ করে তাহলে তাদের শিক্ষাসনদ কেড়ে নিয়ে তাদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হোক লাঙ্গল যোয়াল। বাধ্যতামূলকভাবে তারা মাঠে কাজ করুক আজীবন।(এটাকে সম্মানিত কৃষক ভাইদের প্রতি অবমাননা ভাববেন না কেউ দয়া করে)।

সামাজিক অনাচারের উৎস যেইসব উপকরণ আমাদের হাতের নাগালের মধ্যে নিত্য বিরাজ করে, আমি সেই সকল উৎস বন্ধের জোর দাবী জানাই। ভাজা মাছ যেমন ঢেকে রাখতে হবে তেমনি বিড়ালকেও রাখতে হবে চোখে চোখে, অন্যথায় দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবেই।

আমি সানজিতার আত্মহননে বাকরুদ্ধ। আমাদের পলায়নপরতা এইসব নরপশুদের দিনদিন বেপরোয়া করে তুলছে। আমি আতংকবোধ করছি হয়তো আমরা সবাই একদিন ধর্ষক হয়ে যাব। হয়তো নিজের মেয়েরাও রেহাই পাবেনা আমাদের হাত থেকে।

আজ যে মেয়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে সে তো আমাদেরই কারো মেয়ে বা বোন।আমরা যদি অপরের বিপদে এগিয়ে না যাই আমার বিপদে কে এগিয়ে আসবে ? আমি যদি অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে কিছু না করি তাহলে অন্যায় সহার অপরাধে আমিও তো অপরাধী হচ্ছি।

সুতরাং সিদ্ধান্ত আমাদেরই নিতে হবে, কী-বোর্ডে ঝড় তুলেই দায়িত্ব শেষ করব নাকি নরপশুদের বিরুদ্ধে বাস্তব কোন পদক্ষেপ নিব। নাকি নিজেকে হবু ধর্ষকের কাতারে শামিল করার চেষ্টায় বিভোর থাকব ?

সরকার এ দায়িত্ব কোন কালে নেয়নি, নিবেনা। তারা ব্যস্ত থাকবে তাদের ক্ষমতা পাকা করার চেষ্টায়। এ কাজ আমাদের। আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29399654 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29399654 2011-06-20 13:12:43
হরতাল নিবেদন সরকারী দল-

০১.হরতাল দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। আমরা বিরোধীদলে গেলেও হরতাল করবনা।
০২.জনগণ হরতাল প্রত্যাক্ষান করেছে।
০৩.এই হরতালে দেশের ক্ষতি হয়েছে ১হাজার কোটি টাকা।
০৪. হরতালে সবকিছু ছিল স্বাভাবিক।

প্রশ্ন-হরতালে সব স্বাভাবিক থাকলে দেশের ক্ষতি হইল কেমনে ?

বিরোধী দল-

০১.হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার কোন ফ্যাসিবাদী সরকার জনগণের এ অধিকার কেড়ে নিতে পারবেনা।
০২.জনগণের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে হরতাল সফল হয়েছে।
০৩.ওরা আমাদেরকে কোথাও দাঁড়াতে পর্যন্ত দেয়নি। আমাদের বহু নেতাকর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে।
০৪.হরতালে গোটা দেশ ছিল অচল।

প্রশ্ন- কোথাও দাঁড়াতে না দিলে দেশ অচল করলেন কেম্নে ?

পাবলিক-

০১.ঢাকাবাসী চাকুরে- হরতালে ব্যাফক আরাম। সারা ঢাকা শহরে কোন জ্যাম থাকেনা। সারা বছর হরতাল চাই।
০২.রিক্সাওয়ালা- হরতালই ভালা। সব রাস্তায় রিক্সা চালানো যায়।
০৩.সাধারণ ভোক্তা-হরতালের অজুহাতে সবকিছুর দাম বাড়াইয়া দিছে। অথচ টিভিতে দেখলাম সবকিছু স্বাভাবিক।
০৪.বিক্রেতা-(হরতালেই সুবিধা। চামে জিনিসের দাম বাড়াইয়া দেয়া যায়।) হরতাল হইলে ব্যবসার ম্যালা ক্ষতি হয়।
০৫. প্রাইভেটে যাতায়াত করেন এমন যাত্রী- হরতালের কোন মানে হয়না। হুদাই জনজীবনে কষ্ট।
০৬.পরীক্ষার্থী -বিরোধীদলরে ধইন্যাপাতা। এই কারণে পরীক্ষাডা পিছাইলো।
০৭.পুলিশ-(হরতাল হইলে ইনকামডা একটু বাড়ে।) হরতালে পুলিশের কষ্টই সবচেয়ে বেশি।

পাঠক প্রশ্ন-

০১. হরতালের উপকারীতা কতটুকু আর অপকারিতাই বা কতটুকু ?
০২. হরতালের বিকল্প হিসেবে প্রতীকি হরতাল কতটা জনপ্রিয়তা পাবে ?
০৩.বিরোধী নেত্রীরে পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ঘুস দেয়ার সম্ভাবনা কতটুকু বাড়বে ?
০৪.হরতালে পুলিশের ইনকামের কোন গ্রহণযোগ্য পরিসংখ্যান কেন প্রকাশ করা হয়না ?
০৫.সরকারী দলের উদ্ভাবিত হরতাল নিবারণ উপায় তাদের উপর প্রয়োগ হবার সম্ভাবনা কতটুকু ?
০৬. বিরোধী দলের সরকারী দলে যাবার সম্ভাবনা আর সরকারী দলের বিরোধী দলে যাবার সম্ভাবনা তাদের মতে কতটুকু ?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29396011 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29396011 2011-06-13 11:10:32
ছেলেরা সুন্দরের পুজারী, মেয়েরা পুজারী স্বার্থের !!!<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" />
ছেলে: প্রো-পিকটা কি আপনার ? (প্রোফাইলে বিয়ের সময়কার ছবি ঝুলতেছিল)
মেয়ে: কেন এমন প্রশ্ন ?
- পিকটা খুব সুন্দর।
- হ্যাঁ ওটা আমার ছবি।
- আপনার কি এ ছবির চেয়ে সুন্দর কোন ছবি আছে ?
- নাহ্ । মেয়েদেরে বিয়ের ছবিই সবচেয়ে সুন্দর হয়।বিয়ের দিন মেয়েরা সুন্দর হয়ে যায় যাতে বরের দেখে ভাল লাগে।
-ছেলেরা হয়না ?
-নাহ্ ।
-মেয়েরা সুন্দর হয় কেন ?
-ছেলেরা তো বাহ্যিক সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়। তাই তারা সুন্দরী মেয়ে দেখলেই পেছনে ছোটে। এই জন্য বিয়ের দিন আল্লাহ মেয়েদেরকে অনেক সুন্দর করে দেয়।
-মেয়েরা কিসে আকৃস্ট হয়?
- মেয়েরা দেখে ছেলেটা তাকে সুখী করতে পারবে কিনা, সে কতটা যোগ্য, কতটা দায়িত্বশীল এই সব।
-আপনি বলতে চাচ্ছেন মেয়েরা চেহারা দেখে ছেলেদের পছন্দ করেনা ?
-হ্যাঁ। আপনি দেখেন ফেসবুকে বা ব্লগগুলোতে প্রো-পিকে সুন্দরী মেয়ের ছবি থাকলে ছেলেরা হামলে পড়ে। আজাইরা প্যাচাল পাড়ে।ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় আরো কত কী! কোনদিন কোন মেয়েকে দেখেছেন কোন ছেলের সাথে এই সব করতে ? মেয়েরা অনেক বেশী রিয়েলিস্টিক।
-ঠিক বলেছেন। আমি যেমন আপনার ছবি দেখে ছবির প্রেমে পড়ে গেছি। কিন্তু আপনার সেরকম কোন অনুভূতি হয়নি।
-একদম ঠিক কথা।
-তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন ছেলেরা সুন্দরী মেয়েদের পেছনে ঘুরে আর মেয়েরা খোঁজে যোগ্য ছেলে ?
-একদম ঠিক ধরেছেন।
-তাহলে তো একথাটাও বোধহয় ঠিক যে, ছেলেরা সুন্দরের পুজারী আর মেয়েরা স্বার্থের পুজারী!!
-কইছে আমনেরে ! আমি কি সেই কথা কইছি নাকি?
-কোন কথা কইছেন?
-আমি বলছি মেয়েরা রিয়েলিস্টিক হয়।
-সেইটা কি স্বার্থ চিন্তা কইরা না?
-ধুর !! আপনি এখন অফ যান তো। বোঝেনা খালি প্যাচাল পাড়ে।
-আমি নাহয় বুঝিনা। আপনি একটু বুঝাইয়া কননা!
-আপনারে কি আমি ব্লক করলে খুশী হন ?
-ননননা কী যে কন ! ব্লক করবেন কেন ? এমন সুন্দর ছবিটা তো আর দেখতে পারুমনা তাইলে।
-তাইলে এইবার অফ যান।

ছেলেটা অফ গেল। সে বুঝলোনা একটা মেয়ের সাথে তর্ক করতে করতে সে কত বড় একটা জিনিস আবিস্কার করল। তার আবিস্কারটা হল-সকল লুল-ই সুন্দরের পুজারী! অন্য সবাই অসুন্দরের।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29375105 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29375105 2011-05-04 17:44:45
যে জীবন নদীতটে করে বাস (এক)
রাত হলে শিবলীর সাথে আড্ডা চলে দুপুর অবধি । কখনো গিটার, গান আর আবৃত্তিতে মুখর হয়ে উঠে রাতের আকাশ । চাঁদোয়া রাতের নরম জ্যোৎস্না গায়ে মেখে ভেসে আসা হাস্নাহেনার ঘ্রাণ আন্দোলিত করে দু'জনকেই । আমার কেউ নেই, ওর আছে একজন । সেই একজনই ওর কান্না হাসির অবিমিশ্র উপাদান । মাঝে মাঝে বুকে ব্যাথা ওঠে । ও বোঝেনা ব্যাথার কারণ । ডাক্তার দেখাতে চায় । আমি কিন্তু বুঝি সবই । ওর কথায় হাসি । বলি দেখা করে আয় । দেখবি সব ঠিক হয়ে গেছে। কিন্তু ও দেখা করেনা । হঠাৎ মনে ভাবি অন্য কোন সমস্যা নয়তো !

একদিন ওকে চেপে ধরি ভীষন । আজ তোকে বলতেই হবে । দেখা করছিস না কেন ? আচমকা আমার হাত চেপে ধরে । ভেঙে পড়ে কান্নায় । ওর বাবা মা চাননা । আমি অভয় দেবার চেষ্টা করি । নো প্রবলেম । ও তো চায় । মাথা নাড়ায় দিবা । বাবা মায়ের অমতে কিছুই করতে রাজী নয় ও । আমার মনে পড়ে যায় একজনকে দেয়া আমার উপদেশ । দুই বছরের সম্পর্কের চেয়ে বাইশ বছরের সম্পর্কের গুরুত্ব তোমার কাছে বেশি হওয়া উচিৎ । আজ তুমি বাবা মায়ের মন ভাঙবে । বাইশ বছর পর তোমার মেয়ে তোমার মন ভাঙবে । হায় ! কোন কুক্ষণে যে এমন উপদেশ দিতে গিয়েছিলাম !

সেদিন দুপুরে আবৃত্তির রিহার্সেল করছিলাম একা একা । হলের মামা এসে জানান দিলেন কেউ একজন আমার অপেক্ষায় ওয়েটিং রুমের সদস্য । বিট একটা মিস হলো বুঝি । কে হতে পারে ? পরক্ষণেই মনে হল, আরে দুর, হয়তো কোন বড় আপু ।তাড়াহুড়োয় চুল আঁচড়ানো হয়নি খেয়ালই করিনি । গিয়ে দেখি গুরুজন । শিলা মেডাম ।একটি ল্যাংগুয়েজ কোর্সে কয়েকদিনের জন্য পেয়েছিলাম । আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন । দুস্টুমিভরা ।
- 'তোমাদের হল দেখতে এলাম ।'
- (এই দুপুরে ? মাথা ঠিক আছে ?) আমি চুপ । ভাবছি গোসল করা হয়নি এখনো। পকেট খাঁ-খাঁ ।
- 'চুলের এই অবস্থা কেন ? তোমরা ছেলেরা আসলেই খুব উদাসীন ।' আমি ভাবছি মতলবটা কি ? সত্যি বলতে কি, সিনিয়র কোন মেয়ের ব্যাপারে অন্যকিছু ভাবার মানসিকতা তখনো হয়নি ।
- 'রিহার্সেল করছিলাম । এখনো গোসল করিনি ।' আবার দুস্টুমিভরা হাসি ।
- 'গোসল না করলে কি খুব সমস্যা ?'
-'না মানে আমার ঘামে খুব গন্ধ ।' এবার আমার হাসির পালা । আড়চোখে দেখলাম একটু যেন বিব্রত ।
- যাও ফ্রেস হয়ে এসো । আজকে একসাথে খাব ।
- 'আমার অনেক সময় লাগবে । পারবেন এতক্ষন বসে থাকতে ? আর তাছাড়া চারটায় টিএসসিতে রিহার্সেল আছে । সামনে প্রোগ্রাম ।'কিছুক্ষন চুপ করে থাকলেন।
- কোন ইয়ারে পড় ?
- থার্ড ইয়ারে ।
- কবে যে তোমরা ম্যাচিউর্ড হবে ।
- (ছেলেদের এই এক দোষ সহজেই ম্যাচিউর্ড হয়না ।) মুখে বললাম, মানে ?
- 'ও তুমি বুঝবেনা । যাও তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে আসো । তোমাদের রিহার্সেল দেখবো আজ ।'

সেদিন রিহার্সেলে যাওয়া হয়নি কারো । দুপুর পাড়ি দিয়ে মধুমিতায় যেতে হয় । ডিজিটাল সাউন্ডে নাকি জুরাসিক পার্ক দেখার মজাই আলাদা । আমি অবশ্য বেশ উপভোগ করেছিলাম ব্যাপারটা । কিন্তু শিলা মেডাম ছিলেন অন্যমনস্ক ।

রাতে ডাইনিংয়ে শিবলীর সাথে দেখা । মাহী,দিবা, আরিফসহ কয়েকজন বসেছিল একই টেবিলে। আমিও গিয়ে ওদের সাথে বসি । মাহী বেশ হাই থটের কথা বলে । ওর সাথে কথা বললে মনে হয় যিশু,মোহাম্মদ, মার্ক্স সবই ওর পড়া শেষ । জীবিত দার্শনিকদের মধ্যে ওর চেয়ে প্রাজ্ঞ বোধ হয় কেউ নেই । আমরা কথা বলছিলাম হান্টিংটন নিয়ে । মাহী বলে উঠলো,
- মুসলমানরা পাশ্চাত্যের প্রতিদ্বন্দ্বি হওয়ার অনেক আগেই ভারত এবং ইস্রাইল পাশ্চাত্যের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবে । আমি যদি আমেরিকার প্রেসিডন্ট হতাম তাহলে সবার আগে ভারত আর ইস্রাইলের বারটা বাজাতাম ।
- তুই জার্মানির প্রেসিডন্ট হবি । আমি হলপ করে বলতে পারি । শিবলীর এই কথায় অন্যদের সাথে আমিও হাসলাম ।
যদিও ওদের আর আমার হাসির প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন । তাড়াতাড়ি খাবার শেষ করে শিবলীর পিছু পিছু ওর রুমে গেলাম । আজ রাত্রী এসেছিল । শিবলীর মন তাই অন্যরকম । জানে পাবেনা । তবু এই ক্ষণিকের পাওয়াটাকেই ও চিরদিনের করে রাখতে চায়। আজ ঘুমাবেনা শিবলী । আমি হবো ওর রাত্রীজাগরনের সাথী ।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29369560 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29369560 2011-04-26 10:33:40
শিরায় জ্বলছে প্রতিশোধের আগুণ
আমার গ্রামে তখনো পাখিডাকা ভোর। কলতলায় পানির শব্দ ঘুমের বাড়িতে নিয়ত হানা দিচ্ছে। প্রতিদিনকার পাখির কাকলী বিহানের সকল আলাপ-অপলাপ মুখর করছিল। স্রোতের তীব্রতায় বয়ে চলা নদী পুত্র ‘বাসন্ডা’য় দু-একটি নৌকা চলছে মৃদু-মন্দ লয়ে। মসজিদে তখনো শেষ হয়নি ফজরের শেষ ক্বেরাত। হঠাৎ ভয়াবহ শব্দের ঢেউ আমাদের নিস্তরঙ্গ জীবনে বয়ে আনে অজানা মৃত্যুর সঙ্কেত। রাতের বাতাসে খবর আসে আমার বাবা সেই শব্দের তোড়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে।

তুমি খুন করেছ আমার বাবাকে। আমার জন্মদাতাকে। যার কোলজুড়ে কেটেছে আমার পুরোটা শৈশব। যার হাত ধরে হেঁটে গেছি সন্ধ্যার তীর ধরে দীর্ঘ দীর্ঘ পথ। আমার মুখে অন্ন আর শরীরে আভরণের জোগান দিত যে লোকটা -তাকে তোমরা খুন করেছো। তার হাতে ধরিয়ে দিয়েছ জংধরা অস্ত্রের খোলস। সংবাদের শিরোনামে তাকে বানিয়েছ মানুষ হন্তারক।

আমার চোখে এখন অন্ধকার সীমাহীন। পিতাকে হারানোর শোকে শুধু নয়; মায়ের বিধবা বেশ আমাকে নিয়ে গেছে সীমাহীন দুর্যোগের দোলাচালে।

তোমারও তো মা আছে। বাবা আছে। আছে সন্তান-স্ত্রী কিংবা নিদেনপক্ষে প্রেয়সী গাঢ়তর ! আমার দুহাতে বন্য জন্তুর হিংস্রতায় তুলে নিব মৃত্যুর অভেদ নিশান। তোমাদের হৃদপিন্ড ভেদ করবে সেই ক্ষুধার্ত নিশানা। আমার চলার পথে মাড়িয়ে যাব তোমাদের স্বয়ংক্রিয় সব কানুন। মানুষ খুনের লাইসেন্স যে কর্তৃপক্ষ তোমাকে দিয়েছে তার ঘাড়েও পড়বে আমার রোষকষায়িত চোখের আগুণ দৃষ্টি। তার সাম্রাজ্য পুড়ে খাঁক হবে আমার সীমাহীন তান্ডবে।

আমার মত প্রতিটি পিতৃহারা অন্তরে পুষে রাখছি তোমাদের প্রতি ঘৃণার বিষবৃক্ষ। দিনে দিনে তা বড় হয়ে গ্রাস করবে তোমাদের সাধের রঙমহল। আমাদের বিদ্রোহী প্রতি প্রাণে জেগে উঠবে প্রতিশোধের অকাল বৈশাখী। রনদুন্দুভীতে কাঁপিয়ে দিব চরাচর। দেখে নিও সেই ক্ষণে, আজকের নিপীড়িত মানুষ, জান্তব উল্লাসে পান করবে তোমাদের রক্তসুধা।

ভেবোনা চিরকালই পিষে মারবে আমাদের। তোমাদের বুটতলায় থেঁতলে যেতে যেতে আমরাও জেগে উঠব একদিন, একদিন আমরাও তোমাদের মত বন্য হব। বুনো বরাহের হিংস্রতায় আমরাও হার মানাব তোমাদের।

(ক্রসফায়ারে বাবা হারানো সন্তানের একান্ত ভাবনা)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29360725 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29360725 2011-04-11 09:50:30
ফিরিয়ে দিন আমার পরিচয় (ব্যাংক হিসাবধারীদের জন্য অবশ্যপাঠ্য)
সেই মেসেঞ্জার কয়েকটি ব্যাংকে একাউন্ট খোলে। তার নিজের ব্যাংকেও একটি একাউন্ট খোলে। (সবগুলোই ভুয়া পরিচয়ে) সে নিজ ব্যাংকের ওই একাউন্টের চেক বিভিন্ন ব্যাংকে খোলা হিসাবে জমা দিতে থাকে। চেকগুলো যখন ক্লিয়ারিং হাউজে আসত সেখান থেকে চেকগুলো ওই মেসেঞ্জারই নিয়ে আসত তার ব্যাংকে। পথে সে চেকগুলো ছিঁড়ে ফেলে দিত। তখন ইন্টারব্যাংক রিকনসিলেশন অতটা উন্নত না থাকায় ফ্রড ধরতে অনেক সময় লেগেছিল। পরে সেই কেস গোয়েন্দাদের হাতে দেয়া হলে তারা মেসেঞ্জারের লাইফ স্টাইল দেখে তাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। তবে সে একজন সামান্য ম্যসেঞ্জার হয়ে এত বড় ফ্রড করতে পারায় তাকে আদালত শুধু জরিমানা করেই ছেড়ে দেয়। সে জরিমানার টাকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছিল।

----------------------------

কারো কারো দরকার হতে পারে বিবেচনা করে ক্লিয়ারিং হাউজের কার্যাবলী একটু আলোচনা করছি- ক্লিয়ারিং হাউজের আওতায় থাকা সবগুলো ব্যাংকই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা তার প্রতিনিধির কাছে একটা হিসাব মেইনটেইন করে। যখন কোন ব্যাংকের কাছে অন্য ব্যাংকের চেক উপস্থাপিত হয় তারা তা ক্লিয়ারিং হাউজে জমা দেয়। ক্লিয়ারিং হাউজ কর্তৃপক্ষ তখন যেই ব্যাংকের চেক তাদেরকে সেই চেক দিয়ে দেয় এবং সমপরিমান টাকা তাদের একাউন্ট থেকে পাওনাদার ব্যাংকের একাউন্টে ট্রান্সফার করে দেয়। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক আবার সেই চেক তাদের সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠায়। যদি সেই একাউন্টে ব্যালান্স থাকে তাহলে চেক পাশ হয়। আর যদি একাউন্টে টাকা না থাকে তাহলে চেক ফেরত আসে। চেক ফেরত আসলে ক্লিয়ারিং হাউজ কর্তৃপক্ষ যেই ব্যাংকে ওই চেক জমা পড়েছিল তাদেরকে চেক ফেরত দেয় এবং সমপরিমান টাকা আবার আগের মতই আগের ব্যাংকে ফেরত দিয়ে দেয়। চেক যথানিয়মে যেই শাখায় জমা পড়েছে সেই শাখায় ফেরত চলে আসে।

এখানে সমস্যা হলো কোন চেক পাশ হলো কি ফেল হল তার জন্য কোন কনফারমেশনের ব্যবস্থা নেই। কেবল চেক ফেরত আসলেই ধরে নেয়া হয় যে চেকটা পাশ হয়নি আর ফেরত না আসলে ধরে নেয়া হয় যে চেকটা পাশ হয়েছে। এই ফোকড়টুকুরই সুবিধা নিয়েছিল ভারতের সেই ম্যাসেন্জার। এবং অবাক করা ব্যাপার হলো একই রকম একটা ফ্রডের ঘটনা গতবছর আমাদের দেশেও ঘটেছে। (আমি বলছিনা তারা রহস্য পত্রিকার গল্পটা পড়েই প্রেরণা পেয়েছে)

----------
আমাদের দেশের ঘটনাটা এরকম-

কয়েকটি প্রাইভেট ব্যাংকের ঢাকার বিভিন্ন শাখায় বিভিন্ন পরিচয়ে একাউন্ট খোলে একটি জালিয়াত চক্র। একাউন্ট খোলার সময় তারা স্থানীয় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে পরিচয় নিয়ে একাউন্ট খোলে। এই ব্যবসায়ীরা আবার সহজ সরল ভাল মানুষ। তারা কোন সন্দেহ না করে পরিচয় দিয়ে দেয়। এই একাউন্টগুলোতে সোনালী ব্যাংকের ঢাকার একটি শাখার বেশ কয়েকটি চেক বিভিন্ন সময়ে জমা হয়। চেকগুলো ফেরত না আসায় স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয়া হয় যে চেকগুলো পাশ হয়েছে। ফলে যথানিয়মে তাদের একাউন্টে সমপরিমান টাকা জমা হয়ে যায়। এভাবে প্রায় কোটির উপরে টাকা ফ্রড হবার পর সোনালী ব্যাংক জানতে পারে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত তাদের হিসাবে এই পরিমান টাকা গরমিল হচ্ছে। তখন তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামলে বেরিয়ে আসে ফ্রডের ঘটনা।

---------------------------

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চেক নিয়ে যাওয়ার পর সংশ্লিস্ট শাখায় সেই চেক পৌঁছায়নি। পথেই কোথাও ফেলে দেয়া হয় চেক। যার কারণে চেক ফেরত যায়নি বাংলাদেশ ব্যাংকে। এই ঘটনার সাথে যতদুর জানা গেছে, সাত আটটি ব্যাংক জড়িত হয়ে গেছে। প্রায় অর্ধশত নিরপরাধ ব্যাংক কর্মকর্তা এবং গ্রাহকও এই ঘটনায় জড়িয়ে গেছেন।

-----------------

যেভাবে এড়ানো যেত এই ফ্রড:
০১. সোনালী ব্যাংক যদি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে তার স্থিতির পরিমান যাচাই করত। তাহলে সর্বোচ্চ একটি বা দুটো চেক ফ্রড হবার পরপরই ফান্ডের অমিলের বিষয়টি নজরে আসত। এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হত।

০২. চেক পাশ নাহলে যেমন চেক ফেরত আসে তেমনি যদি এমন নিয়ম থাকত যে, চেক পাশ হলে একটি কনফারমেশন লেটার (সংশ্লিষ্ট শাখা প্রধানের স্বাক্ষরিত) বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে, বাংলাদেশ ব্যাংক সেই লেটার পাওয়ার পরই কেবল ফান্ড ট্রান্সফার করবে। তাহলে পথে চেক হারিয়ে গেলে বা চুরি হলেও কোন সমস্যা ছিলনা। সংশ্লিষ্ট একাউন্ট ডেবিট হবার পরই কেবল তা সংশ্লিষ্ট একাউন্টে ক্রেডিট হতো।

-------------------
ব্যাংকিং যে নিয়মগুলো পরিবর্তন করা জরুরী-
০১. প্রতিটি শাখায় ইন্ট্রোডিউসারদের তালিকা মেইনটেইন করা। যদি কেউ জানতে চায় এ পর্যন্ত সে কাকে কাকে পরিচয় দিয়েছে তাহলে যেন সহজেই সে তা জানতে পারে।
০২. ইন্ট্রোডিউসার যদি চায় যখন তখন তার দেয়া পরিচয় সে বাতিল করতে পারবে। তখন সংশ্লিষ্ট হিসাবধারী নতুন ইন্ট্রোডিউসার না আনা পর্যন্ত তার হিসাবে সকল লেনদেন বন্ধ থাকবে।
০৩. ক্লিয়ারিং চেক পাশ হোক বা পাশ না হোক সব ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট শাখা প্রধানের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি কনফার্মেশন লেটার বাংলাদেশ ব্যাংক বা প্রতিনিধি ব্যাংকে পাঠাতে হবে।

--------------
আমাদের করণীয়-
যদি কাউকে না জেনে পরিচয় দিয়ে থাকি, এক্ষুণি তা বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন জানানো। আরেকজনের পাপের ভাগী আমি হতে যাব কেন ? সুতরাং যার যেখানে একাউন্ট আছে সেখানে গিয়ে হিসাব চান যে আপনি এ পর্যন্ত কাকে কাকে পরিচয় দিয়েছেন। যদি তারা সে হিসাব না দিতে পারে (জানি পারবেনা) তাহলে একটা এপ্লিকেশন দিয়ে আসেন, সেখানে উল্লেখ করুন- আমি ইতোপূর্বে যত একাউন্ট ইন্ট্রোডিউস করেছি সব বাতিল করলাম। ওই সব একাউন্টে ভবিষ্যত কোন ফ্রডের জন্য আমি কোনভাবে দায়ী থাকবনা।

যেহেতু এখনো পরিচয় বাতিলের নিয়ম করেনাই বাংলাদেশ ব্যাংক, তাই সবচেয়ে ভাল হয় যদি বিষয়টা বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্টদের কানে তোলা যায়। আর যদি কেউ জনস্বার্থে হাইকোর্টে একটা মামলা কিংবা একটা সাংবাদিক সম্মেলন করে সাধারণ গ্রাহকদের ভোগান্তির এই বিষয়টা কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে পারেন তাহলে আরো ভাল হয়।

সবশেষে আমি বলব, আমরা নিরুদ্বেগ ব্যাংকিং চাই। জেল-জরিমানার জুজু ঝুলতে থাকা ব্যাংকিং থেকে পরিত্রান চাই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29358083 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29358083 2011-04-06 16:12:35
এবার তবে মুজিবের পালা ?
আওয়ামীলীগ তাদের এবারের ক্ষমতারোহনকে চিরদিনের ক্ষমতারোহন ভাবছে। বিরোধী সকল শিবিরকেই তারা তটস্থ রাখছে। যারা বিরোধী ছিলনা, কিংবা রাজনীতি নিয়ে যাদের ততটা মাথা ব্যথা ছিলনা তাদেরকেও খোঁচাতে ছাড়ছেনা। দলীয় ক্যাডার থেকে শুরু করে শীর্ষপর্যায়ের নেতা সবাই যেমন নারীবাজী, টেন্ডারবাজী, সন্ত্রাসবাজী, দুর্ণীতিবাজীতে লিপ্ত থাকছে তেমনি ভিন্নমত দলনে রাখছে কার্যকর ভূমিকা। গোটা দেশ আজ তাদের মরণ কামড়ে বিপর্যস্থ, দিশেহারা। তবু কেউ কিছু করতে পরছেনা।

ভারতকে নানাবিধ সুবিধা দেবার বিনিময়ে চিরস্থায়ী ক্ষমতারোহনের নিশ্চয়তা তারা পেয়েছে। এদেশের সেনাবাহিনীকেও ভারতের মদদে পায়ের তলায় রাখার ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করেছে। সুতরাং আর বাধা কোথায়? এবার যা ইচ্ছা তা করতে পারে। এর প্রমানও তারা দিয়েছে। দলীয় লোকদের আইনের উর্ধ্বে তুলে ধরার জন্য ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অধিকাংশ মামলা প্রত্যাহার করেছে। প্রেসিডেন্ট যেমন খুনের আসামীকে মাফ করে দিয়ে নজীর স্থাপন করেছেন তেমনি দলীয় ক্যাডারদের খুনের লাইসেন্স প্রদানের চিন্তা ভাবনা তারা করছে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে বিএনপির কোন আশাই আর অবশিষ্ট নাই।

কিন্তু না, পর্দার আড়ালে বিএনপিও চেলে যাচ্ছে দাবার জটিল-কুটিল চাল। চীনের পর সৌদি আরব সফর। আমেরিকা-রাশিয়া-ইস্রাঈল কোনটাই এবার বাদ দিবেনা বিএনপি। সঙ্গে আছে দেশের ফুঁসতে থাকা ভুখা-নাঙ্গা-নির্যাতিত মানুষ। বিএনপি এবার আওয়ামীলীগকে পাঁচ বছরের আগেই ক্ষমতা থেকে নামানোর ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। প্রয়োজনে রক্তের যমুনায় গোসল করে ক্ষমতায় যাবে, তবু আওয়ামীলীগকে মেয়াদ শেষ করতে দিবেনা।

ক্ষমতায় গিয়ে কি কি করবে তারও একটা রূপরেখা ইতোমধ্যেই তারা তৈরী করে ফেলেছে। আওয়ামীলীগের বলার মত একটা জিনিসই আছে সেটা হলো বঙ্গবন্ধুর দল এটি। সুতরাং বিএনপি এবার ক্ষমতায় গিয়েই প্রথম যে কাজটি করবে তাহলো শেখ মুজিবকে জাতীয় গাদ্দার উপাধী প্রদান এবং মরনোত্তর কুশপুত্তলিকাদাহ। আদালতের রায়ে সিরাজ শিকদারকে বানানো হবে জাতীয় মুক্তির অবিসংবাদিত নেতা আর মুজিবকে বানানো হবে নয়া মীরজাফর। নিন্দুকরা একে তাহের হত্যার আওয়ামী বিচারের প্রতিশোধ হিসেবে ভাবতে পারে জেনেও বিএনপি এ কাজটি করবে।

ভাবছেন আওয়ামীলীগ সহ দেশের আপামর জনগণ এই রায়ের বিরোধীতা করবে ? বিএনপি সে জন্য প্রস্তুত। তারা ঘরে ঘরে অস্ত্র সরবরাহ করবে। দলের প্রত্যেক প্রাথমিক সদস্য পদের জন্য কমপক্ষে দশটি খুনের অভিজ্ঞতা আছে এমন লোকদের অগ্রাধিকার দিবে। এতে দেশের জনসংখ্যা যেমন কমবে জিনিসপত্রের দামও কমবে, একই সাথে বিরোধী লোকও কমবে। বিএনপি এক ঢিলে শত পাখি মারার এই পদ্ধতিটিকেই আপাতত অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

নির্বাচনের রাতেই রাজনৈতিক সহিংসতায় মারা যাবে আওয়ামীলীগের অধিকাংশ নেতা। বিএনপির নেতা-কর্মীদের নামে এই ঘটনায় খুনের মামলা হবে। কুচ পরোয়া নেহি, বিএনপি সবাইকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষনা করবে। দেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মোছার পর এদেশের ইতিহাস থেকে আওয়ামীলীগের নামও তারা মুছে দিবে। যদি কোন বই বা পত্রিকায় 'আওয়ামীলীগ' শব্দটি থাকে সেটাকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হবে। যদি কারো স্মৃতিতে এই নামটি থাকে তাহলে থেরাপি দিয়ে তা ইরেজ করা হবে।

ভারত এসময় কিছু করতে যাবেনা। কারণ ততদিনে বিনা শুল্কে ট্রানজিটসহ দেশের সকল গ্যাস ক্ষেত্রের ইজারা পেয়ে যাবে ভারত। বাংলাদেশে সেনাঘাটি স্থাপনের অনুমতি পেয়ে যাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর ইস্রাইল এবং রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা শুরু করবে হাল ফ্যাশনের সমরাস্ত্র। সৌদী আরব থেকে কিনবে অধিক মূল্যে তেল। সুতরাং বিএনপি আর কোনদিন ক্ষমতা থেকে নামবেনা। কারণ, বিদেশী প্রভুরা এটা কল্পনাও করতে পারবেনা যে,তাদের চেয়ে বেশি সুবিধা আর কেউ দিতে পারবে।


(একটি কিরো প্রডাকশন)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29356755 http://www.somewhereinblog.net/blog/agamee/29356755 2011-04-04 12:44:13