স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছেন, ‘অনেকে বলেন, ছাত্রলীগে শিবির ঢুকেছে। আমি জানিয়ে দিয়েছি, ছাত্রলীগের নাম করে যে যাই করুক না কেন, তাঁকে গ্রেপ্তার করুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেউ বলতে পারবেন না, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করলে আমি কোনো আপত্তি জানিয়েছি কিংবা ছাড় দিয়েছি। এমন নির্দেশের পরও কিছু ঘটে গেলে কী করার আছে? তা ছাড়া ঘটনাস্থলে পুলিশের আসতেও তো সময় লাগে।’
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে ছাত্রলীগের ব্যাপারে এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় যাঁরাই জড়িত থাকুক না কেন তাঁদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া তাঁদের গ্রেপ্তারে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রয়েছে বলে তিনি জানান।
পুলিশ হেফাজতে সাম্প্রতিক মৃত্যুর ঘটনায় হাইকোর্ট পুলিশ ছাড়া যে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন সে ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের আদেশ শিরোধার্য।’ পুলিশ, র্যাব, বিডিআর, আনসার যেই হোক অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ঘটনার তদন্তে যা যা করা দরকার সবই করা হবে। অস্বাভাবিক তিনটি মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেড় বছর ধরে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছি। চেষ্টা করে যাচ্ছি কী করে এসব সমস্যার সমাধান করা যায়।’
এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ঘটনায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আমি সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। তাঁদের বলেছি, যাঁদের এ ঘটনায় বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁদের যেন কখনোই আর দলে না নেওয়া হয়।’
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাঁরা পড়াশোনা করেন তাঁদের কাছে দেশ ও জাতির প্রত্যাশা অনেক। তাই তাঁরা দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে দেশবাসীকে আর হতাশ করবেন না বলে আমি আশা করি।’ শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাঙ্গনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
আফাই এখনো ছাত্রী লীগের নেত্রী....... আফার অরডার লেটার ছাড়া ইডেন কলেজ হতে কোন ছাত্রী সাপ্লাই হয় না.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


