শিবির কর্মীরা আর কী চায়???
গোয়েন্দা অনুসন্ধানে উদ্ঘাটিত এসব তথ্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক ডেসটিনিকে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয় চট্টগ্রামে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছে হিযবুত তাহরীর ও ইসলামী ছাত্র শিবির। এর দুদিনের মাথায় শান্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অশান্ত হয়ে পড়ল দুই ছাত্রের লাশে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, শান্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অশান্ত করার নেপথ্যে লিপ্ত ছিল হিযবুত তাহরীর ক্যাডাররা। হিযবুত তাহরীর ও শিবির ক্যাডাররা সরকার বিরোধী মিশন সফল করতে ঠুমকো ঘটনায় 'নবীনবরণের দাওয়াতপত্র বিলি করা নামে' ছাত্রলীগের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে নিহত হয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই কর্মী। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ডিসি (উত্তর) আমেনা বেগম দুই ছাত্রের নিহত হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ঘটনার নেপথ্যে কারা ছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহত ছাত্রদের মধ্যে মো. মুজাহিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্র এবং মাসুদ বিন হাবিব ইংরেজি চতুর্থবর্ষের ছাত্র।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি বদিউল আলম জানান, হাবিব শিবিরের সোহ্রাওয়ার্দী হল শাখার সম্পাদক এবং মুজাহিদ সংগঠনের সাথী ছিলেন।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, যুদ্ধাপরাধী বিচার ঠেকাতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর ও ইসলামী ছাত্রশিবির কৌশলগত কারণে এক হয়ে কাজ করছে। শিবিরের রাজনৈতিক পরিকল্পনায় উপস্থিত থাকছে হিযবুত কর্মীরাও। গোয়েন্দা অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রামে গত দুবছরে প্রকাশ্যে অন্তত অর্ধশত দফায় হিযবুত তাহরীর ও ইসলামী ছাত্রশিবির কর্মসূচি পালন করেছে। পুলিশে কর্মরত হিযবুত শিবির সমর্থক একটি চক্র এদের সহায়তা করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর সরকার হিযবুতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর গোপন তৎপরতা লিপ্ত হয় তারা। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হিযবুত কর্মীরা শিবিরের সঙ্গে হাত মেলায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা শিবিরের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করছিল। গোয়েন্দা অনুসন্ধানের এসব তথ্য চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষ জানলেও তারা তা আমলে নেয়নি।
৩ জানুয়ারি গোপনে নাশকতার পরিকল্পনা করার সময় ১৭ জন শিবির কর্মীকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ৫ জন ছিল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সক্রিয় ক্যাডার। গোপনে বৈঠক করার সময় চট্টগ্রামের পাহাড়তলি থানাধীন মনছুরাবাদ এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। ওই ঘটনা সম্পর্কে ডবলমুরিং জোনের সহকারী কমিশনার আরেফিন জুয়েল জানান, শিবির ও হিযবুত নেতাকর্মীরা সেখানে গোপন বৈঠক করে সরকার বিরোধী নানা ষড়যন্ত্র ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকাতে কৌশল নির্ধারণ করছিল। আটক হওয়া শিবির কর্মীদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিল।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।