(ক্লোজআপহাসি) বাইশ জানুয়ারি
আমি জীবনে কখনো ডায়েরি লিখিনি। কিভাবে লিখতে হয় জানি না। আধুনিক প্রেমিক প্রেমিকারা দেখি খুব ডায়েরি লেখে। কবে কোথায় গেল? কি করল তার বিস্তর বিবরণ থাকে। একে অপরকে ফুল দিলে তার পাপড়ি শুকিয়ে ডায়েরির ভাজে রেখে দেয়। আমার বেলায় তো আর সেরকম কিছু নেই।
দৈনন্দিন গল্প কি আর লিখব? পায়ের অবস্থা আগের মতো ই। ডাঃ রশীদ হারুন সন্ধ্যায় এসেছিলেন। পায়ের বুড়ো আঙ্গুল চেপে বলল, ‘অনুভূতি পাও তো?’
‘হ্যা, পাই।’
‘বেশ তো, আঙ্গুলগুলো নড়াও তো?’
আমি নড়ালাম। তিনি বললেন, ‘যাক মনে হয় সিগমেন্টগুলো ঠিকভাবেই কাজ কছে। হঠাৎ রক্ত জমে যায়। তখন খুব সমস্যা হয়।’
আমি চুপ থেকে বললাম, ‘আর কত দিন লাগবে?’
‘তা তো সময় লাগবে বৈকি। অধৈর্য হলে তো চলবে না।’
পা ভেঙ্গে যাবার পর বুঝেছি ওটা কতটা জরুরি। দ্রুত সেরে উঠলেও হতো। তবে পা ভেঙ্গে বাড়িতে পড়ে থাকায় বেশ কয়েকটা গোপন অভিজ্ঞতা হয়েছে। পা না ভাঙ্গলে হয়তো এই অভিজ্ঞতা কোনদিনই হতো না।
মা মারা যাবার পর থেকে আমি ভাইয়ের সাথেই থাকি। আমার ভাবীর নাম মিতালী। আমার সাথে বেশ ভাব। ভাইয়া বিদেশী এক কোম্পানীতে চাকুরি করেন। প্রতি তিন মাস পরপর সেই চাকুরি চেঞ্জ করেন। এত চাকুরি কিভাবে পায় কে জানে? প্রায়ই তাকে সময় দিতাম। এখন দেকছি ভাবীর সময় কাটানো কোন ব্যাপারই না।
গত দু’মাস আগে ভাইয়া হুট করে টেলিফোন কেটে দিল। তখন ভেবেছিলাম ব্যাপার কি? এখন ব্যাপারটা বেশ পরিস্কার। আসলে প্রচন্ড স্বচ্ছ পানির মাঝেও মাঝে মাঝে ময়লা থাকে। খুব মনযোগ দিয়ে না দেখলে বোঝা যায় না।
আজ সকাল থেকেই ভাবী খুব সেজেছে। একটু আগেই দেখলাম কলাপাতা রঙের একটা শাড়ি পড়েছে। ভাবীর গায়ের রঙ শ্যামলা, শ্যামলা মেয়ের এই মেয়ের এই রঙটা ঠিক ধরে না। অথচ ভাবীকে বেশ মানিয়ে গেল। আমিই আগ্রহ নিয়ে বললাম, ‘কি ব্যাপার ভাবী? হঠাৎ এত সেজেছ।’
‘বারে একটু সাজতেও পারব না?’
‘না, তা না, কোথাও যাবে নাকি? কোথাও গেলে এই ল্যাংড়ার কি হবে?’
ভাবী হাসল। আমিও হাসলাম। তিনি কিছু বললেন না। ঘর থেকে চলে গেলেন। একটু পর আবার এলেন। শাড়ি পাল্টিয়ে ফেলেছেন। এবার হালকা আকাশীর মাঝে সাদা ছোপ ছোপ প্রিন্ট শাড়ি। হুট করে শাড়ি বদলের রহস্য কি কে জানে? একবার ভাবলাম জিজ্ঞেস করি। কিন্তু ভাবী কিছু বলারই সুযোগ দিল না। এসেই বলল, ‘আচ্ছা রুই মাছ ভাজা বেশি ভালো না ইলিশ ভাজা?
হুট করে রুই ভাজার রহস্য কি? আমি যতদূর জানি আজ ভাইয়া সাভার গেছেন। ফিরতে রাত হবে। বাসায় কেবর আমি আর ভাবী। কাজের মেয়েটাকেও দেখছি না। আমি বললাম, ‘ভাবী কাজের মেয়েটাকে দেখছি না যে?’
প্রশ্ন শুনে ভাবী একটু অন্যমনস্ক হয়ে উঠল। তবে মেয়েরা বিয়ের পর দ্রুত পাকা অভিনেত্রী হয়ে ওঠে। নিজেকে চট করে সামলে নিয়ে ভাবী বললেন, ‘মেঝো আপার বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছি।’
‘কেন ভাবী?’
‘মেঝো আপা অসুস্থ তো তাই। বিকেলে এক ফাঁকে চট করে আমি গিয়ে নিয়ে আসব।’
আমি ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না। মিতালী ভাবী গত ছ’ মাসে তার মেঝো আপার বাসায় গিয়েছে বলে মনে পড়ল না। তাছাড়া কিছুদিন আগে উনাদের ম্যারিজ ডে তে যেতে দাওয়াত করেছিল। ভাবী যাননি। কারণটা আমার তেমনভাবে জানা নেই। তবে যতদূর জানি ভাবীরা তিন বোনের মধ্যে মেঝো বোনেরই সবচেয়ে ভালো বিয়ে হয়েছে। ওরা কোটিপতি। বাড়িতে দু’টো গাড়ী। বাসার সামনে একটা সার্ভেন্ট রুম ওদের তো কাজের মেয়ের অভাব হওয়ার কথা না। তাছাড়া অসুস্থ হলে ওরা পুরো কিনিক বাসায় কিনে আনতে পারবে। সেখানে মিতালী ভাবীর কাজের মেয়ে দরকার কি?
আমি বুঝতে পারছি ভাবী মিথ্যা কথা বলছে। মিথ্যা বলার পর তার মুখটা কেমন জানি ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। যদি আমি উকিলের প্যাঁচ শুরু করি এই ভয়ে তিনি অস্থির হয়ে পড়লেন। কিন্তু আমার এত আগ্রহ নেই। কাজের মেয়েকে বোনের বাসাতেই পাঠাক আর জাহান্নামেই পাঠাক আমার কিছু যায় আসে না। মিতালী ভাবী দ্রুত প্রসঙ্গ এড়াতে বললেন, ‘তোমার পায়ের অবস্থা এখন কেমন?’
আমি জানি ভাবী কোন কারণে উত্তেজিত। কারণ তিনিই আমার পায়ের অবস্থা আমার চেয়ে ভালো জানেন। তিনিই আমার দেখাশুনা করেন। এক্ষেত্রে আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ। সাধারণত রোগীর সেবা করতে গেলে সবাই এক সময় বিরক্ত হয়ে যায়। অথচ তিনি তা হননি। অথচ আমার নিজের বোন হলেও হয়তো বিরক্ত হয়ে যেত। কারণ আমি তো কিছুই করি না। অবশ্য অনেক সময় কিছু দরকার হলেও আমি ডাকাডাকি করি না। চুপচাপ শুয়ে থাকি। আমি বললাম, ‘এখন একটু ভালো।’
‘তোমাকে একটা প্রশ্ন করি ইবু?’
‘অবশ্যই।’
‘তুমি রিমির সাথে ওমন করলে কেন? তুমি না ওকে ভালোবাস।’
আমি ভাবীর চোখের দিকে তাকালাম। ভাবীর প্রশ্ন করার উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করছি। প্রতিটা মানুষের উদ্দেশ্যে তার চোখের ভাষায় লেখা থাকে। যদিও আমি ভাবীর চোখের ভাষা উদ্ধার করতে পারলাম না। কান্ত স্বরে বললাম, ‘কারণ আমি চাইনি রিমি আমার কাছে ঋণী থাকুক। ওকে ঋণমুক্ত করলাম।’
ভাবী আমার দিকে কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন। কিছুক্ষণ দু’জনের কথা হল না।
দুপুর বেলা ভাবীর সাজগোজার রহস্য বোঝা গেল। একটা ছেলেকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিল। বলল তার দূর সম্পর্কের মামাত ভাই। নাম সুরুজ। ছেলেটা বেশ হ্যান্ডসাম। শুধু মুখের উপর এক গাছি গোফ না থাকলে ভালো হতো।
আমার পা কিভাবে ভাঙ্গল সেই গল্প তাকে পইপই করে শুনালাম। ভাবীর মুখ হাসি হাসি। এত আনন্দ তার মুখে বহুকাল দেখিনি। ভাবী বলল, ‘জানো সুরুজ ভাই, ইবু খুব সুন্দর বাঁশি বাঁজাতে পারে।’
সুরুজ ভাই কিছুক্ষণ আমাকে চাপাচাপি করল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য আমাকে বাঁশি বাজাতে হয়নি।
ভাইয়ার জন্য আমার মনটা কেমন জানি খচখচ করতে লাগল। ভাইয়া কি জানে মিতালী ভাবী আসলে তাকে ভালোবাসে না। মনে প্রাণে সুরুজ নামের একজনকে ভালোবাসে।
ভাবীর দেহটা শুধু রাতের আধাঁরে ভাইয়ার পাশে পড়ে থাকে। বাকী সবটুকু সুরুজ দখল করে ফেলেছে। যে ছেলে কোন নারীর বিশুদ্ধ ভালোবাসা পায় তার জীবন পূর্ণ হয়ে যায়। আমার কেন জানি সুরুজ ভাইকে খুব হিংসে হতে লাগল। যদিও একসময় আমি রিমির বিশুদ্ধ ভালোবাসা পেয়েছি এমনই ভাবতাম। অথচ কী ভুল! কী অসম্ভব আমার ভাবনা।
আজও আমার সেদিনের কথা মনে পড়ে। আমি বুঝতে পারছিলাম রিমি আস্তে আস্তে আমার জীবন থেকে দূরে চলে যাচ্ছে। আমি ওকে হারিয়ে ফেলছি। যে রিমি আমার জন্য পাগল ছিল, যে আমাকে পাবার জন্য ব্যাকুল ছিল। তাঁর বদলে যাওয়াটা আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারিনি।
মনে আছে আমার। তখন আমার সেকেন্ড ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা চলছিল। সেদিন আমি জানলাম ও আমাকে ভুলে গেছে। ইমতিয়াজ নামের একজনকে ও ভালোবাসে। সেদিন আমি সারাদিন কিছু খাইনি। যেন পৃথিবীর যাবতীয় ক্ষুধাকে আমি জয় করে ফেলেছি।
আমি স্থির ছিলাম। কিন্তু আমার সমস্ত অনুভূতি কেন জানি কাঁপছিল। কেন এমন হলো? সারারাত ঘুমোতে পারলাম না। কেন তার সাথে আমার পরিচয় হলো? কেনই বা তাঁকে ভালোবাসতে গেলাম? সেদিন জীবনের প্রথম আমি অজ্ঞাত এক কান্নায় কাঁদলাম। সারারাত কাঁদলাম। যেন এভাবেই আমার কাঁদার কথা ছিল।
পরদিন পরীক্ষা দিতে পারলাম না। প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছিল কোথায় যেন? আমি কখনো ধুমপান করিনি। ছোটবেলা থেকেই ধুমপান করাটাকে আমি ঘৃণা করে এসেছি। কেবলই মনে হতো, যে জিনিষের কোন উপকার নেই। তা কেন মানুষ মিছেমিছি টাকা দিয়ে কিনে খায়? অথচ সেদিন আমার ধুমপান করতে ইচ্ছে হলো।
সিগারেটের ভালো কোন গুণ আছে কিনা জানি না। কিন্তু সেসময় একটা সিগারেট আমাকে কতটা স্বস্তি দিয়েছিল তা আজও ভুলতে পারি না। বুঝলাম, মানুষ কেন ওসব ছাইপাশকে এত যতœ করে আকড়ে ধরে থাকে? সেই থেকে সিগারেট ধরলাম। বলা যায় সিগারেট কখন যেন আমাকে ধরে ফেলল।
জীবনের প্রতি আমার কখনো কোন অভিযোগ ছিল না। যৌবনে প্রেমকেই আমি মনে করতাম সবকিছু। আর বাকী সব অর্থহীন, সবই অবাস্তব। এজন্যই বুঝি ওকে হারানোর পর আমি এলোমেলো হয়ে গেলাম। যেন এ জীবন থাকলেও কিছু না। না থাকলেও কিছু না।
রিমির ব্যাপারটা আমাকে এটাই প্রভাবিত করেছিল যে ও চলে যাবার পর মেয়ে মানুষের উপর আমার একটা ঘৃণা ধরে গেল। ওর সাথে আমার সেইসব বিশুদ্ধ আনন্দের দিনগুলি নিয়েই পড়ে রইলাম। অনেক সময় বেশি ভালোবাসার অত্যাচারের মতো হয়ে দাঁড়ায়। আমার ভালোবাসাও সম্ভবত সেইরূপ প্রতিপক্ষ তৈরি করেছিল।
ওর উপর আমার অভিমান ছিল না। তবে রাগ ছিল প্রচুর। সম্ভবত জীবনের চরমতম আঘাতে আমার অভিমান করার ক্ষমতাটা হারিয়েছিলাম। ওর আঘাত আমাকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছিল।
অনেক শিশু যেমন দেরিতে কথা বলে। দেরিতে হাঁটতে শেখে। অনেক মেয়ের ভালোবাসার তৃষ্ণা কিংবা জ্বালা যেমন দেরিতে আসে তেমনি আমার বোধ এলো দেরিতে। আমি স্বভাবিক মানুষ হলাম ছ’মাস পর। ছ’মাস আমার জীবনে কি করে কেটেছে জানি না। তবে জীবনকে বুঝেছিলাম সে সময়।
সেই ছোটবেলায় রিমিদের বাসার সামনে মনিরের হাতে মার খাওয়ার পর তাকে হারিয়েছিলাম। সেবার ভাবতাম বড় হয়ে আমি ওকে খুঁজে নিব। আস্তে আস্তে ওর জন্য আমার ভালোবাসা জমতে লাগল।
ওকে দ্বিতীয়বার হানানোর পর যতবার ওকে আমার মনে পড়েছে তাতে ভালোবাসা জমেনি। বরং পাথরের মতো কষ্টগুলো বুকে বেঁধে যেত। যদিও আমি জানতাম না ও কেন আমাকে ছেড়ে চলে গেল? কি আমার অপরাধ? কেন এই প্রতারণা?
শেষ পর্যন্ত অবশ্য আমার ওসব কিছুই জানা হয়নি। ভালোবাসা তো আর জোর করে পাওয়া যায় না। এটা মন থেকে আসে। হৃদয়ের বিশুদ্ধ প্রকাশই তো ভালোবাসা। যে প্রকাশে সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ থাকে। সব মানুষ সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ পায় না।
রিমি তার ভালোবাসা চিনে নিতে ভুল করেছে। কী আসে যায় তাতে? আমার মতো হৃদয়ের খেলায় অনেক পুরুষ ভেঙ্গে পড়েছে। পুরুষেরাও যে কাঁদে। পুরুষেরাও যে ভালোবাসার ভিখেরি হয় তা কি কেউ জানে? নারীর কান্নায় স্রোত থাকে। পুরুষের কান্নায় স্রোত থাকে না। কিন্তু কান্নার রঙ তো একই। কেউ কি তা আলাদা করতে পারে?
আলোচিত ব্লগ
শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এমন কেন?
একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।
শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।