আমাদের দেশের যে সামাজিক প্রোপট বা অবস্থায় বেড়ে উঠা সেখানে মেয়ে কে সাধারণত একা কোথাও পাঠানোর কথা ক’জনই ভাবতে পারে? আমি দেখেছি আমাদের পরিবারের বা পরিচিত কোন মহিলা যদি যুক্তরাজ্যের বা অন্য কোন দেশের পথে পা বাড়ান তখন পরিচিত কারো সাথে তার টিকেট কনফার্ম করেন। যাতে একা যেথে না হয়। কারণ এখানকার মানুষ জন কণার মত এতটা আলট্রা মর্ডাণ নন। আর তাই সহযাত্রী বাবার বয়সী ভদ্রলোক কণার একা চলা নিয়ে উদ্বীগ্ন হতেই পারেন। এজন্য যে একটা মেয়ে অভিভাবক বা সঙ্গী ছাড়া কি করে একা থাকবে ভিনদেশের একটি হোটেলে? কারণ বাবা-মা উদ্বিগ্ন হবে না তো কে হবেন? বয়স্ক সিলেটী সহযাত্রী নাকি কণাকে প্রথমে বলেছেন তোমার ‘‘পোলা মাইয়া নাই’’। আবার কিছুণ পড়ে বলেছেন ‘‘তোমার বিয়া হইছেনি’’ মানুষের যখন বয়স হয় তখন অনেক সময়ই তারা কিছুণ আগে কি বলেছেন তা ভুলে যান। সেই বাবার বয়সী ভদ্রলোকেরও নিশ্চই সে রকম হতে পারে?। আর কণার বাবা যদি সে রকম কিছু করতেন তবে তার কান্ড জ্ঞান নিয়ে তিনি কি- প্রশ্ন তুলতেন?
কণা মানকচু নিয়ে অনেক কথা বলেছেন আসলে সিলেটের মানুষজন শখ করেই মানকচু খায় আর আমার জানামতে এটি ঔষধ হিসেবেও কাজ করে। সিলেটী বা প্রবাসী সিলেটীরা মানকচু খায় শখ করে। আশাকরি পরবর্তিতে কোন লেখায় মন্তব্য করার আগে চিন্তা করা উচিত এই লেখাটি কি কোন অঞ্চলের মানুষের কোথাও আঘাত করল কি না? কণাকে আবারও বলি একবার নিজের অঞ্চলের মানুষদের নিয়ে ভাবুন সিলেটীদের নিয়ে ভাবতে হবে না। আর প্রথম আলোর মত পত্রিকা কি করে কোন অঞ্চলের মানুষেরর অনুভুতিকে নিয়ে আক্রমত্মাক লেখা প্রকাশ করে তা ভেবে পাই না।
বিঃদ্রঃ আমি এই লেখাটি দৈনিক প্রথম আলোর রস+আলোতে পাঠিয়ে ছিলাম কিন্তু কতৃপ তা প্রকাশ করেন নি।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


