সিলেট সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে মেয়র বা কাউন্সিলর পদপ্রার্থীতে কোন মহিলা অংশ গ্রহণ করেননি। আর তাই একটি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে নারীরা পুরুষদের সাথে প্রতিযোগীতায় ভয় পান নাকি এখনও রয়েছে তারা অন্ধকারে। তাতে করে নারীরা সমঅধিকার নিয়ে যে আন্দোলন করে আসছেন তাকে করেছে প্রশ্ন বিদ্ধ।
দেশের অন্য যে কোন অঞ্চল বা এলাকার চেয়ে সিলেটের মানুষ জন একটু বেশী ধর্ম প্রাণ। আর তার কারণেই রাজনীতি সহ সব ধরণের কাজে সিলেটের নারীরা অনেকটা পিছিয়ে। তাদের মনোভাব নিবার্চনে পুরুষের সাথে প্রতিদ্বন্দীতা করলে নাকি ভোট পাওয়া যাবে না। হয়তো অনেকে বলবেন যেখানে পুরুষ প্রার্থী হয়েছেন সেখানে নারী প্রার্থীর নির্বাচন করার প্রয়োজন কি। যদিও সংরতি কাউন্সিলর পদপ্রার্থীতে নারীরা অংশ গ্রহণ করেছেন কিন্তু কাউন্সিলর পদপ্রার্থীতে তারা কোন মনোনয়ন পত্র জমা দেননি যার ফলে প্রতিদ্বন্ধীতা করারও কথা নয়। এমনিতেই সিলেটের নারীরা রাজনীতিতে অনেকটা পিছিয়ে। তারা সক্রিয় নন , কোন পরিবারও চায় না তার মেয়েটি বা স্ত্রী রাজনীতি বা নির্বাচন করুক। আর তার ফলে সিলেটের নারীরা সমঅধিকার নিয়ে যে সব কথা বলেন, সে েেত্র কথা ও কাজের মধ্যে ফারাক অনেক বেশী। আর তাই বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় অন্যান বিভাগের নারীদের সাথে পিছিয়ে পড়ছেন এ অঞ্চলের নারীরা।
দেশের চারটি সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন এক সাথে অনুষ্ঠিত হবে এবং তা সফল করার জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। যার যার যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য ভোটারদেরে দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এসব প্রার্থী। পুরষদের সাথে পাল্লা দিয়ে নারীর এগিয়ে গেলেও এ েেত্র পিছিয়ে আছেন সিলেটর নারীরা। সিলেট সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীতে কোন মহিলা অংশ গ্রহণ করেননি। অথচ সিটি কর্পোরেশন নিবার্চনে পুরুষদের সাথে পাল্লা দিয়ে কাউন্সিলর পথে প্রার্থী হয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কানন বেগম, নিগার সুলতানা হনুফা, ফারজানা আক্তার, কামরুণ নাহার সুইটি, রুবনা আক্তার ও নাজনীন আক্তার। রাজশাহীতে শাহনাজ বেগম, আঞ্জু আহমেদ, জেবুন নেসা, সালেনুর বেগম, শাহানারা বেগম ও লাইলি সুলতানা লিজা এবং খুলনায় প্রার্থী হয়েছেন মামনুরা জাকির খুকু মণি ও শামীমা সুলতানা সীমা।
যদিও সংরতি আসনে যে ক’জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন তাদের অনেকের শিাগত যোগ্যতা কয়েকজন মেয়র ও অনেক কাউন্সির পদপ্রার্থীর চেয়েও অনেক বেশী অথচ তারা তাদের সাথে নির্বাচনের মাঠে লড়ার সাহস করতে পারছেন না। এ ব্যাপারে ১ নং র্সরতি আসনের বর্তমান কাউন্সিলর কুহিনুর ইয়াসমিন ঝর্ণা জানান আমাদের সমাজে পুরুষদের মূল্যায়ান অনেক বেশী। আমরা বৈষ্যম্যের শিকার কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু অনেকেই আমাকে নিরুৎসাহিত করেছেন। আর এই কারণে আমার মাঝে ভয় ছিল যদি ভাল করতে না পারি। তবে আগামী নির্বাচনে আমি কাউন্সিল পদে নির্বাচন করব।
সংরতি আসনের আরেক কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জজ কোর্টের আইনজীবি সালমা সুলতানা বলেন সিলেট একটি কনজারভেটিব এলাকা। এখানে সামাজিক ভাবে নারীরা পুরষদের সাথে নির্বাচন করার পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। এর জন্য আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাতে হবে। আর নারীরা রাজনীতি তাদের অংশ গ্রহন বাড়ালে এধরণের নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন বলে আমার বিশ্বাস। সালমা আরও বলেন আগামী নির্বাচনে আমি কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে করব।
ইউকে ব্ঙ্গেলী তে লেখাটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


