সকালে কিংবা সন্ধ্যায় হাটার সময় হয় না। আর এখন তো রোজা। তারাবীর পর কয়েকজন প্রতিবেশী মিলে ছাদে হাটি। ডেভোলপার ছাদটা বেশ ভালো করে বানিয়েছে। একবিঘা জমির পুরোটাই একটা ছাদা এবং পুরোটাই খালি। শুধু চারিধারে কিছু গাছপালা রয়েছে। অধিকাংশই ফুলের গাছ। রাতে হাসনাহেনা, বেলী, কামিনী এদের গন্ধে ছাদ মৌ মৌ করে।
বাঙ্গালীর আড্ডা - সহজেই রাজনীতি চলে আসে। সকল দলের সমর্থকই রয়েছে হাটার টিমে - বিএনপি, আওয়ামীলীগ, জামায়াত। জাতীয় পার্টির সমর্থনের কথা কেউ স্বীকার করে না।
আওয়ামীলীগ সমর্থক প্রতিবেশী আজ বলেই ফেললেন, আওয়ামীলীগ কি আবারো ভুল করতে যাচ্ছে?
এক-এগারোর রুপকার হিসাবে হাসিনা নিজেকে দাবী করলেও তার ফল শেষ পর্যন্ত দলটি ঘরে তুলতে পারবে বরে মনে হচ্ছে না। তারেকের মুক্তিতেই সকলে এমন ভীত হয়ে পড়েছে যে খালেদা মুক্তি পেলে তাদের মাথা খারাপ হয়ে যাবে। মনে হচ্ছে, এই ভাঙ্গা দল নিয়েও বিএনপি ইলেকশনে জিতে আসবে।
এই জনগণভীতি আওয়ামীলীগকে আরেকটি ভুলের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, আগামীতে নির্বাচন যাতে না হয় সে জন্য গোলমাল পাকানো হতে পারে। ফেরদৌস কোরেশী তো আরেকটি কেয়ারটেকার সরকারের দাবী দারিয়েছেন। এই গোলমালে লাঠিয়াল বাহিনী কে হবে? আওয়ামীলীগ।
হয়তো এইসব গুঞ্জন শুনতে পেরে জিল্লুর আজ বলেছেন, আওয়ামীলীগ অভ্যূত্থান ও গোলমারের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে চায় না। অনেকটা, ঠাকুর ঘরে কে রে, কলা খাই না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

