সোনার বাংলাদেশের মিডিয়া রিভিউ (৫-১১ সেপ্টেম্বর)

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

‘বাংলাদেশের মিডিয়ায় উলফার বিনিয়োগ?’ শিরোণামে ৩ সেপ্টেম্বর আমার দেশে একটি চাঞ্চল্যকর সংবাদ ছাপা হয়েছে। ওই রিপোর্টে বিদেশি জার্নালে এক ভারতীয় সাংবাদিকের প্রকাশিত প্রতিবেদনের উদ্বৃতি দিয়ে বলা হয় ট্রান্সকম গ্রুপের পত্রিকা ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোয় উলফার বড় বিনিয়োগ রয়েছে। গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের স্ত্রী উলফা নেতা অনুপ চেটিয়ার কাজিন। সেই সুত্রে উলফা এসব মিডিয়ায় বিনিয়োগ করেছে। ভারতীয় সাংবাদিক তার প্রতিবেদনে বিস্তারিত উল্লেখ করেছে ‘গণমাধ্যম যখন শয়তানিতে মোড় নেয়’ শিরোণামে প্রতিবেদনে। মিডিয়া আগ্রাসন চালিয়ে বেঙ্মিকোসহ দেশীয় কিছু কোম্পানীকে কিভাবে দুর্বল করে দেয়া হয় তাও উল্লেখ করা হয় সুনিতা পাল নামক ভারতীয় ওই সাংবাদিকের লেখায়। ট্রান্সকমের মালিকানায় রয়েছে আরো দুটি সাপ্তাহিকসহ সদ্য চালু হওয়া রেডিও স্টেশন এবিসিসহ। কিভাবে এসব মিডিয়াকে ব্যবসায়িক কার্যসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় তারও বিবরন দেয়া হয় প্রতিবেদনে। আমার দেশ সুনিতার রিপোর্টটি নিয়ে বিস্তারিত লিখেছে। ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টারের প্রথম পাতায় এই সংবাদ পরিবেশনের জন্য ট্রান্সকমের পক্ষ থেকে আমার দেশকে উকিল নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে নিউজ করেছে। তাদের সংবাদটিতে বলা হয় ট্রান্সকমের পক্ষ থেকে যে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়েছে তা যথাযথভাবে আমার দেশ ছাপায়নি। উকিল নোটিশের মাধ্যমে তারা প্রতিবেদনটি প্রত্যাহর ও আমার দেশের মালিক ও প্রকাশককে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করতে বলে।

৬ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর প্রথম পাতায় সবার ওপরে চার কলামে বড় একটি ছবি ছাপানো হয়েছে। ছবিতে বাম থেকে দেখা যাচ্ছে আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ, আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান, বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ভারপ্রাপ্ত খতিব মুফতি মোঃ নূরউদ্দিন ও জামায়েতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী। ছবির নিচে এক কলামের সংবাদের শিরোণাম করা হয়েছে, ‘সৌদি রাষ্টদূতের ইফতার পার্টিতে জামায়াতের সঙ্গে অংশ নিলেন আওয়ামীলীগ নেতারা’। সংবাদে বলা হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর উপস্থিতিতে কোনো বৈঠকে অংশ না নেওয়ার ব্যপারে আওয়ামীলীগের নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলেও গতকাল শুক্রবার ঢাকায় সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের বাসায় ইফতার পার্টিতে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নিয়েছেন। টিভি চ্যানেল এটিএনের সৌজন্যে পাওয়া ছবিটি প্রথম আলোয় এভাবে কাভারেজের পেছনের কারণ নিয়ে অনেকে ভাববেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভেদ কমে আসলে নিরাজনীতিকরনের প্রচেষ্টা ব্যাহত হবে। এদেশে বহুজাতিক কোম্পানী আর আধিপত্যবাদি শক্তির প্রভাব কমে যাবে। অন্যদিকে বর্তমান পরিস্থিতি বহাল থাকলে চারদল ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এ ধরনের পরিস্থিতিতে এ ছবি প্রকাশের মাধ্যমে আওয়মী বিরোধী অবস্থান নিয়ে চারদলে আনুকুল্যের একটি দরজা খোলা সহজ হবে চতুর মিডিয়াকর্মীরা তা ভালোভাবে জানেন। এর মাধ্যমে ১৪ দলের ছোট ছোট জনভিত্তিহীন কাগুজে দলগুলোর নীতিগত অবস্থানকেও সমর্থন করা হোল। মন্দের ভালো হিসেবে তারা রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় আওয়মীলীগকে পছন্দ করে। এই ছবি প্রকাশের মাধ্যমে আওয়ামীলীগের নীতিগত অবস্থান দুর্বল হলেও পত্রিকাটির জন্য সুযোগ সৃষ্টি হবে ধর্মীয় দলগুলোকে কারনে অকারনে বেশি করে সমালোচনা করার। গত কয়েকদিন খবরটি নিয়ে আওয়মীলীগ এবং তার শরীক দলগলোর মধ্যে তুলকালাম গেছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বিভিন্ন ব্যখ্যা দাড় করিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেছেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন বড় দলগুলোর এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়া বাঞ্চনীয় নয় যে এদের সাথে কথা বলা যাবে না; দেখা করা যাবে না।

৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দেশের শীর্ষস্থানীয় দুটি দলের মধ্যম সারির এ দুই নেতা মিডিয়ায় বেশ আলোচিত। সাকা চৌধুরী নামে পরিচিত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সবসময় মুখরোচক বক্তব্যের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অসাধারণ ক্ষমতার জন্য মিডিয়ায় আলোচিত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা যুব নেতা ওবায়দুল কাদের সর্বশেষ বঙ্গভবনে অিজেন বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে জাতীয় পরিচয় পান। সাকা চৌধুরী গাজিপুরের কাশিমপুর কারগার থেকে বেরিয়ে বাজিমাৎ করা এক বক্তব্য দিয়েছেন। বলেছেন জেলে যাওয়ার সময় চালের কেজি ১৬ টাকা আর এখন মানুষকে ৪০ টাকা দরে চাল খেতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতির জন্য কিছুটা দায় নিজের বলেও শিকার করে নিলেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগের মুহুমুহু শ্লোগানের মধ্যে দিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুক্তি পাওয়া ওবায়দুল কাদের বললেন এই কারাগার আমার জন্য কারাগার নয়; এটি আমার জন্য রাজনীতির পাঠশালা। দুজনের মুক্তির সংবাদ দেশের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে এসেছে। পত্রিকাগুলো প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার ফজলুল কাদের চৌধুরীর বড় ছেলে সাকা চৌধরীকে গুরুত্বে বিচারে একটু এগিয়ে রাখতে পারতেন। বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যমই সাবেক এই মন্ত্রী মর্যাদার উপদেষ্টাকে ওবায়দুল কাদের চেয়ে কম গুরুত্ব দিয়েছে ছবি ও সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে।

‘এমপিও বন্ধের খবরে কান্না’ শিরোণামে ‘ফেনীর গৌরব’ নামের স্থানীয় পত্রিকায় একটি মর্মস্পর্শী খবর প্রকাশিত হয়েছে। ফেণীর ছাগলনাইয়ার দুটি মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষকরা বেতন তুলতে গেলে জানতে পারেন তাদের এমপিও বাতিল হয়েছে। অবলম্বনহীন হয়ে পড়ার আশংকায় তাৎক্ষনিক কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ওই দুই স্কুলের শিক্ষকরা। ২০০৭ সালে পাঁচ জনের কম শিক্ষার্থী পাশ করায় উপজেলার আনোয়ারা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও গতিয়া আজিজুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন ভাতা স্থগিত হয়। শিক্ষকদের এ দৈন্য দশার সংবাদটি যেকোন জাতীয় পত্রিকায় স্থান পাওয়ার যোগ্য। অনেক সময় জাতীয় পত্রিকাগুলো সব খবর কাভার করতে পারে না। সেক্ষেত্রে স্থানীয় পত্রিকাগুলোর ভূমিকা চোখে পড়ার মতো।

সিরাজগঞ্জের সলংগার নিভৃত পল্লীর এক হতদরিদ্র কৃষক জংলি ফলদ বৃক্ষকে স্টব ওয়ার্মিং পদ্ধতির মাধ্যমে মিষ্টি ও উন্নত ফলদ বৃক্ষে রূপান্তরিত করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। ৮ সেপ্টেম্বরে নয়া দিগন্তে প্রকাশিত খবরটির বিস্তারিত বিবরনে জানা যায়, হতদরিদ্র রিকশাচালক আইয়ুব আলী এখন একজন সফল নার্সারি মালিক। ছিন্নমুল থেকে হয়েছেন লক্ষ টাকার সম্পদের অধিকারী। আইয়ুব আলী সম্ভাবনার একটি নতুন দ্বার আমাদের দেখিয়েছেন। কৃষি প্রযুক্তির এ সম্ভাবনাকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া যায়। পরের দিন ইত্তেফাকে ‘পদ্মা সেতু হলে মংলা বন্দর হৃতগৌরব ফিরে পাবে’ শিরোণামে ছবিসহ তিন কলামে ব করে প্রথম পাতায় সংবাদ ছেপেছে। পদ্মাসেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি। এ সেতু স্থাপিত হলে ওই অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতো। যা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে বেগবান করতো। অন্যদিকে বাংলাদেশের চ্ট্টগ্রামের পরই সম্ভাবনাময় বন্দর মংলা। অবহেলার কারনে এর সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। পদ্মা সেতু হয়ে গেলে মংলা বন্দর দিয়ে আসা পন্যসামগ্রী যেমন সহজে দেশের উত্তরাঞ্চলে পৌছানো যাবে তেমনি দেশেল উত্তরাঞ্চলের পন্যদ্রব্য সহজে বন্দরে পৌঁছানো যাবে। এতে করে ঝিমিয়ে পড়া বন্দরটি দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখার সুযোগ পাবে। ইত্তেফাকের সংবাদটির প্রশংসা করতে হয়। এর মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্টমহল পদ্মা সেতু নির্মানে কিছুটা হলেও প্রণোদিত হবেন। এর আগেরদিন ‘আঞ্চলিক বৈষম্যে বাংলাদেশ বিভক্ত পুর্বাঞ্চল এগিয়ে, পশ্চিমাঞ্চল পিছিয়ে’ শিরোণামে প্রথম আলোয় প্রকাশিত সংবাদটি ঠিক এর বিপরীত ভূমিকা পালন করেছে। দিনের এ প্রধান সংবাদটির মাঝখানে বাংলাদেশের মানচিত্রকে লাল কালিতে পূর্ব পশ্চিমে দুভাগে ভাগ করেছে তারা। বলা হয়েছে পশ্চিমাঞ্চল বৈষম্যের শিকার। মানচিত্রটি স্বাধীন বঙ্গভূমি আন্দোলনকারীদের উস্কে দেয়া ছাড়া ভালো কোনো ফল বয়ে আনবেনা। পূর্বাঞ্চল বাস্তব কিছু কারনে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যা রিপোর্টটিতে আসেনি। ফলে রিপোর্টটি পড়ে পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের মনে বঞ্চনার দুঃখ জেগে উঠা স্বাভাবিক। দেশের অখন্ডতাকে হুমকির মুখে ফেলবে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ সাংবাদিকতার নীতি বিরোধী। পত্রিকাটি ৯ সেপ্টেম্বর ‘ডিগ্রিতে দেশসেরা কুড়িগ্রামের ‘অদম্য মেধাবী’ আলতাফ’ শিরোণামে খবর ছেপেছে যা প্রশংসার দাবি রাখে। গরিব আলতাফ কিভাবে প্রথম স্থান অধিকার করলো তার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। একজন মেধাবী ছাত্র রিপোর্টটি পড়ে দারুনভাবে অণুপ্রাণিত হবে।

কামালউদ্দিন নামের এক সন্ত্রাসিকে দেওয়া সাজা ভোগ করছিলেন কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার আবু বকর সিদ্দিক। মাসিক মাত্র ৫০০ টাকার চুক্তিতে ওই সন্ত্রাসির সাজভোগের দায়িত্ব নেন তিনি। কামালকে দেয়া হয়েছিল ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। কামাল স্বল্প সময়ে জামিনের ব্যবস্থা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার কারনে ক্ষিপ্ত আবু বকর জননিরাপত্তা আদালতে বিষয়টি ফাস করে দেন। মুল আসামিকে পুলিশ এখন হন্যে হয়ে খুজছে। ১০ সেপ্টেম্বর কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে খবরটি প্রকাশিত হয়। একই দিনের আমাদের সময় ‘সর্বক্ষণ শাড়ি পরিহিত বৃদ্ধ আব্দুল বারীকে ঘিরে নানা কৌতূহল’ শিরোণামে এক ব্যতিক্রমি অশীতিপর বৃদ্ধের খবর ছেপেছে। বিস্তারিত বিবরনে বলা হয়, ১৫০ বছরের আব্দুল বারীকে নিয়ে কৌতূহল ও নানা জনশ্রুতি রয়েছে। শাড়ি পরিহিত বৃদ্ধের বক্তব্য,‘আমি পুরুষও নই মহিলাও নই;আমি মানুষ।’ এই বৃদ্ধ থাকেন একা। নিজের ঘরদোর খুব পরিপাটি করে রাখেন। তিনি রান্নাবান্নাসহ যাবতীয় কাজে স্বাবলম্বি। মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে যাতে কাউকে সমস্যায় পড়তে না হয় সেজন্য কাফনের কাপড় ও কবরের যায়গাও নিজ থেকে ঠিক করে রেখেছেন। এলাকার মানুষের দাবি এই বৃদ্ধ দোয়া করে দিলে ওসুখ ভালো হয়।

১১ সেপ্টেম্বর মুক্তি পয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে সংসদভবন সংলগ্ন অস্থায়ী কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। মুক্তি পেয়ে প্রথমে জিয়ার মাজার জিয়ারত করেন। পরে যান বড় ছেলে তারেক রহমানকে দেখতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালে। মুক্তি এবং পরবর্তী কর্মসূচীগুলো লাইভ প্রচার করেছে টিভি চ্যানেলগুলো। নয়া দিগন্ত টেলিগ্রাম বের করেছে।

১১ সেপ্টেম্বরের পত্রিকাগুলোর প্রধান শিরোনাম ছিল দেশব্যাপী একযোগে এইচএসসির ফলাফল প্রকাশ। ছবিসহ প্রত্যেকটি দৈনিকে বড় করে কাভারেজ দেওয়া হয়েছে। এর আগের দিন টিভি চ্যানেলগুলোও ভালো কাভারেজ দেয় এইসএসসির ফলাফলের।
চলছে পবিত্র রমজান মাস। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে মাসটি বড় ধরনের প্রভাব রেখে যায়। সংবাদ প্রচার থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনে এর প্রভাব চোখে পড়ার মতো। দৈনিকগুলোর প্রথম পাতায় সিয়াম সাধনার ওপর ধারাবাহিক সংবাদ থাকে। ইফতার ও দ্রব্যমুল্যের ওপর প্রতিদিন থাকে বিশেষ প্রতিবেদন। রকমারি ইফতার নিয়ে ছবি ও সংবাদ ব করে ছাপানো হয় নিয়মিত। চ্যানেলগুলো নিয়মিত এধরনের সচিত্র খবর সম্প্রচার করছে।

জসিম উদ্দিন


উৎসঃ http://www.sonarbangladesh.com

 

 

  • ৪ টি মন্তব্য
  • ৯৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯
comment by: অন্তরাল বলেছেন: আমার দেশের সম্পাদক যে গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার পত্রিকার প্রথম পাতায় ওই সংবাদের জন্য প্রকাশ্যে দূ:খপ্রকাশ করেছে এবং আশা প্রকাশ করেছে যে এর মধ্য দিয়েই তাদের কৃতকর্মের পরিসমাপ্তি ঘটবে, সেটা চোক্ষে পড়েনি। রাজাকারের সোনারবাংলাদেশের কোথাকার। রাজাকারের বাচ্চা রাজাকার!
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: রিভিউটি ৫-১১ সেপ্টেম্বর সময়ের। পরবর্তী রিভিউতে হয়তো বিষয়টি আসবে।

২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩
comment by: অন্তরাল বলেছেন: আমার দেশের সম্পাদক যে গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার পত্রিকার প্রথম পাতায় ওই সংবাদের জন্য প্রকাশ্যে দূ:খপ্রকাশ করেছে এবং আশা প্রকাশ করেছে যে, এর মধ্য দিয়েই তাদের কৃতকর্মের পরিসমাপ্তি ঘটবে, সেটা চোক্ষে পড়েনি। রাজাকারের সোনারবাংলাদেশ কোথাকার। রাজাকারের বাচ্চা রাজাকার!
তোরে মিডিয়া রিভিউ করতে অনুমতি দিছে কেডা?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: রিভিউটি ৫-১১ সেপ্টেম্বর সময়ের। পরবর্তী রিভিউতে হয়তো বিষয়টি আসবে।

মিডিয়া রিভিউ এর জন্য আবার কারো অনুমতি লাগে নাকি? কার অনুমতি প্রয়োজন, জানালে বাধিত হবো।

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৯৬৮৪