প্রথমেই ধন্যবাদ জানিয়ে িনই ব্লগার রেজোওয়ানা ও রাজিব শাহরিয়ার েক। ওদের জলদূর্গ িবষয়ে েলখা পরে খুব আগ্রহ িনয়ে মুনশীগঞ্জ েগলাম। আমার প্রতিটি পাই-পয়সা ঊসুল হয়েছে।
ব্লগার রাজিব শাহরিয়ার এর লেখা মতো গুলিস্থানের শেষমাথায় নয়ন পরিবহনের বাসে না উঠে ঢাকা ট্রান্সপোর্ট এর বাসে উঠলাম, ভাড়া একই ৩৫ টাকা। বাসটি ঢাকার পোস্তগোলা দিয়ে নারায়নগঞ্জের ফতুল্লা - পঞ্চবটি হয়ে যায়। তারপর .... ধলেশ্বরীর উপরের নতুন ব্রীজ দিয়ে মুক্তারপুর হয়ে মুন্সীগঞ্জ সদরে পৌছলাম। সেখান থেকে হেটে গেলাম ইদ্রাকপুর দূর্গে।
স্থানীয় ১টি স্কুলের বাচ্চারা ও আমার কলিগ...................
স্থানীয় ১টি স্কুলের বাচ্চারা ও আমার কলিগ...................
আমার আর একজন কলিগ...................
আমার কলিগ...................
আমার কলিগ...................
আমার কলিগ...................
আলাদাভাবে দূর্গের বর্ণনা আমি েদবো না। শুধু এটুকু বলব যা আছে তাও শেষ হবার আগে েদখে আসুন।
দূর্গে ঘোরাঘুরি েশষ করে একটা অটোরিক্সা ভাড়া করলাম ৩০০ টাকায়। চুক্তি হলো বাবা আদমের মাজার ও মসজিদ (দরগাহ বাড়ী) ও অতিশ দীপঙ্কর এর ভিটা (পন্ডিতের ভিটা/ৈবদ্যবাড়ী) ঘুরে আবার বাস কাউন্টারে িফরে আসব এবং সব মিলে ১ ঘন্টা েদরী করব।
বাবা আদমের মসজিদঃ
অতিশ দীপঙ্কর এর ভিটাঃ
কিছু ছবি ফ্রি..............ঃ
একটা কথা বলতে ভুলে েগছি। ঢাকা থেকে মুনশীগঞ্জ যাবার রাস্তা এতোটাই ভাল যে আপনার যদি কোনো অষুধ ঝািকয়ে খাওয়ার কথা থাকে তবে তা এমনি এমনি খেয়ে আসবেন, বাকী কাজ রাস্তাতেই হয়ে যাবে।
রাস্তার ভয়ে ঠিক করলাম নদী পথে ফিরব। অটোরিক্সা চালককে বললাম সে কথা। সে নিয়ে এলো লঞ্চঘাটে। ওখানেই দুপুরের ডানহাতের কাজ সারলাম।
আরও কিছু ছবি........
আপলোডে কোনো গন্ডগোলের জন্য কিছু ছবি ভালো আসেনি....... কি আর করা।
সবাই ভালো থাকবেন। আর আপনার জানা এইরকম কোনো জায়গার কথা জানা থাকলে আমাকে জানাতে ভুলবেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



