মুসলমানদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত-১১
১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৪
আল্লাহ সুবাহানাল্লাহু তাআলা সুরা নূর এর ৫৮-৬০ নং আয়াতে বলেছেন--
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِيَسْتَأْذِنكُمُ الَّذِينَ مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ وَالَّذِينَ لَمْ يَبْلُغُوا الْحُلُمَ مِنكُمْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ مِن قَبْلِ صَلَاةِ الْفَجْرِ وَحِينَ تَضَعُونَ ثِيَابَكُم مِّنَ الظَّهِيرَةِ وَمِن بَعْدِ صَلَاةِ الْعِشَاء ثَلَاثُ عَوْرَاتٍ لَّكُمْ لَيْسَ عَلَيْكُمْ وَلَا عَلَيْهِمْ جُنَاحٌ بَعْدَهُنَّ طَوَّافُونَ عَلَيْكُم بَعْضُكُمْ عَلَى بَعْضٍ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمُ الْآيَاتِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
হে মুমিনগণ! তোমাদের দাসদাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা প্রাপ্ত বয়স্ক হয়নি তারা যেন তিন সময়ে তোমাদের কাছে অনুমতি গ্রহণ করে, ফজরের নামাযের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা বস্ত্র খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এই তিন সময় তোমাদের দেহ খোলার সময়। এ সময়ের পর তোমাদের ও তাদের জন্যে কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়, এমনি ভাবে আল্লাহ্ তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ বিবৃত করেন। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
وَإِذَا بَلَغَ الْأَطْفَالُ مِنكُمُ الْحُلُمَ فَلْيَسْتَأْذِنُوا كَمَا اسْتَأْذَنَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ كَذَلِكَ يُبَيِّنُ اللَّهُ لَكُمْ آيَاتِهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
তোমাদের সন্তান-সন্ততিরা যখন বায়োপ্রাপ্ত হয়, তারাও যেন তাদের পূর্ববর্তীদের ন্যায় অনুমতি চায়। এমনিভাবে আল্লাহ্ তাঁর আয়াতসমূহ তোমাদের কাছে বর্ণনা করেন। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
وَالْقَوَاعِدُ مِنَ النِّسَاء اللَّاتِي لَا يَرْجُونَ نِكَاحًا فَلَيْسَ عَلَيْهِنَّ جُنَاحٌ أَن يَضَعْنَ ثِيَابَهُنَّ غَيْرَ مُتَبَرِّجَاتٍ بِزِينَةٍ وَأَن يَسْتَعْفِفْنَ خَيْرٌ لَّهُنَّ وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য্য প্রকাশ না করে তাদের বস্ত্র খুলে রাখে। তাদের জন্যে দোষ নেই, তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
ব্যাখ্যা--
এই আয়াত গুলিতে, যারা বাড়ি ভিতরে আছে তারা এক রুম থেকে অন্য রুমে কি ভাবে প্রবেশ করবে তার বিধান বর্ণনা করা হয়েছে।
তিনটি নির্দিষ্ট সময়ে কারো রুমে প্রবেশ করতে সব ধরনের লোকের অনুমতির প্রয়োজন হবে।
১। এশার পর
২। ফজরের পূর্বে
৩। দুপুরে অর্থাৎ এশার পর থেকে ফজরের পূর্ব পর্যন্ত রাতে বিশ্রামের সময় এবং দুপুরে খাওয়ার পর যখন বিশ্রাম করা হয়।
এই তিন সময়ে বাড়ীর কাজের লোক এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেমেয়েদেরকেও কারো ঘরে প্রবেশ করতে অনুমতি নিতে হবে।
এই তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে বাড়ির কাজের লোক এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেমেয়েদের কারো রুমে প্রবেশ করতে অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন নাই।
আবার ছেলেমেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে গেলে উল্ল্যেখিত তিন সময় ছাড়াও অন্য সময়ে আব্বা আম্মার রুমে প্রবেশের সময় অনুমতি নিতে হবে।
এই বিধানের কারণ--
উল্লেখিত তিন সময়ে মানুষ বিশ্রাম করার জন্য একটু খোলামেলা পোষাকে থাকে। এই খোলামেলা শরীর যেন নিজের ছেলেমেয়ে সহ বাড়ির কাজের লোক দেখতে না পায় তাই এই বিধান।
এই বিধান নারী পুরুষ সবার জন্যই প্রযোজ্য।
আর একটা বিধান হ'ল, বয়স্কা মহিলাদের ক্ষেত্রে হিজাবের বিধান কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। তবে হিজাব করাই উত্তম।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
`হাসান বলেছেন:
কাজের লুক আর দাসদাসী কি এক?? এক হইলে তাদের সাতে সেক্স কি হালাল?
নাঈম বলেছেন:
হাসান ভাই তো অন্য লাইন এ চইল্ল্যা গেলেন........
নাঈম বলেছেন:
৫
`হাসান বলেছেন:
১ দিসি
`হাসান বলেছেন:
ষাঁড় আজকাল ইন্ডিয়া নিয়ে কিছু লেকেনান কেন?
সাইফুর বলেছেন:
৫
'ভিমরু' বলেছেন:
সুরা নূর এর ৫৮-৬০ এর আয়াতের যে অর্থ দিয়েছে Click This Link তা মনে হয় একটু বিকৃত হয়ে গিয়েছে যদি আমি ভুল না বুঝে থাকি। ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এর অনূদিত ও বিচারপতি হাবিবুর রহমানের অনুবাদটা কিন্তু এরকম নয়। আমি ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এর টা দিলাম। দয়া করে একটু দেখবেন কি?"হে যারা ঈমান এনেছ! তোমাদের মালিকাধীন দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা এখনও পরিণত বয়সে উপনীত হয়নি, তারা যেন তোমাদের কাছে আসার জন্য তিন সময়ে তোমাদের অনুমতি গ্রহন করে: ফজরের নামাজের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা নিজেদের পোশাক খুলে রাখ এবং এশার নামাযের পর। এ তিন সময় তোমাদের জন্য গোপনীয়তা ও নির্জনতার সময়। এ তিন সময় ছাড়া তোমাদের ও তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একে অপরের কাছে তো যাতায়াত করতেই হয়। এরুপই আল্লাহ তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট বর্ণনা করেন আয়াতসমূহ। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, হেকমতওয়ালা।"
- সূরা নুর: ৫৮
" আর তোমাদের মধ্য থেকে বালকরা যখন সাবালেগ হয়, তারাও যেন অনুমতি চায় যেমন তাদের পূর্ববর্তী বয়োজ্যেষ্ঠরা অনুমতি চেয়ে থাকে। এরুপই আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ সুষ্পষ্টভাবে বর্ননা করেন। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, হেকমতওয়ালা।"
- সূরা নুর: ৫৯
"আর অধিক বয়স্কা স্ত্রীলোক, যারা বিবাহের আশা রাখে না, তাদের জন্য কোন দোষ নেই, যদি তারা তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে তাদের অতিরিক্ত বস্ত্র খুলে রাখে। তবে এ থেকে বিরত থাকাই তাদের জন্য উত্তম। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।"
- সূরা নুর: ৬০
আমার মনে হয় এই অনুবাদটা অনেক ভুল ব্যাখ্যা থেকে রক্ষা করতে পারে আপনারটার চেয়ে। কারন শব্দের ব্যবহার ও বাক্য অনেক সময় অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।
ধন্যবাদ।
'ভিমরু' বলেছেন:
৫...
'ভিমরু' বলেছেন:
বাই দ্য ওয়ে, আমাপ প্রথম মন্তব্যটা পড়া হয়ে গেলে মুছে দিতে পারেন। আর 'দহাসান ' নামের ঐ বেকুবটার মন্তব্য মুছে ব্যান করে রাখুন। কোরানের বাণী দেখলেই ওদের গা চুলকায়। কি আর করা....ভাল থাকুন।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
সালাম,ভাল পোস্ট।
`হাসান, মাথামোটা এরা অন্য লাইনের লোক। তাই এরা সবসময় অন্য লাইনে কথা বলা পছন্দ করেন। তাই এদের প্রশ্ন পোস্ট রিলেটেড না হলে এড়িয়ে চলুন।
`হাসান বলেছেন:
তিরিবুজ আমি সাদা দিলে একখান প্রশ্ন করলাম , জানলে এনসার দা্ও নাইলে অপ যাও।
মিশন বলেছেন:
আওরঙ্গজেব ভাই ঠিক কথা বলেছেন। ধন্যবাদ আপনার পোষ্টে জন্য। ৫
রাজপথ_থেকে_বলছি বলেছেন:
ব্লগার হাসান বৃক্রিত রুচির মানোষিক রোগি। তাকে এরিয়ে চলুন।
লাল মিয়া বলেছেন:
বাই দ্য ওয়ে জানি কেডা কয়?
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
'বাই দ্য ওয়ে', 'বেকুব', 'গা চুলকায়'...কেমুন জানি চিনা চিনা লাগে...চিলে কান নিলোগা মনে অয়!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
'বাই দ্য ওয়ে', 'বেকুব', 'গা চুলকায়'...কেমুন জানি চিনা চিনা লাগে...চিলে কান নিলোগা মনে অয়!
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
সরি, দু'বার চলে গেল!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














