মুসলমানদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত-১৯
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫২
প্রতিফল দানকারী আল্লাহ সুরা আহকাফ এর ১৫ নম্বর আয়াতে উল্ল্যেখ করেন--
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ إِحْسَانًا حَمَلَتْهُ أُمُّهُ كُرْهًا وَوَضَعَتْهُ كُرْهًا وَحَمْلُهُ وَفِصَالُهُ ثَلَاثُونَ شَهْرًا حَتَّى إِذَا بَلَغَ أَشُدَّهُ وَبَلَغَ أَرْبَعِينَ سَنَةً قَالَ رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَى وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَصْلِحْ لِي فِي ذُرِّيَّتِي إِنِّي تُبْتُ إِلَيْكَ وَإِنِّي مِنَ الْمُسْلِمِينَ
আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছি।
তার জননী তাকে কষ্টসহকারে গর্ভে ধারণ করেছে এবং কষ্টসহকারে প্রসব করেছে।
তাকে গর্ভে ধারণ করতে ও তার স্তন্য ছাড়তে লেগেছে ত্রিশ মাস।
অবশেষে সে যখন শক্তি-সামর্থ্যের বয়সে ও চল্লিশ বছরে পৌছেছে, তখন বলতে লাগল, হে আমার পালনকর্তা, আমাকে এরূপ ভাগ্য দান কর, যাতে আমি তোমার নেয়ামতের শোকর করি, যা তুমি দান করেছ আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকাজ করি।
আমার সন্তানদেরকে সৎকর্মপরায়ণ কর, আমি তোমার প্রতি তওবা করলাম এবং আমি আজ্ঞাবহদের অন্যতম।
ব্যাখ্যা--
মায়ের হক বাবার অপেক্ষা বেশী।
আয়াতরে শুরুতে পিতা-মাতা উভয়ের সাথে সদ্ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু এ স্থলে কেবল মায়ের কষ্টের কথা উল্লেখ করার তাৎপর্য এই যে, মায়ের পরিশ্রম ও কষ্ট অপরিহার্য ও জরুরী।
গর্ভধারণের সময়ে কষ্ট, প্রসব বেদনার কষ্ট সর্বাবস্থায় ও সব সন্তানের ক্ষেত্রে মাতাকেই সহ্য করতে হয়।
পিতার জন্যে লালন-পালনের কষ্ট সহ্য করা সর্ববস্থায় জরুরী হয় না।
সোনার বাংলা বলেছেন:
+
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
+
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
নাউযুবিল্লাহ! আল্লাহর কালাম আল্লাহর নামে আরম্ভ করে নাই! আল্লাহ তুমি তোমার কালামের হেফাজত কর। আমিন।যারা এতো বড় গুনাহের কাজ, না দেখার ভান করে প্লাস দিয়েছে তাদের আল্লাহ হেদায়ের করুন।
আমি মাইনাস দিলাম, আল্লাহ কবুল করুন।


















