somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আমার ছবি ফাইনাল রাউন্ড-এ (ভালো লাগলে ভোট করুন)
প্রিয় ব্লগার বন্ধুরা,

আমি একজন শখের ফটোগ্রাফার। আমার আগের পোষ্টগুলো দেখলে আপনারা সেটা সহজেই বুঝতে পারবেন।

মূল বিষয় হলো আপনাদের কাছে সাহায্য চাইতে আবার ব্লগে আসলাম।
আমার তোলা এই ছবিটি কউবীর আয়োজিত ফটোগ্রাফী কন্টেষ্টএ শেষ দশের লড়াই এখনো টিকে আছে। টানা ১০দিনের ভোটে এক সময় ১ম স্থানও দখল করে নিতে সক্ষম হয়। কিন্তু যে হারে দূর্ণীতি হচ্ছে, তাতে শেষ ১০এ টিকে থাকাই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে.

ছবিটি যদি আসলেই যোগ্য হয় তাহলে নিচের লিংক-এ গিয়ে আপনাদের ভোট দিতে অনুরোধ করছি।

এখানে ভোট দিন...

আর ছবিটি যদিআপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি...

ভোট দেয়ার শেষ সময় আজ (২১/নভেম্বর) রাত ০৩:০০ টা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29487049 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29487049 2011-11-20 18:10:09
ছবি ব্লগ (মা, তোমাকে ভালোবাসি)
এই হলো ছবিটা...


ভাগ্যক্রমে ছবিটা কিউবী ফটো কন্টেস্ট-এ অনেকের হৃদয় জয় করেছে.. ছবিটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে এই লিংকে গিয়ে লাইক করে আমাকে ভোট করুন, আপনাদের নিকট কৃতজ্ঞ থাকবো.. <img src=" style="border:0;" />

বি.দ্র: কেউ কিন্তু এই (Qubee) পেজটা লাইক করতে ভুলবেন না.. তাহলে আপনার ভোট কাউন্ট হবে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29478081 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29478081 2011-11-04 22:17:06
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোযা

মাওলানা জালালউদ্দিন রুমী (রহঃ) যেমনটি বলেছেন, সত্যের সুগন্ধি শীতল সমীর এ সময় নিয়ে আসে ঐশী পাঠ অপূর্ব এ উপহার থেকে সন্তর্পনে যতো পারো করে যাও লুটপাট। রহমতের সমীরণ এসে আবার চলে যায় যাকে ইচ্ছে তাকে সে প্রাণবায়ু দিয়ে যায় আবার এসেছে আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ প্রস্তুতি নাও হে গোলাম,করো অবগাহন। হিজরী পঞ্জিকার বারোটি মাসের মধ্যে নবম মাসের নাম রমযান।


নবীজি বলেছেন,রজব মাস হচ্ছে আল্লাহর মাস, শাবান মাস হচ্ছে আমার মাস আর রমজান মাস হচ্ছে আমার উম্মতের মাস। এ মাসটিকে উম্মতের মাস হিসেবে ঘোষণা করলেও আল্লাহর কাছে এ মাসটির মর্যাদা অসামান্য । মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘আস সাওমু লি, অ-আনা আজযি বিহী' অর্থাৎ ‘রোযা আমারই জন্য এবং আমি নিজেই তার প্রতিদান দেবো।' পরকালে তিনি কী পুরস্কার দেবেন তার কিছুটা ইঙ্গিত নবী করিম (সাঃ) আমাদের দিয়েছেন। রাসূলে খোদা বলেছেন, "রমযান এমন একটি মাস যে মাসে আল্লাহ তোমাদের জন্যে রোযা রাখাকে ফরজ করে দিয়েছে। অতএব যে ব্যক্তি ঈমান সহকারে আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় রোযা রাখবে, তার জন্যে রোযার সেই দিনটি হবে এমন যেন সবেমাত্র সে মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নিয়েছে, অর্থাৎ রোযাদার তার সকল গুণাহ থেকে মুক্তি পেয়ে নিষ্পাপ শিশুটির মতো হয়ে যাবে।" রাসূল (সাঃ) আরও বলেছেন, "তুমি যদি চাও তোমার বুকের ভেতরের অশান্তি কমে যাক তাহলে রমযানের রোযা এবং প্রতিমাসে তিনটি করে রোযা রাখো।" অন্য এক হাদিসে আছে, রাসুলেখোদা বলেছেন, "রোযা রেখে অটুট স্বাস্থ্যের অধিকারী হও।" এর মানে হচ্ছে, রোযা রাখলে স্বাস্থ্য ভাল থাকে। কোন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয় না। ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রাঃ)ও বলেছেন, "প্রতিমাসে তিনটি রোযা এবং রমযান মাসের রোযা বুকের ভেতরকার জটিলতা এবং পেরেশানীগুলো দূর করে দেয়।"


রোযা থাকা অবস্থায় কমপক্ষে ১৫ ঘন্টা যাবতীয় খানাপিনা বন্ধ থাকে। এ সময় পাকস্থলী, অন্ত্রনালী, যকৃত, হৃদপিন্ডসহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশ্রাম পায়। তখন এসব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিজেদের পুনর্গঠনে নিয়োজিত হতে পারে। অন্যদিকে দেহে যেসব চর্বি জমে শরীরের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় সেগুলো রোযার সময় দেহের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটানোর জন্য ছুটে যায়। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী তার "সুপিরিয়র নিউট্রিশন" গ্রন্থে ডা. শেলটন বলেছেন, উপবাসকালে শরীরের মধ্যকার প্রোটিন, চর্বি, শর্করা জাতীয় পদার্থগুলো স্বয়ং পাচিত হয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলোর পুষ্টি বিধান হয়। সত্যি বলতে কী, দেহ এবং আত্মার ওপরে প্রভাব সৃষ্টিকারী এই রোযার উপকারীতা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বহু আগেই প্রমাণ করেছে।


আল্লাহ যেহেতু আমাদের জন্যে এই বিধানটি দিয়েছেন, ফলে এতে যে অবশ্যই কল্যাণ নিহিত থাকবে-তা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশই নেই। রোযা বা উপবাসের মধ্যে শারীরিক কী কী কল্যাণ রয়েছে সে সম্পর্কে আরও কয়েকজন চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতামত জানা যাক : নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঔষুধ ও শল্য চিকিৎসার প্রখ্যাত ডাঃ অ্যালেকসিস বলেছেন, উপবাসের মাধ্যমে লিভার রক্ত সঞ্চালন দ্রুত হয় ফলে ত্বকের নিচে সঞ্চিত চর্বি, পেশীর প্রোটিন, গ্রন্থিসমূহ এবং লিভারে কোষসমূহ আন্দোলিত হয়। আভ্যন্তরীণ দেহ যন্ত্রগুলোর সংরক্ষণ এবং হ্নদপিণ্ডের নিরাপত্তার জন্য অন্য দেহাংশগুলোর বিক্রিয়া বন্ধ রাখে। খাদ্যাভাব কিংবা আরাম-আয়েশের জন্য মানুষের শরীরের যে ক্ষতি হয়, রোজা তা পূরণ করে দেয়।" ডাঃ আইজাক জেনিংস বলেছেন, " যারা আলস্য ও গোড়ামীর কারণে এবং অতিভোজনের কারণে নিজেদের সংরক্ষিত জীবনী শক্তিকে ভারাক্রান্ত করে ধীরে ধীরে আত্মহত্যার দিকে এগিয়ে যায়, রোযা তাদেরকে এ বিপদ থেকে রক্ষা করে।" বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী নাষ্টবারনার বলেন, "ফুসফুসের কাশি, কঠিন কাশি, সর্দি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা কয়েকদিনের রোযার কারণেই নিরাময় হয়।" ডাক্তার দেওয়ান এ,কে,এম, আব্দুর রহীম বলেছেন, "রোযাব্রত পালনের কারণে মস্তিস্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র সর্বাধিক উজ্জীবিত হয়। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী ডা. আব্রাহাম জে হেনরি রোযা সম্পর্কে বলেছেন, "রোযা হলো পরমহিতৈষী ওষুধ বিশেষ। কারণ রোযা পালনের ফলে বাতরোগ, বহুমূত্র, অজীর্ণ, হৃদরোগ ও রক্তচাপজনিত ব্যাধিতে মানুষ কম আক্রান্ত হয়।" পাকিস্তানের প্রখ্যাত প্রবীণ চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ হোসেনও একই ধরনের কথা বলেছেন। তারমতে, "যারা নিয়মিত রোজা পালনে অভ্যস্ত সাধারণত তারা বাতরোগ, বহুমূত্র, অজীর্ণ, হৃদরোগ ও রক্তচাপজনিত ব্যাধিতে আক্রান্ত কম হন।" চিকিৎসা বিজ্ঞানী ডা. ক্লাইভ বলেন, "রোযার বিধান স্বাস্থ্যসম্মত ও বিজ্ঞানসম্মত । সেহেতু ভারত, জাপান, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ নাইজেরিয়াতে অন্যসব এলাকার তূলনায় মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় রোগ ব্যাধি অনেক কম দেখা যায়।" এভাবে বিশ্বের অনেক চিকিৎসা বিজ্ঞানী রোযার উপকারিতা বর্ণনা করেছেন।


গবেষণায় দেখা গেছে, রোযাদার ব্যক্তি ধুমপান না করার কারণে ফুসফুস রোগমুক্ত থাকে। পেপটিক আলসারের রোগীরা রোযা রাখলে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও হাঁপানি রোগীদের জন্যও রোযা উপকারী। ডাক্তারদের মতে, রোযার ফলে মস্তিষ্কের সেরিবেলাম ও লিমরিক সিস্টেমের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ার কারণে মনের অশান্তি ও দুশ্চিন্তা দূর হয়-যা উচ্চ রক্তচাপের জন্য মঙ্গলজনক। বহুমূত্র রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে রোযা খুব উপকারী। ডাক্তারী পরীক্ষায় দেখা গেছে, একাধারে ১৫ দিন রোযা রাখলে বহুমূত্র রোগের অত্যন্ত উপকার হয়। রোযা চর্মরোগের জন্যও খুবই উপকারি। পুষ্টির সঙ্গে চর্মরোগের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। তাই চর্ম রোগের কিংবা ত্বকের উপর স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় রোযা খুবই কার্যকর পদ্ধতি। কিডনী সমস্যায় আক্রান্ত রোগীরা রোযা রাখলে এ সমস্যা আরো বেড়ে যাবে ভেবে রোযা রাখতে চান না। অথচ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, রোযা রাখলে কিডনীতে সঞ্চিত পাথর কণা ও চুন দূরীভূত হয়। স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীদের মতে, সারা বছর অতিভোজ, অখাদ্য, কুখাদ্য, ভেজাল খাদ্য খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে যে জৈব বিষ জমা হয় তা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এক মাস রোজা পালনের ফলে তা সহজেই দূরীভূত হয়ে যায়।


কোরআন, হাদিস এবং আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গীর আলোকে বলা যায়, রোযা হচ্ছে মুসলমানদের জন্য এক বিরাট রহমত এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনন্য নেয়ামত স্বরূপ। রোযার গুরুত্ব সম্পর্কে হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ দেহলভী (রহঃ) বলেছেন, "রোযা শ্রেষ্ঠ পুণ্যের কাজ। কেননা রোযা সুপ্রবৃত্তিকে সবল এবং কুপ্রবৃত্তিকে দুর্বল করে দেয়। আত্মার পরিচ্ছন্নতা এবং প্রবৃত্তিকে দমন করে রাখার জন্য রোযার ন্যায় কার্যকর অস্ত্র আর কিছুই নেই।" পরিশেষে কবি ফজলে খোদার ভাষায় বলতে চাই- হে রমজান,হে রমজান! দাও স্বস্তি দাও শান্তি ধরণীকে করো মনোরম, তোমারে হেরিয়া বিশ্ব-বিবেক সংযম হোক দুর্দম ৷

[Collected]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29425028 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29425028 2011-08-03 19:42:14
কিউবী এখন দ্বিগুণ গতিতে... " style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29366929 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29366929 2011-04-22 00:37:39
খুঁজে ফিরি আমার আমিকে.... " style="border:0;" /> নিজেকে আমি চিনতে পারি না..

আগের জীবন আর এখনের জীবনের মধ্যে বিস্তর ফারাক.. তারপরও ভিতরে কিন্তু সেই আমিই... ব্লগিং শুরু করেছিলাম ২০০৭ এর এপ্রিলে.. আজ, চার বছর পেরিয়ে গেল.. কিন্তু ব্লগারও হতে পারলাম না.. শুরুর দিকে মাথায় হাজারো লিখা খেলতো। মনে হতো এটা লিখবো ওটা লিখবো.. লিখে শেষ করতে পারতাম না.. প্রথম মাসেই ৩৩টা পোষ্ট দিছিলাম.. ২য় মাসে তার অর্ধেক.. এভাবে ক্রমান্ময়ে কমতে কমতে ২০০৮ এ ৫টা আর ২০০৯ এ ২ টা আর ২০১০ এ ০ (শুণ্য) টা... :o

এখন হাজার চেষ্টা করলেও একটা লেখা বের করা দুরুহ ব্যাপার হয়ে গেছে... মনে হয় যেন আমি আর আমি নেই.. কোথায় যেন জীবনের ছন্দটা হারিয়ে গেছে...

প্রতিটা দিন ই কর্মব্যাস্ত। অফিসের জন্য বিভিন্ন ধরণের রিকোয়্যারমেন্ট অ্যাচিইভ করতে করতে জীবনের জন্য অনেককিছুই অ্যাচিইভ করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি... নিজের রিকোয়্যারমেন্ট এর কথা ভুলে যাচ্ছি... <img src=" style="border:0;" />

সময় কেটে যাচ্ছে তার নিজের মতোই। কারো দিকে তাকাবার ফুরসত তার নেই। বড়ই নিষ্ঠুর সে.. এক এক করে জীবনের কত্তগুলো বছর কেড়ে নিলো... আমার শৈশব, আমার কৈশর, আমার তারুণ্য এমনকি আমার যৌবনকাল ও কেড়ে নিতে চায়।। জানি.. কিছুই থেমে থাকবে না.. সবই ছেড়ে দিতে হবে তার হাতে..

তবুও কিছুটা সময় চাই আমার জন্য। আমার নিজের জন্য.. যে সময়টা একান্তই আমার হবে.. ফিরে যাব আমি আমার চঞ্চল শৈশবে, ফিরে যাবো আমি আমার উচ্ছল কৈশরে.. হারিয়ে যাবো আমি আমার উৎসুক তারুণ্যে...

ফিরে পেতে চাই আমি আমার আমিকে..... <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29362941 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/29362941 2011-04-15 01:18:58
দাড়ি আমার অলঙ্কার... বাস্তবতা অনেক কঠিন, অনেক কিছুই শুনতে হয়।
কেউ বলবে জে,এম,বি কেউ বলবে আল কায়দা..
কি আসে-যায় তাতে আমার? বললেই তো আর হয় না।
দাড়ি আমার নবীর সুন্নত, আল্লাহও যে খুশী হয়,
দাড়ি আমার অলঙ্কার, দারি রেখেই শান্তি পাই।
কেউ বা বলে নন্-স্মার্ট, কেউ বা দেখায় বিয়ের ভয়!!
রাখবই যখন পণ করেছি, তবে কেন এখন নয়??? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28985974 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28985974 2009-07-30 02:12:11
ছবি ব্লগ - কাওরান বাজার @ নাইট http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28980325 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28980325 2009-07-19 09:47:42 স্বাধীন সেই পাখিটি চোখে পড়ে সেই অচিন মুক্ত পাখি;
তখনই আমার মনে জাগে সাধ,
যেন হয়ে যাই আমি মুক্ত, অবাধ।

পাখাটি তার ডানা দুটি মেলে,
উড়ে চলে যায় কোন সে হেয়ালে,
আমি শুধু অপলক তাকিয়ে থাকি,
পাখিটির স্বাধীনতা দুচোখ ভরে দেখি।
তখনই আমার মনে প্রশ্ন আসে,
স্বাধীনতা কি আজ নেই আমাদের পাশে?

আজ ও কি কাটেনি একাত্তরের কালরাত?
এখনও কি স্বাধীনতার হয়নি প্রভাত?

কখন আসবে সকাল স্বাধীনতার?
কখন ভাঙবে শৃঙ্খল পরাধীনতার?
স্বাধীনতার খোঁজে আমি আজ বন্য। স্বাধীনতা কি শুধু ঐ পাখিটির জন্য?

বি.দ্র: কবিতাটা আমার ছোট বোন লিখেছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28782805 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28782805 2008-03-26 22:46:49
হাদিস পাঠ - ১ --- ২৪৯৪, সহীহ আল বুখারী, ২য় খন্ড।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28760211 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28760211 2008-01-12 07:57:05 ছবি ব্লগ - নাফ নদী http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28757663 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28757663 2008-01-07 18:48:58 আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই হলো সবচেয়ে বড় সাফল্য ---সূরা আত্ তাওবা (৬৭-৬৮)

মুমিন পুরুষ ও নারী, এরা সবাই পরস্পরের বন্ধু ও সহযোগী। এরা ভালো কাজের হুকুম দেয় এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে, নামাজ কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে। এরা এমন লোক যাদের ওপর আল্লাহর রহমত নাযিল হবেই। অবশ্যি আল্লাহ সবার ওপর পরাক্রমশালী জ্ঞানী ও বিজ্ঞ। এ মুমিন পুরুষ ও নারীকে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাদেরকে তিনি এমন বাগান দান করবেন যার নিম্নদেশে ঝরনাধারা প্রবহমান হবে। এবং তারা তার মধ্যে চিরকাল বাস করবে। এসব চির সবুজ বাগানে তাদের জন্য থাকবে বাসগৃহ এবং সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবে। এটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য।
---সূরা আত্ তাওবা (৭১-৭২)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28756222 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28756222 2008-01-03 09:14:49
কয়েক ঘন্টা পরই উদয় হবে নববর্ষের প্রথম সূর্য... ভাবুনতো একবার..

আমি কি আমার রবের দেয়া দ্বায়িত্বগুলো ঠিকমতো পালন করতে পেরেছি?

আমি কি আমার নামাজ(বা ইবাদত)গুলো ঠিকমতো আদায় করতে পেরেছি?

আমি কি আমার মা বাবার প্রতি আমার দ্বায়িত্বগুলো পারন করতে পেরেছি?

আমি কি পেরেছি অভাবী ও বঞ্চিতদের হক গুলো আদায় করতে?

এমন কি হয়েছে যে আমি যখন খুব আরাম আয়েশে আছি ঠিক তখন আমার পাশের ভাইটি অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে?

আমি কি একজন নাগরিক হিসেবে দেশের প্রতি আমার দ্বায়িত্বসমুহ পালন করতে পেরেছি?

জবাব যদি "না" হয় তাহলে আসুন নতুন বছরটিকে আমরা এগুলোকে "হাঁ"তে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করি।

আগামিকাল ভোরে সূর্য উঠার আগে উঠুন আল্লাহর দরবারে ২ রাকাত সালাত আদায় করে নিন। ইনশাআল্লাই আপনার সব কাজে আল্লাহ বরকত দিয়ে দিবেন।**

নতুন বছরটি যেন সকলের সুন্দর হয় এই কামনায় সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজ এখানেই শেষ করলাম।

----------------------------------------------------
** অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য নহে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28755590 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28755590 2008-01-01 02:27:38
চলে গেল বিজয়ের মাস! বিজয় দিবসের সকাল বেলা হাটতে বেরিয়েছিলাম। টাইহারপাস মোরে গিয়ে দেখি এক দল ছোট ছোট ছেলে ক্রিকেট খেলছে। আমার গলায় ক্যামেরা ঝুলানো দেখে সবাই আমার দিকে দৌড়ে আসল। আমাকে বলে, "আমাদের একটা ছবি তোলেন না.." । যাক! আমার কাজটা তারা সহজ করে দিল। নানা ভাবে পোস্ দিতে লাগল আমার ক্যামেরার সামনে। মজার ব্যাপার হলো তাদের কাছে বাংলাদেশের একটা পতাকাও ছিলো যেটা আমাকে খুব অবাক করেছে। তাদের আনন্দ দেখে মনে হচ্ছিলো যেন সয়ং বিজয় এসে হাজির হয়েছে। এই ছোট ছোট ছেলেরাও জাতীয় পতাকার কদর বুঝে। তাই যেভাবেই হোক বিজয় দিবসের আগেই একটা জাতীয় পতাকা যোগার করে নিয়েছে। হে শিশুদল তোমাদের সালাম।

সালাম বাংলাদেশ। সালাম বিজয়ের মাস।
শুভ নববর্ষ! নতুন বছরটি বাংলাদেশের জন্য শুভ হোক।
আল্লাহ হাফিজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28755521 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28755521 2007-12-31 22:43:59
ছবি ব্লগ - সুন্দর বাংলাদেশ http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28754707 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28754707 2007-12-28 21:15:53 ছবি ব্লগ - ধানখেতে বাড়ী তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম নদীতে বাড়ী ভেঙ্গে যাওয়ায় তারা এখানে বাড়ী করে বসবাস করছে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28749447 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28749447 2007-12-05 01:14:58 ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ এর নৃশংস হত্যাকান্ডের অপরাধীদের বিচার চাই
এদের বর্বরতা যে কোন হিংস্র পশু পাখির বর্বরতাকে ও হার মানাবে। আজ মানুষ এতো অধম হলো কেন?

আমি সরকারের কাছে ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ এর নৃশংস হত্যাকান্ডের অপরাধীদের বিচার চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28740563 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28740563 2007-10-28 10:28:03
ছবি ব্লগ - কচু পাতার পানি http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28732619 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28732619 2007-09-21 08:19:18 তারাবীহর নামাজ কি শুধুই কুরআন খতমের জন্য???
সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা। দেরী হওয়ার জন্য দুঃখিত। আসলে আরেকটা পোস্ট রেডি করেছিলাম। বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আর পোস্ট করা হয়নি।
যাক গে...

তারাবীর নামাজ নিয়ে কিছু বলতে চাই।
শুধু রমজান মাসেই তারাবীর নামাজ পড়তে হয়। তারাবীর নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। অর্থাৎ না পড়লে গুনাহ হইবে।

রমজান মাস আসলে বিভিন্ন মসজিদে বিভিন্ন ভাবে তারাবীর আয়োজন করে। কোথাও সূরা-তারাবী আবার কোথাও খতম তারবীহ পড়ে। সূরা তারাবী নিয়ে আমার কিছুই বলার নাই। কিন্তু খতম তারাবীহ নিয়ে কিছু কথা আছে।

রমজান মাসে কুরআন খতম দেয়া একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় কাজ। তাই রমজান মাসে কুরআন খতম দেয়ার চেষ্টা করা উচিত।

যা বলছিলাম, আমাদের এলাকায় মসজিদে কুরআন খতম দেয়া হয় ২৭ দিনে। ১ম ৬ দিন ১.৫ পাড়া করে পড়ে পরবর্তী ২১দিন ১পাড়া করে ২৭তম দিনে খতম হয়। পরের ২/৩ দিন সূরা-তারাবীহ পড়া হয়। খুবই পছন্দনীয় পদ্ধতি। কোথাও আবার ২ খতম দেয়া হয়। কোথাও ১৫ দিনে খতম হয় আবার ৫দিন এমনকি ৩ দিনেও খতম হয়। বন্ধুরা অনেকেই খুঁজে খুঁজে সবচেয়ে কমদিনে যেখানে খতম দেয় সেখানেই তারাবীর নামাজ পড়ে। জিজ্ঞেস করলে বলে এতদিন ধরে তারাবীহ পড়া সম্ভব নাকি?..... তার মানে তারাবীহ মানে শুধু খতম দেয়া পর্যন্তই তারাবির নির্দেশ নাকি?
দেখা যায় যেসব জায়গায় ৩,৫,৭ দিনে কুরআন খতম দেয় সেখানে ইমামরা অসম্ভব দ্রুত গতিতে কুরআন পড়ে ফলে মুত্তাকীরা শব্দ শূনলেও বুঝতেও পারে না ইমাম সাহেব কি পড়ে যাচ্ছেন। মাঝে মাঝে তো মনে হবে প্ররাপ বকে যাচ্ছেন। আমার কাছে এটাকে কুরআনের অবমাননা বলে মনে হয়। তার চেয়ে কুরআন খতম না দিয়ে সূরা তারাবীহ পড়া অনেক উত্তম।
তারাবীতে কুরআন খতম দেয়ার নিয়ম হচ্ছে সম্পূর্ণ কুরআন নামাজে দন্ডায়মান অবস্থায় শ্রবণ করতে হবে। কিন্তু দেখা যায় যেখানে ইমাম সাহেব যখন ১ম রাকাতে কিরাত পাঠ করেন তখন অনেকেই পিছনে বসে বসে সময় কাটয়। ইমাম যখনই রুকুতে যান তখন সবাই দৌড়ে রুকুতে শামিল হয়। এটা আবার কেমন খতম? এর চেয়ে স্বল্প দৈর্ঘের সূরা দিয়ে সূরা তারাবি পড়া কি উত্তম নয়?

তারাবীহর নামাজ হলো ধীরে সুস্থে পড়ার নামাজ। সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি হচ্ছে ৪ রাকাত পড়ার পর বসে এ পর্যন্ত যাপড়া হয়েছে তা আলোচনা করা। মধ্যপ্রাচ্যে অনেক যায়গায় এমনটি করা হয়।

যে নামাজ ধীরে সুস্থে পড়তে বলা হয়েছে সেখানে যদি কুরআন নিয়ে এমন টানাটানি করা হয় তাহলে কি আল্লাহ খুশী হবেন নাকি অল্প অল্প করে ধীরে ধীরে পড়লে আল্লাহ খুশী হবেন?

প্রিয় ভাইয়েরা, আমরা আল্লাহকে খুশি করার জন্যই নামাজ পড়ি। নিশ্চয় অন্য কাউকে খুশি করার জন্য নয়। কাজেই নামাজ হওয়া উচিত আল্লাহর নির্দেশ মতোই। আপনার যদি খতমের উদ্দেশ্য থাকে তাহলে যেখানে ২৭ দিন, ১৫ দিনে খতম দেয় সেগুলোতে নামাজ আদায় করেন। আর খতম না দিলেও দোষের কিছু নেই কিন্তু ১০ দিনে খতম শেষ করে যদি আর বাকি ২০ দিনের নামাজ ছেড়ে দেন তাহলে অনেক বড় গোনাহের কাজ হবে। কাজেই খতম না হোক অন্তত সূরা তারাবীহ পড়ে হলেও রমজান মাসে প্রতিদিন তারাবীহ পড়ে যান। কারণ আমাদেরকে প্রথমত তারাবীহ পড়তে বলা হয়েছে কুরআন খতম করতে বলা হয়নি।

আল্লাহ আমাদের নামাজ এবং রোজা সমূহ কবুল করুণ।

আল্লাহ হাফিজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28732616 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28732616 2007-09-21 07:28:10
অনেকদিন ধরে ব্লগে লিখা হয় না। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />
আজ অনেকদিন পর ব্লগে লিখতে বসলাম। বেশ কিছুদিন ঢাকায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছি। তাই ব্লগে লিখা হয়নি। এখন আবার চট্টগ্রামে ফিরে এলাম। ব্লগে বেশ কয়েকবার ভিজিট করছি কিন্তু না লিখতে না লিখতে জড়তা এসে গেছে। তাই আর লিখা হলো না। জড়তা কাটানোর জন্য এই পোস্টটা দিলাম। আশা করি শীঘ্রই জড়তা কাটিয়ে উঠবো ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ হাফিজ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28728722 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28728722 2007-08-31 20:04:20
ছবি ব্লগ - বৃষ্টির ফোঁটায় বিশ্ব দেখা <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28724427 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28724427 2007-08-06 11:23:10 ছবি ব্লগ - জমে থাকা বৃষ্টির ফোঁটা ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28724422 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28724422 2007-08-06 10:34:29 অমনিবাস ওরফে অমি রহমান পিয়াল-কে ব্যান করা হোক
অমনিবাস, আপনার যদি ইসলামকে ভালো না লেগে থাকে তাহলে চুপ করে থাকলেই পারেন। শুধু শুধু রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর ব্যাঙ্গ চিত্র ব্যাবহার করে ইসলামকে অপমানিত করার কোন অধিকার আপনার নেই। আপনার এ অপরাধ ক্ষমার যোগ্য নয়্। এখানে যারা ইসলাম নিয়ে লিখে তারা কখনও অন্য ধর্মকে ব্যাঙ্গ করে কিছু লিখে না। কিন্ত আপনারা কেন বারবার ইসলামকে আঘাত করে লিখতে থাকেন? এটা কোন ধরণের বর্বরতা? এটা কোন জাতের মানসিকতা?

আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

কর্তৃপক্ষের নিকট একটাই আবেদন, অমনিবাস, অমি রহমান পিয়াল এবং একই মানসিকতা সম্পন্ন সবাইকে ব্যান করা হোক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28722292 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28722292 2007-07-24 01:48:50
ছবি ব্লগ - চলেছি চট্টগ্রাম http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28722099 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28722099 2007-07-23 08:22:52 বালু নিয়ে খেলা করতে বালুচরে যেতে হয় না!!!! বালু নিয়ে খেলার প্রবল ইচ্ছায় সে শক্ত মাটি থেকে নিজ প্রয়োজনে বালু বের করে নিচ্ছে।
ছবিগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28719426 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28719426 2007-07-05 13:05:55
ছবি ব্লগ - ধানমন্ডি লেক ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28717949 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28717949 2007-06-26 21:50:39 ছবি ব্লগ - কমলাপুর রেল স্টেশন ছবিটা তোলা হয়েছে ১০ ই জুন ২০০৭।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28717817 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28717817 2007-06-26 14:05:11
ব্লগে কি সবাই ঢাকার পাবলিক??? চট্টগ্রামের কে আছেন?

----------------------------
ছবি: কর্ণফুলী সেতু।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712616 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712616 2007-05-26 12:33:17
শব্দকল্পদ্রুম (মজার কবিতা) ফুল ফোটে? তাই বল! আমি ভাবি পট্‌কা!
শাঁই শাঁই পন্‌পন্, ভয়ে কান্ বন্ধ---
ওই বুঝি ছুটে যায় সে-ফুলের গন্ধ?
হুড়মুড় ধুপ্‌ধাপ্--- ওকি শুনি ভাই রে!
দেখ্‌ছ না হিম পড়ে--- যেও নাকো বাইরে।
চুপ চুপ ঐ শোন্! ঝুপ্ ঝাপ্ ঝ-পাস!
চাঁদ বুঝি ডুবে গেল?--- গব্ গব্ গ-বাস!
খ্যাঁশ্ খ্যাঁশ্ ঘ্যাঁচ্ ঘ্যাঁচ্, রাত কাটে ওই রে!
দুড় দাড়্ চুরমার--- ঘুম ভাঙে কই রে!
ঘর্‌ঘর্ ভন্ ভন্ ঘোরে কত চিন্তা!
কত মন নাচে শোন্--- ধেই ধেই ধিন্‌তা!
ঠুং ঠাং ঢং ঢং, কত ব্যথা বাজে রে---
ফট্ ফট্ বুক ফাটে তাই মাঝে মাঝে রে!
হৈ হৈ মার্ মার্ `বাপ্ বাপ্' চিত্‍‌কার---
মালকোঁচা মারে বুঝি? সরে পড়্ এইবার।

___________________________

এটা কার কবিতা? বলেন তো! (আমার না)

অনেকেই জবাব দিয়ে দিছেন তাই এখানে লিখে দিলাম।

লিখেছেন: সুকুমার রায়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712589 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712589 2007-05-26 11:38:11
বিশ্বাস কি?-৩ প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব।

যে কোন কিছু বুঝতে হলে প্রথমে কিছু জিনিস না বুঝেই বিশ্বাস করতে হয়। কারণ যে কোন কিছুর শুরুতে কোন কিছুকে নিপাতনে সিদ্ধ হিসেবে ধরে না নিলে কোন কিছুই আর জানা বা শিখা হবে না।
কিছু উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিস্কার হবে।

১। আমরা ভাষা শিখতে গেলে প্রথমে 'অ', 'আ', 'ই' এগুলোকে যথাক্রমে স্বর-অ, স্বর-আ, হ্রস্ব-ই ইত্যাদি হিসেবে বিনা যুক্তিতে বিশ্বাস করে নিতে হয়। নাহলে ভাষা আর শিখা হবে না।

২। জ্যামিতি শিখতে গেলে প্রথমে কতোগুলো স্বতঃসিদ্ধ বিষয়কে বিনা যুক্তিতে বিশ্বাস করতে হয়। যেমন আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হয় যে, যার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা কিছুই নাই কিন্তু অস্তিত্ব আছে তাকে বিন্দু বলে। এখন আপনি যদি বলেন যে, পদার্থ বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী এমন কোন কিছু থাকা অসম্ভব তাহলে আপনার আর জ্যামিতি শিখা হবে না। তার মানে পদার্থ বিজ্ঞান দিয়ে এটা বিম্বাস করা যাবে না। তাই বিনা যুক্তিতেই আমাদেরকে এটা মেনে নিতে হয়।

৩। আবার আমরা যখন বিজ্ঞানে যায় তখনও বিভিন্ন বিষয় যেমন অনু, পরমানু, ইলেকট্রণ ইত্যাদি বিনা শর্তে মেনে নিতে হয়। তার উপর ভিত্তি করেই অন্যগুলোর জন্য যুক্তি দাড় করানো হয়।

সুতরাং প্রতিটা ক্ষেত্রেই এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলোকে শর্তের উর্ধে রাখা হয়। না হলে আর সামনে অগ্রসর হওয়া যায় না। কাজেই বুঝা গেল যে, কোন কিছু বিশ্বাস করতে গেলে শুরুতেই যুক্তিকে নিয়ে আসা বোকামি বৈ কিছুই নয়।


একই ভাবে, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস। প্রথমত ৭টা মূল বিষয়ের উপর বিশ্বাস করলেই ইসলামকে বুঝা এবং জানা যাবে। কেউ কেউ সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করার জন্য যুক্তি খোঁজেন। তারপর তাদেরকে যদি সৃষ্টি জগৎ দেখানো হয় তখন তারা বলে, "সব কিছুর যখন সৃষ্টিকর্তা থাকে তাহলে উনাকে কে সৃষ্টি করেছেন?" (নাউযুবিল্লাহ) আসলে মূল কথা হলো তারা কোন কিছুতেই সেটা মানতে নারাজ। তারা অ, আ, ক, খ, A, B, C,, বিন্দু, রেখা সব কিছুই বিনা যুক্তিতে বিশ্বাস করতে পারেন। শুধু আল্লাহ কে বিশ্বাস করতে গেলে দুনিয়ার যতো সব যুক্তি, প্রমাণ হাজির করতে হয়। এগুলো সবই তাদের অযৌক্তিক টাল-বাহানা।
যারা সবকিছুতেই যুক্তি খোজেন তাদের কাছে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, "কোন্‌ যুক্তিতে আপনি 'যুক্তি' বিশ্বাস করেন?" তখন তাদের অবস্থাও সৃষ্টিকর্তার স্রষ্টার মতো হইবে।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712560 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712560 2007-05-26 01:33:26
শুভ জন্মদিন হে নজরুল!!!
হে নজরুল আজ সকল শুভকামনা তোমার জন্য।

---------------------------------------------------

এখানে নজরুলের "বিদ্রোহী" কবিতাটা দিলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712423 http://www.somewhereinblog.net/blog/akasher_shimanablog/28712423 2007-05-25 00:53:51