আমার প্রিয় পোস্ট
- জাতিসংঘে কিভাবে চাকরি পাবেন বা করবেন? মাসে ৫,০০০-১৫,০০০ ডলার বেতন! - ডিসকো বান্দর
- একটু মায়া, একটু ভালোবাসা - আকাশনীল
- কণা এবং তার প্রিয় বন্ধু ডায়েরি - হাসান মাহবুব
- সমর্পন - অগ্নিলা
- ঢাকা শহরে সিএনজিতে সুলভে চলাচলের কিছু পদ্ধতি - সীমান্ত আহমেদ
- আমার বউ আর আমার ফুটবল খেলা
- আকাশনীল
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- নারী এক প্রকার বৃক্ষ - রাজীব নুর
- আজ আকাশনীল ভাইয়ার জন্মদিন
- ক্লান্ত মন
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- ভালবাসা দিবসে অন্যরকম ভালবাসা। - নরাধম
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- আধুনিক স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমের গল্পকথা (পর্ব ২- অ্যাপলের আইফোন ওস এবং গুগলের অ্যানরয়েড) - ধূসর মানচিত্র
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- ৪০টি টিপস(সাথে বোনাস): PHP অপটিমাইজ করুন - 'লেনিন'
- জুমলা টিউটোরিয়াল ৫: জুমলা ইনস্টল - গৌতম রায়
- ব্লগের ESET NOD32 Antivirus ও ESET Smart Security ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে....... - নাফিস ইফতেখার
- ফ্রী সিডি! ফ্রী সিডি!! ফ্রী সিডি!!! কত সিডি দরকার আপনার?
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট - পান্থ বিহোস
- ZCE হবেন? পিএইচপি শিখুন! - 'লেনিন'
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস
- নাফিস ইফতেখার
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- কন বানেগা ক্রোড়পতি - সৌম্য
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- আইডিএম নিয়ে ঝামেলা? আর না আর না - রূপক
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- মারফিসূত্র বা Murfy's Laws - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- আমার লাস্ট লেকচার - শাহরিয়ার নির্জন
- নেট থেকে মোবাইলে ফ্রি sms - সীমানা পেরিয়ে
- ~*~*~IP দিয়ে খুজে বেড় করুন যাকে খুজছেন তার অবস্থান!!~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- বিয়ে করার আগে নিজের কিছু যোগ্যতা যাচাই করে নিন। - আজনবী
- বিশ্বের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ঠিকানা - একরামুল হক শামীম
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- নবীনদের জন্য - নাদান
- কম্পিউটার দুরনিয়ন্ত্রণঃ ........
ধরি মাছ , না ছুঁই পানি!!!- নাক গলানোর সফ্টওয়্যার - চোরকাঁটা
৯৯.৯% কষ্টের জীবন
১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
ধরা যাক, মেয়েটির নাম নিশি। সে নানাবাড়ি থাকত মায়ের সাথে। তার মা স্কুলের শিক্ষিকা আর বাবার দোকান ছিল একটু দূরের শহরে। বাবা মাঝেমধ্যে আসত, মামারাই তার সব। মফস্বল এলাকা হলেও কিভাবে কিভাবে যেন নিশিকে নাঁচের নেশায় পেল। মামাদের আগ্রহ আর নিজের চেষ্টা সব মিলে সে ভাল নাঁচতে শিখল। স্কুলের মেডেল তো পেতই, এলাকায় কালচারাল ফাংশন হলেও ডাক আসে। নিশির বয়স যখন বার তখন তার জীবনে দুটি আনন্দের ঘটনা ঘটে। এক, সে পঞ্চম শ্রেনীর বৃত্তি পরীক্ষায় পুরো জেলার ভিতর ট্যালেন্টপুলে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। দুই, তার একমাত্র ভাই নাঈমের জন্ম হয়। দিনগুলো খুব সুন্দর কাটছিল।
মেয়েদের মনে হয় ছোট্ট বেলাটা খুব সুখের কাটে। যত বড় হয় চারপাশটা তাদের জন্য তত কঠিন হতে থাকে। নিশি যেন একটু বেশী তাড়াতাড়ি বড় হয়ে গেল। শরীরটা খুব বাড়ন্ত ছিল। পড়ে ক্লাশ সিক্সে কিন্তু দেখলে মনে হয় এইট বা নাইনের ছাত্রী। ছোট্ট মফস্বল শহর, তার উপর এত এত গুন মেয়ের!! সবাই প্রায় একনামে চিনত। তাতে বোধহয় কোন সমস্যাও ছিল না। কিন্তু আল্লাহ যাকে দেয় তাকে মনে হয় সব কিছু উজাড় করে দেয়। নিশি দেখতে মারাত্মক রকমের সুন্দরী। আর সব সমস্যাটা সেখানেই। এত সুন্দর একটা মেয়ে নাচানাচি করবে আর এলাকার সুপুত্রদের সুনজরে পরবেনা তা কিভাবে হয়?
সুতরাং যা হবার তাই হল। নিশির নাচের উপর খড়গ নেমে আসল। মা-বাবা কড়াভাবে নিষেধ জারি করলেন। কিন্তু নাচ ততদিনে নেশায় চেপে বসেছে, মামারাও সাথে ছিল। ফলে লুকিয়ে লুকিয়ে নাচ একটু আধটু চলতে থাকল। পড়াশুনা অল্পতেই ভাল হয়, মেয়ের মেধা আছে। একটা কিছু নিয়ে তো তার থাকতে হবে। নিশির এক মামা বিতর্ক করতেন, তার হাত ধরেই নিশি বিতর্ক প্রতিযোগীতায় নাম লেখাল। ধীরে ধীরে সেখানেও সে ভাল করল।
ক্লাস সেভেন এর বার্ষিক পরীক্ষার পর বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে অনেকদিন পর নাচল নিশি। এলাকার নামকরা গুন্ডা রিকি এরপর থেকেই ওর পিছনে লাগে। ঐ বয়স টা বোধহয় সব মেয়েদের জন্যই ডেঞ্জেরাস। একটা ফাড়াঁ আসবেই। নিশি নিজেও হাল্কা প্রশ্রয় দিয়েছিল কিনা কে জানে? পরের বছরটা নিশির পরিবারের জন্য রীতিমত আতঙ্কের ছিল। যখন তখন তুলে নেয়ার হুমকি, বিয়ের প্রস্তাব। নিশির মা দুচোখে অন্ধকার দেখেন। কত স্বপ্ন তার এই মেয়েকে নিয়ে। মেয়ে ঢাকা ভার্সিটিতে ইংলিশে অনার্স পড়বে, আরো কত কি! লোকের কথায় কান দিয়ে মা মেয়েকে খুব মারেন আর ঘরে আটকে রাখেন। অথচ নিশির দোষ টা ছিল কি? অতিমাত্রায় সুন্দরী এটাই তো তার দোষ। কিন্তু নিশি ছিল খুব জেদী। বিনাদোষে আটকে রাখা সে মেনে নিল না, বাসা থেকে বের হল আর জীবনের সবথেকে বড় ভুল টা করল সেখানেই।
তিন দিন পর নিশিকে পাওয়া গেল সেন্সলেস অবস্থায়। সেদিন ই তারা ঢাকা চলে আসে। নিশির এক খালার বাসাতে ওঠে তারা। পরদিন খবর আসে নিশির বাবার দোকান সহ মার্কেট এর চার-পাঁচ টা দোকান কারা যেন পুড়িয়ে দিয়েছে। বাড়ি ফিরে যাবার পথ তাদের চিরদিনের মত বন্ধ হয়ে যায়। তারপরেও মেয়েকে যে ফিরে পেয়েছে এতেই তারা খুশী। সবকিছু আবার শূন্য থেকে শুরু হয়। নিশি অগ্রনী গার্লস স্কুলে ক্লাস নাইনে ভর্তি হয়। মা আবার স্বপ্ন দেখে মেয়েকে নিয়ে, মেয়ে বিসিএস দেবে, কত বড় চাকরী করবে! কিন্তু কপালে তো থাকতে হবে।
তখন দিলওয়ালে দুলহানিয়া, কুচ কুচ হোতা হায় এর যুগ। একদিন বাড়িওয়ালী এসে নিশির মাকে বলে, আপনার মেয়েটা তো খুব সুন্দর – দেখতে একদম কাজলের মত। ওকে আমার ছেলের জন্য নিব। আত্মীয়-স্বজনরা বলে, এই মেয়ে যেখানে যাবে সেখানেই মানুষের চোখ পরবে। একে বিয়ে দিয়ে দেয়াই ভাল। তাছাড়া ছেলের ফ্যামিলি ভাল। ঢাকা শহরে ছয়তলা বাড়ি আছে, ছেলে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করে। অতি উত্তম প্রস্তাব! মায়ের কিন্তু প্রবল অনীহা। সে নিজে সেই যুগের বিএড করা টীচার, মেয়েকে নিয়ে তার আরো কতশত স্বপ্ন। তবু সবাই ধরে বেধে নিশিকে পর করে দিল।
পড়ালেখা না হয় নাইবা হল। বিয়ের পর এই কিশোরী মেয়েটা কিছুটা সুখ তো পেতে পারত। কিন্তু কপালে যে সুখ লেখা নেই। বাঘের খাঁচা থেকে সিংহের খাঁচায় এসে পরে নিশি। বিয়ের রাতেই বুঝতে পারে তার স্বামী সোহেল নেশাগ্রস্ত। আর ধীরে ধীরে এটাও জানতে পারে তাকে আনা হয়েছে সোহেলের নেশা ছাড়াতে! অনিন্দ্য সুন্দর বউ যদি ছেলেকে ফেন্সিডিলের বোতল ছাড়াতে পারে এই আশায়! এটা যে কতবড় ভুল আর ধ্বংসাত্মক সিদ্ধান্ত তা শুধু ঐ অসহায় বউটি হারে হারে বুঝতে পারে, আর কেউ না। বুকের কষ্ট বুকে চেপে মরে, মা-বাবা কাউকে কিছু জানায় না নিশি। হয়ত অভিমান, হয়ত জেদ। আর কত ভোগাবে তাদের? তার জন্য বাড়িছাড়া হয়েছে, নিঃস্ব হয়েছে। এখন মেয়ে বিয়ে দিয়ে একটু ভারমুক্ত হয়েছে বেচারীরা। আবার তাদের ঘাড়ে চেপে বসা কেন? নিশি ভাবে তার জীবন তো গেছেই, এখন ছোট ভাইটার জীবন অনিশ্চয়তায় ঠেলে দেয়া যাবে না।
নিশি চেষ্টা করে, প্রানপন চেষ্টা করে সোহেল কে নেশা থেকে মুক্ত করতে। শুভাকাঙ্খীদের সুপরামর্শে নিশি এই অল্প বয়সে মা হয়, পৃথিবীর আলো দেখাতে নিয়ে আসে আরেকটি অভাগী মেয়ে শিশুকে। এটা আরকটা মারাত্মক ভুল। নেশাখোর মানুষের কাছে স্ত্রী মা হল কি মারা গেল তাতে কিছুই আসে যায় না। জাগতিক কোন মায়া-মমতা-সৌন্দর্য তাদের স্পর্শ করে না, তারা বাস করে একটা ঘোরের মধ্যে – সেখানে আছে শুধু পাশকিবকতা আর নির্মমতা। দিন যায় আর রাত আসে। নিশির উপর নির্যাতন আর অত্যাচার বাড়তেই থাকে। কাহাঁতক আর সহ্য করা যায়। একসময় নিশির মামা-খালারা জানতে পারে, মাকে জানানো হয় আরো অনেক পরে। কিন্তু তাদের আর কিবা করার আছে? একটু স্বান্তনা, মাথায় হাত রাখা, চোখের জলে ভাসানো – ব্যস এইটুকুনই।
সাতটা বছর কেটে গেছে। নিশি বুঝতে পারে এই নরক থেকে মুক্তি পেতে হলে নিজেকেই কিছু একটা করতে হবে। নিশির মেয়ে একটু একটু করে বড় হয়। আর নিশি লুকিয়ে লুকিয়ে এসএসসি শেষ করে, একটা ইণ্টেরিয়র ডিজাইনের কোর্সে ভর্তি হয়। একসময় বাবা-মার কাছে চলে আসে। ডিভোর্সের প্রস্তুতি চলে। কিন্তু শ্বশুর বাড়ীর লোকজন তাদের বউমাকে ফিরিয়ে নিতে চায়। কিছুতেই ডিভোর্স হতে দেবে না। নিশির বাবার বয়স হয়েছে। মেয়েকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে করতে এক ভোরবেলায় বাসের চাকায় পিস্ট হয়ে সব দায়-দায়িত্ব মুক্ত হন। নিশির ভাই নাঈম মাত্র ক্লাস সিক্সে পড়ে। সামনে একটা উত্তাল সমুদ্র। এই সমুদ্র নিশিকে পাড়ি দিতে হবে সম্পূর্ন একা একা।
বাস্তব মনে হয় সিনেমার থেকেও নির্মম। সিনেমা হলে নিশির সাথে হয়ত কোন নায়কের দেখা হত, তারপর একটা সুন্দর সমাপ্তি থাকত। কিন্তু বাস্তব বলেই নিশির সাথে যাদের দেখা হয়েছে তারা সবাই খলনায়ক, আর এই কাহিনীর কোন সমাপ্তিও নেই।
প্রকাশ করা হয়েছে: নজরুল গীতি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
এই রকম একটা কাহিনী শুনছিলাম আর একজনের কাছ থেকে। বার বার মনে হয়, একই ঘটনাই ঘটে!! সহমর্মিতা জানাই।
লেখক বলেছেন: এই ঘটনাটা কিন্তু ১০০% বাস্তব। আমারো মনে হয় যারা দুঃখ পায় তারা শুধু পেতেই থাকে।
লেখক বলেছেন: আসলেই কষ্টের কোন দাম নেই। কারন আমরাই মানুষকে কষ্ট দেই।
নকীবুল বারী বলেছেন:
কষ্টকর লেখা লিখো কেন?????
লেখক বলেছেন: কষ্টকর লেখা আমি আসলে লিখতে পারি না। এই মেয়েটির জীবনের একফোটা কষ্ট তুলে আনতে পারসি কিনা সন্দেহ
তারপরেও হঠাৎ করে মনে পড়ে যাওয়ায় লিখে ফেলা।
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
জেনন বলেছেন:
সমাজ কবে যে পাল্টাবে ! কবে নিশিরা মুক্তি পাবে ! আশা করি সেই দিনটি আসবে। কিন্তু কবে আসবে? সেই দিনটি আসুক এই কামনায়।
লেখক বলেছেন: "সেই দিনটি আসুক এই কামনায়।"
লিপিকার বলেছেন:
হুমম......
লেখক বলেছেন: হুমম...![]()
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
প্রিয় পোস্টের তালিকায় রাখলাম।
লেখক বলেছেন: শামীম ভাই আমার লেখা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। বুঝতেসিলাম না লেখাটায় মেয়েটির কষ্ট উঠে আসছে কিনা ঠিকমত। এখন কিছুটা সফল মনে হচ্ছে।
নকীবুল বারী বলেছেন:
আচ্ছা, বুয়েটিয়ানদের জন্য নিজস্ব ব্লগসাইট বানানো কি সম্ভব। খুব কি কঠিন কাজ??? আমার ওয়েব ল্যাঙগুয়েজ, হোস্টিং ইত্যাদি নিয়া ধারনা নাই ।কি মনে হয়................?সমস্যা কুনখানে??? আমাগো এত টোকনোলজিস্ট আছে, কিন্তু আমাগো কুনো ব্লগসাইট নাই। অপমানকর ব্যাপার না???
লেখক বলেছেন: সম্ভব। খুব কঠিন কিছু মনে হয় না। কিন্তু অনেক সময় দিতে হবে এটার পিছনে, কিছু ফান্ডিং লাগবে। আমরা যারা সি এস ইর আছি, আমাদের ডিপার্ট্মেন্টাল প্রেশার খুব বেশী। সেশনাল অ্যাসাইন্মেন্ট, টার্ম প্রজেক্ট ইত্যকার ঝামেলায় বুয়েট খোলা থাকলে চোখে আন্ধার দেখি। আর বন্ধের সময় একটু রিফ্রেশমেন্টের জন্য ব্যস্ত থাকি। সেই সাথে টিউশনি আর জব ও অনেকে করতেসে। আসলে সময়েরই অভাব।
০৫ এর ব্লগার রেজোয়ান শুভ একটা অ্যাটেম্পট নিছে। কিন্তু আমরা কেউ ওরে হেল্পাইতে পারি নাই।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
ঃ(
লেখক বলেছেন: ![]()
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
দুঃখজনক
লেখক বলেছেন: পিলাস দিতে ভুলো নাই তো মিয়া
নাহিদ বলেছেন:
+++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
যদি কিছু মনে না করেন লেখা বিষয়ে কিছু কথা বলি। লেখাটার বিষয়বস্তু অনেক চমৎকার। এই সমাজেরই মানুষের কথার প্রতিনিধিত্ব করছে কাহিনী। বর্ণনার কারুকাজ আরো দেখাতে পারতেন। এক বাক্যের পর অন্য আরেকটার মেলবন্ধন মাঝেমধ্যে থমকে গেছে।"ধরা যাক, মেয়েটির নাম নিশি। সে নানাবাড়ি থাকত মায়ের সাথে। তার মা স্কুলের শিক্ষিকা আর বাবার দোকান ছিল একটু দূরের শহরে। বাবা মাঝেমধ্যে আসত, মামারাই তার সব।"
এইখানে ধরা যাক কথাটা না বলে সরাসরি বলা যেতো-
মেয়েটির নাম নিশি। সে নানাবাড়ি থাকত মায়ের সাথে। মা স্কুলের শিক্ষিকা ...........
"সাতটা বছর কেটে গেছে। নিশি বুঝতে পারে এই নরক থেকে মুক্তি পেতে হলে নিজেকেই কিছু একটা করতে হবে।"
এইখানে মনে হয় এইভাবে বলা যেতো-
সাতটা বছর কেটে যায়। নিশি বুঝতে পারে এই নরক থেকে মুক্তি পেতে হলে নিজেকেই কিছু একটা করতে হবে।
(এতোকিছু বললাম, কিছু মনে করবেন না আবার। লেখাটা ভালো লেগেছে বলেই এতো বলা।)
লেখক বলেছেন: ভাইয়া কিছু মনে করার তো প্রশ্নই আসে না। আপনার এই কমেন্ট টা আমার এ লেখার আসল প্রাপ্তি। সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। এরপর থেকে আমার লেখায় আপনার কমেন্ট প্রত্যাশা করব সবসময়। ভাল-মন্দ যা হয় বলে যাবেন। এমনিতে আমি সিরিয়াস ব্লগার না। মজার কিছু সময় কাটাতে ব্লগিং করা।
এন এইচ আর বলেছেন:
জীবনফাকা জায়গাটাতে অনেক গুলো কথা বলেছি, ্যা কেউ দেখবেনা। সব গুলো কথাই নিজে নিজেকে বললাম লিখলাম না কিছুই।
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না কিছুই।
ব্যার্থতার কাব্য বলেছেন:
সবসময় মনে হয় এরকমই হয়। যদিও নিশি যে কষ্টটা পেয়েছে তার সাথে কনা পরিমাণও তুলনীয় না আমার কষ্টটা, তবু নাচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথাটা পড়ে মনে পড়ে গেল, এক সময় এরকম একটা ঘটনা আমার সাথেও ঘটেছিল।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কষ্টকর কিছু নিয়ে লেখা হলে আমি ও কমেন্ট খুজে পাই না। বহুত ভাবাভাবি লাগে।
তুমি নতুন লেখা দেও না ক্যান মিয়া??
কঁাকন বলেছেন:
মন খারাপ করা লেখা
লেখক বলেছেন: জ্বী, পড়ার জন্য ধন্যবাদ।![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
মিঞাভাই, @শামীম আমাদের ব্যাচমেট( ল, ঢাবি), ওরে সিনিয়র ভেবে ভুল কইরেননা....লেখা প্রসঙ্গে বলি, এটাকে মনে হয় নারীমঞ্চের কোন ফিচার হিসেবে ধরা যায়, সেক্ষেত্রে এর টাইটেলটা একটু সিরিয়াসধর্মী কিছু হওয়া উচিৎ ছিল। টাইটেল দেখে একটু রম্য রম্য ভেবে ভুল হয়। এরপর শুরুতেই "ধরা যাক" ব্যবহার প্রসঙ্গে, এটা ঠিকই আছে। কারণ এই নিশি নামটা ব্যবহার করা হয়েছে অসংখ্য নির্যাতিত মেয়ের প্রতিনিধি হিসেবে, সেক্ষেত্রে "মেয়েটির নাম নিশি" লিখলে ফোকাসটা একটি চরিত্রে স্থির হয়ে যেত, "ধরা যাক' বলা মানে "মিলি, তৃষ্ণা, শর্মিলি, সুদীপ্তা...এরকম অনেক নাম হতে পারত.....কাজেই এটা এই লেখাটার ক্রেডিট.....
"সাতবছর কেটে গেছে' টার ব্যবহারটা মনে হয় ঠিক হয়নাই, "এভাবেই সাতবছর কেটে যায়" এটাই বেশি এপ্রোপ্রিয়েট লাগে......মাঝে মাঝে একটু ফ্লো বাধাগ্রস্থ হয়েছে লেখার, তবে সেটা ভিজুয়ালাইজেশনে বাধা হয়নি.......
লেখক বলেছেন: ও তাই নাকি? আজকাল অনলাইন লিস্টে তার নামটা একদম উপ্রের দিকে থাকে দেখে ভাবসিলাম বয়স্ক কেউ হবেন। অনেক পুরনো ব্লগার। লেখালেখির দিক থেকে কিন্তু তোমরা আমার সিনিয়র এবং বেশ সিরিয়াস। সুতরাং সমস্যা নাই।
তুমি কি ব্যাস্ত ছিলা নাকি? দুইবার দেখলাম এসে ঘুরে গেলা কমেন্ট না দিয়ে। একটু চিন্তায় পরে গেসিলাম। তোমার কমেন্ট সাধারনত এত দেরীতে পাই না।
নারীমঞ্ছের ফিচার। হা হা প গে। সবকিছুতে প্রথম আলুকে টেনে আনার দরকার কি? আর আমার স্টাইল রম্য টাইপের। অন্যরকম কিছু লিএখার ইচ্ছে হল, তাই লিখলাম।
বিস্তারিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। দেখি নুশেরাপু কিংবা অন্য নারী ব্লগাররা কি বলে। তাদেরটাই আসল বলে ধরা হবে।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
যেহেতু বুয়েটে পড়ছ তাই তুমি করে বললাম।বিষয়টা ভালো এবং ভাববার মত। কাজ হিসাবে ভালো হয়েছে কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে আরো প্রাণবন্ত হৃদয়স্পর্শী করার সুযোগ ছিলো। মেয়ের কষ্ট টা ফুটাতে ১০০% সত্য লিখতে হবে এমন কোন কথা নেই। কাল্পনিক ঘটনা যেমনটি ঘটে কিন্তু সত্যতা থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে এমন ঘটনার অবতারণা করা যেত। এটা বেশি মাত্রায় ফয়াক্ট ধর্মী হয়েছে। ফ্যাক্ট আর ফিকশনের সমন্বয়ে আরো কাছে নিয়ে আশা যেত মেয়েটিকে।
অনেক কথা বলে ফেললাম। মাইন্ড খাইলে সরি।
লেখক বলেছেন: সীমান্ত ভাই লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। বড় ভাই-বেরাদাররা "তুমি" করে বললেই ভাল লাগে।
মাইন্ড খাই নাই বরং কাটাছিড়া করা কমেন্ট আরো বেশী করে চাই।
কল্পনা আর বাস্তব একসাথে মিক্স করতে পারলে তো লেখক হয়ে যেতাম। ![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
মিঞাভাই, আমি লেখা ভালমত না পড়ে মন্তব্য করিনা....আপনি তো রম্য লেখেন বেশি, তাই সিরিয়াস লেখাটা কয়েকবার পড়ে তারপর মন্তব্য করলাম....এই লেখার শিরোনামটা একদমই লেখাটাকে রিপ্রেজন্ট করতে পারছেনা, লেখার রিসপেক্ট এ খুবই লঘু মনে হইতেছে.....একটা সিরিয়াস টাইপ শিরোনাম দেন ভাই।।।প্রথম আলোরে না টাইনা উপায় নাই , "যা কিছু ভাল, তার সং্গে...." এই লেখাটাও ভাল হইছে তাই জুইড়া দিলাম আরকি!!
"দেখি নুশেরাপু কিংবা অন্য নারী ব্লগাররা কি বলে। তাদেরটাই আসল বলে ধরা হবে"....এভাবে নারী-পুরুষ বৈষম্যমূলক দৃষ্টভঙ্গির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই ব্লগারের ব্লগ বাতিলের জোররররররররর দাবি জানাচ্ছি!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: হিমু লেখা না পড়ে কমেন্ট করেনা - সেটা ভালমত জানি। আমার লেখা একের অধিকবার পড়ে সময় নষ্ট না করার পরামর্শ দেয়া হল। ![]()
সচলে এই লেখা দিয়েছি কয়েকদিন আগে "নিশির দুঃখগাথা" নামে। শিরোনামে দুঃখ দেখে তেমন কেউ ভিতরে ঢুকে পড়ে দেখে নাই। ব্লগে সবাই আসে রিফ্রেশ হতে, কষ্ট পেতে না।
এখন শিরোনাম আর পাল্টাতে ইচ্ছে করতেসে না। সামনে সিরিয়াস কিছু লিখলে আরো ভেবে শিরোনাম দিব।
"এভাবে নারী-পুরুষ বৈষম্যমূলক দৃষ্টভঙ্গির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই ব্লগারের ব্লগ বাতিলের জোররররররররর দাবি জানাচ্ছি!!!!!!!!!!!!!!" -- আতঙ্কে আমার হাত পা ......
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তনুজা'পু।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আমি যেটা লিখতে চেয়েছিলাম সেটা আগেই কাঁকন বলে দিয়েছে।ভাল লিখেছো।আরো লিখো।শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: সহমত
অক্ষর বলেছেন:
আমি যা মন্তব্য কর্তে চাইছিলাম, তা উপরের সবাই কৈরা গ্যাছে। তাই কর্লাম না
লেখক বলেছেন: ওক্কে।।
লেখক বলেছেন: ![]()
![]()
![]()
অক্ষর বলেছেন:
লেখা ফালতু হৈছে শুইনা এইরকম ভেটকি মার্লেন যে?
লেখক বলেছেন: সত্য কথা কেউ বললে খুশী লাগে রে ভাই ![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: জ্বী ধন্যবাদ (সবাইরে দেই তাই দিলাম)।
এরপর থেকে আমার পোস্টে আপনার কমেন্ট যেন এত দেরীতে না পাই (ঘুমের সমস্যা হয়)।
দুই লাইনের কমেন্ট
। হাবিজাবি যা মনে হয় একপৃষ্ঠা কমেন্ট দিলে ভাল্লাগে (হিমুর কমেন্টের সাইজ আদর্শ)।
লংকার রাজা বলেছেন:
@হিমালয়তোমার কমেন্ট পড়ে আমার বাঙলা স্যারের কথা মনে পড়ে গেল,তবে তিনিও এত ভুল ধরতেন না।লোকজন ভয় পেতে পারে,তাই এভাবে পয়েন্ট ধরে আলোচনা না করে একবারে গ্রেডিং করে ফেল।
লেখক বলেছেন: আতঙ্কে আমার হাত পা ......
বাংলার স্যারেরা হিমুর চাইতে বহুত ভাল, যেমন- মুখতার ![]()
হিমু গ্রেডিং করলে খেয়াল রাখবা বুয়েটে বাংলা কোর্স নাই, তাই ইন্টার স্টান্ডার্ড গ্রেডিং করতে হবে।
তামিম ইরফান বলেছেন:
হুম........
লেখক বলেছেন: খালি হুমাইলে ভাল্লাগেনা ![]()
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
=============================================
সুখপাঠ্য এবং মরালধর্মী
---------
@হিমালয়:
"দেখি নুশেরাপু কিংবা অন্য নারী ব্লগাররা কি বলে। তাদেরটাই আসল বলে ধরা হবে"....এভাবে নারী-পুরুষ বৈষম্যমূলক দৃষ্টভঙ্গির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং এই ব্লগারের ব্লগ বাতিলের জোররররররররর দাবি জানাচ্ছি!!!!!!!!!!!!!!
--------
হিমালয়,আজকের চায়ের সাথে কিছু মেশানো ছিলো নাকি?এই ধরো চিনির বদলে অন্য কিছু
লেখক বলেছেন: সুদীপ, লেডী স্টারশিপ তোমারে ব্লক করায় খুব ব্যাথিত হইছি। নির্দোষ কিছু বিনোদন থেকে আমরা সবাই বঞ্চিত হলাম। অবশ্য এতে তুমি অন্যদের ব্লগে যাবার টাইম পাইতেস। আশা করি অচিরেই লেডী তোমারে ফিরায়া নিবে।![]()
লেখক বলেছেন: দ্যটস লাইক আ গুড বয়। আমি ও তোমার মতন। আমাদের দুইজনের বাড়ীই কিন্তু দক্ষিন দিকে।
নুশেরা বলেছেন:
কী আশ্চর্য, প্রায় একইরকম একটা চরিত্রের সঙ্গে এই প্রবাসে আমার পরিচয় হয়েছে। দুই সন্তান নিয়ে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে চাকরি করতে গিয়ে এক নায়কেরই দেখা পান তিনি; খলনায়কের নয়। আমাদের সমাজের জন্য অসম একটা বিয়ে। তাই দেশ ছাড়তে হয় তাদের। হয়তো এখন তারা সুখে আছেন। দু'হাতে সিগারেটের ছ্যাকার অসংখ্য দাগ তাঁকে অতীত ভুলতে দেয়না।০২. একটা সম্পূর্ণ উপন্যাসের উপাদানকে ছোটগল্প বা ব্লগে আঁটাতে চাইলে যেসব কম্প্রোমাইজ করতে হয়, সেসবের উপস্থিতি এখানে আছে। একনাগাড়ে ধারাবর্ণনার ভঙ্গি; তার মধ্যেই হঠাৎ "সবকিছু আবার শূণ্য থেকে শুরু করতে হয়", "সাতটা বছর কেটে গেছে"র মতো জিপ্ড জাম্প (এইটা কী বললাম?) ইত্যাদি।
০৩. শেষের ইটালিক অংশটুকু লেখাটিকে ফিকশন বা ফিচার কোন পর্যায়েই পড়তে দেয়না। একই কথাটুকু নিশির ভাবনাতেও দেখানো যেত হয়তো।
০৪. আকাশনীলের লেখা বরাবরই মসৃণ, সুখপাঠ্য। এখানেও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। সুলেখকের কাছ থেকেই পরিচিত পাঠকের প্রত্যাশা বেশী থাকে।
০৫. আমি কিন্তু কইলাম উপরের কুনো মন্তব্য পড়িনাই
লেখক বলেছেন: ১। "দু'হাতে সিগারেটের ছ্যাকার অসংখ্য দাগ তাঁকে অতীত ভুলতে দেয়না।"
আপু যখন এইগুলা শুনি তখন শুধু মনে হয় - আমরা কি মানুষ??
২। জিপ্ড জাম্প ![]()
![]()
৩। ইটালিক অংশটুকু আসলে এই লেখা সম্পর্কে আমার নিজের ভাবনা।
৪। ভুলে ও আমার কাছে প্রত্যাশা কইরেন না। কারন হাবিজাবি লেখা লিখতে আমার বেশী ভাল্লাগে
৫। ভাল করসেন। পাঠকের কাজ লেখা পড়া, মন্তব্য পড়া নয় ![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
@লংকার রাজা ভাই, এইখানে বাংলা স্যার পাইলেন কই?আপনেগো জন্যে দেখি, লেখা পইড়া মতামতও দেয়া যাইবোনা!!!!গ্রেডিংয়ের কথা বইলেননা, বুয়েটের কথা মনে পইড়া যায়!!!!@সুদীপ ভাই, আজকে চিনি-ছাড়া চা খাইলাম, খাইতে মন্দ না।।।
লেখক বলেছেন: হিমু তোমার রম্য ও পাব্লিক সিরিয়াসলি নেয়। বি কেয়ারফুল
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
"অনিন্দ্য সুন্দর বউ যদি ছেলেকে ফেন্সিডিলের বোতল ছাড়াতে পারে এই আশায়!"উফফফফফফ... ... ... কি আর বলবো !!!!
লেখক বলেছেন: কিছুই বলার নেই।
ধন্যবাদ লেখা পড়ার জন্য।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
লাস্ট পোস্টে জব্বর ফ্লপ খাইলাম , এমন ফ্লপ যে আর ৩ মাসে নতুন পোস্ট দেওনের চিন্তা ও করমু না লেখক বলেছেন: মিয়া তুমি তো হুমায়ুন হয়ে যাবা
১০০০ হিট হইলেও কও ফ্লপ!! মাইর দেওন দরকার।
কিশোরবালক বলেছেন:
"অনিন্দ্য সুন্দর বউ যদি ছেলেকে ফেন্সিডিলের বোতল ছাড়াতে পারে এই আশায়!বাহ্ বাহ্, এরকম মাথা মোটা কাউকে দেখলে মনে হয় দেখি একটু, মাথার ভিতর কি আছে.............
ভাল গল্প, খুবই ভাল লাগল, প্রিয়তে নিলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
স্বাগতম আমার ব্লগে
কিশোরবালক বলেছেন:
আরেকটা কথা না বলে পারলাম না। মানুষ যখন এই বিয়ের ব্যাপার নিয়ে কিছু করতে যায়, তখন শুধুমাত্র ফ্যামিলি দেখেই পাত্র বা পাত্রীকে বিচার করে ফেলে, যেন সারাটা জীবন তাকে শুধুমাত্র ফ্যামিলির সাথেই কাটাতে হবে। পাত্র বা পাত্রী মানুষ হিসেবে কেমন, এই চিন্তাটা তারা মাথায়ই আনতে চায় না। ফ্যামিলি ভাল, তার মানে তারাও মানুষ হিসেবে ভাল। আজকাল কত ভাল ভাল ফ্যামিলির ছেলে মেয়েরা বখে যাচ্ছে তা কে জানে........পোস্টটি আসলেই মনকে বিষন্ন করে দেয়, নিজের আরেকবার মানুষ হিসেবে যাচাই করতে মনে করিয়ে দেয়........
লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো ভাবার মত। ফ্যামিলির আগে পাত্র/পাত্রীকে যাচাই করে নিতে হবে। শুধু বড়লোক ফ্যামিলি কিংবা বাইরের সিটিজেন দেখে বিয়ে দিলে পস্তাতে হবে।
আমাদের সবার উচিত নিজেকে যাচাই করা।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
নতুন গল্প দিয়েছি গতকাল...
লেখক বলেছেন: আসছি. ![]()
লেখক বলেছেন: পড়ে আসলাম![]()
জিনাত বলেছেন:
বাস্তব মনে হয় সিনেমার থেকেও নির্মম।হুম
লেখক বলেছেন: হুমম। ভাল থাকবেন।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
আজকে সন্ধ্যায় লিখতে বসলাম নতুন একটা গল্প, হঠাৎ করে পাপড়ি সিরিজের গল্পের একটা আইডিয়া চলে আসলো, অথচ এখন লিখতে গিয়ে কতক্ষণ পর পর শুধু ব্লগে চলে আসতেছি...যেজন্য একনাগাড়ে লেখও হইতেছেনা.......মিঞাভাই আরেকটা পিসি কিনলে কেমন হয়, যেইটায় নেটের লাইন থাকবোনা???
লেখক বলেছেন: ভাইরে ছাত্র জীবন বড়ই সুখের, যা ইচ্ছা তাই করতে পারবা। ছয় মাসের মধ্যে আমার ছাত্রত্ব শেষ হোয়ে যাবে। সামনে অকূল পাথার। মাথা ঠিক নাই ভাই। কি যে করবো আল্লায় জানে
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
কী আর করবেন, প্রথমে জব, এরপর সব!!!!!আর যদি বিদেশ যান, তাইলে কয়দিন বেকার, এরপর আইলটিএস-টোফেল-জিআরই.....
এর বাইরে আর কী করতে চান মিঞাভাই???
মাথা আউলা লাগলে চা খান....এইটা কাজে দেয়...
লেখক বলেছেন: এত সরলীকরন বোধ হয় ঠিক না। দিন আসবে তোমারো, তখন ফেইস করবা। চারদিকে জবের ভয়াবহ মন্দা দেশে হোক কিংবা বাইরে।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
মনছুয়ে গেল ধরণের গৎবাধা কথা বলব ভেবেও বাদ দিলাম। ...ফিকশন পড়ে আমরা মজা পাই। কিন্তু বাস্তব সবসময়েই আমাকে বাকহারা করে।
...সেই বাস্তবকে লাইনের পর লাইনে তুলে ধরায়... অবশ্যই একটা অনেক বড় ধন্যবাদ লেখকের জন্য।
লেখার বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চেয়েও বলতে পারছি না।
লেখা পড়ার পড়ে বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে ছিলাম। ...আসলেই আমরা অনেক বেশি ভাল আছি এসবের তুলনায়। ...তাই এমন কঠিন বাস্তব ...সব সময়েই কল্পনারও বাইরে।
লেখক বলেছেন: আমার এ লেখাটায় আপনার কমেন্ট আশা করেছিলাম। পড়েছেন বলে ধন্যবাদ। ![]()
আপনার জীবন ধর্মী মর্মস্পর্শী কয়েকটি লেখা পড়েছি। অসাধারন লেখেন ভাই আপনি। ভাল থাকবেন।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
না, ঠিক সরলীকরণ না.....আপনারে একটু সাহস দিতে চাইছিলাম আরকি......টেনশন খুব খারাপ জিনিস.....মাইন্ড করলে স্যরি...
লেখক বলেছেন: ওকে ব্যাপার না।
আবু সালেহ বলেছেন:
কিন্তু নিশি ছিল খুব জেদী। বিনাদোষে আটকে রাখা সে মেনে নিল না, বাসা থেকে বের হল আর জীবনের সবথেকে বড় ভুল টা করল সেখানেই।
জীবনে একটা ভুলই যথেষ্ট....এটাই মেয়েরা বুঝতে চায় না...
লেখক বলেছেন: মানুষ মাত্রই ভুল ![]()
তবে কিছু কিছু ভুল সারা জীবনে আর রিকভারি করা যায় না ।।
ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
৭১ গল্পটার এন্ডিংটা চেঞ্জ করছি....মানে যে কথাটা ইনডাইরেক্টলি লিখতে চাইছিলাম, সেটা এবার ডাইরেক্ট প্রয়োগ করছি....এইবার গল্পটা দেইখা আসেন...
লেখক বলেছেন: ওকে দেখে আসবো ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
মিঞাভাই, নতুন পোস্ট কই???ম্যালাদিন তো ৯৯.৯% বইসা আছে.....এইবার বাকি ০.১% নিয়া কিছু লেখেন....
লেখক বলেছেন: হিমু লেখোকের কি অভাব পড়ছে যে আমারে লিখতে হইব?? ইট্টু ঘুমাইতে দেও মিয়া। আর তো দুই দিন আছে মাত্র।
কালপুরুষ বলেছেন:
লেখাটা খুব ভাল লাগলো। খুব টাচি। কষ্ট হয় নিশিদের জন্য কিন্তু কিছু করার থাকেনা- পৃথিবীর অল্পবিস্তর খারাপ মানুষের হাতে অসংখ্য ভাল মানুষ কেমন করে যেন জিম্মি হয়ে পড়ে। এদের সমূলে আঘাত করতে হলে সাধারণ ও ভাল মানুষগুলোকে জোট বাঁধতে হবে। দলবদ্ধভাবে এদের প্রতিহত করতে হবে- আমাদের নিজেদের প্রয়োজনেই তা করতে হবে। তবে সেটা কবে হবে সেটাই অনিশ্চিত। আশাবাদী হতে ভাল লাগে।
লেখক বলেছেন: কালুদা আমার ব্লগে আপনাকে পেয়ে ভাল্লাগ্লো। সময় করে লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
ভাল্লাগলনা...বাস্তব আমার ভাল লাগেনা, এইজন্যে আজাইরা সিনেমা আর গল্পের বইয়ে ডুবে থাকি...তবে ভাইরে, কোনও মেয়ের জীবনই বেড অফ রোজেস না, তা সে সুন্দর হোক আর বান্দর হোক! নাচ শিখলেতো আরই না...
লেখক বলেছেন: বাস্তব আমারো ভাল লাগেনা, তারপড়েও বাস্তবটাই আসল। ![]()
ছেলে-মেয়ে কারো জীবন বেড অফ রোজেস না।।
বালিকা নাচ পারো নাকি?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















