আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০টি ব্লগ, আর ব্লগ দিবসের ছবি (বিজয়ী কয়েকজন ব্লগারদের ছবি সহ আপডেটিত) - অন্যমনস্ক শরৎ
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- একজন ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু কেন আজো প্রাসঙ্গিক - তায়েফ আহমাদ
- গল্পঃ নৈঃশব্দ্যের ভাঁজে ভাঁজে - ভাঙ্গন
- ইন্টারেষ্টিং কিছু ওয়েবসাইট..... শেয়ার করতেই হলো - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- অটিজম, নুশেরার পোস্ট, ফারহানের কমেন্ট ও আমার কিছু অর্থহীন রোবোটিক প্রলাপ - রোবোট
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর কিছু উপায় - পথে-প্রান্তরে
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- আমি এভাবেই বাংলাদেশকে আপন করেছি আত্মায় মিলিয়ে.......... - সজল শর্মা
- আহ্ নারী ! ওহ্ নারী ! উফ্ নারী ! ... ... ... হায় নারী !!! - আইরিন সুলতানা
- মা-ই সন্তানের প্রধান অভিভাবকঃ - জুল ভার্ন
- বেবি এ্যালবাম - অপ্সরা
- 'যদি আর বাঁশী না বাজে' - কবি নজরুলের জীবনের শেষ অভিভাষণ - তায়েফ আহমাদ
- আপনার অ্যান্টিভাইরাস নিজেই টেস্ট করুন!! (রিপোস্ট) - অমিত০৯৭
- রঙ যেন মোর মর্মে লাগে, আমার সকল কর্মে লাগে - অপ্সরা
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- এক মুক্তিযোদ্ধার করুন কাহিনী (গল্প নয় সত্য ঘটনা ) - নিলআকাশেরদুঃখ
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- আমাদের মেয়েরা কি পারে, কি পারে না... প্রসঙ্গঃ নারী আমার নারী - জাতেমাতাল
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
কত আজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই দূরকে করিলে নিকট,বন্ধু, পরকে করিলে ভাই।

গরু কেনা

২৬ শে নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮
অফিস ছুটি হতে হতে ঈদের আগের দিন। সব ভাইবোন মিলে জড়ো হলাম বড় ভাইয়ের বাসায়। বাসায় এসেই সবারই প্রথমেই কথা এখনই গরু কিনতে যেতে হবে। চলো চলো।
দুপুর ২টা নাগাদ তিন ভাই ও জামাই চারজনই বের হয়ে গেল গরু কিনতে। প্রথমে গেল বসসুন্ধ্রা হাটে। সেখানে যেয়ে দেখা গেল মাত্র তিনটা গরু ওদের চার জনের দিকে তাচ্ছিলের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। ওরা চারজন এদিক ওদিক ঘুরে সিদ্ধান্ত নিল উত্তরার হাটেই যাওয়া যাক।
উত্তরা হাট। হাটে বেশ গরু ছাগল দেখা যাচ্ছে। চারজনই বেশ খুশি মনে এগিয়ে গেল হাটের ভিতরে। এই গরু দেখে ওই গরু দেখে। তবে যেটা পছন্দ হয় তার দাম শুনে পিছু হাঁটে। মেজ ভাই বলল-- এটা কেমন কথা? রাম ছাগল সাইজের গরুর দামইতো দেখি আমাদের বাজেটের বাইরে। সারা হাট ঘুরে তারা আবার সিদ্ধান্ত নিল গাবতলীর হাটেই যাওয়া ভাল।
গাবতলীর হাট তো হাটই। এখানে এসে তারা পরলো গরুর মহাসাগরে। চারিদিকে দালালেরা শুধু টানাটানি করে। টানাটানির চোটে চারজনই বারবার আলাদা হয়ে যাচ্ছে।-- এখানে এসে তো আরও বিপদে পরলাম রে ছোট?- বললেন বড় ভাই। কি করা যায় ভাবতে ভাবতেই সামনে পরে গেল মেজ ভাইয়ের এক মামা শ্বশুর। তিনি নাকি গরু বিশেষজ্ঞ। তার হাতে সমস্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত করে দিয়ে চারজন মামার পিছু পিছু পরম নিশ্চিন্তে ঘুরতে লাগল।
অবশেষে রাত ১১টার দিকে একটি গরু কেনা হল। সব কাজ শেষ হতে হতে রাত ১২টা। এবার গরু নিয়ে উত্তরা আসতে হবে। গরু সাথে কে কে আসবে? সাবস্ত্য হল ছোট দুইজন গরু নিয়ে ভ্যানে করে আসবে। আর বড় দুই ভাই আগেই বাসায় চলে আসবে। ছোট দুইজনের একজন হলেন বেলাল অপর জন রফিক। রফিক হল ছোট বনের হাসবেন্ড। আর বেলাল হল তিন ভাইয়ের ছোট। যেহেতু ছোট - তাদের গরু কেনার ব্যাপারে কোন দায়িত্ব না থাকতে পারে কিন্তু গরু বাড়ি নিয়ে যাবার গুরু দায়িত্ব মাথা পেতে নিতেই হল। এখানে বলে রাখা ভালো যে বেলাল প্রায় চল্লিশের কাছাকাছি বয়সের একজন যুবক ও রফিকও তেমনি কাছাকাছি।
গরু তোলা হল ভ্যানে। এর কৃতৃত্ব সম্পূর্নটাই ভ্যানওয়ালার। গরুর পাশে সামনের দিকে বসল বেলাল। আর পিছন দিকে বসল রফিক। ভ্যান চলছে তার আপন গতিতে মধ্যরাতে ঢাকা শহরের মধ্যে। বেলাল আর রফিক তাদের ছাত্র জীবনের সৃত্মি রমন্থন করতে করতে চলছে। কত দিন গভীর রাতে রাস্তায় হাঁটেনি। ছাত্র জীবনে কতই না ঘুরেছে। গরুর সাথে রাতের রাস্তা ভ্রমন এইপ্রথম। সেই কথা স্মরন করেই হয়তো বেলাল একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলেছে। আর গরুও তার প্রতি সমবেদনা জানানোর জন্য হয়তো তার দিকে তাকিয়ে মাথা দুলিয়ে সমর্থন জানাতে গেছে । আর কোথায় থাকে এমন চমকে উঠেছে বেলাল যে মুহূর্তেই রফিক তাকে আবিষ্কার করল রাস্তায় একেবারে চিৎপটাং। ভ্যান থেকে লাফিয়ে নেমে রফিক তারাতারি বেলালকে ধরে তুলল। গা ঝেরে দিল। কোথায় কোথায় ব্যাথা পেয়েছে দেখল। জিন্স ছিল বলে রক্ষা কিন্ত হাতের কনুই দুটোই যে গেল।
রফিক বলল-- ছোটভাই, আপনি তো গরু ভয় পান, আপনি পিছনে বসেন আমি সামনে বসি। যদিও বেলালের প্রচন্ড আপত্তি ছিল --গরু ভয় পায় এই কথাতে। তবুও আর একবার ভ্যান থেকে পরার চেয়ে পিছনেই বসা ভাল মনে করে পিছনেই বসল বেলাল।
কিছুক্ষন পরে বেলালের মুখের মাছি তাড়াতে শুরু করলো গরু লেজ দিয়ে। বেলাল তখন গরুর দিকে পিঠ দিয়ে বসল। আসল সমস্যাটা কোথায় বেলাল ঠিক বুঝতে পাড়ছিল না।
অনেক্ষন বসে থাকতে থাকতে বোধ হয় গরুর পা ধরে আসছিল তাই বিনা বাক্যে গরু তার পাটা একটু ঝেড়ে নিল। আর গরুর পায়ের চাটী খেয়ে বেলাল আবারও রাস্তায়। রফিক খুব মেজাজ দেখিয়ে গরুকে বলল --
এই ব্যাটা গরু পা ঝাড়বিতো একটু জানান দিবি না। ![]()
গরু এখন কি ভাবে বলে --
আমি যদি জানান দেই তা হলে যে আপনে ভ্যানের উপরে থাকেন না । আপনাকেও রাস্তায় খুঁজে পাওয়া যাবে। ![]()
এবারে ভ্যানওয়ালা ভ্যান থামিয়ে গরু দড়ি দিয়ে ভ্যানের সাথে কষে বাঁধলো । যেন আর কেউ ভ্যান থেকে না পরে। এর পরের রাস্তাটুকু পরম আনন্দে তাহারা পার হইল।
তার ২টার সময় বাসার গেটে মহা হইচই। বাচ্চারা বুড়ারা সব গরু দেখতে এল। ভ্যানচালক সহ সবাই মিলে চেষ্টা করে গরুকে বসা অবস্থা থেকে দাড় করানো গেল না। ভ্যান চালক ভ্যান কাত করে গরু মাটিতে ফেলে দিয়ে ভ্যান নিয়ে চলে গেল। গরু আর দাড়াঁয় না। বেলালের মেয়ে বলল--
বাবা তুমি হেঁটে হেঁটেই আসতে, তাই বলে গরুকে বাঁধতে গেছ কেন??
গরুটা যে রাগ করেছে।?![]()
সবাই বেশ চিন্তিত হয়েই পরলো --কী গরু কিনলাম অসুস্থ্য নাকি। না সকালে নামাজ পরতে যাবার সময় দেখা গেল গরু বেশ প্রফুল্ল চিত্তে খাওয়া দাওয়া করছে আর বেলালকে আড় চোখে দেখছে। ![]()
প্রকাশ করা হয়েছে: ফ্যান্টাসি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সহেলী। ঈদমোবারক। কাল গ্রামের বাড়ি যাব ঈদ করতে। ভাল থেকো।
অন্যরকম বলেছেন:
আহারে। কি ভুলটাই না করলেন! যাওয়ার আগে তাঁদেরকে এই পোস্টের একটা প্রিন্ট করা কপি ধরিয়ে দিতেন । তাহলে আর এত কষ্ট করে গরু কিনতে হতো না! লেখক বলেছেন: এবার এক্ষুনি ওদের মেইল করে দিচ্ছি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ভাইয়া এটা তো গত বারের কাহিনি। এবারের ঈদের তো এখন ও দুইদিন বাকি আছে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া ভালো থাকুন। ঈদ মোরারক।
প্রচেত্য বলেছেন:
ওয়াও, জোশ হইছে লেখাটা ... কোরবানীর গরু নিয়ে চমতকার একটা লেখা পড়ার অভিজ্ঞতা হোলো।ঈদের দুইদিন আগের শুভেচ্ছা নিবেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। ঈদ মোবারক। কাল সকালেই গ্রামে চলে যাচ্ছি। আগাম মোবারকবাদ না জানিয়ে উপায় নাই।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
গরু কেন বেধে আনা হলো?গরুতো ভ্যান থেকে পইড়া যায় নাই।
যে দুজন পড়ছিলো ওদের বান্ধা দরকার ছিলো
তাইলে সম সমস্যার সমাধান হয়া যাইতো
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা যথার্থ হইছে? এইটা তো বুঝি নাই। আমি ভাই হাসতে হাসতে শেষ। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই। ঈদ মোবারক। কবে বাড়ি যাচ্ছেন? নাকি চলে গেছেন?
নীল ভোমরা বলেছেন:
ঈদের শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনাকেও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
ধ্রুবমেঘ বলেছেন:
হুম। ভালা হইছে। ঈদের শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ঈদ মোবারক।
লেখক বলেছেন: বায়োলজির মন্তব্য আসলেই জাঝা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আহারে। আমি গেছি জীবনে দুইবার। শেষবার গরুর গোবরে পিছলে পরার পর বাবা আর নেন নি? বাবা খুব ভয় পেয়েছিলেন। বার বার বলছিলেন তুমি তো গরুর পায়ের তলায় পরতে পারতে। তখন কি হত।?? তবে রে ভাই মির্জা আব্বাসের কল্যানে বাড়ির পাশে গরুর হাট ১/১১ এর আগে পরপর চার বছর খুব কষ্ট পেয়েছি। সারাদিন মাইকে গান উহ্ সে কথা আর ভাবতে চাই না।
লেখক বলেছেন: আহারে ভাইয়া। মন খারাপ করো না মাঝে মাঝে এমন সময় আসে। আবার সব ঠিক হয়ে যাবে। এটা তো সাময়িক। বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্র ত্যাগ করতেই হয় ভাইয়া, ভাল থাকুন।
মুকুট বলেছেন:
ভয় করলে মজা পাওয়া যাবে না লেখক বলেছেন: হা হা হা এক্কেরে হক কথা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
মজা পেলাম পড়ে। আর সাথে বায়লজিরে ৮ নম্বরে জাঝা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাবুনি। ঈদ মোবারক।
আসল কথা তো বলিনি। রাতে তো বেলালের জ্বরও চলে এসেছিল পরে যাওয়ার জন্য অথবা ঠান্ডার জন্য।
লুকার বলেছেন:
খুব মজা করে লিখেছেন তো!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ঈদ মোবারক।
লেখক বলেছেন: তাই না এবার বাড়ি যাচ্ছেন না। ভালো থাকুন ঈদ মোবারক।
লেখক বলেছেন:
শয়তান বলেছেন:
এইবারও এভাবে আনলে বলবেন একটা ফটুক তুইলা রাখতে ।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে।
কিন্তু ছবি তুলবে কে?
যে মেজাজে থাকবে?? তবে আজ নাকি কেনা হয়ে গেছে। কোন ঘটনা ছাড়াই।
বড় বিলাই বলেছেন:
ভারী মজার তো। আমি তো এত জোরে হেসে উঠেছি যে শাশুড়ি খেতে খেতে চমকে তাকিয়েছেন।এইবার পুরা কাহিনী ভিডিও করে রাখতে ভুলবেন না যেন।
লেখক বলেছেন: আপু আজ এক বছর পর আবার ঈদ আসায় সেই কাহিনি মনে পরল। আমি তো মনে পরার পর থেকেই হাসছি। ভিডিওটা করবে কে?? আর রাতে যে বেলালের জ্বরও আসলো।
ভালো থেকো আপু । ঈদ মোবারক।
অন্যরকম বলেছেন:
"তবে রে ভাই মির্জা আব্বাসের কল্যানে বাড়ির পাশে গরুর হাট ১/১১ এর আগে পরপর চার বছর খুব কষ্ট পেয়েছি। সারাদিন মাইকে গান উহ্ সে কথা আর ভাবতে চাই না।" -- হুমম আপনার বাসাও ঐ এলাকায়? তাহলে তো মনে হয় আমার প্রতিবেশী! লেখক বলেছেন: এক সময় ছিলাম। আজ দেড় বছর ধরে পার্বতিপুরে। দিনাজপুর জেলায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ঈদ মোবারক।
কাব্য বলেছেন:
গরু বইল্ল্যা তাগোরে এক্টুষ্খানি সম্মান দিবেন না,তাতো হইবার পারে না
লেখক বলেছেন: হা হা হা নারে বান্দর ভাই যাত্রা পথের সাথী আমি ছিলাম না আমি হলাম শ্রতা। তবে যাত্রা পথের সাথী হইলে আরও অনেক কাহিণী পাইতেন মনে হয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঈদ আমাদের বেশ মজা করেই কেটেছে। তবে এই কাহিনী টা গত ঈদের। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নামটা ভালো হয়েছে কোরবানী গরু মহাভারত।ধন্যবাদ।
দূর্ভাষী বলেছেন:
আপু কেমন আছেন, নতুন পোস্ট কই।
লেখক বলেছেন: ভাল আছি ভাই। আপনিই ও ভালো থাকুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















.jpg)


শিখে নাও !!!!!
শুভকামনা , ঈদের শুভেচ্ছা তোমার জন্য ; তোমাদের জন্য ।