আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০টি ব্লগ, আর ব্লগ দিবসের ছবি (বিজয়ী কয়েকজন ব্লগারদের ছবি সহ আপডেটিত) - অন্যমনস্ক শরৎ
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- একজন ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু কেন আজো প্রাসঙ্গিক - তায়েফ আহমাদ
- গল্পঃ নৈঃশব্দ্যের ভাঁজে ভাঁজে - ভাঙ্গন
- ইন্টারেষ্টিং কিছু ওয়েবসাইট..... শেয়ার করতেই হলো - কে.এম. মাহ্বুব শরীফ (রাতুল)
- অটিজম, নুশেরার পোস্ট, ফারহানের কমেন্ট ও আমার কিছু অর্থহীন রোবোটিক প্রলাপ - রোবোট
- ফায়ারফক্সের গতি বাড়ানোর কিছু উপায় - পথে-প্রান্তরে
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- আমি এভাবেই বাংলাদেশকে আপন করেছি আত্মায় মিলিয়ে.......... - সজল শর্মা
- আহ্ নারী ! ওহ্ নারী ! উফ্ নারী ! ... ... ... হায় নারী !!! - আইরিন সুলতানা
- মা-ই সন্তানের প্রধান অভিভাবকঃ - জুল ভার্ন
- বেবি এ্যালবাম - অপ্সরা
- 'যদি আর বাঁশী না বাজে' - কবি নজরুলের জীবনের শেষ অভিভাষণ - তায়েফ আহমাদ
- আপনার অ্যান্টিভাইরাস নিজেই টেস্ট করুন!! (রিপোস্ট) - অমিত০৯৭
- রঙ যেন মোর মর্মে লাগে, আমার সকল কর্মে লাগে - অপ্সরা
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- সূচীপত্র - মা দিবসের (২০০৯) জন্যে লিখা সকল ব্লগের লিঙ্ক - ~স্বপ্নজয়~
- এক মুক্তিযোদ্ধার করুন কাহিনী (গল্প নয় সত্য ঘটনা ) - নিলআকাশেরদুঃখ
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- আমাদের মেয়েরা কি পারে, কি পারে না... প্রসঙ্গঃ নারী আমার নারী - জাতেমাতাল
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
কত আজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই দূরকে করিলে নিকট,বন্ধু, পরকে করিলে ভাই।

ও মন তুই বলনা ভালোবাসি বলনা
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫
কাল দুপুরে প্রায় দশ দিন পর নিপা সৈকতকে ফোন করে। এর মাঝে কেউ কারো সাথে যোগাযোগ করেনি। ওদের পরিচয়ের পর এটাই সবচেয়ে দীর্ঘসময় ওরা একে অপরের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছে।
-- তুমি কোথায়?
-অফিসে।
-তুমি ছুটি নাও নি?
-না পরশু থেকে নিব।
-তোমার বিয়ে শুরু তো পরশু।
-হ্যাঁ সেই দিন থেকে নেব।
-আচ্ছা ভালো থেকো।
ও ফোন রেখে দেয়।
নিপার সাথে সৈকতের পরিচয় ম্যাসেঞ্জারে। কথায় কথায় বেশ ভাব হয়ে যায়। তার পর ফোনে কথপোকথন। এভাবেই কখন যেন সৈকতের কাছে নিজেকে সমর্পন করে ফেলে। ভালবেসে ফেলে সৈকতকে? নিপা যদি বুঝতো সৈকতকে ভালবাসা যায় না তবে কি নিপা সৈকতকে ভালবাসতোনা। তা নয় নিপা সৈকতকে কখনই দেখেনি। তার পরও ভালোবেসেছে কারন ওখানে যেন ভালবাসার জাল বোনাই ছিল। যখন ভালোবেসেছে সৈকতকে তখনও নিপা বুঝতে পারেনি কি নির্মম পরিনতি তার জন্য অপেক্ষা করছে।
এক রাতে অনেক কথা হাসা হাসির মাঝে নিপা বলে ফেলে কথাটা। সৈকত বেশ গম্ভীর ভাবে বলে- তোমার বয়স অনেক কম। আবেগ দ্বারা চালিত হবে না। আমরা বন্ধু বন্ধুর মত থাকতে চাই। আমিও তোমাকে খুব পছন্দ করি। তোমার সাথে আমার অ্যাডযাস্ট বেশ ভালো। কিন্তু তা হবার নয়। যদি সম্ভব হত তবে আমি তোমাকেই বিয়ে করতাম।
-কেন সম্ভব নয়? আমি তোমার চেয়ে এগারো বছরের ছোট তাই।
-না ।
বেশ কিছুক্ষন চুপ থেকে সৈকত বললো-- ধর্ম।
-মানে??
-মানে আমি হিন্দু তুমি মুসলিম।
আকাশ ভেঙ্গে পরে নিপার মাথার উপর। সব কথা আটকিয়ে যায়। আস্তে করে ফোনটা রেখে দেয়। সারাদিন ছটফট করে রাতে আবার ফোন করে সৈকতকে। সৈকত বেশ ধৈর্য্যের সাথে বেশ সুন্দর ভাবে নিজের মনের আবেগকে চাপা রেখে বলে চলে -আমরা খুব ভাল বন্ধু হতে পারবো। তুমি অনেক ভালো মেয়ে । ব্রাইট ফিউচার তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। এখন তোমার ধ্যান জ্ঞান সব পড়াশুনা হওয়া উচিত।
অনেক কথা বলে যায় অভিভাবকের মত। নিপা অবুঝের মত বলে বসলো -তুমি আমাকে ভালোবাস কি না?
সৈকত চুপ।
--বলো।
-- কী বলবো?
--তুমি আমাকে ভালবাস কি না?
--বলে কি লাভ? জেনে কী হবে?
--তুমি বলবে না।
--আমি তোমার চেয়ে অনেক বড়। বাস্তবতা আমি বুঝি। আমাকে অনেক কথাই ভেবে চিন্তে বলতে হয়। আমি যদি বলি ভালবাসি তবে তুমি এই কথার জন্যই সারাটা জীবন কষ্ট পাবে। আর যদি বলি না, তবে- তা কি বলা উচিত?? ভুল আমারই। আমি তোমাকে প্রথমেই বলতে পারতাম আমি হিন্দু। বলিনি, কারন ভাবিনি তুমি এভাবে জড়িয়ে পরবে। আর বললে যদি তুমি সরে যাও স্বার্থ আমারও ছিল।
অবুঝ নিপা ফোন কেটে দেয় কিছু না বলে।
সৈকত ফোন করে। ---- এমন করলে তো বন্ধুত্ব নষ্ট হবে। আমি তোমাকে মিথ্যে বলবো না। আমি তোমার মত কাউকে পাই নি আমার জীবনে তাই ভালবাসতে পারি নি কাউকে। প্রেম আসেনি আমার জীবনে কিন্তু তোমাকে বুঝেই আমার মনে হয়েছে আমিও যেন তোমাকেই খুঁজছিলাম। কিন্তু তা সম্ভব নয়। আমি প্রথমেই জেনেছি তুমি আমি দুই ধর্মের।
---আমি তোমার কাছে চলে আসব।
---- আমি তোমাকে নিতে পারবো না। আমার দ্বায়িত্ব, আমার মা, সমাজ সব কিছুই আমাকে চিন্তা করতে হয়। এটা সম্ভব নয়। তোমার পরিবার যে আঘাত পাবে আমার পরিবারও সেই আঘাত পাবে।
--- কিখুক্ষন দুজনই চুপচাপ। এক সময় সৈকত বললো --এবার এসব কথা থাক। আমরা যেমন বন্ধু ছিলাম তেমনি থাকি।
নিপা সব মেনে নেয় কিন্তু তারপরও পারে না নিজেকে বোঝাতে। দিনের পর দিন যেন একে অপরের প্রতি নির্ভরশীলতা বাড়তেই থাকে। এর খুশি ওর খুশি হয়ে উঠে এর হাসি যেন ওকে আনন্দের স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তারা বারবার নিজেদের মাঝে দেখা করার ব্যাপারটা এড়িয়ে যায়। একজন দেখা করতে চাইলে অন্য জন বলে কি দরকার পরে হবে। তাই সই পরে হবে। একটা অদৃশ্য কাঁটা বারবার তাদের জানায় তোমরা শুধুই বন্ধু হয়ে থাক। তোমাদের ভালোবাসা মিলনের নয়। তাই থাকনা একটু দুরত্ব। কি লাভ মায়া বাড়িয়ে? হায়রে অবুঝ মানুষের মন মায়া যে বেড়েই চলেছে।
এবার সৈকতের বিয়ে। নিপা হঠাৎ করেই যেন মনে হল একবার দেখা করবে সৈকতের সাথে ওর সাথে না করলে শান্ত হতে পারবে না। ওর সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। সৈকতের বিয়ে তার আগেই দেখবে একবার। ওর ভালবাসাকে বিদায় দেবার আগেই একবার শুধু একবার এই পোড়াচোখে তাকে দেখবে। না কোন দাবি নিয়ে নয় শুধুই দেখা করা। যতই বলুক শুধুই দেখা করা কিন্তু আসলেই কি শুধু দেখা। নিপা কি নিজেকে সৈকতের সামনে শান্ত রাখতে পারবে। ওর ভালবাসাকে ও স্বেচ্ছায় বিদায় দিচ্ছে।
মন তোরে বলি যত
তুই চলেছিস তোরই মত
সাধ্য কি আমার ছুটি তোরই পিছনে।
মন বলি তুই ফিরে চা
মন ছাড়া কি যায়রে বাঁচা
তুই ছাড়া কে আর আছে এই জীবনে?
কি কারন অকারন
এত করিস জ্বালাতন
ভালো লাগেনা এ দোটানা
উচাটন সারাক্ষন।
বলনা তুই বলনা
কেন এই ছলনা
ও মন তুই বলনা ভালোবাসি বলনা।।
নিপা এখন গাজিপুরে সৈকতের করখানার সামনে দাঁড়িয়ে। সে এক দুঃসাহসিক কাজ করে ফেলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্যাক্সি নিয়ে চলে এসেছে গাজিপুর শুধু সৈকতের সাথে দেখা করবার জন্য। নিপা বাস্তায় ট্যাক্সিতে বসে রয়েছে। কি প্রচন্ড বৃষ্টি চারিদিকে। যেন ওর হৃদয়ের ক্ষরন হচ্ছে অঝর ধারায়।
মবাইল ফোনটা নিয়ে ফোন করলো সৈকতকে।
সৈকত যখনই শুনলো নিপা দাঁড়িয়ে আছে ওর কারখনার বাইরে খুব অবাক হয়ে গেল? কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বললো - তুমি চলে যাও??
-আমি চলে যাব?
সৈকত চুপ করে থেকে বললো -- একটু অপেক্ষা কর আমি আসছি।
নিপা গাড়িতে বসে আছে। বর্ষাতি মাথায় দিয়ে লম্বা একজন এসে দাড়ালো গাড়ির কাছে। ড্রাইভার দরজা খুলে দিলে। ভিতরে এসে বসলো সৈকত।
আমি তো বুঝিনা ঠিক কবে বরষা কবে
বসন্ত দিন চোখে চোখ রেখে
আমি দৃষ্টি বিহীন।
সৈকত কিছু না বলে শুধু নিপার হাতটা নিজের হাতে তুলে নিল। বাইরের বৃষ্টির সাথে নিপার চোখের জল যেন প্রতিযোগীতায় নেমেছে। কিছুতেই বেঁধে রাখা যাচ্ছে না।
মুখ তুলে তাকাতে পারছে না সৈকতের দিকে। সৈকত ও কিছুই বলছেনা। শুধু হাতটা শক্ত করেই ধরে রেখেছে। যাকে দেখলো না তাকে কিভাবে এমন ভালবেসে ফেললো নিপা ও সৈকত ।
তাকিয়ে দেখে সৈকতের অশ্রু ভেজা চোখ আর বিবর্ন মুখ। ট্যাক্সি চলছে ঢাকার দিকে। এই দুই ঘন্টা ওদের একান্ত ওদের। শুধু দুটি হৃদয় হৃদয়ের উত্তাপ দিয়ে একে অপরের সাথে কত শত শত কথা বলে যাচ্ছিলো । এখানে নেই কোন শব্দ, নেই কোন ভাষা।
প্রকাশ করা হয়েছে: এলোমেলো বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
ভালো লেগেছে। ++লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এই কি ভুল হলো একটু বুঝাও। আমি তো গল্প লিখলাম বাস্তবতার কে ঠিক রেখে। আমি তো ইচ্ছা করলেই দুইজঙ্কে মিলিয়ে দিতে পারতাম কলমের এক আঁচড়ে। যদিও সেটা হলেই ভাল হতো। কিন্তু মনে হল সমাজ বলে একটা জিনিস আছে আর আছে লায়াবিলিটী। সেটা সব সময় উপেক্ষা করা যায় না।
একটু বুঝিয়ে বলো কেমন।
ভাঙ্গন বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভাই খটকাটা একটু বলুন। আমি ও জানি। জানলে আমার লিখতে সুবিধা হবে।
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
চমৎকার+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আপনার লেখাটা পড়ে শুধু একটা কথায় ভেবেছি -
পৃথিবীতে যদি ধর্মের যদি কোন বাঁধ না থাকত........
পিলাচ দিলাম আর সংগ্রহে রাখলাম
লেখক বলেছেন: আসলেই পৃথিবীতে যদি ধর্মের যদি কোন বাঁধ না থাকত........ ধন্যবাদ।
সরল মানুষ বলেছেন:
ওরা কি বিয়ে করে ছিল ?
লেখক বলেছেন: না। ওদের হাতে শুধু মাত্র দুই ঘন্টা সময়ই ছিল। আজ সৈকতের বিয়ে।
সবার প্রিয় বলেছেন:
ফিনিশিং টা আরেকটু ভাল হতে পারত। তাছাড়া খুব ভাল হয়েছে।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আমি আসলে কি লিখবো ভেবেই পাচ্ছিলাম না। হয়তো অনেক কথা ছিল।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়ে একটু মন খারাপ হলেও খুব ভাল লাগলো। আমার দুই প্রিয় ব্লগারের লেখা পর পর প্রথম পাতায় এলো এক মিনিটের ব্যবধানে। দুটো লেখাই খুব ভাল লাগলো।
শুভ কামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা। আপনার ভাল লাগাটাই অনেক বড় ব্যাপার।
মো: মুসফিকুর রহমান (পরাগ) বলেছেন:
লেখাটা ওনেক সুন্দর হইছে।+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।
জুল ভার্ন বলেছেন:
খুব সুন্দর!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আ শা ব রী বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তোমার মন্তব্যটাই হয়েছে সবচেয়ে সুন্দর। দুঃখ দুঃখ ভাব আনার চেষ্টা করলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
পল্লী বাউল বলেছেন:
ভালো লাগলো অনেক +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
করবি বলেছেন:
মণত বলছেই ভালবাসি ভালবাসি ভালবাসিমুখ বলতে পারছে কই ......
সমাজ মুখে তালা লাগাতে পারে
মনে নয় .......
ভাল হয়েছে !!!
লেখক বলেছেন: ওদের দুজনের পথ একেবারেই আলাদা হয়ে গেছে। সমাজ জীবন ধর্ম এসব কিছুই খোঁড়া অজুহাত।
মুনশিয়ানা বলেছেন:
...এই দুই ঘন্টা ওদের একান্ত ওদের। শুধু দুটি হৃদয় হৃদয়ের উত্তাপ দিয়ে একে অপরের সাথে কত শত শত কথা বলে যাচ্ছিলো । এখানে নেই কোন শব্দ, নেই কোন ভাষা। শেষ অংশটা পড়ে মুগ্ধ হবার মতো... খুব ভাল পরিমিতবোধ দেখিয়েছেন বলে মনে হয়েছে। গল্পের থীমটা ভাল।
লেখক বলেছেন: আপনার এত সুন্দর মন্তব্য দেখে আমি নিজেই অভিভূত। নিজের উপর কনফিডেন্স বেরে যাচ্ছে।
ভাল থাকুন , ধন্যবাদ।
টানজিমা বলেছেন:
ফিনিশিং টা আরেকটু ভাল হতে পারত। তাছাড়া খুব ভাল হয়েছে।+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। আমার মগজে এর বেশি ধরে নাই।
জানপরী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: না। ওদের হাতে শুধু মাত্র দুই ঘন্টা সময়ই ছিল। আজ সৈকতের বিয়ে।
কোন গল্পের প্রেমিক-প্রেমিকার বাস্তবে বিয়ে হয় না। কিন্তু আজ বিয়ে মানে বাস্তবে বিয়ে হচ্ছে!!
ঘটনা কি ????? আঘাত পেলে সমবেদনা রইল।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আজ সৈকতের বিয়ে। আর নিপা এমন অনেক নিপা আছে বংলাদেশে।
ঠিক আছে নিপার কাছে সমবেদনা পৌছিয়ে দেব। কিন্তু এ সমবেদনা গ্রহন করবার মত মানসিকতা তার এখন আছে কি?? ধন্যবাদ।
মিসকল বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাগর ঢাকা বলেছেন:
গল্পটা অনেক ভালো লাগলো...সবচেয়ে ভালো হচ্ছে শেষ পর্যন্ত পাঠক ধরে রাখা .... তবে মজার কথা হছে , গপ্লের পড়তে গিয়ে ধাক্কা খেয়েছি ....কারণ আমার নাম সৈকত , আর আমার নিপা নামে একজন বন্ধু আছে লেখক বলেছেন: হা হা হা । খুব ভাল লাগলো পড়ে। এই গল্পের নিপার মত পরিনতি যেন কোন নিপার না হয়। এই টিন এজ বা সদ্য কৈশোর পেরুনো মেয়ে গুলি খুব বেশি আবেগপ্রবন হয়ে থাকে।। এই মেয়েটা যখন ২১/২২ বছরের হবে তখন আর এমন আবেগ প্রবন হবে না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নিপাকে বলার আমারও কিছুই নেই। সময়ই সব ঠিক করে দেবে হয়ত । ধন্যবাদ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ভালো লাগে নাই
লেখক বলেছেন: আমার ও ভালো লাগে নাই। ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: আহারে শামসীর -- কি আর করবে মায়া যে বেড়েই চলছে।
সত্যিকারের প্রেম আসলে দেখবি তোগোরে ভাসাইয়া নিয়া যাইব .......।
লেখক বলেছেন: না শামসীর তোমার দোস্ত ট্রাই দেয় নাই। সে আজ বিয়ে করছে।
শেরজা তপন বলেছেন:
ছেলেটার কথা শুনে বোঝা যাচ্ছে এখানে ধর্মটা ফ্যাক্টর না সমস্যা অন্যখানে...সৈকত যেমন হিন্দু মুসলিম দু ধর্মেরই হতে পারে নীপা ও তেমনি!
একটা হিন্দু ছেলে বা মেয়ে যদি দীর্ঘদিন কথা বলে, নিজেকে নিয়ে তার পারিপাশ্বিকতা পরিবারকে নিয়ে,তবে তার ধর্ম সন্মন্ধে একটা প্রচ্ছন্ন আভাস পাওয়া যায়।
হয় ছেলেটা প্রথম থেকেই চিট করছে না হয় মেয়েটা ভীষন বোকা!
সৈকতকে যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তাতে বোঝা যায় সে একজন ম্যচিউরড ঝানু ব্যাবসায়ী-সে ইচ্ছাকৃত ভাবেই এমন করেছে -শেষ অঙ্কে তার এই চেহারা (তাকিয়ে দেখে সৈকতের অশ্রু ভেজা চোখ আর বিবর্ন মুখ) আমি কল্পনা করতে পারিনা...
স্যরি আমি আমার মত করে বললাম-বলতে চাইনি আপনার অনুরোধে বলতে বাধ্য হলাম...
লেখা ভাল হয়েছে ভাল থাকবেন
লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তা ধারা ঠিকই আছে। আমি নিপার অভিভাবক হিসাবে এটাই বলব। কিন্তু আমি এখানে নিপার জবানবন্দিতে কথা বলেছি। নিপা বিশ্বাস করে সৈকত তাকে ভালবাসে। আমার ধারনা সৈকত যদি কাঁদেও সেই মুহুর্তে নিপার কান্নাই তাকে দুর্বল করেছে। যদি তা নাই হতো সৈকত তার বিয়ের খবর দিয়ে আর কেন একবারও নিপাকে ফোন করেনি? আর নিপা যখন জানালো যে সে বাইরে দাঁড়িয়ে তখন কেন বললো চলে যেতে। অর্থাৎ সে দেখা করতে চায়নি।
এর প্রেক্ষিতে অনেক কথাই বলা যায় যা অন্য ধরনের আভিব্যাক্তি আনে। --এত কথা আসলে আমি গল্পের মাঝে আনিনি।
একটা মেয়ে বিশ্বাস করছে তার প্রেমিক তাকে ঠকায়নি সেই বিশ্বাসটাই এখানে তুলে ধরেছি। ধন্যবাদ।
ৃৃৃৃৃৃৃআসিফ বলেছেন:
খুবই ভালো। অনেক দিন পর একটা ভালো ছোট গল্প
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল লাগলেই আমারও ভাল লাগে।
রিমি (স. ম.) বলেছেন:
মায়া যদি বাড়েও, বাড়াটা খারাপ না। জিনিসটা যতটা দুঃখ দেয় তার চেয়ে বেশি ভাল লাগায়। লেখক বলেছেন: ভাল লাগা থেকেইতো যত অঘটন। আবশ্য অঘটন না ঘটলে আমরা লিখবো কেমন করে।?ধন্যবাদ।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
লেখাটা পড়তে গিয়ে বেশ কটি যায়গাতে এমন ধাক্কা খেলাম যে বলার মত না ... মনে শুধু বারবার একটি কথাই ভাসছে ... কেন এমন হয়, একটু অন্যরকম হলে কি দোষ ছিল ? ...
লেখক বলেছেন: নিপার জন্য আমিও কাঁদছি। যদি পারতাম আলাদিনের আশ্চর্য প্রদিপের জিনির মত সব কিছু ঠিক করে দিতে।
sumon2015 বলেছেন:
অনেক সহজ ভাষায় ভাল লাগলো শেষটা বেশি ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সমুদ্র কন্যা বলেছেন:
ধু......র, সবাই শুধু দুঃখ দুঃখ লেখা দেয়। ভাল লাগে না।
লেখক বলেছেন: আমার অনেক মজার মজার পোস্ট আছে খুঁজে নিয়ে পড়তে পারেন। ধন্যবাদ।
তার জীবনেও একখান নিপা আছে জাইনা এইটা বললাম।
লেখক বলেছেন: সাগর ঢাকার মন্তব্য পড়েছ নিশ্চই। সে তো তাই বলেছে।হোপ ফর বেস্ট।
বড় বিলাই বলেছেন:
কি যে অদ্ভূত এই ভালোবাসা।
লেখক বলেছেন: ভালবাসা আসলে কী??? উত্তর জানা অজানা।!
তাজা কলম বলেছেন:
ভাল লাগল প্রিয় লেখক।শেষটায় সাসপেনসন রয়ে গেল... নিপার আকাঙ্খার দিকে কি ঘটনা মোড় নেবে?
লেখক বলেছেন: না বন্ধু নিপা কিছুই পাবে না পায়ও নি। ও খুব কষ্ট পেলো শুধু।
লেখক বলেছেন: এমন যেন না হয় আসুন সমাজটাই বদলাই। ধন্যবাদ ।।
স্পর্ধায় নেয় মাথা তুলবার ঝুঁকি............সুকান্ত।
ঐ বয়সের সব কিছুই অন্যরকম-প্রেমটা ও।
(ধরে নিচ্ছি, নিপার বয়স ১৮ এর আশেপাশেই)
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছ ভাই সবে কৈশর উতীর্ণ্য এক বালিকার গল্প।
++++
আপু একটা গল্প দেয়ার ইচ্ছে আছে, যদিও ক্ষ্যাত টাইপ। আপনাকে পেলে ভাল লাগবে।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই অবশ্যি । আমি এক্ষুনি যাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: সবাই পস্তায় না। আমি পস্তাই নাই। সময় এখনও আছে তোমার । সাবধান হও।
চাঙ্কু বলেছেন:
যখন দেখি ধর্ম কিছু সুন্দর সম্পর্কের ক্ষেত্রে কাটা হয়ে দাঁড়ায় তখন খারাপ লাগে । যদিও আমাদের প্রেক্ষাপটে এইটাই বাস্তবতা ।
লেখক বলেছেন: ধর্ম, জাত এসব কী?? কেন?
উত্তর --সমাজের মঙ্গলের জন্য।
কিন্তু সেই মঙ্গলের জন্য অনেক সুন্দর যখন নিঃশেষ হয়ে যায় তখন?
উত্তর নেই।
তুষারকনা বলেছেন:
ইস্ ছেলেটার জন্য অনেক কষ্ট হচ্ছে।কাওকে ভালোবেসেও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারনে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়ার কষ্টটা অনেক।লেখক বলেছেন: আমার ছেলেয়ার জন্য কষ্ট হচ্ছেনা। যথেষ্ট ম্যাচুউড একটা ছেলে । এই বাচ্চা মেয়েটাকে নিয়ে এই খেলা না খেললেই পারতো। যখন দেখেছে মেয়েটা তার প্রতি ইনক্লাইন্ড তবে কেন সে আবার বন্ধুত্ব ধরে রাখার কথা বলে। সে অঙ্কুরেই ষেষ করতে পারতো কিন্তু করে নাই। ধন্যবাদ।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
সবাই কেন শুধু বেদনার কথাই বলে!!!!!ভালবেসে হারালাম যাকে ---
খুজে ফিরি বিরহের মাঝে
প্রেমের স্বার্থকথা আপু সবসময়ই বিরহে, বিরহ আছে বলেই প্রেম সব সময় এত বর্নিল, এত মধূময়। যে মিলনে প্রেম কলুষিত হওয়ার সম্ববনা থাকে সেই প্রেমে মিলন না থাকাই ভাল।
শেষের টুকু দ্বিধায় ফেলে দিল আপু। ভাল থাকবেন ভালবাসায় বাচবেন নিরন্তর।
লেখক বলেছেন: কে বলেছে প্রেমের সার্থকতা সব সময় বিরহেই। এটা মানলাম যে মিলনে প্রেম কলুষিত হওয়ার সম্ববনা থাকে সেই প্রেমে মিলন না থাকাই ভাল।
কিন্ত যে প্রেমে সার্থকতা মিলনেই। যে মিলন যুগ যুগ একই থাকে যে প্রেম সব সময় দুজনকে দুজনের কাছে নতুন রাখে। চিরপুরাতন কিন্তু চীরনতুন। ধন্যবাদ।
তাজা কলম বলেছেন:
শুভ নববর্ষ প্রিয় লেখক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বড় দেরী হয়ে গেল। আসলে বাসায় ছিলাম না।
সহেলী বলেছেন:
দুই ঘন্টার জন্য ওদের একসাথে সময় কাটানো হল !এ কেমন পাওয়া বলতে পারো ?
কেন সব ক্ষেত্রে এমন হয় !
লেখক বলেছেন: জানি না কেন এমন হয়? তবে এটা জানি-- এমনই হয়। বাস্তব বড় কঠিন।
লেখক বলেছেন: তাই। তবে যতই বলুন এই গল্পের নায়কের প্রতি আমার খুব রাগ আছে। সে কেন এমন ?
লেখক বলেছেন: আর বলোনা । লিখে ফেলে আমি নিজেই অবাক হয়ে গেছি।
ধাকায় গিয়েছিলাম। মার কাছে। তুমি ভালো থাকো। ধন্যবাদ।
দূর্ভাষী বলেছেন:
আপু অনেকদিন পরে ব্লগে, ওয়েলকাম ব্যাক
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাইডি তুমি যে আওনের আগে থাইকাই ব্লগাইতাছ??? আমি যদি এডিক্টেড হই তবে তুমি হইলা ন্যাচারাল।
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন:
সত্যিকারের ভালবাসায় অনেক কষ্ট। এটা বুঝেও মানুষ ভালবাসে। আর কষ্ট পায়।
লেখক বলেছেন: সত্যিকারের ভালবাসায় অনেক আনন্দ। সেই আনন্দ যে একবার পায় সে আর স্বর্গ খুঁজতে যায় না। ধন্যবাদ।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আপু কেমন আছ?
লেখক বলেছেন: ভালো আছি। তোমার জাফনাকে আমার অনেক অনেক আদর দিও।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত। কি করব বলুন মন যে মানে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















