ওজন কমানো নিয়ে অনেক কথাই হয়, হরেক রকম পদ্ধতি চালু আছে। কিন্তু আমি একটা পদ্ধতি পেয়েছি যার মাধ্যমে অবশ্যই অবশ্যই ওজন কমবে। এটা বিশেষ কিছু না, শুধু প্রাত্যহিক জীবনের অভ্যাস কিছুটা পরিবর্তন করলেই হয়। কিছু নিয়ম-কানুন যা প্রায় ১৪০০ বছর আগে একজন মহান পুরুষ আমাদের দেখিয়ে গিয়েছিলেন। কোন খাবারের বাছ করতে হয় না, সব খাবারই খেতে পারবেন। শুধু নিয়মটাই হবে ভিন্ন। বেশি কথা না বলে আসুন দেখে নেই স্টেপগুলো কি হবে :
১। প্রথমে আমাদের স্টমাকের মাপটা দরকার, এরজন্য ভোর সকালে যখন পেট সম্পুর্ন খালি থাকে তখন পেট পুরে পানি খাবেন, গ্লাসের হিসাব রাখবেন কতটুকু খাওয়ার পর পেট পুর্ন হয়েছে। পেট ভরা মনে হওয়ার পর যখন ঢেকুর আসবে তার পরও আরো পানি খাবেন, যখন দেখবেন আর খাওয়া যাচ্ছে না তখন বুঝবেন ভর্তি হয়েছে। এবার কতটুকু পানি খেলেন তার হিসাব করুন এবং একে তিনভাগ করুন। যেমন, পাচ গ্লাস পানি খেলে এর তিনভাগের একভাগ হবে এক গ্লাস এবং একগ্লাসের এক তৃতিয়াংশ। স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে ৪১৬ মি:লি:। ঐ পরিমান পানি একটি বাটিতে বা প্লেটে ঢেলে দেখুন তার পরিমান দেখতে কি রকম হয়। সুতরাং আপনার খাবারের পরিমান তা যা ই হোক (ভাত, রুটি, তরকারি, মাংস বা মাছ) সব মিলিয়ে এর চেয়ে বেশি হবে না কোনভাবেই।
২। এ পরিমান খাবারের সাথে সম পরিমান পানি খাবেন প্রতিবার। তবে পানি বেশি খেতে চাইলে খাবারের পরিমান কমিয়ে দিয়ে খাবেন। যতটুকু বেশি পানি খাবেন, ততটুকু কম খাবার খেতে হবে। আর খাবারের পরিমান না কমাতে চাইলে পানি অন্য সময় খান, মানে যখন খাবার খাচ্ছেন না তখন খান।
৩। পেটে ক্ষিদা না লাগলে খাবার কোনভাবেই খাওয়া যাবে না।
৪। খাবার খাওয়ার সময় যদি মনে হয় যে বেশি হয়ে যাচ্ছে, বন্ধ করে দিন খাওয়া। তবে উপরোক্ত পরিমানের বেশি খাবার খাওয়ার চেষ্টা কখনোই করবেন না। আসল উদ্দেশ্য হলো পেটের তিনভাগের একভাগ খালি রাখা, একভাগ পানি দিয়ে ভরা এবং একভাগ খাওয়া।
৫। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে হেটে গিয়ে পড়তে হবে। আর গাড়িতে যাতায়াত করলে বেশি বেশি নফল নামাজ পড়ুন।
৬। কোন খাবার বিশেষ রকম অসুস্থতার জন্য যদি নিষেধ থাকে তা অবশ্যই পরিহার করতে হবে। আর যেকোন একধরনের খাবারের আধিক্যও পরিহার করতে হবে। কেননা, এর মাধ্যমে ওজন যা ই হোক, শারিরিক অসুস্থতার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
৭। আর খাবার গ্রহনের সময় নিয়্যত করতে হবে খাবার খাচ্ছি ইবাদত ঠিকমতো পালনের জন্য, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য, আল্লাহর প্রশংসা জ্ঞাপনের জন্য। অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।
৮। যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রতি সোম এবং বৃহস্পতিবারে রোজা রাখার চেষ্টা করুন।
ব্যাস্, এই নিয়ম পালন করলে ওজন যথাযোগ্য হতে বাধ্য। আমি নিজে দেখেছি, তাই সবার সাথে শেয়ার করলাম। সবাই ভালো থাকুন, আল্লাহ্ হাফেজ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



