আমাদের পূর্বপুরুষ
২০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০০
আজ আপনি যদি গুগুল ওয়েভপেজে যান, তাহলে দেখতে পাবেন নিচের ছবিটি। একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন তাতে একটি স্তন্যপায়ীর ছবি দেয়া আছে। এই ছবটি নিয়ে অতিসম্প্রতি বিজ্ঞানীমহলে হইচই পরে গিয়েছে। নিচের ছবিটিতে যে স্তন্যপায়ীর ছবি দেয়া আছে, তা ধারনা করা হচ্ছে পৃথীবির সবচেয়ে প্রাচীন (৪ কোটি ৭০ লক্ষ্য বছর পূর্বের) এবং সম্পুর্নভাবে সংরক্ষিত একটি বুদ্দ্বিমান স্তন্যপায়ী প্রানীর (Primate)।
জার্মানীতে একদল ব্যক্তিমালিকাদিন সংগ্রহক প্রথম এই ফসিলটির সন্ধান পায় প্রায়। ফসিলটি পরে নরওয়ের ওসলো নেচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়াম গবেষণার জন্য কিনে নেয়।
![]()
গত একবছর ধরে এই ফসিলটি বিভিন্ন পদ্দ্বতিতে বিশ্লেষণ করে হয়। তার মাঝে একটি হলো CAT স্ক্যান। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষন করে দেখা যায় এই ফসিলটি প্রায় ৪ কোটি ৭০ লক্ষ্য বছঅর পূর্বের। এই ফসিলটি সেই সময়কার যখন জীবনের বিবর্তনপ্রক্রিয়া বানর, গেরিলা এবং মানুষ তৈরী হচ্ছিল। এই অসাধারন আবিস্কারটি জীবনের বিবর্তনপ্রক্রিয়া বুঝতে সাহায্য করবে।
![]()
এই গবেষনার বিস্তারিত বর্নণা পাবলিক লাইব্রেরি অফ সাইন্স (PLoS) পত্রিকায় এই সপ্তাহে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
বিজ্ঞানীরে হিসাব করে পেয়েছেন যে ফসিলটি প্রায় ৯ মাস বয়সের (অর্থাৎ ৬ বছর বয়সী মানুষের সমান)। পরিপক্ক বয়সে এটির প্রায় দু ফুট লম্বা হতো (শরীরের অধিকাংশ হতো এর লেজ) এবং এর ওজন হতো প্রায় দু পাউন্ড।
![]()
বলা হচ্ছে এই ফসিলটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমেট (বুদ্দ্বিমান স্তন্যপায়ী প্রানী) আবিস্কার। এটি একটি তরুনী এবং সাইজে অনেকটা ছোট বানরের মতো। এটির শুধুমাত্র নিচের একটি বাহু বিচ্যুত। ফসিলটি অসাধরনভাবে সংরক্ষিত। এমনকি নরম দেহ এবং তার লোমের আকার এবং আকৃতি এখনো সহজেই বুঝা যায়।
এই যুগান্তকারী আবিস্কারের মূল সরাংশ হলো মানুষের বিবর্তন হলো এমন একটি প্রানী থেকে যা অনেকটা বর্তমানের লেমুরের মতো দেখতে (নিচের ছবিতে দেখুন)।
![]()
এই আবিস্কার একটি যুগান্তকারী আবিস্কার যা আমদের জীবনের উৎপত্তির অনেক রহস্য সমাধানে সহায়তে করবে।
লিংক:
পাবলিক লাইব্রেরি অফ সাইন্স
নিউইয়র্ক টাইমস
ওয়াল স্ট্রিট জার্ণাল
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
এই সব কথা বইলা লাভ কী ? ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে এই সবের কোন দাম নাই।
সাহোশি৬ বলেছেন:
@লেখাজোকা শামীম: ধর্মপ্রান মানুষ কি তাইলে সত্য জানতে চায় না? নাকি ধর্মপ্রান মানুষ সত্যকে ভয় পায়?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ভাল পোস্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সাহোশি৬@ ধর্মপ্রাণ মানুষ ধর্মগ্রন্থ ছাড়া কিছুই বিশ্বাস করে না। এই সব কথা ধর্মগ্রন্থের বিপক্ষে যায়, এ কথা স্মরণ করিয়ে দিলাম মাত্র।
শয়তান বলেছেন:
অরা এখনো টের পায় নাই !!
সাহোশি৬ বলেছেন:
@লেখাজোকা শামীম: ধর্মের দোহাই দিয়ে হয়তো সাময়িক ফায়দা লোটা যায়, কিন্তু in the long run কোন কিছুই আটকে রাখা যায় না। ৫০০ বছর আগে ধর্মের দোহাই দিয়ে একদল লোক জোর করে বলতে চেয়েছিল সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে। সাময়িকভাবে তারা সফল হলেও বর্তমান যুগের মানুষ ঐসব কূপমুন্ডুকের কথাভেবে নিজের মেনে মনে হাসে।সত্য উম্মোচিত হয়েছে, হচ্ছে এবং আরো হবে। কোন ধর্মগ্রন্থে কি লেখা আছে তা বিজ্ঞানের বিবেচ্য বিষয় নয়।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সাহোশি৬ বলেছেন:.......সত্য উম্মোচিত হয়েছে, হচ্ছে এবং আরো হবে। কোন ধর্মগ্রন্থে কি লেখা আছে তা বিজ্ঞানের বিবেচ্য বিষয় নয়
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
Enam বলেছেন:
সাহোশি৬ কে বলছি ; ধর্মগ্রন্থ কোরানই বলেছে সূর্য,পৃথিবী সব নিজ নিজ কক্ষ পথে ঘোরে।
০ ছায়া ০ বলেছেন:
মানুষ কি তাহলে লেমুর প্রজাতির প্রাইমেট থেকে বিবর্তিত..............
Enam বলেছেন:
বানর গুল মানু্ষ হয়ে গেল , তাহলে এখনকার বানর গুলোর কি অপরাধ? আর মানুষের ও তাহলে হাত,কান, নাক, কিছু পরে গিয়ে অন্য কিছু হওয়া উচিত নয় কি?
লেখক বলেছেন: তা জানার জন্য আমাদের মিলিয়ন বছর অপেক্ষা করতে হবে।
এ. কে. এম. নেওয়াজ বলেছেন:
বিজ্ঞানকে আমারা অহরহ ব্যবহার করছি ধর্মগ্রন্থের বাণীকে সত্যপ্রমানে। তখনি আমারা বিজ্ঞানকে গ্রহন করতে পারিনা, যখন তা বাণীর বিপরীতে যায়।
সাদী বলেছেন:
Enam বলেছেন: বানর গুল মানু্ষ হয়ে গেল , তাহলে এখনকার বানর গুলোর কি অপরাধ? আর মানুষের ও তাহলে হাত,কান, নাক, কিছু পরে গিয়ে অন্য কিছু হওয়া উচিত নয় কি?আপ্নের এই কথা যদি ওরা বুঝতো, তাইলে ত হইত......কেউ যদি এইটা ভাইবা শান্তি পায় যে, সে বান্দর থেইকা আসছে, তাইলে আর কি ই বা করার আছে...।। বিজ্ঞানিরা পাব্লিক এর সামনে মুলা ঝুলায়া রাকছে গত ১৫০ বছর ধইরা, কইতাছে আর কয়দিন এর মুদ্ধেই তারা পরমান করব, মানুশ বান্দর থেইকা আইছে। কিন্তু অইটা করতে করতে কেয়ামত আইসা পরব...। হা হা।।
-------------------------------------------------------------------------
গতকাল বিবিসিতে দেখলাম অনেক বিজ্ঞানী বলছেন (নাম মনে নেই এখন) এই ফসিলটি সম্ভবত মানুষের পূর্বপুরুষের নয়। যে ধরনের প্রানীর বিবর্তনের ফলে মানুষের সৃষ্টি হয়েছে ধরা হয় এই প্রানীটি তার কাছাকাছি প্রজাতির হতে পারে।
সাহোশি৬ বলেছেন:
@সাদী : "বিজ্ঞানিরা পাব্লিক এর সামনে মুলা ঝুলায়া রাকছে গত ১৫০ বছর ধইরা, কইতাছে আর কয়দিন এর মুদ্ধেই তারা পরমান করব, মানুশ বান্দর থেইকা আইছে।"-প্রমান তো কবেই হয়ে গিয়েছে। সব কিছু প্রমান করবার পরও কেউ যদি বলে প্রমান হয় নাই, কিংবা প্রমান পাই নাই, এ ধরনের অবুঝদেরকে শুধু এটুকুই বলা যায় "Have a great day"। বিবর্তন প্রমান হয় নাই এই ধারনা নিয়ে আপনারা বসে থাকুন, বিজ্ঞানের তাতে কিছুই যায় আসে না। বিবর্তনের ধারায় বানর আমাদের পূর্বপুরুষ, কারুর যদি এটা মানতে কষ্ট হয়, "have a great day. That's it."
রাহান বলেছেন:
সাহোশি৬ বলেছেন:...সত্য উম্মোচিত হয়েছে, হচ্ছে এবং আরো হবে। কোন ধর্মগ্রন্থে কি লেখা আছে তা বিজ্ঞানের বিবেচ্য বিষয় নয়
সাহোশি৬ বলেছেন:
@Enam: "বানর গুল মানু্ষ হয়ে গেল , তাহলে এখনকার বানর গুলোর কি অপরাধ? আর মানুষের ও তাহলে হাত,কান, নাক, কিছু পরে গিয়ে অন্য কিছু হওয়া উচিত নয় কি?"--- হা হা হা। বিবর্তন সম্পর্কে দেখি সামন্য ধারনাও নাই। একটা বিষয় নিয়ে আলোচানা করবার আগে তো ঐ বিষয়টা সম্পর্কে কিছু জানা থাকা দরকার, নইলে আলোচনা করবেন কিভাবে বলুন?
এখন পর্যন্ত মানুষের ডাইরেক্ট এনসেসটোর এর কোন ফসিল কি পাওয়া গেছে?
মাত্র ১৫০ বছরের অপ্রমানিত একটা মতবাদ (ডারউইনিজম) এর উপর ভিত্তি করে এটা বলা যাবে না যে বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের বিরোধ আছে। এরকম বহু মতবাদ অতিতে ভুল প্রমানিত হয়েছে।
গ্রীকরা একসময় এটাও মনে করতো যে পচা আবর্জনার মধ্য থেকে নিচু স্তরের প্রানের সৃষ্টি হয়। এ মতবাদ ১৫০ বছরের বেশি বেচে ছিল।
সাহোশি৬ বলেছেন:
@ সীমন্ত ইসলাম: বিজ্ঞানের সাথে ধর্মের বিরোধ থাকতে যাবে কেন? বিজ্ঞান বিজ্ঞানের জায়গায় ধর্ম ধর্মের জায়গায়। বিজ্ঞান বিশ্বাস করে যুক্তিতে, আর ধর্ম বিশ্বাস করে faith এ। বিজ্ঞান আর ধর্মের কোন মিল বা বিভেদ কিছুই নেই। হাজার বছরের প্রাচীন বইতে যা লেখা আছে ধর্মকে তাই নিয়ে পড়ে থাকতে হবে, উপায় নাই। আর বিজ্ঞান নব-চেতনার মধ্য দিয়ে প্রত্যেকদিনই নতুন কিছু জানবে নতুন কিছু শিখবে। Experiment এর মধ্যদিয়ে লব্ধ জ্ঞানকে স্বীকার করতে না পারলে বিজ্ঙানের ছাত্র হওয়া যায় না (ডিগ্রী হয়তো নেয়া যেতে পারে, ডিগ্রী আর জ্ঞান এক নয়)।
------------------------------------------------------------------------
বিবর্তনবাদ বিজ্ঞান এর দৃষ্টতে একটা মতবাদ যা এখনো প্রমান করা যায়নি। এখানে বিজ্ঞানকে গ্রহন না করার কি হলো?
বিজ্ঞান কি এমন কিছু দাবী করে যে বিবর্তনবাদ নিশ্চিৎভাবে সঠিক?
সাহোশি৬ বলেছেন:
"বিজ্ঞান কি এমন কিছু দাবী করে যে বিবর্তনবাদ নিশ্চিৎভাবে সঠিক?"-হ্যা, বিজ্ঞান তা-ই দাবী করে। শুধু তাই নয়, বিজ্ঞান এও বলে যে এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিবর্তনের বিপক্ষে একটা প্রমানও হাজির করা যায় নি। এখ পর্যন্ত এমন একটা ক্লুও পাওয়া যায় নি যা প্রমান করবে বিবর্তন সঠিক নয়।
-----------------------------------------------------------------------
১০০% একমত।
কেউ কি প্রমান দিতে পারবে বিবর্তনবাদ Experiment এর মাধ্যমে প্রমানিত?
-হ্যা, বিজ্ঞান তা-ই দাবী করে। শুধু তাই নয়, বিজ্ঞান এও বলে যে এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বিবর্তনের বিপক্ষে একটা প্রমানও হাজির করা যায় নি। এখ পর্যন্ত এমন একটা ক্লুও পাওয়া যায় নি যা প্রমান করবে বিবর্তন সঠিক নয়।
--------------------------------------------------------------------------
বিবর্তনের পক্ষেও তেমনটি নাই।
সাহোশি৬ বলেছেন:
@সীমন্ত ইসলাম: এক্সপেরিমেন্টাল প্রমান আছে এখান.
সাহোশি৬ বলেছেন:
@সীমন্ত ইসলাম : "বিবর্তনের পক্ষেও তেমনটি নাই।"আমি তো উপরে বলেই দিয়েছি যে বিবর্তনের পক্ষে কোটি কোটি প্রমান আছে। এখন আপনি কিংবা সারা পৃথিবীর মানুষ সব কিছু জানার পরও বলতেই পারে যে একটা প্রমানও নাই। এতে বিজ্ঞানের কোন সমস্যা নাই। আপনাকে এবং আরো যারা দাবী করে যে বিবর্তনের পক্ষে কোন প্রমান নাই, তাদেরকে একটাই কথা -- 'ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন - Have a great day.
কেল্টূ দা বলেছেন:
নেওয়াজ সায়েবরে বিশেষ ধইন্যাপাতা
লেখক বলেছেন: আপনারেও ধইন্যাপাতা।
---------------------------------------------------------------
পড়লাম। জানি না আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন এই লিংক দিয়ে।
আপনাকেই আপনার রেফারেন্সটা আবারও পড়তে অনুরোধ করছি। পুরাটা পড়বেন প্লিজ, নিচের কমেন্ট সেকশান সহ।
তত্ত্বের ভিতই যেখানে নেই, সেখানে বানর থেকে মানুষ তৈরীর চেষ্টা করার কোন মানে হয় না।
Click This Link
এবং http://www.darwins-theory-of-evolution.com/
লেখক বলেছেন: কোন ওয়েবপেজ দিয়ে দিলেই হয় না। আপনার প্রশ্নের উত্তরে বিজ্ঞান সমাজের নিকট সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য পত্রিকা নেচারের লিংক দেয়া হয়েছে। আবার দেয়া হলো।
Click This Link
বিবর্তবাদ এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত । আপনি এর বিপরীতে প্রমান দিতে চাইলে নেচার, সাইন্স বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক -এরকম কোন গ্রহনযোগ্য প্রতিষ্ঠানের গবেষণা উপস্থাপন করুন।
জড় থেকে জীবের সৃষ্টি হতে পারে এর পক্ষে প্রমান দেবার চেষ্টা করুন। নেচার এর যে লিংক দিয়েছেন তাতে কোথাই আপনি এই প্রমান পেলেন? এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা যা দাবী করছেন, আপনি তার চেয়ে কিছুটা বেশি দাবী করছেন।
আর আমার দেয়া লিংক এর ব্যপারে বলি, কি লিংক দিয়েছি তা ব্যপার না। ব্যপার হচ্ছে সেখানে কি লিখা আছে। চেষ্টা করুন এগুলোর উত্তর দিতে।
সাদী বলেছেন:
@সীমন্ত ইসলাম। - ভাই, কারে কি বুঝান?? এরা এইসব অলিক সপ্ন ও মিথ্যাকে সাথে নিয়েই বেচে থাকতে চায়...।। সত্য এরা শুনতেও চায় না, বুঝতেও চায় না......।
এ. কে. এম. নেওয়াজ বলেছেন:
ধর্ম মানুষের যুক্তিশীল চিন্তার শক্তি নষ্ট করে দেয়। ধর্ম মানুষের প্রশ্ন করার ক্ষমতা কেড়ে নেয়। নতুন কিছু গ্রহন করার মানসিকতা ধংস করে দেয়।
সাদী বলেছেন:
......কেউ যদি এইটা ভাইবা শান্তি পায় যে, সে বান্দর থেইকা আসছে, তাইলে আর কি ই বা করার আছে...।। বিজ্ঞানিরা পাব্লিক এর সামনে মুলা ঝুলায়া রাকছে গত ১৫০ বছর ধইরা, কইতাছে আর কয়দিন এর মুদ্ধেই তারা পরমান করব, মানুশ বান্দর থেইকা আইছে। কিন্তু অইটা করতে করতে কেয়ামত আইসা পরব...। হা হা।।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














