১.
এসেই, ফিরে গেছো একা;
গোধূলীরাঙা রোদে পুঁড়ে
নিঃসঙ্গ অন্ধকারে হারাতে হারাতে
ডুবেছো কী ধ্বংসস্তূপে।
অথচ একদা
ভাদ্রের সাদা সাদা মেঘের আঁচলে
বেঁধেছিলে উচ্ছল উত্থল গাতকের গান।
দিন না ফুরাতেই স্তিমিতের গ্রাসে
কেবলই ফ্যাকাশে শ্যাওলার ঝোপে
নেভে এই দিনমান আলো।
ফেরার পথে আজ
ফুটেছে অগাথ ক্রন্দনমুকুল;
বোবাচাঁপা রাতের শরীরে
অদৃশ্য রক্তপাত। ক্ষয়ে ক্ষয়ে
ভিজে যায় নদী আর অধীরস্রোত।
২.
কোনো এক পূর্ণিমার রাতে
ঘরশূন্য পাখিদের আহতকান্নার স্বরে
তুমি কী শুনেছো, আমার নাম!
হঠাৎ স্বপ্নের চেয়ে নরোম সুরে
ডেকেছো আমার। ফেজবুকে
গলে যাচ্ছিল জোছনার জল
আর তোমার মুখছবি।
এঘর-ওঘরে পড়ে থাকা
রাতের স্তব্ধতার চাদরও; দুঃস্বপ্নে
শিউরে উঠেছিল তাই।
কেবল আমার শ্রবণকুন্ডে
অসংখ্য কালের স্তব্ধতার পাথর
অনড় পড়েছিলো কাল; তোমাকে চাঁদ ভেবে
ছুঁতে শিখিনি কখনো আমি।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


