পথে ইভটিজিং..কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি এবং পাশ্চাত্যের আদলের নারী স্বাধীনতার বিষময় ফল....
২৮ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০০
বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভয়াবহ সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যাধিটি হচ্ছে পুরুষ কর্তৃক নারী ইভটিজিং এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি শিকার।
ইসলাম নারীর স্বাধীনতা হরণ করেছে, নারীকে চার দেয়ালে মধ্যে অবরোধবাসিনী করে রেখেছে, তার অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে, পাশ্চাত্যের তথাকথিত বুদ্ধিজীবির ইসলামের বিরুদ্ধে ইত্যাকার অভিযোগ উত্থাপন করছে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে।
নারীর অধিকার নিয়ে আজকাল পৃথিবীর সর্বত্র সচেতনার নিদের্শনস্বরূপ সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্স হচ্ছে। নারীর অধিকার কায়েমে চতুষ্পদ প্রাণীর ন্যায় আচরণকারী পাশ্চাত্যের ধাপ্পাবাজদের কান্নাকাটি তাদের বাস্তব জীবনের ঘটনার সম্পূর্ণ উল্টো। বস্তুতঃ নারীর সমানাধিকারের শ্লোগানে নারীদের ঘর থেকে বের করে পর্দাহীন করার মাধ্যেমে তাদের সর্বস্ব লুন্ঠনই মূল উদ্দেশ্য। পাশ্চাত্যের নারী সমাজের চিত্র দেখলেই বুঝা যায় যে, সেখানে নারীর সমানাধিকার নামে নারীদের নানা কৌশলে জিম্মি করে তাদের জীবন অর্থহীন করে তুলছে। কুমারি মেয়ে গর্ভধারণ, স্ত্রীর অনুমতি ব্যতীত র্গালফেন্ড ও কর্লগালদের সাথে সর্ম্পক স্থাপন, বিবাহপূর্ব সর্ম্পক স্থাপন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গর্ভধারণ করে ভাড়া চুক্তির মাধ্যমে সন্তান জন্মদান, টাকার বিনিময়ে পণ্য-সামগ্রীর নগ্ন মডেল হিসেবে নারীদের অশ্লীল, নগ্নতা ও বেহাপনার প্রদর্শণ, সু্ন্দরি প্রতিযোগিতার নামে নারীকে বিবস্ত্র অবস্থায় উপস্থাপন, কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়ন ইত্যাদির কুকর্ম দ্বারা নারীর অধিকার কায়েম চলছে। পশুবৃত্তি জাহির করে পুরুষের মত নারীকে ফ্রি-সেক্স কালচারে অভ্যস্ত করে তোলাই কী নারী স্বাধীনতা? নারীকে কর্মে নিয়োগ দিয়ে জিম্মি করে ভোগ করাই কী নারী স্বাধীনতা? পণ্য-সামগ্রীর নগ্ন মডেল হিসেবে উপস্থাপন করে নারীর সম্মান ধূলিসাৎ করাই কী নারী স্বাধীনতা? নারীকে পর্ণগ্রাফির বস্ততে পরিণত করাই কী নারী স্বাধীনতা বা সমানাধিকার?
মানবতার স্বার্থে নয়, অর্থের বিনিময়ে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গর্ভ ভাড়ার ফ্যাশেনে অংশ গ্রহণ করেছে ইরাক যুদ্ধেরত মার্কিন সৈনিকদের স্ত্রীরা। স্বামী রণাঙ্গণে এ সুযোগে বিপুল অর্থ উর্পাজনের জন্য ও নিজেদের একাকিত্ব ঘুচানেরা জন্য মাত্র ৯/১০ মাসে তারা কামিয়েছে ২০,২৫, কিংবা ৩০ হাজার ডলার। গত ২০০৬ সাথে অর্থের বিনিময়ে গর্ভ ভাড়া নেয়া মহিলার সংখ্যা ছিল ২৬০ জন এবং গত ২০০৭ সালে তা বেড়ে দাড়িঁয়েছে ১০০০ জনের উপরে। সোসাইটি ফর এসিস্ট্যাড রিপ্রডাকটিভ টেকনোলজি সারা আমেরিকায় গর্ভ ভাড়া দেয়া-নেয়ার বিষয়টি মনিটরিং করছে। (তথ্য সূত্রঃ নিউজ উইক, ৭ এপ্রিল ২০০৮ ইং সংখ্যা)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন তার সেক্রেটারী মনিকা লিওনাস্কি। পরবর্তীতে এ নিপীড়ন নিয়ে নারীবাদী সংগঠনের মায়াকান্না ও মানবাধিকার প্রশ্নে হাজরো ঢাঁক-ডোল বাঁজানো এবং ইউরোপের নামকরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক অভিযোগকারিনী মনিকা নিওনাস্কিকে সেকেন্ড লেডী হিসেবে স্বীকৃতিই কী নারী অধিকার?
ওম্যান ভয়োলেন্স এন্ড মেইল পাওয়ার প্রকাশর ৫৭ নং পৃষ্টাতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শতকরা ৫০ ভাগ নারী ও বৃটেনের ৫৩ ভাগ নারী কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।
গত ৬ এপ্রিল ২০০৮ ইং রোজ রবিবার অস্ট্রেলিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল নাইন নেটওয়ার্কের জনপ্রিয় সিক্সটি মিনিট অনুষ্ঠানে সভ্যতার ইতিহাসে পারিবারিক সর্ম্পকের এক কলংকজনক দিক উন্মোচিত হয়েছিল পাপীষ্ট পিতা-কণ্যার অবাধ যৌন সম্পর্কের ফরে 'চেলেষ্ট' নামক এক অবৈধ সন্তানের জন্মদান কাহিনী। অনুষ্ঠানে পিতা জন ডেভিস এবং কণ্যা জেনি ডেভিস তাদের নিষিদ্ধ সর্ম্পকের বৈধতার দাবীর পাশাপাশি তাদের অবৈধ সন্তান চেলেষ্টের সামাজিক স্বীকৃতি দাবীও করেছে। " আমি জানি নিজ কণ্যার সাথে যৌন সর্ম্পক স্থাপন করা অবৈধ ও গুরুতর অপরাধ। কিন্তু কখনও কখনও বিবেক হার মানে আবেগের কাছে"- এ ভাবে টেলিভিশনে দর্শদের উদ্দেশ্যে নিজেদের মেলে ধরেন কণ্যা জেনি ডেভিস এবং অবৈধ চেলেষ্টের জন্মদাতা ৬১ বয়সী পিতা জন ডেভিস। যে পাশ্চাত্যে জীবনব্যবস্থায় আপন কন্যা সন্তানের সম্মান ও অধিকার খোদ জন্মদাতার দ্বারাই নিলজ্জতার সাতে হরণ করা হচ্চে সেখানে সাধারণ নারীদের সম্মান ও অধিকার কিরূপ ভয়াবহ তা বর্ণনাতীত।
সিএনএন পরিবেশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ২৯ শতাংশ আমেরিকান পুরুষ জীবনে ১৫ বা তারচেয়ে বেশি নারীর সাথে যৌন সর্ম্পক স্থাপন করে এবং ৯ শতাংশ নারী তাদের জীবনে ১৫ বা ততোধিক পুরুষের সাথে যৌন সর্ম্পক স্থাপন করে। ১৫ বছরের আগে যৌনতার স্বাদ উপভোগ করে ১৬ শতাংশ মেয়ে। (সূত্রঃ দৈনিক ইনকিলাব, ৪ এপ্রিল ২০০৮ ইং, পৃষ্টা-১৪)
১৯৯০ সালে বৃটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন যে, ১৯৭৯-১৯৮৭ সন পর্যন্ত নারী-পুরুষের অবৈধ মেলামেশার কারণে বৃটেনে ৪,০০,০০০ জন জারজ সন্তান জন্মগ্রহন করে। (সূত্রঃ ড. বাশীর বিন ফাহদ আল-বাশীর, আসালীবুল আলমানিইয়ীন ফী তাগরীবিল মারআতিল মুসলিমাহ, পৃষ্টা-৩৩৪)
পাশ্চাত্যের জীবন ব্যবস্থার সাথে ইসলাব আর্বিভাবের পূর্ব আইয়ামের জাহেলিয়াতের সাথে কোন পার্থক্য নাই। ইসলাম আর্বিভাবের পূর্বকালীন সময়ের অপকর্মের বর্ণনায়- "বিশ্বনবী" গ্রন্থে বলা হয়েছে- " তাদের আচরণে শয়তানও লজ্জা পেত"। আমি আমার লেখায় বলছি - " পাশ্চাত্যের এহেন কুকর্ম দেখে ইবলিশ লজ্জা পেলেও বাংলাদেশের সরকার, নারীবাদী সংগঠনগুলোর বেপর্দা নারী নেত্রীরা এমনকি মর্ডান ফ্যাশেনের জোয়ারে গা ভাসানো আধুনিক বাঙ্গালী ললনারা লজ্জিত নয়।"
আজকাল বাংলাদেশে ইভটিজিং বেড়ে গেছে যেমন তেমনি নারীদের বেহাপনাও বেড়েছে অস্বাভাবিক গতিতে। যে দেশের সিনেমা হলগুলো সয়লাব অশ্লীল আর নোংরা নগ্নতার বিনা বাধায় প্রচারের মাধ্যম, যে দেশের লীভ টুগেদার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে, বয়ফেন্ড-গার্লফেন্ড নিয়ে নাইট ক্লাবে মাতামাতি হচ্ছে, পোশাক ও আচরণে অনুসরণ করা হচ্ছে সাকিরা, ম্যাডানো আর জেনিফার লোপেজদের অনুকরণে। ইসলামি পর্দা প্রথাকে যে দেশের নারী সমাজ নারী স্বাধীনতা আর প্রগতির অন্তরায় মনে করছে সে সমাজে নারী লাঞ্চণা-গঞ্চণা শিকার হবেই এটাই মহাসত্য। মহান আল্রাহ পাক ঘোষণা করেছেন - " যারা আল্লাহ বিধান অস্বীকার করবে তাদের প্রতিফল পার্থিব জীবনে লাঞ্চনা-গঞ্চনা এবং কিয়ামতের দিন তারা কঠিন শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে।" (সূরাঃ আল-বাকারা, আয়াত-৮৫)
আল্লাহ পাক কোরআনের সূরা নূর এর ৩০-৩১ আয়াতে নর-নারীর দৃষ্টি সংযত ও নত করতে বলেছেন। "পুরুষরা যেন লজ্জাস্থানগুলো সাবধানে সংযত রাখে, মেয়েরা যেন তাদের সংযত রাখে এবং লজ্জাস্থানগুলো হিফাযত করে। সাধারণতভাবে যা প্রকাশ পায় তার অতিরিক্ত সৌন্দর্য প্রদর্শন করবে না এবং বেশ-ভূশা, অলংকার ও গহনা পরে মেয়েরা পর পুরুষের সামনে যাবে না।"
ইসলাম এভাবেই পুরুষদের নারীদের দিকে দৃষ্টিপাত হারাম ঘোষণা করে নারীদরে ইজ্জত-আব্রুর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান করেছে।
অথচ আজ বাংলাদেশে বিভিন্ন চ্যানেলে সুন্দরি প্রতিযোগিতা হচ্ছে, বাহারি ফ্যাশেন সো হচ্ছে, নগ্নভাবে নারীদের মডেল হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। যা ইসলামী বিধানে খেলাপ এবং পাশ্চাত্যে অনুসরণ। আর পাশ্চাত্যে অনুসরণীয় স্বাধীনতার বিষময় ফল হচ্ছে যৌন নিপীড়নের শিকার, যা এদেশের নারী সমাজ প্রতিনিয়ত হতে চলছে।
প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠান, প্রাইভেট কোম্পানীতে নারীদের অতি সৌন্দর্য প্রদর্শনের কারণে চাকুরি পাওয়া সহজ হয়। কিন্তু কেন, কোন উদ্দেশ্যে?
পরিশেষে ধিক্কার জানাই সেই যুবকদের যারা প্রতিনিয়ত ইভজিজিং অপরাধ করে যাচ্চে, সেই পুরুষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যারা কর্মস্থলে সহকর্মী নারীকে কাজে সহযোগিতার নামে, পদ উন্নতি ও বেতন-বোনাস বৃদ্ধি উসিলায় য়ৌন নিপীড়ন অপরাধ সংগঠিত করেছে। পক্ষান্তরে ততোধিক ঘৃণা সেই নারী সমাজকে যা প্রগতি ও স্বাধীনতার নামে পাশ্চাত্যের অশ্লীতা ও বেহাপনার পূজাঁরি এবং ফ্রি-সেক্স কালচারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। টাকার জন্য নিজের সত্তীত্ব বিক্রি করছে, পণ্য-সামগ্রীর নগ্ন মডেল হচ্ছেন। সবার সম্মালিত প্রচেষ্টায় সুন্দর ও কলংকহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ার মাঝেই মুক্তি নিহিত ইভটিজিং এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়ন অপরাধের।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
এস বাসার বলেছেন:
নৈতিকতার অবক্ষয় সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে ফেলেছে। মানুষ আর পশুতে কোন ভেদাভেদ নেই।
ভাবছি বসে একা বলেছেন:
নৈতিকতার অবক্ষয় সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করে ফেলেছে। আসুন নৈতিকতা পূর্ণ সমাজ গড়তে এগিয়ে আসি। +++++++++++++
অজগর বলেছেন:
ধিক নারি অধিকারের নামে যারা নারীদের পণ্য বানাচ্ছে আর যারা আধুনিকতার নামে তাদের পন্য হচ্ছে।ছবিতে কিসের প্রদর্শনী ভাই?মেয়েটির পরা 'আন্ডার ওয়ার' নাকি তার উরূর?হায়রে দেশ আমাদের!!
লেখক বলেছেন: ভাইরে দেশের একটি জনপ্রিয়তায় নাকি প্রথম এমন একটি দৈনিক পত্রিকাও এ "এন্ট্রি ড্রাগ ফ্যাশন শো এট গুলশান" আয়োজনে জড়িত।
মাদক ছাড়াতে কিনা নগ্ন নারীদের দিকে দৃষ্টিপাত দিতে যুবকসমাজকে উৎসাহ দিচ্ছে হয়তো!!!!!!!!
ইভটিজিং তো তাদের সমস্যা না মাদকই বড় সমস্যা মনে হয়েছে হয়তো। নানা মানুষের নানা মত!!!!
হায়রে জামানা! মাদক নেশায় বুদ না হয়ে নগ্নতায় বুদ হও!!!!!!!!!!!!!কী প্রচারণারে ভাই!!
ভাবছি বসে একা বলেছেন:
আমাদের সমাজ আজ কোন পথে? Click This Link
পরকীয়া-শিশু হত্যাঃ মা যথন সহযোগী !! কিন্তু কেন???
Click This Link
৩০ তরুণী লাঞ্ছিত এবং শিল্পী মাকসুদ নিষিদ্ধ
Click This Link
বাংলার দাদা বলেছেন:
লেখককে অনেক ধন্যবাদ এই রকম একটি ভাল ও সময় উপযোগী পোষ্ট দেওয়ার জন্য। কিন্তু নারী অধিকার নারী অধিকার বলে চিৎকার করছে কিছু মুর্খ এদেশীয় নারী এবং নপুংশক নর। নৈতিকতার অবক্ষয় হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াভহ হতে বাধ্য।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
সবই নৈতিক অবক্ষয়ের ফসল।।।==========================================
ঘরের অপ্রয়োজনীয় সব লাইট ফ্যান বন্ধ আছেতো? কোথাও কোন কল ছাড়া নেইতো?? একবার একটু চেক করে দেখুন না... বিদ্যুৎ এবং পানি সাশ্রয় করুন... দেশটাতো আমাদেরই। এই দেশটাকে বদলাতে হবেই। আমরা বদলাবো একে...
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন, আমিন।
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
+++
স্বাধীন জামিল বলেছেন:
নারিরা আসলে তাদের স্বাধীনতার অর্থ সম্পর্কেই জ্ঞান রাখে না । পুরুষ যা করে তা করার অর্থই যদি সাধিনতা হয় তাইলে সেটাই করতে দেয়া উচিত ।
বীর_যোদ্ধা বলেছেন:
রাস্তাঘাটের ক্ষ্যাত পুলাপানগুলাই এসব করে।
সহমত
amhabib বলেছেন:
পাশ্চাত্যের জীবন ব্যবস্থার সাথে ইসলাব আর্বিভাবের পূর্ব আইয়ামের জাহেলিয়াতের সাথে কোন পার্থক্য নাই। সহমত
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
"বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ভয়াবহ সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যাধিটি হচ্ছে পুরুষ কর্তৃক নারী ইভটিজিং এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি শিকার।"???
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
এইটাই "সবচেয়ে" ভয়াবহ?
সুমন অহেমদ বলেছেন:
এ পোষ্ট এর ব্যাপারে নারী আন্দোলনের নেত্রীরা কি বলেন?এদেশের লোলুপ পুরুষেরা নারীকে বের করে কোথায় নিয়ে যেতে চায় তা কি অজানা? ইতিহাস ঘাটলেই বোঝা যাবে যে পুরুষেরা নারীদেরকে ঘর হতে বের করে কোথায় নিয়ে যেতে চেয়েছে.... এবং পুরুষেরা সফল হয়েছিলো, এখানে বলা বাহুল্য যে লোলুপ পুরুষেরা সফল হয়েছিলো এবং বাংলাদেশের লোলুপ পুরুষেরাও সফল হবে। উন্নত বিশ্বের যে পরিসংখ্যান আপনি তুলে ধরেছেন তা এড়িয়ে যাবে লোলুপ পুরুষেরা... লোলুপ পুরুষেরা নারী আন্দোলনে সমর্থন যোগাবে, আর অবুঝ নারীরা মনে করবে সেইসব পুরুষেরাই(লোলুপ) তাদের কাছে শ্রেষ্ঠ!! তাদেরকে বোঝানো হবে তাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হচ্ছে.. এইটুকুই যথেষ্ট....
লোলুপ পুরুষ আর নারী আন্দোলনের নেত্রীরা কোথায়??
-----------------------------------------------
২০০৮ সালের মার্চ মাসে প্রথম আলোয় প্রকাশিতো কিছু কলাম নিয়ে লিখেছিলাম, সেইসব কলামে নারী আন্দোলনের অবুঝ নেত্রীরা নারী এবং লোলুপ পুরুষদের জাগ্রত করার চেষ্টায় ছিলেন। ঐ ধরনের কলাম প্রতিমাসেই লেখা হয়। ২০০৮ এর পর ঐসব কলামের কোনো আলোচনা বা সমালোনায় যাইনি!! এর মূল কারন, লোলুপ পুরুষ এবং নারী আন্দোলনের নেত্রীরাই সফল হবেন.... নারীদেরকে ঘর হতে বের করে সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অথবা লিটনের ফ্লাটেই নিয়ে যাওয়া হবে...
--------------------------------------------------
View this link
অস্থির পোলাপাইন বলেছেন:
নারীদের প্রতি শিশু খাদ্য প্রদর্শন বন্ধ করা...... ইভটিজিং আপনািন বন্ধ হয়ে যাবে।। মজাক পাইলাম..।
মালুর বাচ্চারা আইসা মাইনাস দিয়া গেছে।
নৈতিকতা লোপ পাইতে-পাইতে এখন এমন অবস্হায় গেছে যে, পোলা-মাইয়া ঘরে ঢুইকা দরজা আটকায় দেয় আর বাপ-মা জিগাইলে কয় গ্রুপ স্টাডি !!! কৈ যামু !!
আলআমীন নব্বই বলেছেন:
লেখাটা দীর্ঘ হচ্ছে আর পাঠক বিরক্ত হবেন বিধায় সংক্ষেপে লিখতে হয়েছে। অনেক নির্ভরযোগ্য তথ্যই লিখতে পারিনি। তবুও যারা আমার লেখা পুরোটা, অধের্কটা কিংবা কিছুটা পড়েছেন তাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।সম্মানিত মেয়ে ব্লগারদের মন্তব্য পেলে ভাল লাগতে। তাদের যুক্তিটা হয়তো জানা যেত। কিন্তু মেয়েরা যেন উদাও। আর আমি কাউকে খোঁচা দিয়ে লিখিনি। সমাজে নারীদের সঠিক পথটা উল্লেখ করেছি মাত্র। নারীরা যেন আমায় ভুল না বুঝেন। ধন্যবাদ।
সজিবহাসান বলেছেন:
আসলে আমাদের দেশে সব কিছুতেই টাকা ঢুকে পরেছে।যারা নারীর মুকতির কথা বলে তারা টাকা,ক্ষমতপাওয়ার জন্যই বলে।কিনতু আমরা কিছু না বুঝেই,কিছু জানার চেষটা নাকরেই ইসলামকে সব দোষ দেই।মাফ কর আললাহ।
খেপা দাদা বলেছেন:
কিছু বলার চেয়ে যদি আমরা সবাই মিলে কিছু করি সেইটা ভালো ।এখন আমাদের সময় এসেছে কিছু করার তাই কিছু করি না কেনো।
িশপু মাস্তান বলেছেন:
লিখে যেতে থাকেন আমিও আপনার সাথে আছি।
হঠাৎ তোমাকে পেলাম বলেছেন:
গত ১ আগষ্ট ২০১০, প্রথম আলো থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ফ্যাশন শো নাকি একটি মাদক বিরোধী প্রচারনা। পক্ষান্তরে তাতে মাদকের চাইতেও ভয়াবহ "যৌনতা" কে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। এক ঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা ছারা আর কিছুই নয়। ছেলেদের নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি মেয়েদেরকে ভোগের বস্তুতে পরিনত করা হচ্ছে ।
পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণে আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে তথাকথিত সুন্দরী প্রতিযোগীতা। এই প্রতিযোগীতা গুলো দেখলে আমার মনে হয় এগুলো আসলে উন্নতমানের পতিতা তৈরির প্রতিযোগীতা। গানের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল গায়ক হবে, অভিনয় প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল অভিনেতা/অভিনেত্রী হবে, নাচের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়ত ভাল নৃত্যশিল্পী হবে, কিন্তু একজন মেয়ে সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে উন্নতমানের পতিতা হওয়া ছাড়া আর কি হতে পারে?
বিশিষ্ট বিচারক একজন প্রতিযোগীকে কমেন্টস দিয়েছেন, "তোমার পারফরমেন্স ভালো হয়েছে তবে আজকে আমি তোমার যৌবনের আবেদনটা পেলাম না!!! "
এই ছবিটি লাক্স আনন্দধারা ২০০৪ এর। মাঝখানের মেয়েটির নাম ফারহিনা জুনায়েদ লিমি। তার বর্তমান অবস্থা খুবই করুন। নাটক মডেলিংয়ে সুবিধা করিয়ে দিবে বলে তার নগ্ন ছবি নেটে ছেড়ে দিয়েছে একটি চক্র।
মাইয়া শরীর দেখাইয়া বা শরীর বেইচা টাকা কামাইব..... আধুনীক বাবা মা এই সুযোগ হেলায় হারাবে কেন?'
এ ছাড়াও আমার মনে হয় এ সব পরিবারগুলো খুব দরিদ্র-শুধু মানসিক দিক দিয়ে নয়, অর্থনৈতিক দিক দিয়েও। ওদের রুটি রোজগারের ব্যবস্থা হয় ওদের মেয়েদের উপার্জনে। আর এ পন্থায় উপার্জন সবচেয়ে সহজ, কোন যোগ্যতাই লাগে না শুধুমাত্র শরীর দেখান ছাড়া।
এরা কিছুদিন পর নাটক-সিনেমা করবে। বলবে, "চরিত্রের প্রয়োজনে কম কাপড়ে আপত্তি নাই"। অবশ্য প্রতিযোগীতায় এসেই অনেকে সে ধারণা আমাদেরকে দিয়ে গেছেন। যাই হোক, অনেক মিথ্যা (!!!!) অপবাদের পর বিয়ে-সাদীও হবে। ৯০% ভাগের ঘর ৪/৫ বছরের মধ্যে ভেঙ্গে যাবে। তারপর ভরা যৌবণে শুরু হবে "একা থাকা"। আল্লাহ্ জানেন সেই "একা থাকা" আসলেই "একা থাকা" কিনা। নানা রকম কথা শোনা যায়, অনেকে আবার তাদের ("একা থাকা") বাজার-দর, দিবা/রাত্রি যাপনের বিভিন্ন আইটেমাইজড রেইটও জানেন (স্যরি, কেউ প্রমাণ চাইলে দিতে পারব না) কিন্তু পত্রিকায় আসে না এসব ব্যাপার। সিনেমা-নাটক পাড়ায় ব্যাপার গুলো হয়তো ওপেন সিক্রেট।
সুন্দরী প্রতিযোগিতা বর্তমান কর্পোরেট জগতে পুরুষদের ভোগ প্রবণতা উস্কে দেওয়ার কার্যকর পন্থা। যার টাকা আছে সে এই বাছাইকৃত সুন্দরীদের ভোগ করবে। আগের দিনের রাজা বাদশারা হেরেমে যা করতে সেটার আধুনিক সংস্করণ আর কি!
আজ আমাদের দেশের যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও ধংসের একটা বড় কারন হলো মেয়েরা তাদের ফাদে পা দিয়েছে । তারা তাদের থিওরী দিয়ে মেয়েদের ব্রেইন ওয়াশ করতে এবং পরিবার থেকে আলাদা করে ঘর থেকে বের করে আনতে সমর্থ হয়েছে । RJ নওসীনের উক্তি অনেকটা এরকম -
"স্বামীর সাথে ডিভোর্স হওয়াই আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।"
আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না। কোন্ এক অজানা কারণে যে তারা সুন্দরী প্রতিযোগীতার বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন না তা বোধগম্য নয়। এই মেয়েগুলো যে পণ্য হয়ে যাচ্ছে, বাজারজাত হচ্ছে সেদিকে তাদের কোন খেয়াল নাই। নাকি এই বেখেয়ালীপনাটা ইচ্ছাকৃত!!!!! অথচ কলামে, গোলটেবিলে, টক শো'তে এঁদের চাপাবাজিতে টিভি বন্ধ করে রাখতে হয়। যাই হোক, দেখেন, এই মেয়েগুলোরই কিন্তু আত্মসম্মানবোধ অনেক বেশি। কারও দ্বিতীয় বা তৃতীয় বউ হিসেবে নিজেকে কিন্তু জীবনেও মানবে না। অথচ দেদারসে নিজেকে বাজারে তুলে, অনেকের ভোগের বা ব্যবসার বস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
নারী আরও বেশী নিজেকে জানুক, নিজের শক্তি উপলব্ধী করুক, অন্যের লালসার হাত থেকে নিজেকে কি করে রক্ষা করতে হয় তা জানুক এই কামনাই করছি, জানি এই কামনার কোন ফল হবেনা ।
---সংগ্রহিত
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















