চক্ষু দৃষ্টি হচ্ছে শয়তানের বিষাক্ত তীরসমূহের একটি তীর............
হযরত আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন-"আমি মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, (যদি) তোমরা আমাকে ৬ টি বিষয়ে জামানত দাও তা হলে আমি তোমাদের জান্নাতের জামানত দিব। ৬টি বিষয় হলোঃ
১. তোমরা মিথ্যা বলবে না।
২. আমানতের খিয়ানত করবে না।
৩. অঙ্গীকার ভঙ্গ করবে না।
৪. চোখের দৃষ্টি নীচু রাখবে।
৫. কাউকে কষ্ট দিবে না।
৬. স্বীয় লজ্জাস্থান হিফাযত করবে।"
হাদীসটিতে যে ৬ টি গুণের প্রেক্ষিতে জান্নাতের জামানতের কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে চোখের দৃষ্টির হিফাযত একটি। এর চেয়ে বড় ফযীলত আর কি হতে পারে! তা ছাড়া আমাদের চক্ষু জান্নাতে বিশ্ব প্রতিপালক মহান রাব্বুল আলামীনের দীদারের জন্য অপেক্ষমান। কাজেই এ চক্ষুকে যাবতীয় হারাম দৃষ্টি থেকে কলুষমুক্ত রাখাই বাঞ্ছনীয় নয় কি?
চক্ষুর হিফাযতের বিনিময়ে ঈমান ও ইবাদতের স্বাদঃ
হযরত আবু উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-"যদি কোন মুসলমানের দৃষ্টি কোন নারীর সৌন্দর্যের প্রতি পড়ে এবং সে সাথে সাথে স্বীয় দৃষ্টি ফিরিয়ে নেয় তাহলে আল্লাহ পাক তাকে এমন ইবাদত করার তৌফিক দান করবেন যার স্বাদ সে নিজেই অনুভব করতে পারবে।" (মুসনাদে ইমাম আহমদ, বাইহাক্বী)
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-"দৃষ্টি হচ্ছে শয়তানের বিষাক্ত তীরসমূহের একটি তীর। যে ব্যক্তি (মনের ইচ্ছা সত্ত্বেও) ভয়ে দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখবে তাকে এর প্রতিদানে আমি এমন সুদৃঢ় ঈমান দান করব যার স্বাদ সে আপন হৃদয়ে অনুভব করবে।" (হামেক, তাবরানী)
চক্ষুর যিনাঃ
হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত হয়েছে যে, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-"আদম সন্তানগণ যে যতটুকু যিনার অংশে লিপ্ত হবে আল্লাহ পাক তা (অবশ্যই জানবেন বরং আগে থেকেই জানেন, এমনকি সে অনুসারে) লিখে রেখেছেন (আল্লাহ পাকের ভুল লিখা হয় না) যার পক্ষে যতটুকু লেখা আছে সে ততটুকু অবশ্যই করে থাকে। (যিনার অংশগুলো এই) চোখের যিনা হল (নাজায়েয) দৃষ্টি, মুখের যিনা হল (হারাম) কথাবার্তা বলা। অতঃপর মনে (অপকর্মের) আশা ও আকর্ষণ জন্মায় (আর এটা মনের যিনা) অতঃপর লজ্জাস্থান সেটাকে কার্যে পরিণত করে (আর এটা হল যিনার সর্বশেষ পর্যায়) অথবা সে প্রত্যাখ্যান করে।"
ইসলামী শরীয়তে ঘৃণ্যতম গুনাহ হল যিনা করা। কাজেই এর দ্বারা বুঝা গেল যে, কোন পরনারীর দিকে কু-দৃষ্টি দেয়া, পরনারীর সাথে বিনা প্রয়োজনে এবং নিছক মনের তৃপ্তির জন্য প্রেমালাপ জমিয়ে দেয়া, অনুরূপ ভাবে পরনারীর যে কোন অংশ স্পর্শ (এমনকি হাত ধরা) সবই গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। অন্য রিওয়ায়েতে রয়েছে-"মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-"তোমাদের কারো মাথায় লোহার বর্শা দিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া উত্তম, কোন পরনারীকে স্পর্শ করা থেকে, যাকে স্পর্শ করা হারাম।"
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।