আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশের এক ডালিম কুমার সজীব ওয়াজেদ জয়

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫

শেয়ারঃ
0 0 0

আমার দেশ পত্রিকার মন্তব্যে পাইছি বাংলাদেশের এক ডালিম কুমার আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বেশ কয়েক বছর বিদেশ থাকার পর যখন দেশে ফিরে এসেছিলেন, বিমানবন্দরসহ সর্বত্র তাকে দেয়া হয়েছিল সংবর্ধনা। শেখ হাসিনার ইচ্ছা ছিল তার উত্তরসূরি হিসেবে তারপরে জয়ই হবেন দলের প্রধান। কিন্তু রাজনীতিবিদের কঠিন দায়িত্ব জয় কী পালন করতে পারবেন? আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে তিনি যুক্তরাষ্টের জীবন যাপনে অভ্যস্ত এবং খুশি। যদিও বেশ কয়েকবারই তিনি সেখানে আইনের কঠিন আবদ্ধে ধরা পরেছেন। সাপ্তাহিক প্রোবে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন (২০০৭ সালের ১৭ই জুন আমাদের সময় ) মাতাল হয়ে গাড়ি চালানো, অবৈধ অস্ত্র এবং জয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাপন জয়কে খুব একটা পরিবর্তন করতে পারেনি। তার চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বেপরোয়া ভাব বার বার ফিরে এসেছে তার জীবনে। বিভিন্ন রেকর্ড খুঁজে দেখা গেছে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলাও হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মাতাল হয়ে গাড়ি চলানো, অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, রাডার ডিটেকশন ডিভাইসের অবৈধ ব্যবহার এমনকি অবৈধ অস্ত্র রাখা। এসব কৃতকর্মের জন্য তাকে কারাবাসও করতে হয়েছে, মোটা অংকের জরিমানাতো আছেই। শেখ হাসিনা যদি দলের ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে চিন্তা করে থাকেন, তবে জয়ের চেয়ে অনুপযুক্ত প্রার্থী তিনি পাবেন না। জয় মূলত অরাজনৈতিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে চলেছেন। তিনি বাড়িতে জনসাধারণের ভিড় একেবারেই পছন্দ করেন না। তাছাড়া রাজনীতির প্রতি তার অপছন্দও তিনি প্রকাশ করেছেন। আগ্রহ বা কৌতূহল নিয়ে শেখ মুজিবের নাতির সঙ্গে দেখা করতে আসা অনেকের সঙ্গেই জয় অবজ্ঞাপূর্ণ আচরণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করতে গিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আপাত কোনও সম্পর্ক জয় রাখেননি। তার মার রাজনৈতিক দলটির প্রতিও তার কোনও আসক্তি ল করা যায়নি, এমনকি দেশে তার পরিবারের সঙ্গে বসবাস করার ইচ্ছাও তার ছিল না। জয়ের জীবনে প্রেম ও বিয়ে শেখ হাসিনার শাসনামলে (১৯৯৬-২০০১) স্কুল জীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে জয়ের বাগদান হয়। কনে ভারতের এক শিখ পরিবারের মেয়ে। শেখ হাসিনা সরকারি সফরের নামে লন্ডনে গিয়েছিলেন বিয়ের কথা পাকা করতে। সঙ্গে গিয়েছিল আত্মীয়-স্বজন ও পারিবারিক বন্ধু-বান্ধব। আরও সঙ্গে নিয়েছিলেন ঢাকার বিখ্যাত ফখরুদ্দিন বাবুর্চির সহকারীদের। তবে তার একমাত্র শর্ত ছিল মেয়েকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। কিš' সেই মেয়ে এতে অস্বীকৃতি জানায়। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শেখ হাসিনা সেদিনই সকল অনুষ্ঠান বাতিল করে দেন। তিনি সারাদিনই হোটেলের কে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখেন এমনকি কারও সঙ্গে কথাও বলেননি। বিয়ের সেই অনুষ্ঠান আর হয়নি। কোনও অনুষ্ঠান না হওয়ায় অতিথিরা বিরিয়ানি না খেয়েই ঢাকায় ফিরে আসেন। জয় বর্তমানে মার্কিন নাগরিক ক্রিস্টিন অ্যান ওভারমাইন ওরফে ক্রিস্টিনা ওয়াজেদের সঙ্গে বিয়ের বদ্ধনে আবদ্ধ। ২৬ অক্টোবর ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের বিয়ে হয়। জনৈক রিচার্ড ডি লুমিসের সঙ্গে আগে ক্রিস্টিনের বিয়ে হয়েছিল বলে জানা গেছে। গুজব শোনা গিয়েছিল জয়-ক্রিস্টিনার তালাক আসন্ন। তবে সন্তান জন্মের কারণে সম্পর্কের টানাপোড়েন বা আলাদা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সম্ভবত এখন আর নেই। গ্রেফতার এবং অভিযোসমুহ ১৪ জুন ১৯৯৮, টেক্সাসের টারান্ট কাউন্টিতে জয় গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখা ও মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১২০ দিনের কারাবাস, ২৪ মাসের প্রোবেশন এবং ৫০০ ডলার জরিমানার আদেশ দেয়। ৬ ফেব্র“য়ারি ২০০৬, ভার্জিনিয়ার হ্যানোভার কাউন্টিতে গ্রেফতার হন জয়। তার বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়িচালানো এবং বেআইনিভাবে রাডার ডিটেকটর সঙ্গে রাখার অভিযোগ আনা হয়। সাজা একদিনের হাজতবাস এবং জরিমানা। ১৯ মার্চ ২০০০, ভার্জিনিয়ার ফেয়ারপ্যাক্স কাউন্টিতে জয় গ্রেফতার হন। বিচারে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত তাকে ৩০ দিনের সাসপেন্ডেড কারাবাস সঙ্গে ১২ মাসের প্রোবেশন ও ৪০০ ডলার জরিমানা করা হয়। এছাড়া ২৯ এপ্রিল ২০০১, ভার্জিনিয়ার রাপাহ্যানোক কাউন্টিতে এবং ২০ মে ২০০৪, আরলিংটন কাউন্টিতে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চলানোর দায়ে অভিযুক্ত হন জয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আদালতের খরচও জয়কেই বহন করতে হয়েছে। মা ক্ষমতায় আসার পরই জয়ের পোয়াবারো আওয়ামী লীগ মতায় আসার পর মা যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন, তখুনি জয় ব্যবসা শুরু করলেন। তার ব্যবসা ছিল টেক্সাস ভিত্তিক ইনফোলিংক ইন্টারন্যাশনাল (নভেম্বর ’৯৮ থেকে মার্চ ’০১) এবং নোভা বিডি ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি (মে ’৯৮ থেকে আগস্ট ২০০১) এর সঙ্গে। সমুদ্রতল দিয়ে ক্যাবল প্রজেক্টে নোভা বিডি ইন্টারন্যাশনালের এর মাধ্যমে তার সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল SEAMEWE-৪ -এর সঙ্গেও। কোনো এক মাহবুব রহমানকে সঙ্গী করে জয় টাইকো কম্যুনিকেশনের (ইউএসএ) সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। ২০০৫-এর মার্চে জয় ওয়াজেদ কনসাল্টিং ও সিম গোবাল সার্ভিস নামের আরও দুটো কম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে তা হয়েছিল আওয়ামী লীগের মতা চলে যাওয়ার পর। মজার বিষয় হল, এ দুটো কোম্পানির বার্ষিক বিক্রয়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৬১ হাজার ও ৩৫ হাজার ডলার। তারপরও জয় ২০০৬-এর ১২ মে তার নিজের নামে ৩৮১৭ বেল ম্যানর কোর্ট, ফলস চার্চ, ভার্জিনিয়া- এ ঠিকানায় ১০ লাখ ডলার দামের একটি বাড়ি কেনেন। এমনকি সেই বাড়ির মালিকানায় তার স্ত্রীর নাম ছিল না। তিনি ২ লাখ ডলার নগদ ও বাকি টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করেন। বাড়ির আসল মূল্য লুকাতে এখানে চতুরতার পরিচয় দিয়েছেন জয়। তার আগে অবশ্য জয় তার স্ত্রীসহ যৌথ মালিকানায় ৭ লাখ ৪৯ হাজার ডলার দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আরেকটি বাড়ি কিনেছিলেন। ব্যবসা যেন এক কাপ চা শেখ হাসিনা মতায় আসার পর জয়ের বোন সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের (পুতুল) স্বামী খন্দকার এম হোসেনও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা শুরু করেন। তবে কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি তার ব্যবসা গুটিয়ে নেন। তার ব্যবসাগুলোর মধ্যে উলেখযোগ্য ছিল, বাংলাদেশ মেটাল এন্ড পাইপস ট্রেডিং কর্পোরেশন, সোনালী ইনকর্পোরেশন, ডগস হোলসেল ইনক, আফসানা ইনক, এবং জাম্পি কর্পোরেশন। মনে হতে পারে, তাদের দুজনের (জয় ও খন্দকার এম হোসেন) কাছে ব্যবসাটা এক কাপ চায়ের মতোই। তবে দুজনের কেউই ব্যবসায় খুব একটা অর্থের মুখ দেখেননি। অথচ ব্যবসায় দুজন আর্থিক সঙ্কটে ভূগেছেন, এমনটাও শোনা যায়নি। হয়তো বা মায়ের আশীর্বাদেই। যুক্তরাষ্ট্রে পুতুল ও তার স্বামীর তিনটি বাড়িঠ সায়মা ওয়াজেদ হোসাইন, ডাক নাম পুতুল। শেখ হাসিনার কন্যা ও জয়ের ছোট বোন। স্বামী খন্দকার মাহাবুব হোসেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে তার উলেখযোগ্য পরিমাণে সম্পদ রয়েছে। হুট করে নয়, বিভিন্ন সময়ে ধীরেসুস্থেই তারা একটি একটি করে সম্পদের মালিক বনেছেন। আর এ কারণেই সব সময় আলোচনা-সমালোচনার আড়ালে থেকেছেন তারা। ব্যবসায়ে লাভের পরিমাণ নামমাত্র দেখালেও পুতুল ও তার স্বামী খন্দকার মাহাবুব বাড়ি কিনেছেন লাখ ডলার দিয়ে। তাও একটি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ফোরিডাতে তাদের দুজনের নামে রয়েছে তিনটি বিলাসবহুল বাড়ি। ৪৫৬ নর্থ বে পয়েন্ট ওয়ে, জ্যাকসনভিল, ফোরিডা। এটি একটি ছোট বাসভবন। মালিকানা পুতুল ও তার স্বামী দুজনেরই। ২০০৫-এর ১ নভেম্বর ২ লাখ ৪৫ হাজার ডলার ব্যয়ে তারা এটি মেরিল এন্ড প্রিসসিলা কিংয়ের কাছ থেকে কিনেছিলেন। ৮৪৫ ইয়র্ক ওয়ে, মেইটল্যান্ড, ফোরিডা। এটিও একটি ছোট পরিবার ঘরানার বাড়ি। মালিক দুজনেই। মূল্য ৩ লাখ ১১ হাজার ডলার। ২০৬৫ ডবলিউ ১১৯ এভিনিউ, মিরামার, ফোরিডা। এ ভবনটিরও মালিক স্বামী-স্ত্রী। কেনা হয়েছিল ’৯৮’র ২৮ অক্টোবর। বাড়িটির দাম তখন ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩শ ডলার।

ডিসক্লেইমার: এইটা আমি লেখি নাই। আমার দেশ পত্রিকার মন্তব্যে পাইছি। আমার নামে আবার ১০ হাজার কোটি ডলারের মামলা কইরেন না। কয়টা শুন্য দিলে দশহাজার কোটি হয় তাও জানিও না। :((

 

বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১১
গুতুদিয়া বলেছেন: আলিফ বা তা ছা
পুরান প্যাচাল -অফ যা।
জিম হা দাল জাল-
খালেদা নিজামি মারে ফাল।
রা জা সিন ষিন
কারন রাজাকারদের মরার দিন।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: কিয়ের লগে কি

৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১২
সুধাসদন বলেছেন: লেখাটি আমাদের সময়ে ছাপা হয়েছিল প্রোব ম্যাগাজিন থেকে অনূবাদ করে। জয়ের কোম্পানীর অর্থের উৎস সম্পর্কে এই পোস্টটি পড়ুন। http://ehhamida.amarblog.com/posts/29368
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮

লেখক বলেছেন: পড়লাম থ্যানকু

৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২১
রেজওয়ান বলেছেন: আসলেই লাখের হিসাব বড় জটিল। আদার বেপারীল জাহাজের খবর রাখতে গিয়েই যত সমস্যা।

১ লাখ ৫৪ হাজার ৩শ ডলার = প্রায় এক কোটি টাকা - অবশ্য এই টাকায় গুলশানে একটা ফ্লাটও পাবেন না। নিদেন পক্ষে ২-৩ কোটি টাকা দিতে হবে।

আমার চেনা কয়েক আত্মীয় আমেরিকায় পড়াশোনা করে চাকুরী করছেন - বছরে এক লাখ ডলারেরও বেশী আয় করেন। কাজেই স্বামী স্ত্রী দুইজনে আয় করলে এমন বেশ কয়েকটি বাড়ী কিনা সম্ভব।

আর যারা আমেরিকার মর্টগেজের কিস্তির ব্যাপারটি জানেন - তারা নিশ্চয়ই উপরের মন্তব্য পড়ে হাসছেন - কারণ মর্টগেজ সাধারণত অনেক বছর ব্যাপী হয় ১৫ বছর - ২০ বছর। কাজেই ব্যবসার আয়ের সাথে সেটির হিসাব মেলানোর প্রচেষ্টা তেমন পাকাপোক্ত হয় নি।

জয়ের ব্যবসার অ্যাকাউন্টসটা কি মন্তব্যকারী বানিয়েছেন?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: মাশাল্লাহ, বহুত দিন দেখলাম ভাইজান। কেমন আছেন? ব্লগে তাহলে আপ্নেরা সবসময়ই আছেন কিন্তু আওয়াজ দেন না। দেশে কত গুরুত্বপুর্ন বিষয় ঘটতেছে, ব্লগে পোস্ট হইতেছে সেইখানে আপনাগরে পাওয়া যায় না কিন্তু জয়ের মানসম্মান বাচাইতে একদম হাজির। মাশাল্লাহ।

এইবার আপ্নেরে একটা মজার তথ্য দেই ভাইজান, আম্রিকা সম্পর্কে এক্টু হইলোও জানি কারন ঐখানে আমার পরিবারের লোকজন বাস করে আর তারা নিজেরা বাড়িও কিনছে। আপ্নে মনে হয় জানেন না আম্রিকানরা কখখোন লাখের হিসাব করে না। আমা যেটারে লাখ কই সেটারে তারা হান্ড্রেড থাউজেন কয়। তো হানড্রেড এন্ড ফিফটি ফোর থাউজেনে চাইতেও কম রেটে লোকজনরে বাড়ি কিনতে শুনছি।

যাউকগা পুরাটা পইড়েন সময় কইরা। এই অংশটুকু পড়েন

২০০৫-এর মার্চে জয় ওয়াজেদ কনসাল্টিং ও সিম গোবাল সার্ভিস নামের আরও দুটো কম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে তা হয়েছিল আওয়ামী লীগের মতা চলে যাওয়ার পর। মজার বিষয় হল, এ দুটো কোম্পানির বার্ষিক বিক্রয়ের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৬১ হাজার ও ৩৫ হাজার ডলার। তারপরও জয় ২০০৬-এর ১২ মে তার নিজের নামে ৩৮১৭ বেল ম্যানর কোর্ট, ফলস চার্চ, ভার্জিনিয়া- এ ঠিকানায় ১০ লাখ ডলার দামের একটি বাড়ি কেনেন।

তো, এইসব গালগল্প হইলেও হইতে পারে কিন্তু তা বইলা আম্লিকের ফটকাবাজিরে ধামাচাপা দেয়া যাইবো না কোন ভাবেই। জয় রে বলেন নিজে মানহানির মামলা করতে। কোনহানকার কোন নাটোরের আম্লীকরে দিয়া মামলা করায় ক্যান?

তারেক জিয়ার নামে অভিযোগ উঠলে আপ্নেরা সব হৈ হৈ কইরা তারেক জিয়ারে চোর কইয়া ফালান ঐদিকে জয় এর নামে অভিযোগ উঠলে আপনাগো মহান নেতারা হুমকি দেয় আর বোমাহামলা করে। আর আপ্নেরা মহান দেশ প্রেমিকরা হটাত কইরা ভাষা হারাইয়া অফ মারেন (কিন্তু জয় এর মান সম্মান বাচাইতে ঠিকই দেরে করেন না।) এই না হইলে.........

৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৩
আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন: রাজনীতিবিদদের পোলা-পাইন একটু এমন হয়।আপনারা কিছু মনে কইরেনন।
৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৬
কানা-বাবা বলেছেন: এই জাতীয় খবর যখন আমার দেশ পত্রিকার ছাপিয়ে ভাল কোন পত্রিকাতে প্রকাশ হওয়া শুরু করবে তখন হয়তো ভেবে দেখব। ততদিন পর্যন্ত নয়। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান - এইটুকুই এই পত্রিকার গুরুত্ব নষ্ট করে দিতে যথেষ্ট।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ভাইজান, এই খবর আমার দেশে ছাপায় নাই।


সুধাসদন বলেছেন: লেখাটি আমাদের সময়ে ছাপা হয়েছিল প্রোব ম্যাগাজিন থেকে অনূবাদ করে।

৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪
রেজওয়ান বলেছেন: হাহা যুক্তিতে না পারলেই ব্যক্তি আক্রমণ। আমিতো শুধু খোঁড়া যুক্তির দিকেই আঙ্গুল দেখিয়েছি। এইসব আমাগো আপনাগো খেলা না খেলে মনটাকে একটু বড় করুন। রাজনৈতিক তোষণনীতির বাইরেও জীবন আছে।

আপনার উদ্ভাবনী শক্তি কত দুর পর্যন্ত যেতে পারে দেখা যাক। আমার সম্পর্কে যখন এতই জানেন তাহলে বলেন তো আজকে কোথায় কি দিয়ে ভাত খেয়েছি?
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: সুধাসদন বলেছেন: লেখাটি আমাদের সময়ে ছাপা হয়েছিল প্রোব ম্যাগাজিন থেকে অনূবাদ করে।

৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫
আমি ছাড়া সবাই ভাল বলেছেন: কানা-বাবা বলেছেন: এই জাতীয় খবর যখন আমার দেশ পত্রিকার ছাপিয়ে ভাল কোন পত্রিকাতে প্রকাশ হওয়া শুরু করবে তখন হয়তো ভেবে দেখব। ততদিন পর্যন্ত নয়। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান - এইটুকুই এই পত্রিকার গুরুত্ব নষ্ট করে দিতে যথেষ্ট।


কানাবাবা ধণ্য ।অপণৈর নিক ;)
৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০৯
লুথা বলেছেন:
ভাইরে এই পোস্ট দেওয়া উচিত হয় নাই...কখন যে কেডা আপ্নেরে মাইরা ফালায় :(

আঃলীগ এবং শিবিরের মাঝে আমি কোন পার্থক্য দেখি না...

শিবির রগ কাইটা , জবাই কইরা মানুষ খুন করে এবং আঃলীগ মানুষ পিটাইয়া খুন করে...

জয় জিন্দাবাদ... ;)
১০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪
ধীবর বলেছেন: কানাবাবার সাথে সহমত। ভালো কোন পত্রিকায় এটা ছাপাতে হবে। যেমন দুর্নীতির দায়ে কারাবাসকারি আতিকুল্লা মাসুদের জনকন্ঠ, গোড়া আওয়ামীভক্ত গোলাম সারওয়ারের সমকাল, আবেদ খানের কালের কন্ঠ, শ্যামল দত্তের ভোরের কাগজ, আলতামাশ কবিরের সংবাদ, রাজাকারপুত্র বাহাউদ্দিনের ইনকিলাব ইত্যাদি।

নইলে বাকি সব পত্রিকার খবরই ভুয়া বলে গণ্য হবে। হায়রে ! অনেকে মানুষ না হয়ে, হলো আওয়ামী লিগার।
১১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৪
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @কানা-বাবা:

বা;লাদেশের একটি ভাল পত্রিকার নাম দিন, প্লিজ.........!!!

আপনি নিশ্চয়ই "লিউ ইয়র্ক টাইমসে" ছাপা হবার আশা করছেন না, আর ইউ...??

১২. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৪
ও.জামান বলেছেন: জাতীর নাতি জয়ের বুদ্ধি আছে। মামার মতো ব্যাংক ডাকাতি করে নাই। বিদেশে বইসা কমিশন খাইছে। এইডারে ঘুষ কইতে পারবেন না, আবার টাকা পাঁচারের অভিযোগ ও করতে পারবেন না। সাবাস ভাইগ্না।
১৩. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬
লুথা বলেছেন: বুদ্ধিজীবী ওরফে পরজীবী ওরফে চামচাজীবীরা কোথায় ?? দেখতে পাচ্ছি না কেন ??

Click This Link
১৪. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
মইনুল িমঠু বলেছেন: ধীবর বলেছেন: কানাবাবার সাথে সহমত। ভালো কোন পত্রিকায় এটা ছাপাতে হবে। যেমন দুর্নীতির দায়ে কারাবাসকারি আতিকুল্লা মাসুদের জনকন্ঠ, গোড়া আওয়ামীভক্ত গোলাম সারওয়ারের সমকাল, আবেদ খানের কালের কন্ঠ, শ্যামল দত্তের ভোরের কাগজ, আলতামাশ কবিরের সংবাদ, রাজাকারপুত্র বাহাউদ্দিনের ইনকিলাব ইত্যাদি।

নইলে বাকি সব পত্রিকার খবরই ভুয়া বলে গণ্য হবে। হায়রে ! অনেকে মানুষ না হয়ে, হলো আওয়ামী লিগার।
১৫. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩
কিরিটি রায় বলেছেন: এক রিপোর্টেই তাদের যে হাল!!!!

তারেকের নামে প্রতিদিন স্বপ্নে পাওয়া রিপোর্টে বন্যায় পাতা ডুবাইয়াও তারেক রে ডুবাইতে পারে নাই....তাই আশরাফ সাহেব বুঝী নতুন ভং ধরছে.. তারেকের সাথে জয়ের তুলনা দিয়া বাজারে দর বাড়াইতে চাইতেছে....মাইনাস টু ফর্মূলা ...তত্ত্বে!!!


 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৬৫৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার ঘুলঘুলিতে চড়াই বসে যাত্রা শুনায় রে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই