বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা: রাজনৈতিক জীবনের প্রথমভাগে বাম রাজনীতির পথেই হেঁটেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর গোলাম আযম। কিন্তু দ্রুতই সে পথ ছেড়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়েন তিনি।
বাংলানিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে গোলাম আযম বলেন, যখন বুঝতে পারলাম বাম ধারার রাজনীতিকরা ধর্মে বিশ্বাসী নয়, নাস্তিক তখনই আমি এ পথ ছেড়ে দেই।
দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ১৯৫৩ সালে সে সময়কার প্রগতিশীলদের অন্যতম সংগঠক মাহমুদ আলীর নেতৃত্বে ডেমোক্রেটিক ইয়থ লিগে যোগ দেওয়ার কথা জানান গোলাম আযম।
তিনি বলেন, ‘সে সময়ে মেধাবীরাই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমিও তাদের সঙ্গে ছিলাম।’
সে সময়ের প্রগতিশীলদের মধ্যে মাহমুদ আলী, সরদার ফজলুল করিম, মো. তোহা’র নাম উচ্চারণ করেন গোলাম আযম।
বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে গোলাম আযম বলেন, সে সময় ছাত্র আন্দোলন কোনো দলীয় রাজনীতির অংশ ছিলো না। নির্বাচন করতে কোন রাজনৈতিক ব্যানারের দরকার হতো না। ষ্টুডেন্ট ফোরামের অধীনে নিজেদের নামেই নির্বাচন হতো।
‘নিজের নামে ইলেকশন করেই আমি ১৯৪৬- ৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ এএইচ হলের জিএস এবং এর পরের বছর ১৯৪৭- ৪৮’ এ ডাকসুর জিএস নির্বাচিত হই’, বলেন গোলাম আযম।
তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনও ছিলো ছাত্র-জনতার আন্দোলন, কোনো রাজনৈতিক দলের নয়।
ভাষা আন্দোলনে কিভাবে সম্পৃক্ত হলেন? এমন প্রশ্নে গোলাম আযম বলেন, ‘আমি ঢাকায় নয় রংপুরের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেই।’
ভাষা আন্দোলনের পরেই ১৯৫৩ সালে মাহমুদ আলীর গঠিত ডেমোক্রেটিক ইয়থ লীগে যোগ দেন রংপুর জেলার আহ্বায়ক হিসেবে। এসময় রংপুর কারমাইকেল কলেজের প্রভাষক ছিলেন গোলাম আযম।
তিনি বলেন, ‘যোগদানের কয়েক মাসের মধ্যেই জানতে পারলাম এরা ধর্মবিরোধী, আল্লাহ বিশ্বাস করে না, নাস্তিক তখনই বাম রাজনীতি থেকে ফিরে এসেছি। নিজেই হাজির হয়ে পদত্যাগ পত্র দিয়ে ডেমোক্রেটিক লীগ থেকে নিজের সব সম্পর্ক ছিন্ন করি।’
প্রগতিশীলতা থেকে সরাসরি ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দিকে ঝুঁকলেন, এমন প্রসঙ্গে গোলাম আযম বলেন, ‘পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গেও আমি ছিলাম। আর এক পাকিস্তান থাকলে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিসেবে আমরাই পাকিস্তানের নেতৃত্ব দিতাম।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুব ঘণিষ্ঠ হবার সুযোগ হয় নি। তবে এক সঙ্গে রাজনীতি করেছি। একই মঞ্চে বহুবার বহু জায়গায় বক্তৃতা করেছি।
‘নেতা হিসেবে শেখ মুজিবকে আমি শ্রদ্ধা করি, তার নেতৃত্বে একটা দেশ স্বাধীন হয়েছে, যার যা প্রাপ্ত তাকে তা দিতে হবে’, বলেন গোলাম আযম।
জামায়াতে যোগ দিয়েছেন কবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৫৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছি।
ঢাকা: রাজনৈতিক জীবনের প্রথমভাগে বাম রাজনীতির পথেই হেঁটেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর গোলাম আযম। কিন্তু দ্রুতই সে পথ ছেড়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দিকে ঝুঁকে পড়েন তিনি।
বাংলানিউজের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে গোলাম আযম বলেন, যখন বুঝতে পারলাম বাম ধারার রাজনীতিকরা ধর্মে বিশ্বাসী নয়, নাস্তিক তখনই আমি এ পথ ছেড়ে দেই।
দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ১৯৫৩ সালে সে সময়কার প্রগতিশীলদের অন্যতম সংগঠক মাহমুদ আলীর নেতৃত্বে ডেমোক্রেটিক ইয়থ লিগে যোগ দেওয়ার কথা জানান গোলাম আযম।
তিনি বলেন, ‘সে সময়ে মেধাবীরাই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আমিও তাদের সঙ্গে ছিলাম।’
সে সময়ের প্রগতিশীলদের মধ্যে মাহমুদ আলী, সরদার ফজলুল করিম, মো. তোহা’র নাম উচ্চারণ করেন গোলাম আযম।
বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে গোলাম আযম বলেন, সে সময় ছাত্র আন্দোলন কোনো দলীয় রাজনীতির অংশ ছিলো না। নির্বাচন করতে কোন রাজনৈতিক ব্যানারের দরকার হতো না। ষ্টুডেন্ট ফোরামের অধীনে নিজেদের নামেই নির্বাচন হতো।
‘নিজের নামে ইলেকশন করেই আমি ১৯৪৬- ৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ এএইচ হলের জিএস এবং এর পরের বছর ১৯৪৭- ৪৮’ এ ডাকসুর জিএস নির্বাচিত হই’, বলেন গোলাম আযম।
তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনও ছিলো ছাত্র-জনতার আন্দোলন, কোনো রাজনৈতিক দলের নয়।
ভাষা আন্দোলনে কিভাবে সম্পৃক্ত হলেন? এমন প্রশ্নে গোলাম আযম বলেন, ‘আমি ঢাকায় নয় রংপুরের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেই।’
ভাষা আন্দোলনের পরেই ১৯৫৩ সালে মাহমুদ আলীর গঠিত ডেমোক্রেটিক ইয়থ লীগে যোগ দেন রংপুর জেলার আহ্বায়ক হিসেবে। এসময় রংপুর কারমাইকেল কলেজের প্রভাষক ছিলেন গোলাম আযম।
তিনি বলেন, ‘যোগদানের কয়েক মাসের মধ্যেই জানতে পারলাম এরা ধর্মবিরোধী, আল্লাহ বিশ্বাস করে না, নাস্তিক তখনই বাম রাজনীতি থেকে ফিরে এসেছি। নিজেই হাজির হয়ে পদত্যাগ পত্র দিয়ে ডেমোক্রেটিক লীগ থেকে নিজের সব সম্পর্ক ছিন্ন করি।’
প্রগতিশীলতা থেকে সরাসরি ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দিকে ঝুঁকলেন, এমন প্রসঙ্গে গোলাম আযম বলেন, ‘পাকিস্তান আন্দোলনের সঙ্গেও আমি ছিলাম। আর এক পাকিস্তান থাকলে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিসেবে আমরাই পাকিস্তানের নেতৃত্ব দিতাম।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, খুব ঘণিষ্ঠ হবার সুযোগ হয় নি। তবে এক সঙ্গে রাজনীতি করেছি। একই মঞ্চে বহুবার বহু জায়গায় বক্তৃতা করেছি।
‘নেতা হিসেবে শেখ মুজিবকে আমি শ্রদ্ধা করি, তার নেতৃত্বে একটা দেশ স্বাধীন হয়েছে, যার যা প্রাপ্ত তাকে তা দিতে হবে’, বলেন গোলাম আযম।
জামায়াতে যোগ দিয়েছেন কবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৫৪ সালে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


