
বক্তব্য বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট কলামনিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ। গতকাল সৈয়দ আশরাফের এ বক্তব্যের প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। বেলা ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের প্রধান ফটকের পাশে তিনি এ কর্মসূচি পালন করেন। গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে সৈয়দ আশরাফ বলেন, পত্রপত্রিকায় লেখা হয় দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ করার কারণ নেই, দেখতে হবে কাউকে হত্যা করা হয়েছে কি-না। তিনি বলেন, ‘কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্ঘটনা ঘটালে তার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হলে আমাদের কিছু করার নেই। কেননা, দুর্ঘটনা হলো দুর্ঘটনা (একসিডেন্ট ইজ একসিডেন্ট)।
সৈয়দ আশরাফের এ বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে সত্য আগেই চলে গেছে। এখন দেখছি দয়া, করুণা ও সমবেদনার লেশমাত্রও নেই। গত তিন বছরে যে ১৭ থেকে ১৮ হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, মন্ত্রীর এ বক্তব্য তাদের আত্মার প্রতি চরম অবমাননার শামিল।
তিনি বলেন, সব সড়ক দুর্ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়। যোগাযোগ ক্ষেত্রে সীমাহীন অব্যবস্থা, দুর্নীতি, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, অপরাধীকে শাস্তির আওতায় না আনায় দুর্ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেয়া হলে নাগরিক সমাজ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে তিনি জানান।
সুত্র: মানবজমিন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

