আমার পরিচিতি
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪
ভূমিকা: প্রত্যেক মানুষেরই থাকে নিজনিজ পরিচিতি। ব্যক্তিপরিচয় মানুষের ব্যক্তিস্বত্তাকে জাগ্রত করে তোলে।
মানবজাতীর একটি অপরিহার্য(
) অংশ হিসাবে আমারও আছে একটি নিজস্ব পরিচয়। সামহোয়ারইনে আমার সর্বপ্রথম ব্লগে আমার পরিচিতিটুকুই যথাসম্ভব সংক্ষেপে তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রয়াস নিচ্ছি।
আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
আন্তর্জালীয় ভুবনে কেউ পরিচিত হয় নিজ নামে, কেউ ছদ্মনামে আবার কেউবা পরিচয় দেয় রংবেরং-এর রঙিন নামে। আমি সবগুলোর মধ্যেই সমতা বজায় রেখে আমার আন্তর্জালীয় নাম রেখেছি, যা আমার আসল নামেরই বাংলা প্রতিশব্দ।
আমার আন্তর্জালীয় নাম আলোকিত, আমার বসবাস আন্তর্জালের অলিগলিতে। বোঝাই যাচ্ছে আমার দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে গণকযন্ত্রের মনিটর আর কীবোর্ড নিয়ে গুতাগুতি করে। মাঝেমধ্যে বাসার বিভিন্ন কক্ষে পদব্রজে অভিযান চালাই আর একটু-আধটু বাইরের হাওয়া খেতে যাই।
সামহোয়্যারইনব্লগের সাথে পরিচয় হল যেভাবে: সামহোয়্যারইনব্লগ এর সাথে পরিচয় আমার আন্তর্জালীয় ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই। প্রায়ই এখানে বিভিন্ন ব্লগ পড়তাম এবং মনে মনে ভাবতাম- আমিও একদিন ব্লগ লেখা শুরু করবো। কিন্তু সে ভাবনা ভাবনাই থেকে যেত, কখনো বাস্তবে পরিণত হতো না।
আজকে হঠাৎ করেই লিখতে শুরু করলাম। কি লিখছি, কেন লিখছি আমি নিজেই জানিনা(কারণ আজকে রাতে ঘুম হয় নাই
)
আগ্রহের বিষয়সমূহ: জন্মের পর থেকে সব মানুষেরই আছে অজানাকে জানার প্রবল আগ্রহ। জীবন চলার পথে কারও আগ্রহ শুধুমাত্র পুঁথিগত বিদ্যায় কেন্দ্রীভূত হয়ে যায়, কেউ তার বাইরেও অনেক কিছু শিখতে চায়। এর সবই নির্ভর করে পারিপার্শ্বিক সমাজব্যবস্থা, চাহিদা-যোগান ও প্রাপ্ত সুযোগ-সুবিধার ওপর।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সকল শাখাতেই আমার প্রবল আগ্রহ। কিছু আগ্রহ সময়ে পরিবর্তিত হয়, কিছু আগ্রহ অপরিবর্তিত থেকে যায় এবং সেই সাথে যোগ হয় নতুন নতুন আগ্রহ যার মধ্যে কিছু পরিণত হয় দৈনন্দিন শখে।
অনেক আগে আমার শখের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বইপড়া, বাগান করা আর ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ। আর বর্তমান শখ হচ্ছে লিনাক্স, ফটোগ্রাফি আর কম্পিউটার বিষয়ক যাবতীয় কিছু। ভবিষ্যতে হয়তো আরও অনেক আগ্রহ শখে পরিণত হবে এবং সেইসাথে অনেক আগ্রহ অকালে মৃত্যুবরণ করবে সময় এবং সুযোগের অভাবে।
অনলাইন ব্লগিং এর জগতেও আমার আগমন এই আগ্রহ বা কৌতুহলের টানেই। ইন্টারনেটের অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগ সাইট হিসাবে সামহোয়্যারইন এর সুনাম বহুদিন ধরে। বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন চিন্তাধারার বাঙালী ব্লগাররা এখানে এসে ভিড় করে। স্থান-কাল-পাত্র ভেদে নিজস্ব চিন্তাধারাটাই এখানে মূখ্য হয়ে দাঁড়ায়। যার চিন্তাধারা যত উন্নত, যৌক্তিকতাপূর্ণ ও বিশ্লেষণধর্মী শুধুমাত্র সেই টিকে থাকবে এ অনলাইন ব্লগিং জগতে। অযৌক্তিক ও অবাস্তব চিন্তাধারা হারিয়ে যাবে কালের অতল গভীরে। আসবে নতুন ব্লগিং জেনারেশন, ক্রমে জনপ্রিয় হতে থাকবে অনলাইন ব্লগিং এবং সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের মতই চলতে থাকবে যাওয়া-আসার এ অবিরাম ধারা........ ... ....... ...........
উপসংহার: ![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
বাকি স্মাইলিগুলা গেল কই?? ![]()
![]()
লিখবোনা লিখবোনা করে অনেক কিছু লিখে ফেললাম! এইবার একটা বিশাল ঘুম দেই। সবাইকে ধন্যবাদ আমার প্যাঁচালীয় রচনা আগ্রহ বা অনাগ্রহ সহকারে পড়ার জন্য
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পরিচয়, সূচনা, আলোকিত, ভবঘুরে ঝড়, আবজাব ;
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
--------সেই দিনের সেই সুবোধ বালক আজ অনেক ব্যস্ত আর প্রফেশনাল হয়ে গেছে। সাহিত্যচর্চার সময় নাই তার ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আপনাদের লেখা পড়ে পড়েই সুন্দর লেখা শিখেছি। কাজেই সব ধন্যবাদ আপনাদেরই প্রাপ্য ![]()
(যদিও এই লেখার বেশিরভাগই বাংলা ব্যকরণ ও রচনাবিধি বই থেকে মাইরা দিছি, হেহেহে! *চাম হাসি*
)
লেখক বলেছেন: দেখি সময় করতে পারি নাকি!
আমার আবার স্বভাব খারাপ। কোনকিছুতে মজা পেলে নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে সারাদিন ওই কাজই করতে থাকি। কাজেই এই মুহূর্তে লেখালেখিতে বেশি মজা না পাওয়াই উত্তম! ![]()
আশাবাদী!! বলেছেন:
হু হু পরিশেষে স্বাগতম তবে ভাই আন্তজালীয় গনকযন্ত্র এসব কি খটোমটো শব্দ ব্যবহার করো?? এরকম শব্দ দেখলে পালাতে ইচ্ছা করে
লেখক বলেছেন: ভাই আমরাই যদি এই কথা বলি তাহলে নতুন প্রজন্মকে কি বাংলা শেখাবো??
আন্তর্জাল, গণকযন্ত্র শব্দদুটো সম্পর্কে কার কি ধারণা জানি না, তবে আমি কিন্তু এগুলো মোটেও ঠাট্টা করে দেইনি। হ্যাঁ বাংলা ভাষা থেকে ইংরেজি, আরবী, হিন্দী, ফারসি কখনোই পুরোপুরি দূর করা যাবে না... আমি তা চাইও না। আমি শুধু চাই আমার পছন্দের কিছু বাংলা শব্দে কষ্ট করে হলেও অভ্যস্থ হয়ে উঠতে।
আপনিও একটু চেষ্টা করে দেখুন?? বাংলা ভাষার প্রতি পর্যাপ্ত মমতাবোধ থাকলে আশা করি বাংলা শব্দগুলোকে ভালোবাসতে খুব একটা কষ্ট হবে না।
আমি বলতে চাচ্ছি না যে আপনি "কেদারায় পদযুগল তুলিয়া বাবুসাহেব অতিশয় আনন্দের সহিত পুস্তকখানা পঠন করিতে থাকিলেন" জাতীয় খটমটে বাক্য ব্যবহার করে লোকজনের ঠাট্টার পাত্রে পরিণত হোন বা সজ্ঞানে আঁতেল উপাধি অর্জন করুন। আমি চাচ্ছি আপনি আপনার বচনভঙ্গিতে আধুনিকতা মেনে চলুন এবং সেই সাথে বাংলা ভাষার শুদ্ধতা যথাসম্ভব বজায় রাখুন।
কাজটা কি খুবই কঠিন?? একটু ভেবে দেখুন, আশা করি বুঝতে সমস্যা হবে না। :-)
আশাবাদী!! বলেছেন:
ভাইরে এমন ভাবে নেও কেন? তুমি নিজেই বলো কম্পিউটারকে গনকযন্ত্র বলা কতখানি যুক্তিপূর্ণ।আমি নিজেও বাংলা শব্দ ব্যবহার পছন্দ করি, কিন্তু কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় ঢুকে যায় এটা মেনে নিতে সমস্যা নেই। আচ্ছা বলো খাঁটি বাংলা শব্দ বলে কিছু আছে নাকি? নেই কারন বাংলা ভাষা অন্য সংস্কৃতি, তৎসম অর্ধতৎসম, বিদেশী ইত্যাদি ভাষা থেকে বিকৃত অথবা পরিবর্তিত হয়ে এসেছে।
চেয়ার টেবিল চামচ এগুলো স্বাভাবিক হয়ে গেছে এখন সেগুলোকে বাদ দিয়ে কেদারা বা অন্যকিছু বলা হয়তো যায় কিন্তু গ্রহণযোগ্য কতোখানি
লেখক বলেছেন: হুমম ঠিক আছে। আসলে বহু তথাকথিত "প্রফেশনাল" ব্যক্তিদের ইংরেজির সঙ্গে বাংলা মেশানোর "আট্টিষ্টিক" প্রচেস্টা দেখলেই রক্ত গরম হয়ে ওঠে, অনুরূপভাবে রাগ ওঠে বাংলার নব "ষ্টাইলিশ", "খাইয়াল্লামু" ও "ম্যায় হিংলা হুঁ" জাতীয় সভ্যতার প্রতি।
সেই রাগটা ভুলক্রমে ভুল মানুষের উপর ঝেড়েছি আরকি। সেজন্য দু:খিত ![]()
আশাবাদী!! বলেছেন:
হুমম বিকৃত ব্যবহার আমারও ভালো লাগে না। বাংলা ভাষা এতোটা দৌন নয় যে এরকম বাজে গাইয়া অশিক্ষিতদের মতো কথা বলতে হবে।আমিও বাংলা ব্যবহারের চেষ্টা করি সর্বোত্ত কিন্তু তাই বলে ইংরেজী শব্দের আক্ষরিক বাংলা করা উচিত বলে মনে হয় না। আবার বাংলা থেকেও আক্ষরিক ইংরেজী করা উচিত না।
নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা... বলেছেন:
ঐ পিচ্চি...আমিওনা অম্নেই কথা বলি...হায় হায়...আমারে মারিস না...আসলে অভ্যাস হয়ে গেসে...
শুন ...লেখার অভ্যাস্টা রাখ.।দেখবি কত কাজে আসে.।.।রচনা যে ভাল লেখিস তাতো দেখলাম.।কিছু ভাব সম্প্রসারণ কর এইবার.।
ভাল থাকিস.।আর লেখিস ভাই.।



















সামহোয়ারইনের নতুন ক্যারিয়ার শুরু করায় অভিনন্দন।
--------সেই দিনের সেই পিচ্চি আজ অনেক বড় হয়ে গেছে আর অনেক দুষ্ট ...