আসুন কম খরচে পরিবেশ বান্ধব গাড়িতে চড়ি
বর্তমানে যানযট নিরাসনে সরকারের নানা মুখি উদ্যোগ কোন কাজেই আসছে না। মানুষ যেন দিন দিন ঢাকা শহরে পিপিলিকার সারির মতো পিল পিল করে ঢুকছে। আমরা যারা ঢাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করছি তাদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় এ সকল নয়অ আগান্তুকদের কারনে। তারা যেন আমাদের তাড়িয়ে দিয়ে পুরা ঢাকা শহরটাকেই দখল করতে চায়!
ঢাকার রাস্তার যানযটের অন্যতম কারন অতিরিক্ত রিক্সা। যাদের গতি মন্থর, চালকেরা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না, নিজেদের লাইনে ড্রাইভ না করে গাড়ির লাইন দখল করে বসে থাকে। স্পোকের মধ্যে স্পোক ঢুকিয়ে ১০ মাইল দীর্ঘ যান যটের সৃষ্টি করে। এই মন্থর গতির যান একদিকে যেমন যানজটের অন্যতম কারন অন্যদিকে ভাড়াও সর্বোচ্চ।
এদের অত্যাচারের কাছে আমরা যেন জিম্মি! মহল্লার মধ্যে এক কিলোর থেকেও কম দুরত্বে ১০-১৫ টাকার নিচে ভাড়া যেতে রাজি হয় না। রিক্সা হচ্ছে পৃথিবীর সব থেকে ব্যয়বহুল যানের মধ্যে একটি। জাপানের সুপারসনিক ট্রেন এবং প্লেনের ভাড়াও রিক্সা ভাড়া থেকে কম।
ঢাকার রাস্তায় গ্যাস চালিত সিএনজি গাড়ি চললেও তারা আলিবাবা চল্লিশ চোরের থেকেও ভয়ঙ্কর। তাদের মিটার থাকলেও কন্ট্রাকে ছাড়া কোথাও যেতে রাজি হন না। পরিবেশ দুষনের হাত থেকে ঢাকা শহরকে মুক্ত করতে সরকার সকল ডিজেল চালিত গাড়িকে গ্যাসে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করেছিলেন ঠিকই কিন্তু তখনও ভেবে দেখেন নাই যে বাংলাদেশে গ্যাসের মজুদ কতটুকু। ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার গৃহিণীরা রান্না করতে গ্যাস পাচ্ছেন না। টিম টিম করে জ্বলা আগুনে ভাত ফুটতে লাগে এক ঘন্টা। এমন জটিল পরিস্থিতিতে সরকার অসংখ্য পরিমান গ্যাস চালিত গাড়িকে পুনরায় তেলে চলার জন্য কোনই পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু আমাদের সরকারের ভাবটা এমন যেন পৃথিবীর সকল দেশকেই আমরা গ্যাস সাপ্লাই দিতে পারি আজীবন ধরে। কোন দিনই আমাদের গ্যাসের সংকট হবে না। একবার ভাবুনতো এই দেশ যখন গ্যাস শুন্য হয়ে পড়বে তখন ঢাকার আধুনিক এবং বিলাসি রমনীদের কি হবে? তারা কিভাবে রান্না করবেন; গুলশান, বনানীর এপার্টমেন্টে দেখা যাবে কাঠের চুলা, দেয়ালে থাকবে কালির দাগ আর গৃহিণীর মুখে থাকবে চুলার কালি! কাজের বুয়াকে দেখাবে পেত্নির মত!
এমনই সংকটময় মুহুর্তে দেশে এলো পরিবেশ বান্ধব যান, "অটোরিক্সা"। এই যানগুলো একদিকে যেমন শব্দ, ধোয়া এবং জ্বালানী বিহীন অন্যদিকে যাতায়াত খরচও অনেক কম। তিন কিলোমিটার রাস্তায় যেতে রিক্সাভাড়া যেখানে ৬০ টাকা সেখানে এই পরিবহনের ভাড়া মাত্র ১০ টাকা! রাত্রে ৫/৬ ঘন্টা ব্যাটারি চার্জ দিলেই ১২০ কি.মি পথ অনাসেই পাড়ি দিতে পারে ৪০-৫০ মাইল গতিতে। প্রতিদিন বিদ্যুত খরচ হয় মাত্র ২-৩ ইউনিট! এই সময়ের সবথেকে পরিবেশ বান্ধব যান "ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা"কে রেজিট্রেশন দিতে সরকারের যেন যতই আপত্তি। একবার তারা ভেবেও দেখেনা ব্যাটারি চালিত গাড়ি গ্যাসে চালিত গাড়ির থেকে কত মঙ্গলজনক; এছাড়াও বাজারে আসছে সৌর চালিত অটোরিক্সা। লোড শেডিংয়ের জামানায় সৌর চালিত গাড়ির কোন বিকল্প থাকবে না একথা কমলাপুর স্টেশনের পাগলটাও বুঝতে পারে শুধু আমাদের ক্ষমতাসীন সরকার ব্যতীত। যে কোন মূল্যেই ঢাকা শহরকে যানজন মুক্ত করতে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এজন্য সরকার ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সাকে রেজিট্রেশন এবং মেইন রোডে রিক্সা চলাচল বন্ধ করলে হয়তো ঢাকা শহরের যানজন ৮০% কমে যেতে পারে।
অথচ সরকারের এ ধরনের কোন পদক্ষেপই নেই। তারা পরিবেশ বান্ধব গাড়িকে অগ্রাধিকার না দিয়ে বরং তাদের ঢাকা থেকে বিতাড়িত করার তালে মত্তো। কারন একটাই, এই গাড়ি আমদানী করার সাথে সরকারের কোন মন্ত্রী মহোদয় হয়তো জড়িত নন। যদি জড়িত থাকতেন তাহলে গ্যাস চালিত সিএনজির মতো এসকল গাড়িই দ্রুত ঢাকার রাস্তায় শোভা পেত।
দ্বন্দ চলছে ঢাকা সিটি করর্পোরেশন এবং বিআরটিএর কর্মর্তাগণের মধ্যে। কারন দুজনেই রেজিস্ট্রেশন দিতে আগ্রহী কারন এখানে মালের গন্ধ আছে। কেউ এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। সিটি করর্পোরেশন বেশী মাত্রায় হাঁ করে আছে কারন তারা দীর্ঘ যুগ ধরে এই রেজিস্ট্রেশন বাবদ কিছু কামাতে পারেন না। একদিকে সরকার দলীয় আমলাগণ করছেন মাল কামানো টালবাহনা অন্যদিকে সুযোগ বুঝে এসকল গাড়ির ড্রাইভারের নিকট থেকে টু পাইস কামিয়ে নিচ্ছেন ট্রাফিক সার্জেন্টরূপি কাক তাড়ুয়া মার্কা ট্রাফিক পুলিশগন।
আমরা কি সেই ঢাকা শহর দেখতে পাব না, যেখানে থাকবে না কোন যানজন। এই প্রত্যাশাই সরকারের কাছে, যেন সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সকল পরিবেশ বান্ধব গাড়িগুলো স্বচ্ছন্দে রাস্তায় চলতে পারে।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।