somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ধর্ম শিক্ষা দেয় সম্প্রীতিরঃ সামু ব্লগ আমাদের কী শিক্ষা দেয়?
ইসলাম ধর্ম প্রচারের পাঁচশ' বছর আগে মহান আল্লাহ হজরত ঈশা আলাইহিস সাল্লামকে এ পৃথিবীতে প্রেরণ করেছিলেন। খ্রিস্টাব্দ শুরু হয় আল্লাহ'র এই প্রেরিত পুরুষের আবির্ভাবের পর থেকে। মহান আল্লাহ কর্তিক প্রেরিত সকল নবী-রসুল এবং তাঁদের ওপর নাজেল হওয়া আসমানী কিতাবগুলোর ওপর বিশ্বাস স্থাপন প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যিক। হজরত মুসা (আঃ), হজরত ঈশা (আঃ) এবং খাতেমুন নাবিয়ীন হজরত মোহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) নিশ্চিতভাবে হজরত ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ (আঃ) এর বংশধর। তাই রাসুল (সাঃ) এবং মূসা (আঃ) ও ঈশা (আঃ) এর অনুসারীরা ইব্রাহিম পরিবারের সদস্য।

ইহুদিদের ধর্মগ্রন্থ তাওরাতের মূল শিক্ষা হচ্ছে-''তোমার জন্য যা অপছন্দ কর, অন্যের জন্য তা পছন্দ করবে না।'' হজরত ঈশা (আঃ) বলেছেন, ''প্রতিশোধ না নিয়ে যে ক্ষমা করে, সেই তার অনুসারী।'' মহানবী (সাঃ) বলেছেন, ''সেই ব্যক্তি প্রকৃত মুসলমান, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মানুষ নিরাপদ।'' প্রকৃতপক্ষে সকল ধর্মই শান্তি ও সমপ্রীতির পক্ষে। এমন কোনো ধর্ম নেই যাতে অশান্তি সৃষ্টির প্ররোচনা আছে। বরং ওরকম তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাহলে নির্দ্বিধায় বলা যায়, কোথাও কোনো কারণে মানুষে মানুষে কিংবা সমপ্রদায়ে সমপ্রদায়ে সমপ্রীতির ঘাটতি দেখা দিলে, সেজন্য কোনো ধর্ম নয় বরং ধর্মহীনতাই দায়ী। এ ব্যাপারে কারো কোনো বিভ্রান্তি থাকা উচিত নয়।

একটি দেশের সমাজে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বাস করে। সেক্ষেত্রে দেখা যায়, কোনো ধর্মের মানুষ সংখ্যাগুরু আবার কেউ সংখ্যালঘু। ধর্মের গুরুত্ব ও লঘুত্বের মাপকাঠি নিয়ে কারো নাগরিকত্বের বিচার করা হয় না। দেশের সংবিধান সকল ধর্মের মানুষকে তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করার সমান অধিকার দেয়। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে ও নির্বিঘ্নে পালন করার অধিকার শুধু দেশের সংবিধানেই বিধৃত থাকে না, এটা তাদের স্বীকৃত সামাজিক অধিকার। এ অধিকারে অন্য কোনো ধর্মের লোক বাধা দিলে তা হবে বেআইনী এবং নৈতিকতা বিরোধী। কোনো বিবেকসম্পন্ন লোক তা সমর্থন করবে না।

বিশ্ব বহুজাতিক স্বাধীন দেশে বিভক্ত। এ দেশগুলোর সীমানা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত এবং সার্বভৌমত্ব স্বীকৃত। বর্তমানে এমন কোনো দেশ বা জাতি নেই যা ধর্মের জিগির তুলে সারা বিশ্বকে গ্রাস করতে বা একটা বিশেষ ধর্মের এক নেতার নিয়ন্ত্রণে আনার স্বপ্ন দেখতে পারে। যারা ওরকম স্বপ্ন দেখে এবং সেটার দ্বারা পরিচালিত হয়, তারা বাস্তবকে অস্বীকার করে মূর্খের স্বর্গে বাস করছে বলে মনে হয়।

আজ পর্যন্ত দেশে দেশে যতো সামপ্রদায়িক হানাহানি হয়েছে, তার কোনোটিতেই ধর্মের কোনো ভূমিকা ছিলো না। বরং ধর্মান্ধতা এবং ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞতা বা ভুল ধারণাই ওগুলোর পেছনে সক্রিয় ছিলো। হিংসা-প্রতিহিংসা, জিঘাংসা, পারস্পরিক হিংসা আর আগ্রাসী মনোভাব ইত্যাদি কোনো ধর্মীয় বিধানে নেই।

১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালে বলা হয়েছিলো, বিশ্ববাসীকে আরেকটি মহাযুদ্ধের বিভীষিকা থেকে অবশ্যই রক্ষা করা হবে। গড়ে তোলা হবে একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব। কিন্তু সে লক্ষ্য এখনো অর্জিত হয়নি। তাই এখনও বিশ্বের ২০টি দেশে জাতিসংঘের লক্ষাধিক শান্তিরক্ষী কাজ করে যাচ্ছে।

মনে রাখা উচিত, কেবল মাত্র পারস্পরিক হিংসা, প্রতিহিংসাসহ আরো অনেক কারণে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছে না। ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিপীড়ন, নির্যাতন, বঞ্চনা, অশিক্ষা-কুশিক্ষা, অস্ত্র ব্যবসা, অনাহার, রোগব্যাধি ইত্যাদি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যথাশীঘ্র এসব সমস্যার সমাধান অপরিহার্য।

আমরা বিশ্বের মানুষের সামগ্রিক অবস্থাটা যদি একটু গভীরভাবে চিন্তা করি, তাহলে তাই-ই দেখতে পাই। গোটা বিশ্বের ৮০ ভাগ সম্পদের মালিক মাত্র ২০ ভাগ মানুষ। প্রতিদিন এখানে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার শিশু পুষ্টিহীনতার কারণে বিভিন্ন রোগে মারা যায়। একজন ছাত্রের জন্য গড়ে বিশ্বে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়, তার ১০ গুণ বেশি ব্যয় হয় একজন সৈন্যের জন্য। এসব পরিসংখ্যান উদ্বেগজনক।

সমাজে শান্তি ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব মানুষেরই। প্রতিটি লোকের পবিত্র কর্তব্য হচ্ছে স্বদেশপ্রেম। এদিকে ৪০ বছর হয়ে গেল আমরা ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে মুক্ত হয়েছি। কিন্তু প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হতে পারিনি। তার কারণ হচ্ছে, আমাদের ব্যক্তি সংকীর্ণতা এবং দল ও শ্রেণীগত স্বার্থচিন্তা। দেশ ও জনগণের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আমাদের অনেকের মধ্যেই নেই। আমরা এদেশে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খৃষ্টানসহ আরো অন্যান্য ধর্মের লোক ধর্মীয় উৎসবের পর উৎসব পালন করে যাই। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা দেখি মানুষের প্রকৃত উন্নতি ও বিকাশ হচ্ছে না। তার কারণ হচ্ছে, আমরা নিজেদের স্বার্থে ধর্ম-কর্ম ভালোবাসি, অন্যের জন্য বিবেচনাবোধের তাগিদে নয়। অথচ দুস্থ, নিপীড়িত ও অধিকার বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলা, কাজ করা সব ধর্মেরই শিক্ষা। ধর্ম মানুষের মঙ্গলের জন্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও ধর্মে, বর্ণে, গোত্রে-গোত্রে যে বৈষম্য দেখা দেয় তা আমাদের মনে সামপ্রদায়িকতা সৃষ্টি করে। যা বর্তমানে অত্যন্ত ন্যাক্কার জনক ভাবে ভার্সুয়াল প্লাটফর্ম সামহোয়্যারইন ব্লগেও সংক্রামিত হয়েছে।

ধর্মকে নিয়ে বাড়াবাড়ির প্রয়োজন নেই। ধর্ম থাকবে ধর্মের জায়গায়, রাজনীতি থাকবে রাজনীরির যায়গায়। মহান আল্লাহতায়ালা মানুষ সৃষ্টি করেছেন তার সৃষ্টিকে রক্ষা করার জন্য। মানুষে-মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে সৃষ্টি ধ্বংসের জন্য মানুষকে তার প্রতিনিধি করে এ পৃথিবীতে পাঠাননি। তিনি বিশ্বে মানবজাতি সৃষ্টি করেছেন কল্যাণের জন্য, বিভিন্ন মতবাদ সৃষ্টি করে অকল্যাণ বয়ে আনার জন্য মানুষকে নির্দেশ দেননি। সামপ্রদায়িক সমপ্রীতি রক্ষা করে অসামপ্রদায়িক চেতনার ওপরই গড়ে উঠতে পারে মানবকল্যাণ।

সামহোয়্যারইনব্লগ শিক্ষিত শ্রেনীর একটা ভার্সুয়াল প্লাটফর্ম-এখানেও আমরা সংকীর্ণ স্বার্থে ধর্ম রাজনীতি টেনে এনে শিক্ষিত মানুষগুলোর কি কুতসিত মানষিকতাইনা প্রকাশ করছি! আসুন আমরা পারস্পরিক হিংসা বিভেধ ভূলে, যারযার ধর্মের বিধানকে সম্মান দেখিয়ে স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্বের বিষয় আপোশহীন থেকে সামুকে শিক্ষা সংস্কৃতি জ্ঞান অর্জন, বন্ধুত্ব আর ভালোবাসার বন্ধনের একটি আদর্শ পীঠস্থান হিসেবে গড়েতুলি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29311705 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29311705 2011-01-21 20:37:40
রহস্যদ্বীপ বাল্ট্রা
মহান আল্লাহ পাক এই পৃথিবীতে কত অজানা রহস্য লুকিয়ে রেখেছেন তার হিসাব আজও আমরা পাইনি আর ভবিষ্যতে পাব কিনা জানিনা। এমনই এক রহস্যের সন্ধান আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। আমরা যেন বুঝতে পারি এবং বিশ্বাস স্থাপন করতে পারি সেই মহান সত্ত্বার যিনি সৃষ্টিকর্তা, সর্ব শক্তিমান, পরম করুনাময়, দয়াময়, মাশীল, শেষ বিচার দিনের মালিক....।

প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের অনেক রহস্যই এখনো উম্মোচিত করা সম্ভব হয়নি। এমনই অদ্ভুত রহস্যেঘের এক দ্বীপ বাল্ট্রা। বাল্ট্রা মূলত মানববসতিশূন্য একটি দ্বীপ। দণি আমেরিকার ইকুয়েডরের নিকটবর্তী ১৩ টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ। আর এই ১৩টি দ্বীপের একটিই হচ্ছে বাল্ট্রা। কিন্তু এখানকার অন্য ১২টি দ্বীপ থেকে বাল্ট্রা একেবারেই আলাদা, অদ্ভুত এবং রহস্যময়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কৌশলগত কারণে এই দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দ্বীপে এয়ারবেস স্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। তখনকার এয়ারবেসের একজন অফিসার ফ্রান্সিস ওয়াগনার এর মাধ্যমেই বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে বাল্ট্রা দ্বীপের অদ্ভুত চরিত্রেক কথা। এরপর অনেকেই এই দ্বীপের রহস্যময় আচরণের কথা স্বীকার করেন। এটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দ্বীপপুঞ্জ হওয়ায় এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো বৃষ্টির এক ফোঁটাও পড়েনা বাল্ট্রাতে। কী এক রহস্যজনক কারণে বাল্ট্রার অনেক উপর দিয়ে উড়ে গিয়ে অন্য পাশে প্রড় বৃষ্টি। বাল্ট্রা অর্ধেক পার হওয়ার পর অদ্ভুতভাবে আর এক ইঞ্চিও এগোয়না বৃষ্টির ফোঁটা। বৃষ্টি যত প্রবলই হোক এ যেন সেখানকার এক অমোঘ নিয়ম। বাল্ট্রাতে এলেই অস্বাভাবিক আচরণ করে নাবিক বা অভিযাত্রীর কম্পাস। সব সময় উত্তর দিক নির্দেশকারী কম্পাস এখানে কোন সময় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, আবার দিক-নির্দেশক কাঁটা ইচ্ছামতো ঘুরতে থাকে অথবা উল্টাপাল্টা দিক নির্দেশ করে। সবচেয়ে রহস্যজনক ব্যাপার হলো বাল্ট্রা দ্বীপের উপর প্লেনে থাকাকালীন সময়েও এমন অদ্ভুত আচরণ করে কম্পাস। আবার দ্বীপ পার হলেই সব ঠিক।

বাল্ট্রার আরেকটি অদ্ভুত দিক হলো- এর "মানসিক" দিক। অন্য বারোটি দ্বীপের তুলনায় "মৃত দ্বীপ" বাল্ট্রায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে কারো মাথা অনেক হালকা হয়ে যায়। অজানা অচেনা কোন এক জায়গায় হারিয়ে যাওয়ার আশ্চর্যরকম ভালো একটা অনুভূতি আচ্ছন্ন করে ফেলে মনকে। বেশিণ এ দ্বীপে থাকলে দ্বীপ থেকে চলে আসার পর কিছুদিন সেই আশ্চার্য অনুভূতি থেকে যায়। পরে অবশ্য আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়।

অদ্ভুত দ্বীপ বাল্ট্রায় কোন বৃ নেই। নেই কোন পশুপাখি। কোন পশুপাখি এ দ্বীপে আসতে চায় না। দ্বীপের রহস্যময়তার আবিষ্কর্তা ওয়েগনার জোর করে কিছু প্রাণীকে বাল্ট্রা এবং এর পাশের দ্বীপ সান্তাক্রুজের মধ্যবর্তী খালে ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু দেখা গেল বাল্ট্রাকে এড়িয়ে সান্তাক্রুজের ধার ঘেঁষে চলছে প্রাণীগুলো। শুধু তাই নয়, উড়ন্ত পাখিগুলোও উড়তে উড়তে বাল্ট্রার কাছে এসেই ফিরে যাচ্ছে। দেখে মনে হয়, যেন অদৃশ্য কোন দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে ওরা।

বাল্ট্রা দ্বীপের এ রকম অদ্ভুত আচরণের কোন গ্রহণযোগ্য কারণ এখনো কেউ খুঁজে পায়নি। তবে কারো কারো মতে এখনে কোন অস্বাভাবিক শক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যার প্রভাবে এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটছে। বিজ্ঞানীরা আজো এ রহস্যের কোন কুলকিনারা করতে পারেনি।

এর রহস্য শুধুমাত্রা আল্লাহ পাকই জানেন, কারন তিনি তাঁর পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করেছেন,

"আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে নিদর্শন রয়েছে বিশ্বাসীদের জন্য। তোমাদের সৃজনে এবং জীবজন্তুর বংশ বিস্তারে বিশ্বাসীদের জন্য নিশ্চিত নিদর্শন রয়েছে। নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য রাত ও দিনের পরিবর্তনে, যে বারিবর্ষন দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন তাতে এবং বায়ুর পরিবর্তনে। এগুলি আল্লাহর আয়াত যা তিনি তোমার নিকট আবৃত্তি করেছেন যথাযথভাবে সুতরাং আল্লাহর আয়াতের পরিবর্তে ওরা আর কার বাণীতে বিশ্বাস করবে? দুর্ভোগ প্রত্যেক ঘোর মিথ্যাবাদী পাপীর। যে আল্লাহর আয়াতের আবৃত্তি শোনে অথচ ঔদ্ধত্যের সঙ্গে নিজ মতবাদে অটল থাকে যেন সে তা শোনেনি। ওকে সংবাদ দাও মর্মন্তুদ শাস্তির; যখন আমার কোন আয়াত সে অবগত হয় সে তা নিয়ে পরিহাস করে ওদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি। ওদের জন্য জাহান্নাম প্রতীক্ষা করছে; ওদের কৃতকর্ম কোন কাজে আসবে না,ওরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের অভিভাবক স্থির করেছে তারাও নয়। ওদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি। কোরআন সৎপথের দিশারী, যারা তাদের রবের নিদর্শনাবলী প্রত্যাখ্যান করে তাদের জন্য রয়েছে মর্মন্তুদ শাস্তি। আল্লাহ তো সাগরকে তোমাদের অধীন করেছেন, যাতে তাঁর আদেশে জলযানসমূহ চলাচল করতে পারে এবং যাতে তোমরা সদুদ্রবে তাঁর অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং তাঁর কৃতজ্ঞ হও। তিনি তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সমস্ত কিছু নিজ অনুগ্রহে, চিন্তাশীল স¤প্রদায়ের জন্য এতে রয়েছে নিদর্শন। বিশ্বাসীদের বল, তারা যেন মা করে ওদের- যারা আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে না; এ জন্য আল্লাহ প্রত্যেক স¤প্রদায়কে তার কৃতকর্মের শাস্তি দেবেন।" (সূরা জ্বা-ছিয়া, আয়াত ৩ থেকে ১৪)

আসুন আমরা সেই সত্ত্বার পানে মাথা নত করি যাঁর কাছে আমাদের প্রত্যাবর্তন। আমীন




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29139386 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29139386 2010-04-21 21:21:36
মেয়েরা নিজেদের ভাবেটা কি?
ঘরের আসবাবপত্র গোছগাছ করছি এমন সময় নজরে এল একটা সিমকার্ড ক্রয়ের ডকুমেন্ট। ভাল করে নেড়ে চেড়ে দেখলাম ২০০৭ সালের ১৪ জুন ওয়ারিদের ধানমন্ডি শাখার কাষ্টমার কেয়ার থেকে আমার নামে একটা সিম কিনেছিলাম ওটা তারই ডকুমেন্টস। মনে মনে একটু খুশী হলাম কারন সীমটা আমি হারিয়ে ফেলেছি, তাছাড়া ওয়ারিদের বন্ধ সীম চালু করলেই নাকি ১২০০ টাকা বোনাস আসে!! ওয়াও মনের মধ্যে আনন্দের ঘনঘটা কদম ফুলের মত দুলতে শুরু করল।

কলেজ পড়ুয়া মোবাইল স্পেশালিষ্ট ছোট ভাইয়াকে ডকুমেন্টসটা দিয়ে দৈনিক বাংলার মোড়ে ওয়ারিদের কাষ্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে সিমটা তুলে আনার পরামর্শ দিলাম। এরই মধ্যে আমার ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার ড্রাইভার রুবেল হোসেন হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এল এবং ওর মোবাইলটা ভাইয়ার পড়ার টেবিলে রেখে কারেন্টের বেগে বাথরুমে ঢুকে গেল। ভাইয়া কৌতুহল বশতঃ ড্রাইভারের মোবাইল সেটটিকে হাতে নিয়ে আমার ডকুমেন্টসে রক্ষিত সিম নম্বরে একটা কল দিল।

রিং বাজতেই ভাইয়া কিছুটা অবাক হয়ে; হ্যালো কে বলছেন প্লিজ;
অপরপ্রান্ত থেকে মেয়েলি কন্ঠেঃ আপনি কাকে চাচ্ছেন?
- না মানে এই সিমটাতো আমার ভাইজানের
- ও হো হো; ভাইজানের সিম; সুন্দরী মেয়েদের সাথে মোবাইলে কথা বলার বাহানা?
- না দেখুন আপনি যা ভাবছেন তা নয়,
- চুপ কর; ব্যাটা ফাজলামো করার জায়গা পাস না;
- ????????
ওপাশ থেকে লাইনটা কেটে গেল। রুবেল হোসেন যথারীতি বাথরুম থেকে বের হয়ে মোবাইলটা নিয়ে নিজের ডিউটিতে চলে গেল। তার মোবাইল থেকে যে কারো সাথে কথা হয়েছে তা তার অজানাই থেকে গেল। কারন লাজুক ভাইয়া ভ্যাবাচেকা খেয়ে ওকে আর কিছু বলল না।

দুপুরে আমাকে শুধু বলল, ভইজান আপনার সিমটা একটা মেয়ে ব্যবহার করছে। আমি ফোন দিয়েছিলাম সে ভাবছে আমি তাকে ডিস্টার্ব করার জন্য ফোন করেছি।

আচ্ছা আমি দেখছি তুই যা। এবার আমার সেট থেকে ফোন দিলাম।
- আসলামু আলাইকুম আপু,
- কে বলছেন ?
- আপু আমি মামুন; নাম বললে হয়তো চিনবেন না। আমি আসলে জানতে চেয়েছিলাম আপনার কাছে যে সিমটা আছে ওটা আপনি কোথায় পেয়েছেন?
- কোথায় পেয়েছি মানে? এটাতো আমার সিম দুই বছর ধরে ইউজ করছি।
- আপনার সিম!! কিন্তু এটার রেজিষ্ট্রেশনতো আমার নামে; আমি ওটা হারিয়ে ফেলেছিলাম অনেক আগে।
- এই ব্যাটা আমি কি চোর? ফাজলামো করার জায়গা পাস না;
- ????????????? !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
- দেখুন আপনি কিন্তু আমার সাথে মিস বিহাব করছেন, আমি শুধু আপনাকে বললাম সিমটা আমার নামে রেজিষ্ট্রেশন, এর মধ্যে আপনি ফাজলামোর কি দেখলেন?
- তোদের মতো শয়তানকে আমি ভাল করে চিনি, মেয়ে মানুষের গলার স্বর শুনলে তোদের মনে কু'মতলব আসে।
- এক্সকিউজ মি! আপনি ভদ্রভাবে কথা বলুন। আপনি আমাকে যে টাইপের পাবলিক ভাবছেন আমি তা নই। আমাকে শুধু বলুন এই সিমটা আপনি কোথায় পেলেন?
- চড়ায়ে তোর গালের দাঁত সব ফেলে দিব, ফাজলামো করার আর জায়গা পাস না?

সুন্দরী রমনী (পেত্নী সুন্দরী) অপরপ্রান্ত থেকে লাইনটা কেটে দিল। কয়েকবার রিং দিলাম ধরল না। বাধ্য হয়ে একটা এসএমএস করলামঃ

"আপনি কি ভদ্র ঘরের সন্তান না- কি বেশ্যা? আমি কি আপনাকে কখনো ডিষ্টার্ব করেছি? আপনি কাকে চড় মারতে চেয়েছেন জানেন? সবাইকে এক পাত্রে মাপেন? যদি আমি প্রমান করতে পারি যে এই সিমটি আমার নামে রেজিষ্ট্রশন তাহলে মিস বিহাব করার জন্য আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় মিসবিহাব করার জন্য আমি একশান নিব। আমি কোন টিনএজার নই। আমার ঘরে বউ ছেলে-মেয়ে আছে, সুতরাং আমি আপনাকে একটা উচিত শিক্ষা দিব। তৈরী থেকেন।"

এসএমএসটা সেন্ড করেই হঠাৎ মনে পড়ল আমার অফিসের বস (একজন নিয়মিত আপারক্লাস ব্লগার) আমাকে একটা ওয়ারিদের সিম কিনে দিতে বলেছিল, কাকে যেন দিবে। এটি সেই সিম নয় তো? কন্ঠস্বরটা স্যারের কোন রিলেটিভের নয়তো? বেশ চিন্তিত হয়ে স্যারকে ফোন করে সব খুলে বললাম। স্যার মনে করতে পারল না তাই নম্বরটা দিলাম যেন কথা বলে নিশ্চিত হতে পারে মেয়েটি স্যারের কোন আত্মিয় কি-না।

স্যার ফোন করলেনঃ
- হ্যালো কে বলছেন প্লিজ!
- আপনি কাকে চান?
- আমি হুমায়ূন কবির, আমি আসলে এনশিওর হতে চাচ্ছি আপনি আমার পরিচিত কি না।
- আমি কোন হুমায়ূন কবির টবির চিনি না। মেয়েদের সাথে কথা বলার বাহানা খুজেন?
- সরি, আমি বয়সে হয়তো আপনার বাবার বয়সিই হব। এই বয়সে আপনার সাথে ফালতু কথা বলার কোন সদইচ্ছা আমার নাই।
- প্রথমে সবাই এমন কথাই বলে এর পরে বের হয় আসল চেহারা।
- দেখুন আপনি ভুল বুঝছেন, পিতার বয়সি কোন ভদ্রলোক তার মেয়েকে নিশ্চয়ই মোবাইলে ডিষ্টার্ব করবে না।
- আপনার মতো বুইড়াগুলো আরো বেশী শয়তান হয়।
- আপনি এসব কি বলছেন? অভদ্রতার একটা সীমা আছে;
- এই ব্যটা বুইড়া ভাম, মোবাইলে মাইয়াগো জালাস আর আমারে আইছ ভদ্রতা শিখাতে;;
- ?????????????????????;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;!!!!!!!!!!!!!!!!!!

ওপাশ থেকে লাইনটা কেটে যায়। একটু পরে স্যার আমাকে বিষয়টি জানায়। মনের দুঃখে হাসব না কাঁদব তা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। মনের মধ্যে সেই টগবগে তারুণ্য খোঁচা মেরে বলতে লাগল, মেয়েটিকে ফোন করে করে হয়রান করে ফেল; ওকে বুঝিয়ে দে অভদ্রতা কাকে বলে। পরে ভাবলাম কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়?

ঘন্টাখানেক পর মেয়েটি আমার ড্রাইভারের মোবাইলে ফোন দেয়।
- হ্যালো কে বলছেন?
- কে বলছি চিনতে পারছিস না; চিনবি একটু পরে।
- আপা আপনি কি কন আমিতো কিছু বুঝতাছি না।
- খাড়া বুঝবি অহন, জিডি করতাছি থানায় এক্ষুণি তোকে গাড়ি নিয়ে ধরতে আসব।
ড্রাইভার ভিত স্বরেঃ
- ক্যান আপা, আমি কি দোষ করেছি?
- ফোন করে মাইয়াগো বিরক্ত করছ আর এহন কইতাছস আমি কি করেছি, শক্ত কথা শুইনা এহন সাধু হইয়া গেছ।
- আপা আমিতো কিছুই বুঝতাছি না।
- তোদের মতো শয়তানদের কি করে শায়েস্তা করতে হয় তা ভাল করে জানা আছে।
- ?????????????

লাইনাটা কেটে গেল। ড্রাইভার বিষয়ের আগামাথা কিছুই বুঝলনা। আমাকে বিষয়টা বলার পর মাথাটা বেশ গরম হয়ে গেল। অন্যায় করে আবার পুলিশের হুমকি? একেই বলে চোরের মায়ের মোটা গলা !
আমার মাথা সারক্ষন গরমে টগবগ করতে লাগল; স্যারকে অপমান? আবার ড্রাইভারকে নিরিহ পেয়ে হুমকি ধামকি? ও নিজেকে কি ভাবে?

রাগে ক্ষোভে তৎক্ষনাত দৈনিক বাংলা গিয়ে ওয়ারিদের কাষ্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে আমার সিমটি তুলে নিলাম। বন্ধ হয়ে গেল বেয়াদব মেয়েটার গলাবাজি। অপেক্ষায় আছি সে কখন ফোন দেয়, আর বলে ভাই আমার ভুল হয়ে গেছে, মাফ করে দিন, আমি বুঝতে পারি নাই। সিমটা দুই বছর ধরে ব্যবহার করছি; ভাই আমাকে ওটা ফিরিয়ে দিন।

হয়তোবা সে কখনো ক্ষমা চাইবে না। বিশ্ব সুন্দরী মেয়েরা ক্ষমা চাইতে জানে না।
এ জাতীয় মেয়েরা ঘন ঘন ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে চুলগুলোকে বান্দরের পুটকির মতো লাল করে নিজেকে বিশ্বসুন্দরী ভাবে। আর অহংকারে পা মাথার উপর তুলে দুলকি চালে রাস্তাঘাটে ঘুরে বেড়ায়। আশা করি আপনারাও আমার সাথে একমত হবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29133611 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29133611 2010-04-12 19:48:51
আসুন কম খরচে পরিবেশ বান্ধব গাড়িতে চড়ি কবে গন্তব্যে পৌঁছাব আর গন্তব্যে পৌঁছালেও কবে বাসায় ফিরব তার নিশ্চয়তা নাই। বেশ কয়েক বছর আগেও ভাবতাম কখন পৌঁছাব অফিসে, এখন ভাবি আজকে কি অফিসে যেতে পারব; না-কি আজও লাল কালির দাগ হাজিরা খাতার সৌন্ধর্য বাড়াবে;

বর্তমানে যানযট নিরাসনে সরকারের নানা মুখি উদ্যোগ কোন কাজেই আসছে না। মানুষ যেন দিন দিন ঢাকা শহরে পিপিলিকার সারির মতো পিল পিল করে ঢুকছে। আমরা যারা ঢাকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস করছি তাদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় এ সকল নয়অ আগান্তুকদের কারনে। তারা যেন আমাদের তাড়িয়ে দিয়ে পুরা ঢাকা শহরটাকেই দখল করতে চায়!

ঢাকার রাস্তার যানযটের অন্যতম কারন অতিরিক্ত রিক্সা। যাদের গতি মন্থর, চালকেরা নিয়ম নীতির তোয়াক্কা করে না, নিজেদের লাইনে ড্রাইভ না করে গাড়ির লাইন দখল করে বসে থাকে। স্পোকের মধ্যে স্পোক ঢুকিয়ে ১০ মাইল দীর্ঘ যান যটের সৃষ্টি করে। এই মন্থর গতির যান একদিকে যেমন যানজটের অন্যতম কারন অন্যদিকে ভাড়াও সর্বোচ্চ।
এদের অত্যাচারের কাছে আমরা যেন জিম্মি! মহল্লার মধ্যে এক কিলোর থেকেও কম দুরত্বে ১০-১৫ টাকার নিচে ভাড়া যেতে রাজি হয় না। রিক্সা হচ্ছে পৃথিবীর সব থেকে ব্যয়বহুল যানের মধ্যে একটি। জাপানের সুপারসনিক ট্রেন এবং প্লেনের ভাড়াও রিক্সা ভাড়া থেকে কম।

ঢাকার রাস্তায় গ্যাস চালিত সিএনজি গাড়ি চললেও তারা আলিবাবা চল্লিশ চোরের থেকেও ভয়ঙ্কর। তাদের মিটার থাকলেও কন্ট্রাকে ছাড়া কোথাও যেতে রাজি হন না। পরিবেশ দুষনের হাত থেকে ঢাকা শহরকে মুক্ত করতে সরকার সকল ডিজেল চালিত গাড়িকে গ্যাসে রূপান্তর করার পরিকল্পনা করেছিলেন ঠিকই কিন্তু তখনও ভেবে দেখেন নাই যে বাংলাদেশে গ্যাসের মজুদ কতটুকু। ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার গৃহিণীরা রান্না করতে গ্যাস পাচ্ছেন না। টিম টিম করে জ্বলা আগুনে ভাত ফুটতে লাগে এক ঘন্টা। এমন জটিল পরিস্থিতিতে সরকার অসংখ্য পরিমান গ্যাস চালিত গাড়িকে পুনরায় তেলে চলার জন্য কোনই পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু আমাদের সরকারের ভাবটা এমন যেন পৃথিবীর সকল দেশকেই আমরা গ্যাস সাপ্লাই দিতে পারি আজীবন ধরে। কোন দিনই আমাদের গ্যাসের সংকট হবে না। একবার ভাবুনতো এই দেশ যখন গ্যাস শুন্য হয়ে পড়বে তখন ঢাকার আধুনিক এবং বিলাসি রমনীদের কি হবে? তারা কিভাবে রান্না করবেন; গুলশান, বনানীর এপার্টমেন্টে দেখা যাবে কাঠের চুলা, দেয়ালে থাকবে কালির দাগ আর গৃহিণীর মুখে থাকবে চুলার কালি! কাজের বুয়াকে দেখাবে পেত্নির মত!

এমনই সংকটময় মুহুর্তে দেশে এলো পরিবেশ বান্ধব যান, "অটোরিক্সা"। এই যানগুলো একদিকে যেমন শব্দ, ধোয়া এবং জ্বালানী বিহীন অন্যদিকে যাতায়াত খরচও অনেক কম। তিন কিলোমিটার রাস্তায় যেতে রিক্সাভাড়া যেখানে ৬০ টাকা সেখানে এই পরিবহনের ভাড়া মাত্র ১০ টাকা! রাত্রে ৫/৬ ঘন্টা ব্যাটারি চার্জ দিলেই ১২০ কি.মি পথ অনাসেই পাড়ি দিতে পারে ৪০-৫০ মাইল গতিতে। প্রতিদিন বিদ্যুত খরচ হয় মাত্র ২-৩ ইউনিট! এই সময়ের সবথেকে পরিবেশ বান্ধব যান "ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা"কে রেজিট্রেশন দিতে সরকারের যেন যতই আপত্তি। একবার তারা ভেবেও দেখেনা ব্যাটারি চালিত গাড়ি গ্যাসে চালিত গাড়ির থেকে কত মঙ্গলজনক; এছাড়াও বাজারে আসছে সৌর চালিত অটোরিক্সা। লোড শেডিংয়ের জামানায় সৌর চালিত গাড়ির কোন বিকল্প থাকবে না একথা কমলাপুর স্টেশনের পাগলটাও বুঝতে পারে শুধু আমাদের ক্ষমতাসীন সরকার ব্যতীত। যে কোন মূল্যেই ঢাকা শহরকে যানজন মুক্ত করতে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এজন্য সরকার ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সাকে রেজিট্রেশন এবং মেইন রোডে রিক্সা চলাচল বন্ধ করলে হয়তো ঢাকা শহরের যানজন ৮০% কমে যেতে পারে।

অথচ সরকারের এ ধরনের কোন পদক্ষেপই নেই। তারা পরিবেশ বান্ধব গাড়িকে অগ্রাধিকার না দিয়ে বরং তাদের ঢাকা থেকে বিতাড়িত করার তালে মত্তো। কারন একটাই, এই গাড়ি আমদানী করার সাথে সরকারের কোন মন্ত্রী মহোদয় হয়তো জড়িত নন। যদি জড়িত থাকতেন তাহলে গ্যাস চালিত সিএনজির মতো এসকল গাড়িই দ্রুত ঢাকার রাস্তায় শোভা পেত।

দ্বন্দ চলছে ঢাকা সিটি করর্পোরেশন এবং বিআরটিএর কর্মর্তাগণের মধ্যে। কারন দুজনেই রেজিস্ট্রেশন দিতে আগ্রহী কারন এখানে মালের গন্ধ আছে। কেউ এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। সিটি করর্পোরেশন বেশী মাত্রায় হাঁ করে আছে কারন তারা দীর্ঘ যুগ ধরে এই রেজিস্ট্রেশন বাবদ কিছু কামাতে পারেন না। একদিকে সরকার দলীয় আমলাগণ করছেন মাল কামানো টালবাহনা অন্যদিকে সুযোগ বুঝে এসকল গাড়ির ড্রাইভারের নিকট থেকে টু পাইস কামিয়ে নিচ্ছেন ট্রাফিক সার্জেন্টরূপি কাক তাড়ুয়া মার্কা ট্রাফিক পুলিশগন।

আমরা কি সেই ঢাকা শহর দেখতে পাব না, যেখানে থাকবে না কোন যানজন। এই প্রত্যাশাই সরকারের কাছে, যেন সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সকল পরিবেশ বান্ধব গাড়িগুলো স্বচ্ছন্দে রাস্তায় চলতে পারে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29093598 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29093598 2010-02-08 20:22:26
আমরা হারতে চলেছি!!!!!!! ভাইসকল, আসুন সবাই মিলে দোয়া দরুদ পড়তে থাকি।
আল্লাহ যেন ধনি আউট হয়, আল্লাহ যেন খলি আউট হয়!!

আল্লাহ আমরা যেন ৫০ রানে জিতে যাই।
আল্লাহ যেন ধনি আউট হয়, আল্লাহ যেন খলি আউট হয়!!

আল্লাহ আমরা যেন ৫০ রানে জিতে যাই।
আল্লাহ যেন ধনি আউট হয়, আল্লাহ যেন খলি আউট হয়!!

আল্লাহ আমরা যেন ৫০ রানে জিতে যাই।
আল্লাহ যেন ধনি আউট হয়, আল্লাহ যেন খলি আউট হয়!!

আল্লাহ আমরা যেন ৫০ রানে জিতে যাই।
আল্লাহ যেন ধনি আউট হয়, আল্লাহ যেন খলি আউট হয়!!

আল্লাহ আমরা যেন ৫০ রানে জিতে যাই।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29074002 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29074002 2010-01-07 21:14:54
বৌদ্ধ ধর্মে মুহাম্মাদ সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী
প্রায় সব বৌদ্ধ ধর্ম গন্থে আছে ভবিষ্যতে একজন মায়িত্রি আসবেন, আর চিপকমতি সিংঘনাথ সুকান্তার "ডি ১১১৭৬' বলা হেয়েছে, "আরেকজন বুদ্ধ আসবেন তার নাম 'মায়িত্রী' যিনি পবিত্র, যিনি সবার উপরে, যিনি আলোকপ্রাপ্ত, খুব জ্ঞানী আর বিনয়ী, যিনি মঙ্গল জনক, যার রয়েছে বিশ্ব জগতের জ্ঞান। তিনি অলৌকিক ভাবে যে জ্ঞান আরোহন করবেন সেটা পুরা পৃথিবীতে প্রচার করবেন। তিনি একটা ধর্ম প্রচার করবেন, যে ধর্মটা শুরুতে গৌরবময় থাকবে, চরম সময়ে গৌরবময় থাকবে এবং শেষেও গৌরবময় থাকবে। তিনি একটা জীবন দর্শন প্রচার করবেন যেটা হবে সত্য এবং পুরাপুরি সঠিক। তাঁর সাথে কয়েক হাজার সন্নাসী থাকবে যেখানে আমার সাথে কয়েকশ সন্নাসী থাকে। এই কথাটা আরো বলা হয়েছে সেকেন্ড বুক অব ইস্টে ৩৫ নম্বর খন্ডে ২৩৫ পৃষ্ঠায়, একজন মায়িত্রী আসবেন যার কিছু বৈশিষ্ট আর গুন থাকবে, তিনি হাজার হাজার মানুষকে নেতৃত্ব দিবেন যেখানে আমি নেতৃত্ব দিয়েছি মাত্র কয়েকশো মানুষকে। এর পর আরো আছে গস্তল অব বুদ্ধায় ২১৭ ও ২১৮ নম্বর পৃষ্ঠায়, আনন্দ বুদ্ধকে প্রশ্ন করলেন, 'হে আশীর্বাদ প্রাপ্ত আপনি যখন চলে যাবেন কে আমাদের পথ দেখাবেন?' গৌতম বুদ্ধ উত্তরে বললেন, 'আমি এই পৃথিবীতে প্রথম বুদ্ধ নই, এমন কি শেষ বুদ্ধ নই, ভবিষ্যতে এই পৃথিবীতে আরএকজন বুদ্ধ আসবেন যিনি পবিত্র, সবার উপরে, যিনি আলোকপ্রাপ্ত, যিনি মঙ্গল জনক, যার রয়েছে বিশ্ব জগতের জ্ঞান, তিনি প্রচার করবেন একটা ভালা ধর্ম, তিনি যে ধর্ম প্রচার করবেন তার শুরুতে গৌরবময় থাকবে, চরম সময়ে গৌরবময় থাকবে এবং শেষ সময়েও গৌরবময় থাকবে। তিনি যে ধর্ম প্রচার করবেন তার ভিত্তি হবে সত্য আর সেঠাই হবে সঠিক জীবনদর্শন আর তার থাকবে হাজার হাজার শিষ্য যেখানে আমার রয়েছে মাত্র কয়েকশ শিষ্য। বুদ্ধের প্রধান শিষ্য আনন্দ তাঁকে প্রশ্ন করল, আমরা তাঁকে চিনব কিভাবে? বুদ্ধ উত্তর দিলেন, 'সেই লোকের নাম হবে 'মায়িত্রী' । মায়িত্রী অর্থৎ 'ক্ষমাশীল, স্নেহময়, দয়ালু, করুনাময় এই শব্দটার আরবী করলে হবে 'রাহমা'। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, 'সূরা আম্বিয়ার ১০৭ নং আয়াতে, "অমা আরসালনাকা ইল্লা রমতুল্লিল আলামিন" অর্থ- আমিতো তোমাকে শুধুমাত্র পাঠিয়েছি বিশ্ব জগতের প্রতি রহমত হিসাবে, জীবজগতের প্রতি রহমত হিসাবে পুরো মানুষ জাতীর প্রতি রহমত হিসাবে।" এই 'রহমত' এর সমর্থক শব্দ "ক্ষমা" যা পবিত্র কোরআনে আছে সব মিলিয়ে ৪০৯ বার। আর কোরআনের প্রত্যেক সূরা শুধুমাত্র সূরা তওবা বাদে প্রত্যেক সূরার শুরুতেই আছে "বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম" দয়াময় পরম দয়াময় আল্লাহর নামে শুরু করছি। তাহলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থ সমূহে মায়িত্রী নামে একজনের ভবিষ্যত বানী করা হয়েছে , তিনি হলেন আমাদের নবী মুহাম্মদ (সঃ), তিনি ছিলেন আলোকপ্রাপ্ত (যখন ওহী নাযিল হত তখন তিনি উজ্জল হতেন) হয়তো প্রশ্ন করবেন ওহী কি? ওহী হচ্ছে আল্লাহর দূত জীবরাঈল (আঃ) যখন নবীর কাছে আসতেন তখন তিনি উজ্জল হতেন।
বৌদ্ধ ধর্মে নবীর সম্পর্কে আরো ভবিষ্যদ্বানী আছে, সেক্রেট বুক অব দ্যা ইস্টের ১১নং খন্ডের ৩৬ নং পৃষ্ঠায়, মহাপার নির্বার সুত্তা ২নং অধ্যায়ের ৩২ নং অনুচ্ছেদে, বলা হয়েছে যে গৌতম বুদ্ধের ক্ষেত্রে তাঁর কোন গুপ্ত অথবা প্রকাশ্য শিক্ষা ছিল না, হে আনন্দ তথাগতরা অথবা শিক্ষকরা মুঠোবন্ধ করে রাখবে না জ্ঞানটা তাদের নিজের কাছে রাখবে না এটা প্রচার করতে হবে। আমরা জানি মুহাম্মদ (সঃ) ওহী হিসাবে যা পেয়েছিলেন তাহা সংগে সংগে সবার কাছে প্রচার করেছেন আর সাহাবা গণকে বলেছেন এগুলো মানুষের কাছ থেকে লুকিয়ে রেখো না, এগুলো প্রচার করো। এই ভবিষ্যদ্বানীতে বলা হয়েছে এখানে প্রকাশ্য বা গুপ্ত কিছুই নেই এখানে সব কিছুই প্রকাশ করতে হবে।
বৌদ্ধধর্মগন্থে আরো আছে, সেক্রেট বুক অব দ্যা ইস্টে ১১নং খন্ডে ৯৭ নং পৃষ্ঠায়, 'মাহপরিনির্বান সুত্তা ৫নং অধ্যায়ের ৩৬ নং পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, গৌতম বুদ্ধের যেমন এক পরিচারক ছিল অর্থাৎ প্রধান শির্ষ আনন্দ একই ভাবে মায়িত্রীরও এক পরিচারক থাকবে, ইতিহাস থেকে আমরা জানি যে অর্থাৎ মাহ নবীর সীরাত থেকে আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সঃ) এর ও একজন পরিচারক ছিল যার নাম হযরত আনাস (রাঃ)। তিনি ছিলেন মালিকের পুত্র আর হযরত আনাস (রাঃ) বলেছেন, আমার বাবা মা ৮ বছর বয়সে আমাকে নবীর হাতে তুলে দেন, আমার বাবা মা বলেছিনে, 'হে আল্লাহর রাসূল আপনি আমার ছেলেকে আপনার পরিচারক হিসাবে গ্রহণ করুন।' আর হযরত আনাস (রাঃ) বলেছেন নবীজী তাকে দেখতেন তাঁর নিজের ছেলের মতোই। আর আমরা জানি হযরত আনাস (রাঃ) সব সময় হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর সংগেই থাকতেন।শান্তির সময়ও থাকতেন যুদ্ধের সময়ও থাকতেন। নিরাপত্তার সময় থাকতেন বিপদের সময়ও থাকতেন। এভাবে আনাস (রাঃ) কে আনন্দের সাথে তুলনা করা যায়, যখন একটা পাগলা হাতি গৌতম বুদ্ধের দিকে তেড়ে আসছিল আনন্দ তখন বুদ্ধের সামনে গিয়ে দাড়িয়েছিলেন। আমরা জানি একই ভাবে হযরত আনাস (রাঃ) উহুদের যুদ্ধের সময় যখন তার বয়স ১১ বছর সেই যুদ্ধে যখন শত্রুরা নবীজীকে ঘিরে ফেলল তখন হযরত আনাস (রাঃ) নবীজীর পাশেই ছিলেন, এরপর হুনাইনের যুদ্ধে তার বয়স যখন ১৬ বছর শত্রু পক্ষের তীরন্দাজরা নবীজীকে ঘিরে ফেলল তখনও হযরত আনাস (রাঃ) নবীজীর পাশেই ছিলেন। এভাবে তাকে আনন্দের সাথে তুলনা করা যায়, বুদ্ধের দিকে পাগলা হাতি তেড়ে এলে আনন্দ গিয়ে বুদ্ধের সামনে দাড়িয়ে গেলেন। তাহলে এই ভবিষ্যত বাণীটাও সত্য হয়েছে যে মায়িত্রীর এক পরিচারক থাকবে। এর পর আরো আছে গস্তুল অব বুদ্ধাতে ২১৪ নং পৃষ্ঠায়, "এই যে মায়িত্রী আসবেন বা যে বুদ্ধ আসবেন তাঁর ছয়টা গুন থাকবে" ০১) তিনি আলোকপ্রাপ্ত হবেন রাতের বেলায়, ০২) আলোকপ্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি উজ্জ্বল হবেন, ০৩) তিনি স্বাভাবিক ভাবে মারা যাবেন, ০৪) তিনি রাতের বেলায় মারা যাবেন, ০৫) মারা যাবার সময় তিনি উজ্জ্বল হবেন, ০৬) তিনি মারা যাবার পরে এই পৃথিবীতে তাঁকে আর স্বশরীরে দেখা যাবে না।
এই ছয়টা গুণাবলী পাওয়া যায় শুধু মাত্র আমাদের নবীজী মুহাম্মদ (সঃ) এর মধ্যে। আমরা জানি যে নবীজী প্রথম ওহী পেয়েছিলেন রাতের বেলায়. পবিত্র কোরআনের সূরা দুখানের দুই ও তিন নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে এছাড়াও সূরা ক্কদরের এক নম্বর আয়াতে বলা আছে যে, "কোরআন নাযীল হয়েছিল মহিমম্বিত রাতে"
এরপরে আছে তিনি উজ্জ্বল হবেন, আমরা জানি যে এসময় আমাদের নবী উজ্জ্বল হয়েছিলেন বা আলোকিত হয়েছিলেন।
এর পরে আছে তিনি স্বাভাবিক ভাবে মারা যাবেন আমরাও জানি নবীজী স্বাভাবিক ভাবেই মারা গিয়েছিলেন।
চার নম্বরে আছে, তিনি রাতের বেলা মারা যাবেন, আর আয়েশার (রাঃ) এর বলার হাদীস থেকে আমরা জানি যে, ঐ রাতে তাদের ঘরে প্রদীপে কোন তেল ছিল না, আর আয়েশা (রাঃ) তেল আনতে পাশের বাড়িতে গিয়েছিলেন, অর্থাৎ নবীজী মারা যাবার সময় তখন রাত ছিল।
এর পর বলা হয়েছে তিনি মারা যাবার সময় উজ্জ্বল হবেন, আর হযরত আনাস (রাঃ) বলেছেন, "নবীজী মারা যাবার সময় খুব উজ্জ্বল ছিলেন"

এর পরেরটা হলো মারা যাবার পরে তাঁকে আর স্বশরীরে দেখা যাবে না, আমরাও জানি যে নবীজী (সঃ) স্বশরীরে আর কোনদিন ফিরে আসবেন না। মদীনায় তাঁর রওজা রয়েছে, তাঁকে স্বশরীরে আর কখনো দেখা যাবে না।
বৌদ্ধ ধর্মে উল্লেখ করা এসকল কথা শুধুমাত্র নবীজী মুহাম্মদ (সঃ) এর বেলাতেই খাটে।

বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে এছাড়াও বলা হয়েছে, দ্যা সেক্রেটবুক অব্ দ্যা ইস্টের ১০ নং খন্ডের ৬৮ নং পৃষ্ঠায়, বলা হয়েছে, "তথাগতরা তারা শুধু প্রচার করবে অর্থাৎ যে বুদ্ধরা আসবেন তাঁরা শুধু প্রচার করবেন, আর আল্লাহ বলেছেন, সূরা গাশিয়াহ এর ২১ নম্বর আয়াতে, বলা হয়েছে, "ফাযাক্কির ইন্না মা আনতা মুযাক্কির" অর্থাৎ আল্লাহ নবীজীকে বলছেন "তোমার কাজ ধর্ম প্রচার করা হেদায়েত করার মালিক আল্লাহ তা'আলা"

এছাড়াও আছে সেক্রেট বুক অব দ্যা ইষ্টের ১০ নং খন্ডের ৬৭ নং পৃষ্ঠায়, বলা হয়েছে যে স্বর্গে যেতে হলে তোমার ভালকাজ গুলোর প্রয়োজন হবে।
আল্লাহ কোরআনে বলছেন, সূরা আছরের এক থেকে তিন নম্বর আয়াতে, "ওয়াল আসর, ইন্নাল ইনসানা লাফি খুসর, ইল্লালাজিনা আমানু ওয়া আমেলুছসলেহাত, ওয়া তাওয়া সওবেল হাক্ক, ওয়া তাওয়া সওবেস সবর"
অর্থাৎ দুর্ভোগ তাদের যারা সামনে ও পেছনে লোকের নিন্দা করে তারা বাদে যাদে বিশ্বাস আছে ন্যায় নিষ্ঠতা আছে, যারা মানুষকে সত্যের পথে আনে, যারা মানুষকে ধর্য আর অধ্যাবসায়ের পথে আনে। বেহেশতে যাওয়ার একটা শর্ত হলো "ন্যায় নিষ্ঠতা" যে কথা বৌদ্ধ ধর্ম গ্রন্থেও আছে।

এছাড়াও ধম্মপটে উল্লেখ করা আছে, "মাত্তারসুক্তা ১৫১" এখানে সর্বশেষ বুদ্ধ বা মায়িত্রীর বর্ণনা দেওয়া আছে, "তিনি হবেন মানুষ জাতির প্রতি করুনা, তিনি হবেন ভদ্র, তিনি হবেন মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত, তিনি হবেন দয়ালু আর তিনি হবেন সত্যবাদী" আর এসকল কথা শুধু মাত্র খাটে সর্বশেষ ও চুড়ান্ত নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর বেলায়।

এই হল বৌদ্ধ ধর্মে নবীজী সম্পর্কে সংক্ষেপে বর্ণনা।

এভাবে খৃষ্টান ধর্ম, ফারসি ধর্ম এবং হিন্দু ধর্মেও ইসলাম সম্পর্কে, নবীজী সম্পর্কে বিস্তারিত বলা আছে। আজ হাতে সময় নাই তাই ঐ সব নিয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছি না।

প্রথমে লেখাটা লিখেছিলাম এক নাস্তিক ভাইয়ের প্রশ্নের জবাব দেবার জন্য। পরবর্তীতে ভাবলাম পোষ্ট আকারে দিলে সবাই জানতে পারবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29065323 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29065323 2009-12-25 15:59:16
একটি বুক ফাটা আর্তনাদ!
ভুল করেছি জেনারেল লাইনে পড়াশুনা করে। তাই ছোট ভাইকে দেশ থেকে নিয়ে এসেছি ইঞ্জিনিয়ার বানাবো বলে। গ্রামে থেকে ভাল রেজাল্ট করতে পারে নাই তাই সরকারী পলিটেকনিকে চান্স হয় নি। বাধ্য হয়ে বিআইএসটি (বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি) তে ভর্তি করিয়ে দিলাম। প্রসপেকটাস দেখে মনে হয়েছিল এটা হয়তো ভাল মানের একটা আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিজস্ব ক্যাম্পাস রয়েছে শান্তি নগর। তাছাড়া বাসারও বেশ কাছাকাছি হওয়ায় নিশ্চিন্তে ভর্তি করিয়ে দিলাম।

আস্তে আস্তে এর বাস্তবচিত্র ধরা পড়ল। স্থায়ী কোন শিক্ষক নাই, সবাই ক্ষ্যাপ মারে পার্ট টাইম। এমন শিক্ষক ক্লাশ নিতে আসেন যে চেহারা ছাত্রদের থেকেও ছোট এবং কোন সাধারণ প্রশ্নের সহজ উত্তরটুকুও দিতে পারে না, জটিল প্রশ্নে কান লাল হয়ে যায়। ল্যাব আছে ঠিকই কিন্তু কোন সরঞ্জাম নাই যা দ্বারা ছাত্ররা প্রাকটিক্যাল জ্ঞান লাভ করতে পারে। প্রথম সেমিষ্টারে নিজের ক্যাম্পাসেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হল। ছাত্রদের কোন অসুবিধা হয়নি পাশ করতে কারন নিজেদের স্যার বলেই কথা। সমস্যা হলো দ্বিতীয় সেমিষ্টারে, কেন্দ্র পড়েছে অন্যত্র। প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় পাশ করা সম্ভব নয় কোন ছাত্রের পক্ষে। স্যাররদের জন্য কোন চিন্তার বিষয় নয় কারন রেফার্ড পরীক্ষার জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফিস ৮০-১০০ টাকা হলেও কলেজ আদায় করছে ৮০০ টাকা। এই অতিরিক্ত টাকা যাচ্ছে স্যার মহাশয়দের পকেটে। বেশ ভাল একটি ইনকাম; তানারা চান বেশী ছাত্র যেন ফেল করে।

প্রতি মাসে ছাত্রদের কাছ থেকে ১৪৫০ টাকা নির্ধাতিন বেতন কড়ায় গন্ডায় আদায় করে চলেছে। সাত তারিখ থেকে আট তারিখ হয়ে গেলেই ১০০ টাকা ফাইন ধার্য হয়ে যায়। এর কোন মাফ নেই, অথচ শিক্ষা দানের কোন উন্নতি চোখে পড়ে না। প্রিন্সিপালকে সচরচার দেখা যায় না যে ছাত্ররা তাদের দাবী/অভিযোগ করবে। কেউ প্রতিবাদ করলে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করাব বলে হুমকি দিয়ে থাকেন।

ভাবতে খুব কষ্ট লাগে যে অভাবের সংসারকে আরো অভাবিত করে ছোট ভাইকে প্রতি মাসে বেতন, বই খাতা, যাতায়াত খরচ বাবদ ভুরি ভুরি টাকা ঢালার পরও রিজাল্ট যদি এমন হয় !

প্রতিবাদ করার ভাষা খুজে পাই না। মাঝে মাঝে মনে হয় মিডিয়াতে প্রকাশ করি ওদের দুর্নিতির শ্বেতপত্র। আবার ভাবি কি হবে এসব করে, কে শুনবে আমার মত অসহায় গার্ডিয়ানদের বুকফাটা আর্তনাদ !!! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29063867 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29063867 2009-12-22 22:34:35
ক্যানসাই বিমানবন্দর আধুনিক বিশ্বের এক জীবন্ত মডেল। ক্যানসাই বিমানবন্দরের ডুবে যাওয়ার মাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসছে। ১৯৯৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটির ডোবার মাত্রা ৫০ সেন্টিমিটার থেকে কমে নয় সেন্টিমিটারে এসে থেমেছে। বিমানবন্দরটির একেবারে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা এখন আর নেই বললেই চলে। ফলে এটিকে আরও বড় করা হয়েছে। ২০০৭ সালে এটির দ্বিতীয় রানওয়ে খোলার কথা থাকলেও তা স্থগিত আছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ধীরে ধীরে ক্যানসাই বিমানবন্দরকে আরও বিস্তৃত করা যাবে। এক সময় হয়তো এটি মুল ভূখন্ডের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে যাবে।
জাপান ভাবে কিভবে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছা যায় আর আমরা ভাবি কি করে চরম অবনতির শিখরে পৌঁছা যায়। কিভাবে দেশের সম্পদ লুটেপুটে খাওয়া যায়। কি ভাবে টেন্ডার বাজির মাধ্যমে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া যায়।

আমরা কি ওদের অনুসরণ করতে পারি না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29063274 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29063274 2009-12-21 22:14:45
ব্রউন ব্রেড স্যান্ডউইচ তৈরীর কৌশল
উপকরণঃ ব্রাউন ব্রেড (৪ টে স্লাইস), ভেটকি মাছের ফিলে ২৫০ গ্রাম, টোম্যাটো ২ টা(কুচানো), ধনে পাতা (কুচানো), পেঁয়াজ ১টা (বড়, কুচানো), আদাবাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ টেবলচামচ, ভাজা জিরে গুঁড়ো ১ চা চামচ, গরম মশলাগুঁড়ো ১ চা চামচ, মরিচের গুড়ো ১ চা চামচ, হলুদ গুড়ো ১ চা চামচ, সাতা তেল ৪ টেবলচামচ, চিজ ২ টা কিউব (গ্রেট করা), চিনি ১ টেবলচামচ।

প্রণালীঃ মাছের ফিলে গরম পানিতে অল্প হলুদ ও লবন দিয়ে ভাপিয়ে নিয়ে কিমার মতো করে নিন। একটা পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচানো সোনালি করে ভাজুন। এরপর এতে টোম্যাটো দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে আদা রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুড়া, লবন ও চিনি দিয়ে নাড়ুন। তেল ছেড়ে এলে মাছের সঙ্গে ধনেপাতা, গরমমশলা, জিরেগুড়া ও গ্রেটেড চিজ মেশান। অল্প আঁচে কিছুক্ষণ নেড়ে আঁচ থেকে ঠান্ডা হতে দিন। এবারে ব্রেডের চারধার কেটে নিয়ে ভাল করে বাটার লাগান। এরপরে ভিতরে মাছের পুর দিয়ে তৈরী করে ফেলুন মজাদার স্যান্ডউইচ। অনেকক্ষণ ভাল রাখার জন্য স্যান্ডউইচ অ্যালমুনিয়াম ফয়েলে মুড়ে এয়ারটাইট স্যান্ডউইচ বক্সে ভরে নিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29058849 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29058849 2009-12-14 21:43:36
কোথায় বেড়াতে যাবেন এই শীতে? কুয়াকাটাঃ

সাগর কন্যা কুয়াকাটা। বাংলাদেশ প্রকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি কুয়াকাটার আয়াতন দৈর্ঘ্যে ৩০ কিঃ মিঃ ও প্রস্থে ৬ কিঃ মিঃ। কুয়াকাটা বিশ্বের এমন এক বিরল জায়গা যেখানে বঙ্গোপসাগরের নীল জল রাশিতে একই স্থানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট কুয়াকাটাকে বিশ্বের অন্যতম বিরল সৈকতে পরিনত করেছে। এখানে আছে দীর্ঘ বালুময় সৈকত ও ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট সুন্দরবনের একাংশ ফাতরার চর, আছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধমূর্তি, ফয়েজ মিয়ার নারিকেল বাগান, শুটকী পল্লী এবং উপজাতী রাখাইন সংস্কৃতি।

সুন্দরবনঃ

বিশ্বের সবৃবৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেষ্ট বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার এর বাসস্থান। বর্তমানে এটি বিশ্ব ঐতিহ্য। এখানে উপভোগ করতে পারেন বার্ড ওয়াচিং, এ্যাডভেঞ্চার ট্রেকিং, ক্যানেল ক্রুজিং সহ জীবজন্তু।

কক্সবাজারঃ

বিশ্বের দীর্ঘতম সমূদ্র সৈকত (১২০ কিঃমিঃ)। এখানে উপভোগ করা যাবে সূর্যাস্তের অপার সৌন্দার্য। বেড়ানো যাবে হিম ছড়ি, ইনানী সৈকত, রামু, পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালীতে প্রাচীন আদীনাথ মন্দির, টেকনাফে নাফ নদীর সীমাহীন সৌন্দর্য। এছাড়াও পরিচিত হতে পারবেন উপজাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে।

সিলেটঃ

দু'টি পাতা একটি কুড়ির দেশ সিলেট। পূন্যভূমি সিলেটে পাহাড়ি ঝর্ণা ও পাহাড়ী নদী পিয়াইন আপনাকে দিবে জাফলং বেড়ানোর ভিন্ন আমেজ। শ্রীমঙ্গলে 'লউয়াছড়া রেইন ফরেষ্ট' বেড়ানো'তো রিতিমত এ্যাডভেঞ্চার! সর্বপরি সাধক পুরুষ আউলিয়া হযরত শাহজালাল (রাঃ) ও হযরত শাহপরান (রাঃ) এর মাজার যেন সকল ধর্মের মানুষের মিলনস্থল।

রাঙ্গামাটিঃ

ঘুরে আসুন লেক ও পাহাড়ের শহর রাঙ্গামাটি। পার্বত্য এই জেলায় আপনি খুঁজে পাবেন এক ভিন্ন বাংলাদেশ। প্রকৃতির সাথে মিতালী পাকাতে যারা ভালোবাসেন তারা অবশ্যই আসবেন পাহাড়ী শহর এই রাঙ্গামাটিতে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29058832 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29058832 2009-12-14 20:42:54
ট্রাভেল পিপাসুদের আর্থিক সমস্যার সমাধান দিতে এগিয়ে এসেছে ব্যাংক। ব্র্যাক ব্যাংকঃ
চাকরিজীবি এবং ব্যবসায়ী উভয় শ্রেণীর জন্য ট্রাভেল ঋণের ব্যবস্থা রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকে। তবে ঋণ পাওয়ার জন্য উভয় শ্রেণীকে আলাদা আলাদা কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। যেমন চাকরিজীবিদের জন্য ন্যূনতম মাসিক বেতন হতে হবে ১৫ হাজার টাকা। আবেদনপত্রের সাথে পে স্লিপ, বিগত ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ভিসা ও পাসপোর্টের ফটোকপি জমা দিতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে মাসিক ইনকাম কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা হলে তিনি ট্রাভেল লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন পত্রের সাথে জমা দিতে হবে ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট এবং ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট। সাধারণত ৫০ হাজার টাকা থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ট্রাভেল ঋণ দেয় ব্র্যাক ব্যাংক। এ ঋণ শোধ করতে হবে ১২-৩৬ মাসের মধ্যে। ঋণের জন্য যোগাযোগঃ ১০ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ (২য় তলা), বনানী, ঢাকা-১২১৩। ফোনঃ ৮৮৩৬৬৪৭, ৮৮৩৬০৮৮।

প্রাইম ব্যাংকঃ

৩০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্রাভেল ঋণ প্রদান করে প্রাইম ব্যাংক। এ ব্যাংকের ঋণ পেতে আপনাকে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে কোথায় যাবেন, কতদিন থাকবেন এসব বিস্তারিত তথ্য পূর্ণ করে কোটেশন নিয়ে আবেদন করতে হবে। চাকরিজীবিদের আবেদনপত্রের সাথে অফিস আইডি, পাসপোর্টের ফটোকপি, দুজন গ্যারেন্টরের অঙ্গীকার নামা জমা দিতে হবে। ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে নিয়ম ব্র্যাক ব্যাংকের মতই। ঋণের মেয়াদ ১-৩ বছর। যোগাযোগঃ ২৯ রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। ফোনঃ ৯৫৫৪৪৬১, ৭১৬০৮৯৭।

দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডঃ

সিটি ব্যাংকের আলাদাভাবে ট্রাভেল লোন সার্ভিস না থাকলেও কেউ শর্তপূরণ সাপেক্ষে পার্সোনাল লোন হিসাবে ট্রাভেল লোন পেতে পারেন।ঋণের পরিমান সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত। পরিশোধের মেয়াদ ১২-৬০ মাস। সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋন গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন প্রকার গ্যারান্টার প্রয়োজন হয় না। চাকরিজীবিদের ক্ষেত্রে বর্তমান চাকরিতে ন্যূনতম ছয় মাস সহ এক বছরের কর্ম অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং মাসিক আয় ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে পূর্বের মত নিয়ম কানুন। যোগাযোগঃ জীবন বীমা টাওয়ার, ১০, দিলকুশা, ঢাকা।ফোন- ৯৫৬৫৯২৫-৩৪।

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকঃ

সিটি ব্যাংকের মত স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকও আলাদাভাবে ট্রাভেল লোন প্রদান করে না। তবে যে কেউ পার্সোনাল লোন নিয়ে ট্রাভেল করতে পারেন। চাকরিজীবির ক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন ১৫ হাজার টাকা হলে পার্সোনাল লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। লোন পাবেন সর্বোচ্চ বেতনের ১৫গুন। সর্বনিম্ন এক লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা লোন প্রদান করে থাকে এই ব্যাংক। যোগাযোগঃ ৬৭, গুলশান এভিনিউ, গুলশান-১, ঢাকা। ফোনঃ ৮৮৩৩০০৩।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29058297 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29058297 2009-12-13 23:30:18
ক্যানসাই বিমান বন্দর আধুনিক বিশ্বের এক জীবন্ত মডেল! ক্যানসাই বিমানবন্দরের ডুবে যাওয়ার মাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসছে। ১৯৯৪ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এটির ডোবার মাত্রা ৫০ সেন্টিমিটার থেকে কমে নয় সেন্টিমিটারে এসে থেমেছে। বিমানবন্দরটির একেবারে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা এখন আর নেই বললেই চলে। ফলে এটিকে আরও বড় করা হয়েছে। ২০০৭ সালে এটির দ্বিতীয় রানওয়ে খোলার কথা থাকলেও তা স্থগিত আছে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ধীরে ধীরে ক্যানসাই বিমানবন্দরকে আরও বিস্তৃত করা যাবে। এক সময় হয়তো এটি মুল ভূখন্ডের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে যাবে।
জাপান ভাবে কিভবে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছা যায় আর আমরা ভাবি কি করে চরম অবনতির শিখরে পৌঁছা যায়। কিভাবে দেশের সম্পদ লুটেপুটে খাওয়া যায়। কি ভাবে টেন্ডার বাজির মাধ্যমে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া যায়।

আমরা কি ওদের অনুসরণ করতে পারি না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29057740 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29057740 2009-12-12 22:30:10
এডমিন যদি হয় আর্মি পারসন
এ ঘটনা তখনকর যখন কোম্পানীর ভরা যৌবন, মালিকের কোন দুশ্চিন্তা নাই। মার্চেনডাইজার ম্যানেজার মালিকের আপন খালাত ভাই, কমার্শিয়াল ম্যানেজারও খালাত ভাই তবে একটু দুর সম্পর্কের। তারা বেশ টাকার মালিক বনে গেছেন। হয়তো বা কমিশনের মারপ্যাচ বুঝে গেছেন। তার পরেও মালিকের কোন লোকসান নাই। তারা কাজ আনছে ভুরি ভুরি মালিককে ১০ টাকা দিয়ে তারা কৌশলে হয়তো এক টাকা নিয়ে নিচ্ছে।

হঠাৎ এমডির মনে হল এই অনাকাঙ্খিত ব্যায়টা যদি রোধ করা যেত তাহলে আরো লাভবান হওয়া যেত। কিন্তু এ কথা খালাত ভাইদের কাছে উপস্থাপন করি কেমনে। মাথায় বুদ্ধি এল কাউকে দিয়ে বলাতে হবে, কন্ট্রোল করতে হবে ওদের কমিশন খাওয়া।
যেই ভাবা সেই কাজ। নিয়োগ দিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাহেবকে একজন এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর হিসাবে। সকল এডমিন তার উপর ন্যাস্ত হল।

মেজর সাহেব তার মেজরিয় কায়দায় সবাইকে ডেকে ডেকে নতুন করে ভাইবা নিলেন, বায়োডাটা নিলেন এবং ঘোষনা দিলেন যে এখন থেকে নতুন করে পদবী ধার্য করা হবে এবং কাজের পারফরমেন্স হিসাবে প্রমোশন দেওয়া হবে। ঘোষনা পত্র পিয়ন দ্বারা সবার ডেস্কে ডেস্কে পাঠানো হল সই করানোর জন্য।

যিনি ছিলেন মার্চেনডাইজার ম্যানেজার তার পদবী হল এসিষ্ট্যান্ট মার্চেন্ডাইজার। এমনি ভাবে সবাইকে দুই ধাপ নামিয়ে দিলেন প্রথম ধাক্কায়। এমডি সাহেবকে বোঝাতে সক্ষম হলেন ১৫/২০ বছর ধরে যারা চাকরি করছে তারা সবাই চোর এমনকি আপনার খালাত ভাইও। উনি মেজর সাহেবের উপর বেজায় খুশী হলেন। লোক নিয়োগ এবং ছাটাই দেওয়ার সকল পাওয়ার ইডির উপর বর্তাল। প্রথম ধাক্কায় দুর সম্পর্কের খালাত ভাইকে একটা মাত্র নোটিশ দিয়ে বিদায় করে দিলেন প্রতিস্থাপন হিসাবে নিজের লোক নিয়ে এলেন। এর পর ধাপে ধাপে এমডির আপন খালাত ভাই, ফ্যাক্টরির বিশ্বস্ত জি,এম সহ নিচের লেবেলের প্রায় ২০/২৫ জন বিদায় হয়ে গেলেন। তবে এমডি সাহেবের আপন খালাত ভাইয়ের চলে যাওয়াটা ছিল হৃদয় বিদারক। প্রচন্ড অপমানে এবং ক্ষোভে তার চোখে পানি চলে এসেছিল। দেখলাম চোখ মুছতে মুছতে অফিস থেকে চলে গেলেন ভদ্রলোক। পিছন ফিরে একবারও তাকালেন না। বর্তমানে তিনি একটি বায়িং হাউজের মালিক।

সকলের প্রতিস্থাপন হিসাবে মেজর সাহেবের আত্মীয় স্বজনরা বহাল তাবিয়াতে চলে এলেন কো-থেকে। ইডি সাহেবের বিশ্বস্থতা আরো এক ধাপ বেড়ে গেল। পুরানো ষ্টাফদের মধ্যে হাতে গোনা ২/৪ জন ছাড়া সবাই চলে গেল মেজর সাহেবের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে। একদিকে বেতন কম অন্যদিকে অত্যাচার এ দুয়ের সমন্বয়ে আমাদের অবস্থা তখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাচির মত অবস্থা। আমি পড়ে রইলাম পেটের তাড়নায়!
এভাবে মেজর সাহেব নিজের প্লটফরম যথেষ্ট মজবুত করে ফেললেন।

ফ্যাক্টরীরর যাবতীয় কেনা কাটা তার হাত দিয়েই হতে লাগল। অন্যেরা কিছু পারচেজ করতে গেলে ইডি সাহেবের বিশ্বস্ত লোক সাথে যেতেন কিন্তু ওনার নিজের লোক কিছু কিনতে গেলে কাউকে যেতে হত না। তারা ছিলেন সত্যের সীলমোহর। কনভেন্স এবং লাঞ্চ বিল নিয়ে সবাইকে করত হয়রানি। তার লোকদের জন্য সব কিছু ছিল শিথীল, ছুটি চাইলে মিলতো না। একদিন বেশী বাড়িতে থাকলে বেতন হেল্ডআপ করে রাখা হতো। অথচ তার লোক একটানা ১৫দিন ছুটি কাটালেও কোন উচ্চবাচ্চা হত না।

বেশ কিছুদিন পর- মালিক বুঝতে পারলেন তিনি খাল কেটে কুমির এনেছেন। ছোট্ট একটা ইন্টারনাল অডিটে দেখা গেল মেজর সাহেব ১৬ লক্ষ টাকার স্পেয়ার কিনেছেন কোন ইনডেন্ট ছাড়া। তার কোন ভাউচার নাই, কোথায় এ স্পেয়ার ব্যবহার হয়েছে তারও কোন হদীস নাই। ঘুম ভাঙল মালিকের, কিন্তু তখন বেশ দেরী হয়ে গেছে। কোম্পানীর করুন দশার হৃদয়বিদারক ঘন্টা আগেই বেজে গেছে। লস..লস আর লস.........চারিদিকের লস যেন পুরাতন ষ্টাফদের অভিশাপ। ইডি সাহেব বিপদ বুঝতে পেরে তার লোকদের বলে দিয়েছেন, যে যেখানে পার চাকরীর ব্যবস্থা কর। একে একে সবাই চলে গেলেন, এমনকি ইডি সাহেব নিজেও। কোম্পানীকে করে গেলেন তলা শূণ্য ঝুড়ি। গম গম করা সেই অফিস আজ এক মৃত্যুপুরি। লাইট সব জ্বলেনা, এসিও চলে না। মালিক আসেন শরীরটাকে যেন টেনে হিঁচড়ে। কারো সাথে কথা বলার যেন ভাষা নেই। নতুন ষ্টাফ কেউ নেই পুরাতন ৩/৪ জন ছাড়া। ফ্যাক্টরী আজ বন্ধ হয়ে গেছে। এলসি নাই, ব্যাংকেও কম যাই। মাস গেলে বেতন হবে কি হবে না তার চিন্তায় মশগুল থাকি। বসে বসে ব্লগ লেখি...................আর ভাবি

অতি লোভ কখনোই ভাল নয়। কি দরকার ছিল এমন মেজর সাহেবকে নিয়োগ দিয়ে এতগুলো ষ্টফের চোখের পানি ঝরানো?
ওরা চলে গিয়ে ভালই হয়েছে, এখন সবাই ভাল পজিশনে আছে। আমিও হয়তো চলে যাব তবে ভাল কোথাও যেখানে থাকবে সত্যিকারের এডমিন, থাকবে পাওনা ছুটির ব্যাবস্থা, থাকবে প্রমোশন, থাকবে নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট। আর যেন বুকের মাঝে যন্ত্রনা নিয়ে অফিস করতে না হয়!!

আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন যেন ভাল একটা চাকুরি জুটে যায়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29055926 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29055926 2009-12-09 11:22:31
একটি বুকফাটা আর্তনাদ !!!
ভুল করেছি জেনারেল লাইনে পড়াশুনা করে। তাই ছোট ভাইকে দেশ থেকে নিয়ে এসেছি ইঞ্জিনিয়ার বানাবো বলে। গ্রামে থেকে ভাল রেজাল্ট করতে পারে নাই তাই সরকারী পলিটেকনিকে চান্স হয় নি। বাধ্য হয়ে বিআইএসটি (বাংলাদেশ ইনিষ্টিটিউট অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজি) তে ভর্তি করিয়ে দিলাম। প্রসপেকটাস দেখে মনে হয়েছিল এটা হয়তো ভাল মানের একটা আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিজস্ব ক্যাম্পাস রয়েছে শান্তি নগর। তাছাড়া বাসারও বেশ কাছাকাছি হওয়ায় নিশ্চিন্তে ভর্তি করিয়ে দিলাম।

আস্তে আস্তে এর বাস্তবচিত্র ধরা পড়ল। স্থায়ী কোন শিক্ষক নাই, সবাই ক্ষ্যাপ মারে পার্ট টাইম। এমন শিক্ষক ক্লাশ নিতে আসেন যে চেহারা ছাত্রদের থেকেও ছোট এবং কোন সাধারণ প্রশ্নের সহজ উত্তরটুকুও দিতে পারে না, জটিল প্রশ্নে কান লাল হয়ে যায়। ল্যাব আছে ঠিকই কিন্তু কোন সরঞ্জাম নাই যা দ্বারা ছাত্ররা প্রাকটিক্যাল জ্ঞান লাভ করতে পারে। প্রথম সেমিষ্টারে নিজের ক্যাম্পাসেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হল। ছাত্রদের কোন অসুবিধা হয়নি পাশ করতে কারন নিজেদের স্যার বলেই কথা। সমস্যা হলো দ্বিতীয় সেমিষ্টারে, কেন্দ্র পড়েছে অন্যত্র। প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় পাশ করা সম্ভব নয় কোন ছাত্রের পক্ষে। স্যাররদের জন্য কোন চিন্তার বিষয় নয় কারন রেফার্ড পরীক্ষার জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফিস ৮০-১০০ টাকা হলেও কলেজ আদায় করছে ৮০০ টাকা। এই অতিরিক্ত টাকা যাচ্ছে স্যার মহাশয়দের পকেটে। বেশ ভাল একটি ইনকাম; তানারা চান বেশী ছাত্র যেন ফেল করে।

প্রতি মাসে ছাত্রদের কাছ থেকে ১৪৫০ টাকা নির্ধাতিন বেতন কড়ায় গন্ডায় আদায় করে চলেছে। সাত তারিখ থেকে আট তারিখ হয়ে গেলেই ১০০ টাকা ফাইন ধার্য হয়ে যায়। এর কোন মাফ নেই, অথচ শিক্ষা দানের কোন উন্নতি চোখে পড়ে না। প্রিন্সিপালকে সচরচার দেখা যায় না যে ছাত্ররা তাদের দাবী/অভিযোগ করবে। কেউ প্রতিবাদ করলে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করাব বলে হুমকি দিয়ে থাকেন।

ভাবতে খুব কষ্ট লাগে যে অভাবের সংসারকে আরো অভাবিত করে ছোট ভাইকে প্রতি মাসে বেতন, বই খাতা, যাতায়াত খরচ বাবদ ভুরি ভুরি টাকা ঢালার পরও রিজাল্ট যদি এমন হয় !

প্রতিবাদ করার ভাষা খুজে পাই না। মাঝে মাঝে মনে হয় মিডিয়াতে প্রকাশ করি ওদের দুর্নিতির শ্বেতপত্র। আবার ভাবি কি হবে এসব করে, কে শুনবে আমার মত অসহায় গার্ডিয়ানদের বুকফাটা আর্তনাদ !!! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29054850 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29054850 2009-12-07 12:34:33
সহজেই ছবি এবং গান থেকে ভিডিও তৈরী করা http://umusic.codeplex.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এবার সফটঅয়্যারটি চালু করে jpg ফরম্যাটের ছবি mp3 ফরম্যাটের অডিও ব্রাউজ করে এনে Create Video বাটনে ক্লিক করলে WMV ফরম্যাটের ভিডিও তৈরি হয়ে যাবে। সফটঅয়্যারটি দ্বারা তৈরি করা ভিডিও ইউটিউব এবং রেপিড শেয়ার আপলোড করা যাবে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29054589 http://www.somewhereinblog.net/blog/alukdia/29054589 2009-12-06 21:45:30