somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... টোনাটুনির বাসা এবং বাসার ভেতরে ডিম সেলফোনে তোলা ছবি।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28713259 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28713259 2007-05-29 14:40:56 ছবি দিতে মন চায় (জাহাঙ্গীর নগর) সেলফোনে তোলা ছবি।
সেলফোন : স্যামস্যাং ডি -৫০০, ১.৩ মেগাপিক্সেল]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28711927 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28711927 2007-05-22 00:21:11
ভয় খাইছি, ভিডিও লিংক দেয়ার ব্যাপারটায় ভিডিও দেয়ার ব্যাপারটা ফ্লাডিং এর কাছাকাছি কি না বুঝতেছি না। সবাই এক লগে খেপলে কেমনে হবে ?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28711163 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28711163 2007-05-18 00:08:06 যাপিত জীবন - ৩ : সেল ফোন এবং বদলে যাওয়া মন (উত্সর্গ প্রত্যুত্পন্নমতিত্ব) মন সবসময় উড়ুউড়ু। গায়ে ভার্সিটির রোমান্টিক বাতাস। উড়ু উড়ু করতে করতেই ধুম করে একটা প্রেম করে ফেললাম।
প্রেম তো করলাম! কিন্তু, এ তো নতুন যন্ত্রনা!
সারাক্ষণ প্রেমিকার সাথে কথা বলতে মন চায়। রাতে তিতুমির হলের কার্ডফোন থেকে ফোন করি (অবশ্যই রাত ১১ টার আগে)। দশ মিনিট ধরে দু'দশটা ছোট, বড়, মাঝারি সাইজের ইন্টারভ্যু পার হয়ে দু'মিনিটের জন্য রাজকন্যাকে পাই। মন ভরে না।

ওর মন তো আরো ভরে না। আমাকে প্রতিদিন বলে একটা মোবাইল কেনো।
বউ বলে কথা!
অনুরোধে মন গলে যায়। টিউশনি শুরু করি। টাকা জমাতে হবে। খুব দ্রুত।

২০০০ সালের জুন মাস। এক বিকেলে টিউশনী শেষে রাস্তায় নামলাম। হলে ফিরব।
আকাশ কাল করে মেঘ জমেছে। জুন মাসে এরকম একটু আধটা জমতেই পারে। অবাক হবার কিছু নেই। পাত্তা দেয়ারও কিছু নেই। আমি হাঁটতে লাগলাম বাস স্ট্যান্ডের দিকে।

হুট করে গরম একটা হাওয়া খেলে গেল। কী আশ্চর্য! তারপরই ঠাণ্ডা হাওয়া। বলা নেই, কওয়া নেই শো শো শব্দ চারদিকে। বিকেলের আকাশ, অথচ নিমিষে অন্ধকার! ঝুম বৃষ্টি!

'ঝড়ের দিনে মামার বাড়ি আম কুড়াতে সুখ টাইপ' ঝড় নয় - যা শুরু হলো তা রীতিমত তাণ্ডব। শাট শাট করে দোকানের শাটার পড়ে গেল। একটা গাছের ডাল ভেঙে আমার ঠিক পায়ের কাছে পড়ল। হিসাবে একটু এদিক ওদিক হলেই এ লেখা আর আজ লিখতে হত না।

সেদিন হলে পৌঁছলাম রাত ১০ টায়। ভিজে চুপচুপ। সেই অবস্থাতেই কার্ড ফোনের লাইনে দাঁড়ালাম। রসিয়ে রসিয়ে বৃষ্টিতে ভেজার গল্প বলতে লাগলাম।
ওর কি রাগ শুনে!
ওকে কেন ভেজার সময় সাথে নিলাম না। সবটুকু মজা আমি কেন একাই করলাম!

দিনগুলো সত্যিই হয়ত মজার ছিল!

২০০৭ সালের মে মাস।
কয়েকদিন আগের কথা। সন্ধ্যাবেলা।
খামারবাড়ি থেকে রিকশা করে মিরপুর যচ্ছি। ঝুম বৃষ্টি নামল। একইরকম!

রিকশাওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলাম, পর্দা আছে কি না?
রিকশাওয়ালা নির্বিকারভাবে না বলল।
আমি হুটটা টেনে দিলাম। দুই পকেটে দুটো মোবাইল। বাঁচাতে হবে ওদেরকে। যে করেই হোক, বৃষ্টির পানি লাগতে দেয়া যাবে না।
অনেক চেষ্টা করেও একটা মোবাইল সেদিন বাঁচাতে পারিনি। সেই রাতে আমার দুচোখের পাতা এক হয়নি। দু:খটা এখনও আছে।

যন্ত্রজীবনে বৃষ্টিভেজা'র মত ফালতু জিনিসের কোনো স্থান নেই।

প্রত্যুত্পন্নমতির সম্পূরক পোস্ট
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28709373 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28709373 2007-05-06 17:59:15
মুগ্ধ পাঠক -৫ : নজমুল আলবাব (মরুভূমির গোলাপ চাষী)
মোঁপাসা - ব্যক্তিজীবনের সাথে তার লেখার প্রেম, মানসিক টানাপোড়েন, আর উন্মত্ত যৌনতার পদে পদে মিল। তার লেখা চরিত্রগুলোও তার মত সিফিলিসে ভোগে। সত্য মিথ্যা জানি না - শুনেছি, তিনি নাকি পৃথিবীর সেই সব সৌভাগ্যবানদের একজন যারা কিনা রতিরত অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন ।

আবার বিপরীত চিত্রও আছে।

জুলভার্ন - বাপরে বাপ! আমার শৈশব, কৈশোরের ঘুম কেড়ে নেয়া সব লেখা: চাঁদে অভিযান, সাগর তলে, আশি দিনে বিশ্বভ্রমণ। অথচ, এই লোকটি নাকি মারাত্মক ঘরকুনো! জীবনে বাড়ির বাইরে খুব কম গিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করিনি। হতেই পারে না এমন!

ভূমিকাটা মনে হয়, একটু বড় হয়ে যাচ্ছে। সংক্ষেপ করি এবার।

নজমুল আলবাব এর লেখা পড়ে আমার মনে কোনো কনফিউশন জাগে না কখনও। তার আটপৌঢ়ে শব্দমালা আমাকে একজন নিরীহ এবং খাটি ভদ্রলোক এর ছবি উপহার দেয়। আমি যদি ভবিষ্যতে কোনোদিন জানতে পারি, তিনি খুব ডাকাবুকো টাইপের লোক আমি মেনে নেব না। কিছুতেই না।

মেনে নেব না -কারণ, তার লেখা প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য আমাকে জীবন্ত একটি মানুষের সাথে কথোপকথনের অনুভূতি জাগায়। 'ভূল সময়ের মর্মাহত বাউল' - আমার মনে বাউল হয়েই বেঁচে থাকবে।

নজমুল আলবাবের লেখার যে জিনিসটি আমাকে সবচেয়ে বেশি টানে, তা হলো পরিমিতিবোধ। এই জিনিসটার খুব অভাব আমার মধ্যে।
আমি যেখানে ধান ভাঙতে শিবের গীত গাই, সেখানে উনি মাত্র ৫ টি লাইন খরচ করেন 'ডোনেশন' এর মত ৫০০০০০০ লাইনের ব্যাপ্তিওয়ালা পোস্ট দিতে।

'আমাদেরও ছিল সুসময়'- এমন একটি লেখা যে লেখায় বার বার কমেন্ট করতে চেয়েছি। পারিনি।
পারব কী করে? চোখ ঝাপসা হয়ে গেলে, কীবোর্ডের অক্ষরগুলোতো অস্পষ্ট হবেই।
মানুষ কেমন করে ওমন লেখে?
সাধারণ থেকে স্বপ্নবাজ হবার গল্প?

'দেয়ালের দাগ' - ছোট ছোট বাক্যে সাজানো একটি অসাধারণ ছোটগল্প। সাইদ, রনজু, রনজুর বাবা মা, তাদের দ্বিধা, সংশয়, সুররিয়েলিস্টিক উপন্যাসের ডিটেইলস এর মত দেয়ালে দেয়া দাগ - সবকিছু কতই না আপন!

'সে বড় মায়াবতী ছিল,
সে ছিল ছায়াময় বৃক্ষের মত':
'অর্ণা বন্ধু আমার' - কবিতার দুটো লাইন। দুটো লাইনে কী সুন্দরভাবে আমরা একজন মায়াবতীকে দেখি!!! আর এরকম বন্ধুর জন্য বুকের মধ্যে কতশত দীর্ঘশ্বাস জমা করি।

'আমার কোনোদিন দুধ চা খাওয়া হবে না' - গল্পটি সম্বন্ধে আমার কিছু বলার নেই। সেই যোগ্যতাও আমার নেই। আমার শব্দভাণ্ডার নি:শেষ করেও এর মূল্যায়ন করতে পারব না।
এই ব্লগের পাঠকরা মূল্যায়ন করেছেন গল্পটিকে ভালবেসে টপ রেটেড লিস্টে তুলে। বক্তব্যধর্মী পোস্টে যখন টপ রেটেড পোস্ট ভরে যায়, তখন নজমুল আলবাব এর গল্পটি একই লিস্টে দেখে অহংকার হয়। ভরসা পাই, সত্যিকারের সাহিত্য এখনও মূল্যহীন হয়ে যায়নি।

'আমাদের ক, খ, গ, ঘ এবং ঙ' - আরেকটি দুর্দান্ত গল্প। কতটা হতাশা থেকে এরকম একটি গল্প লেখা যায় - জানি না।

যে গল্প কেউ বলে না,
সেই গল্প যে বলে-----
সে ভূল সময়ের মর্মাহত বাউল হতে পারে । কিন্তু, এতে তার চরিত্রের পূর্ণ প্রকাশ আমরা পাই কি?

আমি অন্তত পাই না। তার জন্য আর একটি বিশেষণ আমি চোখ বন্ধ করে যোগ করে দেই - 'মরুর বুকে একনিষ্ঠ গোলাপ চাষী।'

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28709093 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28709093 2007-05-04 17:02:57
সার্কাসের রিটায়ারড বান্দরদের নিয়া চিড়িয়াখানা খুলতে যাচ্ছি ...(খসড়া পোস্ট) আজ ৩ মে, ২০০৭। একটা চিড়িয়াখানা খোলার কথা চিন্তাভাবনা করছি। নাম ঠিক করিনি এখনও। এখন চলছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঁচু মানের ছাগল আর বিলুপ্ত সার্কাস দলের রিটায়ারড বান্দর সংগ্রহের কাজ। ছাগলের মত বুদ্ধি নিয়ে চলে যেসব মানুষ, তাদের জন্যও দরজা খোলা।

ছাগল, কুত্তা আর বান্দর এই তিনটি প্রাণীর প্রতি আমার তীব্র এক আবেগ সবসময়ই কাজ করে। তাই, ঠিক করলাম কাজটা করেই ফেলি। আফটারঅল ভবিষ্যত প্রজন্মকে চেনাতে হবে তো ছাগলদেরকে। তাছাড়া পশুপাখির প্রতি আমাদের এক ধরণের দায়িত্ব তো আছে, না?

ছাগল যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়ায়, আর ভ্যা ভ্যা শব্দে মানুষের বিরক্তি উত্পাদন করে।
আর বান্দর , আপনারা জানেন, ওরা কত নিরীহ। অথচ, মানুষ গালাগালি করে ওদেরকে।
আমি তাই ওদের জন্য একটি সেফ জায়গা বানাতে চাই। যেখানে, ছাগলগুলো নির্দ্বিধায় ভ্যা ভ্যা করবে, আর সার্কাসের রিটায়ার্ড বান্দরগুলো ডিগবাজি খাবে।
আমাদের ছোট ছোট বাচ্চারা, মানে ভবিষ্যত প্রজন্ম মুগ্ধ নয়নে তাদেরকে দেখবে।

আজ থেকে শুরু করলাম কাজ। বিশাল বাজেট নিয়ে মাঠে নামলাম। যতই সময় লাগুক, এনশাল্লাহ এই কাজ শেষ করবই। দেখি, কত তাড়াতাড়ি পারি ---------

সুপ্রিয় ভাই ও বোনেরা (প্রেমিকা থাকলে তারাও ), আওয়াজ দিয়েন। যেখানেই ছাগল দেখেন আমারে বলবেন। আর সার্কাস থেকে রিটায়ারড বান্দর পাইলে তো কথাই নাই।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28709017 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28709017 2007-05-03 23:16:56
একজন স্লো মানুষের হাফ সেঞ্চুরী (ফালতু পোস্টের খসড়া <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif' /> ) মানুষটা আসলেই স্লো।
টুয়েনটি টুয়েনটি, ওয়ানডে'র যুগে টেস্ট ব্যাটিং করে।

শুরু করছিল ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে। আর আজ ৩ মে, ২০০৭।
মাঝখানে প্রায় ৬ মাস।

অথচ পোস্ট মাত্র ৫০ টা হইলো। তাও অনেক কষ্টে। গুতায়ে গুতায়ে।

ব্যাড পারফরমেন্স। ভেরী ব্যাড পারফারমেন্স।
কেমনে যে আরও লিখি!
লিখতে খুব মন চায়। অথচ কলম থেমে থাকে। আগায় না।
------------------------------------------------------------------------------------------------------------
দূর আমারে দিয়ে কিছু হবে না।
হতাশ

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708963 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708963 2007-05-03 20:24:02
মুগ্ধ পাঠক - ৪ : রাগ ইমন এবং তার অযুত নিযুত পাগলামি (ছাগলামি নয়)
দয়া মায়া, করুণা আমার খুব একটা আসে না। তাই, করুণা না কইরাই কই, এইরম বদ্ধ উন্মাদ আমি দ্বিতীয়ডা দেখি নাই। চিন্তা ভাবনা অসংলগ্ন। মাঝে মাঝে মনে হয়, নেশা টেশা করে মনে হয়। কখনও পুরোপুরি শিওর হয়ে যাই, নেশা না করলে এইরকম আউলা কেউ হইতে পারে না।

নেশা তো সে অবশ্যই করে, তয় কফসিরাপ, ডাইল, ফাইল খায় না, গাঞ্জাও খায় না।
কী বললেন, হেরোইন?
আমার মনে হয় না। আমার মনে হয়, মাইয়াডা কবিতার নেশা করে।

বিশ্বাস করলেন না তো?

জানি করবেন না। আপনারা চরম অবিশ্বাসী রে ভাই! প্রেমিকারে বিশ্বাস করেন না, গভমেন্টরে বিশ্বাস করেন না, জলপাই মামুগো বিশ্বাস করেন না, ঈশ্বর বিশ্বাস করেন না।
আপনাগো দিয়া কিছু হইব না!

আমি আবার সবকিছু বিশ্বাস করি এবং যা বিশ্বাস করি, মন থেকেই করি।
আমার দৃঢ় বিশ্বাস, রাগ ইমনের মাথায় সমস্যা আছে। সমস্যাটা তৈরী হইছে কবিতার নেশায়।

নাইলে, জ্বরের ঘোরে স্বপ্নভূখ মাইনষের মত অমন রাত জাইগা কেউ লিখবার পারে, 'কামসূত্র শিখতে চাই?'

মেয়েটা আবার বিশ্বপ্রেমিক। অন্তত: অনেকে তাই মনে করে। আমি তো ব্যাপারটার মধ্যে খারাপ কিছু দেখি না। আমার মইধ্যে যেদিন প্রেম শেষ হইয়া যাইব, সেইদিন তো আমি শ্যাষ (হাসান ভাই আর মারজুক এর মত কইলাম)।

আর বিশ্বপ্রেমিক হইলে, 'আলিঙ্গনে এসো, বৃষ্টির ছাদে দাঁড়িয়ে পূর্ণিমা দেখি' র মত কবিতা যদি লেখা যায় তাহলে আমি এই জনম, পরের জনম, তার পরের শত শত জনম বিশ্বপ্রেমিক হইয়াই থাকব। সমস্যার কিছু দেহি না।

ভাল লাগল না আমার কথা? ঠিক আছে, ঐ কবিতার কয়েকটা লাইন তুইলা দেই। ভাল লাগবোই। লাগবা বাজী?

'মহাকালের পাখা যখন নিরব সমাহিত,
ফোটা ফোটা আকাশ পীযূষ ঝরছে রাতের বুকে
তোমার অধর আমার ঠোঁটে রেখো সমর্পিত।'

ভয়ংকর কবিতাও আছে - 'এখনও তুমি পাড় মাতাল'।

তয় মাইয়াডা মাঝে মইধ্যে মনে হয়, মাথায় তেল দেয় । তখন কয়েকঘন্টা মাথাডা একটু ঠাণ্ডা থাকে। তখন সে লেখে - 'অরূপ ও মাশীদকে : ছন্দ যাদের সাতরায় রক্ত, আমিও ওদের ভক্ত।'

উথাল পাথাল প্রেমে মনে হয় একবার পড়ছিল। তখন একটা লেখা লিখছিল : 'ভালবাসার চাদর।'
লেখাটা পইড়া অনেকক্ষণ কাঠ হয়ে চেয়ারে বইসা ছিলাম। নড়তে চড়তে পারি নাই। কিছু ভাবতেও পারি নাই। এইরম কইরা কেমনে মাইনষে ল্যাখে - এইডা ভাবতে ভাবতেই দিন পার হইছিল।

সেই উথাল পাথাল প্রেম মনে হয় কয়দিন পরে ভাইঙ্গা যায়।
তখন কী কষ্ট নিয়া, চোখভর্তি জল নিয়া সে ল্যাখে : 'আমাকেই আমি ধারণ করি না।'

কবিতাডা পইড়া ইমনের জন্য একটুও কষ্ট হয় না। কষ্ট হয় পোলাডার জন্য। আহারে বেচারা! জানে না, কী জিনিস হারাইল!!!

তয় মাইয়াডা একেবারে পোলাপাইন। প্রোফাইলে যে বয়স সে লিখত, তার ধারেকাছেও বয়স না। নয়তো - 'আপনারাই কন, আমি কী মুখোশ খুলে দেব?' - এই লেখা লিখতে পারে? লিখলেও কমেন্ট করার সময় একটু বুঝে শুনে করবে না। ব্লগের যারা পুরনো- তাগো আজাইরা খ্যাপাইয়া দিল!!!

ইমনরে কী আর কমু? কিছুই বাকি রাখি নাই। ওর তারছিড়া, স্ক্রু ঢিলা। ও ফাউল, পুরা ফাউল।

'কী কইলেন?'
ও আচ্ছা, এই তারছিড়া মাইয়ডার মুগ্ধ পাঠক আমি ক্যামনে হইলাম, এইডাই তো আপনাগো প্রশ্ন।

আছে, কারণ আছে:

আমি পাগল হইয়া মাইনষের পায়ের কাছে বইসা থাকি, তাগো ভেতরের পাগলডারে দেখব বইলা , যখন দেখি তখন মুগ্ধ হই।

আমি এইরকম!!!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708724 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708724 2007-05-02 17:46:19
যাপিত জীবন - ২: আমার গত সপ্তাহের অপরাধসমূহ (যা মানুষ হিসাবে আমাকে কয়েকস্তর নীচে নামিয়ে দিয়েছে) দিনশেষে মনটা খুব ভার ভার লাগে।

সারাদিন কাজের চাপে বুঝতে পারিনি, কোথায় যেন একটা আঘাত লেগেছে। গুরুতর আঘাত!
ব্যান্ডেজ, মালিশ, ওষুধে এ আঘাত যাবার নয়।

ছোট ছোট অনেকগুলো বাচ্চা। ক্যামেরা, লাইট, অ্যাকশন বোঝে না। রোল দেবার পর হা করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে। আপদ!

অনেক বুঝিয়ে শুনিয়ে, কখনও বকা দিয়ে ওদেরকে অন্যদিকে ফেরাতে হয়। তার মধ্যে একজন আবার কানে শোনে না - নাম ময়না। ওকে বুঝিয়েও লাভ নেই। ইশারায় কথা বললে একটু আধটু বোঝে। আমি আবার ধৈর্য্য ধরে ইশারায় বোঝাতে পারি না। অল্পতেই বিরক্ত হই।

আরো আছে-
'বাবু' - হাঁটতে পারে না। হুইল চেয়ারে বসে কাস করে।
'আনোয়ার' - চার হাত পা এক করে পশুর মত হেঁটে ব্ল্যাক বোর্ডে যায়।
ঝলসে যাওয়া মুখের একটা মেয়েও আছে। কতই বা বয়স !!! ৭ /৮। অথচ কে যেন মুখটা ঝলসে দিয়েছে।

ওদের এই মুখগুলোকে কত বেদনার্তভাবে পরিবেশন করা যাবে সেই চেষ্টাতে আমার ঘাম ছুটে যায়।
বাবু যে পা ডলে ডলে হাঁটে, এই শটটা একটা প্যারালাল ট্রলিতে নিতে হবে।
ময়নার হিয়ারিং এইড এর একটা কোজ আপ চাইই চাই।
এই ডকুমেন্টারী দেখিয়ে এনজিও বিদেশ থেকে টাকা আনবে। ভালমত ছবি না বানালে বিদেশীরা দেখবেই না।

সারাটা দিন গাধার মত খাটি। অযথা চিত্কার করি:

- 'নিয়াজ, ওয়াইড আঙ্গেলটা অর্ধেক করেন। পুরোটা দরকার নাই'।

- 'মাল্টি টেনটা দিয়েন না। সোলার দিয়ে ফিল লাইট দেন। কী বললেন, সোলার দিয়ে ফিল দেয় না। ঠিকাছে, আমরা আজ থেকে শুরু করলাম। কেউ না দিলেও আমরা দেব। লুমিয়ের ব্রাদারের আগে মুভি ক্যামেরাও তো কেউ আবিষ্কার করেনি - তাই না? কাউকে না কাউকে তো শুরু করতেই হবে।'

-'এখন লাইটটা বেশ ভাল। গোল্ডেন লাইট। ভাল দেখে একটা প্রতিবন্ধী বাচ্চা দেন তো আপা, বেশ খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটে। গোল্ডেন লাইটে লো অ্যাংগেল থেকে শট ধরলে খুব হৃদয় কাড়া একটা ব্যাপার হবে। বাচ্চাটার খুড়িয়ে হাঁটা হেভী আর্টিস্টিক লাগবে।'

বাজেটের সাথে পাল্লা!
ঘড়ির সাথে পাল্লা!
শিল্পের সাথে আপোষহীনতা!
রোলিং ---ফাইভ, ফোর, থ্রী, টু, ওয়ান, জেরো- অ্যাকশন।

সন্ধ্যায় হোটেলে এসে কেন যেন নিজেকে খুব সুবিধাবাদী মনে হয়।
আমার দু' দুটো হাত চোখের সামনে মেলে ধরি। ওগুলো ঠিক আছে।
দুটো পা, দুটো আস্ত চোখ, শ্রবণক্ষম কান, সুবিধাবাদী মস্তিষ্ক -সব, সব ঠিক আছে।
শুধু মনটাই মরে গেছে।

সেই হিসেবে, আমিও প্রতিবন্ধী।
সবচেয়ে গুরুতর প্রতিবন্ধী।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708649 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708649 2007-05-02 02:11:22
মুগ্ধ পাঠক - ৩ : আনোয়ার সাদাত শিমুল (অস্থির জনপদের পথিক) সময়টা অস্থির!
অস্থির বড়!

এই অস্থিরতাকে বুকে ধারণ করে যারা লেখেন, তারাও অস্থির। কিন্তু, তাদের অস্থিরতার মাত্রাটা ভিন্ন। তাদের অস্থিরতা বিষয়বস্তুতে, বিষয়বস্তু প্রকাশের রীতিতে তারা বিস্ময়করভাবে সুস্থির। আশ্চর্য ঠাণ্ডা তাদের মাথা। অদ্ভুত বিনয়ী তাদের যুক্তি দেয়ার ক্ষমতা।

কেন যেন মনে হয়, আনোয়ার সাদাত শিমুল সবসময় একটা মর্মপীড়ায় ভোগেন। সে মর্মপীড়া বড় বিষয় থেকে শুরু করে তুচ্ছ বিষয়ে।

তার মর্মপীড়ার কেমন একটা প্যাটার্ন যেন আছে!

'একজন গরুর গল্প' - এ আমরা যে প্যাটার্ন পাই, সেই প্যাটার্নই যেন দেখতে পাই 'মংগা সেলিব্রেশন' এ। অথচ দুটো আলাদা লেখা- বিষয়বস্তুও আলাদা। তারপরেও একটা সূক্ষ্ম মিল কিন্তু থেকে যায়। মিলটা কি শিমুলের গদ্যরীতির কারণে পাই?

হবে হয়তবা! আবার না হলেও ক্ষতি নেই। কোথায় যেন পড়েছিলাম, যা ভাল লেগে গেছে, তার কারণ খুঁজতে যেও না। খুঁজে পাবে না।

শিমুলের গদ্য অদ্ভুত রকমের! ছোট ছোট বাক্য, সহজ সাধারণ শব্দ। মজা করে রসিয়ে বলা হয়ত বা, কিন্তু অদ্ভুত বিষাদের সুর। এই বিষাদটাকেই বড় আপন লাগে।

শিমুলের বিষাদমাখা সুর চোখে পানি আনে না, বরং দাউ দাউ করে বুকে আগুন জ্বালায়, অনবরত প্রশ্নের মুখোমুখি করে। তাই, শিমুল অন্য মাপের, অন্য ধাচের।

আবার এর বিপরীত চিত্রও আছে। 'আপনি, তুমি ও তুই' - এর মত কবিতা মনে নিটল আনন্দ দেয়।
অথবা, সিডনী শেলডন এর লেখা উপন্যাস এর রিভিউ পড়ে তক্ষুণি মূল উপন্যাসটি পড়বার ইচ্ছা জাগে।

'সম্প্রীতির সন্দেশ' এ নারাণবাবুর জন্য বুকের মধ্যে উথাল পাথাল এক ধরণের কষ্ট হয়। একই সাথে সব কিছু ভেঙে চূড়ে ফেলবার এক অদম্য ইচ্ছা মনের মধ্যে জাগে। আপনা থেকেই জাগে। আন্দোলন করে, বা হরতাল করে জাগাতে হয় না।

শিমুলের লেখা ঝড়ের মত নয়। এসে সবকিছু চুরমার করে দেয় না। বরং স্লো পয়জনিং করে। একটু একটু করে অ্যাডিক্ট করে । একটু একটু করে ভাবায়!

ব্লগে ক্রিকেট বিষয়ক অনেক লেখা পড়েছি। মন্দিরা বিষয়ক পড়েছি। তাকে কামড়ানো বিষয়ে পড়েছি। ভারতের কমেন্ট্রী টিমের প্রতি তীব্র ঘৃণা নিয়ে যারা লিখেছেন, সবার লেখাই পড়েছি। একমতও হয়েছি।

কিন্তু, আনোয়ার সাদাত শিমুল 'ফোর্থ আম্পায়ার' - এ যেরকম করে লিখেছেন এর ধারেকাছেও একটা লেখা পড়িনি। মৃদুভাষণ, বা বিনয়ী ভাষণ যে দুর্বলতা নয়, বরং ভয়ংকর এক হাতিয়ার তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি।

'পাকমন পেয়ার'- কী আর বলব? অনেক কথাই অলরেডী বলা হয়ে গেছে। আমার চেয়ে শতগুণে জানেন, বোঝেন সবাই অলেরডী বলেছেন, এই অনবদ্য ভীতি জাগানিয়া গল্পটি নিয়ে।

গল্পটিতে শিমুল কোথাও কারও নাম উল্লেখ করেননি। তবুও কেউ কেউ মিল পেয়ে গেছেন নিজের সাথে, নিজেদের সাথে। পাল্টা পোস্ট ঝেরেছেন।

লেখক হিসাবে শিমুল এখানেই সার্থক। কিছু না বলেও এমন অনেক কথা বলেছেন যা সরাসির গায়ে লেগেছে পাকমন পেয়ারদের।

'পাকমন পেয়ার' এর চেয়ে সমালোচনার জবাবে লেখা- 'পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি' আরও ভাল লাগে। ভাল লাগে তার বিনয়ের জন্য।

অস্থির জনপদের পথিক তিনি!
কিন্তু পথভ্রান্ত নন।
তার এই বিনয়টুকুই তাকে নিয়ে যাবে পথের শেষে।

[বানান ভুল থাকতে পারে। আমি ইউনিকোডে অভ্যস্ত না।]

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708595 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28708595 2007-05-01 15:31:43
যাপিত জীবন - ১: লিগ্যাল, ইলিগ্যাল ফ্যান্টাসী বনাম স্বপ্নের রাজকন্যা।
বন্ধুর বিয়ের পার্টি।

বহুদিন পর বন্ধুরা সব এক হই।

সাব্বিরটা একটু মোটা হয়েছে। বিশ্বজিত আগে ফর্সা ছিল, ইদানীং ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। রাহী বরাবরের মত আড়চোখে মেয়েদের দেখে। মাঝে মাঝে দুষ্টু কথা শুনলে একটু আধটু হাসে। মন্টু নতুন গাড়ি কিনেছে। কর্পোরেট পয়সায় খুব সহজেই বোধ হয় গাড়ি কেনা যায়।

পার্টি দুপুরে। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামে, অথচ আড্ডা ভাঙে না। পার্টি হলে বড় বড় করে লেখা, বিকাল ৪.৩০ এর মধ্যে হল খালি করতে হবে। আমরা পাত্তা দেই না। এসব কথায় পাত্তা দিতে নেই।

পৃথিবীতে কি হয় আমরা জানি না। জানতে চাইও না। কী দরকার এত কিছু জেনে?

লেকের ওপারে টুপ করে সূর্যটা ডুবে যায়। মনটা কেমন উদাস উদাস লাগে।

দূর থেকে গান ভেসে আসছে। হায়দার হোসেনের গান। গানের কথাগুলো মন দিয়ে শোনার চেষ্টা করি। শোনা যায় না। হবে নিশ্চয়ই জ্বালাময়ী কোনো গান ------- অথবা টিভি চ্যানেলগুলোতে সদ্য মুক্তি পাওয়া আর্মিকে তেল মেরে গাওয়া গান। লোকটা পারেও বাবা! এক অঙ্গে সহস্র রূপ!

মোবাইলের রিঙটোন এখন আর মনে প্রত্যাশা জাগায় না। নিতান্ত বিরক্তিতেই ধরি ফোনটা ।

জয়িতার ফোন। অসম্ভব মিষ্টি গলা। কিন্তু, এই মুহূর্তে কেন যেন মিষ্টি গলা শুনতে ইচ্ছে করে না। তাকবিমের খড়খড়ে গলার হাসিটাই বড্ড আপন মনে হয়।

ফোনটা কেটে দেই।

আবার ফোন আসে। আন নোন নাম্বার। আননোন নাম্বার মানেই এক রহস্য। 'ফোন বুথ' সিনেমার মত, ইউ হ্যাভ গট অ্যা ফোন কল, এণ্ড ইট মাইট বি ফ্রম এনিবাডি -------------

ফোনটা রিসিভ করি।

- হ্যালো।
- আলভী, এটা আমার নতুন নাম্বার।
- কে?
- ভয়েস শুনে চিনতে পারিস নাই? দিনে কটা মেয়ের সাথে কথা বলিস?

কথোপকথনের এই পর্যায়ে আমি আমতা আমতা শুরু করি।

- না , মানে চিনতে পারব না কেন? শান্তা, কেমন আছিস?
- গাধা, আমি সিলভী।
- ও সিলভী। তোর গলাটা কেমন যেন লাগছে। আমার সেটে সমস্যা বুঝলি, ভয়েসটা কিয়ারলি শোনা যায় না। ওয়ারিদ আসলে নাকি সস্তায় নোকিয়া এন সিরিজের সেট দেবে। তখন চেঞ্জ করব, বুঝলি?
- চাপাবাজি করার আর জায়গা পাস না। তোর সেটে কোনো সমস্যা নাই।

নাহ, সিলভীকে হাইকোর্ট দেখানো যাবে না। সেয়ানা মেয়ে। এরচেয়ে প্রসঙ্গ ঘোরানো ভাল।

- হ্যালো, সিলভী শোন, নাম্বার চেঞ্জ করলি ক্যান?
- আমার বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ঝগড়া হইছে। রাগ করে মোবাইল জানালা দিয়ে ফেলে দিছি।
- তোর কয়টা বয়ফ্রেন্ড? মাঝে মাঝে তো আমারেও জান ডাকিস।
- তুইও আমার বয়ফ্রেন্ড।
- ও: ---------- আচ্ছা, আচ্ছা, ভাল।
- অভিক আমার লিগাল বয়ফ্রেন্ড ---- আর তুই ইলিগ্যাল।
- তোর এরকম আর কে কে আছে, সত্যি করে বলতো। লুকোবি না কিন্তু।
- যাহ্, তোর কাছে লুকোবো কেন? মানুষ লিগ্যালের কাছে ইলিগ্যাল লুকোয়। কোনোদিন শুনছিস, ইলিগ্যালের কাছে লিগ্যালটা লুকোয়? তোকে বলতে আমার কোনো সমস্যা নাই।

এরপর সিলভী তার ইলিগ্যালদের গল্প বলতে শুরু করে। আমি আস্তে করে ফোনটা কোলের ওপর নামিয়ে রাখি। ওপাশ থেকে সিলভী কী বলছে তা শোনার আর দরকার নেই আমার।

দিনটিই যেন কেমন! মন বিষণ্ন করা!

আজ কারো ইলিগ্যাল হতে ইচ্ছে করে না। লেকের ওপর কাল হয়ে যাওয়া অন্ধকার দেখে স্বপ্নের কোনো রাজকন্যার কথা ভাবতে থাকি - যে লিগ্যাল, ইলিগ্যাল বোঝে না।

[বানান ভুলগুলো মাপ করে দিয়েন। আমি ইউনিকোডে অভ্যস্ত না।]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28707164 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28707164 2007-04-21 03:25:36
মুগ্ধ পাঠক -২ : কনফুসিয়াস (হৃদয়ে ছুরি চালানো লেখক।) চুমুর মধ্যে ভেজা চুমুই ভাল। ঠোঁটের প্রান্তভাগ স্পর্শ করার সাথে সাথে নীচের ঠোঁটটা টুপ করে গিলে ফেলে জিভের সঙ্গে জিভ লাগিয়ে -----------

খাটি গদ্য আমার কাছে অনেকটা ভেজা চুমুর মত মনে হয়। গদ্যের মধ্যে ভেজা ভেজা হৃদয়ে ছূরি চালানো গদ্য আমার ভাল লাগে

আমি নিশ্চিতভাবে জানি, ব্লগের সাহিত্যিকরা অন্য কথা বলবেন। হয়তবা আমার ছেলেমানুষীতে হেসেও নেবেন দু'একবার। কিন্তু, আমার পছন্দ এরকম। এজন্যই কন্ঠস্বর গোষ্ঠীর লেখকদের হিসেব করা, কঠিন কঠিন শব্দের মাপা গদ্যের চেয়ে সুনীলের গদ্যই আমার বেশি পছন্দ।

ভাবছেন, এর সাথে আমাদের কনফু'র সম্পর্ক কী?

সম্পর্ক আছে।

`যে জীবন দোয়েলের ফড়িঙের', মানুষ হয়েও এমন জীবন চায় যে কনফু - তার ব্যাপারে এটুকু ভূমিকার দরকার আছে।

কনফু'র গদ্য আমার এতটাই জাদুকরী মনে হয়, ও কী লিখেছে কখনো পড়বার প্রয়োজন বোধ করি না। হয়তবা, ও লিখেছে নেহায়ত সাধারণ কোনো ঘটনা, সাউথ আফ্রিকায় যাপিত জীবনের কথা। অথবা হুমায়ুন আজাদের বইয়ের রিভিউ, বা পুরনো দিনের নাটকের গানের কথা।

আমি গদ্যের বুণন, সাবলীল প্রকাশ, রসে (আদিরস নয়) ভেজা শব্দে হারিয়ে যাই।

মুগ্ধ হয়ে পড়ি, কনফু যখন ভার্সিটি লাইফ নিয়ে স্মৃতিকাতরতায় ভোগে।

সাহানা'র গানের চেয়ে কনফুর লেখা রিভিউটাই কেন যেন বেশি ভাল লাগে।

'আজ তোমার মেঘে মেঘে রঙধনু' পড়তে যেয়ে বুকের মধ্যে দুর্বোধ্য এক অনুভূতি হয় - যে ধরণের অনুভূতির সাথে আগে পরিচয় নেই। সাদামাটা, সহজ গদ্যের কি বিপুল ঐশ্বর্য! বুকের ভেতরে অদ্ভুত এক ভাললাগা, সাথে দলাপাকানো একটা কষ্ট একসাথে খিচুড়ী পাকায়। কম্পিউটার স্ক্রীণের কালো কালো অক্ষরগুলো চোখের সদর থেকে মস্তিষ্কে যায় না, সরাসরি জায়গা করে নেয় মনের অন্দরে। হৃদয়ে ছুরি চালায়।

একবার কনফু'র করা কোন একটা পোস্টে আমি বিনীত অনুরোধ করেছিলাম - ও যেন প্রতিদিন অন্তত একপাতা হলেও লেখে। আবারও একই অনুরোধ করছি। আমি প্রতিদিন ও'র লেখা পড়তে চাই।

[পোস্টটাতে তুমি করে বলে গেলাম কনফু'কে। কেন যেন আপনি বলতে ইচ্ছা করল না। বোধহয়, ওর গদ্যের আপন করা জাদুই আমাকে এই সাহসটি দিয়েছে।]

[বানান ভুল থাকলে নিজ দায়িত্বে ক্ষমা করে দিয়েন। আমি ইউনিকোডে অভ্যস্ত নই।]


[wjsK=http://www.somewhereinblog.net/blog/konfusiasblog/28698242]

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28707042 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28707042 2007-04-20 00:10:30
কথোপকথন - আজাইরা টাইমপাস পোস্ট।
ঈশ্বর: পাথরও একদিন কথা বলবে।

মানুষ: কবে?

ঈশ্বর: যেদিন তোমরা মানুষেরা সব পাথর হয়ে যাবে।

মানুষ: মানুষ কবে পাথর হবে?

ঈশ্বর(মৃদু হেসে): যেদিন তোমাদের অনুভূতিটুকু শুকিয়ে যাবে।

কথোপকথনের এই পর্যায়ে মানুষটি আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং নিজের হৃদস্পন্দন অনুভব করার চেষ্টা করে । সে অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করে তার বুকে পাথরের শীতলতা।

[বানান ভুলের জন্য লেখকের ইউনিকোডে অনভ্যস্ততা দায়ী]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28706903 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28706903 2007-04-19 14:02:50
মুগ্ধ পাঠক - ১ : জেবতিক আরিফের রম্য । সুরটা কেটে গেছে হুট করেই। (আম্মাআআ)

ব্লগে এখন অনেকটাই অনিয়মিত। যাই আসি, যাই আসি। আগের মত সারাদিন পড়ে থাকা হয় না। লিখতে খুব একটা ইচ্ছে করে না। কিন্তু অন্যদের লেখা পড়তে খুব ভাল লাগে।

মাঝে মাঝে দু একটা অলস দিনে সারাদিন বসে থাকি কম্পিউটারের সামনে। গান শুনতে শুনতে চোখ বু লিয়ে নেই প্রিয় ব্লগারদের লেখায়।

তেমনি এক শুক্রবারে হুট করে পড়তে শুরু করলাম জেবতিক আরিফের আমার মোবাইল বেলা। আমার ধারণা ছিল, উনি শুধু রাজনীতি বিষয়ে লেখেন।

রাজনীতি আমি ভাল বুঝি না, যেটুকু বুঝি সেটুকু প্রকাশ করতে পারি না। যাও প্রকাশ করি, সেটা হয় - যা প্রকাশ করতে চেয়েছি তার উল্টো প্রকাশ। ফলে অনেকের সাথেই ভুল বোঝাবুঝি হয়। তাই ভদ্রলোকের লেখা সযতনে এড়িয়ে যেতাম।

আমার মোবাইল বেলা পড়তে গিয়ে অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাচ্ছে

সারাদিন বসে ওনার রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, রম্য সব লেখা পড়ে ফেললাম।

মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিছু লেখা আছে। আমি মাঝে মাঝে পড়ি আর গদ্যের জাদুতে এমনি এমনি হাসি। জেবতিক আরিফের রম্যের ধরণে এমন একটা সহজিয়া সুর আছে।

মানুষ তার থেকে জ্ঞানী বা বড় কোনো মানুষের নির্বুদ্ধিতায় কখনও মজা পায় না। দুজন মানুষ - দুজনেই একই ধরণের বোকামী করল। দুজন মানুষের মধ্যে একজন জ্ঞান গরীমায় আমাদের থেকে উঁচুতে। আমরা কিন্তু তার বোকামিতে আদৌ মজা পাব না। জেবতিক আরিফ খেলেন হিউমান সাইকোলজির এই সূক্ষ্ম বিষয়টাতে। প্রথমেই তিনি পাঠকের কাছে ছোট হতে চেষ্টা করেন। কম্পিউটার বিষয়ক লেখা হলে প্রথমেই নিজেকে কম্পুকানা মানুষ হিসেবে ঘোষণা দেন। পাঠকও মনে মনে কানা মানুষটিকে নিয়ে হাসির প্রস্তুতি নিয়ে ফেলে।

আলাদা করে রম্য শিরোনাম দেয়া বা না দেয়ায় তার লেখার রম্যভাবের ঊনিশ বিশ হয় না। রম্যটা তার মজ্জাগত।

তার একটি সিরিয়াস লেখা -দণ্ড। এই মুহূর্তে মনে করতে পারছি না, বোধহয় ইয়াজুদ্দিনের আত্মসমর্পণ ভাষণের পর পর লিখেছিলেন। লেখাটির সূক্ষ্ম স্যাটায়ার আমাকে মুগ্ধ করেছিল।

আর ইউনিকোড নিয়ে তার লেখাগুলো যত পড়ছি, তত হাসছি। ইউনিকোড নিয়ে এত সহজ সাদামাটাভাবে এত মজার মজার সব বিষয় তিনি আনলেন!

কলেজে যখন পড়ি, তখন থেকেই আমার একটা অভ্যাস (অভ্যাস না বলে বদভ্যাস বলাই বোধ হয় ভাল), কেউ বিন্দুমাত্র রসিকতা করার চেষ্টা করলে আমার দাঁতমুখ শক্ত হয়ে যায়। আমি দাঁতমুখ শক্ত করে অপক্ষা করি কখন রসিকতাটা শেষ হবে। শেষ হবার সাথে সাথেই ফ্লপ দেবার চেষ্টা। অধিকাংশ সময়ই মূল রসিকতার চেয়ে ফ্লপটাই বেশি হিট করে । জেবতিক আরিফের বেলায় তেমনটি করার চেষ্টা করাটা বড় ধরণের গাধামী হবে। তার সূক্ষ্ম হিউমার লা জবাব!

জেবতিক আরিফকে সালাম!

[ প্রিয় লেখকদের নিয়ে মুগ্ধ পাঠক সিরিজটি দীর্ঘায়িত করার ইচ্ছা রইল। এজন্য শিরোনামে মুগ্ধ পাঠক - ১ দিলাম।]

[বানান ভুলের জন্য লেখকের ইউনিকোডে অনভ্যস্ততা দায়ী]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28706773 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28706773 2007-04-18 17:43:26
ব্লগের অবস্থা যত করুণই হোক, আমি মন খারাপ করব না, গাইলও দেব না। কথা দিলে কথা রাখতে হয়।
আমিও রাখলাম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28706342 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28706342 2007-04-15 23:26:56
হৃদয়ে বিষফোঁড়া - একটি অসহায় নগর ভাবনা। সঠিক পরিসংখ্যান জানি না। তবে আমার ধারণা - মিরপুর, মোহাম্মদপুরে ঢাকা শহরের মোট মানুষের একটা বিরাট অংশ বাস করে।

এই মানুষগুলোর একটা বিশাল অংশ আবার চাকরি করে গুলশান, বনানী, বারিধারায়। প্রতিদিন সকালে বাস, সি এন জি, প্রাইভেট কারে তারা অফিস যায়। আবার বিকেলে ফিরে আসে।

খুব সৌভাগ্যবান - যারা ক্যান্টনমেন্ট এর ভেতর দিয়ে যাতায়াত করতে পারেন, তারা ছাড়া এই অসহায় মানুষগুলোর অফিস যাবার জন্য একটিমাত্র পথ আছে - র্যাংগস বিল্ডিং থেকে মহাখালী পর্যন্ত তাই অসহায় যানজট।

বিষফোঁড়ার মত বিকল্প পথ জুড়ে আছে ক্যান্টনমেন্ট। অসাধারণ সব ব্যাপার ঘটে সেখানে। তাই, সাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28705745 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28705745 2007-04-11 10:32:28
আশরাফুল - স্যালুট! বাশার - আমাগো মাপ করলে হয় না? আমাদের বাংলাদেশ টিমে 4 জন বোলার (রফিক, মাশরাফি, রাজ্জাক, শাহাদাৎ / রাসেল/ বৈশ্য)।

4 জন ব্যাটসম্যান (জাভেদ, তামিম, আশরাফুল, আফতাব)

1 জন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান (মুশফিক রহিম)।

1 জন অলরাউণ্ডার (সাকিব)।

আর 1 জন ক্যাপটেন, শুধুই ক্যাপটেন !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! তিনার আর কোনো পরিচয় আপাতত নাই।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28705270 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28705270 2007-04-07 13:49:45
দুষ্টু গান ঃ বাংলা সিনেমার গান। গত সপ্তাহ রংপুরে ছিলাম । আমরা প্রায় 25 জনের টিম।

কাজ শেষ 23 তারিখ সন্ধ্যায়। হঠাৎ ফারহানা আপুর মাথায় ভূত চাপলো সিনেমা দেখবে।

আমরাও কম শয়তান না।

বেছে বেছে ভয়ংকর একটা ছবি দেখাতে নিয়ে গেলাম।

কী তার কাহিনী! কী অপূর্ব অভিনয়! কী শ্রুতিমধুর সব গান!

একটি গানের দু'লাইন তুলে দেবার লোভ সামলাতে পারছি না:

'তুমি আমি এক জাদুর বাক্স,
জন্ম দেব ছেলেমেয়ে একশ। '
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28703455 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28703455 2007-03-24 13:53:49
নতুন দিনের এই তো শুরু ------------
চাঙ্গা অর্থনীতির দেশ জাপানকে অন্তত একটি ব্যাপারে আমরা হারিয়ে দিয়েছি।

ঘটনাটা এইরকম,

আমার বন্ধু বাহলুল মনোবসু স্কলারশীপ নিয়ে জাপান গেছে পড়তে। সেখান থেকে সে অদ্ভুত সব মেইল দেয়। ওর একটা মেইলের কথা আমার বেশ মনে আছে।

ও লিখেছিল, ওর পাশের রুমের কে যেন গার্বেজ বক্সে ল্যাপটপ ফেলে দিয়েছে। আমরা শুনে খুব অবাক হয়েছিলাম।

ল্যাপটপ - ফেলে দিল! হতে পারে, ল্যাপটপটা পুরনো হয়ে গেছে। হতে পারে, কাজ করছে না, তাই বলে এত দামী একটা জিনিস ফেলে দেবে? এভাবে? হার্ডডিস্কটা খুলে বা অন্য কোনো পার্টস খুলে ব্যবহার করা যেত না?

কিন্তু ততদিনে নতুন দিন শুরু হয়ে গেছে আমাদের দেশে। আমরা কেউ তা বুঝিনি।

মামুলি ল্যাপটপের বদলে আমাদের রাস্তাঘাটে এখন তিন, সাড়ে তিন কোটি টাকা দামের গাড়ি পড়ে থাকে। মালিকানা পাওয়া যায় না। এইসব ছোটখাট ব্যাপারে আমরা মাথাও ঘামাই না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28702697 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28702697 2007-03-18 14:07:49
অদ্ভুত আঁধার এক (মুছে দেয়া এবং সংশোধনের পর) শান্তিপুরের মাটি জলে লেগে গেল অশান্তির দাবানল।
ক্ষুধার্ত সন্তানকে ছুঁড়ে ফেলে
মা ছুটলেন উটের পিঠে, খদ্দের ধরবেন বলে।

রক্ত যেন মৃত সঞ্জীবনী,
রক্তের নোনতা গন্ধে প্রাণ পেল মৃত শকুনের দল -
পায়ে হেঁটে,
বাসে চেপে,
এ্যরোপ্লেনে উড়ে
ছেয়ে ফেলল শান্তিপুরের আশ্চর্য সুন্দর আকাশ ।

সোনাঝরা ভোর শুরু হতে না হতেই,
সূর্যের বুকে কে যেন এক পোঁচ কালি ছুঁড়ে দিল।
হঠাত্ গোধূলিতে চেনা মুখগুলি কী আশ্চর্য রকম বদলে গেল!

স্বর্গ হতে নেমে আসা
শিশুর মুখ ফসকে বেরিয়ে এলো দুর্বোধ্য কোনো খিস্তি।
যুবক শশব্দে চড় কষাল যুবতীর গালে।
ক্যানভাস কুঁচি কুঁচি করে ছিঁড়ে শিল্পী বললেন-
'দেখি কন্ট্রাকটারি করে যদি কিছু পয়সা করা যায়!'

নির্বাসনে গেল-
সত্য,
কবি ও দ্রষ্টা,
নারী ও ভ্রষ্টা।

তবু বেঁচে রইল কিছু মানুষ।
বেঁচে রইল,
তবু যেন বেঁচে নেই -
বেঁচে থাকার প্রতি এমনই ঘৃণা তাদের ।

ক্ষমা করো হে সভ্যতা,
ক্ষমা করো হে ঈশ্বর।
আমি এক অসময়ের কবি-
ভুলে যাই এর সবটুকুই নিয়তি...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28700390 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28700390 2007-02-28 03:34:20
ইনটেলেকচুয়াল মাস্টারব্রেশন যার যায় - সেই বোঝে।
অন্যরা ভাব করে বোঝার।
ফালু, তারেকের ভবন হতে পারে। কিন্তু, ঐ ভবনের উপর ভর করে রুটি রুজির হিসাব করত আমার মত শত সহস্র যে সব সাধারণ মানুষ তাদের মুখের দিকেও তাকায়ে হলেও ইন্টেলেকচুয়াল মাস্টারব্রেশন বন্ধ করেন। স্যাবেটাজ, না রাজার আগুন - এই আলাপ বাদ দেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28700133 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28700133 2007-02-26 04:05:30
আমার সমস্যা এবং সমাধানের প্রত্যাশায়
সমস্যা: মিউজিক এডিটিং এর জন্য আমি একটা সফটওয়ার ব্যবহার করি - adobe audition 2। এই সফটওয়ারে আমার ভিডিও উইনডো খুলছে না । AVI ফরম্যাটের ভিডিওফুটজে টাইমলাইনে ইমপোর্ট করলে ভিডিও উনডো আসছে না। জাস্ট ভিডিও ফুটেজটার অডিওটুকু আসছে। আমি ভিডিওটা দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু ভিডিওর অডিওটুকু শুনতে পাচ্ছি।
কিন্তু আমার ভিডিও উইনডোতে ভিডিওটা ভিউ করতে হবে।

সমাধান সম্ভব????? [ কেউ জানলে প্লিজ জানাবেন]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28699975 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28699975 2007-02-24 12:29:36
ভালবাসা দিবসে ঈশ্বরের কাছে খোলা চিঠি। বানালেই যখন ঈশ্বর -
মানুষ করে কেন বানালে?

হতে পারতাম -
নীল জলের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়া গাংচিল,
অথবা কিশোরের লাটাইয়ে বাঁধা ঘুড়ি-
যে বাঁধন ছিড়ে দূর আকাশে হারিয়ে যায় প্রায়ই,
সতত বয়ে যাওয়া গঙ্গা হলেও মন্দ হত না।

অথচ ঈশ্বর -
কী বিপুল ষড়যন্ত্র করে,
স্বার্থপরের মত মানুষ বানালে।

বানালে তো বানালেই -
বুক নামক এক যন্ত্রনাার খাচায়
কৌশলে পুরে দিলে মন পাখি।

একবারও ভাবলে না -
এই মনে জ্বালা হতে পারে,
অন্তহীন জ্বালা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28698215 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28698215 2007-02-13 10:53:22
ভালবাসার মূল্যহ্রাস মূল্য কমে গেছে আমার -
বাজারে চাল, ডাল, তেলের মূল্যের গ্রাফ যখন উধর্্বমূখী,
তখন নিতান্ত অগোচরে ঘটে গেছে ভালবাসার নিদারুণ মূল্যহ্রাস।

ইশ্বর করুন-
সত্যি সত্যি একদিন দুর্লভ হয়ে উঠি,
আমার মূল্য বাড়তে বাড়তে আকাশ ছুয়ে দিক।
ভালবাসার প্রকৃত মূল্য যে কত -
সেই দিনই এ সত্য তোমার বোধগম্য হবে,
আজ নাইবা হলো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28698189 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28698189 2007-02-13 08:28:17
বোকা কথাগুলোই শুধু থেকে যায় ---- কথা ছিল -
তুমি যখন আয়নার সামনে বসে,
গুণগুণ করে খোপা বাঁধবে আনমনে,
আমি অপলক চেয়ে দেখব সেই গর্বিত ভঙ্গি।

কথা ছিল-
পয়লা বোশেখের এক সকালে
ডালি ভরে তোমায় দেব লাল কৃষ্ণচূড়া,
তারপর তোমার হাত ধরে হেঁটে যাব,
দূরে - চেনার গন্ডি পেরিয়ে ------

কথা ছিল-
শহর থেকে অনেক দূরে
কোনো এক দোতলার ছাদে বসে
সারারাত গল্প করব-
সেদিন আকাশে চাঁদ থাকলেও
আমি শুধু দেখব তোমায়।

কথা ছিল
সারাদিন খেটেখুটে যখন বাড়ি ফিরব
তুমি আমার জন্য আলুভর্তা আর ভাত করে দেবে,
মিষ্টি হেসে বলবে, খাইয়ে দেব?

কথা ছিল
আমাদের একটিমাত্র মেয়ে হবে,
দেখতে অবিকল তোমার মত,
তোমার মতই মিষ্টি।

কথা ছিল
আমার প্রতিটি ভোর হবে,
তোমার ঠোঁটের বাসি চুমু খেয়ে।

কথা ছিল
বাজারে চালের দাম যতই বাড়ুক ,
তোমার ভালবাসার দাম একই থাকবে-
শুধু আমার জন্য।

কথা ছিল -
থাক, কী হবে বলে?
বোকা কথাগুলো থেকেই যায়-
শুধু তুমি থাকলে না।

কিংবা কে জানে -
হয়তবা আছো,
অন্য কারো কথার ভীড়ে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28697901 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28697901 2007-02-11 10:13:02
'নিরন্তর' - একটি দু:স্বপ্নের আংশিক মৃতু্য (আর টিভি প্রতি মঙ্গলবার রাত 8.45) কিছুদিন ধরে দু:স্বপ্ন দেখছিলাম।

গত বছর জুন মাসে একটি ধারাবাহিক নাটক নির্মাণ করেছিলাম। আবু সাইয়ীদ সাহেব যে নিরন্তর নামে একটি ছবি করেছেন জানতাম না তখন। না জেনেই নাটকটির নাম রেখেছিলাম নিরন্তর।

এটি আমাকে নিরন্তরভাবে ভুগিয়ে আগামী 6 ফেব্রুয়ারী 2007 এ আর টিভিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।


প্রচার সময়: প্রতি মঙ্গলবার - রাত 8.45।
স্ক্রীপট এবং ডিরেকশন আমার।


এর আগে কিছু একঘন্টার নাটক করেছিলাম। সাহস করে একটা সিরিয়াল নাটকে হাত দেই।প্লট হিসাবে বেছে নেই এ্যাংগরি ইয়াং জেনারেশন ।

চ্যানেল বহুত যন্ত্রনা করেছে নাটকটি নিয়ে। নতুন ছেলে এবং আগে খুব বেশি কাজ করা নেই এরকম একটা ছেলেকে এত বড় প্রযেক্ট দিতে হয়ত বা তাদের মন সায় দিচ্ছিল না। অবশেষে দু:স্বপ্নের অবসান হল।

নাটকটি নিয়ে আমার খুব বেশি তৃপ্তি নেই। যে বাজেট পেলে আমাকে দৈনিক 20 টা সিকোয়েন্স শু্যট করতে হত না - সেরকম বাজেট আমি পাইনি। কেমন যেন তাড়াহুড়ো ছিল সবকিছুতে। মনে আছে, শুটিংয়ে একদিন মাত্র 12 টা সিকোয়েনস শু্যট করেছিলাম - সে রাতে আমি দুশ্চিন্তায় ঘুমুতে পারিনি। নামী ডিরেক্টর যারা - তারা দিনে ম্যাক্সিমাম 10 টা সিকোয়েন্স শু্যট করেন।

আর্থিক সীমাবদ্ধতা ছিল - ছিল হরেক রকম সমস্যা - ছিল বড় একটা প্রযেক্ট সাকসেসফুলি শেষ করার পূর্ব অভিজ্ঞতার অভাব। তারপরও এটি আমার সন্তান। অনেক কষ্ট করে জন্ম নিচ্ছে আগামীকাল। আমি আনন্দিত।

ভিজুয়ালি আমি স্যাটিসফাইড না - ভিজুয়ালটা আরো বেটার করা যেত। আরো বেশি শট কাটা যেত। কিছুটা আর্থিক সীমাব্ধতা এবং আমার গোড়ামীর জন্য করা হয়নি।

আমার গোড়ামী বলছি এ কারণে যে, মিড লংগ শট এর উপর একধরণের এক্সপেরিমেন্ট করার খেয়াল চেপেছিল।

আমি যখন চোখ বন্ধ করি তখন কোনো মানুষের যে ছবি আমার চোখে ভাসে সেটা মিডলংগ ফ্রেম। ক্লোজ ফ্রেম না। ক্যামেরার চোখে বিষয়টি কেমন হয় - সেটি দেখবার এক ধরণের ইচ্ছা আমাকে অস্থির করে তুলেছিল। তাই কোজ ফ্রেমের চেয়ে মিডলংগ মাস্টার ফ্রেমের আধিক্য এখানে বেশি।

আপনাদের যদি ভাল লাগে বিষয়টা তাহলে আমি এই স্টাইলটা কনটিনিউ করব। নাহলে ট্রাডিশিনাল ফরম্যাটে আবার ফিরে যাব।

অনেক সীমাবদ্ধতার ভেতরেও নাটকটি যতদূর সম্ভব উপভোগ্য করার চেষ্টা করেছি - সূক্ষ্ম কিছু হিউমার আছে।

আপনাদের শত ব্যস্ততার মাঝেও আগামীকাল মঙ্গলবার রাত 8.45 এ একটু আর টিভি এর সামনে বসবেন। আপনাদের কেমন লাগল জানাবেন। এই ব্লগের মানুষগুলিকে খুব আপন মনে হয়। তাই এ ধরণের অযৌক্তিক দাবী করার আগে আমাকে দ্বিতীয়বার চিন্তা করতে হয় না।

যদি প্রথম পর্ব ভাল লাগে তবে এরপর থেকে নিয়মিত মঙ্গলবার একই সময়ে দেখবেন।

গালি দিতে ইচ্ছে হলে মন খুলে গালি দেবেন - কারণ এ গালি হয়ত বা পরবর্তীতে আমাকে যেন গালি খেতে নাহয় সে ব্যাপারে সাহায্য করবে।

ভুলগুলো শুধরে নিতে পারব।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28696751 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28696751 2007-02-05 05:12:47
কয়েনের উল্টোপিঠ এবং না দেখা আলো ........
একটি নিদের্াষ কয়েন -

একপিঠে হেড - অন্যপিঠে টেল।
ভবিষ্যত - আর মরচে পড়া অতীত।

একপিঠে আশা - অন্যপিঠে নিরাশা।
দুধরঙা আলো- আর অসীম অাঁধার।

আলো আর আধার,
আশা আর নিরাশা,
সুখ আর অসুখ ,
গোলমেলে খুব।

ছুড়ে দেই কয়েনটা-
ওপরে অনেক ওপরে -

শূণ্যে কয়েকটা পাক খায়,
বাতাসে শিস কাটে তীরের মত,
আমার বুকে কাপুনি বাড়ে,
বাড়ে শংকার ডংকা -
ভাল থাকার অদম্য ইচ্ছা।

চোখের পলকে হাতের মুঠোয় এসে পড়ে
আমি চোখ বন্ধ করে ফেলি,
নিশ্চিত ভবিষ্যতের চেয়ে -
অনিশ্চিত শংকাটাকেই কেন যেন আপন মনে হয়।

কিছুক্ষণ দম নেই,
বুকে আসে বল।
হাতের মুঠো এবং চোখের পলকের এক অভূতপূর্ব সিংক্রোনাইজেশনে
হাতের মুঠোয় আবিষ্কার করি কয়েনটিকে।

সেই মুহূর্তটি যেন অনন্তকালের মত থমকে যায় -
আমার জগত অন্ধকার হয়ে যায়।

ভবিষ্যত জেনে যাবার পর -
নিতান্ত ছেলেমানুষের মত হাতটা উল্টে দেই ,
যেন নিজেকেই বোঝাই -
হিসেবটা এরকমও হতে পারত।

কী আশ্চর্য!
উল্টোপিঠেও একই অন্ধকার!
কয়েনে ছেড়ে দেয়া ভাগ্য
আমার জন্য কোনো আলোর ব্যবস্থাই রাখেনি ।

[কারো ইচ্ছা হইলে ওয়াক শব্দে বমি করতে পারেন আমার লেখা অথবা ভাগ্যের উপর]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28696048 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28696048 2007-02-03 02:39:46
বিশ্ব সাহিত্যের সেরা সংলাপ : আপনারটা লিখুন।
সংলাপেরর সাথে কবিতা, গল্প বা উপন্যাসের নাম এবং কবি বা লেখকের নাম জুড়ে দেবেন-----
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28695872 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28695872 2007-02-01 03:27:22
একটেলের বিজ্ঞাপন : আলভীর মনে কনফিউশন তৈরী করছে
অনেকের কাছেই জানতে চেয়েছি কোনো সদুত্তর পাইনি।

বিজ্ঞাপনটা আপনার সবাই দেখেছেন - একটেল সেন্টমার্টিনসে।

এক গ্রুপ ছেলেমেয়ে - সবাই সমুদ্রের ধারে । কেউ রোদ পোহাচ্ছে, আবার কেউ বা মজা করছে।
হুট করে একজন ছেলের মোবাইল বেজে ওঠে। সবাই অবাক হয়ে সেদিকে তাকায়। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তোর আছে? তোর নেই?

যে ছেলেটির একটেল মোবাইল সে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে - কারণ তার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সুদূর সেন্টমার্টিনসেও নেটওয়ার্ক এর ব্যবস্থা করেছে। সুন্দর মেকিং। বক্তব্যও স্পষ্ট।

আমার প্রশ্নটা অন্যজায়গায়।

একটেল বাংলাদেশে গ্রামীণ বা পুরনো অপারেটরগুলোরগুলোর কাছাকাছি সময়ে এসেছ।
তারপরেও 7/8 জন ছেলেমেয়ের মধ্যে মাত্র 1 জনের একটেল মোবাইল কেন?

তাহলে কি,
অ্যাদার অপারেটর ইউজার: একটেল ইউজার = 7:1 বা এই জাতীয় কোনো অসম অনুপাত?

যদি তাই হয়, তাহলে এটি কি একটি নেগেটিভ ক্যাম্পেইন নয়?

চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া নয় যে আমরা অন্য অপারেটরদের তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে-------

আমি মার্কেটিং এর ছাত্র নই - আপনাদের মতামত গুলো শেয়ার করলে আমার কনফিউশন কমতে পারে ---
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28695813 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28695813 2007-01-31 09:20:47
মধ্যরাতের দুষ্টু পোস্ট (পরে মুইছা দিমুনি)
ভিলেন: হা হা হা হা ...... (নায়িকাকে দেখে) ...... এখন আমি তোর সর্বস্ব ছিনিয়ে নেব।

নায়িকা : শয়তান তুই আমার দেহ পাবি........ কিন্তু মন পাবি না।

একালের বাংলা ছবি:

ভিলেন: হা হা হা ........ এখন আমি তোকে লুটেপুটে খাব।

নায়িকা: শয়তান........ তুই আমার দেহ পাবি। মনও পাবি। কিন্তু তৃপ্তি পাবি না .................]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28695720 http://www.somewhereinblog.net/blog/alvi821blog/28695720 2007-01-30 14:21:43