অনেকের লেখা পড়লে মনে হবে ইসলামী জংগীবাদ বিদেশ হতে আমদানীকৃত অনাকাংখিত কোন অভিশাপ, এবং এর সাথে জড়িত সন্ত্রাষীরাও এসেছে বিদেশ হতে।
সত্য হচ্ছে, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জন্ম বাংলাদেশের মাটিতে এবং তারা লালিত পালিত হচ্ছে এ দেশেরই আলো বাতাসে। সুতরাং, রাজশাহী অথবা অন্য কোথাও ছাত্র হাংগামার নামে শিবির অথবা অন্যকোন ইসলামী ছাত্র সংগঠনের নেতা কর্মীকে হত্যাকরার রাজনৈতিক অথবা আইনগত বৈধতা দেয়া হবে অসূস্থ সমাজের লক্ষন।
আমাদের প্রচলিত দেউলিয়া রাজনীতির ভাগাড়েই জন্ম নেয় ইসলামী জংগীবাদ। সমাজের প্রতি স্তরে অনাচার, আবিচার আর র্দুনীতির যে মহামারি তা হতে উত্তরনের পথ হিসাবে অনেকেরই পছন্দ ইসলামী শাষন ব্যবস্থা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিতে এ পছন্দের জন্যে কাউকে শূলে চড়ানোর কোন বিধি নেই, তাই শিবির মানেই অচ্ছুৎ এবং তাদের জবাই করা অপরাজনীতির অংশ নয়, এমন ধ্যান ধারনা সন্ত্রাষবাদকে আরও বেগবান করতে সহায়তা করবে মাত্র।
ছাত্রদের প্রথম এবং একমাত্র কাজ হচ্ছে লেখাপড়া করা, বাকিসব অন্যায়, অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শেখ হাসিনার নেত্রীত্বে এবং ক্ষমতার ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগ যা করছে তা শুধু আওয়ামী লীগের পতনকেই তরান্বিত করবে।
অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে আওয়ামী লীগ অতীত হতে সামন্যতম শিক্ষা নেয়নি, বরং বড় ধরনের গনরায় তাদের পায়ের তলার মাটি সড়িয়ে আকাশে উড়তে প্রেরনা দিচ্ছে। শেখ মুজিব সহ বাংলাদেশের অনেক নেতাই আকাশে উড়ে বাংলাদেশ শাষন করতে চেয়েছিলেন, তার ফল কি হয়েছিল তা আমাদের অজানা নেই। শেখ হাসিনা ধীরে ধীরে সে পথেই যে এগিয়ে যাচ্ছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই।
শেখ সাহেবের একনায়কতন্ত্র বা বাকশাল বা হাসিনাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দ্বায়িত্ব নিয়ে আওয়ামীলীগ মাঠে পুরোপুরি নেমেছে।
যার মুল প্রতিপাদ্য হচ্ছে বিরোধি মাত্রই ধরে ধরে জবাই। খালি দেখার পালা এবার, যে শেখ সাহেব স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিল, তার অনাচারকেই জাতি সহ্য করেনি, এবার তার ১৫ কেসের চাঁদাবাজী মামলার আসামী কন্যার কি হাল করে এই জাতি ...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


