আমার প্রিয় পোস্ট

...

তবে কি বাংলাদেশ আত্মঘাতী সিদ্ধান্তটাই নিবে?

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রধান উপদেষ্টা আজ উড়াল দেবেন যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংহ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে। খুবই সাধারণ একটা খবর। আজ মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে দেখা করেছেন,আরেকটা সাধারণ খবর। রাষ্ট্রদূত উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেছেন, বাংলাদেশ যেন জর্জিয়া যুদ্ধ, দক্ষিন ওশেটিয়া ও আবখাজিয়া'র স্বাধীনতা প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহীত নীতিকে সমর্থন করে, এবার একটু নড়ে-চড়ে বসতে হবে! এটা যতটা ছোট, ঠিক ততধিক তাৎপর্যপূর্ণ একটা খবর। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কোন বলয়মুখী হবে, এই সিদ্ধান্তের উপরই তা নির্ভর করছে।

একটু পেছনে ফিরে যায়, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কোন পরাশক্তিটি আমাদের বিরোধিতা করেছিল, মনে আছে কি? যুক্তরাষ্ট্রের বারংবার বিরোধিতার কারণেই আমাদের বিজয় প্রলম্বিত হয়েছিল, কেবলমাত্র তৎকালীন সুপার পাওয়ার সোভিয়েৎ ইউনিয়নের চোখ রাঙ্গানির কারণেই ষড়যন্ত্রকারিদের অপচেষ্টা নস্যাৎ হয়ে যায়। খুব সম্ভবত(আমার সঠিক জানা নাই) সোভিয়েৎ বাহিনী সরাসরি যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করে। বছর ছয়েক আগে একটি পত্রিকা আর্টিকেলে পড়েছিলাম, যুদ্ধে নিহত এক রুশ সৈনিকের বৃদ্ধ মাতা তার সন্তানের সমাধিস্থল দেখতে চায়, যাকে দেশের দক্ষিনে কোন ওয়ার সিমেট্রিতে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। এখন প্রশ্ন হল নীতি-নৈতিকতার দিক থেকে-ও বাংলাদেশের অবস্থান কি হওয়া উচিৎ? আমরাতো প্রায় সোয়া দু'শ বছর পরাধীন ছিলাম, সংগ্রাম করে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি, সেখানে আমরা কিভাবে স্বাধীনতাকামি দু'টি জনপদ দক্ষিন ওশেটিয়া ও আবাখজিয়ার সংগ্রামী জনতার আশা-আকাঙ্খাকে অপমান করব? কোন যুক্তিতে?
এখন প্রশ্ন হল, জাতীয় নিরাপত্তা। এক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করাটা হবে পুরোপুরি আত্মঘাতি। হয়ত সাময়িক স্বস্তি পাওয়া যাবে, কিন্তু দূর ভবিষ্যৎ-এ এটাও বুমেরাং হয়ে দেখা যাবে। ভৌগলিক দিক থেকে সমগ্র বাংলাদেশই ভারতীয় ভূ-খন্ড দ্বারা বেষ্ঠিত। ঐতিহ্যগতভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই ভারত সোভিয়েৎ বলয়ের অন্তর্গত। আবার সাম্প্রতিক দিনগুলোতে চীন রাশিয়ার সাথে অতিত বিরোধ অনেকটা মিটিয়ে এনেছে, এদিকে পারস্পরিক স্বার্থে ভারত ও চীনের মধ্যে কোনও বিরোধ দেখা দেওয়ার কোনও আপাত সম্ভবনা নাই, কেনটা দু'টি উদিয়মান শক্তি তাদের সমৃদ্ধির প্রবাহ ব্যাহত করতে চাইবে না, আর অর্ধ শতাব্দী পূর্বে চীন-ভারত যুদ্ধের স্মৃতি তো আজ বিস্মৃত প্রায়। সুতরাং দূর ভবিষ্যতে এি ত্রি-শক্তির একইভূত হবার সম্ভবনা প্রবল। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র তার সুপার পাওয়ার ইমেজটা ধরে রেখেছে অনেকটা কৃত্তিমভাবে। ই.ইউ-এর সাথে তার সম্পর্ক অনেকটা বানিজ্যিক স্বার্থে, খালি চোখে দৃশ্যমান ন্যাটো-র অটুট বন্ধন অনেকটা তাসের ঘরের মত, কেননা, এই সামরিক জোটের বন্ধনটাও অনেকটা বানিজ্যিক স্বার্থে।
আর স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হবার প্রায় ডেড়যুগ পর নতুন উদ্যমে রাশিয়ার উথান তাৎপর্যপূর্ণ। তাছাড়া, এক-কেন্দ্রিক বিশ্বব্যাবস্থা বিপজ্জনক। সুতরাং ছোট শক্তিগুলোর পূণরায় রুশ বলয়ের অন্তর্ভূক্ত হবার সমুহ সন্ভবনা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটা প্রবাদ প্রচলিত আছে, যুক্তরাষ্ট্র যার বন্ধু হয়, তার আর শত্রুর প্রয়োজন হয় না! যার জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ পাকিস্তান। যেই মেরুদন্ঢীন পররাষ্ট্রনীতি বিশিষ্ট রাষ্ট্রটি গত এক দশক নির্লজ্বের মত মার্কিনিদের দালালী করে গেল, অথচ তাদের কাছথেকেই উপযুক্ত প্রতিদানটা পেয়েছে। দিন কয়েকআগে সামান্য কানমলা খেয়েছে, সামনে গদাম লাথি খাবার সম্ভবনা প্রবল:D
সুতরাং আমাদের এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কি কেল মাত্র সাময়িক স্বস্তির জন্য সকল নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিব, নাকি দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে সঠিক সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্বমানবতার প্রতি শ্রদ্ধারেখে একই সাথে সূদীর্ঘ সময়ের জন্য নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করব?

কেবল একটা উরা-ধুরা পোষ্ট, নিজের মত ব্যাক্ত করলাম আর কি, দ্বি-মত, ত্রি-মত, চতুর্মত...গ্রহণযোগ্য...

 

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ৩০৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩২
comment by: মদন বলেছেন: দারুন বিশ্লেশন, দেখি কি করে। আর দেখা ছাড়া আমাদের কিইবা করার আছে?
২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪১
comment by: নাঈম বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্র যা বলে বাংলাদেশ সরকারকে তা-ই করতে হবে, কারণ তারা হচ্ছে পৃথিবীর মাথা, আমাদের মতো চামচিকা তাদের কথার বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস রাখেনা।
৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
comment by: রহস্য বলেছেন: ভাল লেখা।+
৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চমৎকার পোস্ট ।

দ্বিমত নেই , কিন্তু সীমাবদ্ধতার কথাও ভাবতে হবে । যুক্তরাষ্ট্র যদি বাংলাদেশের কাছে সমর্থন চেয়ে বসে , বাংলাদশের সামনে আর কোন উপায়ও খোলা নেই , বাংলাদেশের সাহায্যদাতা দেশগুলোর বেশির ভাগই ন্যাটো ভুক্ত , জাপান বা যুক্তরাষ্ট্র । রাশিয়ার পক্ষ নিলে বাংলাদেশের কিছু পাবার সম্ভাবনাও নেই । তাই বাংলাদেশ উপায়হীন
৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০২
comment by: নুশেরা বলেছেন: হেহেহে, বাংলাদেশকে যে এইটুকু গণ্য করেছে, তারও তো একটা মূল্য আছে ;)
ভাল পোস্টের জন্য অ্যামাটারকে ধন্যবাদ।
৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৭
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: যুক্ত্রারাষ্ট্রের কোন বিশ্বাস নাই। ওদের পেছনে থাকার অর্থ নিশ্চিত ধ্বংস হওয়া। উদাহরণ পারভেজ মুশাররফ ও তার পাকিস্তান। সাদ্দামও এককালে এই যুক্তরাষ্ট্রেই লোক ছিল।

আমাদের উচিত চীন ও রাশিয়ার সাথেই থাকা। আপনার যুক্তি ভাল লাগল। ধন্যবাদ।
৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০৯
comment by: সৌম্য বলেছেন: আমাদের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে একজন অস্ট্রেলিয়ান বীর প্রতীক খেতাব অর্জন করেন। রাশান নৌবহর শেসতাই ফ্লোত...বঙ্গোপসাগরে ঢুকে পড়ে পাকিস্তানের সাবমেরিন গাজী (বিশাখা পট্টমে, ভারতীয় এয়ার ক্রাফট ক্যারিয়ার আইএন এস বিক্রান্ত গাজীকে ধরে ফেলে এবং ডুবায় দেয়)। এবং মার্কীন সপ্তম নৌবহরকে মুকাবেলা করতে। বঙ্গোপসাগর থেকে মার্কিনীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলে যখন রাশানরা ইউ এস এস এন্টারপ্রাইজের একটা ডেস্ট্রয়ার ডূবিয়ে দেয়। একাত্তর সালে রাশিয়ান আর আমেরিকানদের আর কোন লড়াইএর কথা কোথাও শুনি নাই। একজন রাশিয়ান সৈনিক মারা গেছে এবং বাংলাদেশে তার কবর ব্যাপারটা খুব মনোযোগ কাড়লো। আপনি কি কাইন্ডলী একটু ডিটেইলস দেবেন? কোন রেফারেন্স...
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: আমি আসলে এর বেশি জানি না, এই তথ্যগুলো এখন আপনার থেকেই জানলাম এখন। ধন্যবাদ।

৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৭
comment by: সৌম্য বলেছেন: আপনি লিখছেন... "খুব সম্ভবত(আমার সঠিক জানা নাই) সোভিয়েৎ বাহিনী সরাসরি যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করে। বছর ছয়েক আগে একটি পত্রিকা আর্টিকেলে পড়েছিলাম, যুদ্ধে নিহত এক রুশ সৈনিকের বৃদ্ধ মাতা তার সন্তানের সমাধিস্থল দেখতে চায়, যাকে দেশের দক্ষিনে কোন ওয়ার সিমেট্রিতে সমাধিস্থ করা হয়েছিল"।
রাশিয়ান নেভী বাংলাদেশে কোথাও নামছে শুনি নাই। ভারতীয় ইনফ্যান্ট্রি আর প্যারাট্রুপার রা (টাঙ্গাইলে সাভার ডিফেন্স ভাংতে) ছাড়া আর কোন বিদেশি সৈন্য নামছে কখনো শুনি নাই... আপনার ইনফর্মেশনটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ছি। আপনি একটু ডিটেইলস জানালে উপকৃত হব
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: আমি যতদূর জানি, ১২ই ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী সর্বাত্বক যুদ্ধ ঘোষণা করে, কিন্তু যুদ্ধের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য আমার জানা নাই।

৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ঐ অস্ট্রেলীয়ানের নাম উইলিয়াম এএস ঔডারল্যাণ্ড। আরো তথ্য পাবেন এই লিংকে
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: হুমম...তিনি বীরপ্রতিক।

১০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২২
comment by: হোসেইন বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়া অংশগ্রহন করছে ...এইরকম তথ্য সঠিক না মিথ্যা এইটাও জানে না একটা দামড়া ছেলে !!!!

ত্রিভুজের ভক্ত হইছ কি আর সাধে ।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৫

লেখক বলেছেন: ঠিক তা না...যুদ্ধের ডিটেইল তথ্য যেটা সৌম্য জানতে চেয়েছেন, সেটা আমার জানা নাই।

১১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
comment by: মনুমনু বলেছেন: ভিক্ষুকের মেরুদন্ড থাকে না। উস্ফালন করে কিন্ত মিনমিনিয়ে,আপন বস্ত্র ঝাকিয়ে ঝামটা মরে ,কিন্ত- যখন ঝাপটা পড়ে "বড়দের" তখন মাথা বিলিয়ে দেয় অস হায় বদনে।

আমরা ভিক্ষাবৃত্তির জাতি , ---- এ পরিচয় ঝেড়ে ফেলতে চাই ।

""
বিবর্তনবাদী বলেছেন: যুক্ত্রারাষ্ট্রের কোন বিশ্বাস নাই। ওদের পেছনে থাকার অর্থ নিশ্চিত ধ্বংস হওয়া। উদাহরণ পারভেজ মুশাররফ ও তার পাকিস্তান। সাদ্দামও এককালে এই যুক্তরাষ্ট্রেই লোক ছিল।

আমাদের উচিত চীন ও রাশিয়ার সাথেই থাকা। আপনার যুক্তি ভাল লাগল। ধন্যবাদ। """

স হমত
+
১২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১০
comment by: লিপিকার বলেছেন: হুমম.....ভালো পোষ্ট
১৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: এইটা উড়াধুরা পোষ্ট না । অর্ধমত প্রকাশ করলাম... চমৎকার বিশ্লেষণ হইসে...
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৫

লেখক বলেছেন: অর্ধমত বুঝিনাই...
তয় ডারউইন ভাই ১মত দিসে...
মেহরাব ভাই কিছুটা খারিজ কৈরা দিছে...এটাকে দেড়মত কওন যায়:)

১৪. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: যুক্তরাষ্ট্র যার বন্ধু হয়, তার আর শত্রুর প্রয়োজন হয় না! যার জ্বলজ্যান্ত উদাহরণ পাকিস্তান।
এইটাই কইতে চাইসিলাম।
১৫. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
comment by: রাগিব বলেছেন: এখানে অনেকগুলো সমস্যা আছে। এক এক করে দেখা যাক -

১) অসেটিয়ার সাথে ৭১ এর বাংলাদেশকে মেলানো ভুল হবে। অসেটিয়া সুদীর্ঘকাল ধরে জর্জিয়ারই অংশ। সোভিয়েত শাসনামলে রাশিয়া থেকে অনেক রুশকে নিয়ে এসে এখানে বসিয়ে দেয়া হয়, সোভিয়েত শাসকদের রুশ-প্রাধান্য বজায় রাখার নীতির অংশ হিসাবে। সেজন্যেই এখন অসেটিয়া নিয়ে সমস্যা। ধরুন, বিহারী অধ্যুষিত মীরপুর এলাকা যদি ৭১এ দাবী করতো, ওটা ওদের, বাঙালিদের না, তাহলে কি আপনি স্বাধীনতাকামী বিহারীদের দাবী নিয়ে একই কথা বলতেন?

২) মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি রুশ সেনারা অংশ নেয় নি। যেটা আসলে ঘটেছে তা হলো চট্টগ্রাম বন্দরকে মাইনমুক্ত করার জন্য রুশ নৌবাহিনী সহায়তা করে। ৮০০ জন নৌসেনার একজন ১৯৭৩ সালে মারা যায়।

On July 13, 1973, in the midst of work, senior sailor of floating workshop PÌ-156 Jury Viktorovich Redkin died on duty. He was buried here, in Chittagong on the Patenga cape. The place of his burial was named after him - Redkin Point, and now it is situated on the territory of the Naval Academy. The cadets of Academy look after his tomb and keep it in respective condition. In 1984 the obelisk was put above J.V.Redkin's tomb.

বিস্তারিত দেখুন http://www.chittagong.mid.ru/relat_e_01.html


৩) সোভিয়েত ইউনিয়ন / রাশিয়া মহানুভবতার জন্য ১৯৭১ এ আমাদের সহায়তা করেছে, এটা ভ্রান্ত ধারনা। স্নায়ুযুদ্ধ/শীতলযুদ্ধের কৌশল হিসাবেই এরা এটা করেছে। মুক্তিকামী মানুষদের দমিয়ে রাখার কাজে সোভিয়েত ইউনিয়ন/রাশিয়া পিছিয়ে ছিলো না কখনোই। বাল্টিক স্টেইট গুলোকে ৭০ বছর দখল করে রেখে, আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালিয়ে তারা তাদের সাম্রাজ্যবাদী চেহারাই দেখিয়েছে। এখনো জর্জিয়াতে রাশিয়ার ভূমিকা আগ্রাসী চরিত্রেরই। একটা স্বাধীন দেশে হামলা চালিয়ে তার অংশবিশেষকে দখল করে নেয়া কখনোই ভালো না।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাগিব ভাই,
আপনি মন্তব্য করার পর আশাকরি এ-বিষয়ে আর কারো কিছু বলার নাই,
একটা ব্যাপারে আমার খটকা ছুল, যে আমরা কেন অসেটিয়ানদের স্বাধীনতা সংগ্রামকে সমর্থন করব না, তবে অসেটিয়ার সাথে অন্যান্য মুক্তিকামি জনপদের পার্থক্যটা আপনি অনেক সুন্দরভাবে পরিষ্কার করে দিয়েছেন, যেটা অনেকেরই অজানা ছিল।

"সোভিয়েত ইউনিয়ন / রাশিয়া মহানুভবতার জন্য ১৯৭১ এ আমাদের সহায়তা করেছে, এটা ভ্রান্ত ধারনা। "---হ্যাঁ,পরাশক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থেই তাদের শক্তিক্ষয় করে, কোনও মহানুভবতার জন্য নয়, একথা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
কিন্তু এ-সব বাদে-ও নাইন ইলেভেন-এর পর থেকে বিশ্বরাজনীতিতে মার্কিনীদের আগ্রাসী ভূমিকার জন্য তৃতীট বিশ্বের একটি ছোট রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে তাদের প্রতি এক ধরণের ঘৃণা জন্মেছে, আসলে ইমশন সব ক্ষেত্রে যুক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না কেন যেন।

১৬. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩
comment by: কুম্ভকর্ণ বলেছেন: বাহ্‌, অ্যামাটার দেখি ভালই চিন্তা করতে শিখেছে। গুড গুড। এভাবে চিন্তা আরো একটু বাড়ালে টিনকোনার ভক্ত আর বেশিদিন থাকবেনা আশা করি। তবে পোস্ট পড়ে মনে হয় বিষয়টা নিয়ে তোমার কিছুটা কম জানা আছে। রাগিবভাইয়ের সাথে একমত। এ বিষয়ে আমার একটা পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, সময় পাচ্ছিনা।


প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ছেলে/মেয়েকে এসব বিষয়ে কোনদিন ভাবতে দেখিনি। তোমাকে ভাবতে দেখে ভালই লাগল। ক্যারি অন।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:০০

লেখক বলেছেন: "এ বিষয়ে আমার একটা পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে ছিল, সময় পাচ্ছিনা। "---সময় পেলে দিয়ে ফেলেন।

কারো কারো খোঁচা খাইতে মন্দ লাগে না...:)

 



 


amateur1971@ymail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৩৪৬৭৩