নজরুলের অসুখের বিষয়টা সবসময়ই আমার কাছে ছিল বেশ ধোঁয়াশা। তবে, যত আর্টিকেল পরেছি, দেখেছি; এই বিষয়টা সবখানেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। কিংবা দায়সারা বাভে এক লাইনেই শেষ করে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মোস্তফা জামান আব্বাসীর একটা সাক্ষাৎকারে বলতে গেলে নতুন তথ্য পেলাম।
__________________________
সঙ্গীতব্যক্তিত্ব মোস্তফা জামান আব্বাসী আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসুস্খতা সম্পর্কে বলেছেন, কোনো অসুস্খতা নয়, তার ঘাড়ে একদল দুর্বৃত্তের আঘাতের পরই তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এ বিষয়ে দেশ-বিদেশের ১৫ জন ডাক্তারের রিপোর্টও তার (আব্বাসী) কাছে আছে। আসন্ন নজরুলজয়ন্তী উপলক্ষে সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জি এ এম আশেক উল্লাহ
নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা ও আজকের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বলুন যে শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নজরুল কলম ধরেছিলেন সেই শোষণ-নির্যাতন এখনো থামেনি। এখনো চলছে ভয় দেখিয়ে শাসন, জয় দেখিয়ে নয়। উৎপীড়িতের ক্রন্দনরোল এখনো থামেনি। এখনো বঞ্চিতরা বঞ্চিতই থেকে গেছেন। একটি স্বাধীন দেশে হাজার হাজার মানুষ জেলে বন্দী। বিচার হচ্ছে না। জেলের মধ্যে তারা কী খায়, কিভাবে থাকে, তা কি আমরা একবার ভেবে দেখেছি? পৃথিবীর ৭০টি দেশে আমি ঘুরেছি। আমার কাছে পরিসংখ্যান আছে, কোনো দেশে এত মানুষ জেলে নেই। তাহলে কিসের আমাদের অর্জন? চোর- ডাকাত সত্যিকারের অপরাধীদের জেলে রাখতে হবে। কিন্তু এত মানুষ কি চোর-ডাকাত? তাই আমরা যদি এখনো বলি লাথি মার ভাঙরে তালা... তখন ওদের বুকে কম্পন ধরে, যারা তাদের অন্যায়ভাবে জেলে পুরে রেখেছে। সুতরাং আমাদের এখনো নজরুলের কাছে ফিরে যেতে হবে।
নজরুল বাংলাদেশের জাতীয় কবি কিভাবে হলেন ও কেউ কেউ এখন নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবি জানাচ্ছে...
এর কোনো সাংবিধানিক স্বীকৃতি আছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু বড় বড় নেতার মুখেই আমরা শুনেছি তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তা শেখ মুজিব থেকেই শুরু হয়েছিল। তিনিও বলেছিলেন আমাদের জাতীয় কবি নজরুল। তবে আসল স্বীকৃতি হচ্ছে আমাদের জনগণ তথা ১৫ কোটি মানুষই স্বীকৃতি দেয়, আমাদের জাতীয় কবি নজরুল। সুতরাং তিনি জনগণ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত আমাদের জাতীয় কবি।
নজরুল বাংলাদেশে কিভাবে এলেন...
সুস্খ থাকাকালে তিনি বাংলাদেশে বহুবার এসেছেন। বাংলাদেশে বসে তিনি বহু কবিতা-গান লিখেছেন। তিনি চট্টগ্রামেও গেছেন অনেকবার। সেখানে একবার ইয়ং মুসলিম সোসাইটি নামে একটি সংগঠনের সংবর্ধনার জবাবে নজরুল বলেন, রবীন্দ্রনাথ যে রকম বিশ্বভারতী গড়ে তুলেছেন, সে রকম আপনারাও ইসলামের ধ্যান-ধারণা ও সভ্যতা নিয়ে চিটাগাংয়ে একটা অরগানাইজেশন গড়ে তোলেন, যেখানে আমরা আমাদের মতো করে ছেলেমেয়েদের মানুষ করতে পারব।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবìধু শেখ মুজিবুর রহমান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুমতি নিয়ে তাকে ফ্যামিলিসহ ঢাকায় নিয়ে আসেন ও ঢাকায় আসার পর তিনি আর ফিরে যাননি। কারণ ঢাকায় এসে কবি যেভাবে প্রতিদিন মানুষের ভালোবাসা পেয়েছেন, প্রতিদিন হাজার হাজার লোক তাকে দেখতে যাচ্ছে, সুন্দরভাবে তিনি ট্রিটমেন্টও পাচ্ছেন, তাই কলকাতার সেই দুই কক্ষের বাসায় ফিরে যাওয়া তার স্বজনরা সমীচীন মনে করেননি। পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও রাজি হয়ে গেল। এভাবে তার বাংলাদেশে আসা ও থেকে যাওয়া। এই কৃতিত্বটা নিশ্চয়ই বঙ্গবìধুকে দিতে হবে।
জনগণের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কবি এখন অবহেলার শিকার : এখন নয়, তিনি বরাবরই অবহেলার শিকার। তার গান, কবিতা প্রভৃতি নিয়ে যে রকম গবেষণা দরকার তা হয়নি। নতুন প্রজন্মের কাছে তাকে যেভাবে তুলে ধরা দরকার তার কোনো উদ্যোগ নেই। নজরুল যে বঞ্চিতের কবি, সর্বহারার কবি, মানবতার কবি, তিনি যে একটা নতুন জীবন নিয়ে এসেছিলেন, সব লাঞ্ছিত মানুষকে ওপরে নিয়ে আসার জন্য তার যে আলাদা বক্তব্য ছিল তা আমরা মানুষের সামনে প্রকাশ করি না। কারণ প্রকাশ করলে তো অন্যের জারিজুরি ফাঁস হয়ে যাবে।
আমি মনে করি নজরুলকে যেভাবে প্রজেক্ট করলে জাতি উপকৃত হতো সেভাবে আমরা এখনো করতে পারিনি। যদি পারতাম তা হলে আমরাই উপকৃত হতাম।
কিন্তু নজরুল একাডেমী অথবা নজরুল ইনস্টিটিউট কী করছে : নজরুল একাডেমী বহুদিন ধরে কাজ করে আসছে। এটা একটা স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান। এটাতেই পাকিস্তান গভর্নমেন্ট মোটামুটি সাহায্য-সহযোগিতা করত। কবি তালিম হোসেন ছিলেন সেটার সম্পাদক। তিনি যখন চলে গেলেন তখন সহযোগিতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়া হলো। বঙ্গবìধুকে যখন রিকোয়েস্ট করা হলো নজরুল একাডেমীতে একটা বড় অনুষ্ঠান হচ্ছে আপনি যাবেন কি না। তখন ইউসুফ আলী ছিলেন এডুকেশন মিনিস্টার। তিনি বঙ্গবìধুকে বললেন, ওখানে যাবেন না ওটা প্রতিক্রিয়াশীলদের প্রতিষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথবিরোধী প্রতিষ্ঠান। প্রেসিডেন্ট হাউজের প্রায় সবাই বললেন, নজরুল একাডেমী হচ্ছে রবীন্দ্রনাথবিরোধীদের আড্ডা। ওখানে যাওয়া ঠিক হবে না।
ভাবে প্রথম থেকেই তারা নজরুলকে রবীন্দ্রনাথের বিরোধী পক্ষ হিসেবে দাঁড় করাতে চেষ্টা করল। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল, তারা যে মানবতার বìধু ছিলেন তারা তা জানে না।
পাকিস্তান আমলেও বলা হতো রবীন্দ্রনাথ কিছু নয়, নজরুলই সব। কিন্তু তাও তো সত্যি নয়। নজরুল-রবীন্দ্রনাথ দু’জনই বাঙালির জন্য অপরিহার্য। কেউ কারো প্রতিপক্ষ নন। আমি মনে করি, বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতির মূল হচ্ছেন দুই ব্যক্তি, একজন রবীন্দ্রনাথ অন্যজন নজরুল। রবীন্দ্রনাথ যে রকম বড় তেমনি নজরুলও বড়। আলাদা শুধু এখানেই নজরুল আমাদের জাতিসত্তার সাথে সম্পর্কিত। তিনি যেহেতু আমাদের নবীকে চেনেন, নজরুল যেহেতু আমাদের কুরআনকে চেনেন, কুরআন ও রাসূল সা:, এ হচ্ছে মুসলমানদের প্রধান উপজীব্য। যদি এ দুটোকে বাদ দেয়া হয় তাহলে বাঙালি মুসলমানদের চেনা যাবে না। আমরা হলাম মুসলমান। বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মানুষ যেহেতু মুসলমান সেহেতু তাদের জন্য এমন একজন কবি প্রয়োজন, যে কবি আল্লাহকে চেনেন রাসূলকে চেনেন। অবশ্য নজরুল অন্য ধর্মকেও সম্মান দেখিয়েছেন এবং নজরুলের গান-কাব্য হিন্দু-মুসলমানের যৌথ সংস্কৃতির ফসল এটাকেও অস্বীকার করা যাবে না। নজরুল সব মিলিয়ে একটা যৌথ সুন্দর মনোরম পরিবেশ সৃষ্টিকারী, ভালোবাসার উপাদান সৃষ্টিকারী সংস্কৃতির উপাদানে প্রস্তুত একটা জাতি চেয়েছিলেন। সে জন্য আমি মনে করি নজরুলকে জাতীয় কবি বললেই শেষ হয়ে গেল না। রাসূল সা: সম্পর্কে নজরুলের যে জ্ঞান, তিনি কাব্যে আমপারা লিখেছেন। আর কোনো কবি কি কাব্যে আমপারা লিখতে পেরেছেন? তিনি মরুভাস্বর নামে আল্লাহর রাসূল সা:-এর জীবনী লেখা শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ করতে পারেননি।
তিনি কি অসুস্খতার কারণে নির্বাক হয়েছিলেন না অন্য কিছু ? : না। অসুস্খতার কারণে তিনি নির্বাক হয়ে যাননি। আঘাতের কারণে তিনি নির্বাক হন। ৯ জুলাই ১৯৪২ সালে কতগুলো লোক পেছন দিক থেকে তাকে (ঘাড়ে) আঘাত করলো কলকাতা রেডিও অফিসের সামনে । কতগুলো হিংসুটে উন্মত্ত লোক তাকে আঘাত করেছিল। সেই আঘাতের পর তিনি আস্তে আস্তে নির্বাক হয়ে যান। আরো এক বছর তিনি মোটামুটি কথা বলতে পারতেন কিন্তু ১৯৪২ সালের পর থেকে তিনি পুরোপুরি নির্বাক হয়ে যান। আর লেখা হয়নি মরুভাস্বর। এই যে ব্যাপারটা, এটা তো কেউ জানে না। তিনি কিভাবে নির্বাক হয়ে গেলেন, তাকে কিভাবে আঘাত করা হলো, কিভাবে তার ওপর শত্রুতা করা হলো ও কী কারণে তার ওপর হিংসামূলক আচরণ করা হলো এই কথাটি পর্যন্ত আমাদের ভালোভাবে জানানো হয়নি।
কারা নজরুলকে আঘাত করে? : নজরুলকে আঘাত করা হয়েছে এটা নিয়ে গবেষণা হয়নি। তবে আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, সুফি জুলফিকার হায়দার ছিলেন নজরুলের একজন শেষ বিকেলের বìধু। অবশ্য তিনি ও নজরুল একই সালে অর্থাৎ ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন, দু’জনই যুদ্ধে গিয়েছিলেন। তিনি ছাড়াও নজরুলের শেষ তিন-চার বছরে যারা তার দেখভাল করেছিলেন কাশেম মল্লিক, মোহাম্মদ মঈন উদ্দিন এবং আমার পিতা আব্বাস উদ্দীন। এই চারজন ছিলেন মুসলমানদের মধ্যে নজরুলের একেবারে কাছের মানুষ। খুব কাছ থেকে তারা নজরুলকে প্রত্যক্ষ করেছেন। তাদের জবানিতে ও তাদের লেখা থেকে আমরা জানতে পেরেছি ১৯৪২ সালের ৯ জুলাই তারা কলকাতার রেডিও অফিস থেকে যখন বের হন, তখন তাকে ঘাড়ে, যা কণ্ঠনালী বরাবর পেছন দিকে, লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং আঘাতের সাথে সাথে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই ঘটনা আমি আমার প্রকাশিতব্য বইয়ে লিখেছি। তবে দুর্বৃত্তদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। এটাকে আমি বলব না যে হিন্দু-মুসলমান হিংসাত্মক ঘটনা। তবে একটি শক্তিশালী হিংসুটে গোষ্ঠী যারা চেয়েছিল নজরুল আর না লিখুক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার কলম থেমে যাক, তারাই পরিকল্পিতভাবে ওই হামলা করে। ওই সময় নজরুল ছিলেন সঙ্গীত প্রযোজক। তিনি তিন-চার বছর ধরে যাদের সুযোগ দিতেন তার হচ্ছে আঙ্গুরবালা, কমলা জইয়া, হরিমতি, আশ্চর্যময়ী তারা ছিলেন মিউজিক ক্লাসের লোক অর্থাৎ যারা গান গায়, প্রফেশনাল সিঙ্গার। যারা সুযোগ পায়নি তাদের আক্রোশের শিকার হন নজরুল। শুধু তাই নয়, তিনি যখন হুগলি কারাগারে বন্দী ছিলেন তখন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দুটো বিষধর সাপ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান।
৭ আগস্ট ১৯৪১, ২২ শ্রাবণ তখন রবীন্দ্রনাথের তিরোধান হলো, এরপরই নজরুল যেন একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়েন। কারণ রবীন্দ্রনাথই একমাত্র ব্যক্তি যিনি নজরুলকে সব সময় প্রটেকশন দিতেন। কারণ মুসলমান সমাজ নজরুলকে কাফের ফতোয়া দিয়েছিল ও হিন্দু সমাজ বলত যে সে মুসলমান, তার কাছে যাওয়া যাবে না। প্রকৃতপক্ষে তিনটি সোর্স ছিল যারা নজরুলকে কাছেও টেনেছে, দূরেও ঠেলেছে। একটা হলো হিন্দু সমাজ, তারা তাকে ভালোবাসত। কল্লোল গোষ্ঠী তাকে আশ্রয় দিয়েছিল। আর মুসলমান সমাজ তাকে কাফের ফতোয়া দিয়েছিল, আবার তাকে ভালোও বেসেছিল।
নজরুলকে হিন্দুরাও ভালোবাসতো মুসলমানরাও ভালোবাসতো। কিন্তু একটা কুচক্রী মহল যারা তাকে হিংসা করত তারাই তাকে আঘাত করেছিল। ওই মহল চায়নি নজরুল আরো লিখুক, আরো বড় হোক।
দেশ-বিদেশের ১৫ জন ডাক্তারের রিপোর্ট আমার কাছে আছে, যারা বলেছেন, আঘাতের কারণে নজরুল বাকরুদ্ধ হয়ে যান।
এটা নিয়ে কেন এখন আপনারা বলেন না বা প্রতিবাদ করেন না : আমি এখন এত দিন পর এটাকে হাইলাইট করতে চাচ্ছি না। এতে কী লাভ হবে। এটা তো হয়েই গেছে। আর কিছু করা যাবে না। দুর্বৃত্তদের বের করা যাবে না যে কারা তাকে আঘাত করেছিল। কিন্তু কাশেম মল্লিক তো মিথ্যা কথা বলবেন না, সুফী জুলফিকার হায়দার তো মিথ্যে বলবেন না ও খান মোহাম্মদ মঈন উদ্দিনের বই বেরিয়ে গেছে এবং এই বইতে লেখা আছে সেই আঘাতের কথা।
বীন্দ্রনাথ এবং নজরুলের মধ্যে কেমন সম্পর্ক ছিল : নজরুলকে রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত ভালোবাসতেন এবং নজরুলও রবীন্দ্রনাথকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট যখন রবীন্দ্রনাথ মারা গেলেন তখন সবচেয়ে কেঁদেছিলেন কে, তার নাম নজরুল ইসলাম।
ঘুমাইতে দাও শান্ত রবিরে/ জাগাইও না, জাগাইও না ... এই গান নজরুলই লিখেছেন। বাংলাদেশের লোক রবীন্দ্রনাথকে ভালোবাসবে। এটা সত্যি। উনিও আল্লাহ বিশ্বাস করতেন। উনি ব্রাহ্ম ছিলেন। তবে তার কাব্যের মধ্যে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ, হিন্দু জাতীয়তাবাদের প্রশ্রয় দেখতে পাই। এটা তো স্বাভাবিক। উনি তো একজন ইনডিয়ান ছিলেন। আমরা জানি রবীন্দ্রনাথ শুধু শিবাজী উৎসবের কবি নন, তিনি তাজমহলেরও কবি। তিনি শাহজাহান কবিতাও লিখেছেন।
বাংলাদেশ-ভারত সাংস্কৃতিক চুক্তি সম্পর্কে কিছু বলুন : সাংস্কৃতিক চুক্তি হয়েছে বলে আমরা কাগজে পড়েছি। কিন্তু ওটার কোনো ডকুমেন্টস আমাদের হাতে নেই। আমরা তো অভাজন ব্যক্তি। ওখানে কী লেখা আছে জানি না। তবে এক বছর ধরে জন্মদিন হয়? ৩৬৫ দিন ধরে জন্মদিনের উৎসব হয় এটা আমি জীবনে প্রথম জানলাম। অবশ্য হলেও ক্ষতি নেই।
____________________________
লিঙ্কঃ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

