-গড, কবে আমার দেশের মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে, কোনো সমস্যা থাকবে না।
গড খানিকক্ষন চিন্তা করে বললো-এই ধরো ৫০ বছর।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বুশ-হায় এতোদিন কি আর বেঁচে থাকবো।
গর্ডন ব্রাউন বৃটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী। বুশ গডের কাছে গেছে জেনেই সে ছুটলো।
-গড বৃটেনবাসী কবে সুখে শান্তিতে বাস করবে, কোনো সমস্যা থাকবে না?
গড এবার একটু বেশি সময় ধরে ভাবলেন। বললেন-এই ধরো ৬০ বছর।
ব্রাউন-হায় এতোদিন কি আর বেঁচে থাকবো। বড় দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো গর্ডন।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজি। সে গেলো গডের কাছে। আবারো একই প্রশ্ন। গড খানিকক্ষন ভেবে বললো-এই ধরো ৮০ বছর।
আবারো দীর্ঘশ্বাস-হায় এতোদিন কি আর বেঁচে থাকবো?
এবার বাংলাদেশের পালা। গডের কাছ থেকে আমন্ত্রণ গেলো। কিন্তু কে যাবেন এ নিয়ে চললো বিস্তর গবেষণা। প্রেসিডেন্ট, না তত্বাবধায়ক সরকার প্রধান না কি যাবেন সেনাবাহিনী প্রধান।
তিনি যেয়ে গডকে বললেন, গড, বাংলাদেশের মানুষ কবে সুখে শান্তিতে বাস করবে, কোনো সমস্যা থাকবে না, দুর্নীতি থাকবে না, ক্ষমতার অপব্যবহার থাকবে না।
এবার গড নিজেই একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন-হায় এতোদিন কি আর বেঁচে থাকবো।
(কালেক্টেড এবং নিজের মতো করে সাজানো)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



