একজন পাকিস্তানির দৃষ্টিকোন থেকে জবাব দিলে এই ব্লগার শান্ত হতে পারেন বলে আমার ধারণা। কোনো মুক্তিযোদ্ধার লেখা রেফারেন্স হিসাবে দিলে তিনি শান্তি নাও পেতে পারেন।
মেজর সিদ্দিক সালিক একটা বই লিখেছিলেন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে। নাম উইটনেস টু সারেন্ডার। তিনি সে সময় এই অঞ্চলের জন সংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন। জানিয়ে রাখি বিগ্রেডিয়ার অবস্থায় তিনি জিয়াউল হকের সাথে বিমান দূর্ঘটনায় মারা যান।
আÍসমর্পন অধ্যায় নিয়ে যা লিখেছেন তা হলো, আত্মসমর্পন দলিলে কি লেখা হবে তার একটি খসড়া তৈরি করে দেখানো হয় লে.জে. আমির আবদুল্লাহ নিয়াজিকে। খসড়াটি দেখান মে.জে জেকব। খসড়ায় লেখা ছিল আÍসমর্পণ করা হবে ভারত ও বাংলাদেশ বাহিনী কমান্ডার ইন চীফ লে.জে. জগজিত সিং অরোরার কাছে। সিদ্দিক সালিক লিখেছেন, বাংলাদেশ লেখা দেখে নিয়াজি জানতে চান এভাবে কেন। তখন মে.জে জ্যাকব জানান যে, এটা একটা অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। পাকিস্তানের এটা নিয়ে সমস্যা হবে না।
পাকিস্তান আসলেই চাইছিলো না বাংলাদেশের কাছে আÍসমর্পন করতে। তাদের ভয় ছিল তাতে মুক্তিবাহিনী চরম প্রতিশোধ নিতে পারে এবং জেনেভা কনভেনশন অনুসরণ নাও করা হতে পারে। গোলাম আজমের আÍজীবনীতেও কিন্তু একই ভয়ের কথা লেখা আছে।
সব শেষে বলে রাখি-সিদ্দিক সালিক লিখেছেন, বিমানবন্দরে ১৬ ডিসেম্বর জে, অরোরাকে অভ্যর্থনা জানান নিয়াজি। হাত মিলিয়ে নিয়াজি অরোরাকে একটা কৌতুক শোনান। সিদ্দিক সালিক লিখেছেন, কৌতুকটা প্রকাশযোগ্য নয় বলে তিনি তা আর লিখলেন না।
আমাদের পাকি প্রেমী ভাইরা যতই পাকিস্তানের আÍসমর্থন নিয়ে মায়া কান্না কাদুক নিয়াজি সেটি কিভাবে নিয়েছিলেন সেটা জানতে সিদ্দিক সালিকের বইটি পড়ুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

