আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না!

২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0



গোলাম আযমের লেখা আত্মজীবনি মাত্রই শেষ করলাম। একটা মানুষকে বোঝার জন্যই কষ্ট করে তিন খন্ড জীবনী পড়া। পড়ে বুঝলাম এই লোকটার মতো অভাগা আসলেই কেউ নেই। বুকে পাকিস্তান নিয়ে বাস করতে বাংলাদেশে। তাই সারা বই জুড়েই পাকিস্তান নিয়ে আক্ষেপ। এটা পড়ে বুঝলাম তার আন্ডা-বাচ্চারাও কি পরিমান মনোকষ্টে থাকে।
আসুন দেখি কি লিখেছেন গোলাম আযম।
১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় অধ্যাপক গোলাম আযম নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় জনগণকে আওয়ামী লীগকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলতেন, 'তারা মতা পেলে পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) আলাদা করে ফেলতে পারে। যদি তাই হয় তাহলে আপনারা পাকিস্তানের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগই হয়ত পাবেন না।' (৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা- ১০৭)
তৃতীয় খণ্ডের পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় গোলাম আযম মুক্তিযুদ্ধবিরোধী নানা মন্তব্য করেছেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও রাজাকার বাহিনীর সাফাই গেয়েছেন, পাক বাহিনীকে সহযোগিতা করার যুক্তি খুঁজেছেন, বর্ণনা করেছেন শান্তি কমিটি গঠনের প্রেক্ষাপট। তার দাবি, শান্তি কমিটির সঙ্গে জনগণের কোনো শত্রতা ছিল না, মুক্তিযোদ্ধাদের কারণেই জনগণের সঙ্গে তাদের দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
গোলাম আযমের মতে, ১৯৭১ সালের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ কোনো গৌরবময় অর্জন নয় বরং তা হলো 'পাকিস্তান বিভক্তি ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিষাদময় কাহিনী' (পৃ-২১১)। একই পৃষ্ঠায় তিনি লিখেন, '১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সংকট ছিল বহিঃশক্তি জড়িত দলাদলির ব্যাপার, যাতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উপাদানসমূহ এবং আন্তর্জাতিক উপাদানসমূহ এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ-পরিস্থিতির যোগসূত্র ছিল।'
মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে জামায়াতের আঁতাতের সাফাই গেয়ে গোলাম আযম লিখেন, 'সামরিক বাহিনীর অভিযানের ফলে জনগণ যে অসহায় অবস্থায় পড়ে আমাদের কাছে আসছে আমাদেরকে যথাসাধ্য তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এ পরিস্থিতিতে জনগণের সামান্য খিদমত করতে হলে সামরিক সরকারের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমেই তা সম্ভব (পৃ-১৪৩)।'
জামায়াত মুক্তিযুদ্ধের সময় ততকালীন সামরিক আইন প্রশাসক জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে সাক্ষাত করেই সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে গোলাম আযম পরের পৃষ্ঠাতেই উল্লেখ করেন। টিক্কা খানের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি পাকিস্তানের অখণ্ডতা রার আহ্বান জানিয়ে রেডিওতে ভাষণ দেন বলেও তিনি একই পৃষ্ঠায় লিখেন। ভাষণে গোলাম আযম মুক্তিযুদ্ধের অজুহাতে ভারত বাংলাদেশ দখল করতে চায় উল্লেখ করে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এই ভাষণ প্রচারের পরই সারা দেশে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগের হুমকির মুখে পড়ে- এটাও উল্লেখ করেন তিনি।
পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে আঁতাত করে জামায়াত দেশবাসীর উপকার করেছে- জীবনীতে এমন দাবিও করেছেন জামায়াতের সাবেক আমির। জনৈক সূর্য্য মিয়াকে পাক সেনাবাহিনী তার সুপারিশে ছেড়ে দিয়েছিলে উল্লেখ করে তিনি লিখেন, 'চোখবাঁধা অবস্থায় তাকে (সূর্য্য) জিপ থেকে এক সৈনিক লাথি দিয়ে ফেলে দিয়ে গেল। লাথি মারার সময় নাকি বলল, কোন গোলাম আযম নাকি সুপারিশ করেছে, যা বেঁচে গেলি (পৃ-১৪৫)।' তিনি আরো লিখেছেন, 'শেখ মুজিবের আত্মীয় হওয়া ছাড়া তার (সূর্য্য) আর কোনো অপরাধ নেই (পৃ-১৪৪)'।
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনীর নানা অপকর্মের সহযোগী রাজাকার বাহিনীকে দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযুদ্ধকে নাশকতামূলক ততপরতা উল্লেখ করে তৃতীয় খণ্ডের ১৫০ পৃষ্ঠাতে গোলাম আযম লিখেন, 'যে রেযাকাররা (রাজাকার) দেশকে নাশকতামূলক ততপরতা থেকে রার জন্য জীবন দিচ্ছে তারা কি দেশকে ভালবাসে না? তারা কি জন্মভূমির দুশমন হতে পারে?'
গোলাম আযম মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারাই পাক সেনাবাহিনীকে হিংস্র হতে বাধ্য হয়েছে বলেও দাবি করেন ১৫২ পৃষ্ঠাতে। তার দাবি, মুক্তিযোদ্ধারা অবাঙ্গালিদের নির্বিচারে হত্যা করেছে এবং এর প্রতিশোধ নিতেই পাক বাহিনী বাঙ্গালিদের প্রতি নৃশংস হতে বাধ্য করেছে। গোলাম আযম পাক সেনাবাহিনীর নৃশংসতাকে 'মোটাবুদ্ধির সৈনিকদের অনর্থক' কাজ বলেও উল্লেখ করে পরের পৃষ্ঠাতে লিখেন, 'মোটা বুদ্ধির সৈনিকরা এভাবে কিছু হিন্দুকে অনর্থক মেরে হিন্দু সম্প্রদায়কে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য করল।'
১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের শেষ দিকে শান্তি কমিটি গঠনের লক্ষ্যে প্রাদেশিক গভর্নর নূরুল আমিনের বাসায় এক বৈঠকে গোলাম আযম বলেছিলেন, 'পাকিস্তান টিকে থাকুক, আমাদের দেশ ভারতের খপ্পর থেকে বেঁচে থাকুক- এটা অবশ্যই আমাদের আন্তরিক কামনা (পৃ-১৫৬)। দুই পৃষ্ঠা পরেই তিনি আপে করে লেখেন, 'মুক্তিযোদ্ধারা শান্তি কমিটির সঙ্গে শত্রুতা না করলে জনগণের পর্যায়ে শান্তি কমিটি ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হতো না।'
জীবনীর তৃতীয় খণ্ডের '১৬ ডিসেম্বরে আমার অনুভূতি' শীর্ষক অধ্যায়ে গোলাম আযম লিখেন, 'ডিসেম্বরের মধ্যেই চূড়ান্ত ফায়সালা হয়ে যাবে তা ধারণা করিনি বলে মনের দিক দিয়ে প্রস্তুত ছিলাম না'। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার অনুভূতি জানাতে গিয়ে মাসিক উর্দু ডাইজেস্টের সম্পাদক আলতাফ হোসাইন কুরাইশীকে তিনি বলেছিলেন, 'উপমহাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম হিন্দু ও শিখ বাহিনীর নিকট প্রায় এক লাখ সশস্ত্র বাহিনী আত্মসমর্পন করলো। ইংরেজ আমলেও মুজাহিদ বাহিনী শিখদের নিকট আত্মসমর্পণ করেননি। তারা শহীদ হয়েছেন' (পৃ-২৪২)।
মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের আগেই গোলাম আজম '৭১ এর ২২ নভেম্বর জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে পাকিস্তান যান। এরপর তিনি দীর্ঘদিন আর দেশে ফিরেননি।
গোলাম আযমের আত্মজীবনীর প্রথম খণ্ডে ক্রিকেট খেলা প্রসঙ্গে তার মন্তব্যেও তার পাকিস্তান প্রীতি স্পষ্ট হয়েছে। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল পাকিস্তান দলকে পরাজিত করায় শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ৭১-এর মতো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে খেলার ফলেই বিজয় সম্ভব হয়েছে। এই মন্তব্যের সমালোচনা করে গোলাম আযম লিখেন, 'খেলা খেলাই। এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধকে টেনে এনে তিনি (শেখ হাসিনা) অযথাই হাস্যষ্পদ হলেন'। অথচ পরের অনুচ্ছেদেই গোলাম আযম লিখেন, 'পাকিস্তান মাঝে মাঝে সাধারণ দলের নিকট পরাজিত হলেও ভারতের নিকট খুব কমই পরাজিত হয়েছে। জানি না পাকিস্তানী দল ৪৭ এর চেতনা নিয়েই ভারতের বিরুদ্ধে খেলে কিনা (পৃ-১২৬)।'
গোলাম আযম এ প্রসঙ্গে আরো বলেছেন, ঢাকা স্টেডিয়ামে যতবার ভারত ও পাকিস্তান দলের খেলা হয়েছে প্রতিবারই 'বাংলাদেশী দর্শকের শতকরা প্রায় ৯৯ জনই পাকিস্তান দলের প্রতিই আবেগপূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ব্যানার প্রদর্শন করলেও তা দর্শকদের মনে সামান্য প্রভাবও বিস্তার করতে পারেনি। দর্শকরা ঐ ব্যানার দেখে মন্তব্য করেছে ''রাখ মিয়া মুক্তিযুদ্ধের কথা, এখানে মুসলমানদের বিজয় চাই''।
একই খণ্ডে জামায়াতের সাবেক আমির আরো লিখেন, 'ধর্মনিরপেবাদী ও ভারতপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীদের মন্তব্যের কথা শুনেছি। তারা নাকি বলেন, আমরা বছরের পর বছর চেষ্টা করে যুবসমাজের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঞ্চারের জন্য যে আপ্রাণ চেষ্টা করি তা স্টেডিয়ামে পাক-ভারত খেলায়ই নস্যাত হয়ে যায় (পৃ-১২৭)।'
স্বাধীনতাবিরোধীদের রাষ্ট্রমতার অংশীদার করায় সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন গোলাম আযম। আত্মজীবনীর দ্বিতীয় খণ্ডের ১৭৭ পৃষ্ঠায় তিনি লিখেন, রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কারণেই তিনি 'স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজন বর্জন করে সকলকেই তার সংগঠনে সমবেত করেন। ৭১-এ তার বিপরীত ভূমিকা পালন করা সত্ত্বেও শাহ আজিজুর রহমানের ওপর প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতার দায়িত্ব অর্পণ করেন।'
বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারেরও ঘোর বিরোধী গোলাম আযম। তার মতে, 'মুজিব হত্যার বিচার জনগণের উপর মহা অবিচার।' দ্বিতীয় খণ্ডের তিনি লিখেন, 'কয়েকজন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তা সফল সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশকে উদ্ধার করেন।...এটা যদি সাধারণ হত্যা হয়ে থাকে তাহলে গোটা দেশবাসীকেই আসামি করা প্রয়োজন ছিলো। কারণ এ হত্যায় তারা আনন্দ ও উল্লাস করেছে।'(পৃ-১৭৪)।
কৃতজ্ঞতা ওয়াসেক বিল্লাহ

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৩
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: গো আযম... বহুত এলেমদার মানুষ... তারে লইয়া মশকরা বরদাস্ত হইবে না। গো.আযমের ব্ক্তব্যের লগে কাগোর কতাবার্তার জানি মিল পাই... :D
৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৮
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: নীরব ৫....গোলামের যমকে লাথি.....
৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১০
জামাল ভাস্কর বলেছেন: গোলাম আজমরে এখনো এইদেশে তার বইয়ের লেখা দিয়া অপরাধী বানাইতে হয়...দুঃখবোধ ছাড়া আর কি করতে পারি আমরা...
৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১০
রাজীব বলেছেন: গুলি মারি গো... আজমকে... হাজার বার....
১০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৮
মাম্ব্রা বলেছেন: বইটা আপলোড করা যায় না কোথাও? কিংবা অলরেডি কোথাও আছে কিনা বলতে পারবেন? আমার জামাতিদের দোকানে যেতে ভয় লাগে।
১২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৫
মাদারি বলেছেন: জামাল ভাস্কর বলেছেন :
২০০৭-১১-২৭ ১৬:১০:০৭
গোলাম আজমরে এখনো এইদেশে তার বইয়ের লেখা দিয়া অপরাধী বানাইতে হয়...দুঃখবোধ ছাড়া আর কি করতে পারি আমরা...
বসের লগে একমত।

মাসুমরে ৫ দিসি

১৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
চে বলেছেন: পোস্টের সাথের ছবিতে দেখানো ছবিতে জুতা পেটার পর মনে হয় উনার আক্ষেপ কিছুটা কমেছে।
১৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: চডোণাড় পূটেড়া অখোণ কইয়া যা গোয়া কি যুদ্ধাপরাধী?
১৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩
প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন: আইচ্ছা সৎলুকেরে মাইনষে জুতায় কা..।???্মঃ;>্ষঃ;???:"">>
আমার মাথায় ঢুহেনা ..কি করন যায়
১৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৪
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা বলেছেন: গোআর বইটা নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে এইটার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রর্দশন করা হোক !!!
~
১৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৬
অন্তরাল বলেছেন: কি লাভ! দেশটাতো ‍"ঘু" আযমদেরইর দখলে রয়েছে।
১৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: তুমারে কইচে! @অন্তরাল
জুতার উপ্রে রাকলেই ঠান্ডা..
১৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫১
আরিফুর রহমান বলেছেন: বইটা ইন্টারনেটে কোথাও আছে?
২০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৭
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: অন্তরাল বলেছেন :
২০০৭-১১-২৭ ১৬:৪৬:২১
কি লাভ! দেশটাতো ‍"ঘু" আযমদেরইর দখলে রয়েছে।


হতাশ কেন ভাই আপনি? ঐ সব গোলামের যমদের তাড়াইতে পারবেন না বাংলা থাইকা? আমাগো ইতিহাস তো অনেক উজ্জ্বল...চলেন সকলে ইতিহাস থাইকা শিক্ষা নিয়া রাজাকারগো দেশছাড়া করি.....

রাজাকারেরা নিপাত যাক
রাজাকারের মাংস কুত্বায় খাক....
২১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
আমি মাহমুদ বলেছেন: গোলাম আযমের পাছায় রবার্তো কার্লোস টাইপের লাথি পড়ুক।
২২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
ধোনোরাজ পিল্লাই বলেছেন: আগ্গুন পোষ্ট। টপরেটে দেখতে চাই।

রাজাকার গোলামাজম নিপাত যাক
২৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ইন্টারনেটে সম্ভবত নেই
২৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০২
ফজল বলেছেন: বোধ হয় সময় এসে গেছে বলার যে,
"এই ছবিটা তোমরা ঝুলিয়ে রাখো তোমাদের তোরণে, টেবিলে, কিংবা বেদী রচনা করে পূজো করো দিন-রাত। যদি তিনি করুণা করেন।"

ছবিটার অতি ব্যবহারে পর্যবেক্ষক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এ মন্তব্য। :)

=বেচারাদের জন্য এক মহারত্ন কি না :) :)
২৫. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: আরে আইচে আইচে...দড়!
২৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: @ফজল

ছবিটার অতি ব্যবহারে তুমি মনে লয় দুক্কু পাইচো! হাচা নি? শরম করে? আহারে...চুক চুক...গোয়ার কিন্তুক শমর করে নাইক্যা!
২৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪
ধোনোরাজ পিল্লাই বলেছেন: পিডা গোলামাজমের জারজ পোলারে পিডা।
২৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬
অন্তরাল বলেছেন: স্বাধীনতার পর বেশির ভাগ সময় যারা দেশ চালিয়েছে তারাতো "ঘু" আযমদের পক্ষের লোক। ঘু আযম তার বইতে সেই নেতার প্রশংসা করেছেন।
আর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিতো ক্ষমতায় যাওয়ার জন্যই কেবল স্বাধীণতার বিরোধীদের বিরোধী। ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে।
আর আজ যারা আছে তাদের বিষয়ে এখন কিছু বলা যাবে না। ভবিষ্যতই বলবে।
২৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১২
অন্তরাল বলেছেন: @ প্রশ্নোত্তর আমারে কেউ না কইলেও তোরে কেউতো কিছু কয়ে দিছে বলে মনে হয়...
৩০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭
আজনবী বলেছেন: গো. আজম এর জন্য পাকিস্তানে সাড়ে তিন হাত জায়গা বরাদ্দ করা আমাদের কর্তব্য এবং পাশাপাশি খাজা নাজিম উদ্দিন এর লাশ শেরেবাংলা এবং সরোয়ার্দি সাহেবের পাশ থেকে তুলে পাকিস্তানে জিন্নার পাশে দাফন করা ততটাই গুরুত্বপূর্ণ যতটা গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা।
৩১. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫২
আনিকা বলেছেন: এই বই পড়ার মতো মানসিক জোর নাই... উদ্ধৃতি দেইখাই বেটারে মাইরা ফেলতে মন চাইতাছে
৩৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪০
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: মাইরা না আমার তো জুতা মারতে ইচ্ছা করে
৩৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: গো. আজম এর জন্য পাকিস্তানে সাড়ে তিন হাত জায়গা বরাদ্দ করা আমাদের কর্তব্য এবং পাশাপাশি খাজা নাজিম উদ্দিন এর লাশ শেরেবাংলা এবং সরোয়ার্দি সাহেবের পাশ থেকে তুলে পাকিস্তানে জিন্নার পাশে দাফন করা ততটাই গুরুত্বপূর্ণ যতটা গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা।
একমত আজনবী@
৩৬. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৩
অলৌকিক হাসান বলেছেন: আমি কিছুটা পড়েছিলাম। এখন আবার পড়তে চাই। অনলাইন ভার্সন থাকলে লিংক দিয়েন তো।
৩৭. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৬
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: বইটাকে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য করার দাবী জানাই
৩৮. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫১
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: অন্তরাল বলেছেন :
২০০৭-১১-২৭ ১৭:১২:৩৬
@ প্রশ্নোত্তর আমারে কেউ না কইলেও তোরে কেউতো কিছু কয়ে দিছে বলে মনে হয়...

**********************
এই পোষ্টে ফাউল প্যাচাল পারবার চাই না।
৩৯. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৬
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ @ প্রশ্নোত্তর
৪০. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৮
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: তয় অন্তরাল তুমারে মনে রাকলাম, পেন্ডিং তাকলা...
৪২. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৯
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: নিধিরাম সর্দার@ ভাল কইছেন
৪৩. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: অনলাইন ভার্সন নেই সম্ভবত
৪৪. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪৭
অলৌকিক হাসান বলেছেন: ১ম পর্বের কয়েক পাতা পড়ছি মাত্র।
৪৫. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১০
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: পুরোটা পড়েন মজা পাইবেন
৪৬. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০২
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: লজ্জা বলতে একটা শব্দ আছে সেটা গোলাম যে জানেন না তা আবার প্রমানণিত!
ধন্যবাদ ! মাছুম ভাই! অতি সুন্দর একটি পোস্টের জন্য।
৪৭. ২৮ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ নিঃশব্দ শিশির!
তবে আমি মাসুম, মাছুম না।
৪৯. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪১
রাগ ইমন বলেছেন: 'পাকিস্তান বিভক্তি ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিষাদময় কাহিনী' (পৃ-২১১)।

মাসুম, জীবনে সব আক্ষেপ ভুলতে পারবো । শুয়োরের বাচ্চা মহান গুলাম রে জুতাপেটা করা এবং তার চেহারা মোবারকে থু থু দিতে না পারার আক্ষেপটা কোন দিন ও যাবে না ।

এই রকম পোস্ট আরও চাই ।

৫৫৫৫৫৫৫৫ ।

ওহ, না , যাবে । যেদিন এই বরাহ নন্দন্দের বিচার করা হবে , সেইদিন যাবে ।
৫০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: মাসুম ভাই, বইটা কোথা থেকে সংগ্রহ করতে পারবো? যদি জানান তো ভাইয়া কৃতজ্ঞ থাকবো।
৫১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: বইটা বাজারে পাওয়া যায়। অনলাইন ভার্সন বোধ হয় নেই।
৫২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০৬
অধ্যায় বলেছেন: 1974, Gholam Azam presented a blueprint of anti Bangladesh activities at a committee meeting held in a house in East London. According to a reliable source some Pakistani nationals were also present in that meeting. The participants in that secret meeting were: AT Sadi, Toaha bin Habib, Ali Hossain, Barrister Akhtar Uddin, Meher Ali and Dr Talukdar. Pakistani citizen Mahmud Ali is one of the top Pakistanis present in that meeting. The chair of the meeting Gholam Azam said “ to continue our activities from London will be difficult. So someone has to go back home. We ought to take risk-otherwise there will be no outcome. But if you go home-you will have contacts. I have already contacted my people. Everything is okay. Handing out a leaflet to all members present Gholam said it has to be distributed among the people of every village of Bangladesh. People are with us. According to some sources the said leaflet contained propaganda for a proposed confederation with Pakistan. Others believed that it called for an Islamic revolution organized using the network of mosques. Some people were reported to have arrested near Dhaka carrying those leaflets. Gholam also mentioned the proposed support for anti Bangladesh activities from Pakistan and some other Middle Eastern countries. (Like Zia) Gholam said ‘Money is not a problem’. It was heard that Gholam collected 45,000,000 Reals from Saudi Arabia for reconstructing the mosques of Bangladesh demolished during the war. Shrewd Gholam spent a large portion of that money to purchase a house in Manchester in UK. Presently his son Mehedi Hasan is living in that house. Gholam' eldest son Kaifi Azmi is a senior officer in Bangladesh Army and believed to be working as a link between ISI cell in Bangladesh Army and Jamati Terrorist groups.



Gholam, Rao Forman & Malek, discussing blue print for killing the pro Bangladesh intellectuals



৫৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: গতকাল নিউমার্কেট থেকে প্রথম ৪ খন্ড কিনে নিয়ে আসলাম। রেয়ার বই। অনেক খুজতে হলো। পড়া এখনও শুরু করিনি। সময় সুযোগ করে ভালভাবে পড়তে হবে। আপনাকে আবারো অনেক ধন্যবাদ।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: মগবাজারে গেলেই পাইতেন।

৫৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২
পরশ পাথর বলেছেন: লড়াই চলবে
৫৬. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৩
BangladeshCiroJibiHok বলেছেন: আপনাদের ভাষার নোংরামি, আপনাদের হৃদয়ের নোংরামির কথা মনে করিয়ে দেয়। সভ্য ও পরিশীলিত মানুষের চোখে আপনারা তুচ্ছ ও সস্তা হয়ে যান। আপনাদের লেখা পড়ার পর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী পরিচ্ছন্ন মানুষদের অন্তরও আপনাদের প্রতি ঘৃণায় ভরে ওঠে। এই মন নিয়ে যদি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর বইও পড়েন তাহলে নোংরা কথাই মুখ দিয়ে বের হবে সন্দেহ নেই। আপনাদের দিয়ে নিরপেক্ষ বিচার সম্ভব নয়। যে বইটির কথা লিখেছেন আমি তার কয়েক খন্ড পড়েছি। আপনার লেখার সাথে মিলিয়ে দেখেছি আপনি যা লিখেছেন তা খন্ডিত এবং মতাদর্শগত পার্থক্যের জন্য ভুলভাবে উপস্থাপিত।
যে কেউ ভুল করতে পারেন এবং তার সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু সে সমালোচনা হওয়া উচিত সত্যাশ্রয়ী এবং শালীন। অশালীন ও মিথ্যাশ্রয়ী সমালোচনা কিছু অশালীন মানুষকে পুলকিত করতে পারে ঠিকই কিন্তু সামগ্রিক ভাবে তা অন্যদের আস্থা হারায়।
পাকিস্তানের জন্য আহাজারি শুধু তার নয়। শেখ মুজিব পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ৩ তারিখের পূর্ব পর্যন্ত মনে প্রাণে চেয়েছেন পাকিস্তান টিকে থাক। এ সংক্রান্ত তার বিভন্ন বক্তব্য বিবৃতি আছে। ৭ই মার্চের ভাষণ শুনলেই বোঝা যায় তিনি ইয়াহিয়া খানকে অনুরোধ করেছিলেন অ্যাসেম্বিলির বৈঠক ডাকতে। অ্যাসেব্লিলির বৈঠক ডাকলে মুজিব হতেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তিনিও তাই চেয়েছিলেন। ফলে তার বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাওয়ার কোন কারণ ছিল না। কিন্তু ভুট্টোর চক্রান্তে ইয়াহিয়া অ্যাসেম্বিলির বৈঠক না ডাকায় মুজিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারছিলেন না। অগত্যা তিনি বাধ্য হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
পাকিস্তানের প্রতি এই প্রিয়তা শুধু শেখ মুজিবের নয় ঐ সময়ের অনেক শিল্পী সাহিত্যিকেরও ছিল। কবি জসিমউদ্দিনের ভ্রমণ কাহিনী চলে মুসাফির পড়ে দেখুন তার ও সমসাময়িক কবি সাহিত্যিকদের পাকিস্তানের প্রতি কি সীমাহীন ভালবাসা। পরবর্তীতে নানা প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের উভয় অংশের মধ্যে সম্পর্কের ফাটল ধরে।
আদর্শিক পার্থক্যের কারণে বা ইতিহাসের জ্ঞানের ঘাড়তি বা খন্ডিত জ্ঞানের কারনে অন্ধভাবে কাউকে দায়ী করা শোভন নয়। তাতে আক্রান্ত ব্যক্তি সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও পরিণামে লাভবান হয়।
বর্তমান অবস্থাই তা প্রমাণ করে। মিডিয়া ও আপনাদের একচেটিয়া বিরুদ্ধ ও মিথ্যা প্রচারণা সত্ত্বেও তারাই সম্ভবত এ দেশে সবচেয়ে সুশৃংখল দল। অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী সমস্ত বিরুদ্ধ প্রচারণা সত্ত্বেও তাদের প্রতি আস্থা রাখে।
এ অবস্থার যদি পরিবর্তন চান তাহলে আপনারা আগে সত্যাশ্রয়ী ও পরিশীলিত হন।
০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: জামাত একটা নোংরা দল। এই দল যারা করে তারা এক একটা ইতর। আল্লাহ মানুষ বানাতে গিয়ে এতগুলা ইতর তৈরি করেছেন। জামাত দেখলেই আমার মনে হয় নোংরা ঘাটা দাতাল শুয়োর। আর নব্য রাকাকারগুলা সেইগুলার বাচ্চা।

৫৭. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৪
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: গো আ অন্ডকোষে লাত্থি মারতে ইচ্ছা করতেছে। সাথে সকল শিবির ও জামাতিদের ও। শালা.......
৫৮. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:

জামাতী রাজাকার গুলা সব ক'টা শুয়োর

রাজাকারেরা নিপাত যাক
রাজাকারের মাংস কুত্বায় খাক

@বাংলাদেশ চিরজীবি হোক

"যে কেউ ভুল করতে পারেন এবং তার সমালোচনা হতেই পারে। কিন্তু সে সমালোচনা হওয়া উচিত সত্যাশ্রয়ী এবং শালীন। অশালীন ও মিথ্যাশ্রয়ী সমালোচনা কিছু অশালীন মানুষকে পুলকিত করতে পারে ঠিকই কিন্তু সামগ্রিক ভাবে তা অন্যদের আস্থা হারায়।"

এইখানে মিথ্যার আশ্রয় কোথা থেকে আসলো....সবইতো গুলামের যমের বই থাইকা রেফারেন্স টাইনা কওয়া হইলো? আর ভুলের জন্য কি শুয়োর গোলাম কি কখনও ক্ষমা টমা চাইছে? পরেতো আবার পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি গঠন করছে বইলা জানি।
৬০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
আমি সরকার বলেছেন: মারতে হবেতো গোলামরে। নামেও মানুষ খায়। গোলাম- পাকিস্তানী গোলামই রইল।
৬১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: রাশেদ বলেছেন: ধিক তারে।

 

মোট সময় লেগেছে ৪.৪৬৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ