আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

আমার দেখা সেরা ১০ ছবি

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০০

শেয়ারঃ
0 1 0

১। দি শওশাঙ্ক রিডেমশন ২। বিফোর সানরাইজ ৩। আমাদিউস ৪। দি ডেড পয়েট সোসাইটি ৫। দি পারস্যুট অব হ্যাপিনেস ৬। দি জাজমেন্ট অব নুরেমবার্গ ৭। অন দ্য ওয়াটার ফ্রন্ট ৮। ট্যাক্সি ড্রাইভার ৯। ক্রামার ভার্সেস ক্রামার ১০। মিসিং

১। দি শওশাঙ্ক রিডেমশন: এ ছবিটি বার বারই দেখতে চাই। আমার আজও বিষ্ময় এই ছবিটি কেন পুরস্কারের দৌড়ে খুব বেশি ভাল করলো না। তবে ইন্টারন্টে ব্যবহারকারীদের ভোটে এই ছবিটির স্থান সর্বকালে দ্বিতীয়।
জেল জীবন ও জেল পালানো ছবি। নির্মাণ এবং অভিনয় দুই দিক থেকেই এটি একটি সেরা ছবি। টিম রবিনস এবং মর্গান ফ্রিম্যান এই ছবির প্রধান দুই অভিনেতা।
২। বিফোর সানরাইজ: দুই দেশের দুই জনের দেখা হলে ট্রেনে। মাঝে তারা নেমে গেলো অষ্ট্রিয়ায়, কিছু সময় কাটাতে। বলতে গেলে এইটুকুই ছবি। কিন্তু একবার দেখা শুরু করলে চোখ ফেরানো যায় না, কান রাখতে হয় সজাগ। ছবিতে আমরা খুব বেশি কৃত্তিম সংলাপ শুনি, যেগুলো হয়তো বাস্তব জীবনে আমরা বলি না। বিফোর সানরাইজ এই দিক থেকেই টানে বেশি। আহা! আবার দখতে হবে। ইথান হক ও জুলি ডিপলি আছে এই ছবিতে।
৩। অ্যামাদিউস: অনেক আগে ছবিটা যখন প্রথম দেখি আমি নিশ্চুপ বসে ছিলাম অনেকন। মোৎসার্টের জীবন নিয়ে ছবি। শেষ বয়সে বৃদ্ধ একজন দাবি করে যে সেই মোৎসার্টকে খুন করেছে। কিভাবে? সেটা নিয়েই ছবি। একজন ঈশ্বর প্রদত্ত প্রতিভা নিয়ে এসেছেন, আরেকজন চেষ্টা করে শিখেছেন মিউজিক। সেটা নিয়ে ঈর্ষার গল্প অ্যামাডিউস। গডকে যখন আনকাইন্ড বলে-সেই দৃশ্য ভোলার না।
৪। ডেড পয়েট সোসাইটি: এই ছবিতে রবিন উইলিয়ামসকে দেখে চমকে উঠেছিলাম। উইটনেসের পরিচালক পিটার উইয়ারের এই ছবিটি ভিন্ন রকমের এক অনুভূতি নিয়ে আসে। এক স্কুলে শিা দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে ছবি। এক কথায় অসাধারণ।
৫। দি পারস্যুট অব হ্যাপিনেস: ক্রিস গার্ডনারের জীবন সংগ্রামের ছবি। ক্রিস (উইল স্মিথ) ও তার ছেলে ক্রিস্টোফারের (জাডেন স্মিথ) জীবনের কাহিনী এই ছবি। ক্রিস ও তার বান্ধবি জমানো সব অর্থ দিয়ে চিকিৎসা সামগ্রী-এক ধরনের স্কানার বিক্রি করে। সহজে বিক্রিও হয় না। বাড়ি ভাড়া বাকি, গাড়ি ক্রমাগত পার্কিং টিকেট খেতে খেতে এক পর্যায়ে গাড়িটাই হাতছাড়া হয়, ডে কেয়ারে রাখা ছেলের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে হিমসিম ক্রিস। স্কানারও চুরি হয় ক্রিসের। বান্ধবিও এক সময় ক্রিসকে ছেড়ে চলে যায় নিউইয়র্কে।
সেই ক্রিস একদিন এক ব্রোকার হাউজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় একদল সুখী মানুষের চেহারা দেখে তারও ইচ্ছা হয় এখানে কাজ করতে। কিন্তু ক্রিসের সেই শিাও নেই, নেই কোনো পরিচিত। তারপরেও চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে। কিভাবে সে ইন্টার্নির সুযোগ পায় সেও এক বিশাল গল্প। তারপরের কাহিনীও আরেক গল্প। সত্যি কাহিনীর এই ছবি যারা দেখেননি তারা জানেন না কি তারা দেখলেন না।
৬। দি জাজমেন্ট অব নুরেমবার্গ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে ছবি। ছবিতে দেখানো হয়েছে জার্মান বিচারকদের ট্রায়াল, যারা বিচারের নামে বিরুদ্ধবাদিদের বিভিন্ন ক্যাম্পে পাঠাতো।
মুভিটা ৩ ঘন্টার। দেখতে বসলে কখন শেষ হবে টেরই পাওয়া যায় না। ছবির শুরুটা মার্কিন জাজ ডান হাওয়ার্ডের নুরেমবার্গ পৌছানোর মধ্য দিয়ে। এই চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন স্পেনসার ট্রেসি। যুদ্ধাপরাধী চার বিচারকের একজন ড. আর্নস্ট জেনিং (বার্ট লানকাসটার)। জুডি গারল্যান্ড ও মন্টোগোমারি কিফট ছোট্র দুই চরিত্রে অভিনয় করলেও তাদের অসাধারণ অভিনয়ের রেশ সহজে যায় না। আর আছে জার্মান অভিনেতা, অভিযুক্তদের পরে আইনজীবী হান্স রোলফ (ম্যাক্সিমিলিয়ান স্কেল), সেরা অভিনেতার অস্কার পেয়েছিলেন।
৭। অন দ্য ওয়াটার ফ্রন্ট-মার্লোন ব্রান্ডোর এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৫৪ সালে। সাধারণ মানুষের জেগে ওঠার ছবি। আমির খানের গুলাম এই ছবির নকল। ছবিতে আমরা নায়ক চরিত্র তৈরি করা হয় অসাধারণ করে। এই ছবিটি একদমই বাস্তবতার ছবি। সাধারণ মানুষ কিভাবে এক হয় সেটাই মূল কথা।
৮। ট্যাক্সি ড্রাইভার- এই ছবিতে কেনো মার্টিন স্করসিজকে সেরা পরিচালকের অস্কার দেওয়া হয়নি-সে বিতর্ক আজও যায়নি। এই বিতর্ক ঢাকতেই স্করসিজকে তার মানের তুলনায় একটি দুর্বল ছবির জন্য অস্কার দেওয়া হয় গতবার। রবার্ট ডি নিরো আছে, আছে জুডি ফস্টার। এই ছবিতে জুডি ফস্টারকে দেখেই একজন রিগ্যানকে গুলি করেছিল। এক অস্থির সময়ের গল্প ট্যাক্সি ড্রাইভার।
৯। ক্রামার ভার্সেস ক্রামার- ডাস্টিন হফম্যানের ভাল ছবির অভাব নেই। তালিকায় অনায়াসে চলে আসে গ্রাজুয়েট ও রেইনম্যানসহ অনেক ছবি। তবে আমার বেশি পছন্দ এটি। এই ছবির আবেগ বেশি টেনেছিল বলেই হয়তো। সাথে আছে মেরিল স্ট্রীপ।
১০। মিসিং- ১৯৮২ সালে মুক্তি পেয়েছিল গ্রীক পরিচালক কোস্তা গাবরাসের (উচ্চারণ ঠিক হলো?) এই ছবিটি। ছবিতে ছিলেন জ্যাক লেমন ও সিসি স্পাসেক।
১৯৭৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। ক্যু হয়েছে চিলিতে। চিলির প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দেকে সরিয়ে দিয়ে জেনারেল অগাস্টো পেনোসে মতা দখল করে কমিউনিস্ট বিরোধী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে, যা ছিল ১৯৯০ পর্যন্ত। ক্যুতে খুন হন আলেন্দে।
এই দিন মার্কিন সাংবাদিক চার্লস হরমান ফিরছিলেন চিলিতে। আসতে গিয়ে পথে তিনি হয়তো সাী হয়েছিলেন এই ক্যুর। দেখে ফেলেছিলেন কিছু। তাই আর বাসায় ফিরতে পারেননি তিনি। চিলিতে ছিল বউ সিসি স্পাসেক। আমেরিকা থেকে ছেলের খোঁজে চলে আসলো বাবা জ্যাক লেমন। তারপর খোঁজার পালা।
এখানেই তৈরি দৃশ্য আর ক্যুর সময় তোলা ডকুমেন্টশন এক করে দিয়েছেন পরিচালক কোস্তা। স্টেডিয়ামে আটক হাজার হাজার চিলিবাসী বা নদীতে ভেসে যাওয়া লাশ-মনে করিয়ে দেয় ৭১ কে।
বাবা এবং ছেলের বউ ঠিকই খুঁজে খুঁজে এই ক্যুর পেছনে মার্কিন দূতাবাস ও সিআইএর হাত বের করে ফেলতে শুরু করলে এক পর্যায় পাওয়া গেছে বলে ছেলের লাশ ফেরত দেওয়া হয় বাবা ও স্ত্রীকে।
এখন কে না জানে এই ক্যুর পেছনে ছিল সিআইএ। বাবা পরে মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তার স্বার্থে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। সত্য ঘটনা নিয়ে ছবি এই মিসিং।
আরেকটা তথ্য দিই, সেসময়ের চিলির মার্কিন রাষ্ট্রদূত নাথানিয়েল ডেভিস কোস্তা গাবরাসের বিরুদ্ধে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের তিপূরণ মামলা কএরছিএলন।

তালিকায় আসতে পারতো
১। লিভিং লাস ভেগাস-নিকোলাস কেজের অভিনয়ের কারণেই বার বার দেখা যায়।
২। ক্যাসাব্লাঙ্কা-ইনগ্রিড বার্গমান ও হ্যামফ্রে বোগার্টের এই ছবি যুদ্ধের ছবি, রোমান্টিক ছবি। এখনো মনে করা হয় এটিই সর্বকালের অন্যকতম সেরা ছবি
৩। পাল্প ফিকশন-নতুন ভাবে ছবির গল্প বলা সবাইকে চমকে দেয়। টরানটেনোর সেরা ছবি।
৪। ওয়ান ফু ওভার কাক্কুস নেস্ট-জ্যাক নিকলসন মুভি ইতিহাসে থেকে যাবেন এই একটি ছবির জন্যই।
৫। গেজ উজ কামিং টু ডিনার-বাবা ও মা অপো করছে মেয়ের জন্য, মেয়ে আসবে নতুন বয় ফ্রেন্ডকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য। বাবা স্পেনসার ট্রেসি, মা ক্যাথারিন হেপবার্ন। মেয়ে নিয়ে আসে সিডনি পটিয়ারকে, একজন কালো। আমি এখনও মুগ্ধ এই ছবিতে।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার প্রিয় মুভি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: বাকিগুলাও ভাল লাগবে আশা করছি

২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
(অ)গাণিতিক বলেছেন: লিস্ট টা রেখে দিচ্ছি! কয়েকটা দেখিনি এই লিস্টের। একে একে দেখবো
ধন্যবাদ! :) +
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

লেখক বলেছেন: দেখে ফেলেন

৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: শো কেসে +

১,৮ সত্যি অসাধারণ , বাকিগুলো সংগ্রহ করে ফেলবো
৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই , অনেকগুলাই দেখা হয় নাই .. শোকেসে রাখলাম .. দেখে ফেলবো সবকটাই ।
৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
এই আমি মীরা বলেছেন: ৪ ও ৫ ছাড়া কোনটাই দেখিনাই। দুটোই অ-স-ম্ভ-ব ভালো লেগেছে ও দুটোতেই প্রায় কেঁদে ফেলেছিলাম।
৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩
মেন্টাল বলেছেন: ১,৩ আর ৮ নম্বর ইসলামপন্থীদের দেখা নিষেধ, ওইগুলাতে সেক্স সিন আছে।
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহহাহাহহাহাহা

৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কোনটা রাইখা কোনটার কতা কই। তালিকা খালি বদলায় +++++
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২০

লেখক বলেছেন: একদম ঠিক। এর পরে তালিকা করলে হয়তো এটা পুরো ঠিক থাকবে না

৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৭
নতুন বলেছেন: @ লেখক--- ক্রিস ও তার বান্ধবি জমানো সব অর্থ দিয়ে চিকিৎসা

persuat of happiness ছবিতে ক্রিস ও তার স্ত্রী... বান্ধবী নয়...


২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: হুমম।
তবে ছবিতে ক্রিসের বউ হিসেবে দেখালেও আসলে ক্রিসের বউ ছিল না, বাস্তব জীবনে বান্ধবী ছিল।

১২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫
ব্যর্থ প্রেমিক বলেছেন: একটাও দেখেছি কিনা মনে করতে পারছিনা, খুব শীঘ্রই জোগাড় করে দেখে ফেলতে হবে। প্রিয়তে রাখলাম। ++++++++
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫০

লেখক বলেছেন: দেখে ফেরেন। প্রেমের ব্যর্থতা কিছুটা হলেও ভুলবেন

১৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৪৫
এস্কিমো বলেছেন: ৯। ক্রামার ভার্সেস ক্রামার - শ্রেষ্ঠ !
১৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫২
বাফড়া বলেছেন: ভাগ্য খারাপ.... মুভি জটিল ছিল... কিন্তু ঐবার সাথে টম হ্যাংকস এর ফরেস্ট গাম্প থাকায় শশাংক রিডেম্পশন অস্কার টা পাইলো না। তয় ফরেস্ট গাম্পের মত ক্লাস মুভির কাছে অস্কার হারানোটাও আনন্দের। কি বলেন?
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: কেন জানি আমার ফরেস্ট গাম্প খুব বেশি ভাল লাগেনি।

১৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:১৭
মেন্টাল বলেছেন: অস্কার দেইখা ভালো খারাপ বিবেচনা করাটা হাস্যকর। অস্কারে টাকা পয়সা আর লবিং এই দুইটা অনেক বড় ব্যাপার।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: একমত। যেমন সেকসপিয়ার ইন লাভ ছবির সেরা পুরস্কার পাওয়া খুবই হাস্যকর।

১৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:৫৯
স্বাধীন জামিল বলেছেন: আমার লিস্টটাও দিলাম

১. মেলিনা
২. ফরেস্ট গাম্প
৩. সিনেমা প্যারাডাইজো
৪. এ বিউটিফুল মাইন্ড
৫. কাম সেপ্টেম্বর
৬. ব্রেভ হার্ট
৭. দ্য গড্‌ মাস্ট বি ক্রেজি
৮. অনলি ইউ
৯. লাইফ ইজ বিউটিফুল
১০. ওশান্‌স ইলেভেন

সময় করে সবাই দেখবেন। :D
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: অনলি ইউ দেখতে হবে।

১৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
মানুষ বলেছেন: ১। স্বামী কেন আসামী
২। বাবা কেন চাকর
৩। গরীব কেন কাঁদে
৪। ......। আর মনে নাই, মনে আসলে বলবো।
১৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
হ্যারি সেলডন বলেছেন: মানুর লিস্টের সাথে এড করি:

৪।বিদ্রোহী সালাউদ্দিন
৫। আম্মাজান, আব্বাজান, খালাজনা, খালুজান....জান সিরিজ।
৬।গরীবের রাজা রবিনহুড
৭।মানুষ কেন অমানুষ
৮।আর কি কি যেন?





তবে আমার প্রিয় ছবির লিস্ট অনেক বড়।
সিটিজেন কেইন, লাইফ ইজ বিউটিফুল, গন উইথ দ্য উইন্ড, সিংগিং ইন দ্য রেইন, ব্রেকফাস্ট এট টিফানি'স, রোমান হলিডে, কাসাব্লাংকা, অল কোয়ায়েট অন ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট, মাই ফেয়ার লেডী, গডফাদার সিরিজ, ই-টি, ফিলাডেলফিয়া, পথের পাঁচালি, হীরক রাজার দেশে, গুপী গাইন বাঘা বাইন, পারমিতার একদিন, সব্যসাচী আরোওওওওও অনেক.........।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮

লেখক বলেছেন: তালিকা আসলে শেষ করা যাবে না। আমি এখানে কেবল ইরেজিগুলোর তালিকা দিয়েছি।

১৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
মানুষ বলেছেন: লাস্ট উইক দুইটা সিনেমা দেখলাম, দুইটাই ভাল্লাগছে। একটা হিন্দি, নাম "রাঙ্গ দে বাসান্তি" আর একটা ইংরেজী নাম "দা স্লিপিং ডিকশনারী"। কারো লাগলে কইয়েন। আপলোড কইরা দিবোনে।
২০. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
হ্যারি সেলডন বলেছেন: রাং দে টা দেখছি। ভাল্লাগছে। অন্যটার নাম শুনিনাই!
২১. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
মানুষ বলেছেন: আমিও শুনিনি। এক দোস্ত দিল দেখার জন্য।
২২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
হ্যারি সেলডন বলেছেন: নো মেন'স ল্যান্ড, চিলড্রেনস অব হ্যাভেনস, দি টারমিনাল .........।
২৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
সামিউল জাহান বলেছেন: ভাই আমার কিন্তু আই রোবোট ছবিটা খুবই ভালো লাগে
২৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
হ্যারি সেলডন বলেছেন: আই রোবোট আমি পড়েছি আজিমভের বই। আজিমভের সাই-ফাই গুলো আমার খুব প্রিয়। উইল স্মিথ ছিল তাই না? ছবিটা দেখিনি।
২৫. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২০
মানুষ বলেছেন: হুম অজিমভের দুইটা বই পড়েছি। আই রোবট আর সেকেন্ড ফাউন্ডেশন। দুইটাই পুঁদিচ্চেরি।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: পুঁদিচ্চেরি কথাটা অনেক দিন পরে শুনলাম। আহারে...অনেক দিন টেনিদা পড়ি না

২৬. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
হ্যারি সেলডন বলেছেন: মানু, বেলায়েভের বই পড়েছ? আমার "হ্যারি সেলডন" নিক কিন্তু আজিমভের সবচাইতে জনপ্রিয় চরিত্র। ফাউন্ডেশান আর এম্পায়ার সিরিজের মেইন ক্যারেকটার।
২৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
হ্যারি সেলডন বলেছেন: মাসুমভাই, আপনি কি প্রথম আলোর?
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: হুমম। আমি প্রথম আলোতে কাজ করি।

২৮. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমার লিষ্টি পরে একসোমায় দিয়া যামুনে

বিশাল বড়ো

আপনের লিষ্টের গুলা দেখবো....অনেকগুলোই আছে আমার কাছে...মাগার সময়ের অভাবে দেখা হয়ে উঠেনা

জাজমেন্ট অব নুরেমবার্গ অনেক খুজাখুজি কইরাও পাইনাই...একদিন রাইফেলস স্কয়ারে যাইতে হইবো
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: জাজমেন্ট অব নুরেমবার্গ আইডিবির রায়ানস থেকে আমি কিনেছিলাম

২৯. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
মানুষ বলেছেন: মেলা দিন আর পড়া টড়া হয় না। চার পাঁচটা বই আছে হাতে এখনো পড়িনি
৩০. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: মাসুম ভাই, টেড হিউজ আর সিলভিয়া প্লাথ কে নিয়া মুভি আছে আমি যতদূর জানি। ২০০৩ এ রিলিজ হইছিলো "সিলভিয়া"। গেনেথ পোলেট্রো আর ডেনিয়েল ক্রেগ ছিলো ওটাতে।

কিন্তু আমার জানামতে এর আগেও এমন একটা মুভি রিলিজ হয়েছিলো। ওটার নামটা কি ভাইয়া একটু বলতে পারেন? আমি ওটাই খুজছিলাম। কিন্তু নাম না জানার কারনে পাচ্ছিনা।

আপনি জেনে থাকলে একটু জানাবেন প্লিজ।
২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: জানা নেই ভাইয়া। আমি সার্চ দিয়েও পেলাম না। উইকিতে সিলভিয়া নিয়া এই একটি ছবির কথাই বলছে।

৩১. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হুমমমম....ধন্যবাদ ভাইয়া

আমিই হয়তো ভুল জানি। যাই হোক, ভাল থাকবেন নতুন নতুন মুভির খবর দেবেন আমাদের
২৮ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: ওকে ভাইয়া

৩২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
নিপপন বলেছেন: নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান এ জ্যাভিয়ার বারডেম দেখাইছে মেথড অ্যাকটিং কাহাকে বলে
৩৩. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৬
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: শশাংক রিডেমশন এখন দর্শকদের ভোটে ১ নাম্বারে।
৩৪. ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৯
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
মিসিং ছবিটা এখনো খুজে পেলাম না ঢাকার কোথাও।
মিসিং চাইলে "দ্য মিসিং" ধরায় দেয়।

আপনার জানাশুনার মধ্যে থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
৩৫. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার পোস্টগুলো আমার খুব এবং খুবই উপকার করছে।

শশাংক রিডেম্পশন আর ফরেস্ট গাম্পের মধ্যে আমার পছন্দ ফরেস্ট গাম্প। আমার সবচেয়ে পছন্দের মুভি।
৩৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
মামদোভুত বলেছেন: কুমিল্লা থেকে ইতর বলছি - আমার না দেখা শ্রেষ্ঠ ছবি

খালি টেসকি ডাইভর দেকসি, ভালা লাগসে, খুব ভালা। টেসকি ডাইভরের ঘোর কাটায়া উঠতে বেশ কয়দিন সময় লাগসে আমার। আম্মো কয়দিন খালি গুলাগুলি করনের চিন্তা ভাবনা করসি :-B । আর এই ফিলিম যেহেতু আপনের লিস্টে ৮ লম্বর, এর উপ্রের গুলি না জানি কত ভালা। আগে পেনশনে যায়া লৈ পরে দেখুমনে।
৩৮. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১০
শিহাদ বলেছেন: ভালো পোস্ট 8-| তবে ছবি সহ দিলে আরও ভালো হইতো! :(
৩৯. ০৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৪১
সািময়া রুপন্তি বলেছেন: অনেকগুলো+ আর সাথে প্রিয় তেও রাখলাম। এ্যাডমিশন টেস্ট নামক ঝামেলা টা শেষ হলেই দেখা শুরু করব।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৬৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ