আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

গানের প্রতিযোগিতা তিন চাকা ও কিছু ফাও গল্প

১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

শেয়ারঃ
0 1 0

১.
ব্লগে কৌশিকদার পোস্ট পইড়া আগেই আগ্রহ ছিল তিন চাকায় যাওয়ার। কাল শুক্রবার বাসা থেকে বের হয়েছিলাম সকালে সাতটায়, চ্যানেল আইতে। তখনও বাসায় ফিরিনি, পাইলাম কৌশিকদার ফোন। কইলাম আইতাছি মিরপুর। ফোন দিলাম প্রতুরে। ধরে না। দ্বিতীয় বার ধরলেও বুঝলাম ঘুম থেকে উঠাইছি। কইলাম শ্যামলীতে আসতাছি, আপনে আসেন। চলেন যাই।
২.
লম্বা লাইন, লাইনে দাঁড়িয়ে যার যার মতো করে রিহার্সাল দেওয়া, অডিশন পর্ব, ইয়েস কার্ড পাওয়া বা না পাওয়া এসব তো ছিলই। এবার বাড়তি কিছু তথ্য দেই। ব্লগারদের মধ্যে আরও ছিল সৃজন ও অন্যআনন। মাঝে গেছি চা খেতে। আদা-লেবু চা আছে, আবার বেশি চিনি দেওয়া ডাইল চাও যে পাওয়া যায় সেটাও বুঝলাম। খেতে খেতে দেখি কৌশিকদার মাথা খালি ডাইন-বাম করে। তাকাইয়া দেখি রাস্তায় একজন সাবজেক্ট। সাথে সাথে প্রতুর জন্য পাত্রী দেখার দায়িত্ব বেশ জোরদার হইয়া উঠল। তবে আমরা শেষ পর্যন্ত পেছন ছাড়া দেখতে পারিনাই, কৌশিকদার ভাষায় যা চিটাগং পার্ট। চায়ের দোকানের সামনে দাঁড়ানো স্থানীয় কেউ একজন সাথে সাথে আমাদের তথ্য জানিয়ে দিল যে, এই মেয়ে পার্লারের, সামনেই নাকি পার্লার। কৌশিকদারে প্রস্তাব দিলাম সে যেন পার্লারে যাইয়া বাকি চুলটুকু কাইটা আসে। দ্বিতীয় দফায় চা খেতে এসে অবশ্য আমরা সামনেও দেখলাম, যা কৌশিকদার ভাষায় কুমিল্লা পার্ট। কুমিল্লায় নাকি টিলা পাওয়া যায়!
৩.
চিটাগং নিয়া সেই গল্পগুলো জানেন তো? প্রথমটা কইলো কৌশিকদা। ঐ খানে নাকি পাখিও এক ডানা দিয়া তার পশ্চাৎদেশ ঢাইকা আরেক ডানা দিয়া উড়াল দেয়।
আরেকটা গল্প বলি। এক লোক চট্টগামে যাইয়া দেখে রাস্তায় একটা আধুলি পড়ে আছে। সে ঐ আধুলি পা দিয়ে ঠেলতে ঠেলতে নিয়া গেল কুমিল্লায়। তারপর সে নীচু হয়ে তুললো আধুলিটা। চিটাগংয়ে নাকি কেউ রাস্তা থেকে কিছু তোলার জন্যও এই পজিশনে যায় না।
৪.
খবর দিলাম মুন্নী সাহাকে। আমরা অবশ্য দুপুর থেকেই যাই যাই করতেছিলাম। বউয়ের ঝাড়ি খাইয়া কৌশিকদার যাওয়ার আগ্রহ ছিল বেশি। মুন্নী আসার পর ওকে মোটামুটি সব বুঝিয়ে দিয়ে আমি আর প্রতু ফিরে চললাম। কৌশিকদা দেখি আর যাইতে চায় না। বিষয়টা রহস্যজনক। দেখি মুন্নীর সঙ্গে ফেইসবুক আর সব কি কি আলাপ করতাছে।
৫.
আরেকটা তথ্য দেই। প্রতুরে কইলাম ব্যাচেলর মানুস, সকাল ১১টা পর্যন্ত ঘুমান, রাইতে আপনার আবার কাম কি? ফুনাফুনি নাকি করছে ভোর ৫টা পর্যন্ত। আমারে কসম খাওয়াইছে আমি কারো মাইয়াটার নাম কইতে পারুম না। যান কারোরেই কইলাম না।
৬.
পরে ছবিতে দেখলাম কৌশিকদা মাথার চুল আরো কম। পার্লারে গেছিলো নাকি?
৭.
এইটা হচ্ছে আজ প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া আমার লেখা রিপোর্টটা। -
গোলাপ হোসেন ২০০১ সালে নরসিংদী থেকে ঢাকায় এসেছিল গায়ক হওয়ার আশায়। জীবিকার তাগিদে রিক্সা চালায়। মাঝে ‘কোজআপ-ওয়ানের তোমাকে খুজছে বাংলাদেশ’-প্রতিযোগিতায় নাম লেখালেও টিকতে পারেনি। এখন সে এসেছে রিক্সা চালকদের নিয়ে গানের প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান তিন চাকায়।
রিক্সা না চালিয়ে সকাল থেকে লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে জানতে চাইলে গোলাপ হোসেন বললো, ‘জীবনে অনেক সময় নষ্ট করছি এই গানের জন্য। সেই তুলনায় একদিন তো কিছুই না’। গোলাপ হোসেন অডিশন পর্বে ইয়েস কার্ড পেয়েছে।
রিক্সাচালকদের এই গানের প্রতিযোগিতায় জমকালো মঞ্চ ছিল না। ছিল না কোনো জাক জমক। মিরপুর এক নম্বরে উপশহর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ছোট এক ঘরে অডিশন নেওয়া হয়েছে। তবে আর সবই ছিল। সকাল থেকে লম্বা লাইন, দুই জন বিচারক আর গান পাগল কিছু রিক্সাচালক।
আয়োজক শিশির বিন্দু নামের একটি অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান। এ জন্য তারা প্রায় ৭০ হাজার পোস্টার ছাপিয়ে রাজধানীর রিক্সার পেছনে লাগিয়ে দিয়েছিল। আর সেই পোস্টার পড়েই নিবন্ধন করে প্রায় ১২শ রিক্সাচালক। তবে গতকাল শুক্রবার অডিশন দিয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশ রিক্সাচালক। ঢাকার বাইরে থেকেও এসে অডিশনে অংশ নিয়েছেন এমন রিক্সাচালকও আছেন একাধিক। বাবুল মিয়া এসেছেন সিরাজগঞ্জ থেকে। এজন্য তার খরচ হয়েছে প্রায় সাতশ টাকা। বাবুল মিয়া নিজের লেখা ও সুর করা ছাড়া গান করেন না। বাবুল মিয়া জানান, গান গেয়ে পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। শহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলো লাইনে দাঁড়িয়ে। সে এসেছে কুড়িগ্রাম থেকে। সখের গায়ক শহিদুল এতদূর থেকে এসেছে কেবল গানের জন্যই।
ইয়েস কার্ড পেয়েছে মাইজুর রহমান। মিরপুর এক নম্বরে রিক্সা চালায় সে। আর এই আয় দিয়ে সপ্তাহে একদিন যায় গানের স্কুলে, গান শিখতে। এজন্য দিতে হয় মাসে ৩শ টাকা। রিক্সা চালানোর আয় থেকে ৩শ টাকা দিতে কষ্ট হলেও এ জন্য কোনো আফসোস নেই মাইজুর রহমানের।
গোলাপ হোসেন রিক্সার পেছনে লাগানো পোস্টার দেখেছিল মিরপুর ১০ নম্বরে। কাগজ কলম নেই। তাই যোগোযোগ করার জন্য পোস্টারে দেওয়া ফোন নম্বর মুখস্ত করার জন্য সে ঐ রিক্সার পেছনে খামার বাড়ি পর্যন্ত যেতে হয়েছে তাকে। গোলাপ হোসেনের জীবনে ল্য একটাই, একটা ক্যাসেট বের করা। যাতে দেশের মানুষ তার গান শুনতে পারে।
ইয়েস কার্ড পায়নি হেলাল উদ্দিন। সে নিজেই গায়ক-গীতিকার ও সুরকার। অডিশন রাউন্ডের প্রথম প্রতিযোগি হিসেবে যে গান গাইলো তার বিষয়বস্তু রেখা নামের কোনো এক মেয়ের হেলালকে ছেড়ে যাওয়া কেন্দ্র করে বিরহ-যাতনা। বিচারকরা আরেকটা গান গাইতে বললে সে গানেরও পাত্র-পাত্রী রেখা ও হেলাল। ইয়েস কার্ড না পেয়ে হেলাল উদ্দিন দীর্ঘসময় বসে ছিল স্কুলের সামনের গাছের নীচে।
আয়োজন শিশিরবিন্দুর নির্বাহী পরিচালক শিশির সালমান জানালেন তারা ঢাকা দুটি অঞ্চলে ভাগ করে অডিশন নিচ্ছেন। গতকাল শুক্রবার ছিল পশ্চিমাঞ্চলের অডিশন। আগামি ২৩ মে হবে পূর্বাঞ্চলের অডিশন। ইয়েস কার্ড যারা পাবেন তাদের নিয়ে হবে দ্বিতীয় পর্ব। চূড়ান্ত পর্বে থাকবে সাত জন। এই সাতজনকে নিয়ে আয়োজকরা বের করবে গানের একটি মিশ্র অ্যালবাম। আর প্রথম যিনি হবেন তার জন্য পুরস্কার ১০ হাজার টাকা ও একটি একক অ্যালবাম বের করার সুযোগ। সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী কিছু করার ভাবনা নিয়েই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন। শিশির সালমান জানান, আগামি জুনের শেষ দিকে বসবে চূড়ান্ত আসর।


 

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
রাহা বলেছেন: হুম... প্রথম আলোর লেখা আগেই পড়ছি..... ছবি গুলা কৌশিকের ব্লগে দেখছিলাম...
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: হুমমমমমম

২. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: মজাই কাটাইলেন সারাদিন। কৌশিক / আপনি ঠিক আছে, না হয় মানা যায়। কিন্তু প্রত্যু আপনেগো লগে ??? মিলাইতে পরলাম না বস !!

একবার কইলেই পারতেন....
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: ভুল হইয়া গেছে। তয় প্রতুরে ধরেন। উপকারীর উপকার মনে রাখে না............

৩. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬
রোবট রাজকন্যা বলেছেন:

সকাল সাড়ে দশটায় ঘুম থেকে উঠে পত্রিকা হাতে নিয়ে এই রিপোর্ট টারই ডিটেইলস আগে পড়েছিলাম । খুবই প্রশংসনীয় একটা উদ্যোগ... ।


তখন প্রতিবেদকের নাম দেখতে গিয়ে পড়েছিলাম... "নিজস্ব প্রতিবেদক" । এখন প্রতিবেদকের নাম আর পেছনের ঘটনা জানতে পেরে পুলকিত হলাম :) । ভালো লিখেছেন ।

১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সহৃদয় পাঠিকা

৪. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
রুখসানা তাজীন বলেছেন: এই প্রতিযোগিতায় বিচারক কারা?
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: জেড এ তুষার, একজন সঙ্গীত পরিচালক, এস আই টুটুলের ভাই সম্ভবত।
আরেকজন হলেন ইউডার সঙ্গীত বিভাগের প্রধান একজন মহিলা শিল্পী।

৫. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬
মদন বলেছেন: চিটাগাং কুমিল্লার জটিল কাহিনি পইড়া হাসলাম অনেক্ষন।
ইহকালে প্রতুর বিয়া হইবো না...
আগামি অনুষ্ঠানে যাওয়ার ইরাদা রাখলাম :)
৬. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
হুমায়ুন বলেছেন: গতকাল অনুষ্ঠানে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল কিন্ত বাড়ীওয়ালা গত কাল রুমের কিছু মেরামত কাজ কারায় বাসা থেকে বের হতে পারিনি। কৌশিকদার মোবাইল নম্বর পেলে পরবর্তী অনুষ্ঠানে দেখা করতাম সেই সাথে আপনার সাথেও
৭. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
হ্যারি সেলডন বলেছেন: চট্টগ্রামের মানুষদের নিয়ে অপপ্রচারের তীবর পেরতীবাদ। যেখানেই মাদ্রাসা বেশি সেখানেই ওরকম হয়, চট্টগ্রামে না খালি!
১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: পেরতীবাদ গৃহিত হইলো না

৮. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
কৌশিক বলেছেন: রীতিমত ষড়যন্ত্র। মুন্নী সাহার সাথে আমার কোন স্পেশাল সেশন ছিল না। আমরা অনুষ্ঠানটার সফল প্রচারের বিষয়ে কিঞ্চিত বাতচিত করেছি। ফেসবুকের ফ্রেন্ডসিপটা কেবল স্মরণ করিয়ে দিয়েছি।

এছাড়া কুমিল্লার রসমালাইসম টিলা ও পার্লার বিষয়কগল্প কেবল স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে জনসেবার নিমিত্তে উৎসর্গকৃত ছিল।
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: তয় কয়েকঘন্টার মধ্যে চুল আরও কমলো কেমনে?

৯. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
নোক্সেনডার বলেছেন: চট্টগ্রামের মানুষদের লইয়া এহেন মজাক করার তেভ্র পেত্তিবাদ জানাই :P
১০. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: কাল অনেক মজা হৈছে...
তবে মুন্নি সাহা আসার পর কৌশিকদা আমাগো চিনতেই পারতেছেনা এরম একটা ভাব দেখলাম... কিছুই বুঝলাম না ;)

@ মেসবাহ ভাই... কোন প্রস্তুতি ছারাই গেছি... এর পরের বার অবশ্যই আপনাকে ফোনামু যাতে রুমানারে লৈয়া যান ;)
১১. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: যেইখানে মাসুম বস আর কৌশিক (লুইচ্ছা) আছে, সেখানে লইয়া যামু রুমানারে !! তোমার মাতাডা ঠিকাছে মিয়া ?? কেউ এই রকোম প্রস্তাব দিবার পারে ?? আমরা যামু- হেলভেসিয়া বা কেএফসিতে...
টেকা-পয়সা নিয়া তুমি ভাইবো না... @প্রত্যু
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: বিয়া করবো প্রতু কিন্তু বিল দিবেন আপনি বিষয়কি? টাকাডা উঠাইবেন কোন পথ্য?

১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: পথ্য-পথে

১২. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: বড় ভাই হিসাবে মেসবাহ ভাই তার দায়িত্ব পালনে কখনো পিছ পা হয় না..
১৩. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: সাবাস ! বাঘের বাচ্চা বিলাই !!!!! @প্রত্যু
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: রক্ষক=ভক্ষক।
আপনার নাম কইরা সে নিজেই রুমানারে লইয়া ঘুরতে যাইতে চায় কি না বুঝতে পারতাছি না

১৪. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৩
কেএসআমীন বলেছেন: প্রত্যু ভাইয়ের বিয়াতে আমিও বরযাত্রী যামু...
১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: প্রতুর বিয়ার পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আমিও আপনার সাথে আছি

১৫. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
(অ)গাণিতিক বলেছেন: হা হা হা!! জোস লিখেছেন!! :)
এই অনুষ্টনের সাফল্য কামনা করি!
১৬. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: বস, একটা মন্তব্য ডাবল হইছে- মুইছা দিয়েন @ মাসুম
১৭. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
কৌশিক বলেছেন: আমার ফুলের মত চরিত্র নিয়ে এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই।
১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: কি ফুল?

১৮. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
ডেলফ বলেছেন: খবরটা শুনে ভাল্লাগলো
২০. ১০ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: @ আমিন ভাই আমার ও বরযাত্রি হওন লাগে কিনা বুঝতার্ছিনা... :(
যেইখানে কৌশিকদা আছে... মাসুম ভাই আছে... :(
১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনারে বিবাহ দেওনের স্বার্থে সব ধরণের সাহায্য করতে আমরা খারা, মানে রাজী আর কি

২১. ১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: তোমার ২ মন্তব্যের জন্য তোমারে "সত্যবাদী' পদক দিলাম, প্রত্যু

মাসুম বস, কৌশিকের চরিত্র...?? ধুতরা ফুলের মতো... সে কী আর বলতে...
১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: আপনারটা ল্যাবে টেস্ট করান আগে মিয়া............

২২. ১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
মাহবুব সুমন বলেছেন: প্রত্যুস বিয়ার আলাক শুনে আমার ভালো লাগছে ;)
২৩. ১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
কৌশিক বলেছেন: একটা মজার ঘটনা শেয়ার করি।

যে ছেলেটা ইয়েসকার্ড নিয়ে প্রথমআলোর নিউজের ছবিতে এসেছে, ঐ রিকশাচালকের সাথে একটু আগে অন্যআননের দেখা হয়েছে পত্রিকা স্টান্ডে। বেশ কয়েককপি প্রথম আলো কিনে সে যখন আননকে দেখলো তখন তার উল্লাস আর দেখে কে! সালাম, কোলাকোলি করে সে মোটামুটি অস্থির করে ফেলেছে বেচারাকে। আনন বললো, ছেলেটার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন বোধহয় এটাই ছিল। সে উদগ্রীব হয়ে আছে দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য। ইটস রিয়েলী ডিফারেন্ট সামথিং!

কিন্তু সে যাইহোক চরিত্র বিষয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে মেজবাহ য়াযাদের! চল্লিশোর্ধ্ব এই বুইড়া এখনও টিএজার গার্লফ্রেন্ড নিয়া ঘুইরা বেড়ায়! ছিছিছি!
১০ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: এই ছেলেটাই গোলাপ মিয়া, যে ফোন নম্বর মুখস্ত করার জন্য মিরপুর থেকে খামার বাড়ি পর্যন্ত রিক্সার পেছন পেছন গেছে। .........এটাও তো পত্রিকারও স্বার্থকতা।


চরিত্র টেস্ট এখন কে করবে?

২৪. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৬
পরীর রানী বলেছেন: প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের সম্পরকে বাজে কথা বলবেন না মাসুব সাহেব। ও ভালো ছেলে
২৫. ১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: কিছুই কইলাম না। নীরবে

দারুন সময় কাটাইলেন আপনারা
১০ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: নেক্সট অডিশনে আইসেন

২৭. ১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
কৌশিক বলেছেন: আজকের আপডেট।

* আমাদের সময়ে নিউজ কভারেজ হয়েছে।
* ফেসবুকে তিনচাকা নামে একটা গ্রুপ ওপেন করেছি।
* মুন্নীসাহা তার রিপোর্টটা ইউউটিউবে আপলোড করে ফেসবুকে দিয়ে দিয়েছে।
* এটিএন পুরো অনুষ্ঠানটা প্রচার করবে বলে জানিয়েছে।
* স্পন্সর কোম্পানী এক পায়ে দাড়িয়ে গেছে, তবে তাদের প‌্যাচওয়ার্কের জন্য আরো সময় লাগবে।
* আরেকটা স্পন্সর কোম্পানী লাইনে দাড়িয়ে আছে। প্রথমোক্ত কোম্পানী মিস করলে দ্বিতীয়জন লুফে নেবে।
* পার্লারের চিটাগং পার্ট দেখার জন্য আরেকদিন প্রোগ্রাম করা যায়।
২৮. ১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: * খুবই ভাল খবর। সবই আপনার উৎসাহের ফল।
*ফেসবুক ফেসবুক চলতাছে মনে হয়?
*স্পন্সর কারা?
*মূল উদ্যোক্তা শিশির আবার স্পন্সরদের চাপে হারিয়ে যাবে নাতো?
*আবার পার্লার কেন? আপনার য বিতৃঞ্চা শেষ?
২৯. ১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৪
কৌশিক বলেছেন: ফেসবুবস চলতেছে না এখনও। তবে স্পন্সর ১. ম্যাজিক টুথ পাউডার (প্রোগ্রাম কস্টিং ও আউটলাইন চলছে), ২. (নাম বলা যাচ্ছে না একটা বড় কোম্পানী)। রিকশাচালকদের কমিউনিকেট করা শিশিরকে ছাড়া সম্ভব না, বোঝা যাচ্ছে। ইটস রিয়েলী এ বিগ ডিল।

য বিতৃষ্ণা শেষ নয় তবে সবকিছু দীর্ঘমেয়াদী হলে তো অসুস্থ্য হয়ে পড়বো। আপনার আগ্রহ থাকলে কুমিল্লা পার্টও দেখা যায়।
৩০. ১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: চিটাগং পার্ট এই দেশে প্রায়শই বিভ্রান্তিকর, দেখা যায় কুমিল্লা পার্ট খুবই জঘন্য। তাই আমি আগে কুমিল্লা পার্টে আগ্রহী...........এরপর তো আর মিরপুরে না, মাদারটেকে পার্লার পাইবেন কই?
৩১. ১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
কৌশিক বলেছেন: পার্লারতো ঘরে ঘরে। আর একটা বিস্তির্ন অঞ্চলে থাকবে না! তবে চিটাগং ও কুমিল্লা কেউ কাউকে ছুঁইতে পারে না। যার যা পছন্দ।
৩৩. ১৪ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:২৩
ফরিদুল ইসলাম শাওন বলেছেন: লেখা না মন্তব্য পাল্টা মন্তব্য পড়ে মজা পেলাম
৩৪. ২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হা হা হা হা.......
তবে, চাঁটগার নামে অপপ্রচারের পরতিবাদ করতেছি।:)
২০ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: অপপ্রচার কই পাইলেন? এইটা তো শুনছি সত্যি কাহিনী

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ