ডাকাত পড়লো ব্যাংকে। ভল্ট থেকে সব অর্থ তুলে নেওয়ার পর ব্যাংকের ভিতরে থাকা সবাইকে এক লাইনে দাড়াতে বললো ডাকাতরা। ডাকাত সর্দার দবিরকে জিজ্ঞাসা করলো-তুমি কি দেখোছে যে আমরা ডাকাতি করেছি।
কাপঁতে কাপঁতে দবির বললো- জি দেখেছি। সাথে সাথে এক গুলি, লুটিয়ে পড়লো দবির।
পাশে দাঁড়ানো ছবির আর তার বউ জরিনা। ডাকাত সর্দার এবার ছবিরের কাছে জানতে চাইলো-তুমিও কি দেখেছো যে আমরা ডাকাতি করেছি।
এবার ছবির বললো-আমি দেখিনি, তবে আমার বউ দেখেছে।
২.
দারোয়ানের ইন্টারভিউ নিচ্ছে দবিরের বউ সখিনা।
-তোমার কি নাম?
-আবদুল
-শোনো, আমি বেয়াদবি একদম পছন্দ করি না, মুখের উপর কথা বলবে না। যা বলি তাই শুনতে হবে, দোকানে যেতে যখন বলবো তখনই যেতে হবে। আর আমার চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারবে না।
এইবার আবদুল আর পারলো না, বললো-এইগুলো তো বাড়ির সাহেবের কাজ। আমারে কি করতে হবে সেইটা বলেন।
৩.
চোর ধরা পড়েছে। ধরলো আবার দবিরের বউ সখিনা। খালি ধরাই পড়েনি, সখিনা তাকে এমন মার দিয়েছে যে বেচারা চোর হাসপাতালে।
আসলো পুলিশ। পুলিশ সখিনাকে ধন্যবাদ দিয়ে বললো-এই বেটা দাগী চোর। বহুদিন ধরে খুঁজছি। তা আপনি একা একজন মেয়ে মানুষ ধরলেনই বা কিভাবে আর এভাবে মার দিলেনই বা কিভাবে?
সখিনা-আসলে এটা যে চোর আমি বুঝতে পারিনি । অনেক রাত ছিলোতো। আমি ভেবেছিলাম আমার স্বামী বাসায় ফিরেছে।
৪.
বিয়ের ১০ বছর পর বিচ্ছেদের মামলা করলো দবির। আদালতে গড়ালো মামলা। বিচারক জানতে চাইলেন-দবির, আপনি কেন বিচ্ছেদ চাইছেন।
-হুজুর আমার বউ রাগ হলে হাতের কাছে যা আছে তাই ছুড়ে মারে। এই দেখেন গতকাল ফুলদানি ছুড়ে মেরে আমার কপালটা কি করেছে।
বিচারক-কতদিন থেকে এরকম ছুড়ে মারছে?
-হুজুর বিয়ের পর থেকেই।
-তাহলে এতদিন পরে আদালতে এসেছেন কেন?
-হুজুর, আগে তো ছুড়ে মারলে লাগতো না। কিন্তু এখন ছুড়ে মারতে মারতে হাতের টিপ ঠিক হয়ে গেছে। মারলেই গায়ে লাগে ।
৫.
দবির-হ্যারে ছবির, তোর সেক্স লাইফ কেমন?
ছবির-ভালই, শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার।
দবির-আর, শুক্রবার?
ছবির-ও, শুক্রবার? ঐ দিন তো বাড়িতে খাকি, বউরের সাথে রিলাক্স করি।
৬.
এবার আমার কথা বলি। আমি বিয়ে করেছি ৬ বছর। আমরা কখনো ঝগড়া করি না। আমরা প্রথম দিনই সংলাপের মাধ্যমে জাতীয় সনদ বা ঐকমত্য তৈরি করে নিয়েছি। যেমন আমরা ঠিক করে নিয়েছিলাম যে, আমি বড় তাই বড় বড় বিষয়গুলো আমিই মাখা ঘামাবো। সেই হিসেবে ওবামা নির্বাচিত হতে পারবে কীনা, প্যালেস্টাইনে শান্তি ফিরে আসবে কীনা, মার্কিণ অর্থনীতির মন্দা কতদিন থাকবে, হিলারী কি শেষ পর্যন্ত টিকে থাকবে-এসব বড় বড় বিষয়ে আমিই সিদ্ধান্ত নেই। আর কী রান্না হবে, শালীর ছেলের জন্মদিনে কি উপহার কেনা হবে, মেয়ে কোন স্কুলে যাবে, ডিপ ফ্রিজ না ওয়াশিং মেশিন কেনা হবে, শালার বিয়েতে কত দামের গহনা কিনবো-এসব ছোট খাট বিষয়ে আমার বউই সিদ্ধান্ত নেয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

