somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রতু আর জীবিত থাকতে চায় না:: আমরা যা করছি:: আপনারা যা করবেন:D

০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা যখন বিশাল ড্রইংরুমের নরম তুলতুলে সোফায় গা এলিয়ে স্যাটেলাইট চ্যানেলের বাটন চাপছি তখন প্রত্যুপন্নপতিত্ব দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে। ভুলে গেছে গিটার বাজানোর কথাও। হস্তশিল্প নিয়েও ক্লান্ত।
যখন আমরা এসিটা কুল করে পাতলা একটা কাঁথা গায়ে দিয়ে গভীর নিদ্রায় শায়িত... সকালে বউয়ের হাতে এক কাপ চা পাওয়ার স্বপ্নে বিভোর প্রতুর চোখে তখনও শর্ষেফুল। কে কাকে কদম ফুল দিলো বা কেই বা নিলো সে কথাও আর ভাবতে পারছে না।
আমরা যখন সুটেড বুটেড হয়ে সুশীতল কক্ষে আয়েশী ভঙ্গিতে বসে গরম কফি মুখে... প্রতু তখনও আধমরা। আমরা যখন হেলভেশিয়া/কেএফসি/পিজা হাটে সুইটহার্টকে নিয়ে চর্ব-চোষ্য-লেহ্য পেতে ব্যস্ত তখনও প্রতু আধমরা। যারা জীবিত কিন্তু আর জীবিত থাকতে চাইছে না তারাই তো আধমরা। যেমন আমাদের প্রতু।

প্রতুর এখন আর গিটার বাজাতে ভাল লাগে না। হস্তেশিল্পকে এবার বাজেটে করমুক্ত করা হয়েছে তারপরেও আর উৎসাহ পায় না প্রতু। প্রতু জীবিত থাকতে চায় না। /:)
প্রতু আমাকে বলেছিল, মাসুম ভাই কিছু একটা করেন। সেই কবে খাট কিনেছি, একটা নাটবল্টুও ঢিলা হয়নাই। খালি হাতের রেখাগুলোই মিলিয়ে যাচ্ছে। কিছু একটা করেন মাসুম ভাই।

আচ্ছা বন্ধুরা... প্রতুর স্বপ্নগুলো কি আমরা ফিরিয়ে দেব না? মাত্র কিছু অর্থের জন্য এই ছেলেটা কি আধমরা হয়েই পৃথিবীতে থেকে যাবে? :((

প্রত্যুর বিয়া করার ইচ্ছা হইছে। এই উপলক্ষে কমিটি হইছিল। কমিটি আজ বলতে পারছে যে আমরা সফল। প্রতুর বিবাহ খবি বেশি দূরে না। ৫০ শতাংশ ঠিক। (মানে পাত্র রাজী আর কি) ।


সমস্যা হইলো অর্থ। সোনার দাম শুইনা প্রতুর মাথায় হাত। কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া আছে। আছে শাড়ি ও কসমেটিকস। ছোট খাট একটা হানিমুন না করলে আবার মান সম্মান থাকে না। আইজকাল ইউ এন্ড মিও ২০ টাকা।

২৭ হাজার টাকা সোনার ভরি। কমপক্ষে ৫ ভরি দিলেও ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
৪শ লোক খাওয়াইলে ২ লাখ টাকা। ৬০ হাজার টাকা কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া। শাড়ি ও অন্যান্য খরচ আরও ১ লাখ। গায়ে হলুদ ৫০ হাজার টাকা। গেট ধরা ১০ হাজার। হানিমুন আরও ৩০ হাজার। এর বাইরে আরও লাগবো ১ লাখ টাকা।

এই অবস্থায় এগিয়ে আসতে হবে আমাদের সবার। :)


আমাদের প্রচেষ্টা...
১. বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে বসুন্ধরা সিটি'র সামনের দিকের তিনটে গেটের সামনে প্রতুর ছবি নিয়ে অর্থ সংগ্রহ করা যায়। বিয়ের সকল খরচ হিসেব নিয়ে মানুষের কাছে মানবিক আবেদন করা যেতে পারে।
২. শাহবাগের কিংবদন্তি থেকে একটা নির্দিষ্ট ডিজাইনের টি-শার্ট বের করা যায়। প্রতিটি টি-শার্ট বিক্রি থেকে ১০০ টাকা করে প্রতুর বিবাহ ফান্ডে জমা হবে। শার্টে খালি প্রতুর দুই হাতের ছবি থাকবে। লেখা থাকবে...এই হাতের রেখাকে বাচাতে এগিয়ে আসুন। সকলে অন্তত একটি টি শার্ট কিনুন।
৩. শুক্রবার জুম্মা নামাজের পর মসজিদের সামনেও বসা যেতে পারে। বিবাহ তো আসলে একটি ধর্মীও বিষয়ও বলা চলে।
৪. কর্পোরেট বিজনেস কোম্পানীতে এপ্রোচ চলছে... এসএমসিকে বলা যায় যে তোমরা একবছর ফ্রি ইউ এন্ড মি সাপ্লাই দিবা
৫. নতুন একটা ধারণা নিয়া আগানো যাইতে পারে। যেমন স্কয়াররে বলতে পারি বিবাহ অনুষ্ঠান তোমরা স্পন্সর করো। গ্রামীণরে কইলাম বৌ ভাত স্পন্সর করতে। গায়ে হলুদ স্পন্সর করতো বাংলা লিংক। এমনকি বাসর রাইতও স্পন্সর হইতে পারে। তয় এইডার নীতিমালা লইয়া আলোচনা করতে হইবো। হানিমুন স্পন্সরের ব্যবস্থাও করা যাইতে পারে। এইডার নীতিমালা লইয়া আলোচনা হইতে হবে। B-)

দূরের ব্লগার বন্ধুরা যেটা করতে পারেন ::
ডোনেট করার জন্য হাতে হাতে টাকা দেয়া (ঢাকায় অবস্থানরত কিছুর ব্লগারের কাছে), ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, পে-প্যাল সহ সব ধরনের ব্যবস্থাই করা হয়েছে। এখন শুধু আপনাদের অংশগ্রহণ করার অপেক্ষায়।

১. দেশে যারা থাকেন (বিদেশসহ দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে)
আমার কাছে ছাড়া আর কারো কাছে অর্থ দেওয়া হবে আইনত দন্ডনীয়। X((

২. বিদেশে যারা থাকেন
অনলাইনে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, পেপ্যাল, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার যে কোন উপায়ে আপনারা টাকা দিতে পারবেন।

আমার একাইন্ট নাম্বার পরে দেবো নে।

আবারো রিকোয়েস্ট রইলো সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য। সবাই এই উদ্যোগে দলে দলে যোগ দিন;)


সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০০৮ দুপুর ২:২১
১০৬টি মন্তব্য ২১টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×