আমার প্রিয় পোস্ট

ক্লিনিকে ভর্তি ও নার্সের মুখে বাবা ডাক শোনা

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২১

শেয়ার করুন:                   Facebook

ডেঙ্গু হয়ে ভর্তি হলাম ক্লিনিকে, কমফোর্টে। অবস্থা সঙ্গীন। যাওয়ার সাথে সাথেই ইসিজি, এক্সরে, আলট্রাসনো এবং অসংখ্য বার ব্লাগ টেস্ট।
তারপরে শুরু হলো স্যালাইন এবং একটু একটু পর ন্যাবুলাইজ করা। কারণ ফুসফুসে পানি এসে যাওয়ায় শ্বাস কষ্ট থেকে সাময়িক স্বস্তি।

লেখাটা লিখছি আসলে আমার অসুস্থ্যতার বিবরণ দিতে নয়, বরং ক্লিনিকটার একজন নার্সের কথা লিখতে। নার্সদের সাধারণত সিস্টার বলতেই অভ্যস্থ, তাঁরাও মনে হয় এটাই শুনতে চায়। এবার অভিজ্ঞতা হলো অন্যরকম।

টেস্টগুলো করে আসার পর আসলো একজন নার্স, ২০ বছরের বেশি হবে না। হাতে স্যালাইন ও ওষুধ দেওয়ার জন্য ক্যানোলা লাগাবে। মেয়েটি এসেই কেবল বাবা বাবা বলতে লাগলো। যেমন, বাবা স্যালাইন দিতে হবে, বাবা এই ওষুধটা খেতে হবে।
ক্যানোলায় ইনজেকশন পুশ করার সময় রগে ব্যাথা লাগে, জানতে চায় বাবা ব্যাথা লাগছে কীনা, হ্যা বললে মালিশ করে দেয়।

২০ বছরের একটা মেয়ে বাবা বাবা বলছে, এটা শুনতে অভ্যস্থ না। কেউ আংকেল বললেই রাগ লাগে। সেখানে বাবা শুনতে কেমন যেন লাগে। তবে মেয়েটা এতো সুন্দর করে বাবা বলছিলো যে, শুনতে খুব খারাপও লাগছিলো না।

এক পর্যায়ে আমি মেয়েটির বাবা বাবা শুনতে শুনতে জিজ্ঞাসই করে ফেললাম যে এই ক্লিনিকে বাবা বলা নিয়ম কীনা? আমার মেয়েটি এই প্রশ্ন হয়তো আশা করেনি। একটু থমকে গেল। তারপর পাল্টা প্রশ্ন করলো আমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে কীনা। আমি বললাম, অসুবিধা হচ্ছে না, শুনতে ভালই লাগছে বলেই জানতে চাচ্ছি। তারপর আমার মেয়ে ছোট একটা বক্তৃতা দিল। যেমন, বাবা মাকে যেভাবে সেবা করে সবাই, নার্সদের উচিৎ সবাইকেই একইভাবে সেবা করা। একারণেই বাবা বলতে তার ভাল লাগে।

এরপর যে কদিন ছিলাম, আমি আর আমার মেয়ে ভালই ছিলাম। আমার মেয়ে আমাকে ভালই সেবা শুশ্রসা করলো। আমারো কেন যেন মেয়েটাকে বেশ ভাল লাগলো। সেবা করেছেও অনেক যত্ন নিয়ে। এই বয়সে এত বড় মেয়ের মুখে বাবা শুনতেই ভালই লাগলো।

১। জীবনে প্রথম হাসপাতে ভর্তি হলাম
২। জীবনে প্রথম স্যালাইন দিলাম
৩। জীবনে প্রথম শ্বাসকষ্ট হলো
৪। জীবনে প্রথম ১০ দিন দাড়ি রাখলাম
৫। জীবনে প্রথম ২০ বছর বয়সের মেয়ের মুখে বাবা ডাক শুনলাম।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এলোমেলো ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ৫২ টি মন্তব্য
  • ৩০৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
comment by: মুহিব বলেছেন: অনেক কিছু প্রথম ঘটাতে অভিনন্দন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: নিলাম। থেংকু।

২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: ভালো লাগল।

হাসপাতালে আগত বেশিরভাগ মানুষই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলে।
আসলে হাসপাতালের ডাক্তার-নার্স দের যতটা খারাপভাবে দেখা হয় বাস্তবে তাদের বেশিরভাগই ভালো।


১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: সবই ভাল, তবে শেষটা ভাল না। বিল তো আছেই, আর ওয়ার্ড বয় ও ক্লিনারদের বখসিসের জন্য যেভাবে সকাল থেকে ঘুর ঘুর করে সেটা চরম বিরক্তিকর।

৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
comment by: মিলটন বলেছেন: হুম মাসুম ভাই,
এখন আপনি কেমন আছেন? ডেঙ্গু খুবই মারাত্বক জিনিস। আমি একবার ভুগেছি এতে।

আপনার জীবনের ৫ টি জিনিস যেগুলো প্রথম পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: এটা আমার সেকেন্ড টাইম। তাই জীবন প্রায় শেষ করে দিয়েছিল। এখনও দুর্বলতা যায়নি, নানা ধরণের সমস্যা রয়ে গেছে। সময় লাগবে আরকি।

৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
comment by: সর্বদাবেলায়েত বলেছেন: দ্রুত পরিপূর্ণ শারীরিক সুস্থতা কামনা করছি। ভালো থাকুন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: আমাদের চাকরির যে ধরণ, রেস্ট নেওয়া কম হয়। তারপেরেও চেষ্টা করছি।

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
comment by: পথিক৪১৭ বলেছেন: ভাল কোনও খবর শুনলে মনটাই ভাল হয়ে যায়। আমাদের ভাল খবরের বড্ড আকাল। এই আকালের মাঝে একজন নার্সের এমন ডেডিকেশান সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। লেখাটা পড়তে পড়তে মনে পড়ে গেল মাদার টেরেজা'র কথা। কে বলে আমাদের উন্নতি হবেনা। একদিন নিশ্চয়ই হবে, এই দেশে এখনও অনেক ভাল মানুষ আছে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন: এই দেশে অবশ্যই অনেক ভাল মানুষ আছে।

৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
comment by: নার্ভাস নাইনটিজ বলেছেন: সৌভাগ্য এই যে, এ যাবত কখনোই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি, স্যালাইন তো নয়ই, এমনকি শ্বাসকষ্টও হয়নি। সর্বোচ্চ চার-পাঁচদিন দাড়ি কখনো-সখনো রেখেছি বটে, তবে ২০ বছর বয়সের মেয়ের মুখে বাবা ডাক শোনার সেই দুঃসময় আল্লাহপাকের রহমতে আসেনি।

তবে হ্যাঁ, হাজারো তিক্ত অভিজ্ঞতার বিপরীতে এ লেখা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। এমনই তো হওয়া উচিত।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: স্যালাইন বিষয়টা আমার খুব পছন্দ হইছে। কষ্ট করে খেতে হয় না, ক্ষুধা পায় না, শরীরটাও অনেক ঝরঝরা লাগে।

৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
comment by: রিপঅন বলেছেন: এখন কেমন আছেন সেইটা কন ?
আপনার অসুখের খবরটা মিস করছি ।
আশাকরি তাড়াতাড়ি সুস্হ হয়ে উঠবেন ।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: আমি এখন সুস্থ্য। ১৯ দিন পর পরশু থেকে অফিস শুরু করেছি। তবে দুর্বলতাসহ আরও কিছু সমস্যা আছে, যেতে সময় লাগবে।

৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
comment by: বেরসিক বলেছেন: মজাক পাইলাম। নার্স মেয়েটি সম্ভভত: ... থেকে বাচার জন্য এই কৌশল বেছে নিয়েছে
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: হাহাহহাহাহাহ। এটা কিন্তু আমারও মনে হয়েছিল।

৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: অনেককিছুই তো দেখি জীবনে প্রথম করে ফেললেন ... এখন তাড়াতাড়ি সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরুন ...
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: বাড়ি ফিরেছি। সুস্থ্য, তবে দুর্বলতা কাটতে সময় লাগবে।

১০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
comment by: অনিন্দিতা ০১ বলেছেন: মজা পেলাম
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: হুমম

১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২
comment by: সরপ বলেছেন: ঐ হাসপাতালে এর আগে কালপু ভর্তি হইয়েছিল। নার্স মেয়েটি সম্ভভত: ... থেকে বাচার জন্য এই কৌশল বেছে নিয়েছে
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহহাহাহহাহহা

১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: তাড়াতাড়ি সুস্থ্যতা কামনা করছি।
এখন কি বাসায় না ক্লিনিকে??
ভালো থাকুন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: বাসায় ফিরে অফিসও শুরু করেছি।

১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০১
comment by: হুদাই বলেছেন: যার চিন্তায় নার্স এর মহান পেশাকে এগিয়ে নেয়া সেই নার্সকে ধন্যবাদ।

নার্সকে প্লাস।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: না এর পর কিন্তু র্স। ভুল দেখেন নাই তো।
ভুল না দেখলে নার্সকে প্লাস।

১৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
comment by: চোরকাঁটা বলেছেন: হুদাই বলেছেন নার্সকে প্লাস।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: আমার মেয়ে নার্সকে প্লাস

১৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
comment by: হুমায়ুন বলেছেন: নার্সের বাবা ডাক প্রথম শুনলাম এর আগে শুনেনি।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: আমিও না

১৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২০
comment by: নোক্সেনডার বলেছেন: একসাথে পাঁচ পাঁচটি বিশাল অভিজ্ঞতা :)
নার্সকে প্লাস
১৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
comment by: েজবীন বলেছেন: দ্রুত সুস্হ হয়ে উঠুন...........ভালো থাকেন..:)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। চেষ্টা করছি।

১৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
comment by: চন্দ্র্রালোক বলেছেন: কোন এক যুবক রুগী হয়তো ব্যাথায় মা মা করে ডেকেছে, সেই থেকে নার্স (খালামনির!) বাবা ডাকটি পছন্দ হয়ে গেছে। যুক্তিটা বুঝা গেল??
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: বোঝার চেষ্টা করছি।

১৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আল্লাহকে ধন্যবাদ আপনাকে সুস্থ্য করে দেবার জন্য।

হাসপাতাল সম্পর্কে সবসময়ই একটা ভীতি কাজ করে, সেই সাথে সেখানকার সেবক-সেবিকাদের সেইরকম আচরন।
সবাই যদি সেই নার্সের মতো হতো তা হলে কি ভালোই না লাগতো।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: ভাইরে, বড়ই কষ্ট হইছে। এতো কষ্ট জীবনেও পাইনি।
নার্স যিনি ছিলেন, আসলেই যত্ন করেছেন।

২০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৬
comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অবস্থা দেখে মনে হইতেছে অসুখটা তেমন কিছু না, বাবা ডাকটাই আসল। অসুখ কেটে গেলে খালি সুখস্মৃতি থাকে।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: অসুখটাই অনেক কিছু। কিন্তু সুস্থ্য হওয়ার পর অসুখ নিয়া লিখতে কী আর ভাল লাগে। ব্লগেরও কারো ভাল লাগবে না। আসলেই অসুখ কেটে গেলে খালি সুখস্মৃতি থাকে। যেমন ধরেন বউয়ের সেবা।

২১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৭
comment by: রাঙা ঠোঁট বলেছেন: হাসপাতাল খুব ডরাই।
ভালো লাগলো ঘটনাটা...
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আমিও ডরাই।

২২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২১
comment by: গাজী মো: সাইফুল ইসলাম বলেছেন: আপনার দ্রুত সুস্হতা কাম্য ।
২৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৭
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন:
বাবা থেকে শালা- ডাক্তারের বিবর্তণ

একজন তীব্র পেটের ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এস্ই ডাক্তারকে বলছে "বাবা" আমাকে বাঁচান।
তা ডাক্তার তাকে দেখে টেখে বল্ল অপারেশন লাগবে। কাল করবো। রোগি বল্ল- আচ্ছা "বাবা"

পরদিন অপারেশন হবে। এরমধ্যে রোগির ব্যথা কিছুটা কমেছে। সে বল্ল " স্যার" ভাল হবো তো? ডাক্তার বল্ল নিশ্চয়ই।

অপারেশন হলো। সবঠিকঠাক। রোগি বল্ল "ভাই" ছাড়বেন কবে।
ডাক্তার বল্ল - এইতো দুদিন পর।
দুদিন পর রোগি পুরো সুস্থ হয়ে বাসায় গেল। যাবার সময় বল্ল "শালা" ডাক্তার - পেটও কাটল আবার টাকাও নিল।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: হাহাহহা। মজা পাইলাম

২৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: ভালো লাগলো...আমাদের দেশে নানা কারনে এদের সেবার দিকটি চোখে পড়েনা
২৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫০
comment by: কণা বলেছেন: মজার ব্যাপার তো! :)


আহমেদ হেলাল ছোটনের গল্পটা শুনে হাসতে হাসতে পড়ে গেলাম... উপস! :-*


:P
২৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: কণাকে বলছি-
বেশি জোরে পড়ে যায়েন না - শেষে আবার ঐ শালার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।
২৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
comment by: হমপগ্র বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার অনুভূতিগুলো!

ভালো থাকবেন!
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:০৪

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করছি ভাল থাকতে।

২৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: ব্যাপক অভিজ্ঞতা।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: ব্যাপক

২৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১১
comment by: মেঘলা মানুষ বলেছেন: রোগ বালাই থেকে মুক্ত সুন্দর জীবনের জন্য দোয়া করছি।

 



 


লেখালেখি ছাড়া জীবনে আর কিছু শিখি নাই। আর শিখেছি গান শুনতে, ছবি দেখতে আর বই পড়তে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৮৯১