আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

সেরা ১০ চলচ্চিত্র: পরিচালকদের পছন্দ

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

শেয়ারঃ
0 0 0

সিনেমা পরিচালক আর সমালোচকদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক তেমন দেখা যায় না। সমালোচকরা অনেক নির্দয় হন। পরিচালকরা এতোটা নির্দয়তা পছন্দ করেন না। এখন যাদ বলা হয়, বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্র কোন ১০টি তাতে এই দল যে এক মত হবেন না তা বলাই যায়।

ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউট সর্বকালের সেরা ১০ ছবির তালিকা তৈরি করে আসছে ১৯৫২ সাল থেকে। প্রতি ১০ বছর পর পর তালিকা হালনাগাদ করা হয়। আরো অনেকেই সর্বকালের সেরা ছবির তালিকা তৈরি করলেও ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউটের মাসিক প্রকাশনা সাইট অ্যান্ড সাউন্ড যে তালিকা তৈরি করে সেটিকেই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করা হয়।

মূলত দুটি তালিকা তৈরি করে তারা। একটি সমালোচকদের দৃষ্টিতে সেরা ১০, আরেকটি পরিচালকদের দৃষ্টিতে সেরা ১০। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা চলচ্চিত্র সমালোচক ও পরিচালকদের কাছ থেকে মতামত নিয়ে তৈরি হয় সেরা ১০ ছবির তালিকা। সবাই মানেন যে এই তালিকা সব ধরণের বিতর্কের বাইরে, সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।

পরিচালকদের দৃষ্টিতে সেরা ১০ ছবি

১। সিটিজেন কেইন:

১৯৫২ থেকে যতবার তালিকা হয়েছে প্রতিবারই সেরা ছবির তালিকায় শীর্ষে থেকেছে সিটিজেন কেইন। এমনকি সমালোচক এবং পরিচালকরা এই একটি ছবির ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ একমত, অর্থাৎ সর্বকালের সেরা ছবি সিটিজেন কেইন। ১৯৪১ সালে মুক্তি পেয়েছিল অরসন ওয়েলস এর এই ছবি।
প্রথম দৃশ্যেই দেখা যাবে মিডিয়া জগতের দিকপাল চার্লস ফসটার কেইনের মৃত্যুদৃশ্য। মারা যাওয়ার ঠিক আগে তাঁর উচ্চারিত শেষ কথা ছিল ‘রোজবাড’। সাংবাদিক থমসনকে দায়িত্ব দেওয়া হয় তিনি কেন এই কথা বলেছিলেন, কি তার অর্থ। এর পর থমসন কথা বলতে থাকেন ফসটার কেইনের পরিচিতদের সঙ্গে। আর এভাবেই উম্মোচিত হতে থাকে ফসটার কেইনের রহস্যঘেরা জীবনের নানা অধ্যায়।
একটা গল্প চলচ্চিত্রের ভাষায় কিভাবে প্রকাশ করা হবে তার সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ সিটিজেন কেইন। ১৯৪১ সালের তৈরি ছবিটিকে আজও কারিগরি দিক থেকেও সেরা ছবি বলা হয়। পরিচালক অরসন ওয়েলস-এর প্রথম ছবি ছিল এটি এবং তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২৬। ছবির মূল চরিত্রও ওয়েলস-এর করা। তার অভিনয়কেও বলা হয় ‘মেথড অ্যাক্টিং’-এর শুরুর দিকের বড় উদাহরণ।
সিটিজেন কেইন ব্যবসা সফল ছবি ছিল না। এই ছবি করতে গিয়ে পরিচালক আর্থিক কষ্টে পড়েগিয়েছিলেন। এরপরেও ওয়েলস আরো ছবি তৈরি করলেও সবগুলোই করেছেন নিজের মতো করে। এমনকি এই ছবি অস্কারেও তেমন সুবিধা করতে পারেনি। মৌলিক চিত্রনাট্য শাখায় একটি পুরস্কার জুটেছিল। পরে অবশ্য জীবিত অবস্থাতেই তিনি দেখে গিয়েছিলেন যে, তার ছবি কিভাবে বিশ্বের সেরা চলচ্চিত্রের মর্যাদা পায়।

২। দি গডফাদার (প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব):

মারিও পুজোর উপন্যাস থেকে ছবি করেছিলেন ফ্রান্সিস ফোর্ড কাপালা। ১৯৭২ সালে মুক্তি পায় অপরাধ জগতের মানুষগুলো নিয়ে তৈরি গডফাদার। কার্লিওন পরিবারের কাহিনী। অভিনয়ে ছিলেন মার্লোন ব্রান্ডো, আল পাচিনো ও রবার্ট ডুভাল। এর দ্বিতীয় পর্ব মুক্তি পায় ১৯৭৪ সালে। দ্বিতীয় পর্ব মূলত ভিটো কার্লিওনের মাফিয়া হওয়ার কাহিনী। এই পর্বে ভিটো কার্লিওনের চরিত্রে অভিনয় করেন রবার্ট ডি নিরো। সাধারণত দ্বিতীয় পর্ব বানানো হলেও তা বেশিরভাগ সময়েই ভাল কিছু হয় না। সেদিক থেকে গডফাদার-২ ছিল ব্যক্তিক্রম। সেরা দ্বিতীয় পর্ব বলা হয় এই ছবিকে। বিশেষ করে যারা প্রথম পর্বের মার্লোন ব্যান্ডো এবং দ্বিতীয় পর্বেন রবার্ট ডি নিরোর অভিনয় তুলনা করে দেখবেন তাদের জন্য সেটি হবে দারুণ এক অভিজ্ঞতা।
মজার ব্যাপার হলো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পছন্দ ছিল পরিচালক হিসাবে সার্জিও লিওন এবং অভিনেতা হিসাবে লরেন্স অলিভার। কিন্তু গল্পটি ভাল না লাগায় সার্জিও লিওন পরিচালক হতে রাজি হননি আর লরেন্স অলিভিয়ার স্বাস্থ্যগত কারনে রাজি ছিলেন না। অথচ বিকল্প অভিনেতা ও পরিচালক এই এক ছবির জন্যই কিংবদন্তী হয়ে আছেন।

৩। ৮ ১/২:

ইতালির ছবি, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৬৩ সালে। ফেদেরিক ফেলিনির এই ছবি সমালোচকদের অত্যন্ত প্রিয় একটি ছবি। এক পরিচালকের কাহিনী যিনি আর ছবি করতে পারছেন না। ছবি করতে না পারার বেদনা নিয়ে এই ছবি, যাকে বলা যায় ডিরেক্টর ব্লক।

৪. লরেন্স অব আরাবিয়া:


ডেভিড লিনের এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৬২ সালে। পিটার ও টুলের অবস্মরণীয় অভিনয়ের ছবি। এটিকে এখনো বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ছবি হিসেবে ধরা হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ের ছবি, টি ই লরেন্স-এর জীবন কাহিনী এই ছবি। সাতটি অস্কার পায় ছবিটি।

৫. ড. স্ট্রেঞ্জলাভ:

স্টানলি কুবরিকের এই ছবির পুরো নাম বিশাল। ড. ষ্ট্রেঞ্জলাভ অর: হাউ আই লার্নড টু স্টপ ওরিইং এণ্ড লাভ দ্য বম্ব। যারা পিটার্স সেলার্সকে কমেডি করতে দেখতে অভ্যস্থ তাদের জন্য ভিন্ন মাত্রার একপিট ছবি। এটি আসলে একটি কমেডি ছবি। শীতল যুদ্ধ সময়কার ছবি।

৬। বাইসাইকেল থিপ:

যারা এই ছবিটা এখনো দেখেন নাই, তারা এখনই কোনো ডিভিডি শপে যান, কিনুন তারপর দেখুন। ভিট্টোরিও ডি সিকোর এই ছবি বার বারই দেখা যায়। সাইকেল চোর বাবা আর ছেলের জীবনযুদ্ধের ছবি। এই ছবির ডিটেইলস, অভিনয়-সর্বকালের সেরা ছবিতে পরিণত করেছে। ১৯৪৮ সালের এই ছবি দেখলে মনে হবে এ তো এসময়ের কথা।
৭। রেগিং বুল:

মার্টিন স্করসিজ কেন এই ছবি থেকে সেরা পরিচালকের অস্কার পাননি সেই আলোচনা আজও চলে। ১৯৮০ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবি মূল চরিত্রে রবার্ট ডি নিরো, স্করসিজের সবচেয়ে পছন্দের অভিনেতা। জ্যাক লা মোটা নামের একজন বক্সারের জীবন নিয়ে ছবি।

৮। ভার্টিগো:

১৯৫৮ সালে মুক্তি পায়। সত্যজিতের যেমন সৌমিত্র তেমনি হিচককের জেমস স্টুয়ার্ট। স্টুয়ার্টের অভিনয় জীবনের সেরা অভিনয় এই ছবিতেই। ছবিতে আরো আছেন কিম নোভাক। রহস্য, প্রেম, আকাঙ্খা আর ঈর্ষার ছবির ভার্টিগো।
স্টুয়ার্ট এখানে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা, প্রেমে পড়ে এক রহস্যময়ীর। ছবিটি প্রথমে সমালোচক বা দর্শকদের আনুকূল্য পায়নি। কিন্তু এখন এটিকে ধরা হয় সর্বকালের সেরা ছবির একটি হিসাবে। ১৯৮৩ সালে ছবিটিকে পুনরায় মুক্তি দেওয়া হলে সারা বিশ্বে হৈ চৈ পড়ে গিয়েছিল।

৯। রশোমান:



আকিরা কুরোশয়ার এই ছবি ১৯৫০ সালের। বলা হয় এই ছবির মাধ্যমেই জাপানের ছবি প্রথম পশ্চিমা দর্শকদের মধ্যে পরিচয় হয়। এটিকে আজও সর্বকালের অন্যতম সেরা ছবি বলা হয়। ধর্ষন ও খুনের ঘটনার ছবি।

১০। দ্য রুলস অব দ্য গেম:

ছবিটির ফ্রেঞ্চ নাম ‘লা রেগলে দু জিউ’। জঁ রেনোয়াঁরের এই ছবি মুক্তি পায় ১৯৩৯ সালে। ট্রাজেডির সঙ্গে কমেডির মিশ্রন রেনোয়ারের ছবির বড় বৈশিষ্ট্য আর এই ছবিটি তার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে সমাজের উচ্চ শ্রেনীর চালচলন নিয়ে বিদ্রুপাত্মক ছবি দ্য রুলস অব দ্য গেম। কমেডি ছবির মূল সুর হলেও শেষটা ট্রাজেডি। ফ্রান্সের অভিজাত শ্রেনী বলাই বাহুল্য এই ছবি পছন্দ করেনি। ফলে সরকার ছবিটি নিষিদ্ধ করে। বিশ্বযুদ্ধের পরে অবশ্য ছবিটি অবার আলোর মুখ দেখে এবং ছবিটি এর পর থেকেই সর্বকালের অন্যতম সেরা ছবির মর্যাদা পায়।

নাম্বার সমান হওয়ায় আরো একটি ছবি আছে সেরা তালিকায়, সেটি হচ্ছে সেভেন সামুরাই। এটিও আকিরা কুরোশয়ার ছবি। আরেকটি মাস্টারপিস।

সব গুলো ছবিই ঢাকায় পাওয়া যায়।


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): চলচ্চিত্র ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার প্রিয় মুভি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
নুশেরা বলেছেন: সমালোচকের দৃষ্টিতে সেরা দশের অপেক্ষায়...
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: Click This Link
এই খানে পাবেন সমালোচকদের সেরা ১০

৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
নুশেরা বলেছেন: ২য় + কিন্তু আমি দিছি, ভেংচুক না :)
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: মানলাম

৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
অপ্‌সরা বলেছেন: সবগুলো ছবি দেখতে তো কমপক্ষে ২ সপ্তাহ লাগবে।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০

লেখক বলেছেন: আস্তে আস্তেই দেখেন। একসঙ্গে সব হজম করা যাবে না।

৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৪
ড্রাকুলা বলেছেন: আমার জানা মতে Casablanca ছিল ৩ অথবা ৪ নম্বরে।
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: কাসাব্লান্কা আমার খুব পছন্দের একটা ছবি। তবে সেরা ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিউট যে তালিকা করে আসছে ১৯৫২ সাল থেকে সেই তালিকায় এই ছবির নাম নেই।

৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: "রশোমন" অসাধারণ।

সিটিজেন কেইন আর রুলস অফ দ্যা গেইম(লে রেগলে দ্যা লা জু) শুধুই সমালোচকদের ছবি।একেবারেই আবেগহীনসিনেমা ;কেন যেন মন টানেনা। শুধুই উইট নির্ভর সিনেমা সমালোচকদের দৃষ্টি কাড়ে, দর্শকদের টানেনা।

গড ফাদার প্রথম পর্ব চলে।২য় এবং সেই সাথে ৩য় পার্ট ভুয়া।

ফেলিনির ৮১/২ বুঝতে হলে আগে ফিল্ম স্টাডী নিয়ে মাস্টার্স নিদেনপক্ষে ডিপ্লোমা করতে হবে।এই সিনেমা দেখার পর হাজার চেষ্টা করেও আমার এক বন্ধুকে ফেলিনির আর কোন সিনেমা দেখাতে পারিনি।

লরেন্স অফ অ্যারাবিয়া এবং লায়ন অফ দ্যা ডেজার্ট দুটোই আরবদের স্বাধীনতা আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে সিনেমা।লায়ন অফ ডেজার্ট কখনোই লাইম-লাইটে আসেনা কারণ সেইটা এন্টি কলোনিয়াল(এন্টি ইউরোপিয়ান) সিনেমা।আর লরেন্স অফ অ্যারাবিয়ায় ব্রিটিশরা স্বাধীনতাকামি পক্ষের শক্তি।তাই সেটা সেরা দশে!

বাইসাইকেল থিফ ল্যান্ডমার্ক মুভি।

ভারটিগো হিচককের সেরা থ্রিলার।ভালো।কিন্তু থ্রিলার সেরা দশে কেমনে আসে? মাথায় আসেনা।

বাকি দুটো দেখিনি।

২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত ভাল বিশ্লেষণ। প্রায় একমত। গডফাদার ৩ ভুয়া, ২ কিন্তু আমার ভাল লেগেছে। বিশেষ করে রবার্ট ডি নিরো অসাধারণ।

১১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৬
জুয়েল হাসান বলেছেন: মাসুম ভাই। চমৎকার পোস্টিং।
১২. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১০
জেরী বলেছেন: * "দি গডফাদার" আগে গল্প বইটা পড়েছি বলে ছবিটা দেখতে ভালো লেগেছে........ছোট ছেলে কে গডফাদার হওয়ার আগে ,পরে ২ অবস্থাতেই যথাযথ মনে হয়েছে। তবে গল্প বইয়ে অনেক সূক্ষ ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা ছবিতে পাইনি(নিজস্ব মতামত)।

**"বাইসাইকেল থিপ" ছবিটা যতবার দেখি ততবারই বাবা-ছেলের অনবদ্য অভিব্যক্তির সাথে মিশে যাই।

***"রোমান হলিডে,দি সান-ফ্লাওয়ার,কাসাব্লান্কা(CASABLANCA)" এগুলো ও তো অনেক ভালো ছবি.......পরিচালকদের দৃষ্টিতে এছবি গুলো কেন সেরা বিবেচিত হয় নাই????????????
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: আসলে ১০টা ছবি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন।

১৩. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
েগালাম িকবিরয়া বলেছেন: মাসুম ভাই আছেন কেমন? অফিস কেমন চলছে??
২৪ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: এই তো। জয়েন দিছেন?

১৪. ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৭
হাসান বিপুল বলেছেন: ভালো পোস্ট, তবে ১০ নম্বরটা দেখি নাই।

@ড্রাকুলা : আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউটের তালিকায় ক্যাসাব্লাঙ্কা আছে।
১৫. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: কাসাব্লান্কা পরিচালকদের পছন্দ হয় না :(
১৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:৫৩
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেছেন: ছবিগুলোর লিংক পেলে ভালহত...
১৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৪২
কাঊসার রুশো বলেছেন: ৫ আর ১০ বাদে সব দেখা।
সুন্দর পোস্ট +++

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৬৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ