বক্স অফিস হিট
১.দি ডার্ক নাইট: আয় করেছে ৫৩০,৭৫০,২২৮ ডলার। ব্যাটম্যান সিরিজের সর্বশেষ ছবি। বছরের অন্যতম ভাল ছবি হিসেবে সমালোচকদের তালিকায় আছে এটি। আরেকটি তথ্য হচ্ছে ডার্ক নাইট টাইটানিকের পরে সেরা ব্যবসা সফল ছবি।
২.আয়রন ম্যান: ৩১৮,৩১৩,১৯৯ ডলার আয় করেছে। এটিও ডার্ক নাইট ঘরানার ছবি। অ্যাকশনে ভরুপুর।
৩.ইন্ডিয়ানা জোনস অ্যান্ড দি কিংডম অব দি ক্রিস্টাল স্কাল: আয় করেছে ৩১৭,০২৩,৮৫১ ডলার। এন্টারটেইনার হিসেবে ঠিক আছে। তবে প্রত্যাশা বোধহয় পূরণ হয়নি ছবিটা দেখে।
৪. হ্যানকক: ২২৭,৯৪৬,২৭৪ ডলার আয় করেছে উইল স্মিথের এই ছবি। আবারও সুপারহিরো মার্কা ছবি।
৫.ওয়াল-ই: ২২৩,৭৪৯,৮৭২ ডলার আয় করেছে। অ্যানিমেশন মুভি। সমালোচকরদেরও অনেক পছন্দের ছবি।
৬.কুং ফু পান্ডা: ২১৫,৪৩৪,৫৯১ ডলার। আরেকটি অ্যানিমেশন।
৭.মাদাগাস্কার: এস্কেপ টু আফ্রিকা: ১৭২,৩৩২,০০০ ডলার। অ্যানিমেশন, সিক্যুয়াল।
৮.টুয়েলাইট: ১৬৯,৯২৫,১৬৯ ডলার। থ্রিলা, রোমান্টিক, টিন মুভি। বছরের শেষ দিকে মুক্তি পায়।
৯.কোয়ান্টাম অব সালোস: ১৬৪,৩০২,৬৫৯ ডলার। জেমস বন্ড সিরিজের সর্বশেষ ছবি। খুব বেশি ভাল লাগে নাই।
১০.হরটোন হিয়ারস এ হু: আবারো অ্যানিমেশন। পাবলিক এতো কার্টুন ছবি দেখে?
ভাল ছবি, সেরা দশ
এই তালিকা সমালোচকদের করা। এখানে ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া সব ধরণের, সব ভাষার ছবি স্থান পেয়েছে। মেটাক্রিটিক কম গত বছরে মুক্তি পাওয়া সব ছবির সমালোচনা ও সমালোচকদের দেওয়া স্কোর হিসেব করে সেরা দশের তালিকা দিয়েছে।
১.ফোর মান্থ, ত্রি উইক অ্যান্ড টু ডেজ: রুমানিয়ার ছবি। কমিউনিজমের শেষ সময়ের ঘটনা। দুই বান্ধবীর গল্প। এক বান্ধবী গর্ভপাত ঘটাতে চায়। সেটি নিয়েই ঘটনা। সমালোচকরা উচ্ছসিত এই ছবিটা নিয়ে।
২.দি ক্লাস: ফ্রেঞ্চ মুভি। এক ফরাসী স্কুল শিকের ছবি। এরই মধ্যে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছে ছবিটি।
৩.ওয়াল-ই: অ্যানিমেশন। এটিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা অ্যানিমেশন মুভি বলা হচ্ছে।
৪.ম্যান অন ফায়ার: একটা ডকুমেন্টারি। ফিলিপ পেটিট ১৯৭৪ সালে টুইন টাওয়ারের ঝুলানো তারের উপর উঠেছিলেন। মূলত সেটি নিয়েই এই ছবি।
৫.ওয়াৎজ উইথ বাশির: ইসরাইল, জার্মানি, ফ্রান্স ও আমেরিকা-সবারই সংশ্লিষ্টতা আছে এই ছবির সঙ্গে। লেবানন যুদ্ধের সময়কার ঘটনা নিয়ে ছবি। ছবিটা নিয়ে লেখালেখি পড়ে দেখতে ইচ্ছা করছে।
৬.স্লামডগ মিলিওনার: ইংরেজি ছবি। কিন্তু ঘটনা ভারত নিয়ে। মুম্বাইয়ের এক বস্তির ছেলের কাহিনী। মাত্রই দেখেছি। অসাধারণ। এটি নিয়ে আলাদা করে লেখার ইচ্ছা আছে। ঢাকায় ভাল প্রিন্ট পাওয়া যাচ্ছে। এর পরিচালক ড্যানি বয়েল।
৭.দি ফাইট অব দি রেড বেলুন: আরেকটি ফ্রেঞ্চ মুভি। একটি ছেলে ও তার মায়ের গল্প।
৮.দি এজ অব হ্যাভেন: জার্মানি ও তুরস্কের ছবি। তুরস্কের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ছবি। কাহিনী পড়ে দেখার ইচ্ছা হচ্ছে।
৯.আলেকজান্দ্রা: রাশিয়ার ছবি। আলেকজান্ডার সুখরবের ছবি। একটি যুদ্ধবিরোধী ছবি।
১০.দি ক্রিস্টমাস টেল: আবারো ফ্রেঞ্চ ছবি। ক্যাথরিন দানিয়ুব আছে। পারিবারিক সংকট ও দ্বন্দ্বের ছবি।
রেডিফ ডট কম প্রতিবছর সেরা ছবির তালিকা প্রকাশ করে। তারা এবার ভারতীয় ছবির বাইরে সেরা ছবির তালিকাও দিয়েছে। তালিকাটি দেখি-
১.স্লামডগ মিলিওনার: এর আর রহমান এই ছবির সুরকার। সব মিলিয়ে ভাল একটা ছবি।
২. দি ডার্ক নাইট: হিথ লেজার এই ছবির বড় আকর্ষণ
৩.ওয়াল-ই: সেরা অ্যানিমেশন। ফাইন্ডিং নিমো একই পরিচালকের ছবি।
৪.মিল্ক: হার্ভে মিল্কের কাহিনী। গে আন্দোলনের ছবি। আন্দোলনের সময় আততায়ীর গুলিতে খুন হয়েছিল মিল্ক।
৫.ফ্রস্ট/নিক্সন: ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির পর মতা নেই নিক্সন। তার সাক্ষাৎকার নিতে চায় সবাই। কিন্তু কথা বলেননি তিনি। ৩ বছর পর সাক্ষাৎকার দিতে তিনি বেছে নেন সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট কে। এটা নিয়েই ছবি। অবশ্যই দেখতে হবে।
৬.দি ভিজিটর: ৬২ বছরের এক বৃদ্ধের ছবি। শেষ বয়সে পিয়ানো শেখার সখ হয়। পরিচয় হয় এক দম্পতির সাথে। নিয়ে আসেন বাসায়। এরপরই ঘটতে থাকে ঘটনা।
৭.দি সিক্রেট অব গ্রেইন: ফ্রেঞ্চ মুভি। এক শিপইয়ার্ড শ্রমিকের কাহিনী। যার ইচ্ছা একটা রেস্তোরা খোলা।
৮.গোমোরাহ: ইতালির ছবি। ৬টি আলাদা আলাদা কাহিনী। বিষয় অপরাধ জগত।
৯.লিটল জিজুউ: ভারত নিয়ে আরেকটি ছবি। বিষয় পার্সি পরিবারের দ্বন্দ্ব ও সংঘাত।
১০.ভিকি ক্রিস্টিনা বার্সিলোনা: উডি এলেনের ছবি। বলা হচ্ছে তার সেরা ছবির একটি হতে যাচ্ছে ছবিটি। স্কারলেট জোহানসন ও পেনোলোপ ক্রজ আছে। আরও আছে নো কান্ট্রি ফর ওল্ড ম্যান খ্যাত জেভিয়ের বার্ডেম।
এইবার আসি ভারতের দিকে। ২০০৮ সালে প্রচুর ছবি মুক্তি পেয়েছে। অনেকগুলোই বক্স অফিস সাফল্য পেয়েছে। আবার ভাল ছবি হিসেবেও অনেকগুলো খ্যাতি পেয়েছে।
বক্স অফিস হিট: সেরা ১০
১.গজনি: আমির খানের ছবি। এখনো চলছে। প্রথম সপ্তাহে বক্স অফিস সাফল্য নতুন রেকর্ড করেছে।
২.সিং ইজ কিং: অয় ও কাটরিনার ফর্মুলা ছবি। একটা গান শুনে ভাল লাগলো। দেখা হয় নাই ছবিটা।
৩.দোস্তানা: জন আব্রাহাম, অভিষেক ও প্রিয়াঙ্কা। প্রেম, রোসান্স এই সব নিয়ে। দেখি নাই।
৪.গোলমাল রিটার্ণস: সিক্যুয়েল। অজয় দেবগান ও কারিনা। কমেডি। দেখি নাই।
৫.রব নে বা দে জোরি: শাহরুখ খানের ছবি। আদিত্য চোপরা পরিচালক। তেমন নাকি ভাল হয় নাই।
৬.জোধা আকবর: গানগুলা ভাল লাগছে। কাহিনী তেমন কিছু নাই, তারপরেও ভালই লাগে দেখতে।
৭.জানে তু.......না জানে না: আমির খানে ঘরের ছবি। এন্টারটেইনার হিসেবে খুবই ভাল। পাপ্পু ক্যান্ট ডান্স সালা........
৮.জান্নাত: এমরান হাশমি আছে। ক্রিকেট জুয়া নিয়ে ছবি। দেখে বিরক্ত হয়েছে। গানটাই খালি ভাল।
৯.রক অন: এক দারুণ এন্টারটেইনিং ছবি। ফারহান আখতারসহ অন্যরা অসাধারণ।
১০.এ ওয়েডনেসডে: সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বিরক্ত বা পিঠ ঠেকে যাওয়া এক সাধারণ মানুষের প্রতিশোধ নেওয়ার গল্প। অসাধারণ অভিনয় নাসিরউদ্দিন শাহের।
সেরা ভাল ছবি
এটাও রেডিফ ডট কমের নির্বাচন।
১.ওয়ে লাকি! লাকি ওয়ে!: অভয় দেউল আছে। পাওয়া যায় কিনা জানি না। ছবিটি অবশ্য চলেনি।
২.আমির: আবারও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নিয়ে ছবি । মেকিং বেশ ভাল।
৩.জানে তু..........ইয়া জানে তু: দেখতে ভালই লাগে। টাইম পাস মুভি।
৪.মিথ্যা: রনবির শোরে ও নেহা ধুপিয়া আছে। পাওয়া যায়, দেখি নাই।
৫.সিং ইজ কিং: ভাল ছবি? দেখি নাই। কেমনে কই?
৬.তাহান: সন্তোষ শিভানের ছবি। খুব ভাল বলে শুনেছি। এটা দেখার আগ্রহ আছে।
৭.মুম্বাই মেরি জান: সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নিয়ে আরেকটি ছবি। মাধবন ও সোহা আলী খান আছে।
৮.তাসান: চরম ফ্লপ ছবি। সাইফ, অয়, অনিল ও কারিনা। দেখার কোনো আগ্রহ নাই।
৯.ইউ মি অউর তুম: অজয় দেবগানের পরিচালনা, কাজল আছে। অর্ধেক দেখেছিলাম। খুব টানে নাই।
১০.দশবিধানিয়া: ভেজা ফ্রাই খ্যাত বিনয় পাঠকের ছবি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

