আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আইএমএফকে না বলুন

১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০

শেয়ারঃ
0 3 0

১.
২০০৪-০৫ অর্থবছরের বাজেট দেওয়ার সময় পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী ছিলেন শওকত আজিজ। শওকত আজিজ তার বাজেট বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে বাজেটের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলকে (আইএমএফ) ‘গুড বাই’ জানানোর মধ্য দিয়ে বাজেটে অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।’ বক্তৃতায়ই এর কারণ হিসেবে তিনি দারিদ্র বিমোচন প্রবৃদ্ধি সুবিধার (পিআরজিএফ) আওতায় ঋণ কর্মসূচি থেকে তারা বের হয়ে আসতে পারার কথা বলেছিলেন।
২.
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ একদমই পছন্দ করতো না। তাঁদের পছন্দের মানুষ ছিল এম সাইফুর রহমান। মনে আছে, গত জোট সরকারের শুরুতে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে আমীর খসরু মাহমুদকে অর্থমন্ত্রী করার একটা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। একজন সাংবাদিক হিসেবে দেখেছি বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তাদের উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তাযুক্ত কপালের ভাঁজ। তারা চাননি অর্থমন্ত্রীর পদ থেকে সাইফুর রহমান চলে যাক। কারণ সাইফুর রহমান দাতাদের সব কথাই শুনতেন। আর এস এ এম এস কিবরিয়া ৫ বছরে আইএমএফ থেকে একটা ডলারও ঋণ নেননি। এর পরিবর্তে তিনি শেষ দিকে এসে রিজার্ভ বাড়াতে স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও তিনি দাতাদের চাপিয়ে দেওয়া পিআরএসপি মানতে বাধ্য হয়েছিলেন। ভারতের মতো বলতে পারেননি যে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা আছে, এটা মানলে মানো, তা না হলে চলে যাও।
৩.
অনেক খোঁজাখুজি করেও আইএমএফের সাফল্য তেমন কিছু পাওয়া গেল না। সর্বশেষ ব্যর্থতা হচ্ছে বিশ্বমন্দাকে বুঝতে না পারা। বরং তারা বলেছিল, মন্দা হলেও তা হবে নিয়ন্ত্রণসাধ্য। ১৯৯৭-৯৮ সালের পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক সমস্যার সামাধানেও আইএমএফ ছিল চরম ব্যর্থ। আর ব্যর্থতার চরম উদাহরণ হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও কেনিয়া। আইএমএফের নীতি মেনে এই দুটি দেশ চরম বিপদে পড়েছিল। উইকিপিডিয়ায় ঢুকলে খুব ভাল একটা পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে। আর সেটি হচ্ছে সামরিক একনায়কতন্ত্রের প্রতি তাদের পক্ষপাত। সামরিক একনায়কতন্ত্র থাকলেই তাদের ঋণ দেওয়ার পরিমান বেড়ে যায়।
৪.
আইএমএফ সম্বন্ধে জানতে হলে পড়তে পারেন জোসেফ স্টিগলিজের ‘গ্লোবালাইজেশন অ্যান্ড ডিজকন্টেন্ট’ বইটি। তিনি একবার ঢাকায় এসেছিলেন। শুনতে গিয়েছিলাম তার বক্তৃতা। তীব্র সমালোচনা করেছিলেন আইএমএফের কর্মপদ্ধতির।
আমি একটু ব্যাখ্যা দেই। আইএমএফ বাংলাদেশ কার্যালয় হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটা অংশ তারা দখল করে রেখেছে। একজন কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ থাকেন। আর হাতে গোনা কয়েকজন সহাকারী। স্থায়ী কর্মকর্তা বলতে তাদের আর কেউ নেই। অথচ এই কার্যালয় থেকেই ঠিক হয় বাংলাদেশের মুদ্রা নীতি। মুদ্রা সরবরাহ কত হবে, বাজেট ঘাটতি কত শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে, রাজস্ব নীতি কি হবে-মোটামুটি সব কিছুই ঠিক করে দেয় তারা। কিভাবে তারা ঠিক করে? বছরে আইএমএফের একটা মিশন আসে ওয়াশিংটন থেকে বাজেটের আগে। নেতৃত্বে থাকেন মধ্যম পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা। তারা ২ সপ্তাহ ঢাকায় থাকে, বিভিন্ন মন্ত্রী ও সচিবের সাথে বৈঠক করে আর ওয়াশিংটন ফিরে গিয়ে লম্বা একটা রিপোর্ট দেয়। আর সেখানেই বলা থাকে কী করতে হবে, কী করা যাবে না। মাত্র ২ সপ্তাহে ঠিক হয় বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি। আর ঠিক করে দেয় কয়েকজন দ্বিতীয় পর্যায়ের কর্মকর্তা।
৫.
সামিষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলার এখন একচেটিয়া অধিকার আইএমএফের। এটাই দাতাদের মধ্যে বোঝাপড়া। অর্থাৎ সামষ্টিক অর্থনীতির নীতি নিয়ে কথা বলবে একমাত্র আইএমএফ এবং আর বিশ্বব্যাংক, এডিবি সহ সবাই এটা মেনে নেবে। এটা একটা বড় ফাঁদ। এই ফাঁদে পা দিতে হচ্ছে অনেককেই। কেননা, আইএমএফের কথা মেনে না চললে অন্যরা ঋণ সহায়তা দেবে না। ফলে বাধ্য হয়ে অনেককেই আইএমএফের ঋণ নিতে হচ্ছে। অর্থাৎ একটা দেশ ঋণ পাওয়ার যোগ্য কীনা নেই সার্টিফিকেট দেয় আইএমএফ, আর বাকিরা তা মেনে নেয়।
৬.
আবার আসছে আইএমএফের ফাঁদ। এবারের ফাঁদের নাম বিশ্বমন্দা। জি-২০ বৈঠকে আইএমএফের জন্য এক ট্রিলিয়ন ডলারের একটা তহবিল গঠনের কথা বলা হয়েছে, এখান থেকে ঋণ দেওয়া হবে তিগ্রস্ত দেশগুলোকে।
আমাদের মন্ত্রী ও আমলাদেরও চোখে লোভের লালসা ফুটে উঠেছে। মনে হচ্ছে আবারো বাংলাদেশ আইএমএফের খপ্পরে পড়তে যাচ্ছে। আইএমএফের ঋণ মানেই তাদের কথা অনুযায়ী নীতি তৈরি করা। আইএমএফ একবারে সব অর্থ দেওয়া না। একটা কিস্তি দেয়, তারপর দেখে কথা শোনা হচ্ছে কিনা। অর্থমন্ত্রীর আনুগত্যে সস্তুষ্ট হলে দ্বিতীয় কিস্তি। শেষ পিআরজিএফ ঋণ ছিল সাত কিস্তির।
অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ, দয়া করে নিজের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব হারাবেন না। অর্থনৈতিক নীতি আপনিই নিন, আইএমএফকে এ থেকে দূরে রাখুন। ভারত বলেছে, তারা আইএমএফের ঋণ নেবে না। আরও বড় সংকটে থাকা শ্রীলংকাও একই কথা বলেছে। তাহলে আমরা বলতে পারবো না কেন?
প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক নুরুল ইসলামের একটি কথা মনে করিয়ে দেই। ‘আমরা যখন বলি সবকিছু দাতানির্ভর হয়ে গেছে তার মানে এই নয় যে, দাতারা অনেক বেশি ক্ষমতা অর্জন করেছে। বরং আমাদের দেউলিয়াত্বের জন্যই এমনটি ঘটেছে।’

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঋণসাহায্য না। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অর্থনীতি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
অনেকদিন পর আপনার পোষ্ট।
আপাতত: শোকেসে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন: হুম. অনেক দিন পর। একটু ঝামেলায় ছিলাম।

২. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
সেতূ বলেছেন: দেয়ালে পিঠ ঠেকে না গেলে, তাই করা দরকার +++++
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬

লেখক বলেছেন: একমত

৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
সাগর সরোয়ার বলেছেন: পোষ্টটা ষ্টিকি করা হোক ... দারুন লিখেছেন মাসুম ভাই।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: আছেন কেমন সাগর?

৪. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:১৭
মুহিব বলেছেন: ঋন নিয়ে ফেরত দিতে না পারলে আইএমএফের লাভ কি?
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: ফেরত তো দিতেই হবে।

৫. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: "আবুল" "মাল" আইএমএফ এর কথায় উঠবে বসবে।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ঋণ নিলে তাই করতে হবে।

৬. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৬
ইউনুস খান বলেছেন: কমেন্ট করতে এসে বামপাশে তাকিয়ে দেখি "ধর্ম লিঙ্গাগ্রে ঝুলছে - রাসেল ( ........) "।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে নকল করে বলছি "গরিব দেশের অর্থনীতি আইএমএফের লিঙ্গাগ্রে ঝুলছে ................."

আশা করি ভালো আছেন। ভালো থাকুন সেই শুভকামনা রইলো।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: একমত। আছেন কেমন?

৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: সম্ভব না বস...
এমনিতেই সামনে মন্দা... তার মধ্যে ব্যবসায়ীদের চাপে বিভিন্ন ধরনের কম্পেনসেশনে সরকারের ত্রাহী ত্রাহী অবস্থা...

মুহিত সাহেবের কথাবার্তা এখনো পর্যন্ত কিবরিয়া সাহেবের ধারে কাছে যাওয়ার চেহারা দেখা যাচ্ছে না...

দেখি কি হয়... :(
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

লেখক বলেছেন: দেখি কি হয়

৮. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
অদ্রোহ বলেছেন: আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক নিপাত যাক......
৯. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
নুশেরা বলেছেন: বছরকয়েক আগে একটা বই পড়েছিলাম, আপনার পড়ার কথা, "গেটিং ইট রাইট..." নামে (লেখক নামকরা অ্যামেরিকান ইকোনমিস্ট, নামটা ক্যাম্নে ভুললাম, ধুত্তোরি), সেখানে একটা ইন্টারেস্টিং তথ্যের ব্যাখ্যা ছিল-- একনায়ক স্বৈরশাসকের আমলে বিভিন্ন দেশে প্রবৃদ্ধির উচ্চহারের কারণ কী।

লেখার মূল বিষয়টা ভুলে যেতে চাই :(
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বই। এই বই পড়াটা দারুণ এব অভিজ্ঞতা। সবারই পড়া উচিৎ। ............(আসলে বইটা পড়ি নাই:(
)

১০. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০২
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: অদ্রোহ বলেছেন: আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক নিপাত যাক......
১১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:১৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: অর্থনীতিবিমুখ মানুষ হয়েও এই লেখার মূল ভাব বুঝতে দেরি হল না। এই পোস্ট স্টিকি হতেই হবে।

গুড জব!
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: আপনারে ধইন্যাবাদ।

১২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: বাংলাদেশে আইএমএফের উল্লেখযোগ্য কীর্তিকাণ্ডের মাঝে আছে অনুগত সাইফুররে দিয়া আদমজী বন্ধ করানো। যে টাকা দিয়া আদমজীর আধুনিকায়ন করা যাইতো তারচেয়ে বেশি খরচ গেসে নাকি ঐটা বন্ধ করতে। সারা দুনিয়াতে যাখন পরিবেশবান্ধব পাটের চাহিদা বাড়সে তখন আমরা দিলাম সব পাটকল বন্ধ কইরা। কাফকোর ১২টা বাজানিও তাদের উল্লেখযোগ্য অবদান। অর্থনীতির তেমন খোঁজ জানি না,আপনেরা নিশ্চয়ই আরো কিছু কীর্তির সন্ধান দিতে পারবেন।

এই পোস্ট স্টিকি করা হোক।
১৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: এই পোস্ট স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
১৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
দিগন্ত বলেছেন: ঋণ কি সরকার শখ করে নেয়?
১৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
কুয়াশা ভোর বলেছেন: গুড পোষ্ট !!!!!!!

++++++++++++++++++
১৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
আইএমএফ ঋণ দেয় অনেকগুলো শর্তের উপর যা ভালোর চেয়ে খারাপই বেশী। তুরস্কের অবস্হা দেখুন।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে।

১৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০২
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক নিপাত যাক......


কোন বিকল্পের কথাতো বললেন না আর প্রকৃত সমাধান কি হতে পারে তাও আলোচনায় আসা দরকার নইলে সবই গুড়েবালি !
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: সরকারের হাতে এখন বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ভালই আছে। সুতরাং বিদেশি মুদ্রার সংকট নেই। আর স্থানীয় মুদ্রার সংস্থান করা সম্ভব বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী পুর্নমূল্যায়ন করে। এখান থেকেই অর্খ সংস্থান করা সম্ভব।

১৯. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:২৮
শিট সুজি বলেছেন: পোস্টটাকে স্টিকি করার জন্য কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
২০. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
জুল ভার্ন বলেছেন: একবার "না" করে দেখুক-দাতাগোষ্ঠী শিয়ালের মত একসাথে বাংলাদেশ গেলো গেলো বলে শোরগোল তুলবে.........। তখন সরকারের আম-ছালা দুটোই যাবে!
২১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আমার কাছে মনে হয়, আমাদের কর দেওয়ার ব্যবস্থা থেকে দুর্নীতি ও করদাতাদের হয়রানি করার অব্যবস্থা দূর করতে পারলে আইএমএফকে বিদায় দেয়া কোন ব্যাপার না।
২২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১২
নুসরাত জাহান যুথি বলেছেন: আইএমএফ আর বিশ্বব্যাংকের নীতি আসলে গরীব দেশগুলোকে গরীব বানিয়ে রাখা আর ধনী দেশগুলোকে ধনী বানিয়ে রাখা। ওরা কখনই গরীব দেশের স্বার্থ দেখে না। অথচ খবরদারী করাতে ওস্তাদ। ওদের হাত থেকে আমাদের ধীরে ধীরে বের হয়ে আসতে হবে।
২৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পোস্ট দেয়ার জন্য..........................।
বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ এর প্রতি ভালবাসা-আনুগত্য প্রকাশে আমাদের প্রধান দু'দলেরই কেউ কম যান না। ব্যতিক্রম ছিল সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া..............। যে কারণে তাঁকে এখনও খুব মনে পড়ে। আর সাইফুর????? যিনি বেকায়দায় পড়ে কালো টাকা (আন ট্যাক্স মানি) সাদা করেছিলেন।
...........................................................................................
শুধু সামরিক শাসনের প্রতি নয়, মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িক শক্তির ওপরও আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের দুর্বলতা যুগে যুগে ছিল, আছে। শর্তটা হচ্ছে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন সহজ হলে কী গণতন্ত্র আর কী স্বৈরতন্ত্র, সবাই জায়েজ তাদের কাছে।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
২৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
আলতাফ হোসেন বলেছেন: সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার কথা আজ খুব মনে পড়ে। এমন দেশপ্রেমিক নেতার অভাব কোনোদিন পূরণ হবার নয়। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ প্রভৃতি সংস্থার বিধ্বংসী ভূমিকা নিয়ে এত বলা হয়েছে, তারপরও আমাদের দেশের লোকেরা (তরুণেরা বিশেষত) তেমন সচেতন হয়ে উঠেছেন বলে মনে হয় না।
এ লেখাটির জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ। চাই তিনি আরও লিখুন এমন দেশপ্রেমমূলক বিষয়ে।
২৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮
ফিউশন ফাইভ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে যেহেতু ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, এটা নিয়ে ব্লগীয় কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। বরং আইএমএফ ইস্যুটার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সীমিত আকারে একটি ক্যাম্পেইন কি চালানো যায় ব্লগারদের পক্ষ থেকে? আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করার তো বোধহয় খুব বেশি দেরি নেই।
২৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন: ধন্যবাদ আসাধারন পোস্ট ।
ঋণ ব্যাণিজ্য এই প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের পিছনে পিছনে ঘুরবে । কারণ তারা ব্যবসায়ী তাদের নিজের স্বার্থে তারা আমাদের পিছনে ঘুরবে। এই ভাবার কারণ নেই যে ঋণ ছাড়া আমরা চলতে পারব না। পাশাপাশি উন্নয়নের নামে দেশে বিভিন্ন রকম অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাজ করে যে সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ক্ষতি করেছে তার যর্থাযথ ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
সবাই এক সাথে গুড বাই আইএমএফ বিশ্বব্যাংক ...... ঋণ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান।
২৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: অনেকে বিকল্পের কথা বলেছেন বা জানতে চেয়েছেন। অনুগ্রহ করে লাতিন আমেরিকার একবিংশ শতাব্দীর জাগরনের দিকে তাকান। গত লাতিন কয়েক বছরের লাতিন আমেরিকার একাধিক দেশ মুধু আই এম এফ কে নয় , ওয়ার্ড ব্যাংকেও গুড বাই জানিয়েছে।গড়ে তুলেছে ' ব্যাংক অব সাউথ আমেরিকা।

১৪ এপ্রিল ২০০৭ সালে আই এম এফ ও বিশ্বব্যাংকের সাথে সর্ম্পক চুকিয়ে দেওয়ার পর ভেনিজুয়েরার অর্থ মন্ত্রী Rodrigo Cabezas জানান ২০১২ সালে মেয়াদী ঋণ অগ্রীম ফেরত প্রদানের মাধ্যমে ভেনিজুয়েলা ৮ মিলিয়ন ইউএস ডলারের সুদের হাত থেকে মুক্তি পেয়েছে।তাঁর উক্তি টাও বেশ আকর্ষশনীয়

‘‘My dear sirs at the World Bank, sirs at the International Monetary Fund — goodbye to you. Venezuela is free ... and sovereign,’’

‘We are closing a historic cycle of indebtedness,’

উল্লেখ্য য়ে, ১৯৯৯ সালে যখন Chávez ভেনিজুয়েলার ক্ষমতাসীন হন তখন দেশটির কাঁধে ৩.৩ বিলিয়ন ইউএস ডলারের র্ঋণের বিশাল বোঝা। Chávez এই ঋণকে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের উপর সবচেয়ে বড় হুমকি হিসাবে গ্রহন করে , বিশ্ব ব্যাংক ও আই এম এফ ঋন মুক্তিকে প্রথম চ্যালঞ্জে হিসাবে গ্রহন করেন। আর ৭ বছরের মাথায় ২০০৬ সালে প্রথম আই এম এফ এর কবল থেকে এবং ২০০৭ সালে বিশ্বব্যাংকের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করেন।
এই ঋণ মুক্তি আজ ভেনিজুয়েলাকে এতটায় নৈতিক সাহস দিয়েছে য়ে, তথাকথিত মুসলিম ভাইরা যখন ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির বিসয়ে নিশ্চিুপ , তখন Chávez ইরানের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়েয়ে দিয়েছে দ্বিধাহীন ভাবে।

৩০. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: বিশ্ব ব্যাংক ও আই.এম.এফ গং হল হারে হারামজাদা। এরা সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকার শয়তান কর্পোরেটদের উইং। এরা তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলি সহ আরো বিভিন্ন মধ্যব্ত্তি দেশগুলি কে হুকুমের গোলাম বানিয়ে রাখে। এদের খপ্পর থেকে মুক্তি না হলে কার্যত বাংলাদেশ আমেরিকার উপনিবেশ হিসেবেই থাকবে স্বাধীন ভাবে দেশের স্বার্থে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। যেমন দেশের গ্যাস ও কয়লা ক্ষেত্র গুলো।

আর বিগত জোট সরকারের অর্থমন্ত্রী সাইফুরের এক তরফা সমালোচনা করা হয়েছে। যা পক্ষপাত দুষ্ট বলেই প্রতীয়মান। কিবরিয়া খুব দক্ষ অর্থমন্ত্রী ছিলেন না। সর্বপরি ১৯৯৬-২০০১ এর বেশীর ভাগ সময়ই বিল ক্লিনটন তথা ডেমোক্রেটরা ক্ষমতায় ছিল। তাই বিশ্ব তখন ততটা যুদ্ধ ও পণ্য মূল্যবৃদ্ধির সমস্যা ছিল না। কিন্তু ৯/১১, মার্কিনিদের আফগানিস্তান দখল করলে তেলের দাম ২২ ডলার প্রতি ব্যারেল হতে এক লাফে ৪০ ডলারের বেশী উঠে। আর ২০০৩ সালে ইরাক দখল করলে এই দাম ৭০ ডলারের বেশী উঠে। তাই ২০০১-০৬ বিশ্বের বিরুপ পরিস্থিতি বিগত জোট সরকার প্রায় সফল ভাবেই মোকাবেলা করে এবং অর্থনীতি চাঙ্গা থাকে। কিন্তু ২০০৭-০৮ ফখরুদ্দিনের সরকার অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে ব্যার্থ হয়। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। ২০০১-০৬ সালে যেখানে অনেকে দারিদ্র সীমার উপরে চলে আসে তাদের সিংহভাগই আবার ২০০৭-০৮ সালে দারিদ্র সীমার নীচে ফিরত যায়। জোট সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যার্থতা হল পর্যাপ্ত বিদ্যূত উৎপাদন করতে না পারা। কারণ বিশ্বব্যাংক-আই.এম.এফ এর কারণেই নতুন উত্তোলনযোগ্য গ্যাস-কয়লা ক্ষেত্রগুলি সমন্ধে কোন স্বাধীন তথা দেশীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কারণ বিশ্বব্যাংক ও আই.এম.এফ সর্বদা বিদেশী কোম্পানীগুলি কে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন করে হলেও গ্যাস-কয়লা খনিগুলো লিজ দিতে বলে নতুবা সাহায্য বা ঋণ দেয় না। তাই ২০০১-০৬ সালে তেমন কোন নতুন ক্ষেত্র হতে গ্যাস ও কয়লা উত্তোলন করা যায় নি। এখন বর্তমান মহাজোট সরকারের জন্যও এটা বিশাল চ্যালেঞ্জ যে তারা বিশ্বব্যাংক-আই.এম.এফ কে উপেক্ষা করে নতুন গ্যাস-কয়লা খনি হতে দেশীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে উত্তোলন করতে পারবে কিনা। নতুবা তারাও চার দলের মত পর্যাপ্ত বিদ্যূত উৎপাদনে ব্যার্থ হবে। এভাবে আরও অনেক ক্ষেত্র আছে যা বিশ্বব্যাংক-আই.এম.এফ এর কারণে বাংলাদেশের প্রগতি ও স্বনির্ভরতা জিম্মি হয়ে আছে।
৩১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
তারেক আনোয়ার বলেছেন: আইএমএফ কে না বলুন । না , না, না.........
৩২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
সাইফ আহেমদ বলেছেন: মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আইএমএফকে না বলুন
৩৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
রবিন৭৫৭ বলেছেন: আগেই পড়ছি, নিজেদের বাড়িতে(সিসিবি তে)ঃ)
৩৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
জামাল উদ্দীন বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই,
আইএমএফকে না বলার যৌক্তিক দাবি উত্থাপনের জন্য। আশা করি অর্থমন্ত্রীর কোন সুহৃদ বিষয়টি তাকে অবগত করাবেন।
জার্মানী থেকে সাগরও মন্তব্য করেছে। বুঝলাম না জার্মানী গিয়ে মনে হয় ও ভাল ছেলে হয়ে গেছে
৩৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০
ফাহমিদুল হক বলেছেন: মাসুম ভাই, এরকম একটা পোস্ট আপনার কাছ থেকে পেয়ে ভালো লাগছে।
বিদেশী সাহায্যনির্ভরতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দিতে না পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতি এগুনোর বিষয়টি আশা করাই যায়না।

এই প্রক্রিয়ায় আইএমএফকে না বলাটাই প্রথম কাজ হওয়া উচিত।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪১

লেখক বলেছেন: সেইটাই ফাহমিদ ভাই।

৩৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১
েপচাইললা বলেছেন: ্আপনারা বেশিরভাগই জানেন আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতির ধরণ হচ্ছে ট্রিকল ডাউন পদ্ধতিতে উন্নয়ন। এর অর্থ হল যাদের মাথায় তেল আছে তাদের মাথায় আরো তেল ঢালো, সেখান থেকে তেল উপচে পড়ে চারদিকে যা ছড়িয়ে পড়বে তা থেকে আশেপাশের শুষ্ক মাথার মানুষেরা একটু আধটু পেয়ে তাদের মাথায় দেবে। এতেই প্রপার উন্নয়ন হয় বলে তাদের ধারণা। আসলে এই ধারার উন্নয়ন চিন্তা বাংলাদেশেও বর্তমান।

বর্তমানে এই ধারা থেকে সরে আসার একটু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। গতকাল মন্দা মোকাবেলার জন্য ঘোষিত বরাদ্দ অন্তত একটু হলেও আশার আলো দেখায়। এখানে কৃষি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির জন্যই প্রায় অর্ধেক অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এখন কথা আগামী বাজেটে আমরা অর্থনীতির এই নীতিই অনুসরন করব কি-না। আমাদের অর্থমন্ত্রীর কথাবার্তা থেকে এখনও কিছু বোঝা যাচ্ছে না। তবে উনিও সাইফুর মার্কা উন্নয়ন দর্শনে বিশ্বাসী বলে খবর পাওয়া যায়। যদিও সাইফুরকে এই ব্লগে যথার্থ মূল্যায়ন করা হয়নি। আমরা দেখেছি বেশিরভাগ সময়েই সাইফুর সাহেব দাতাদের বিরোধীতা করার চেষ্ট করেছেন। বেশিরভাগ সময়ই তা ব্যর্থ হয়েছে এটাও ঠিক্।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ এর গঠনের দিকে খেয়াল করলেই দেখা যায় যে এগুলো কাদের তত্ত্বে এবং কাদের অর্তায়নে প্রতিষ্ঠিত। কাদের দ্বারা এটি পরিচালিত হয়, এগুলোর কিংবা এগুলোর মালিকদের মূল লক্ষ্য কি আর বর্তমান পেক্ষিতে তাদের ভূমিকা কেমন। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের মত বিচারক্ষমতা আমাদের অর্থনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারকদের আছে এমনটা আশা করতেই পারি।

কিন্তু নীতি যদি হয় দেশকে ঋণ এনে দিয়ে তা লুটপাট তাহলে আইএমএফ কিংবা বিশ্বব্যাংকের দোষ দেয়ার উপায় আমাদের থাকবে কি-না তা আর বলার দরকার আছে বলে মনে করছি না।


ধন্যবাদ লেখককে এরকম একটি বিষয় যথাসময়ে সামনে তুলে আনার জন্য। ভাল থাকুন।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪২

লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ।

৩৮. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৪
এস্কিমো বলেছেন: আই এম এফ নামক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশের সীমানায় নিষিদ্ধ করা জরুরী। এরা ভন্ড আর ব্যর্থ।

একদিকে বাংলাদেশের মতো দেশে কৃষি ভূর্তকী দিতে আই এমএফ না করে আর কানাডার মতো দেশে বছরে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সবসিডি দিলেও এরা চুপচাপ থাকে।

ঠিক একই ভাবে গনপরিবনের ক্ষেত্রেও এরা দ্বিমুখী নীতি অনুসরন করে আইএমএফ।

আরেকটা বিষয় হলো বিদেশী ঋণের উন্নয়নের নামে কনসালটেন্ট আর ঠিকাদারদের লুটপাট বন্ধ করা জরুরী।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৩

লেখক বলেছেন: আপনারে ধন্যবাদ। দেশে আসছেন কবে?

৪০. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২৩
খারেজি বলেছেন:



কিবরিয়া সাহেবের আমলে স্টক এক্সচেঞ্জ যে পাব্লিক জবাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল, তাতে কি উনার পরিববারের কেউ জড়িত ছিল?

না থাকলে নাই, পাব্লিক বলে আর কি। আম্মো অর্থনীতি কম বুজি...
৪১. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:১৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: আইএইএফকে না বলতেই হবে। না হলে ক্ষতিগ্রস্থ হবে আমাদের অর্থনীতি।
৪৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৩
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: অনেক আগেই না বলা উচিত ছিলো।সাড়ে সর্বনাশের অনেকটুকুই হয়ে গেছে।

তারপরেও এখন যদি সরকার বন্ধ করে।মাল সাহেব তো এস, এম, কিবরিয়ার রাস্তায় হাটবেন বলে মনে হয়না।

যাহোক, এমন পোষ্ট দিনমজুর অনেক আগেই দিয়েই বেইল পায়নি।তবে আপনি পাইছেন দেখি।

শেখসাদীর গল্প এই যুগে অচল।

মন্দ কি ভালো জামাকাপড় পড়া মানুষেরা এখন আই,এম,এফ, বিশ্বব্যাংককে চিনছে, এইটাই অনেক পাওয়া।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: একমত। শেখসাদীর গল্প এই যুগে অচল। তবে সাংবাদিকতা করার বয়স আমার ১৫ বছর। ১৫ বছর ধরে এই কথা বলে আসছি। অথচ বেইল পাইলাম আজকে। বড়ই আফসুস।

৪৪. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:১৬
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: খুব ভাল বলেছেন। পড়ে ভাল লাগল।যাদের উদ্দেশ্যে বলা তারা যদি পড়তো।
৪৫. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২১
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ১৫ বছর ধরে বলে আসছেন কিন্তু কই জানতে তো পারলাম না :(

নিম্নকন্ঠ না হলেও উচ্চকন্ঠ ছিলেন না বোধকরি।

অবশ্য প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে কর্মচারিদের মতামত জাজ করে ফেলা অনেক ক্ষেত্রেই ভুল ।
২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: তাহলে তো আপনাকে আমার সংবাদ জীবনের লেখা খুঁজে পড়তে হবে। আমার যেহেতু কোনো বই নাই তাই তাৎক্ষনিক কোনো রেফারেন্স দেওয়া গেল না।
প্রতিষ্ঠানে আমি চাকরি করি মাত্র। যেমন আগে চাকরি করেছি সংবাদ, ইত্তেফাক ও জনকন্ঠে। সুতরাং বোধকরার উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভাল।
আর সাংবাদিকরা যে ভাল জামা কাপড় পর্যায়ের মানুষ হইয়া গেছে এইটা জানা ছিল না।

৪৬. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৮
নাজনীন খলিল বলেছেন: পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ।++++++++++++++++++++++++
৪৭. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৩০
কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লিখেছেন। চমৎকার পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ।
৪৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১২
অরণ্য আনাম বলেছেন: নিজেদের জমিতে আমরা সোনার ধান ফলাতে পারি এবং সেই ধানে নিজেদের পেট ভরাতেও পারি।
৪৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:১৮
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: আমরা যখন এসব লিখি তখন এত পজিটিভ মন্তব্য পাই না।
আপনাকে ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ পোষ্টের জন্য।
৫০. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২৮
মনুমনু বলেছেন: স হমত।

সরকারি লোকদের ঘুষ বা উপরি'র ব্যবস্হা বন্ধ করার কি উপায় করা যায় !!

আচ্ছা, আমাদের দেশের যে কোনো একটা জাতীয় আদর্শগত স্লোগান বলুন তো। যে আদর্শ সমস্ত লোক মানে !
৫২. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
ধীবর বলেছেন: বাস্তবতার নিরিখে সেটা করা সম্ভব কি? যেখানে আমাদের প্রধান দুটি আয়ের উৎস তাদের উপর নির্ভরশিল? যেভাবে বিশ্বায়নের নামে আই এম এফ আর বিশ্বব্যাংকের পরোক্ষ শাসনে একের পর এক দেশে তারা প্রভাব বিস্তার করছে, তা থেকে কি দিয়ে আমরা নিজেদের বাচিয়ে রাখবো? আমাদের ভেতর সততা এতটাই ভঙ্গুর যে, টাকার বিনিময়ে দেশ বিরোধি কাজ করতে আমাদের বাধে না। আমাদের খনিজ সম্পদ আমরা নিজেরাই হরিলুট করি।

নিজেদের শোধারাতে হবে আগে। সীমিত সম্পদ দিয়ে হলেও, সততা, সুষ্ঠূ ব্যাবস্থাপনা, আর কৃচ্ছতা সাধনের মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালি করতে হবে। যাতে আমাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেলেই যে কেউকে আমরা না বলার শক্তি অর্জন করতে পারি। যতদিন না হচ্ছে, ততদিন অন্যায়ের চোখ রাঙানি সহ্য করা ছাড়া আর উপায় কি?
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: নিজেরে শোধরাতে হবে। অবশ্যই।

৫৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৫২
ন্যায় পথিক বলেছেন: কবে আই,এম,এফ/ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের খবরদারী শেষ হবে? আর কতবার আমরা তাদের পাতা ফাঁদে ধরা খেয়ে খাবি খেতে থাকব?

শুনেছিলাম-"নেড়া বেলতলায় একবারই যায়।" কিন্‌তু, বেলতলা-ই যে আমাদের পিছু ঘুরে ঘুরে মাথায় বেল ফেলছে....অথচ, আমরা বুঝেও না বুঝার ভান করে যাচ্ছি।

হে কুরাজনীতিবীদগণ! আর কত দিন জনগণকে ধোঁকা দিয়ে নিজের আখেড় গোছাবেন? বেলা যে শেষ হয়ে এলো!
৫৪. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:০৩
রাহা বলেছেন: সহমত... আমাদের সময় এসেছে না বলতে শেখার...
৫৫. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:১৫
খারেজি বলেছেন:


মাসুম সাহেব, সাবেক অর্থমন্ত্রীকে নিয়ে আমার প্রশ্নটি কি উত্তরের অযোগ্য?
৫৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:৫৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:


প্লীজ, অর্থমন্ত্রী ! আইএমএফকে না বলুন ।
৫৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:২৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আইএমএফের কাছে বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত ঋণ কত?

সাইফুরের আমলের ৫০ কোটি ডলারের প্রথম দুই কিস্তিতে মোট ১৫ কোটির মতো দেয়ার পর তো মনে হয় বাকীটা ক্যানসেল করছিলো ... (সেই নিয়া সাইফুর সাহেব অর্থমন্ত্রী ক্যারিয়ারের শেষদিনগুলাতে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আইএমএফের শাপশাপান্ত করতো দেখতাম ;)) ... তো এখন কি ঋণ ১৫ কোটি ডলারের কম?

আর একটা তথ্য জানতে চাচ্ছি, আইএমএফ কি পিআরএসপি ছাড়া অন্য খাতে ঋণ দিচ্ছে আমাদেরকে?
আমার কেন জানি ধারণা ছিলো নব্বইর পরে শুধু দারিদ্র-বিমোচন (পিআরএসপি) খাতেই শুধু আইএমএফ ঋণ দিয়েছিলো ... আর ৯৮ এর বন্যার পর সহায়তা দিয়েছিলো, যদিও সেটা ঋণ না দান হিসেবে তা জানিনা
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: Click This Link

এইখানে আইএমএফের দেওয়া ঋণের পুরা বিবরণ পাইবেন।
আর আইএমএফ কখনো অনুদান দেয় না।
সবসময়ই ঋণ দেয়।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

৫৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ইন ফ্যাক্ট ঋণ পরিশোধে বেশ ভালো পারফরম্যান্সের পরও গত কয়েকবছর আইএমএফ বাংলাদেশের সাথে খুব বিমাতাসুলভ আচরণ করেছে ... এখন আবার ঋণের ঢালি নিয়ে বন্ধু সাজতে আসলেই গদগদ কেন হতে হবে সেটাও বুঝছিনা ... স্ট্রেইট না করে দিয়ে দেখা উচিত কি করে!!
৫৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
লীনা দিলরূবা বলেছেন: বিয়ের রাতেই বিড়াল মারতে হয়। এখন যা কবুল করবে, বাকি পিরিয়ডে তার দায় বয়ে বেড়াতে হবে। মিডিয়া যদি ফোর্স করে সরকার গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসাতে পারবেনা।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: এখানে অর্থমন্ত্রী আর প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই আসল। আর এখনতো দেখছি অর্থনীতি বিষয়ে অনেক লোকজন আছে প্রধানমন্ত্রীর।

৬০. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেছেন: মাসুম ভাইকে ধন্যবাদ।
অর্থমন্ত্রীকে সিগনাল।
৬১. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:২০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই

যা বুঝলাম, আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ৩৬ কোটি ডলার বাংলাদেশকে শোধ করতে হবে ... কিন্তু এতে কি সব ঋণ শোধ হয়ে যাবে কিনা বুঝতেছিনা ... :(

Click This Link

এইখানের চার্টে দেখলাম, যা বুঝলাম (আমার বুঝায় গলদ থাকতে পারে ;) )
বাংলাদেশ এই পর্যন্ত আই এম এফ থেকে ১৪৭.৫ কোটি ডলার ঋণ নিছে, শোধ করছে ১৭৯. ৫ কোটি ... আর উপরের হিসাবে এখনও পাওনা আছে ৩৬ কোটি (যদিও জানিনা এইটাই সব কিনা, তাও ধরে নিলাম)

মানে ১৪৭.৫ কোটি ধারের জন্য বাংলাদেশকে দিতে হচ্ছে ২১৫.৫ কোটি ডলার ... ১.৪৬ গুণ বেশী ... আই এম এফ মোটামুটি বছর বছর ভেঙে ভেঙে টাকা দেয়, আবার প্রায় কাছাকাছি পরিমাণ ভেঙে ভেঙে ফেরৎ নেয় ... সেখান থেকে গড় হিসাবে বাংলাদেশকে ৪৬% হার সুদে ঋণ দিচ্ছে বলা যায়!!!!!!

মাই গড!!!!!

(নাকি ভুলভাল হিসাব করলাম!!!!)


তবে কিবরিয়ার ওয়ে অভ ডুয়িং দেখে মুগ্ধ হইলাম ... কোনো লোন না নিয়ে প্রায় ৪০ কোটি ডলার শোধ কইরা ফেলছিলেন ... তাও শেকল পুরাটা ছিঁড়ে নাই ...

এইরকম কোন ব্যাপার আছে নাকি যে আইএমএফের লোন চাইলেও পুরা শোধ করা যাবেনা বা তেমন কিছু ? ... যেমন ঢাকা কলেজে আমাদের সময় চাইলেও সময়মতো বেতন দেওয়া যাইতোনা, খ্যাচখ্যাচ করতো অফিসের মামুরা ...সবসময় দেরী করাইয়া পাঁচটাকা দন্ডি নিতো :(
৬২. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ওহ, আউটস্ট্যান্ডিং এ্যামাউন্ট দেয়া আছে তো দেখি, ৩৪.৫ কোটি ... এটা পাঁচ বছরে ইন্টারেস্টসহ ৩৬ কোটি শোধ করতে হবে
৬৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হিসাবে ভুল করছি ... আউটস্ট্যান্ডিং তো টোটাল ৪৪.৫ কোটি ... আগামী পাঁচ বছরে শোধের লক্ষ্য ৩৬ কোটি ... মানে ঘাড়ে বিপদ জারি রাখার প্ল্যান!!!
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: সেইটাই।

৬৪. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
অপরিচিত_আবির বলেছেন: অর্থমন্ত্রীরা জেনে শুনেও বছরের পর বছর আইএমএফ এর পা চেটে যাচ্ছেন ... আমরা কি কোনদিনও স্বাবলম্বী হব না ? সবসময় মাথার ওপর ছড়ি ঘোরানোর একজন লাগবেই .....
৬৫. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
টিউলিপফুল বলেছেন: অত্যন্ত দু:খ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে মাইনাস দিলাম।


কারণ সমূহ


এ সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে মার্কিন ভারত ইয়াহুদী লবি।


তাহলে বলুন কি করে সে এ প্রতিষ্ঠানকে না বলবে।



আপনি যে আইএমএফের দোসরা না তা বিশ্বাস করমু কী করে।



ক্ষমতায় গেলে সবাই রাম ছাগল হয়ে যায়।



মাননীয় অর্থমন্ত্রী অকৃতজ্ঞ হবেন না।

না বলার কোন মানে হয় না।


যেই লাউ সেই কদু
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: মাইনাস দেওয়া যার যার নিজের ব্যাপার। এটা নিয়ে আমি চিন্তিত না। তবে আপনাকে আলাদা করে ধন্যবাদ কারন বলার জন্য।

৬৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
ফেরারী পাখি বলেছেন: গতকাল থেকে আপনার সাথে সহমত প্রকাশের জন্য সময় খুঁজছিলাম।
আজ বসতে পারলাম।

প্রথমেই অভিনন্দন আপনাকে; চমৎকার সময়োপযোগী একটা লেখা দেবার জন্য।

বিদেশী নির্ভরতা কমাতে, আই এম এফ কে না বলাই হোক আমাদের প্রথম পদক্ষেপ। আপনার সাথে একমত।

তথ্যগত কারণে লেখাটাকে সরাসরি শোকেসে রাখলাম।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: আপসার ব্লগে ঢু মারি মাঝে মধ্যে। নতুন লেখা পাই না তো।

৬৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
গ্ল্যাডিয়েটর বলেছেন: অর্থমন্ত্রী কি সামু পড়ে, যদি না পড়ে কে জানাবে তাকে এই কথা ।

ভাল লেগেছে ।
+++++++++++++
৬৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
অন্যআনন বলেছেন: অর্থমন্ত্রীর জন্য : আই এম এফ এ কে না বলে দুর্নীতিকে হ্যা বলুন!! পরনির্ভরশীলতার ফাঁদে না পড়ে, আত্মঘাতী ফাঁদে পড়ুন।

ব্যক্তিগত অবস্থান : নো আই এম এফ, নো করাপশন!!!
৬৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
রাতেরপথিক বলেছেন: পড়ি নাই পড়ে পড়ব। তয় না পড়েই +
৭৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: জিন্বের বাদশাহ!

সরকার ইচ্ছা করলে আই এম এফ এর ঋণ পুরোটা মুধে আসলে মোধ করে দিতে পারে। এ নজির ইতমধ্যে পৃতিবীতে আছে। ২০০৬ সালে ভেনিজুয়েলা সুদ-আসল মিটিয়ে আই এম এফ কে গুড বাই বলে দিয়েছে।

তাদের থেকে আমাদের ঋন অনেক কম। আমরা কেন পারবো না। প্রশ্ন আসতে পারে সরকারের টাকা আসবে কোথা থেকে? সরকার প্রবাসীদের কাছ থেকে পাঁচ বছর মেয়াদী বন্ড ছেড়ে টাকাটা জোগার করতে পারে। আই এম এফ কে সুদ না দিয়ে প্রবাসীদের দিলে ক্ষতি কি/ তারা তো াার আই এম এফ এর মত খবরদারি করবে না।

কিন্তু কথা হচ্ছে আমাদের সরকারের সেই ইচ্ছা আছে কিনা। এই সব দাতাদের সহয়োগিতা দেশের জন্য ক্ষতি কর হলেও ক্ষমতাসীনদের জন্য রুটপাটের সহায়ক। সরকার ও তার মন্ত্রীরা সহজেই নিজেদের দোস ব্যর্ততা দাতাদের কা৭দে চাপিয়ে দিতে পারে , গোর টেবিল বৈঠকে দাতাদের গুস্টি উদ্দার করার মাধ্যমে।

অনেক টা রাস্তার পাশের গোঁদওয়ালা ভিক্ষুকের মত , কখন অস্ত্রপচার করে না, ভিক্ষার পথ বন্ধ হয়ে য়াবে বলে।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন। আমার কষ্ট কমে গেল। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

৭৪. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আই. এম. এফ এর অবস্হা পুরান কালের দাদন ব্যাবসায়ীগো মতো। আধুনিক শাইলক...শেক্সপীয়র মনে হয় নাটকটা আই এম এফের কথা আগে ভাগেই টের পাইছিলেন।

লেখা নিয়া আমি কিছু বলাটা সাহসিকতার পরিচয় হইয়া যাইবো....আমি অর্থনীতির কিছুই বুঝিনা।

তাই নীরব ++++++++++++++++++++++++
৭৫. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৮
রাতমজুর বলেছেন:
মাসুম ভাই, আইএমএফ রে না কওয়া জরুরী, তয় আমাগো পকেট-ভর্তী করন টাইপ মন্ত্রী-আমলা গুলানেরে আগে ডবল না কওয়া খুব দরকার।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: তা তো ঠিকই। প্রচন্ড সহমত।

৭৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৩২
বাংলাদেশী ভাই বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এই লেখাটি পোষ্ট করার জন্য। অনেক অজানাও তথ্য জানতে পারলাম। তবে আপনার লেখাটি ভাল কোন কাগজের মতামত বিভাগে ছাপাতে পারলে ভাল হত। আরও অনেক বেশী পাঠক জানতে পারত, সরকারের নজরে পড়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু অনুধাবন করাটাই হল ব্যাপার। কিন্তু আমাদের জাতীয় নেতাদের যে পরিচয় আমরা পাচ্ছি তাতে আমি খুব একটা আশাবাদী না। ওনারা গুরুত্বপূর্ন বিষয়বাদ দিয়ে যেভাবে আলতু ফালতু বিষয় নিয়ে মাতামাতি করছেন তাতে দেশ ঋণ নেওয়া বাদ দেওয়ার চিন্তা বাদ দেবেন সেটা ভাবাই বাতুলতা। তবুও আমরা আশা করি দেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাবে.............
৭৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩০
ব্লগবন্ধু বলেছেন: মাসুম ভাই,

আপনার পোস্টটি সময়োপযোগী । এখানে আমি পাঠকদের জ্ঞাতার্থে আরো কয়েকটি বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই ।

১.
বিশ্বব্যাংকের ঋণ-সুবিধায় প্রদত্ত শর্তগুলো তুলনামূলকভাবে সহজ । আইএমএফ এর তুলনায় সুদের হার কম, দীর্ঘমেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুবিধা, পাশাপাশি কখনো কখনো ঋণ মওকুফের সুযোগ – এই তিন প্রলোভনে সরকারও বিশ্বব্যাংকের ঋণ লাভে বিশেষ আগ্রহী থাকে । তুলনায় আইএমএফ এর ঋণে সুদের হার বেশি, স্বল্পমেয়াদী এবং আর তা মওকুফের সম্ভবনা নেই বললেই চলে । স্বল্পমেয়াদী ঋণ উৎপাদনশীল কোন খাতে ব্যবহার করা যায় না । আর এঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে নতুন করে সুদ আর ঋণের চক্রে পড়তে হয় । মূলত নীতি সহায়তার আড়ালে আইএমএফ দরিদ্র দেশগুলাতে ঋণের বাজার তৈরীতে বেশি মনোযোগী । আর সমৃদ্ধ রিজার্ভ স্থিতি থাকায় বাংলাদেশের প্রতি তাদের নজর আরো বেশি ।

২.
আইএমএফ-এর বাংলাদেশ অফিস মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক মূল ভবনের ৫ম তলায় । খোদ গভর্নর মহোদয় কিছুদিন আগে বলেছেন, উক্ত ফ্লোর ব্যবহারের জন্য আইএমএফ কোন ভাড়া দেয় বলে তার জানা নেই । প্রকারন্তরে তিনি আইএমএফ-কে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন ছাড়ার আহবান জানিয়েছিলেন । কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি । এখানে মাসুম ভাইয়ের জ্ঞাতার্থে একটি তথ্য দিতে চাই । বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাধীনে বর্তমানে নবগঠিত ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরইউ)’ পরিচালিত হচ্ছে । অথচ ব্যাংকের কোন ভবনেই এর জন্য জায়গা পাওয়া যায়নি । শেষে এখন পল্টনে এনএসসি ভবনে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে । যতদূর জানি, এর জন্য লাখ লাখ টাকা ভাড়া গুনতে হচ্ছে । ব্যপারটা এমন, বাড়ী্ওয়ালা থাকে ভাড়া বাড়ীতে নিয়মিত ভাড়া দিয়ে; আর নিজের বাড়ীর ভাড়াটে ভাড়া দেয় না ।

৩.
আইএমএফ সম্পর্কে এসবকিছুই আগে থেকেই জানা । সরকারে জানেন, প্রশাসনও জানে । কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের আতিথেয়তায় কয়েকদিন মার্কিন মুল্লুক ঘুরে আসলে কার আর এতো ঠেকা পড়ে, কষ্ট করে সুদ-কষার । দুই-এক কিবরিয়াই হযতো বাজে কিছু দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন !!!
৭৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: বেশকিছু ভাল এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন। আরও কিছু যোগ করে আলাদা পোস্ট দিতে পারেন। সেটাই বেশি ভাল হবে।
৮১. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৪৫
চল যাইগা বলেছেন:
ভাই সাহেব:

কিবরিয়া সাহেবের ছেলে বউ সুন্দরী স;বাদ পাঠিকা শেয়ার বাজার থেকে কি দাওটা মেরেছিল মনে আছে..??

কিবরিয়া সাহেব হালকা হাসি দিয়ে বলেছিলেন, "আমি শেয়ার বাজার বুঝি না"...!!!

একটি দেশের অর্থমন্ত্রী শেয়ার বাজার বুঝে না.... বাহ বাহ কী চমৎকার|
তার আমলে দেশে উন্নয়নের সুনামি আইছিল...???

আই.এম.এফ/বিশ্ব ব্য;কের ফ্যন আমরা কেউ না তবে বিকল্পটা কী..??
৮২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২১
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: মাসুম ভাই আপনি অবশ্যই ভুলে যাননি যে, তাজ উদ্দিন সাহেব ছিলেন প্রথম অথ মন্ত্রি যিনি তৎকালীন আইএমএফ প্রধানের সাথে দেখাই করেন নি। সেটা বোধহয় ১৯৭৩ সালের কথা।হ্যাম কিবরিয়া সাহেব চেষ্টা করেছিলেন বটে তবে পুরোপুরি সফল বলা যাবেনা। আপনি ই স্বীকার করেছেন উনি পি আর এস পি মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন তবে সেটা অবশ্যই আইএমএফ প্রতিশ্রুত তথাকথিত দানের জন্য। প্রথম কিস্তির পরে আমরা আর কোন টাকা পাইনি কিন্তু পঞ্চবারষীকি পরিকল্পনাকে আমরা নিরবাসনে পাঠালাম এবং ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের কোন পরিকল্পনা ছিলনা !!! কিবরিয়া সাহেবের তৎকালীন সহকারিরা এই দায় এড়াতে পারেন না যাদের মাঝে আমাদের বরতমান অরথ মন্ত্রী ও আছেন। আরো আছেন ম খা আলমগির, যার সহয়তা সারা সাইফুর রাহমান বাজেট বানানোর কথা ভাবতেই পারতেন না এক সময়।

কিছুদিন পুর্বে যখন WB (ADB এর ও হতে পারে) এর কর্মকর্তা এসে মাননীয় মন্ত্রি সাহেবকে পুরনো সহকর্মি বললেন তখনই বুঝা যাচ্ছিল যে কি ঘটতে যাচ্ছে। এর পরেই আমরা দুটো ভবিষ্যত বানী পেলাম যে বাংলাদেশের এবারের প্রবৃদ্ধী নাকি ৬ শতাংশের ও নিচে থাকবে (WB এবং ADB)। একই ধরনের কথা আমরা শুনেছিলাম ২০০৭ এ, ঋন গেলানোর এক হীন উদ্দেশ্য। দুটো বন্যা আর সিডর কে সামাল দিয়ে সেটা ঠিক ই ৬ হয়েছিল।এবং ওই প্রথমবারের মত দেশের অর্থনীতিবিদেরা IMF, WB এবং ADB বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছিলেন।

IMF নিজেই এখন প্রনোদোনা প্যাকেজ এর উপর বেচে আছে। তার আরো প্রনোদোনা দরকার এবং সেটা একমাত্র সম্ভব ঋন গিলিয়ে। আর এই ঋন গেলানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা থাকে স্থানীয় গৃহপালিত অর্থনীতিবিদ দের। উপরোক্ত দুটো ভবিষ্যত বানীর পরে আমাদের কোন অর্থনীতিবিদ কে দেখলাম না একটা কথা বলতে বরং কথা বলেছেন গভর্নর সাহেব।

আশা করছি আরো লেখা পাব মাসুম ভাইএর কাছ থেকে এ ধরনের। এটার জন্য ধন্যবাদ। সামুর এই ধরনের লেখাকে উৎসাহিত করা উচিত।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: ভাল পয়েন্ট। তবে তাজউদ্দিন আহমেদ দেখা করতে চাননি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারার সাথে।

৮৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪৫
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: @ব্লগবন্ধু: ধন্যবাদ কিন্তু বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ এর কর্ম পরিধী এর মাঝে ব্যাপক তফাৎ আছে। যদিও তারা একই প্রভুকে সেবা করে, কিন্তু আইএমএফ সরাসরি সরকার কে শুধুমাত্র তার বাজেট ঘাটতি এবং সরকারি হিসাব খাতার ভারসাম্য আনার জন্য লোন দেয় যেখানে বিশ্বব্যাঙ্ক সরাসরি প্রকল্প তে লোন দেয় তার বিভিন্ন হাত পায়ের মাধ্যমে। যেমন যমুনা ব্রীজের জন্য বিশ্বব্যাঙ্ক নিজেই টাকা দিয়েছে কিন্তু সুন্দরবন কে বাচাতে সে GEF এর মাধ্যমে লোন দিয়েছে। সেই প্রকল্পের দুইটা সুপারিশ আপনাদের অবগতির জন্য
১। সুন্দরবনে গাছ লাগাতে হবে
২। সুন্দরবনে মহিষ ছারা যেতে পারে

প্রকল্পটি মাঝপথে অপমৃত্যুর শীকার হয় কিন্তু তার ৬৫ ভাগ টাকা বিশ্বব্যাঙ্ক নিয়জিত বিদেশী পরামর্শক দের দিতে হয়েছে। আর বাংলাদেশ পেল বেশ বর অঙ্কের ঋনের বোঝা। ধন্যবাদ
৮৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:০০
প্রাকৃত বলেছেন: অর্থমন্ত্রীর বোধদয় হো এই কামনা করি।যদিও আমাদের মন্ত্রী/রাজনীতিবিদরা দেশের বৃহত্তর স্বার্থ থেকে ব্যক্তিস্বার্থকে বড় করে দেখেন।তবুও আশাবাদী।
৮৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:৪৭
সাইফ আহেমদ বলেছেন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইএমএফকে না বলুন
কিবরিয়া সাহেবের মত অর্থমন্ত্রী হয়তো আর পাবোনা, বর্তমান অর্থমন্ত্রীর উপর ভরসা নাই, আজ একরকম কথা বলে তো কাল অন্যরকম, প্রধানমন্ত্রী যদি ইচ্ছা করেন তবে আশা পুরন হতে পারে.........
দুটো 'দু' এর কারনে আমরা মাথা উচু করে দাড়াতে পারিনা-
১. দুর্নীতি ----- যা আমরাই দুর করতে পারি
২. দুর্যোগ (প্রাকৃতিক ) ----- যা আমাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে
৮৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ভালো পয়েন্ট @ ভিন্ন চিন্তা
৮৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
মাহমুদ মামূন বলেছেন: সম্পূর্ন একমত। চমৎকার ও সময়োপযোগী পোষ্ট। সুতরাং + অবশ্যই প্রাপ্য।
৯০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:০২
আহমেদ ফারুক বলেছেন: ‌মাল সাহেব এসব কথা শুনবেন না। কারণ তিনি আব্দুল হলেও নিজেরটা ভালোই বোঝেন। জনগনের সামনে কিভাবে মুলা ঝুলাতে হয় তা তাদের জানা। কারণ এরা জনগন নিয়ে ভাবে না। জনগনের মতামতও মানেন না। জনগন মানে আগে ছিল আমজনতা, এখন আমের দাম বেশি তাই এখন আমরা মূলা জনতা। সো যেই লাউ সেই কদু। জুন মাস পার হলেই এই কমেন্টের যথার্থতা পাবেন।
৯১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:২১
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে কমেন্টসের মাধ্যমে... আমরাতো আর কর্তৃপক্ষ না যে আইএমএফকে না বলে দেব... তবুও আমাদের এই চাওয়াটুকুর পূর্ণতা পেলে দেশের উপকার বৈ অপকার হবে না
৯২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
জয়বাংলা বলেছেন: ঠিক নাইস !!!!!!!!!!!!!!!!!!! ++++++দিলাম!!
৯৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
জয়বাংলা বলেছেন: গত প্রিয়ডে (জয়বাংলার সময়) ব্যাংক রির্জাভ তার লাইগাই চিচিংফাক হইয়া গেল!!!!!!!!!!!!!!!!!!

যা বিএনপি জমায়া দিযাছিল ...........আমার জয়বাংলা ভাইয়েরা খায়াদায়া কাবার!!!!!!!!!!!!

আবার সেই সময় শুরু হইছে গুরু!!!!!!!!!!
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: হুম। এসএএমএস কিবরিয়ার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ছিল রিজার্ভ এক বিলিয়ন ডলারে নিয়ে আসা। এটা হলো তার শেষ ব্যর্থতা। আর প্রথম ব্যর্থতা ছিল শেয়ার বাজার।

৯৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
বাঙ্গাল বলেছেন: যারা মাইনাস দিতাছেন, উনারা আসলে সাইফুর সাহেব তথা বিএনপির প্রতি আদর্শগতভাবে দূর্বল বলে মনে হয়। কিন্তু নিজের ভালোটা বুঝার সাথে সাথে দেশের ভালোটাও বুঝা লাগবে। এই পেজে দেখেন বাংলাদেশ কোন কোন সালে আইএমএফ এর সাহায্য নিছে...১৯৮৭ থেকে ১৯৯৩ টানা, ২০০২ থেকে ২০০৬ টানা।পরিস্কার। তবে সাইফুর সাব কথাবার্তায় কিবরিয়া, মূহিতের চেয়ে অনেক স্মার্ট ছিলেন, সকল দূর্নীতিবাজই এমন হয়।
তবে ব্লগার টিউলিপফুলের আশংকা অমূলক নয়।
Click This Link
৯৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৪
বেছু মেম্বার বলেছেন: ++++++++++++


৭৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩০



ব্লগবন্ধু বলেছেন: মাসুম ভাই,

আপনার পোস্টটি সময়োপযোগী । এখানে আমি পাঠকদের জ্ঞাতার্থে আরো কয়েকটি বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই ।

১.
বিশ্বব্যাংকের ঋণ-সুবিধায় প্রদত্ত শর্তগুলো তুলনামূলকভাবে সহজ । আইএমএফ এর তুলনায় সুদের হার কম, দীর্ঘমেয়াদে ঋণ পরিশোধের সুবিধা, পাশাপাশি কখনো কখনো ঋণ মওকুফের সুযোগ – এই তিন প্রলোভনে সরকারও বিশ্বব্যাংকের ঋণ লাভে বিশেষ আগ্রহী থাকে । তুলনায় আইএমএফ এর ঋণে সুদের হার বেশি, স্বল্পমেয়াদী এবং আর তা মওকুফের সম্ভবনা নেই বললেই চলে । স্বল্পমেয়াদী ঋণ উৎপাদনশীল কোন খাতে ব্যবহার করা যায় না । আর এঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে নতুন করে সুদ আর ঋণের চক্রে পড়তে হয় । মূলত নীতি সহায়তার আড়ালে আইএমএফ দরিদ্র দেশগুলাতে ঋণের বাজার তৈরীতে বেশি মনোযোগী । আর সমৃদ্ধ রিজার্ভ স্থিতি থাকায় বাংলাদেশের প্রতি তাদের নজর আরো বেশি ।

২.
আইএমএফ-এর বাংলাদেশ অফিস মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংক মূল ভবনের ৫ম তলায় । খোদ গভর্নর মহোদয় কিছুদিন আগে বলেছেন, উক্ত ফ্লোর ব্যবহারের জন্য আইএমএফ কোন ভাড়া দেয় বলে তার জানা নেই । প্রকারন্তরে তিনি আইএমএফ-কে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন ছাড়ার আহবান জানিয়েছিলেন । কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি । এখানে মাসুম ভাইয়ের জ্ঞাতার্থে একটি তথ্য দিতে চাই । বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থাধীনে বর্তমানে নবগঠিত ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরইউ)’ পরিচালিত হচ্ছে । অথচ ব্যাংকের কোন ভবনেই এর জন্য জায়গা পাওয়া যায়নি । শেষে এখন পল্টনে এনএসসি ভবনে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে । যতদূর জানি, এর জন্য লাখ লাখ টাকা ভাড়া গুনতে হচ্ছে । ব্যপারটা এমন, বাড়ী্ওয়ালা থাকে ভাড়া বাড়ীতে নিয়মিত ভাড়া দিয়ে; আর নিজের বাড়ীর ভাড়াটে ভাড়া দেয় না ।

৩.
আইএমএফ সম্পর্কে এসবকিছুই আগে থেকেই জানা । সরকারে জানেন, প্রশাসনও জানে । কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, তাদের আতিথেয়তায় কয়েকদিন মার্কিন মুল্লুক ঘুরে আসলে কার আর এতো ঠেকা পড়ে, কষ্ট করে সুদ-কষার । দুই-এক কিবরিয়াই হযতো বাজে কিছু দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন !!!


>> বাড়ী ভাড়া দেয় না!!!!!!! ফ্রী!!!!!!!!!!!!! X(( X(( X(( X(( X((
৯৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৮
হামোম প্রমোদ বলেছেন: ভালো একটা পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। জরুরী কিছু দিক চিহ্ণিত হলো।

আমরা (আম-জনতা) কি শুধু এগুলোই দেখে দেখে হয়রান হবো, আর গলা ফাটাবো।

আসলে এই পয়েন্ট গুলো অর্থমন্ত্রি কিংবা আমলারা যে বুঝে না তা না। কিন্তু কিছুটা নিরুপায় আর কিছুটা লোভ এবং সর্বোপরি আত্ম-সম্ভ্রম কিংবা আত্মমর্যাদা সম্পন্ন একটা জাতি হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত না করাই এর অন্যতম কারণ। যে জাতি- যে জনগণ ( কিংবা একজন ব্যাক্তিই বলেন) নিজেদের আত্মসম্মানবোধ যতদিন জাগ্রত না হবে ততদিন এই আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংকের চাটুকারী করে যেতে হবে।
আর আমরা ঊনাদের (!) দয়ায় বেঁচে থাকতে হবে, একটা শৃংখলে বন্দি হয়ে।

না, অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু শুধু বলেতো লাভ হবে না। কাজ শুরু করতে হবে। তবে চিন্তা করাটাও যেহেতু একটা কাজ এবং অনেকের মধ্যে এই শৃংখল থেকে মুক্ত হওয়ার উপায় নিয়ে চিন্তা করা শুরু হয়ে গেছে, তাই আশা রাখি বর্তমান তরুণ সমাজ থেকে আমরা হয়তো এই শিকল ভাঙার কাজ টা যথাযথ ভাবে শুরু করা হবে।
৯৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:৪৩
বিদগ্ধজন বলেছেন: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে যেহেতু ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, এটা নিয়ে ব্লগীয় কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। বরং আইএমএফ ইস্যুটার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সীমিত আকারে একটি ক্যাম্পেইন কি চালানো যায় ব্লগারদের পক্ষ থেকে? আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করার তো বোধহয় খুব বেশি দেরি
৯৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:২৭
সাজিদস্টার বলেছেন: এগুলান কইলেতো আপনি দেশবিরোধী পরিচিত হইবেন।



পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ
+++
১০০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৪১
যুগান্তকারী বলেছেন: এই ধরনের পোস্টেও ৮মাইনাস।মানুষের মাথায় ঘিলু না গবর আছে তা চিন্তা করার চেস্টায় আছি।আলেকজ়ান্ডার ভুল বলেননি বিচিত্র এই দেশ সেলুকাস।পোস্টে প্লাস।
১০২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
সুবাইল বলেছেন: শুধু IMF না WB আর ADB কে ও না বলতে হবে। এখনকার International Crisis এর একটা পজেটিভ দিক আছে-যদি সেটাকে নিজের দিকে লাগানো যায়। next world economy control করবে China। কারন Manpower & Cost effieciency. Market e কাচামাল অনেক শস্তা। এই সুযোগে আমদানী নির্ভর economy এর পরিবর্তে production নির্ভর economy তে চলে যাওয়ার সুযোগ নেয়া উচিত। কিন্তু হবে না।

অদ্ভুত দেশ!সব কিছু করার ই সুযোগ আছে-কেউ সুযোগ নিবে না অথবা নিতে দেয়া হবে না। নিজের ১৬ কোটি লোকের বাজার অন্যদের দিয়ে বসে আছি---------হতাশ
১০৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
তারিক হাসান তারিক হাসান বলেছেন: আপনি সরকারকে আই এম এফ কে না বলতে বলেছেন। কিন্তু বিকল্প কোন পথের কথা বলেননি।

গ্রামে গরীব মানুষ জন মহাজনের খারপ দিক গুলো জেনেও তার কাছে যেতে বাধ্য হয়। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন ঐ মহাজন ছাড়া গ্রামের মানুষ গুলোর অন্য কোন বিকল্প নেই।

আপনি বিভিন্ন এনজিও এর কথা বলবেন! আপনি ত খুব ভাল করেই জাননে ঐ গুলো হচ্ছে মহাজনী পদ্ধতির আধুনিক রূপ। এরা ঐ মহাজন থেকে আরো বেশি ভয়ংকর।

১০৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: তারিক এর সাথে একমত হয়ে বলছি; আই এম এফ, বিশ্ব ব্যংক, এডিবি এধরনের সকলেই নানা অজুহাতে বাংলাদেশকে ঋনগ্রস্থ করতে বিশেষভাবে আগ্রহী। এদেরকে দৃঢ় প্রত্যয়ে না বলা উচিত। বলবে যারা, তারা হলেন আমলা অর্থনীতিবিদ (খুঁজে দেখবেন তারা সকলেই পশ্চিমে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছেন।) অতএএব বুঝতে সহজ, কি হয়।

পুঁজি আহরনে আভ্যন্তরীন কর বিভাগ নিয়োজিত। কাগুজে এই বিভাগকে বিত্ত বাংলাদেশীরা 'ম্যনেজ' করে নেন। ক্ষেত্র বিশেষে নথি গায়েব করার ঘটনা ও হয়ে থাকে। সুতরাং আভ্যন্তরীন পুঁজি আহরন কতটুকু ব্যহত হয়, তা সহজেই অনুমেয়।

সুতরাং আভ্যন্তরীন পুঁজি আহরন সরলিকরন করে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে যদি কর জাতীয় সমপর্যায়ের অন্যান্য সকল ফি, কর ইত্যাদি পুঁজি আহরনে ব্যবস্থা সরকার করেন, তা হলে আভ্যন্তরীন পুঁজি আহরনের মাধ্যমেই সহজেই দেশকে স্বাবলম্বী ও উদ্ধৃত করা সম্ভব।

ক্যনাডায় সকলকে (গরিব ও ধনী) "বার্ষিক কর প্রদান" হিসাব দাখিল করতে হয়। ৯৯% তা দাখিল করে ইলেকট্রনিক ভাবে, কর দফতরে কাউকে শারিরিকভাবে যেতে হয় না।

বাংলাদেশে আভ্যন্তরীন ইলেকট্রনিক বানিজ্য করা অবকাঠামো কিছুটা হলেও বিদ্যমান। আভ্যন্তরীন পুঁজি আহরনের জন্য একে শক্তিশালী করা বিশেষভাবে প্রয়োজন।

মনে রাখতে হবে, যে কোন ঋন গ্রহনে সুদ প্রথমে ফেরত দিতে হয়, সুদ পরিশোধ হলেই তারপর আসল পরিশোধযোগ্য। পশ্চিমা শোষন শক্তি এটাই নিয়ম করেছে।
১০৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
শামীমা িবনেত রহমান বলেছেন: লেখার সাথে সহমত। আমি অবাক হই মাসুম ভাই এতো সহজ করে জটিল বিষয় কি করে বোঝান? ধন্যবাদ।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: শামীমাকে বহুদিন পর দেখলাম। কেমন চলছে?

১০৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: কাভালজিৎ সিং এর লেখা, 'বিশ্বায়ন কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন' বইটি আগে পড়েছিলাম। আজ আবার উল্টে পাল্টে দেখলাম।

'বৈশ্বিক পুঁজি বিনিয়োগ-সংক্রান্ত নিয়মকানুন' অংশে তিনি লিখেছেন,

'কেবলমাত্র বৈদেশিক বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম হয়েছে এমন কোন দেশ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের উপকারিতা নিয়ে যেসব কল্পকথা প্রচলিত আছে সেগুলির পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর জন্য যা কিছু শুভ, গ্রহীতা-দেশগুলোর জন্য তা শুভ নাও হতে পারে।"
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আমরা কোন খাতে বিনিয়োগ নেবো, আর কোন খাতে নেবো না সেটা বলা এখন প্রয়োজন।

১০৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:৫০
হামীম বলেছেন: এখনই না বলতে হবে প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া সহ সবাই কে।http://www.somewhereinblog.net/blog/hamimsrg/28884545
১০৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:২০
সন্ন্যাসী কবি বলেছেন:
আইমএফ এবং ওয়াল্ড ব্যাংক কে না বলুন।
১১০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:২১
অরণ্য আনাম বলেছেন: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে যেহেতু ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, এটা নিয়ে ব্লগীয় কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। বরং আইএমএফ ইস্যুটার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সীমিত আকারে একটি ক্যাম্পেইন কি চালানো যায় ব্লগারদের পক্ষ থেকে? আইএমএফের সঙ্গে ঋণচুক্তি করার তো বোধহয় খুব বেশি দেরি নেই।

=============================================

এফ৫ = লোকারটক ( লোকাল+ঠগ) আপনার মোটা নিউরণ গুলো মোটা বুদ্ধি ছাড়া আর কী দেবে বলুন!!!
১১১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
বাঙ্গাল বলেছেন: অরণ্য আনাম বলেছেন: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে যেহেতু ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, এটা নিয়ে ব্লগীয় কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। বরং আইএমএফ ইস্যুটার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সীমিত আকারে একটি ক্যাম্পেইন কি চালানো যায় ব্লগারদের পক্ষ থেকে
ব্যানানা বাংলাদেশ-৩ (গডফাদারের স্টিমুলাস মূলা)
১১২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:২৪
স্বপ্ন ব্যাকরণ বলেছেন:

বাঙ্গাল বলেছেন: অরণ্য আনাম বলেছেন: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে যেহেতু ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, এটা নিয়ে ব্লগীয় কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখা যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। বরং আইএমএফ ইস্যুটার মতো জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে সীমিত আকারে একটি ক্যাম্পেইন কি চালানো যায় ব্লগারদের পক্ষ থেকে
১১৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৪
কাঙাল বলেছেন: একটা কথা বলি, আইএমএফকে না বলতে হলে না বলার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এই অবস্থায় বলা যাবে না। পাকিস্তান না বলেছে, এখন পাকিস্তানের অবস্থা দেখুন। আম্রিকা বলেছে, পাকিস্তান সবচেয়ে বিপদজনক দেশ। পাকিস্তান মনে হয় আর উঠতে পারবে না।

তাজউদ্দিন না বলেছেন, মরেছেন। কিবরিয়া না বলেছেন, মরেছেন।

ভারত, চীন ইচ্ছে করলে আইএমএফকে যা ইচ্ছে তা-ই করতে পারে, আমরা পারি না। এর সাথে আম্রিকা জড়িত। আইএমএফ কারা নিয়ন্ত্রণ করে তা আমাদের জানা উচিত। তাদের সাথে টক্কর দেয়ার ক্ষমতা আমাদের আছে কিনা তাও জানা দরকার।

আপনি বড় সাংবাদিক, আবার অর্থনীতি নিয়াই লেখালেখি করেন, আপনাকে কিছু বলা আমাদের মানায় না। লেখার জন্য ধন্যবাদ।
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: একমত। কাজটা সহজ না। তবে সরকার যদি এই লক্ষ্য নিয়ে আগায় তবে সম্ভব। আর সেজন্য যে ধরণের সক্ষমতা অর্জন করতে হয় সেদিকেই সরকারকে এগুতে হবে। আবারও একমত, বলা যত সহজ, করা ততটা সহজ না।

১১৪. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৩০
রাহাত আহমেদ বলেছেন: আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক নিপাত যাক......
১১৫. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:৫৬
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন: সহমত।


শুভকামনা।



সময় পেলে দেখবেন...

Click This Link
১১৮. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
কার্ল মার্কস বলেছেন: কয়েক দিস গত হবার পর আজ আবার সামুতে ঢুকলাম।
ভালো লেখা, অর্থমন্ত্রী কি কয়, আওয়াজ পাইছেন ?
১২০. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৪৬
কিরিটি রায় বলেছেন: ------------"আমরা যখন বলি সবকিছু দাতানির্ভর হয়ে গেছে তার মানে এই নয় যে, দাতারা অনেক বেশি ক্ষমতা অর্জন করেছে। বরং আমাদের দেউলিয়াত্বের জন্যই এমনটি ঘটেছে।’ "


লিখুন এই দেউলিয়াত্ব থেকে মুক্তির জন্য চাই দুর্বার গণজাগরন, সচেতনতা। একজন শ্যাভেজ চাই......একজন কিবরিয়া... একজন....
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: শ্যাভেজ আর কিবরিয়াকে এক লেবেলে ফালাইলেন?

১২১. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৯
বাংলার ছায়া বলেছেন: মাননীয় মন্ত্রী, আই এম এফ কে না বলুন। গাধাগুলো কিছুই জানে না। সময় দিতে হবে।
১২২. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
যীশূ বলেছেন: বুক টান টান করে দাঁড়াও !
১২৩. ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:০০
যুগান্তকারী বলেছেন: বস আপনার পোস্টের কিছুটা প্রথম আলো কপি পেস্ট মেরে প্রকাশ করেছে।শুধু সামান্য কাটছাট করেছে আর কি।তারাতারি এই ব্যাপারে পোস্ট দেন।লিঙ্কhttp://www.prothom-alo.com/fcat.news.details.php?issuedate=2009-04-27&nid=Mzg1MTc=&fid=MjY=
১২৫. ২০ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
ইমন বলেছেন: I could get a chance today to ask the question to one of World Bank person in a meeting today.

""Does World Bank really wants to see Bangladesh as a developed nation? "

Unfortunately he answered the truth "No, World Bank never want to make it happen, because then world bank will be out of business here".

many thanks for this post. People should realize It's time to stand against aid & stop inviting charity.
১২৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৮:০৬
র হাসান বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information

 

মোট সময় লেগেছে ১.২২১০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ