১৮ বছর বয়সে মেয়েরা ফুটবলের মতো, ২২ জন ছেলে কার পেছনে দৌঁড়াচ্ছে
বয়স যখন ২৮, মেয়েরা তখন বাস্কেটবলের মতো, ১০জন তার পেছনে।
৩৮ বছর বয়সে মেয়েরা যেন গলফ বল, মাত্র একজন পুরুষ তার পেছনে
৪৮ বছর বয়সে মেয়েরা যেন টেবিল টেনিস বল, একজন সর্বদা চেষ্টা করছে আরেকজনের দিকে ঠেলে দিতে।
অতএব ব্যাচেলর থাকলেই যে সব কিছু পাওয়া যাবে তা ঠিক না। আবার যারা পায় তারা পেতেই থাকে।
আমার একটা দাঁতের ডাক্তার বন্ধুর কথা বলি। তার উপেদশটা এই রকমম:
বান্ধবীকে টুথব্রাশের মতোই মনে করো। কখনো অন্যকে ব্যবহার করতে দেবে না, কিন্তু প্রতি তিন মাস পর পর নতুন একটা কিন্তু চাই।
সুতরাং দুইদিকেই বিপদ। তারচাইতে বিয়া করাই ভাল। সে আবার আরেক সমস্যা। কন্যার পিতাকে রাজী করানো এক বিশাল ঝামেলা। আগে যদি বান্ধবীদের টুথব্রাশের মতো ব্যবহার করে কেউ, তাহলে সমস্যা অনেক বেশি। সেই কাহিনীটা বলি।-
মেয়ের বাবা-দেখো আমি মেয়ের জন্য একজন দায়িত্বশীল ছেলে চাই। যাকে বলে রেসপনসিবল
ছেলে-আমিই তো সেই ছেলে। আমার চেয়ে রেসপনসিবল ছেলে আর কোথায় পাবেন। যেমন ধরেন, আমাদের পাড়ায় কোনো মেয়ে প্রেগনেন্ট হলেই সবাই বলে আমিই নাকি এর জন্য রেসপনসিবল।
সুতরাং দায়িত্বশীল ছেলে বলে প্রমাণ কইরা বিয়ে করা যাইতে পারে। আমি যখন ঠিক করছিলাম যে বিয়ে করবো তখন আমার এক বন্ধু এর উপকারিতার কথা কইছিল। আর সেইটা হইলো-
বিয়ে করলে বউয়ের কাছ থেকে সবর্দা সাউন্ড উপদেশ পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে ৯০ শতাংশ সাউন্ড আর ১০ শতাংশ উপদেশ।
তারপর বিয়া শেষ পর্যন্ত একটা করছিলাম। বিবাহিত হিসেবে কিছু পরামর্শ আমি দিতে পারি।
পরামর্শটা এরকম-
বেঁচে থাকার কী আর কোনো ইচ্ছা নাই? আত্মহত্যা করতে ইচ্ছা করছে?
তাহলে বৃদ্ধি একটাই, একটা পরামর্শ দেই।
এখনই মরতে চাইলে ফাঁসির একটা দড়ি নিয়ে এখনই ঝুলে পড়াই ভাল।
আর যদি পৃথিবীটা আরো কিছুদিন দেখতে ইচ্ছা করে, ধীরে ধীরে মরতে মন চায় তাহলে ফাঁসির দড়িতে কিছু পরিবর্তন করে তাতে কয়েকটি ফুল গুজে মালা বানিয়ে আশপাশের কোনো একটা মেয়েকে পরিয়ে দিলেই হয়, যার নাম নাকি আবার বিয়ে।
ব্যস এই তো হয়ে গেলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


