আমার প্রিয় পোস্ট

রাজনীতি ও অর্থনীতি এই দুই সাপ পরস্পর পরস্পরকে লেজের দিক থেকে অনবরত খেয়ে যাচ্ছে

একেকটি সত্য ঘটনা নিয়ে একাধিক পছন্দের ছবি

২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

শেয়ারঃ
0 2 0

সত্য ঘটনা অবলম্বনে অনেক ছবি হয়। আবার একই ঘটনা নিয়ে একাধিক ছবিও আছে। অনেক ক্ষেত্রে আবার ঘটনার আগে বা পরের কাহিনী নিয়েও ছবি হয়। এরকম অনেক বিখ্যাত ছবি আছে। এ ধরণের ছবিই আমাকে বেশি টানে। সত্য ঘটনা, পলিটিক্যাল বা কর্পোরেট ক্রাইম, সংঘাত-এসব বিষয়ের ছবিগুলোই আমার বেশি পছন্দ। এরকম কয়েকটা ছবি নিয়ে এই পোস্ট।

১। রোয়ান্ডার গণহত্যা-২০০৪: ২০০৪ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে রোয়ান্ডায় হুটুদের হাতে মারা যায় ৮ থেকে ১০ লাখ টুটসি। জাতিগত এই দাঙ্গা ঘটেছিল সভ্য এই দুনিয়ার সবার চোখের সামনে, জাতিসংঘকেও দায়ী করা হয় এজন্য।

১৯৯৪ সালে ১১ এপ্রিল রোয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট খুন হলে শুরু হয় গণহত্যা। হুতুরা সংখ্যাগরিষ্ট। তাদের হাতে মারা যায় টুটসিরা। জাতিসংঘ বাহিনী তখন ছিল রোয়ান্ডায় মতা ভাগাভাগি পর্যবেনে। গণহত্যা শুরু হলে স্কুলে ক্যাস্প করে জাতিসংঘ মিশন। একরাতে এখানে আশ্রয় নেয় আড়াই হাজার টুটসি। বাইরে তখন চলছে গণহত্যা। একসময় জাতিসংঘ বাহিনীও চলে যায়। ফলে গণহত্যা অনিবার্য হয়ে ওঠে।
এই ঘটনা নিয়ে দুটি ছবি আছে। দুটোই বিখ্যাত। ছবি দুটো দেখাই বিশাল অভিজ্ঞতা।
হোটেল রোয়ান্ডা-নতুন কিছু বলার নাই ছবিটা নিয়ে। অনেকেরই পছন্দের তালিকায় আছে
এইটা। রোয়ান্ডার গণহত্যা নিয়ে সেরা ছবি হোটেল রোয়ান্ডা। যাকে বলে আফ্রিকান সিন্ডার্স লিস্ট। গণহত্যা নিয়ে অন্যতম সেরা ছবি বলা হয় হোটেল রোয়ান্ডাকে। আবার ছবিটা নিয়ে সমালোচনাও আছে। যেমন রোয়ান্ডায় সে সময় অবস্থানরত ইউনাইটেড ন্যাশন অ্যাসিসট্যান্স মিশন ফর রোয়ান্ডা (ইউএনএএমআইএর)-এর ভূমিকা নিয়ে। বলা হয় তারা আসলে গণহত্যা থামাতে তেমন উদ্যোগ নেয় নাই। তাদের ভূমিকা ছবিটাতে সঠিকভাবে আসেনি।
হোটেল কর্মকর্তা পল একজন হুতু, তার বউ টুটসি। পল জীবন বাজী রেখে রা করেছিল হোটেলে আশ্রয় নেওয়া কয়েকশ টুটসিকে। এটা নিয়েই ছবি হোটেল রোয়ান্ডা। ২০০৪ এটি মুক্তি পায়।
শুটিং ডগস: সব টুটসি হোটেলে আশ্রয় নিতে পারেনি। ফলে বাঁচতে পারেনি বেশিরভাগ টুটসি। সেটি নিয়েই শুটিং ডগস ছবিটি। ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটির আরেকটি নাম আছে, বিয়োন্ড দ্য গেটস।

হোটেল রোয়ান্ডা দেখলে শেষ পর্যন্ত একধরণের ফিলগুড অনুভূতি হলেও এটি দেখে হয় না। কিভাবে গণহত্যা হয়েছে এবং জাতিসংঘের কি ভূমিকা ছিল তা অনেক বেশি পরিস্কার ভাবে এসেছে এই ছবিতে। দুর্বলচিত্তদের এই ছবি না দেখাই ভাল।

২. মিউনিক ম্যাসাকার: ১৯৭২ সালে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমস-এর সময় অলিম্পিক ভিলেজে ব্লাক সেপ্টেম্বর নামে একটি সশস্ত্র সংগঠন ইসরাইলি খেলোয়ারদের জিম্মি করে। এই ব্লাক সেপ্টেম্বর ইয়াসির আরাফাতের ফাতাহ গ্রুপের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। তাদের দাবি ছিল ইসরাইলি কারাগারের আটক ২৩৪ জনের মুক্তি। শেষ পর্যন্ত এই অভিযান সফল হয়নি। তারা ১১ ইসরায়লি খেলোয়ার ও কোচকে হত্যা করে। ৮জন ব্লাক সেপ্টেম্বর সদস্যের মধ্যে ৫ জন পুলিশের গুলীতে মারা যায়। বাকি তিনজনকে মুক্ত করতে ব্লাক সেপ্টেম্বর পরে জার্মানির লুফথানসার একটি প্লেন হাইজ্যাক করে এবং মুক্ত করে আনে। এই ঘটনা এবং পরের কাহিনী নিয়ে দুটো ছবি আছে।
আওয়ার্স অ্যাট মিউনিখ: ১৯৭৬ সালে এই ছবি মুক্তি পায়। জিম্মি ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত

পুরো ঘটনা নিয়ে এই ছবি। টান টান এই ছবিটা একদমই অন্যরকম।
মিউনিখ: ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবির পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ। মিউনিখ ম্যাসাকারের পরের ঘটনা নিয়ে এই ছবি। ঘটনার প্রতিশোধ নিতে ইসরায়লি গুপ্তচর সংস্থা

মোসাদ যেভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল, পরিকল্পনা করেছিল সেটি নিয়ে এই ছবি। বলা যায় মোসাদের প্রতিশোধ নেওয়ার ঘটনা নিয়ে এই ছবি।

৩. জন এফ কেনেডি হত্যাকান্ড: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি আততায়ীর গুলিতে মারা যায় ১৯৬৮ সালে। রহস্যময় এই ঘটনা নিয়ে দুটি ছবি হয়েছে।
ববি: এটি মুক্তি পায় ২০০৬ সালে। কেনেডির হত্যাকান্ডের সময় আশে পাশে থাকা কিছু মানুষের

প্রতিক্রিয়া নিয়ে এই ছবি। ছবিতে হত্যাকান্ডের বেশ কিছু প্রকৃত ফুটেজ ব্যবহার করা হয়েছে। এন্টনি হপকিন্স, ডেমি মুর, হিদার গ্রাহাম, হেলেন হান্টসহ অনেক বিখ্যাতরা অভিনয় করেছেন এই ছবিতে।
জেএফকে: অলিভার স্টোনের বিতর্র্কিত এই ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৯১ সালে। কেভিন কষ্টনার এর

মূল অভিনেতা। নিউ অর্লিন্স-এর একজন আইনজীবী কষ্টনার তদন্ত শুরু করে কেনেডি হত্যাকান্ডের। বেশকিছু প্রমান হাজির করে এবং কারা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত তাও প্রকাশ করে। এ নিয়ে সে সময় মহা বিতর্ক হয়েছিল। লম্বা এই ছবিটা টানা দেখতে একটু কষ্ট হয় না।

৪. নিক্সন ও ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি: নির্বাচন সংক্রান্ত গোপন তথ্য জানতে ডেমোক্রাটদের অফিসে গোপনে আড়িপাতা যন্ত্র বসাতে যেয়ে ধরা পরে ৫জন। পরে জানা যায় এরা প্রেসিডেন্ট নিক্সনের কর্মকর্তা। এর ফলে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হয় নিক্সনকে। এখনো যে কোনো রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ঘটলে তার নাম দেওয়া হয় ওয়াটারগেট। ডেমোক্রেটদের অফিস ছিল ওয়টারগেট কমপ্লেক্সে। এনিয়ে তিটি ছবি আছে।
নিক্সন: আবার অলিভার স্টোন। আর নিক্সন চরিত্রে এন্টনি হপকিন্স। ১৯৯৫ সালে এটি মুক্তি

পায়। নিক্সনের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবন নিয়ে এই ছবি। স্বাভাবিকভাবে বড় অংশ জুড়ে আছে ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি ও পদত্যাগের ঘটনা।
অল দি প্রেসিডেন্টস ম্যান: ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিল দুই সাংবাদিক।

ওয়াশিংটন পোস্টের বব উডওয়ার্ড এবং পল বার্নস্টেইন। প্রতিবেদন তৈরির পুরো ঘটনা এবং এর প্রতিক্রিয়া নিয়ে পুরো ছবি। তাদের সংবাদের উৎস ছিল ডিপ থ্রোট নামের একজন গোপন ব্যক্তি। অসাধারণ একটা ছবি। অ্যালান জে পাকুলার এই ছবি মুক্তি পায় ১৯৭৬ সালে। অভিনয়ে রবার্ট রেডফোর্ড এবং ডাস্টিন হফম্যান।
ফ্রস্ট/নিক্সন: পদত্যাগ করে এক প্রকার নির্বাসিত জীবন যাপন করছিলেন নিক্সন। মার্কিনীদের

ঘৃণার পাত্র সে। পদত্যাগ করলেও মুখ খোলেননি নিক্সন। ফ্রস্ট একজন অখ্যাত ব্রিটিশ সাংবাদিক। মোটা অর্থের বিনিময়ে সাাৎকার দিতে রাজী হয় নিক্সন। সেই সাাৎকার নিয়ে ছবি। অসাধারণ এক ছবি, অসাধারণ অভিনয়ের ছবি। ২০০৮ সালে এটি মুক্তি পায়, রন হাওয়ার্ড এর পরিচালক।

৫. ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার: ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার ঘটনা সবার জানা। সেই ফুটেজ চাইলে সবসময় দেখা যায়। মার্কিনীদের গর্ব চূর্ন করে দিয়েছিল এই হামলা। এর ফলাফল অবশ্য শেষ পর্যন্ত ভাল হয়নি। এই ঘটনা নিয়েও দুটো ছবি আছে।
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার: আবার অলিভার স্টোন, ২০০৬ সালে মুক্তি পায়। এটি মূলত উদ্ধার

অভিযানের পর উদ্ধারকারীদের বীরত্বের ছবি। অভিনয়ে নিকোলাস কেজ। দুই পোর্ট অথরিটি পুলিশ কর্মকর্তা তৎপরতা, বীরত্ব আর উদ্ধার অভিযানের ছবি। ঠিক হামলার পরের ঘটনা এর মূল বিষয়।
ইউনাইটেড ৯৩: ছবি হিসেবে এটিই বেশি ভাল। ইউনাইটেড ৯৩-এই ফাইটিও হাইজ্যাক হয়।

উদ্দেশ্য ছিল সম্ভবত হোয়াইট হল বা হোয়াইট হাউজে বিস্ফোরন। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি যাত্রীদের বীরত্ব ও ত্যাগের জন্য। ২০০৬ সালে এটি মুক্তি পায়। যাত্রীদের অভিজ্ঞতা, তাদের স্বজনদের আহাজারি। সবমিলিয়ে খুবই ভাল একটা ছবি।


প্রথম ছবিটি মিউনিখ ঘটনার প্রকৃত ছবি।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার প্রিয় মুভি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
ফেরারী পাখি বলেছেন: এইবার আমি প্রথম।

আবার প্রিয়তে নিলাম।

গতকাল অনেকদিন পর আনফেইথফুল দেখে অনেকদিন পর আবার মনটা খারাপ হল।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: প্রথম হওয়ায় অভিনন্দন।

মন খারাপ কেন? কার জন্য?

২. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: প্রিয়তে নেয়া ছাড়া তো কোন পথ দেখতাছি না। কী আর করা .......
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: কী আর করবেন!! নিয়াই ফেলেন।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: থেংকু

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: থেংকু

৬. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: লেখাজোকা ভাইয়ের সাথে একমত হয়ে প্রিয়তে নিলাম সাথে একখান + দিরাম।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: আছেন কেমন আপনারা?

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: ভাল তো।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। অনেকদিন পর দেখলাম।

৯. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩
অদ্রোহ বলেছেন: সবগুলাই গ্রেট ম্যূভি!!

ফ্রস্ট নিক্সন দেখলাম কিছুদিন আগে,মনে হল অস্কার জেতার ওটাই ছিল সবচে ডিসার্ভিং কণ্টেন্ডার।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: আমারও তাই মনে হয়।

১০. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
বকুল০৮ বলেছেন: ২টা মাইনাস কেন?
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: কে দিলো জানি না।

১১. ২৮ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: খালি শুটিং ডগস দেখসি।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: বাকিগুলাও দেখেন।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: হুমম

১৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৬
অপরিচিত_আবির বলেছেন: সত্য কাহিনী নিয়ে সবচেয়ে প্রিয় ছবি শিন্ডলার্স লিস্ট, লেটার্স ফ্রম ইয়োজিমা, জেফকে, হোটেল রোয়ান্ডা।

আর সত্য কাহিনী যদি মানুষের জীবনী হয় তাহলে এ বিউটিফুল মাইন্ড, সিন্ডারেলা ম্যান, রে, রেজিং বুল, মিল্ক, পারসুট অফ হ্যাপিনেস, ফাইর্ডিং নেভারল্যান্ড
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪০

লেখক বলেছেন: সত্যি কাহিনী এবং একই ঘটনা নিয়ে একাধিক ছবির কথাই খালি বলেছি এখানে।

১৪. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ২:১৭
অপরিচিত_আবির বলেছেন: অ্যাসাসিনেশান অফ জেসি জেমসও আমার প্রিয় ছবিগুলোর একটা। ছবিটার পয়েন্ট অফ ভিউ এবং শেষের কিছু মুহুর্তের জন্য।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: এটা দেখি নায়। ব্রাড পিটের এই ছবিটা দেখতে হবে।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন: থেংকু।

১৬. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
মুহিব বলেছেন: আপনার বিশাল কালেকশন। ছবি তেমন একটা দেখি না তবে আপনার ছবি নিয়ে লেখা পড়ি।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: দেখা তাহলে শুরুই করে দেন।

১৭. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
অন্যরকম বলেছেন: আসতাছি..... পরে পড়মু!
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে

১৮. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২০
আকাশচুরি বলেছেন: ভালো লাগলো:)

হোটেল রোয়ান্ডা দারুন একটা মুভি
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: একমত।

১৯. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬
সুবিদ্ বলেছেন: ২জনের ভালো লাগেনাই......এরা কারা??? এরা কি কাটপিস নির্মাতা???

বরাবরের মতোই দারুণ.....
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: কেন মাইনাস দিল কিছু তো বলে না। এইসব পাত্তা দেই না। তয় অনেকদিন পর মাইনাস খেলাম।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: থেংকু

২১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৪
পল্লী বাউল বলেছেন: আবারো সিনেমা নিয়ে পোস্ট
আবারো প্রিয়তে
এবং আবারো অনেক ধন্যবাদ।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো লাগলো।
না দেখা গুলো দেখে নেবো।

কাল ছোট ছেলেকে নিয়ে MONSTERS VS ALIENS দেখলাম থিয়েটারে।
ভাবছিলাম মনেহয় মাথা ব্যথা হবে।
অথচ বেশ ভালো লাগলো।

ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: বাচ্চারা পছন্দ তো করবেই। ভাল লাগে বড়দেরও। তবে এটা এখনো দেখা হয়নি। আসলে অনেক ছবি জমে থাকে, সময় পাই না। আর দেখি সব ধরণের ছবিই।
খুব সখ করে জুলিয়া রবার্টস এর নতুন ছবিটা দেখতে বসছিলাম। ডুপ্লেসিটি। খুবই বোরিং লাগলো।

২৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
দূর্ভাষী বলেছেন: লেটে হাজিরা দিয়ে ও প্রিয়তে নিলাম
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: কোনো ব্যাপার না।

২৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার সব ছবির একটা সংগ্রহ করলেন। আপনার প্রতি পোস্টে যেটা হয়, বেশির ভাগ ছবিই আমার না-দেখা থাকে। তাই বেশি কিছু বলতে পারি না। তবে ঠিকই খুঁজে খুঁজে অনেকগুলো ছবি দেখেছি আপনার পোস্ট থেকে রিভিউ পড়ে। সেজন্য আপনার প্রাপ্য বিরাট ধন্যবাদটা জানানোই হয় নাই কখনও মাসুম ভাই!

আজকে বিরাট বিশাল করে একটা ধন্যবাদ জানাচ্ছি!!! :)
===
সত্য ঘটনার মধ্যে এগুলো একেবারে আন্তর্জাতিক রাজনীতির তোলপাড় করা ঘটনা! সে কারণেই হয়তো বেশির ভাগ ঘটনার সাথে জড়িত মুভিগুলো দেখা হয়েছে। না-দেখা এখানেও কয়েকটা আছে, সংগ্রহ করে নিবো! :)
===
আমার নিজস্ব পছন্দ অবশ্য মানুষের জীবনের সত্য ঘটনা, কোন রেকর্ড করা অর্জন, খেলাধুলার উপরে বানানো সত্যঘটনা, একেবারে শূন্য থেকে লড়াই করে জিতে ওঠা মানুষের গল্প! (এই কারণে ফ্রস্ট নিক্সন দেখে "সেইরকম" মজা লেগেছে!)
এরকম কিছু মুভি নিয়ে আরেকটা পোস্ট দিতে পারেন (আমারও কিছু না-দেখা মুভির তালিকা হবে)। :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: এই জাতীয় ছবি আমারও প্রিয়। তবে তালিকা করতে হলে সময় লাগবে। সময় করে সেটাও করবো। সত্য ঘটনা নির্ভর ছবি আমার সর্বোচ্চ পছন্দ।

২৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৬
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: হোটেল রোয়ান্ডা, মিউনিখ ম্যাসাকার আর ডব্লিউটিও দেখেছি ভাইয়া! সবকয়টা আলাদা সময়ে দেখা তাই সেরা বিচার করতে পারবো না। প্রত্যেকটা ছবি অসাধারণ!!! আপনার টুকরো আর্কাইভটা শোকেইস-এ রেখে দেই, সময় মিললে যোগাড় করে বাকিগুলো দেখে ফেলবো! :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৩

লেখক বলেছেন: বাকিগুলাও দেখতে পারেন। ভাল লাগবে। বিশেষ করে ফ্রস্ট/নিক্সন দেইখেন। আমার ভীষন পছন্দের ছবি। শুটিং ডগস না দেখলে রোয়ান্ডা গণহত্যার পুরোটা বোঝা যায় না।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪৯
ঊশৃংখল ঝড়কন্যা বলেছেন: হিহিহি ...ভাইয়া... টাইপো : **ডাব্লিউটিসি**
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: সমস্যা নাই আপু। বুঝতে পারছিলাম।

২৯. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৩
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: এত অজস্র মুভি কোথা থেকে কালেক্ট করেন ভাইয়া? নেট থেকে? নাকি ডিভিডি কিনে?
০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৭

লেখক বলেছেন: আমি ডিভিডি কিনি। নেট থেকে নামাতে শিখি নাই এখনো।

৩০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
ববি দেখা হয় নাই এখনো- ইনশাল্লাহ........ দেখে ফেলব।
৩২. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
তার ছিড়া 74 বলেছেন: 'অল দ্য প্রেসিডেন্টস ম্যান', ওয়াটার গেট নিয়া সেরা মুভি। 'গরিলাস ইন দ্য মিস্ট', রুয়ান্ডার জঙ্গলে গরিলাদের নিয়া কাজ করা এক মহিলার ওপরে, পরে গরিলাদের হাতেই মারা গেসিলেন, সিগুরনি ওয়েভারের অসকার পাওয়া উটিত আসিলো। 'এ ক্রাই ইন দ্য ডার্ক', এক অস্ট্রেলিয়ান মহিলার বিচার হইসিলো তার বাচাচারে খুন করার পরাধে, মহিলা কইসিলো একটা ডিঙ্গো তা বাচাচ নিয়া গেসে.. খালি কমু মেরিল স্টিপ... দ্য অ্যাকিউজড (আপনারতো এই নামটা ভুলার কথা না), 'গ্লোরি' ডেনজেল ওয়াশিংটন অস্কার পাইসিলো প্রথমবার।
মিসিসিপি বার্নিং...১৯৬৪ সালে সাদাগো হাতে তিন কালো নেতার মার্ডার তদন্ত করতে প্রচণ্ড বর্নবাদী এক শহরে আসে এফবিআইএর ২ গোয়েন্দা ক্লাসিক... 'লাস্ট এম্পেরর' চীনের শেষ সম্রাটের ওপরে যারে জোর কইরা নির্বাসন দিসিল। ‌'আমাদিউস' মোসার্টের ওপরে, 'ক্রাই ফ্রিডম' দক্ষিণ আফ্রিকার এক কালো নেতা স্টিভ বিকোর ওপরে, আরো আসে নাম মনে আসতেসে না...............
২৩ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: জামান ভাই এইটা দেখতে পারেন।
Click This Link

৩৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মাসুম ভাই , অনেকদিন মুভি নিয়ে পোস্ট দেন না , কি মুভি ডাউনলোড করব , খুঁজে পাচ্ছি না

আর্জি জানিয়ে গেলাম নতুন পোস্টের
৩৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩১
নীড় ~ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট
৩৭. ২৬ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১০:৫৯
নীল অ্যাপাচী বলেছেন: প্রথম ২টা ছবির ডাউনলোড লিংক কেউকি দিতে পারবেন?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে
বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে
ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ