somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... নেবে আমায়?
আমার চোখদুটি নিয়ে নাও,
কিন্তু কিছু রঙ্গিন স্বপ্ন দিয়ে যাও-
যেসবের মাঝে আমি তোমার অস্তিত্ব খুঁজে পাবো।
পুরো জীবন নিয়ে নাও
কিন্তু এক মূহুর্তের ভালোবাসা দিয়ে যাও।
আমার মস্তিষ্ক নিয়ে নাও
কিন্তু কিছু সুখস্মৃতি দিয়ে যাও।
.......
বাকী সবকিছু ছাড়ো –
একবার আমার হৃদয়টা নিয়ে নাও?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28805532 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28805532 2008-06-02 18:28:07
কাছে এসেও তুমি দূরে চলে যাও বার বার!!!! ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28791841 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28791841 2008-04-27 19:52:09 আমি একজন যন্ত্র-প্রকৌশলী http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28773984 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28773984 2008-02-25 17:33:26 রুম বদল

একাকীত্ব

একাকীত্ব মানে একটা উপন্যাস,
একাকীত্ব মানে ডুবে যাওয়া চাঁদ,
একাকীত্ব মানে একটা সিগারেট,
একাকীত্ব মানে তোমার স্মৃতি,
একাকীত্ব মানে রুম নাম্বার-১২,
একাকীত্ব মানে সংজ্ঞাবিহীন এক উপমা।

আসলে রুম বদলানোর প্ল্যান ছিলনা কিন্তু কিছুদিন আগে গ্যাস হিটার থেকে আমার পাশের রুমে আগুন লেগে যায়। আগুন থেকে পুরো এ-ব্লক এর ডেকোরেশন নষ্ট হয়ে যায়। যদি রেস্কিউ-১১২২ ওয়ালারা যদি আমাকে জানালা ভেঙে বের না করত আমি শ্বাসরুদ্ব্দ হয়ে মারা যেতে পারতাম(আল্লাহ বাঁচাইছে-একখান কঠিন চিৎকার দিছিলাম save me কইয়া)।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28760408 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28760408 2008-01-12 22:31:02
ঈদ মোবারক ব্লগবাসী চীফ লিগ্যাল এডভাইসর। এবোটাবাদ খুব বিখ্যাত একটা জায়গা। পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমি এখানে অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যেও এই জায়গা খুব বিখ্যাত। আজ কাল ওখানকার তাপমাত্রাও অনেক কম-প্রায় ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সবাই ভাল থাকবেন। ঈদ মোবারক!!!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28752837 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28752837 2007-12-20 11:32:28
৪র্থ ১৬ ডিসেম্বর

পরাগ জাফর সিদ্দিক



(১)
“দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই,
মুক্তিযুদ্ধ হয়নি,হয়েছে গৃহযুদ্ধ”--
হায়রে বাঙালী-
বিজয়ের ৩৬ বছর হয়ে গেলো
তবুও মানুষ হতে পারলিনা!
রবি বাবুকে কি তাহলে ঠিক ধরে নিবো!!??
সত্যিই কি বিচিত্র সেলুকাস আমাদের দেশ!

শিক্ষক অধিকার নিয়ে কথা বললে তার বিচার হয়,
মন্ত্রী চুরি করলে বিচার হয়,
কিন্তু দেশাদ্রোহীদের বিচার বাংলাদেশে হয়না;
তারা বলে-
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা আমাদের দায়িত্ব নয়!!!

(২)
সিডরের চোখ থাকতেও সে অন্ধ ,
কিন্তু বাঙালী আজ নিজের চোখ দিয়ে দেখতে শুরু করেছে,
লক্ষ থেকে হাজারে চলে এসেছে প্রান হানি,
বাঙালী বাঁচতে শিখে গেছে,
একে অপরের পাশে দাঁড়াতে শিখে গেছে।

সেইদিন দূরে নেই যেদিন
রাজাকারদের টুঁটি চেপে ধরবে
আর আদায় করে নিবে তাদের অধিকার।

(৩)
চলুন আমরা ৩৬ তম বিজয়ের দিনে অঙ্গীকারবদ্ধ হই
৩০লক্ষ শহীদের জীবন বৃথা যেতে দিবনা
আমরা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলবো-
জয় বাংলা।

১৬ ডিসেম্বর,২০০৭
রাওয়ালপিন্ডি






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28751971 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28751971 2007-12-16 15:33:37
১৬ ডিসেম্বর সিরিজের ৩য় কবিতা!
বিজয়ের আজ ৩৫ বছর,
তবুও আজো কেন চলে মিথ্যে ক্রন্দন?
আজো কেন চলে নস্টালজিয়ায় ডুবে থাকা?
অনেক হয়েছে ক্রন্দন,
অনেক হয়েছে নস্টালজিয়া,
অনেক হয়েছে ইতিহাস নিয়ে লুকোচুরি,
এবার তোমরা খোলস পাল্টাও।

১৬ ডিসেম্বর বাঙালীর বিজয়,
১৬ ডিসেম্বর বাঙালীর হাসি,
১৬ ডিসেম্বর বাঙালীর ঈদ,
১৬ ডিসেম্বর বাঙালীর দূর্গাপূজা,
১৬ ডিসেম্বর বাঙালীর বড়দিন,
১৬ ডিসেম্বর বাঙালীর বৌদ্ধ-পূর্ণিমা।

কিন্তু আজ ধ্বংসের মাঝে রক্তের উল্লাস,
অমানিশার কালো হাত আর
জাতির ভবিষ্যতে প্রলয়ংকারী সুনামির পূবাভাস,
আজ কোথায় বিজয় দিবসের স্পৃহা?
কোথায় সেই উদ্দ্যম?

গণতন্ত্রের আড়ালে রাজতন্ত্রের নগ্ন-নৃত্য,
রাজনীতির নাম করে ভন্ডামি,
রাজপথ মানে রক্তাক্ত প্রান্তর,
সভা মানে বোমা......... আর কত?

আজ কোথায় বাঙালীর ঐক্য?
আজ কোথায় সেই একাত্তরের বিবেক?
আজ কোথায় ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়োৎসব?

আজ বাংলাদেশ মানে রাজাকারের উৎফুল্ল পদচারনা,
আজ বাংলাদেশ মানে জঙ্গিবাদ,
আজ বাংলাদেশ মানে হরতাল-অবরোধ,
আজ বাংলাদেশ মানে দুর্নীতিতে নাম্বার -১,
..............আর কত?


এবার তোমার ভোল পাল্টাও,
কাঁধে লাল-সবুজের পতাকা আর হৃদয়ে দেশপ্রেম নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হও
একাত্তরের চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত কর,
এক সুখী-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোল।

তারিখঃ১৬/১২/২০০৬
রাওয়ালপিন্ডি


২০০৬ সালের ১৬ ডিসেম্বরে লেখা কবিতা। এবারের ১৬ ডিসেম্বরের কবিতাটাও আসবে............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28750392 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28750392 2007-12-09 12:55:08
১৬ ডিসেম্বর সিরিজের দ্বিতীয় কবিতা!
পরাগ জাফর সিদ্দিক


দ্বিতীয় ১৬ ডিসেম্বর,
দ্বিতীয় দীর্ঘশ্বাস,
দ্বিতীয় দুঃস্বপ্ন,
সেই ঘৃণ্য দেশটাতে।


বিজয়ের ৩৪ বছর দেখ
হে পাকিস্তান,
১৪কোটি বাঙ্গালীর হাসি দেখ,
হে পাকিস্তান।

আমার চারপাশে ঘৃণ্যদের বসবাস,
কিন্তু --
আমার চোখে ভাসছে-
লাল-সবুজের পতাকা,
কানে আসছে সোনার বাংলার সুর,
দীর্ঘশ্বাসটা পরিণত হচ্ছে হাসিতে।

হা! হা! হা !
পাকিস্তান
বিজয়ের হাসি দেখ,
বাঙ্গালীর হাসি দেখ।

তারিখঃ১৫/১২/২০০৫
রাওয়ালপিন্ডি

(পাকিস্তানে আমার ২য় ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে লেখা)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28749596 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28749596 2007-12-05 20:10:41
পাকিস্তানে আমার প্রথম ১৬ ডিসেম্বর পরাগ জাফর সিদ্দিক


১৬ ডিসেম্বর
নিয়াজীর এক দলিলে দস্তখত,
১৬ ডিসেম্বর
মুক্তিবাহিনীর বিজয়,
১৬ ডিসেম্বর
বাঙালীর হাসি,
১৬ ডিসেম্বর
লক্ষ ছেলের মায়ের কোলে ফেরা,
১৬ ডিসেম্বর
এক অতি আপন অনুভূতি,
১৬ ডিসেম্বর
জয়বাংলা,
১৬ ডিসেম্বর
বাংলাদেশ।

তারিখঃ১৬/১২/২০০৪
রাওয়ালপিন্ডি
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28748989 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28748989 2007-12-02 17:58:55
সিগারেট আমি কিন্তু ভুলে গেছি,
কাঁদার স্থানটা দখল করে নিয়েছে সিগারেট,
মুখ-নি:সৃত ধোঁয়া দু:খগুলোকে
গলাধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়,
কিন্তু ফুটো করে দেয় ফুসফুসটাকে-
তাতে আমার কি ?
দু:খের চেয়ে ছিদ্র-বিছিদ্র ফুসফুস অনেক ভালো।
তোমরা কি আমায় একটা সিগারেট দেবে??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28747759 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28747759 2007-11-26 19:58:30
যখন জলবসন্তের রোগী শুধু মুভি দেখেছি। বিশাল একটা লিস্ট হয়ে গেছে। বাকী জীবনে এত মুভি দেখিনাই।
মুভির লিস্টটা দেখেন:
১.গডফাদার
২.প্যানস ল্যাবরিন্থ
৩.দি গানস অফ নাভারন
৪.দি লাস্ট কিং অফ স্কটল্যান্ড
৫.দি পারসুট অফ হ্যাপিনেস
৬.৮৮ মিনিট
৭.আমেরিকান গ্যাংস্টার
৮.মিউজিন এন্ড লিরিক্স
৯.দি কাউন্ট অফ মন্টে ক্রিস্ট
১০.বাবেল
১১.দি পিয়ানিস্ট
১২.হ্যাভক
১৩.ক্যাওয়াস
১৪.ওয়েডিং ক্র্যাশারজ
১৫.রোড ট্রিপ
১৬.সিটিজেন কেইন
১৭.ব্লাড এন্ড চকলেট
১৮.ওম শান্তি ওম
১৯.সাওয়ারিয়া
২০.ক্রান্তি (কলকাতা)
২১.জীবন থেকে নেয়া (রাজ্জাক)
২২.আহা
২৩.অপুর সংসার
২৪.অপরাজিত
২৫.শঙ্খনীল কারাগার
২৬.দারুচিনিদ্বীপ
২৭.ভুবন সোম
ব্যস মাত্র এই কয়টাই। ডাক্তার বলেছে আরো ২-৩ দিন লাগবে বসন্ত শুকাতে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28746405 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28746405 2007-11-19 17:30:47
আমার লেখা একটি কবিতা! পরাগ জাফর সিদ্দিক

তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেছো,
তাই আমি তোমাকে ভালবাসতে ভুলে গেছি।
আমি ঘৃণা করতে শিখে গেছি;

ভালবাসা নামের সেই তথাকথিত
অচিন পাখিটির মুখে আমি
একদলা থুথু ছিটিয়ে দিতে চাই।

আমি ভালবাসাকে ঘৃণা করি,
আমার সেই এক সময়ের প্রেয়সীকে
আমি ঘৃণা করি।
জীবনের প্রতি পদক্ষেপে
আমি তার ব্যথতা কামনা করি।
তার জীবন হয়ে উঠুক কাঁটাময়,
তার সংসার জীবন হয়ে উঠুক জ্বালাময়,
সে হয়ে উঠুক মৃতবৎসা।
সে পদে পদে অনুভব করুক
ভালবাসাকে অবহেলা করার করুন পরিণতিকে।

আমি ঘৃণা করতে শিখেছি,
আমি অভিশাপ দিতে শিখেছি,
কিন্তু তোমায় ভুলতে শিখিনি।

তারিখঃ১৭/০৪/০৪
ঢাকা
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28744008 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28744008 2007-11-09 19:19:21
ঈদটা শেষ হয়ে গেলো!!??
পেশোয়ারের প্রধান সমস্যা খাবার দাবার নিয়ে।পেশোয়ারী পাঠানদের খাদ্যভ্যাস আমাদের থেকে অনেক ভিন্ন। কিন্তু রাতের বেলায় ক্যান্টিনে খাবার ছাড়া আর কোন ব্যবস্থা ছিলোনা। রাতের খাবার খায়ে শুরু হলো আড্ডা,গান,তাস।সেহেরীর সময় আমরা আবার ভাত-মাংস খেয়েছি পুরা-পুরি আমাদের দেশি রান্না না হলেও একেবারে খারাপ ছিলোনা।এরপর ভোর বেলায় ঘুমুতে গেলাম।উঠলাম একেবারে ৩টার সময়। কিছুক্ষণ ফুটবল খেললাম সবাই।ইফতারির সময় প্রায় হয়ে এলো,তাই ইফতারির কিছু ব্যবস্থা করতে হবে।সবাই মিলে প্ল্যান করলাম বাইরে গিয়ে ইফতারি করবো।ইফতারি করেই চলে যাবো আন্টির বাসায় তাই সবাই নিজের নিজের ব্যাগ সাথে নিয়ে নিলাম।খাসির কড়াই খেলাম আমরা।কিন্তু ওটাতে কোন স্বাদই পেলাম না -মসল্লা ছাড়া কি খাবারে স্বাদ হয়?পেটে অনেক খিদে ছিলো তাই খেয়ে ফেলেছি।কিন্তু আমাদের ইমন ভাই খেতে পারলনা।আপাতত আর কোন অল্টারনেটিভ খাবারের ব্যবস্থা নেই তাই ইমন ভাই কে অভুক্তই থাকতে হল।সুজন আর তার দলকে পাঠিয়ে দেয়া হল বাজার করতে আর আমরা বাকীরা চলে গেলাম আন্টির বাসায়।
আন্টির বাসা বিশাল বড়। আন্টি-আংকেলের বেডরুমটা ছাড়া বাকি সবগুলো রুমই আমাদের জন্য উন্মুক্ত। এখানেও আমরা নিজের নিজের মত জিনিস নিয়ে বসে গেলাম। নিচের রুম হচ্ছে তাসের রুম। চার জন চার জন করে দুই পার্টি বসে গেল ২৯ খেলতে। আরো কিছু লোক চলে গেলে লনে ব্যাডমিন্টন খেলতে। আর আমি তৌহিদ আরিফ আরো কয়েকজন চলে গেলাম উপরের রুমে টিভি দেখতে। কতদিন পরে বাংলা টিভি চ্যানেল গুলো দেখছি!টিভি থেকে জানতে পারলাম যে কাল ঈদ হচ্ছে না।তাই আমাদের আরেকটা রোজা রাখতে হবে।কি আর করা-সেহেরীর আয়োজন করতে হবে । একটু পরে সুজন এল বাজার থেকে। আমরা রাত ১টার দিকে রান্না-বান্না শুরু করব। এর মধ্যে ইমন ভাই পিজা আনাল ,আমরা সবাই পিজা খেলাম। এর মধ্যে নাসির ভাই খবর দিল ফ্রিজে চিংড়ি আছে,কিন্তু মাত্র ৮-১০টা চিংড়ি সবার ভাগে পড়বেনা। আমি একটা ষড়যন্ত্র করলাম। পেশোয়ারে আমাদের এক ছোট ভাই আছে রাসেল-সে আবার ভাল রান্না করতে পারে। তাকে বললাম চিংড়ি রান্না করতে আমি আর রাসেল খেয়ে ফেলবো। প্রথমে রাসেল বলল সে পারবেনা,কিন্তু একটু পরে এসে বলে “পরাগ ভাই আসেন চিংড়ি রান্না করি।” আমারে আর পায় কে! পেঁয়াজ-রসুন কেটে দিলাম আর রাসেল রান্না করল।সেই রকম রঙ হয়েছে চিংড়ির (আমার তো প্রায় জিভ দিয়ে লালা বেরুচ্ছে!)। হঠাৎ করে রান্নাঘরে রফিক ভাই এসে হাজির। চিংড়ি দেখে তার চোখও ছানাবড়া। অগত্যা তাকেও ভাগ দিতে হল;সে সবার কাছে ফাঁস করে দিবে।আমরা তিনজন চিংড়ি দিয়ে খেয়ে ফেললাম;তবে লিও ও আবার ২টা চিংড়ি খেয়েছে। সেহেরীর সময় খাবার রান্না হল।এর মাঝে কিভাবে জানি ফাঁস হয়ে গেলো যে “পরাগ চিংড়ি খেয়ে ফেলেছে।”তখন আমি বললাম আমি তো একা খাইনি। আমার সাথে রাসেল,রফিক ভাই আর লিও ও ছিল।কিন্তু কেউ মানতে নারাজ। আমাকে উপাধি দেয়া হল “চিংড়ি চোর”। সবাই প্ল্যান করলো আগামীকাল চিংড়ি কিনে আনা হবে বাজার থেকে আর আমাকে না দিয়ে খাওয়া হবে। আমিও মেনে নিলাম। রাতের বেলা আমাকে গান ও বানানো হল,ইমন ভাই আবার গীটার দিয়ে গানে সুর ও তুললেন। এদিনও ভোর বেলায় ঘুমুতে গেলাম। উঠলাম সেই ২.৩০-৩.০০টার দিকে। এবার ইফতারির ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আর সুজন বাজারে গেলাম ইফতারি কিনতে।আচ্ছা একটা কথা বলা হয়নি যে-পেশোয়ারীরা একদিন আগেই ঈদ করে ফেলে। তাই বাজারে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া চলছে আর ইফতারির কোন নাম-নিশানা নাই। তাও কিছু ফল,সবজি আর সিগারেট কিনে বাসায় ফিরলাম।কুক আরিফ,রাসেল আর নাসির ভাই ঠিক করলেন ইফতারির সাথে সাথেই আমরা ডিনারটা সেরে ফেলব;রাতের খাবারও রান্না হয়ে গেল। ইফতারি করলাম আর রাতের খাবার খেলাম। কাল ঈদ হবে কত মজা! গতদিনের মত সবাই নিজের কাজ নিয়ে বসে গেল। ঈদ-মোবারক ওয়ালা মেসেজ আসছে মোবাইলে। আমি চিন্তা করলাম আম্মুর সাথে কথা বলে ফেলি। অনেকক্ষণ ট্রাই করলাম কিন্তু দেশে ফোন যায়না,পরে ল্যান্ড ফোনে করলাম,লাইন পেলাম কিন্তু একটুপরেই লাইন টা কেটে গেল। সেই সাথে মনটাও খারাপ হয়ে গেলো। টিভি থেকে আওয়াজ আসছে “রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ!”যাই হোক এভাবে টিভি দেখেই পার হয়ে গেলো সময়টা। সকাল বেলা নামাজ পড়লাম। রান্না-বান্না করতে হবে।আমাদের জুনিয়র ছেলেরা ঘোষণা করেছে যে আজকে তারা কোন কাজ করবেনা। তাই আমরা যারা সিনিয়র আছি তাদেরই কাজ করতে হবে।তৌহিদ আর ইমন ভাই কে অনেক ভাবে রিকোয়েস্ট করা হল কাজ করতে কিন্তু ওরা কোন কাজ করলো না।আমিও রাগ করে বললাম তৌহিদ আর ইমন ভাই আজকে খাবার পাবেনা। আমি,লিও ,মুরাদ আর সুজন কাটাকুটি করলাম আর আরিফ আর আর নাসির ভাই রান্না করলো। খাবার খেয়ে শুরু হলো আড্ডা।আমি, লিও আর রফিক ভাই জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করলাম। একটু পরে শুরু হল ড্যান্স পার্টি। ইচ্ছে মত উল্টা-পাল্টা নাচ। সন্ধ্যা বেলায় আমাদের এক বড় ভাই এলেন-আইজ্যাক ভাই- একজন ব্যারিস্টার আর এখানে এক নরওয়েজিয়ান কোম্পানিতে কাজ করছেন। উনি আবার তাস খেলার উস্তাদ। এসেই লেগে গেলেন তাসে। একটু পরে এলেন আরেক বড়ভাই-জয় ভাই। উনি হচ্ছেন ডাক্তার আর এখানে এসেছেন তাবলীগের কাজে।জয় ভাই খুব ভাল রান্না করতে পারেন। উনি রান্নাঘর গুছিয়ে রান্না শুরু করলেন। এখন আবার তৌহিদ ও কাজ করছে। সে বলল- সে দিনের বেলায় খাবার খায়নি- হাঙ্গার স্ট্রাইক করছে (অথচ আমরা কেউ জানিনা)। রাতের বেলায় জয় ভাই পোলাও-কোর্মা রান্না করলেন।সবাই খুব মজা করে খেলাম। এরপর আড্ডা দিতে দিতেই শেষ হয়ে ঈদের দিনটা। এরপর চলে আসার পালা। কত মজা করলাম আমরা সবাই একসাথে। পরদিন গানের আসর হল এরপর এক এক করে আমরা সবাই বিদায় নিলাম। এভাবেই শেষ হয়ে গেল আমাদের ঈদ!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28738632 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28738632 2007-10-20 17:01:24
ঈদ করতে পেশোয়ার যাচ্ছি! হু! হা! কাল যাচ্ছি আমরা। ১৫ তারিখ পর্যন্ত থাকব।
ঈদের শুভেচ্ছা রইল! ভাল থাকবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28736766 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28736766 2007-10-10 22:52:51
আবার চলে এলাম ভিনদেশে ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28734947 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28734947 2007-10-02 01:18:47 কাল দেশে যাচ্ছি..কতো মজা এক বছর পর দেশে যাচ্ছি।যদিও এই সময়টা খুব মজার সময় না,কারন চারিদিকে বন্যা।তবে বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু ,আর এই সময় বাঙলা সাজে অপরূপ রূপে.....তাকে যতই দেখি,ততই মুগ্ধ হই আর পরানে বাজে মধুর বীণা...। আর একটা ব্যাপার, বর্ষায় আমাদের দেশে যেসব ফল পাওয়া যায় ,তাতো আর কোথাও পাওয়া যায়না..ও আর একটা জিনিস যার কথা না বললেই নয়...বলুনতো কি?...হুম্ কদম ফুল....বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল,আমায় করেছ দান....। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28724653 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28724653 2007-08-08 02:51:56 বিকর্ষণ
পৃথিবীর ঘূর্ণনের সাথে সাথে গোটা বাংলাদেশও যেন ঘুরছে,
ঘুরছে প্রতিটি মানুষ- তার নিজের অক্ষের উপর,
দূরে সরে যাচ্ছে সবাই সবার থেকে,
কেন্দ্র-বিমুখী বল আরো সক্রিয় হয়ে উঠছে,

দেহের সাথে সাথে মন ও ঘুরছে,
আবার সেই কেন্দ্র-বিমুখী বল,
অসহায় মন ও চলে যাচ্ছে দূরে-বহুদূরে।
শুধুই বিকর্ষণ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28717442 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28717442 2007-06-24 12:29:46
আমি এবং পাকিস্তান - ০৩ http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28711067 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28711067 2007-05-17 17:20:46 ডিজেল ইঞ্জিনের দক্ষতা বেশি হওয়া সত্ত্বেও গ্যাসোলিন ইঞ্জিন কেন বেশি ব্যবহৃত হয়?
১.ডিজেল ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও (compression ratio) বেশি (ডিজেল ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও ২০:১ অপর দিকে গ্যাসোলিন ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও ৮:১) হবার কারনে ইঞ্জিনের আকার অনেক বড় এবং ভারী হয়ে যায়।

২. ডিজেল ইঞ্জিনের দাম ও অনেক বেশি হয়।

৩. ডিজেল ইঞ্জিনের ওজন এবং কম্প্রেশন রেশিও বেশি হবার ফলে সর্বোচ্চ প্রতি মিনিটে ঘূর্ণন সংখ্যা (maximum RPM) গ্যাসোলিন ইঞ্জিন থেকে অনেক কম হয়। কম্প্রেশন রেশিও বেশি হবার ফলে ঊচ্চ টর্ক উৎপন্ন হয়, কিন্তু উচ্চ শক্তি (হর্সপাওয়ার) উৎপন্ন করতে পারেনা,ফলে গাড়ির গতি বৃদ্ধি করা যায় না।

৪. ডিজেল ইঞ্জিনে ফুয়েল ইঞ্জেক্ট করতে হয়,যা অতীতে অনেক ব্যয়বহুল ছিল।

৫. ডিজেল ইঞ্জিন বেশি ধোঁয়া উৎপন্ন করে এবং বাজে গন্ধ বের হয়।

৬. শীতের দেশে ডিজেল ইঞ্জিন চালু করতে অনেক সমস্যা হয়। আর সেজন্য ইঞ্জিন গরম করতে গ্লো-প্লাগ ব্যবহৃত হয়,যার জন্য গাড়ী স্টার্ট করতে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।

৭. ডিজেল ইঞ্জিন অনেক শব্দ করে চলে আর অনেক বেশি কম্পন সৃষ্টি করে।

৮. গ্যাসোলিন ফুয়েল ডিজেল ফুয়েল থেকে অনেক সহজলভ্য।



এই সব অসুবিধার কারণে ডিজেল ইঞ্জিন সাধারণ ভাবে ব্যবহার করা হয় না। তবে ডিজেল ইঞ্জিনের কিছু সুবিধাও আছেঃ ১.সস্তা ফুয়েল এবং ২.ইঞ্জিনের দীর্ঘায়ু।



তথ্যসূত্রঃযড়ংিঃঁভভড়িৎশং.পড়স ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28708737 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28708737 2007-05-02 19:45:04
বেনাপোল থেকে ওয়াগা-শেষ পর্ব
যাত্রাটার কথা চিন্তা করলেই আমি শিহরিত হই,পুলকিত হই আর ভাবি বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান এর মাঝে যেমন সম্পর্কই হোক না কেন, আমি এই তিনটি দেশকে একই মালায় গেঁথেছি। বেনাপোল থেকে ওয়াগা কী অপূর্ব এক সেতুবন্ধন!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28707096 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28707096 2007-04-20 15:40:51
বেনাপোল থেকে ওয়াগা-০৫ আমরা অবাক হয়ে স্বর্ণ-মন্দির এর নির্মাণশৈলী দেখলাম। পুকুরের মাঝখানে ছোট একটা সোনালী রঙয়ের মন্দির আর ভেতরে ধর্মীয় গান হচ্ছে। এরপর আমরা গেলাম জালিয়াওয়ালাবাগ এ। ব্রিটিশ জেনারেল ডায়ারের কুকীর্তি আজও বিদ্যমানওখানে । এই পুরো জায়গাটি ইন্ডিয়ান কংগ্রেস কিনে নিয়েছে আর রক্ষণাবেক্ষণ করছে। ঘুরাঘুরি শেষে আমরা রাতের খাবার খেয়ে হোটেলে ফিরলাম।লম্বা সফর করে শরীর অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছে তাই একটু তাড়াতাড়িই ঘুমিয়ে পড়লাম। অমৃতসার থেকে সকাল ৭.৩০টায় ট্রেইন যাবে আটারীতে আর সকাল ৯.৩০টায় আটারী থেকে ট্রেইন ছাড়বে পাকিস্তানের ঊদ্দেশে।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28706530 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28706530 2007-04-17 01:26:12 বেনাপোল থেকে ওয়াগা-04 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28702066 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28702066 2007-03-13 12:38:50 বেনাপোল থেকে ওয়াগা-03
..........Lets explore KOLKATA!!! কিন্তু পেটে যে ছুঁচো দৌঁড়াচ্ছে, আগে একপেট খেয়ে নিতে হবে। পাশেই নিউমার্কেট, বাস কাউন্টার-ওয়ালা বলল একটা টাঙ্গা নিয়ে চলে যেতে। টাঙ্গা দেখতে আমাদের রিকশার মতই কিন্তু এতে কোন প্যাডেল নাই,ঠেলা গাড়ির মত মানুষ টেনে চালায়। কিন্তু চরম ভয়ংকর; মনে হয় এই বুঝি পড়ে গেলাম,এই বুঝি টক্কর লাগলো গাড়ির সাথে। টাঙ্গা থেকে নামার পর আমি প্রতিজ্ঞা করেছি আর জীবনেও উঠবোনা এতে। নিউমার্কেট ঘুরছি। ভর-দুপুরেও লোকে-লোকারণ্য নিউমার্কেট, চলছে পূজোর মার্কেটিং। কিন্তু ওদিকে খেয়াল না করে আমরা একটা ভাল খাবার রেস্টুরেন্ট খুঁজছি। পেয়ে গেলাম একটা রেস্টুরেন্ট। আমদের দেশি খাবার অর্ডার করলাম,পেট ভরে খেলাম। এবার নিউমার্কেটটা ঘুরে দেখা যাক। কলকাতার মেয়েদের দেখছি আর অবাক হচ্ছি; অধিকাংশ তরুণীরাই পশ্চিমা পোশাক পরা; চালচলনে কোন বাঙালীপণা খুঁজে পেলাম না। দেশে লোকজন বলে কলকাতায় কাপড়-চোপড় অনেক সস্তা, কিন্তু একথা সত্যতা আমি খুঁজে পেলাম না কোন দোকানেই। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো, আমরা তাড়াতাড়ি একটা প্লাজায় ঢুকে পড়লাম। বসে বসে দেশি বেনসন টানছি, আর বৃষ্টি থামার কোন লক্ষন দেখছি না। অভাগা বৃষ্টি আসার আর সময় পেলনা। এরই মাঝে ৩.০০টা বেজে গেলো-আমাদের টিকেট নিতে হবে বাস কাউন্টার থেকে। ট্যাক্সি নিয়ে রওনা করলাম মারকুইস স্ট্রীট-বাস কাউন্টার। ট্রেনের টিকেট হাতে পেয়ে গেলাম। এখান থেকে হাওড়া স্টেশন প্রায় ঘন্টাখানেকের পথ। এখন করার আর কিছুই নেই ,আমাদের হাতে মাত্র ২ঘন্টা সময় আছে। তৌহিদ,বলল চল ফ্রী স্কুল স্ট্রীটে যাই, বই কিনব আর ওখান থেকেই চলে যাব স্টেশন; আমি বললাম ঠিক আছে। ট্যাক্সি নিলাম আমরা। রাস্তার পাশের সাইনবোর্ড থেকে জায়গার নামগুলো পড়ছি-ফ্রী স্কুল স্ট্রীট, ধর্মতলা ইত্যাদি। সব জায়গা যেনো অতিপরিচিত, যেন কতকালের চেনা! আসলে সমরেশ-সুনীলের বই পড়ে সব মুখস্ত হয়ে গেছে। ফ্রী স্কুল স্ট্রীট আমাদের নীলক্ষেতের মত- গল্পের বই থেকে শুরু করে সব ধরনের বইই পাওয়া যায়। সমরেশ আর সুনীলের ২-৩টা বই কিনলাম। এখন আমাদের পৌঁছাতে হবে হাওড়া স্টেশন। ট্যাক্সিতে উঠলাম আমরা। অফিস থেকে সবাই বাসায় ফিরছে তাই রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম। আর হর্নের শব্দ আর কালো ধোঁয়া ু ঢাকার চেয়েও বাজে অবস্থা এখানকার। ট্রেন মিস হবার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে!! ৬.৩০টা প্রায় বেজে গেছে। ট্যাক্সি ওয়ালা বলল এই সিগন্যাল পার হলে আর ৫ মিনিট লাগবে স্টেশনে পৌঁছতে(একটু ভরসা পেলাম)। আমরা রবীন্দ্র সেতুতে আটকে আছি আর সামনেই দেখা যাচ্ছে রং-বেরংয়ে আলোকিত হাওড়া স্টেশন। বিশাল রেল স্টেশন আমাদের কমলাপুরের কয়েকগুন হবে। ভাগ্যিস আমাদের ট্যাক্সি ড্রাইভার আমাদেরকে ট্রেনে উঠিয়ে দিয়ে গেছে, অন্যথায় চক্কর খেতে খেতে জীবন যেত।
অমৃতসার মেইল, ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭.১০ এ হাওড়া থেকে ছেড়ে যাবে অমৃতসারের উদ্দেশ্যে...............
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28701291 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28701291 2007-03-07 09:04:27
বেনাপোল থেকে ওয়াগা-02 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28701112 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28701112 2007-03-06 07:09:31 বেনাপোল থেকে ওয়াগা-01
জুলাই-আগস্ট আমাদের গ্রীষ্মকালীন ছুটি থাকে,এত লম্বা ছুটি স্বভাবতই এসময় দেশে যাওয়া হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটলনা। দেশে গেলাম ু সেই ছোট্ট একটা দেশ, লাল-সবুজের দেশ, আমার প্রিয় বাংলাদেশ। সেই অতি পরিচিত পরিবেশ ু মা-মণি , ভাই, আত্মীয়স্বজন, মায়ের হাতের খাবার ুঅসাধারণ!! তারপর আরো আছে্তটি.এস.সি ্থর আড্ডা অথবা কার্জন হলের তাসের আসর অথবা শহীদুল্লাহ হলের পুকুর পাড়ে নিবিড়মনে বসে থাকা। যাই হোক, এভাবেই দেখতে দেখতেই ছুটি প্রায় ফুরিয়ে এল ,এবার ফেরার পালা। ভাবলাম এবার পাকিস্তানে ফেরা নিয়ে একটা অ্যাডভেঞ্চার করা যাক। আমার বন্ধু তৌহিদ,সেও একই স্কলারশিপ নিয়ে পাকিস্তানের NUST এরই আরেকটি ইন্সটিটিউট Nust Institute of Information Technology ( সংক্ষেপে NIIT এ পড়ছে। আমরা প্ল্যান করলাম এবার ভারত হয়ে পাকিস্তানে যাবো। যেই ভাবা সেই কাজ। আমাদের এক বড় ভাই রফিক ভাই ( লাহোরের পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটি তে পড়ছেন ) আগে এই যাতায়ত করেছেন, উনার কাছ থেকে যাবতীয় তথ্য জেনে নিলাম- কিভাবে যেতে হবে, কোথা থেকে বাস,ট্রেন ধরতে হবে ইত্যাদি।

এবার প্রথম কাজ ভিসা নেওয়া। গুলশানে ইন্ডিয়ান হাইকমিশনে ভিসার জন্য দাঁড়ালাম। ট্রান্সজিট ভিসা ু বেনাপোল (বাংলাদেশ সীমান্ত ) থেকে হরিদাসপুর(ভারতীয় সীমান্ত) এরপর সমগ্র ভারত পাড়ি দিয়ে আটারী(ভারতীয় সীমান্ত) থেকে ওয়াগা (পাকিস্তান সীমান্ত) পর্যন্ত। ভিসা পেয়ে গেলাম, আমাদের আনন্দ আর দেখে কে?
এবার যাত্রা শুরু,রাত ১০টা, ৩রা সেপ্টেম্বর,২০০৬ আরামবাগ থেকে বাসে উঠলাম আমরা। অনেক দীর্ঘ একটা পথ পাড়ি দিতে হবে,মনে কিছুটা ভয়, কিছুটা প্রিয়জনদের ছেড়ে আসবার দুঃখ আর আর বুক ভরা অ্যাডভেঞ্চার করার আনন্দ। প্রিয় ঢাকা শহরের বুক চিরে ছুটে চলছে আমাদের বাস আর গন্তব্য যশোরের বেনাপোল। আগামী কয়েকটা দিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা কল্পনা করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি বলতে পারবোনা। হঠাৎ হৈ-হুল্লোড়ের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গেল। আমরা এখন পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে,বুঝলাম এখানে একটু সময় লাগবে তাই আমরা বাস থেকে নেমে ফেরির ছাদে উঠে গেলাম। জ্যোৎস্না রাতে অপরূপ পদ্মার সৌন্দর্য উপভোগ করছিলাম আমরা আর সেই সাথে গান জুড়ে দিলাম "ও নদীরে একটি কথাই শুধাই শুধু তোমারে"।
(চলবে)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28700852 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28700852 2007-03-04 02:22:45
21 ফেব্রুয়ারি না 8 ফাল্গুন http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28699504 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28699504 2007-02-20 10:46:19 একুশ নিয়ে আমার কবিতা পরাগ জাফর সিদিদক
সাদা পাঞ্জাবী,
খালি পা,
হাতে এক তোড়া গাঁদাফুল,
শহীদ মিনার,
সালাম-বরকত-রফিক-জব্বার,
আর আমার একুশ?

রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারী ,
প্রভাত ফেরির গান,
আর আমার একুশ?

লাল-সবুজ পতাকা,
সোনার বাংলা,
আর আমার একুশ?

একুশ-আমার রক্ত,
একুশ-আমার চিন্তা-চেতনা,
একুশ-আমার বাংলা,
একুশ-আমি বাংলায় গান গাই,
একুশ-বিজয়ের সূত্রপাত,
একুশ-আমার মুখের ভাষা,
একুশ-আমার বাংলাদেশ।

তারিখঃ২১/০২/০৬
রাওয়ালপিন্ডি

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28698036 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28698036 2007-02-12 12:31:42
স্বাগতম সবাই কে http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28695360 http://www.somewhereinblog.net/blog/amiektabungbangblog/28695360 2007-01-26 15:56:50