কিন্তু, সেলিম-দেলোয়ার আর বসুনিয়ার স্মৃতি ঘেরা মধুর ক্যান্টিনে মনে হলো, আগে গনতন্ত্র মুক্তি পাক, তারপর বলবো।
ভেবেছিলাম রাজপথে বলবো তোমাকে,
রাজস্বাক্ষী থাকবে প্রেসক্লাব মোড়ের শিল কড়ই গাছেরা।
স্বৈরাচারের পতন হলেও নব্বুইয়ের উত্তাল দিনে নুর হোসেনের আরদ্ধ স্বপ্ন গুলোর টানে সে কথা বলা হয়ে ওঠেনি।
এরপর একে একে নিভলো দেউটি-
বিশ্বায়নের ঘুর্ণিপাকে তিয়াত্তর ফাগুনের পুরণো একটা স্বপ্ন নাড়া খেলো,
সমাজতন্ত্রের ধ্বজাধারী কতগুলো শাসন-যন্ত্র তাসের ঘরের মতো ভেংগে পড়লো দেশে দেশে।
এমন সময়ে কি তোমাকে সে কথা বলা যেতো?
মরিচিকার পেছনে ছোটা অনিমেষের বুকের ভেতর টা হঠাৎ ফাঁকা হয়ে যাওয়ার বেদনা কি মাধবীলতাকে বলা যায়?
ভাবলাম, যমুনা সেতুটা আগে হয়ে নিক।
তারপর ঠিক তোমাকে বলবো।
দু'পাড়ে এ্যাতো বৈষম্য রেখে কি ক'রে আমরা ব্যক্তিগত সাম্যের চর্চা করি?!
সেতু হলো। পশ্চিম-ও খুলে দিলো দ্বার, এমনি সময়।
ভাবলাম, বাজারের তীর্থ-টা আগে দেখেই আসি।
নিজে আরেকটু বিশ্বমানব হয়ে তবেই তোমাকে বলবো সে কথা।
এরি মধ্যে এলো নাইন ইলেভেন।
এমন দ্বিচারি সময় কখনো আসেনি আগে।
প্রযুক্তির এমন কাছে টানা, আর মানুষের এ্যাতো দুরে ঠেলার যুগপৎ সার্কাস কখনো দেখেনি কেউ।
কখন থামবে এই ভুল বোঝাবুঝির ডামাডোল কেউ জানে না।
আজ ভাবছি, আসলে তোমাকে কোনদিনই কিছুই বলবো না,
কারণ, অন্তর্জালে লেখা পড়ে বুঝে গেছি, তুমি তাঁদেরি দলে, যাঁদের জন্য ইশারাই কাফি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

