গ্রামীনফোনের দিন শেষ আমরা এইডারে রিপ্লেইস করবো আমাদের টেলিটক দিয়ে। টেলিটকে এর সম্পদের পরিমাণ গ্রামীনফোনের কয়েকশ গুন বেশী।
কি ভাবে তা পরে কইতাছি তার আগে একটা কথা কইয়া লই। কেউ আবার উস্তাদি কইরা এরকম ভাববেন না আমি কইতে চাইতেছি স্বদেশী পন্য কিনে হও ধন্য। যারা এইসব বলে তারা আইদার অপদার্থ অথবা কোন দূরভি সন্ধিনিয়া চলে এবং বিষয় গুলি নিয়া ধান্দা বাজি করাই তাদের জীবিকা। সহজ বিষয় সহজ করে না ভেবেই আজ আমাদের এই অবস্থা।
এটা ভাবা কতটা অস্বভাবিক যে কোন লোকের সামনে পচা বাসী একটা ডাল এবং চমৎকার একটা মাংশের তরকারী রাখলে সে পচাটা খাবে। তাই আবার বলি ব্যক্তিগত পরিবর্তন মানষিক পরিবর্তন এই সব ফালতু কথা থেকে সরে এসে সহজ কথায় আসেন।
বাংলাদেশের পনের কোটি লোক সার জীবন ধাক্কাইয়াও একটা পাহারকে এক ইঞ্চিও সরাতে পারবে না। অথচ একট ভূমকম্প মুহুর্তেই সাগর বানাইয়া রেখ দেবে। ঠিক একই ভাবে গ্রামীনকে টেলিটক দিয়া সরাতে সারা দেশের মানুষের পায়ে ধরে লাভ নেই। পলিসি ঠিক করা প্রয়োজন।
কেননা ইহা খুবই সম্ভব কারন টেলিটকের সম্পদ এবং সাপোর্ট গ্রামীনের চেয়ে কয়েকশ গুন বেশী। চলুন তাহলে নিজেরাই শেয়ার করে দেখি টেলিটকের কি কি আছে।
তবে একটা কথা প্রণিধান যোগ্য যে বর্তমান টেলিটকের বেশীর ভাগ ইনজিনিয়ার পরিচালক স্টাফ ইত্যাদিকে সবার আগে পাছায় লাথি দিয়া এখান থেকে বের করতে হবে এবং বের করার আগে এইগুলির প্যান্ট খুলে পাছায় কমপক্ষে এক লাক্ষ করে কাঁচা কঞ্চির বারি দিতে হবে এদেশের সাধারণ লোক দিয়ে। যত উপরের অফিসা তত বেশী পিটা, ওপেন ইন পাবলিক। কারন এইগুলি বংশগত ভাবেই চোর। বাপ চোর পোলাও চোর।
এবার চলুন দেখি বিটিটিবি অর্থাৎ টেলিটকের জন্মদাতার সম্পদ কি পরিমাণ। আপনারাই শুরু করুন যদি দেশ সম্পর্কে সামান্যও ধারনা আছে বলে আপনারা দাবী করেন ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



