শেখ হাসিনাকে প্রতিদিন একাধিক বার প্রমান করা যাবে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে জাতির সাথে প্রতারনা করেছে মিথ্যা বলেছে এবং ভন্ডামী করেছে।
এ পর্বে প্রমানের বকরা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর, তিনি রাষ্ট্রদ্রহী ও জনবিরোধী। মুলত বিবি-ই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশর পথে অন্যতম শত্রু, এই প্রতিষ্ঠানটিই দেশটাকে ডিজিটাল দেশের রেংকিংএ পৃথিবীতে ২০৪ টি দেশের মধ্যে আমাদের ২০৪ তম করে রেখেছে। প্রমান দেখানো পানির মত সহজ। ছোট একটা পয়েন্টে বলিঃ বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বের একমাত্র জ্ঞানী সেন্ট্রাল ব্যাংক হিসাবে দেশে ইন্টানেট ব্যাংকিং পারমিশন এখনও দেয়না। নো ইকোনমিক একটিভিটি অন ইন্টারনেট। পৃথিবীর একমত্র বুদ্ধিমান দেশ।
আজ প্রথমআলো তে একটা নিউজ আছে এই রকমঃ
মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন পেল তিনটি ব্যাংক
ভূমিকাঃ নিউজটা যদিও কাগজের হেডলাইনে হওয়ার কথা ছিল তবে আমাদের সংবাদ পত্রগুলোর ইডিটর আমি বলি ইডিয়ট গুলো যতদিন গৃহপালিত চতুষ্টদ প্রাণীর অধিক যোগ্যতা অর্জন করতে না পারবে তত দিন দেশের প্রেক্ষাপটে এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রথম পেজের পাঁচ কলামের সর্বনিচে দুইটি বিজ্ঞাপনের মাঝেই পাওয়া যাবে।
প্রথমআলোর এই খবরটিকে প্যারা ওয়াইজ বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে শেখ হাসিনা কি ভাবে প্রতারনা করছে এই দেশের সাধারণ জনগনের সাথে আর এক্ষেত্রে তার সহযোগীরা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক, এর অপদার্থ জন বিরোধী রাষ্ট্রদ্রহী গভর্নর এবং বিবি এর দেশ বরেন্য ধূর্ততম কর্মকর্তা বৃন্দ।
প্রথমআলঃ তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে দুটি ব্যাংক কেবল বিদেশ থেকে প্রবাসী-আয় (রেমিট্যান্স) গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (অপারেটর সার্ভিস) বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো (আউটলেট) ব্যবহার করবে। এ দুটি ব্যাংক হলো ইস্টার্ন ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংক।
উত্তরঃ তিনজনকে মোবাইল ব্যাংকিং কেন দিলেন ? আর উপরের দুইটারে আসলে এইটা কি দিলেন ? ক্লায়েন্ট কে ? আবার অপারেটরও ঠিক করে দিলেন।
প্রথমআলোঃ অন্যদিকে প্রতিরক্ষা বাহিনীর দি ট্রাস্ট ব্যাংক দেশের মধ্যে স্থানীয়ভাবে ও প্রবাসী-আয় স্থানান্তরসহ সব ধরনের লেনদেনে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবে। ব্যাংকটি সব কটি মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সেবা ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া অনুমোদন অনুসারে ঢাকা ব্যাংক বিদেশ থেকে প্রবাসী-আয় গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে সরাসরি নগদ অর্থ পরিশোধ করতে পারবে।
ইস্টার্ন ব্যাংক প্রবাসী-আয় বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে গ্রাহককে নগদে পরিশোধ এবং একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক প্রি-পেইড কার্ডে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবে।
অন্যদিকে ট্রাস্ট ব্যাংককে কার্যত অধিক পরিমাণ মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই ব্যাংকটি এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, এ ক্ষেত্রে একই ব্যাংকের আওতাভুক্ত বা এক ব্যাংকের হিসাব থেকে অন্য ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তর করতে পারবে।
উত্তরঃ ইয়েস দ্যাট ইজ হয়াট মোবাইল ব্যাংকি ইজ। আফ্রিকা সহ সারা দুনিয়ায় চলতাছে। আপনারা কাপড়টা সবার পরেই পরেন, শেষ পর্যন্ত খাইয়া লই তাই না ? তারপরও এইটা কি সংঙ্গা বানাইলেন ? আপনাদের এই এক বাপ ট্রাস্ক ব্যাংক কি আলাদা যোগ্যতার অধিকারী ?
দেশের জেলা এবং উপজেলায় কারা ব্যাংকিং করে, আপনারা কি জানেন না ?
যেমন ময়মনসিংহ জেলার তেরিটি উপজেলার এবং তাদের অভ্যন্তরের কতগুলো হাটবাজারের কতজন ডিমের পাইকার চালের ব্যবসায়ী মাছের ব্যাসায়ী পানির বেপারী ইত্যাদী লোকজন দশ হজার টাকা, বিশ হাজার টাকা, এক লক্ষটাকা ইত্যাদী টিটি করার জন্য উপজেলা বা জেলায় যাচ্ছে প্রতিদিন, কাম ফালাইয়া রিক্স লইয়া ? সেটাতো আমাদের চেয় হাজার গুন ভালো জানেন।
ওখানে তাদের কোন সব ব্যাংক সার্ভিস দেয় ? জানেন না ? আর মোবাইল ফোন যে এই সমস্ত ব্যবসায়ীর হাতে খেলনা হয়ে গেছে তা জানেন ? সবই জানেন এবং বুঝেন তয় আপনারা একেক সময় আপনাদের বাপের সংখ্যায় এমন হের ফের করেন কেন ?
প্রথমআলোঃ আবার প্রি-পেইড কার্ডে টাকা স্থানান্তর ও বিভিন্ন দোকানের কেনাকাটায় এই কার্ড ব্যবহার, গ্যাস-বিদ্যুত্ ও পানির বিল পরিশোধ এবং সরকারের দেওয়া কৃষিতে ভর্তুকি, বিধবা ভাতা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা কার্ডের মাধ্যমে তোলার সুযোগ থাকবে।
উত্তরঃ দেখেন ট্রাস্ট ব্যাংক কার বাপ আর বাকিরা সব কার খালু ? কে বলে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশ ব্যাংক বোঝেনা ?
প্রথমআলোঃ বাংলালিংকের বিক্রয় কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী-আয়ের টাকা তুলতে হলে প্রাপকের বিক্রয়কেন্দ্রে একটা পরিচয়সহ হিসাব থাকতে হবে। অর্থ প্রেরক মোবাইল ফোনে এসএমএসের (সংক্ষিপ্ত তথ্য প্রেরণ) মাধ্যমে টাকার পরিমাণ ও একটি পিন কোড (ব্যক্তি শনাক্তকরণ সংখ্যা) পাঠাবে। বিক্রয়কেন্দ্রে প্রাপক গিয়ে পিন কোডসহ এসএমএস দেখালে তার অর্থ পরিশোধ করা হবে। অন্যদিকে ব্যাংকের সঙ্গে বাংলালিংকের চুক্তি থাকবে। বাংলালিংকের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো ব্যাংক কর্তৃক নিবন্ধিত থাকবে।
উত্তরঃ হুন্ডির ব্যাবসার জন্মদাতা পিতা এবং মূল অপারেটরের এরাই। কি সব মিক্সচারী ধান্দাবাজী করতাছেন এইসব ?
প্রথমআলোঃ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের হিসাবে টাকা পাঠাতে হলে ট্রাস্ট ব্যাংকের সঙ্গে বাকি দুই ব্যাংকের নিবন্ধন থাকতে হবে। একই সঙ্গে প্রেরকেরও ট্রাস্ট ব্যাংকে নির্দিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরে হিসাব বা নিবন্ধন থাকতে হবে। প্রেরক প্রথম তার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিজ ব্যাংকে এসএমএসের মাধ্যমে তথ্য পাঠাবে ট্রাস্ট ব্যাংকের মোবাইল ফোন অপারেটর হিসাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাঠাতে। ব্যাংক পাল্টা এসএমএসে টাকা স্থানান্তরের তথ্য পাঠালে মোবাইল ফোন অপারেটর হিসাবের টাকা তখন ট্রাস্ট ব্যাংক প্রাপকের ইচ্ছানুসারে অন্য ব্যাংকে যেকোনো হিসাবে পাঠিয়ে দেবে।
এই মোবাইল ফোন অপারেটর হিসাবে স্থিতি থাকলে সেই অর্থ দিয়ে উপযোগ সেবার মূল্য পরিশোধ এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের নিবন্ধিত দোকানগুলোতে কেনাকাটা করা যাবে।
উত্তরঃ আরে মিঞা সমস্যা কি। গভর্নর ছাব ট্রাস্ট ব্যাংক যে আপনার পোলা মাইয়ার একমাত্র বাপ তাতো আগে কন নাই।
প্রথমআালোঃ ট্রাস্ট ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা এস এম আকরাম সায়ীদ বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে ঝুঁকির দিক হলো, টাকাটা যাতে বেহাত না হয়। সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করেই মোবাইল ফোনে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করা হবে।’ তবে সতর্কতা হিসেবে প্রথম দিকে অল্প কিছু ব্যক্তির হিসাব পরিচালনা করে ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করবে ব্যাংক।
উত্তরঃ টাকার দায়িত্ব নেয়ার লাইসেনসতো আপনারই। আপনাকে ভালো মানুষ মনে হয়। বলেনতো কোন কোন ব্যাংক এই লাইসেন্স পাইলে দেশের সাধারণ মানুষ লাভবান হবে আর বলেন তারা কেন যোগ্য না আর আপনারা কেন যোগ্য ?
প্রথমআলোঃ ... তিনটি ব্যাংককে ছয় মাসের মধ্যে তাদের কার্যক্রম উদ্বোধন করতে বলা হয়েছে। মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ে ঋণঝুঁকিসহ সব ঝুঁকি, বিভিন্ন আউটলেটে নগদ অর্থের ঝুঁকি ও জালিয়াতি এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে যেকোনো ঝুঁকির দায়িত্ব ব্যাংকের। ব্যাংকিং ও মানি লন্ডারিংয়ে বিধিবিধান মেনে চলতেও নির্দেশ রয়েছে অনুমোদনপত্রে।
... .. কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রগুলো বলছে, তারা অধিকসংখ্যক মানুষের দৈনন্দিন লেনদেন সহজতর করতে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে। অনুমোদনপত্রে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ে সব ধরনের দায়দায়িত্ব ব্যাংকগুলোর ওপর বর্তাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তরঃ ভালো এইতো সবই জানেন সবই বোঝেন।
প্রথমআলোঃ মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়াই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বড় বিবেচনা বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।
দেশের মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক দিন ধরে মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন চেয়ে আসছিল,
কিন্তু এতে বাদ সাধে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) ও ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) বলেছিল, মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন হলে ব্যাংকগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
উত্তরঃ এইতো ভাইজান বেকুবর মত আপনি ফস কইরা আসল কথাটা কইয়া দিলেন। এত বছর কন নাই কেন ? আপনারা সবকয়ডা দেশদ্রহী বেইমান আপনারা সারা দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ বাদ দিয়া খালি আপনাদের পুলা মাইয়ার বাপেদের মানে ব্যাংক এসোসিয়েশনের কথা ভাবলেন, তাদের ক্ষতি চিন্তা করলেন।
প্রথমআলোঃ তথ্যমতে, আফ্রিকার কেনিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় মোবাইল ফোনে ব্যাংকিংয়ের সুবিধা রয়েছে।
এ পর্যায়ে বিবেচনায় নেওয়া হয়, কোনোভাবেই লাইসেন্সধারী ব্যাংক ছাড়া কেবল মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে অর্থ স্থানান্তর বা লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হবে না। ব্যাংক ছাড়া মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও লেনদেন হলে মানি লন্ডারিং হওয়ার সুযোগ থাকে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে মোবাইল ফোনসেবা ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তর ও গ্রাহকসেবার পথ তৈরি করেছে।
উত্তরঃ আপনার ছোট ছোট কিছু বাপেরা যেমন এস এ পরিবহন সুন্দরবন ইত্যাদী আপনাদের পরিবারের হাতে এক একা কি সাপ্লা ইদেয় যে তারা মানি ট্রান্সার করে ?
উপসংহারঃ তাহলে উপরের সহজ এই বিশ্লেষন থেকে দেখা যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর একটা দালাল একটা রাষ্ট্রদ্রহী। এমনি হজারটা আইনও সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের আছে আর এই প্রতিষ্ঠানটি ভুটানের না বাংলাদেশের। এবং বর্তমান গভর্নরও শেখ হাসিনা মনোনিত।
ডিজিটাল বাংলাদেশে যে কাজটা ক্ষমতার তিন মাসের মধ্যেই সারা দেশের জন্য করার কথা ছিল এতদিন সময় নিয়ে এটা কিরকম সাধারণ জনগন বিরোধী সিদ্ধান্ত নিলেন ? সুতরাং শেখ হাসিনা ভন্ড এবং মিথ্যাবাদী।
শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে আমাদের সাথে প্রতারনা করেছে। ইহাই সত্য এবং দৃশ্যমান।
এই দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং রাষ্ট্রদ্রহী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ছবিঃ
এখানে প্রথমআলো নিউজ লিংকঃ Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



