খন্দোকার মোশতাক আহমদ ছিলেন রাজনৈতিক বিচক্ষণতার অধিকারী। বর্ষিয়ান এই রাজনীতিবিদ যুদ্ধকালীন অবস্থাতেই আমাদের নজরে পড়েন। রুশ-ভারত আধিপত্যবাদের ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি।
আমরা খন্দোকার মোশতাককে ’৭১ এর সংগ্রামকাল থেকে দেখে আসছি। তিনি ছিলেন ঘোর রুশ-ভারত বিরোধী। ধর্মপ্রাণ প্রবীণ নেতা খন্দোকার মোশতাক ছিলেন নীতির প্রশ্নে আপোষহীন। একজন সাচ্চা গণতান্ত্রিক এবং উদারপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি দেশে-বিদেশে পরিচিত ছিলেন। আলাপ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের অনেকেই খন্দোকার মোশতাকের ক্ষুরধার বুদ্ধিমত্তা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করে অভিমত পর্যন্ত ব্যক্ত করেছেন যে, নেতৃত্বের যোগ্যতার বিচারে খন্দোকার মোশতাকের স্থান শেখ মুজিবর রহমানেরও উপরে।
সূত্রঃ গ্রন্থ আমি ডালিম বলছি।
প্রশ্নঃ এই সেনা পরিষদ টা কি এবং এরা কারা ?
উত্তরঃ সেনা পরিষদ হচ্ছে তৎকালীন পাকিস্তানের পরীক্ষিত দেশ প্রামিক পাকিস্তানী বাঙালী সেনা অফিসারদের নিয়ে গঠিত একটি গোপন সংগঠন। এর জন্ম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেরও আগে। সংগঠনটি আইএসআই এর ব্রেইন চাইল্ড। গঠনের ভিত্তি ও উদ্দেশ্য দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও এর রক্ষা কবজ হিসাবে থ্রাড লাইন রিমেডি। উল্লেক্ষ্য প্রথম লাইনে ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী, দ্বিতীয় লাইনে জামাত মুসলিমলীগ সহ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, তৃতীয় টি সেনা পরিষদ। আবার বলছি এরা পরীক্ষিত দেশ প্রেমীক পাকিস্তানী বাঙালী কিছু বাঙালী সেনা অফিসার এর ইন্টেলেজেন্স এজেন্ট।
বাংলাদেশ মূলত এখনও স্বাধীনতা পায়নি কারন ১৫ আগষ্ট এই সেনা পরিষদ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পরাজয়কে পুনরোদ্ধার করে দ্বি জাতি তত্ত্বের জাতিয়তাবাদকে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদ নামে প্রতিষ্ঠিত করে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সেকুলার রাষ্ট্রের ধারনাও মুছে দেয়। মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম দুইটি ইলিমেন্টকে বাদ দিলে সেখানে কাদের পাওয়া যায় ভেবে দেখবেন। মুক্তিযুদ্ধ অবশ্যই এখনও শেষ হয় নি, দেশ এখনও স্বাধীন হয় নি, কেবল খন্ড কালীন একটা বিজয় সূচিত হয়েছিল মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



