somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন,

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টু ওয়ান জিরো, লাইটস একশনঃ টক ইন ট্রুথ মেশিন।
রিসোর্সঃ কমনসেন্স মেথোডঃ ডিডাকটিভ সিন্থেসিস।

অজাতিঃ ২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন, তার ডাকে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া সারা বাংলার সর্ব স্তরের জনগন দল দলে মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়লো আর ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করলো। হুমম !

জাতিঃ "হ এবার একটু দম লন।" আপনারা বহুত জ্ঞানী লোক। আমরা অত জ্ঞনী লুক না। মূর্খ চাষা জাউলা বাঙ্গাল। গায়ের রংঙ কালো জাতে আমরা জা-ল। কাজ করে খাই মাটিতে ঘুমাই। আর সেই মাটির ভাষায়ই বোঝাই আপনারা শুধু শোনেন।

খালেদা জিয়াঃ ২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন।

জাতিঃ চুপ থাকেন বেয়াদপ স্ত্রীলোক। আপনার স্বামী জীবিত থাকা অবস্থায় যে কথা কোন দিনই বলেনি, আপনি বেয়াদপ স্ত্রীর মত সে কথা বলে পুরো জাতিকে দ্বিধা বিভক্ত করছেন, একটা পুরো জাতির শরীরে বিষ ঢোকাচ্ছেন। মজলিশে শূরার ফতোয়ায় এই কথা বলার সাথে সাথে তালাক হয়ে যাবে।

জনৈক দাড়ি ওয়ালা বৃদ্ধঃ ২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন।

জাতিঃ যখন বাংলাদেশের কিছু দাড়ি ওয়ালা বৃদ্ধ শয়তান ইতিহাসকে বিকৃত করে মানুষকে ভুল শিক্ষা দেয় তখন এই প্রজন্মের ইচ্ছে হয় বাম হাতে সেই লোকটির দাড়ি ধরে, ডান হাতে ডান চাপায় সজোরে একটা থাপ্পর দিয়ে বলতে হারামজাদা তুই বের হ এখান থেকে। তর যেই বাপের কথা বলছিস সেই বাপই যে কথা কোন দিন বলেনি, শুয়রের বাচ্চা, তর নিয়তই খারাপ তুই বংশানুক্রমিক হারামজাদা।

জনৈক দাড়িহীন বৃদ্ধঃ ২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন

জাতিঃ আর দাড়িহীন তেল তেলে মুখের কোন হারামজাদ্ যখন এই কথা কয় তখন ইচ্ছে হয় তাকে জিজ্ঞেস করতে কিরে কুকুরের বাচ্চা ? তুই কি তোর ছেলেমেয়ে কেউ কুকুরের বাচ্চা বানিয়ে রেখে যাচ্ছিস ? তাদেরও কি তুই এই কথাই শিক্ষিয়েছিস ?

প্রপোজড বিবৃতিঃ ১. কথা গুলো খুব কড়া হলে গেল, না ? টক রোমান হোয়েন ইন রোম। একই ভাবে বিট ইট হোয়েন ইউ টক টু অ্যা ডার্টি ডগ। আমাদের শিক্ষিত মানুষ গুলোর সাথেও তাই ?

২. আপনাদের কি মনে হয় সারা দেশর সাত কোটি জনগন দূরে থাক, ঘটনা প্রবাহের বচ্ছিন্ন এই ডাকেই দলে দলে যার যা কিছু আছে তা নিয়ে বের হয়ে আসা দূরে থাক, ঐ ডাক কি ৭০ কিঃমিঃ দূরেও পৌছেছিল ? যেটুকু করে দায়িত্ব জ্ঞানহীনতারই পরিচয় দেয়া হযে ছিল ?

৩. অনেক গুলো প্রশ্ন থেকেই যায়, তাই না ? আসলে খারাপ মানুষকে খারাপ বললে বাংলাদেশের শিক্ষিত লোকদের খারাপ লাগে।কারন এখানে খারাপ লোক ও শিক্ষিত লোক পরষ্পর বন্ধু। এবং যত সংখক খারাপ ঠিক তত সংখক প্রিটেক্স।

আর এই বাক্য টি পিথাগোরাসের উপপাদ্য, ত্রিভুজের তিন কোনের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রী এর মত স্বতঃসিদ্ধ। এর পেছনের কার্য কারন হচ্ছে সোসালাইজেশন ও টিকে থাকার প্রেষনা। জন্ম, বেড়ে উঠা, পরিবার, সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা ব্যাবস্থায় এর ভেতর দিয়ে যে সোসালাইজেশন এদেশে হয় তা যে কোন সেম্পলকেই এ রকম মুক্ত চিন্তাহীন ইতর মানসিকতার প্রানিতেই পরিণত করবে।

চলুন প্রতিপাদ্যটি পরীক্ষা করা যাক।

পরীক্ষাটি করার জন্য তিনটি সেম্পল নিন।

১. বাংলাদেশের যে কোন শিক্ষিত লোক। টিপিক্যাল বাংলাদেশী শিক্ষিত লোক।

২. বাংলাদেশের হলেও জন্ম বেড়ে ওঠা এমন কোন দেশে এবং এলাকায় যেখানে শুধু পরিবার ছারা সোসালাইজেশনের অপর অংশ গুলো যেমন সমাজ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাব্যবস্থার কোথাও বাংলাদেশ ও বাঙগালীর কোন কন্টামিনেশন ছিল না এমন এক জন।

৩. বাংলাদেশের মূর্খ গরীব সাধারন এক জন মানুষ।

এ পর্যায়ে প্রাসংগিক সময়ের ঘটনা প্রবাহের সংক্ষিপ্ত ইভেন্ট বিবৃত করে তিন জনকে আলাদা ভাবে একটি প্লেসেবো প্যারাগ্রাফ শুনাই।

প্লেসেবো স্টেটম্যান্টঃ ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের মধ্যে দিয়ে উপমহাদেশে বৃটিশ শাসন শেষ হলো। দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তন নামক দুইটি রাষ্ট্র জন্ম নিল। দেশ বিভাগের শুরুতেই

পরীক্ষা চলবে।

উপসংহারঃ জিয়াউর রহমান কেন, যে কোন যদু, মদু, কদু অথবা আরও তিনশ চারশ জনও যদি (উচিত ছিল তাই) ২৫ মার্চ রাতের পরে মাইক নিয়ে, ঢোল সহরতে, লো ডিসটেন্স ক্রিপটোগ্রাম মানে রেডিওতে, অথবা পাকিস্তান ডাকের মাধ্যমে পত্র যোগে, টেলিগ্রামে, টেলিফোনে, এমন কি আপনি বা আপনার মত কয়েক লাখ জন্তু বর্তমান থেকে টাইম মেশিনে লাফ দিয়ে মোবাইল সহ সেই সময়ে নিয়ে গিয়ে ২৫ মার্চ সুবে সাদিকের আগে থেকেই ২২২০ থেকে "আজ আমি এই মুহুর্ত থনে স্বাধীনতা ঘোষনা করলাম" মেসেজটি প্রতি মিনিটে পাঁচ টা বোথ ভয়েস ও টেক্স মেসেজ ঐ কয়েক লাখকে পাঠালেও পরবর্তী মুহুর্ত থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত যা যা হয়েছে তার এক ইঞ্চিও এদিক ওদিক হতো না। আর জিয়া ঐ সময় চুড়ান্ত দায়িত্ব জ্ঞনহীনতা ও অদক্ষতার পরিচয় দেখিয়েছে, ভেবে দেখলে।

বাংলাদেশের কৃষকের ঘামের ফসল দিয়ে রেশন খেয়ে সেই কৃষকের রাজধানীতে যখন ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যা কান্ড ঘটেছে সেই বিষয়ে অপেক্ষাকৃত ওয়েল ইনফর্মড হয়েও কেবল কালুর ঘাটের ৫০ কিঃমিঃ বেতার ট্রন্সমিশন থেকে চারপাশের অল্প কয়ডা মানুষকে ধারাবাহিক ঘটনা পরমপরায় চুড়ান্ত যুদ্ধটা শুরু হয়ে গেছে বলেই ক্ষ্যান্ত দিলেন।

আরে মিঞা বাংলাদেশ কি পঞ্চাশ কিলোমিটার নাকি ? আপনি না মেজর ছিলেন ? আপনার তো কম্পানী না ইউনিট কি যেন থাকে। সেখানে একটা সীগন্যাল টিমও থাকে। আর্মি মোভএবল রেডিও স্টেশনও থাকে। একটার সোলজারের পিঠে উপর রেখেও ২০, ২৫ কিলোমিটার রেডিওতে মানুষকে আওয়াজ শোনানো যায়।

আপনি কালু মামুর এই পঞ্চাশ কিলোমিটারে কি কইলেন তাতো কুমিল্লা পর্যন্ত কুতাইয়াও আসতে পারে নাই। আপনার কি মনে ওইছিল ঢাকার সাভারের রেডিও পাকিস্তান আপনাদের "যুদ্ধ লাইগ্গাগেছে" রীলে করে সারাদেশে শুনাবে ? আরে চাচা দেশের লাখ লাখ কোটি কোটি মানুষ ১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতার ইত্যাদী আসার আগে কি হইছে তা বুঝে না উঠতে পরে কইতেছিল "গন্ডোগোল লাগছে, গন্ডগুল লাগছে।"

আপনার মত লোকজন তো বাংলার কৃষক মুজুরের ঘামের টাকায় রেশন খেয়ে চর্বি বানাইছেন। যখন দরকার পরলো তখন কর্তব্যটাও সম্পূর্ন নির্ধারন করতে পারলেন না। চিটাগং শহরের আসেপাশে মাত্র পঞ্চাশ কিলো ট্রন্সমিট করে ঐখানে আরমে বসে গেলেন মাতাব্বরি করতে।

আপনার কি মনে হয় দ্যাশের গ্রামে গঞ্জের লোকজন আপনাদের বিবিসি ভয়েস অব আমেরিকা ইত্যাদী জানে ? বরং আপনার ঐ কালু মামার লেডু টাউয়ারে না কইলেও চিটাগাংয়ের আশেপাশের শহুরে লোকজন বিবিসি আমেরিকান ভয়েসে ঠিকি হুইন্না যাইতো গন্ডগুল না এইডা আসল আশংকার যুদ্ধটাই লেগ গেছে। এখন তৈরী হও এক মুহুর্ত দেরী না করে, "এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম" মার সব পাকি পুকিরে।

অথচ ঐ দিকে গ্রামে গঞ্জের, কয়েক গ্রামে বা কয়েক গঞ্জের একটা কোন রেডিওতে মূর্খ চাষা লোকগুলি ঘুরায় আর চে চে শুনে। কিসের বিবিছি আর কিসের আমরিকা আর ফাকিস্তানত কিছুই কয়না। কয়েটা দিন কি যে উল্ডাপাল্ডা গন্ডগুল, শহর থেকে লোকজন কত কথা।

আপনার মত দায়িত্বশীল একজন রেশন খাওয়া অফিসারের উচিত ছিল আপনের ইউনিটের লেডু ট্রান্সমিশন যন্ত্রটা নিয়ে বাংলাদেশের ম্যাপের নিচের দিক থেকে দৌড় শুরু করে দুই দিনে খাড়া, আড়াআড়ি তেতুলিয়া পর্যন্ত "যুদ্ধ লাগছে যুদ্ধ লাগছে" বলে লেডু ঘোষনার কাজটা সবার প্রথমে করা।

আপনি তো দেখি রেশন খেয়েছেন আর পিটি কইরা হাটুতে বুদ্ধি নামাইছেন। অদক্ষতার দায়ে তো আপনাকে যুদ্ধ পরবর্তী প্রথম কার্য দিবসেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো উচিত ছিল, জাতির এরকম ক্রান্তি লগ্নে আপনার এই অদক্ষতার জন্য।

আচ্ছা আপনি নিজে বিষয়টা আগে সারাদেশে ছড়াইয়া দিতে এবং আপনার মত আরও অনেক কে দিয়া কমন ফ্রিকোসেন্সি গুলোতে অসংখ্য লোকেশন থেকে রিপিটেডলী অসংখ্য মুখে যুদ্ধের ম্যাসেজটা ছড়ানোর কামডা না করে আপনি অন্য কামে লেগে গেলেন কেন ? কাকা আপনি ত দেখি আগে থেকেই সুট মাল।

আর চাচা শোনেন এটা ঠিক আছে সবার যোগ্যতা সমান থাকে না। জাতি আপনার এই অযোগ্যতা অভার লুক করতো কিন্তু আপনার কুলাংগার স্ত্রী এবং আপনার সন্তানদের মানুষ বানাতে ব্যার্থ তাদের মাতা মানে আমাদের চাচি যখন বলে ২৬ মার্চ ১৯৭১ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন। অর্থাৎ আপনি "জাতিয় ঘোষক" তখন সে আপনার চরিত্রে এই সন্দেহ ঢুকায়।

আপনার এই বিবি যখন জাতির ছোট ছোট বাচ্চাকে শয়তান মাস্টারের মত "ক" রে "জ" আর "প" রে "স" শিখায় তখন কেমনটা লাগে বলেন ? পুলাপানরে বর্নমালাতেই ভুল শিখাইলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ইতিহাস কি শিখবে। তখন তো ওরা "রাজাকারা নরকের কিট" কে পড়বে "রাজাকাররা খুব ভালো লোক ছিলেন।"

চাচা এইডা কি রাইখা গেছেন ? এইডা এত সাদা কে ? এর পূর্বপুরুষ কই থাইক্কা আইছিলো ? এইডা ত জাউলা বাঙ্গাল না।

চিনি তোমায় চিনি গো, সাদা হাতের কালা বাউল তুমি না ।

থামুন এই লেখা আপনাদের এন্টেনায় ধরবে না। এটা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাস রেখে যাচ্ছি।





সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৪
২৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×