somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমরা সাবমেরিন ক্যাবেল সমুদ্রের তলদেশে স্থাপন না করে টেলিযোগাযোগের কর্তা ব্যাক্তিবর্গের পশ্চাদ দেশে ভরি।

২১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এইটা হইলো সাবমেরিন ক্যাবেলের ইতিহাস।


এইটা হইলো বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ।

সমুদ্রের নীচে দিয়ে টেলিগ্রাফিক তার লাগানোর প্রস্তাব প্রথম দিয়েছিল ১৭৯৫ সালে, স্পেনের একটি কোম্পানি। তবে ১৮৫০ সালের আগে তেমন অগ্রতি হয়নি। তখন প্রথম তারটি শোয়ানো হয়েছিল ইংলিশ চেনেলে, ফ্রান্স ও ইংলেন্ডের মাঝে। ১৮৫৬ সালে প্রথম ট্রান্স আটলান্টিক কেবেলটি রানী ভিক্টরিয়া আমেরিকার প্রসিডেন্ট জেমসের সাথে টেলিগ্রাফিক মেসেজ দিয়ে উদ্ভোদন করেছিল। ১৮৭০ সালেই উপমহাদেশের বোম্বের সাথে লন্ডনের প্রথম সংযোগ তারটি ফেলা হয়েছিল।

তারগুলির একটা বৈশিষ্ট হলো এগুলোর স্থায়িত্ব পনের-বিশ বছর করে। এরপর রিপ্লেস করা হয় আরও উন্নত সুবিধার ও দ্রুতগতির তার দিয়ে। ১৯৫০ সালের পর দেখা যায় আটলান্টিকে ইংলিশ চ্যানেলে প্রশান্ত মহাসাগরে একের পরএক আরও দ্রুতগতী ও অধিক ক্যাপাসিটির কেবেল লাগানো হতে থাকে।

আমাদের এ অঞ্চলের পাশ দিয়ে যে তারটিতে প্রথম যায়, তা গিয়েছিল ১৯৭৮ সালে। এই পরিবারটির নাম South-East Asia-Middle East-Western Europe ক্যাবল সিস্টেম। ৩৫ হাজার কিলোমিটারের এই তারটি সংক্ষেপে SEA-ME-WE-1 নামে পরিচিত। আর SEA-ME-WE-2 ছিল এ অঞ্চলের প্রথম অপটিকেল ফাইবার ফেলা হয় ১৯৮৫ সালে।

তৃতীয় তারের কাজ শুরু হয় ১৯৯৪ সালে আরও অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন ফাইবার অপটিক এই তারটির নাম SEA-ME-WE -3, এবারও আমরা সংযুক্ত হলাম না। অবশেষে ২০০২ সালে মেমোরেন্ডাম স্বাক্ষরীত হওয়া SEA-ME-WE -4-এ চার বছর অতিবাহিত করে ২০০৫ সালে সিদ্ধান্ত নিয়ে ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ যুক্ত হলো সাবমেরিন কেবেলে।

১৫৭ বছর লেগে গেল বঙ্গপোসাগরের তলদেশে তারের স্পর্শ পেতে। এখন দেখা যাক আমরা সাবমেরিন কেবেলে যুক্ত হয়ে কি করছি ? প্রায় তিন বছর যাবৎ আমরা সাবমেরিন কেবেলে যুক্ত আছি। কিন্তু প্রতি মুহুর্তে সারাদেশে যতটুকু ইন্টারনেট ব্যবহার করছি তার চার গুন ব্যবহার না করে নষ্ট করছি। যেমন এই মুহুর্তে এই সংযোগে আমাদের ব্যান্ডউইথ এর পরিমান ৪৪.৬০, আর এই ব্যান্ডউইথের মাত্র ৮ জিবি সারা দেশে ব্যাবহার করছি। বাকি ৩৪.৬০ জিবি ব্যবহার না হওয়ায় প্রতি সেকেন্ডে অপচয় করছি। ঐইদিকে গত বছর ডিসেম্বর মাসে এখানে তৃতীয় আপগ্রেডেশনের কথা ছিল সে ক্ষেত্রে এর ব্যান্ডউইথ হতো ৮৫ জিবিপিএস অনেক অনেক কম খরচে, আমরা এই প্রস্তাব রিজেক্ট করেছি সাভাবিক কারনেই।

বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অধীনে সম্পূর্ন সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানী "বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী" -এর পদাধীকার বলে চেয়ারম্যান জনাব সূনীল কান্তি বোস, সচিব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়, 01713046712, Fax: 7165775 E-mail: [email protected] আপনি প্রতি সেকেন্ডে অব্যবহৃত ৩৪.৬০ জিবিপিএস ইন্টারনেট আইএসপি গুলিকে গত মাসের কেনা ব্যান্ডউইথের অনুপাতে আপাতত আগামী তিন মাসের জন্য সেলস অফার হিসেবে ফ্রী দিয়ে দেয়ায় কার্যকারী পদক্ষেপ নিন। আমরা দেখি পৃথিবীর অতীত আমাদের বর্তমান নেটওয়ার্কে পাঁচ-দশ কেবির পরিবর্তে আমরা ত্রিশ-চল্লিশ কেবিপিএস অন্তত পাই কিনা ? কোম্পানীর চেয়ারম্যান হিসাবে পাবলিক প্রপার্টি জনগনের স্বার্থে ব্যবহার নিশ্চিত করা আপনার দায়িত্ব। আপনি এরকম গুরুত্বপূর্ন একটা সম্পদ অপচয় করে রাষ্ট্রদ্রহীতারই সমান অপরাধ করছেন।
http://www.bsccl.com.bd/board_of_directors.htm

এদেশের ১০০% টেলিকমিউনিকেশনের জন্য দায়ী ব্যাক্তির লিস্ট নিচে দেয়া হলো। এদের কি করবেন আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন।

১. জনাব রাজিউদ্দিন আহাম্মে রাজু, মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। জনাবে জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ পাশ।
২. জনাব সুনিল কান্তি বোস, সচিব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়।
৩. মেজর জেনারেল অব জিয়া আহাম্মেদ পিএসপি চেয়ারম্যান বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরী কমিশন)
৪. জনাব সুনিল কান্তি বোস, চেয়ারম্যান টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ।
৫. জনাব সুনিল কান্তি বোস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সাবমেরিন কম্পানী লিঃ
৬. জনাব সুনিল কান্তি বোস, সভাপতি ন্যাশনাল ফ্রিকোয়েন্সি এলোকেশন কমিটি।
৭. জনাব সুনিল কান্তি বোস, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ক্যাবল শিল্প লিঃ।

এদের আগে যারা ছিল তাদের পিডানোর সুজোগ এদের দেয়া যেতে পারে তবে আজকের সব কয়ডারে রাস্তায় ফালাইয়া পিডাইয়া পিডাইয়া সারদিন ঘুড়াইলেও তোমাদের (জাতির প্রতি) এই ঋন কোন দিন শেষ হবে না। না না না শেষ হবে না। ঠিকানা সব হারামজাদারঃ http://www.mopt.gov.bd/

আরও ক্ষতি দেখুনঃ

বাংলাদেশের অপটিক ফাইবারের ব্রডব্যন্ডের ভবিষ্যত চুড়ান্ত শেষ মানে ধ্বংস করা হলো। Click This Link

তোমাদের (জাতির প্রতি) এই ঋন কোন দিন শেষ হবে না। না না না শেষ হবে না। Click This Link


প্রচারেঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ ফ্রীডম ফাইটার্স (DBF2)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
২৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×