এইটা হইলো সাবমেরিন ক্যাবেলের ইতিহাস।
এইটা হইলো বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল সংযোগ।
সমুদ্রের নীচে দিয়ে টেলিগ্রাফিক তার লাগানোর প্রস্তাব প্রথম দিয়েছিল ১৭৯৫ সালে, স্পেনের একটি কোম্পানি। তবে ১৮৫০ সালের আগে তেমন অগ্রতি হয়নি। তখন প্রথম তারটি শোয়ানো হয়েছিল ইংলিশ চেনেলে, ফ্রান্স ও ইংলেন্ডের মাঝে। ১৮৫৬ সালে প্রথম ট্রান্স আটলান্টিক কেবেলটি রানী ভিক্টরিয়া আমেরিকার প্রসিডেন্ট জেমসের সাথে টেলিগ্রাফিক মেসেজ দিয়ে উদ্ভোদন করেছিল। ১৮৭০ সালেই উপমহাদেশের বোম্বের সাথে লন্ডনের প্রথম সংযোগ তারটি ফেলা হয়েছিল।
তারগুলির একটা বৈশিষ্ট হলো এগুলোর স্থায়িত্ব পনের-বিশ বছর করে। এরপর রিপ্লেস করা হয় আরও উন্নত সুবিধার ও দ্রুতগতির তার দিয়ে। ১৯৫০ সালের পর দেখা যায় আটলান্টিকে ইংলিশ চ্যানেলে প্রশান্ত মহাসাগরে একের পরএক আরও দ্রুতগতী ও অধিক ক্যাপাসিটির কেবেল লাগানো হতে থাকে।
আমাদের এ অঞ্চলের পাশ দিয়ে যে তারটিতে প্রথম যায়, তা গিয়েছিল ১৯৭৮ সালে। এই পরিবারটির নাম South-East Asia-Middle East-Western Europe ক্যাবল সিস্টেম। ৩৫ হাজার কিলোমিটারের এই তারটি সংক্ষেপে SEA-ME-WE-1 নামে পরিচিত। আর SEA-ME-WE-2 ছিল এ অঞ্চলের প্রথম অপটিকেল ফাইবার ফেলা হয় ১৯৮৫ সালে।
তৃতীয় তারের কাজ শুরু হয় ১৯৯৪ সালে আরও অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন ফাইবার অপটিক এই তারটির নাম SEA-ME-WE -3, এবারও আমরা সংযুক্ত হলাম না। অবশেষে ২০০২ সালে মেমোরেন্ডাম স্বাক্ষরীত হওয়া SEA-ME-WE -4-এ চার বছর অতিবাহিত করে ২০০৫ সালে সিদ্ধান্ত নিয়ে ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ যুক্ত হলো সাবমেরিন কেবেলে।
১৫৭ বছর লেগে গেল বঙ্গপোসাগরের তলদেশে তারের স্পর্শ পেতে। এখন দেখা যাক আমরা সাবমেরিন কেবেলে যুক্ত হয়ে কি করছি ? প্রায় তিন বছর যাবৎ আমরা সাবমেরিন কেবেলে যুক্ত আছি। কিন্তু প্রতি মুহুর্তে সারাদেশে যতটুকু ইন্টারনেট ব্যবহার করছি তার চার গুন ব্যবহার না করে নষ্ট করছি। যেমন এই মুহুর্তে এই সংযোগে আমাদের ব্যান্ডউইথ এর পরিমান ৪৪.৬০, আর এই ব্যান্ডউইথের মাত্র ৮ জিবি সারা দেশে ব্যাবহার করছি। বাকি ৩৪.৬০ জিবি ব্যবহার না হওয়ায় প্রতি সেকেন্ডে অপচয় করছি। ঐইদিকে গত বছর ডিসেম্বর মাসে এখানে তৃতীয় আপগ্রেডেশনের কথা ছিল সে ক্ষেত্রে এর ব্যান্ডউইথ হতো ৮৫ জিবিপিএস অনেক অনেক কম খরচে, আমরা এই প্রস্তাব রিজেক্ট করেছি সাভাবিক কারনেই।
বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের অধীনে সম্পূর্ন সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানী "বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানী" -এর পদাধীকার বলে চেয়ারম্যান জনাব সূনীল কান্তি বোস, সচিব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়, 01713046712, Fax: 7165775 E-mail: [email protected] আপনি প্রতি সেকেন্ডে অব্যবহৃত ৩৪.৬০ জিবিপিএস ইন্টারনেট আইএসপি গুলিকে গত মাসের কেনা ব্যান্ডউইথের অনুপাতে আপাতত আগামী তিন মাসের জন্য সেলস অফার হিসেবে ফ্রী দিয়ে দেয়ায় কার্যকারী পদক্ষেপ নিন। আমরা দেখি পৃথিবীর অতীত আমাদের বর্তমান নেটওয়ার্কে পাঁচ-দশ কেবির পরিবর্তে আমরা ত্রিশ-চল্লিশ কেবিপিএস অন্তত পাই কিনা ? কোম্পানীর চেয়ারম্যান হিসাবে পাবলিক প্রপার্টি জনগনের স্বার্থে ব্যবহার নিশ্চিত করা আপনার দায়িত্ব। আপনি এরকম গুরুত্বপূর্ন একটা সম্পদ অপচয় করে রাষ্ট্রদ্রহীতারই সমান অপরাধ করছেন।
http://www.bsccl.com.bd/board_of_directors.htm
এদেশের ১০০% টেলিকমিউনিকেশনের জন্য দায়ী ব্যাক্তির লিস্ট নিচে দেয়া হলো। এদের কি করবেন আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন।
১. জনাব রাজিউদ্দিন আহাম্মে রাজু, মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। জনাবে জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ পাশ।
২. জনাব সুনিল কান্তি বোস, সচিব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়।
৩. মেজর জেনারেল অব জিয়া আহাম্মেদ পিএসপি চেয়ারম্যান বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরী কমিশন)
৪. জনাব সুনিল কান্তি বোস, চেয়ারম্যান টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ।
৫. জনাব সুনিল কান্তি বোস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সাবমেরিন কম্পানী লিঃ
৬. জনাব সুনিল কান্তি বোস, সভাপতি ন্যাশনাল ফ্রিকোয়েন্সি এলোকেশন কমিটি।
৭. জনাব সুনিল কান্তি বোস, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ক্যাবল শিল্প লিঃ।
এদের আগে যারা ছিল তাদের পিডানোর সুজোগ এদের দেয়া যেতে পারে তবে আজকের সব কয়ডারে রাস্তায় ফালাইয়া পিডাইয়া পিডাইয়া সারদিন ঘুড়াইলেও তোমাদের (জাতির প্রতি) এই ঋন কোন দিন শেষ হবে না। না না না শেষ হবে না। ঠিকানা সব হারামজাদারঃ http://www.mopt.gov.bd/
আরও ক্ষতি দেখুনঃ
বাংলাদেশের অপটিক ফাইবারের ব্রডব্যন্ডের ভবিষ্যত চুড়ান্ত শেষ মানে ধ্বংস করা হলো। Click This Link
তোমাদের (জাতির প্রতি) এই ঋন কোন দিন শেষ হবে না। না না না শেষ হবে না। Click This Link
প্রচারেঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ ফ্রীডম ফাইটার্স (DBF2)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



